পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাPSCতারিখ২০ নভেম্বর, ২০২৫সময়30 minutes৫৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫৯
সিলেবাস
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি) পদের নাম: মেডিক্যাল অফিসার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২০.১১.২০২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

PSC · ২০ নভেম্বর, ২০২৫ · ৫৯ প্রশ্ন

.
I completed the exam and left the hall. What type of sentence is it?
  1. Simple
  2. Compound
  3. Complex
  4. Optative
ব্যাখ্যা

The required answer is - Compound sentence.

Compound sentence:  
- Compound sentence এ একের অধিক principal clause থাকে, যাদেরকে coordinate clause বলা হয়।
- অর্থাৎ, Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা coordinate clause থাকে।
- এছাড়া, Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or, neither --- nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে। 

উল্লিখিত প্রশ্নে "I completed the exam" এবং "I left the hall" দুটি আলাদা principal clause.
- এগুলোকে "and" coordinating conjunction দ্বারা সংযুক্ত করা হয়েছে।
- তাই, এটি একটি compound sentence.


উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,

• Simple sentence:
- A simple sentence consists of a single independent clause that expresses a complete thought.
- একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে,
- যেমন:
- In her paintings, the artist captures the resilience of the human spirit.
- The sun shines brightly in the sky.

• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে।
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।
যেমন:
- The house that has a red roof is mine.
- After finishing his homework, Tom played video games with his cousins.
- Even though she was tired, she stayed up late to finish her project.

Optative sentence:
- যে sentence- এ মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে Optative Sentence বলে। 
- Structure: May + subject + verb + extension. 
যেমন:
- May Bangladesh prosper day by day. 

- অনেক সময় May উহ্য থাকে।
যেমন: 
- Long live the king. 

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
Translate into English -'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি'
  1. You will find such a country no where.
  2. No where you will find such a country.
  3. No where will you find such a country.
  4. You will find a country like this no where.
ব্যাখ্যা

The correct English translation of: "এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি" is - Nowhere will you find such a country.

• English translation টিতে 'Inversion of verb' এর নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
- কারণ, প্রদত্ত বাক্য "এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি" দ্বারা জোর প্রদান করা হয়েছে।

• Inversion of verb:
- বাক্যে কোনো কিছুতে জোর প্রদান করতে বা প্রশ্ন করতে subject -এর পুর্বে verb ব্যব্যহৃত হলে, তাকে Inversion of verb বলে।
- Negative adverb, যেমন: Hardly, Rarely, Scarcely, Seldom, Never, Never again, No sooner, Nowhere, neither, nor ইত্যাদি Negative adverb/ adverbial phrase বা word বাক্যের শুরুতে বসে Verb এর উপর জোর প্রদান করে।

• Structure: Negative adverb + Auxiliary verb + Sub + Principal verb + Ext.
• যেমন: Never will I do it again.

সুতরাং, 'Inversion of verb' - এর নিয়ম অনুসারে প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যের সঠিক অনুবাদ হবে - Nowhere will you find such a country.

Source:
1. A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

.
Fill in the blank. 'You and I talked with Dr. Habib yesterday, ________?'
  1. didn't you?
  2. didn't I?
  3. didn't we?
  4. didn't they?
ব্যাখ্যা

Tag question করার নিয়ম:
- Tag question ব্যবহার করা হয় উক্তিটি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টি negative হবে।
- Subject ও tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question হয়।

• "You and I" মিলিয়ে we হয়।
- বাক্যটি past tense (talked), তাই tag হবে didn't।

সুতরাং tag question হবে: didn't we?

Complete sentence: You and I talked with Dr. Habib yesterday, didn't we?

.
The verb form of 'necessity' is-
  1. necessary
  2. necessitate
  3. necessitise
  4. necessitati
ব্যাখ্যা

The verb form of 'necessity' is - necessitate.

• Necessity হলো noun. যার অর্থ হলো জরুরি প্রয়োজন; আবশ্যকতা; যেসব পরিস্থিতি কাউকে কিছু করতে বাধ্য করে।

• Necessitate (Verb):
- English meaning: To make something necessary.
- Bangla meaning: আবশ্যিক/ অপরিহার্য করে তোলা।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Necessary (Adjective): প্রয়োজনীয়; আবশ্যক; অপরিহার্য; দরকারি।
- Necessitise: ভুল শব্দ, ইংরেজিতে নেই।
- Necessitati: ভুল শব্দ।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

.
What is the antonym of the word 'appropriate'?
  1. Parallel
  2. Synonymous
  3. Hostile
  4. Inappropriate
ব্যাখ্যা

• Appropriate (Adjective):
- English Meaning: Correct or right for a particular situation or occasion.
- Bangla Meaning: Appropriate (for/to something) যথাযথ; যথোচিত; মানানসই: His style of writing is not appropriate to his subject.
- (verb transitive) 
(১) বিশেষ উদ্দেশ্যে আলাদা করে রাখা: Tk 5,000.00 has been appropriated for building a community center. 
(২) আত্মসাৎ করা: He is suspected of appropriating government funds.

Synonyms: Suitable (উপযোগী), Proper (উপযুক্ত), Convenient (সুবিধাজনক), Fitted (মানানসই), Proper (যথোপযুক্ত)। 
Antonyms: Inappropriate (অনুপযোপী; অযোগ্য), Irrelevant (অপ্রাসঙ্গিক), Inapplicable (অপ্রযোজ্য), Inapt (অযোগ্য), Indecent (অশোভন)।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Parallel - সমান্তরাল;
- Synonymous - সমার্থক; সমনামিক;
- Hostile -  শত্রুপক্ষীয়; বৈরী।

Example sentence:
- The government appropriated funds for education.
- This is the appropriate time to start the meeting.

Source: Live MCQ Lecture and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

.
Name the type of errors happens in the sentence- The bride and the groom bear the same identical retina colour.
  1. Wrong parallelism
  2. Redundancy
  3. Unequal comparison
  4. Wrong verb
ব্যাখ্যা

The required answer is - Redundancy.

• Redundancy (Noun):
- English meaning: As in repetition, the use of too many words to express an idea
- Bangla meaning: বাহুল্য; আতিরেক্য; প্রয়োজনাতিরিক্ততা।

• প্রদত্ত বাক্যটি: The bride and the groom bear the same identical retina colour.
- এখানে "same" এবং "identical" শব্দ দুটো একে অপরের অর্থ পুনরাবৃত্তি করছে।
- অর্থাৎ redundancy ঘটেছে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) Wrong parallelism - এটি তখন হয় যখন সমান্তরাল কাঠামো (parallel structure) ঠিক না থাকে; এখানে এমন সমস্যা নেই।
গ) Unequal comparison - তুলনা সম্পর্কিত ভুল; এখানে তুলনা করা হয়নি।
ঘ) Wrong verb - verb "bear" ঠিকভাবে ব্যবহার হয়েছে।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

.
________ is not a synonym of hardworking.
  1. Careful
  2. Thorough
  3. Meticulous
  4. Objective
ব্যাখ্যা

Objective is not a synonym of hardworking.

• Hardworking (Adjective):
- English meaning: Putting a lot of effort into a job and doing it well.
- Bangla meaning: পরিশ্রমী।

উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Careful - সতর্ক/ হুঁশিয়ার/ সাবধান/ মনোযোগী/ যত্নবান হওয়া।
- Thorough - সর্বতোভাবে; সম্পূর্ণ; আনুপুঙ্খিক; কিছুই উপেক্ষা করে না বা বিস্মৃত হয় না এমন;
- Meticulous - খুঁটিনাটির ব্যাপারে অতি যত্নশীল; অতি সতর্ক ও যথাযথ;
- Objective - লক্ষ্যবস্তু, উদ্দেশ্য।

সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, Objective is not a synonym of hardworking.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

.
What is proper noun? 
  1. an action
  2. an idea
  3. general items
  4. specific items
ব্যাখ্যা

The required answer is - specific items.

Proper Noun:

- যে Noun দ্বারা নির্দিষ্টভাবে কোন ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, পদবী ইত্যাদি বুঝানো হয় তাকে proper noun বলে।
- Proper noun সবসময় capital letter দিয়ে শুরু হয়।

Examples:
- Person: Rabindranath Tagore → রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- Place: Dhaka → ঢাকা।
- Organization: United Nations → জাতিসংঘ।

Source: A Passage To The English Language S.M Zakir Hussain.

.
Which of the underlined words is a noun?
  1. The heavens are above.
  2. The bird is flying above the field.
  3. Read the sentence given above.
  4. Blessing comes from above.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Blessing comes from above.

• Traditional grammar এর নিয়মে Prpeosition এর পরে একটিমাত্র word থাকলে তা Noun হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে from (preposition) এরপর একটিমাত্র word 'above' রয়েছে।
- তাই, এটি প্রদত্ত sentence এ Noun হবে

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) The heavens are above.
-  Here, "above" is an adverb (modifies "are", telling where).
- অর্থাৎ, 'in or to a higher place' বুঝাচ্ছে, তাই adverb of place.

খ) The bird is flying above the field.
- Noun Phrase (Article + Noun) এর পূর্বে Preposition বসে।
- আর, প্রদত্ত sentence এ the field (Article + Noun) হলো Noun Phrase.
- তাই, এর আগের above টি এখানে Preposition.

গ) Read the sentence given above.
- এখানে "above" হলো adverb.
- above modifies the verb given (বা পুরো phrase “sentence given”) → কিভাবে/ কোথায় sentence দেওয়া হয়েছে তা নির্দেশ করছে।
-“above” এখানে location/ position বোঝাচ্ছে।
- তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করছে।

১০.
Fill up the blank: I waited for my friend until he _______.
  1. have come
  2. came
  3. had come
  4. has come
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• When, as, till, until ইত্যাদি যখন সময় অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন এগুলোর পুর্বে past form থাকলে পরের অংশে past indefinite এবং past perfect tense দুইটির ব্যবহারই শুদ্ধ।
• যেমন:
- We waited until she had finished speaking.
- এখানে until এর আগের অংশে past indefinite tense এবং পরের অংশে past perfect tense ব্যবহৃত হয়েছে।

• আবার,
- We played until it got dark.
- এখানে, until এর আগে এবং পরে উভয় ক্ষেত্রেই past indefinite tense ব্যবহৃত হয়েছে।

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - came এবং had come দুটিই সঠিক।
- অপশনে একাধিক উত্তর থাকায় উত্তর নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

Source: Merriam-webster Dictionary, Longman Dictionary.

১১.
Usually a gerund becomes a verbal noun when-
  1. It is preceded by "the" and followed by "of"
  2. It is preceded by "of" and followed by "the"
  3. It is preceded by an object
  4. It is preceded by an Subject
ব্যাখ্যা

• Usually, a gerund becomes a verbal noun when - It is preceded by "the" and followed by "of".

• Verbal Noun:

- যখন Verb + ing (gerund) এর পূর্বে the এবং পরে of বসে তখন তাকে Verbal Noun বলে।
- The + (verb+ing) + of = verbal noun.
- Verbal Noun মূলত verb থেকে তৈরি হলেও এর দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

Example sentence:
- The writing of a good letter is not easy.
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী "The writing of a good letter is not easy." এই বাক্যে Verbal Noun আছে।
- কারণ, writing এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে। 

Source: Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১২.
Identify the tone of the speaker in the following sentence. "You are a terrible liar"
  1. Aggressive tone
  2. Assertive tone
  3. tone of Triumphant
  4. tone of amazement
ব্যাখ্যা

The required answer is - Aggressive tone.

• Given sentence, You are a terrible liar.
- এখানে terrible liar দ্বারা ভয়ংকর বা ভয়াবহ মিথ্যাবাদী বা যে মিথ্যা কথা বলে এরকম বুঝানো হয়েছে।
- বক্তা এখানে  সরাসরি কাউকে আপত্তিকর বা খারাপ গুণের জন্য অভিযোগ করছে।
- এই ধরণের ভাষা সাধারণত aggressive (আক্রমণাত্মক) tone প্রকাশ করে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
খ) Assertive tone → আত্মবিশ্বাসী ও স্থির বক্তব্য, কিন্তু আক্রমণাত্মক নয়।
গ) Tone of Triumphant → জয় বা বিজয় উদযাপন করার সুর; এখানে নেই। 
ঘ) Tone of amazement → অবাক হওয়ার সুর; এখানে নেই।

১৩.
In which of the sentences, the gerund is the object of the verb?
  1. I love eating Apples.
  2. Cleaning is his favourite pastime
  3. Eating is his hobby.
  4. Rani was tired of working.
ব্যাখ্যা

Correct answer: I love eating Apples.

Gerund:
- Gerund হলো এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।

Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে বসে।
- Object হিসেবে বসে।
- Preposition এর Object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'eat' (Verb) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে verb (love) এর Object হিসেবে বসে।
- যখন verb এর Object হিসেবে বসে Noun এর মতো কাজ করে তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• Cleaning is his favourite pastime.
- এখানে subject of the verb is, object নয়।

• Eating is his hobby.
- এখানে subject of the verb is, object নয়।

• Rani was tired of working.
- এখানে object of the preposition "of", verb এর object নয়।

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. 

১৪.
What is the single word for 'A hater of mankind'?
  1. Philanthropist
  2. Misanthropist
  3. Humanitarian
  4. Misogynist
ব্যাখ্যা

The single word for 'A hater of mankind' is - Misanthropist.

• Misanthropist:
- English meaning: One who hates mankind.
- Bangla meaning: মানববিদ্বেষী।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• Philanthropist (noun)
- English Meaning: A person who helps the poor, especially by giving them money.
- Bangla meaning: (জনহিতৈষী ব্যক্তি)।

• Humanitarian (noun)
- English meaning: (a person who is) Involved in or connected with improving people's lives and reducing suffering.
- Bangla meaning: মানুষের ক্লেশলাঘব, দণ্ডনীতির সংস্কারসাধন ইত্যাদি উপায়ে যে ব্যক্তি সব মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেন; ঐরূপ ব্যক্তিবিষয়ক কিংবা ঐরূপ ব্যক্তি মতাবলম্বী; লোকহিতব্রতী; মানবহিতৈষী; লোকহিতকর; জনহিতকর।

• Misogynist (adjective)
- English meaning: A person who hates or dislikes women or believes they are not as good as men.
- Bangla meaning: নারীবিদ্বেষী।

Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৫.
Fill up the blank: 'Neither of the boys ______ ready to go.'?
  1. are
  2. am 
  3. is
  4. was
ব্যাখ্যা

Correct answer: Neither of the boys is ready to go.

• Each of, Either of, Neither of এর পরে plural noun বা pronoun এবং singular verb বসে।

- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither + of + plural noun + singular verb.
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।

• বাক্যটি present situation বোঝাচ্ছে (ready to go → এখন বা সাধারণভাবে প্রস্তুত হওয়া)।
- তাই present tense ব্যবহার করতে হবে।
- তাই, এখানে was না হয়ে is হয়েছে।

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. 

১৬.
Choose the correct statement.
  1. The boy gave his examination.
  2. The boy took his examination.
  3. The teacher took him examination.
  4. The boy gave of his examination.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - The boy took his examination.

• "take an exam" – এই idiomatic expression ইংরেজিতে ছাত্রের পক্ষ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Example: I took my math exam yesterday. → আমি গতকাল আমার গণিত পরীক্ষা দিলাম।

• "give an exam"– সাধারণত শিক্ষকের জন্য ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ শিক্ষক পরীক্ষা নেয়।
- Example: The teacher gave the students an exam. → শিক্ষক ছাত্রদের পরীক্ষা নিলেন।

• প্রদত্ত sentence টি হলো: The boy took his examination.
- এটি সঠিক ইংরেজি ব্যবহার।
- "take an exam" = পরীক্ষা দেওয়া/ দেখানো।
- এখানে subject (The boy) এবং verb (took) ঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- তাই, প্রদত্ত sentence টি ছাত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে অর্থে সঠিক

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) The boy gave his examination.
- ভুল, কারণ ছাত্র give an exam ব্যবহার করে না।

গ) The teacher took him examination.
- ভুল, কারণ him ভুল pronoun; সঠিক হবে his examination.

ঘ) The boy gave of his examination.
- ভুল preposition এবং verb ব্যবহৃত হয়েছে → grammatically ভুল।

১৭.
Identify the gender of the noun "darling"
  1. Masculine
  2. Feminine
  3. Common
  4. Neuter
ব্যাখ্যা

The gender of the noun "darling" is - Common.

Darling:
- English meaning: A way of addressing somebody that you love.
- Bangla meaning: অতিপ্রিয় ব্যক্তি বা বস্তু; প্রিয়তম; সুপ্রিয়; প্রাণতম।

Common Noun:
- নির্দিষ্ট কোনকিছুর নামকে নির্দেশ না করে কোনকিছুর সাধারণ নামকে নির্দেশ করে।

• Darling – a general word for a beloved person, used for both males and females.
- সুতরাং এটি দ্বারা কোনো প্রিয় বা স্নেহের মানুষকে বোঝানো হয়, এবং এটি পুরুষ বা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়।
- তাই, এটি Common Gender.

১৮.
Which is the correct sentence?
  1. Let he and I go
  2. Let I and he go.
  3. Let me and him go.
  4. Let him and me go. 
ব্যাখ্যা

Correct answer: Let him and me go.

• সাধারণত To be verb ছাড়া সকল verb এর পরে pronoun এর objective form বসে। 
- Let একটি verb, Let এর পরে সাধারণত pronoun এর objective form বসে।
- এক্ষেত্রে, একাধিক objective form থাকলে সব ক্ষেত্রে প্রথমে 2nd person তারপর, 1st person, তারপর 3rd person (231) বসে।
- তাই, correct answer টি হবে - Let him and me go.

Note:
- আর দোষ/ অপরাধ স্বীকার করার ক্ষেত্রে সাধারণত 1st person, 2nd person, 3rd person (123) নিয়মে বসে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- (ক) এবং (খ) অপশনে "Let" এর পরে subjective case আছে। কিন্তু "Let" এর পরে subjective case বসে না। He এবং I এর objective case "him" এবং "me" হবে।
- Correct answer: Let him and me go.

- (গ) অপশনে pronoun এর objective form হবে।
- এক্ষেত্রে, একাধিক objective form থাকলে সব ক্ষেত্রে প্রথমে 2nd person তারপর, 1st person, তারপর 3rd person (231) বসে।
- Correct answer: Let him and me go.

১৯.
Identify the part of speech of the underlined word in the following sentence: 'Tourist spots of southwestern Bangladesh like Kuakata and Sundarbans are now easily reachable from Dhaka'
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

The required answer is - Adjective.

• 'southwestern Bangladesh' অর্থ 'দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশ'।
- 'southwestern' শব্দটি এখানে Adjective. কারণ Adjective এর কাজ হলো Noun বা Pronoun আগে বসে এর দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা দেয়া।
- এখানে “southwestern” শব্দটি “Bangladesh” noun কে modify করছে। আমরা এর মাধ্যমে বুঝতে পারি যে বাংলাদেশ এর কোন অঞ্চল বোঝানো হচ্ছে—দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত অঞ্চল।
- তাই, এই বাক্যে 'southwestern' শব্দটি Adjective.

Source: A Passage  to the English Language S. M. Zakir Hussain

২০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সর্বশেষ গল্প কোনটি?
  1. শাস্তি
  2. পোস্টমাস্টার
  3. মুসলমানীর গল্প
  4. সমাপ্তি
ব্যাখ্যা

• "মুসলমানীর গল্প":
- "মুসলমানীর গল্প" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষ গল্প। মৃত্যুর ছয় সপ্তাহ আগে ২৪-২৫ জুন ১৯৪১, বাংলা আষাঢ় ১৩৬২-তে গল্পটি রচিত। 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মুসলমানীর গল্প' একটি মানবতাবাদী ছোটগল্প যা সমাজের ধর্মীয় বিভেদ ও জাতপাতের কঠোর সমালোচনা করে। ১৯৪১ সালে লেখা এই গল্পটি মূলত একজন হিন্দু মেয়ে এবং এক মুসলমান বৃদ্ধের মধ্যে মানবিক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে রচিত, যেখানে সমাজে প্রচলিত সংকীর্ণতা ও সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ রয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষদিকের রচনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। 
 
- এই গল্পের প্রধান চরিত্র হবির খাঁ, আর গল্পের ভরকেন্দ্রে রয়েছে বর্ণ হিন্দুদের জাতপাতের সমালোচনার সঙ্গে মুসলমানদের উদারতার কথা। হবির খাঁকে এলাকার মানুষ 'পয়গম্বরের মতোই ভক্তি করত'।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু বিখ্যাত গল্প হলো-
• অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল।

• আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প:
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

• সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প:
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'মুসলমানীর গল্প'।

২১.
কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. বাঁধন হারা
  2. রিক্তের বেদন
  3. মৃত্যু-ক্ষুধা
  4. কুহেলিকা
ব্যাখ্যা

• 'রিক্তের বেদন' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।

• 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থ:

- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রিক্তের বেদন' দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
- এই গল্পগ্রন্থের প্রতিটি গল্পই সমকালীন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- গল্পগুলোর প্রধান বিষয় হলো- প্রেম। এই গ্রন্থে প্রেমকে কেন্দ্র করে পারিপার্শ্বিক ঘটনা ও নারীদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

'রিক্তের বেদন' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্পগুলো:
- রিক্তের বেদন,
- বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী,
- মেহের নেগার,
- সাঁঝের তারা,
- রাক্ষুসী,
- স্বামী হারা,
- দুরন্ত পথিক।

অন্যদিকে,
-------------------
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া এবং 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থ।

২২.
'মর্সিয়া' শব্দের অর্থ কী?
  1. শোক বা আহাজারি
  2. বেদনা মিশ্রিত কাব্য
  3. শোক কাব্য
  4. দুঃখ
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• মর্সিয়া (বিশেষ্য পদ), 
- শব্দটি ফারসি থেকে আগত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- মৃত্যু উপলক্ষ্যে রচিত শোকগাথা। 
- কারবালার যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শোকগাথা,
- মহরমে গীত শোকগাথা/ শোক কাব্য।

ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
কুলফি, কুস্তি, কোফতা, গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
অভিগম্য অভিধান অনুসারে মর্সিয়া আরবি ভাষার শব্দ।

[অপশনে আরবি ও ফারসি উভয়টি থাকলে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানকে প্রাধান্য দিয়ে সঠিক উত্তর ফারসি গ্রহণ করতে হবে।]

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরতিচিহ্ন ব্যবহারের কৃতিত্ব কার?
  1. অক্ষয় কুমার
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. চন্ডীচরণ মুনশী
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে বিরাম-চিহ্নের সুষ্ঠু ব্যবহার করেন। ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতিচিহ্নের / বিরামচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটান। এ কারণেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন।

- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৪.
'খনার বচন' এর মূলভাব কী?
  1. সামাজিক মঙ্গলবোধ 
  2. শুদ্ধ জীবন-যাপন রীতি
  3. রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি
  4. লৌকিক প্রণয় সঙ্গীত
ব্যাখ্যা

• খনার বচন এর মূলভাব- শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।

• খনার বচন:
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- 'খনার বচন' রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
নবান্ন নাটক লিখেছেন-
  1. অমৃতলাল বসু
  2. সাঈদ আহমেদ
  3. নুরুল মোমেন
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

• 'নবান্ন' নাটক:
- বিজন ভট্টাচার্য এর নবান্ন পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় অবদান রাখেন।
- পঞ্চাশের মন্বন্তর, সমকালীন জাতীয় আন্দোলন, মেহনতি মানুষের চাহিদা ইত্যাদি প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ কৃষক সমাজের দুঃখ-দুর্দশা, তাদের সংগ্রাম, সফলতা- ব্যর্থতা নাটকের মূল সুর।

------------------
• বিজন ভট্টাচার্য:
- বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন নাট্যকার ও অভিনেতা। ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার পটভূমিকায় তিনি রচনা করেন 'জীয়নকন্যা' নাটক।
- এছাড়া তাঁর আরও দুটি নাটক হলো মরাচাঁদ ও কলঙ্ক।

তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:
- নবান্ন,
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৬.
আমূল শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. নয় মূল 
  2. মূল থেকে
  3. মূল পর্যন্ত
  4. ন মূল
ব্যাখ্যা

• অব্যয়ীভাব সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয়ের সঙ্গে পরপদ বিশেষ্যের সমাস হয় এবং অব্যয় পদের অর্থই প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
যেমন:
- জীবন পর্যন্ত = আজীবন;
- সমুদ্র পর্যন্ত = আসমুদ্র;
- মূল পর্যন্ত = আমূল;
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- পাদ (পা) থেকে মস্তক পর্যন্ত = আপাদমস্তক;
- আদি থেকে অস্ত পর্যন্ত = আদ্যন্ত;
- কণ্ঠ পর্যন্ত = আকণ্ঠ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯- সংস্করণ)। 

২৭.
'চর্যাপদ' যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম কে প্রমাণ করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. ড. এনামুল হক 
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।

- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়।

- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে। এটি 'বৌদ্ধগান ও দোহা' বা 'চর্যাপদ' নামেই অভিহিত হয়ে থাকে। চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

চর্যাপদ বিষয়ক বিভিন্ন আলোচনা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃত দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

• ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে- চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তনিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৈদ্ধ সহজান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

২৮.
ইউসুফ জোলেখা প্রণয়-কাব্যটি অনুবাদ করেছেন?
  1. দৌলত কাজী
  2. মাগন ঠাকুর
  3. আজম শাহ
  4. শাহ মুহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা

• ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
- 'ইউসুফ-জোলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য। তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।

- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।

- বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।

- পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জোলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তবে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

২৯.
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ২টি 
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
তার মধ্যে - 
 → একটি ভারত এবং
 → অপরটি মিয়ানমার।

 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা -৩২টি।
 → ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি
 → মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা-
৩টি।
 → মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান।
 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৩০.
কোনটি অশুদ্ধ?
  1. কর্শণ
  2. যুধিষ্ঠির
  3. কিষাণ
  4. অভিলাস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

[প্রশ্নের অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
- প্রশ্নটি যদি হতো- 'কোনটি শুদ্ধ?' তাহেলে সঠিক উত্তর হতো অপশন (খ) 'যুধিষ্ঠির'। 

প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলো বিশ্লেষণ কলা হলো-
• (ক) অপশনে প্রদত্ত 'কর্শণ' অশুদ্ধ বানান। 
শুদ্ধ রূপ- কর্ষণ। 
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ: চাষ, আকর্ষণ, পীড়ন। 

• (খ) অপশনে প্রদত্ত 'যুধিষ্ঠির' বানানটি শুদ্ধ। 

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• (গ) এর কিষাণ বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ কিষান। 
 
• আবার অভিগম্য অভিধান অনুসারে,
কিষান ও কিষাণ উভয় বানানই শুদ্ধ। 
অর্থ- কৃষ; চাষি, ভূমিহীন চাষি। 

•  অপশন 'ঘ' তে প্রদত্ত 'অভিলাস' বানানটিও অশুদ্ধ।
এর শুদ্ধরূপ - অভিলাষ।   

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান। 

৩১.
মীর মোশাররফ হোসেন লিখিত নিচের রচনাগুলোর মধ্যে কোনটি নাটক?
  1. রত্নাবতী
  2. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  3. জমিদার দর্পণ
  4. বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা

• 'জমিদার দর্পণ' নাটক:
- লেখক মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক 'জমিদার দর্পণ'।
- নাটকটি ১৮৭২-৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সংঘটিত কৃষক-বিদ্রোহের পটভূমিকায় রচিত।
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্ত প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নূরন্নেহারকে ধর্ষন ও হত্যার কাহিনি এর মূল ঘটনা।
- 'জমিদার দর্পণ' উনিশ শতকের কৃষক শ্রেণির জীবনধারার উপর ভিত্তি করে রচিত ঐ শতাব্দের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।

-----------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক। ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেন মুসলিমদের মধ্যে প্রথম গদ্যগ্রন্থ রচয়িতার মর্যাদা লাভ করেন। তাঁর রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ/উপন্যাস 'রত্নাবতী'।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়। 

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

- আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩২.
'খেউর গাওয়া' বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. গালাগালি করা
  2. প্রলাপ বকা
  3. এক ধরণের গান
  4. প্রশংসা করা
ব্যাখ্যা

• 'খেউর গাওয়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- গালাগালি করা।
বাক্য গঠন: ভদ্রলোক হলে সে এভাবে খেউর গাইত না।

এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো-
• 'কুলোপনা চক্কর' অর্থ- সারহীন আড়ম্বর।
• 'কাষ্ঠ হাসি' অর্থ- কপট হাসি। 
• 'কথায় চিড়ে ভেজা' অর্থ- ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন।
• 'কেঁচে গণ্ডুষ' অর্থ- গোড়া থেকে শুরু।
• 'ঢাকের বাঁয়া' অর্থ- অকেজো। 
• 'চশমখোর' অর্থ- চক্ষুলজ্জাহীন। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা-ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৩.
'ঢেউ' শব্দের সমার্থক কোনটি?
  1. প্রবাহ
  2. উৎক্ষেপণ
  3. গর্জন
  4. লহরি
ব্যাখ্যা

• 'ঢেউ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়- লহরি।


'ঢেউ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তরঙ্গ, কল্লোল, ঊর্মি, হিল্লোল, লহরি, বীচি, জোয়ার, মহাতরঙ্গ, মহোর্মি, বীচিমালা, লহর, তরঙ্গহিল্লোল, দোলা, তরঙ্গভঙ্গ, ঊর্মিলহরী, তরঙ্গমালা, তরঙ্গলহরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
---------------
• 'গর্জন' শব্দের অর্থ-  উচ্চ ও গম্ভীর শব্দ বা ধ্বনি; নাদ (মেঘের গর্জন, সিংহের গর্জন)।
• 'উৎক্ষেপ, উৎক্ষেপণ' শব্দের অর্থ- ঊর্ধ্বে নিক্ষেপ।
• 'প্রবাহ' শব্দের অর্থ-  নিরবচ্ছিন্ন গতি, স্রোত, ধারা (জলপ্রবাহ)।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৪.
'গণনার যোগ্য নয় যা' -এককথায় কী বলে?
  1. অগণ্য
  2. নগণ্য
  3. অপরিমিত
  4. অসংখ্য
ব্যাখ্যা

অভিগম্য অভিধান অনুসারে, 
• নগণ্য (বিশেষণ পদ),
অর্থ:
১. গণনীয় নয় এমন।
২. ধর্তব্য নয় এমন; তুচ্ছ; বাজে।
৩. সামান্য (নগণ্য ক্ষতি, নগণ্য লোক)।
৪. গণনার অযোগ্য; শ্রদ্ধার অযোগ্য।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'অগণ্য' অর্থ- অসংখ্য, অনেক।
• 'অপরিমিত' অর্থ- সীমা বা সংখ্যা করা যায় না এমন, প্রচুর।
• 'অসংখ্য' অর্থ-  অগণ্য, অগণিত, প্রচুর।

[অপশন অনুসারে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর অপশন (খ) নগণ্য।]

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৫.
বাক্যে এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছাকে কী বলে?
  1. আসত্তি
  2. যোগ্যতা
  3. আকাঙ্ক্ষা
  4. ইচ্ছা
ব্যাখ্যা

একটি বাক্যকে সার্থক ও শুদ্ধ হতে হলে কতগুলো গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার। এগুলো হচ্ছে-
- আকাঙ্ক্ষা,
- আসত্তি এবং
- যোগ্যতা।

• আকাক্ষা: বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে স্পষ্টভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
• আসত্তি: মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলি এমনভাবে পরপর সাজাতে হবে যাতে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক থাকে এবং ভাষার নিয়ম অনুযায়ী নৈকট্য থাকে।
• যোগ্যতা: বাক্যের পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নামই যোগ্যতা।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. তার জীবন সংশয়পূর্ণ
  2. তার জীবন সংশয়াময়
  3. তার জীবন সংশয়াপূর্ণ
  4. তার জীবন সংশয়ভরা
ব্যাখ্যা

• সংশয় (বিশেষ্য):
১. সন্দেহ; দ্বিধা; দ্বৈধবোধ (সংশয় চিত্তের দুর্বলতা প্রকাশক)।
২. ভবিষ্যতের ব্যাপারে ভয় (জীবন সংশয়)।
৩. অনিশ্চয়তাবোধ (ভিতরে একটা শব্দ শুনিয়া কেমন যেন সংশয় হইল-শামসুর রাহমান)।

'সংশয়' শব্দটির বিশেষণরূপ- সংশয়িত, সংশয়াকুল, সংশয়পূর্ণ।
'সংশয়পূর্ণ' শব্দটির অর্থ সন্দেহপূর্ণ বা দ্বিধাপূর্ণ।

সুতরাং, শুদ্ধ বাক্যটি হবে- তার জীবন সংশয়পূর্ণ। 
এর দ্বারা গভীর অনিশ্চয়তা প্রকাশ পেয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৭.
'অপ' কী ধরণের উপসর্গ?
  1. সংস্কৃত
  2. বাংলা
  3. বিদেশি
  4. মিশ্র
ব্যাখ্যা

• 'অপ' সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ। 

• সংস্কৃত/তৎসম উপসর্গ:

যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যেমন:
প্র,পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

'অপ' উপসর্গের ব্যব্যহার:
- বিপরীত অর্থে: অপমান, অপবাদ, অপকার।
- স্থানান্তর অর্থে: অপহরণ, অপনোদন, অপসারণ।
- বিকৃত অর্থে: অপমৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৩৮.
স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৬টি 
ব্যাখ্যা

• বর্ণ প্রকরণ:
ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি -(এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং , ঃ, ঁ)।
• পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
• অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
'কটাক্ষ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. কট্ + অক্ষ
  2. কটু + অক্ষ
  3. কটা + অক্ষ
  4. কট + ক্ষ
ব্যাখ্যা

• 'কটাক্ষ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ-  কট্‌ + অক্ষ = কটাক্ষ।

• স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।
সূত্র: অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- নর + অধম = নরাধম,
- হিম + আলয় = হিমালয়,
- যথা + অর্থ = যথার্থ,
- বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪০.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক কোনটি?
  1. শকুন্তলা
  2. শর্মিষ্ঠা
  3. ভদ্রার্জুন
  4. রাবণবধ
ব্যাখ্যা

• 'শর্মিষ্ঠা' নাটক:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক 'শর্মিষ্ঠা'।
- এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক ও সার্থক নাটক এবং একই অর্থে মধুসূদনও বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার।
- তিনি মহাভারতের দেবযানী-যযাতি কাহিনী অবলম্বনে পাশ্চাত্য রীতিতে রচনা করেন শর্মিষ্ঠা নাটক।
- পাশ্চাত্যরীতিতে বাংলা নাটক রচনার চেষ্টা এই নাটকের মধ্যে বিশেষভাবে সফলতা পায়। মধুসূদন পরে 'শর্মিষ্ঠা'র ইংরেজি অনুবাদও করেন।
- ১৮৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে রাজাদের অর্থানুকূল্যে নাটকটি প্রকাশিত ও একই সালের ৩রা সেপ্টেম্বর বেলগাছিয়া থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়।

এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- যযাতি,
- দেবযানি,
- শর্মিষ্ঠা,
- পূর্ণিমা,
- রাজমন্ত্রী প্রমুখ।

অন্যদিকে, 
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ- শকুন্তলা (১৮৫৪)। এটি সংস্কৃত কবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলা নাটকের 'আভজ্ঞান শকুন্তলম' নাটকের উপখ্যান ভাগের অনুবাদ।

• তারাচরণ শিকদার রচিত 'ভদ্রার্জুন' নামক মৌলিক নাটকটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। 'ভদ্রার্জুন' ইংরেজি ও সংস্কৃতের যুক্ত আদর্শে রচিত প্রথম মৌলিক মধুরান্তিক বাংলা নাটক।

• গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত পৌরাণিক নাটক 'রাবণবধ'। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা অ সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪১.
এল নিনো এবং লা নিনা শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. আরবি
  2. ইংরেজি
  3. স্প্যানিশ
  4. ফ্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

• এল নিনো এবং লা নিনা শব্দ দুটি  স্প্যানিশ ভাষা থেকে এসেছে ।

 
এল নিনো:

- এল নিনো এক প্রকার উষ্ণ স্রোত।
- এটি স্প্যানিশ শব্দ। 
- আবহাওয়া পরিবর্তনকারী এল নিনো আবারও প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর কারণে ২০২৪ হতে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর।
- এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরে মধ্য ও পূর্ব গ্রীষ্মমন্ডলীয় সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বা গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং বায়ুমণ্ডলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে তাপ ঠেলে দেয়।
- এল নিনো প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর ঘটে।

লা নিনা :
⇒ এল নিনোর চক্রাকার প্রতিরূপ , যা দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের জলের শীতলতা নিয়ে গঠিত । যদিও আবহাওয়া এবং জলবায়ুর উপর এর স্থানীয় প্রভাব সাধারণত এল নিনোর সাথে সম্পর্কিত প্রভাবের বিপরীত, তবুও এর বিশ্বব্যাপী প্রভাব আরও জটিল হতে পারে। লা নিনার ঘটনাগুলি প্রায়শই এল নিনোর ঘটনাগুলির পরে ঘটে, যা প্রায় দুই থেকে সাত বছরের অনিয়মিত বিরতিতে ঘটে।

উৎস:
 i) ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
ii) ব্রিটানিকা।
iii) .merriam-webste

৪২.
কোন দেশের জাতীয় পতাকা কখনই অর্ধনমিত করা হয় না?
  1. ইরান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরাক
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

⇒  সৌদি পতাকা  সেখানকার ঐক্য ও সংহতির প্রতীক, এবং এটি কখনও অর্ধনমিত রাখা হয় না।

⇒ এটি সবুজ রঙের ছিল, উত্তোলনের সময় সাদা উল্লম্ব ডোরা ছিল এবং আকৃতিতে বর্গাকার ছিল, মাঝখানে "আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল" বাক্যাংশটি লেখা ছিল এবং উপরে দুটি ক্রস করা উল্লম্ব তরবারি ছিল।
দ্বিতীয়

⇒ এটি সবুজ রঙের ছিল, উত্তোলনের সময় সাদা উল্লম্ব ডোরা ছিল এবং আকৃতিতে বর্গাকার ছিল, মাঝখানে "আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল" বাক্যাংশটি লেখা ছিল এবং উপরে দুটি ক্রস করা উল্লম্ব তরবারি ছিল।
তারপর

⇒ এটি আকৃতিতে একটি আয়তক্ষেত্রাকার; এর প্রস্থ দৈর্ঘ্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমান এবং এর রঙ সবুজ। রঙটি খুঁটি থেকে পতাকার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। মাঝখানে শাহাদা (আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল) রয়েছে, যার নীচে একটি তরবারি সমান্তরালভাবে টানা হয়েছে, যার হাতলটি ডানদিকে নির্দেশিত। শাহাদা এবং তরবারি সাদা রঙের এবং মাঝখানে অবস্থিত।

উৎস: saudiflag [লিংক]

৪৩.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কতটি দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দেয়?
  1. ২৫
  2. ১৪৩
  3. ১৩১
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

⇒ বর্তমানে, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৭টি রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ৮১ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। এছাড়াও, এটি ক্যাথলিক চার্চ এবং ভ্যাটিকান সিটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলি সি দ্বারা স্বীকৃত, যা জাতিসংঘের অ-সদস্য পর্যবেক্ষক মর্যাদা ধারণ করে।

⇒ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮০তম অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, মোনাকো, অ্যান্ডোরা এবং বেলজিয়াম।

⇒ বেলফোর ঘোষণাপত্রে "ইহুদি জনগণের জন্য ফিলিস্তিনে একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠা" সমর্থন করার ১০০ বছরেরও বেশি সময় পরে এবং ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে ফিলিস্তিনে ইসরায়েল সৃষ্টির ৭৭ বছর পরে যুক্তরাজ্যের আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে ।

উৎস: আল জাজিরা [লিংক]

৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮
  2. ১১৯
  3. ১২১
  4. ১২৩
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১১৯নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে।

• নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
১১৯(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 (ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
১১৯(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৫.
বর্তমান মেট্রোরেলের চলমান লাইনের নাম কী?
  1. লাইন-১
  2. লাইন-২
  3. লাইন-৪
  4. লাইন-৬
ব্যাখ্যা

 - উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- বর্তমান মেট্রোরেলের চলমান লাইন এটি।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

অন্যদিকে,
চলমান প্রকল্প-
- দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম- MRT Line-1. এর দৈর্ঘ্য- ৩১.২৪১ কিলোমিটার। ( এয়ারপোর্ট টু কমলাপুর)
- এমআরটি লাইন-২।
- এমআরটি লাইন-২।

উৎস: DMTCL এবং প্রথম আলো।

৪৬.
প্রাচীন 'চন্দ্রদ্বীপ' এর বর্তমান নাম কী?
  1. নোয়াখালী
  2. বরিশাল
  3. ভোলা
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

অন্যদিকে,
• সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
• হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
• বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৭.
Environmental Refugee কারা?
  1. ঘূর্ণিঝড়ের কারণে নিজ বাস্তুভিটা ছেড়ে অন্য অঞ্চলে চলে যাওয়া
  2. বন্যার কারণে নিজ বাড়িঘর ছেড়ে অন্য অঞ্চলে চলে যাওয়া
  3. জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য অঞ্চলে চলে যাওয়া
  4. নদী ভাঙ্গনের ফলে ছেড়ে অন্য অঞ্চলে চলে যাওয়া
ব্যাখ্যা

• Environmental Refugee(পরিবেশগত শরণার্থী)
জলবায়ু শরণার্থী হলো এমন মানুষ যাদের জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবের কারণে তাদের ঘরবাড়ি এবং সম্প্রদায় ছেড়ে যেতে হয়। জলবায়ু শরণার্থীরা পরিবেশগত শরণার্থী নামে পরিচিত অভিবাসীদের একটি বৃহত্তর গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ "পরিবেশগত শরণার্থী" শব্দটি এমন অনেক বাক্যাংশের মধ্যে একটি যা তাদের চারপাশের পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল ‍জিওগ্রাফি এবং climatemigration.[লিংক]

৪৮.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি চীনের সাথে।

⇒ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ২
- চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। 

• চীন থেকে আমদানি ও রপ্তানির ভিত্তিতে বাণিজ্য ঘাটতি = (আমদানি – রপ্তানি)

আমদানি: ১,৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার।
রপ্তানি: ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার (অর্থাৎ ৭১.৫৩৮ কোটি ডলার)
গণনা:
১,৬৬৪ − ৭১.৫৩৮ = ১,৫৯২.৪৬২ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায়)

• বাংলাদেশের চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি = ১,৫৯২.৪৬ কোটি মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১০.৬ বিলিয়ন ডলার বা ১০৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

- এই বাণিজ্যের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ২.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য — যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫ শতাংশ  কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা  বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বা প্রায় ৮৯.৩ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 

উৎস: The Business Standard[লিংক]। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন [লিংক]

৪৯.
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা কয়টি?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৫
  4. ১৯
ব্যাখ্যা

 - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারণ করা হয়।
- এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।

• এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলাে:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযােগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামাে
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভােগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্য অংশীদারিত্ব।

উৎসঃ SDG ওয়েবসাইট।

৫০.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত প্রকারের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আছে?
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আছে- ৬টি।

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।
 • বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ, 
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ, 
- পৌরসভা, 
- সিটি কর্পোরেশন, 
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫১.
কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট কত পর্যন্ত কত মিটার জায়গা 'No-Man's-Land' হিসেবে চিহ্নিত?
  1. ১৫৮ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৪৩ মিটার
  4. ১৩৯ মিটার 
ব্যাখ্যা

• কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:

- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
➝ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
➝ উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

➝ ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
➝ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
➝ উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
➝ এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
➝ পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

উৎস: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

৫২.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. কুয়েত
  2. আলজেরিয়া
  3. সংযুক্তি আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

• বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. 

৫৩.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করে কোন সংস্থা?
  1. অর্থ বিভাগ
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮। 
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০-২০২৫।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৫৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. চিফ হুইপ
  4. স্পিকার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

রাষ্ট্রপতি-
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮নং অনুযায়ীঃ  (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ- সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন : তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৪) কােন ব্যাক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যােগ্য হইবনে না,যদি তিনি
(ক) পঁয়ত্রশি বৎসররে কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নর্বিাচতি হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবধিানরে অধীন অভশিংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতরি পদ হইতে অপসারতি হইয়া থাকনে।
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত  বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত  রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরােধ করলি যেকোনো বিষয় মন্ত্রসিভায় বিবেচনার জন্য পাশ ক্রিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৫.
BIMSTEC -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লী
  2. ঢাকা
  3. কলম্বো
  4. বেইজিং
ব্যাখ্যা

• BIMSTEC:
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড। (মে, ২০২৫)
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।

উৎস: বিমসটেক ওয়েবসাইট।

৫৬.
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জুলাই করমুক্ত আয়-সীমা কত?
  1. ৫,২৫,০০०/-
  2. ৩,৫০,০০০/-
  3. ৪,৫০,০০০/-
  4. ৬,২৫,০০০/-
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সরকার 'জুলাই যোদ্ধা' নামে ব্যক্তি পর্যায়ে আয়করের নতুন ক্যাটাগরি চালু করেছে। এর আওতায় ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এই ক্যাটাগরিতে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা।

⇒ গেজেটভুক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহতরা 'জুলাই যোদ্ধা' হিসেবে এই সুবিধা পাবেন।

⇒ একইসঙ্গে, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমাও ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

• করমুক্ত আয়সীমা:
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:

• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- পরবর্তী ২০,০০,০০০/- টাকার: ২৫%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ৩০%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে করমুক্ত আয়ের সীমা হবে ৩.৭৫ লক্ষ টাকা। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
৫৭.
জুলাই গণঅভুত্থান অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৩০ নং অধ্যাদেশ) অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৪৮.০০.০০০০.০০১.৩৮. ০০৪.২০২৫.১৯২ দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশে প্রণীত হয়েছে এ অধ্যাদেশ।
- এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যাবলীসহ নানাবিধ বিষয় অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- এই অধিদপ্তর গণঅভ্যুত্থানে আজীবন শহিদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের পুনর্বাসন করবে।
- অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা

উন্নয়ন সহযোগী দেশ:
- জাপান বাংলাদেশের একক বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার।
- বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৫০টির বেশি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জাপান বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচটি রপ্তানি গন্তব্যের একটি।
- জাপান সরকারের অর্থায়নপুষ্ট প্রকল্পসমূহ হচ্ছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে জাপান।
- দেশটি ব্যবসা ও উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।

৫৯.
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি কে?
  1. প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
  3. আব্দুল মুমিন চৌধুরী
  4. ড. বদিউল আলম মজুমদার
ব্যাখ্যা

 জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

⇒ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস।
- কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের কার্যক্রমসহ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপের সুপারিশ করবে।
- এই কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।