পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীমউদ্দীন ও বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব। উৎস: যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। গাইড বইয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ক্রসচেক করে পড়া জরুরি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ-
  1. ক) আগমনী
  2. খ) কবিতাবলী
  3. গ) পারস্যে
  4. ঘ) লাল মেঘ
ব্যাখ্যা
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পেক্ষাপটে রচিত।

• অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ:
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’ (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷


• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার 
- খসড়া 
- এক মুঠো 
- মাটির দেয়াল 
- অভিজ্ঞান বসন্ত 
- পারাপার 
- পালাবদল 
- ঘরে ফেরার দিন 
- হারানো অর্কিড 
- পুষ্পিত ইমেজ 
- অমরাবতী
- অনিঃশেষ
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা বিষয়ক পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) ধূমকেতু
  2. খ) কবিতা
  3. গ) কল্লোল
  4. ঘ) যুগবাণী
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। 
- ঢাকা থেকে প্রগতি (১৯২৭-১৯২৯) এবং  কলকাতা থেকে কবিতা (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- কবিতাবিষয়ক ‘কবিতা’ পত্রিকাটি তখন সাহিত্যিক মহলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করে; রবীন্দ্রোত্তর কবিতা-আন্দোলনেও এর ভূমিকা স্বীকৃত। বুদ্ধদেব নিজেও রবীন্দ্র-প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে আসেন।

- পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক। সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
• কবিতা বন্দীর বন্দনা,
• কঙ্কাবতী,
• দ্রৌপদীর শাড়ী,

উপন্যাস
• লাল মেঘ,
• রাতভর বৃষ্টি,
• পাতাল থেকে আলাপ ,
• গোলাপ কেন কালো;

গল্পগ্রন্থ
• অভিনয়, অভিনয় নয়,
• রেখাচিত্র,
• ভাসো আমার ভেলা।

নাটক
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী,
- কলকাতার ইলেকট্রা, সত্যসন্ধ ;
• প্রবন্ধ: কালের পুতুল , সাহিত্যচর্চা  ইত্যাদি।

• তপস্বী ও তরঙ্গিণী নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন। ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া স্বাগত বিদায় কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন। ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি কাজী নজরুলের রচনা?
  1. ক) লোক লোকান্তর
  2. খ) ব্যাথার দান
  3. গ) মানচিত্র
  4. ঘ) জেগে আছি
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম,(১৮৯৯-১৯৭৬)  বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
• নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
• বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
• করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ (সওগাত, মে ১৯১৯) নামক প্রথম গদ্য রচনা।
• প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)।
• ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে  কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

তাঁর অন্যান্য রচনা:
• গল্প-
- ‘হেনা’,
- ‘ব্যথার দান’,
- ‘মেহের নেগার’,
- ‘ঘুমের ঘোরে’;
- কবিতা ‘আশায়’,
- ‘কবিতা সমাধি’ প্রভৃতি। 


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ধুসরতার কবি বলা হয় কাকে?
  1. ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। 
জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ (১৯৩৬) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে জীবনানন্দ দাশের। কিন্তু শুধু এ কারণেই তাঁকে ‘ধূসরতার কবি’ বলা হয়-তা নয়। তাঁর বহু কবিতায় হতাশা ও বিবর্ণের কথা আছে। তাঁর কবিতার চালচিত্রে আছে ধূসর বর্ণ। তাই জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
 - ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত), 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।
 
• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহঃ
- মাল্যবান, 
- সুতীর্থ, 
- নিরুপম যাত্রা, 
- বিভা,
- জলপাইহাটি ইত্যাদি।

• জীবনানন্দের বনলতা সেন  কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। এছাড়া জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বিষ্ণু দে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ইছামতি
  2. খ) অপরাজিতা
  3. গ) পথের পাঁচালী
  4. ঘ) উর্বশী ও আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে,  (১৯০৯-১৯৮২)  কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
• ১৯২৩ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ফলে যে নতুন সাহিত্য উদ্যম ও ব্যতিক্রমী শিল্প চেতনার সৃষ্টি হয়, বিষ্ণু দে ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা। কিন্তু ১৯৩০ সালে কল্লোল পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।
• সনাতন রোমান্টিকতার বিরোধী বিষ্ণু দে-র প্রধান কাব্যগ্রন্থ ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’। বিষ্ণু দে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে দেশি ও বিদেশি মিথের প্রয়োগ আছে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত ,
- উত্তরে থাকো মৌন,
- সেকাল থেকে একাল,
- আমার হূদয়ে বাঁচো ইত্যাদি।

• ছড়ানো এই জীবন নামে তাঁর একটি স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ আছে। এছাড়াও রয়েছে ১০টি কাব্য সংকলন, ৭টি অনুবাদগ্রন্থ এবং ২টি সম্পাদিত গ্রন্থ। তাঁর একটি সম্পাদিত গ্রন্থ হচ্ছে এ কালের কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।
.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) কবিতাবলী
  2. খ) পৃথক পালঙ্ক
  3. গ) প্রেমের কবিতা
  4. ঘ) জীবনক্ষুধা
ব্যাখ্যা
- অমিয় চক্রবর্তী, (১৯০১-১৯৮৬)  কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫; তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)।

তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা,
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক।

• তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে। কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
• উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ দাশ
  3. গ) কালিদাস রায়
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। 
• জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
 - ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত), 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- রূপসী বাংলা,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।
 
• ‘রূপসী বাংলা’ ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। কবিতাগুলির গঠন সনেটের। এদরে বিষয় বাংলার গ্রাম-প্রিকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান। এ কাব্যের একটি বিখ্যাত পঙক্তি হলো-

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘এক মুঠো’ অমিয় চক্রবর্তী রচিত একটি-
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) কাব্যগ্রন্থ
  3. গ) নাটক
  4. ঘ) ছোটগল্প
ব্যাখ্যা
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো:
- খসড়া 
- এক মুঠো 
- মাটির দেয়াল 
- অভিজ্ঞান বসন্ত 
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

• অমিয় চক্রবর্তীর ‘এক মুঠো’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে। বিশ শতকের বিজ্ঞানের যুগে ব্যবহারিক জীবনে যেমন জটিলতা বাড়ছে, মানুষের মনেও তেমনি চিন্তার জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চেতনায় যুগধর্মের এই বৈশিষ্ট্য খুব উজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে এই কাব্যে।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘পল্লিকবি’ বলা হয় কাকে?
  1. ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. খ) জসীমউদ্দীন
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
- জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয় । অনেকে মনে করেন, তিনি ‘আধুনিক কবি’।
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলি হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- রঙিলা নায়ের মাঝি,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী,
- পদ্মা নদীর দেশে,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া,
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়,
-জার্মানীর শহরে বন্দরে,
- স্মরণের সরণী বাহি,
- বাঙালীর হাসির গল্প,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।