পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে মোট কয়টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম জনশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সর্বশেষ জনশুমারি হয় ২০২২ সালে যেটা বাংলাদেশ এর ৬ষ্ঠ জনশুমারি।
- ষষ্ঠ জনশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

উল্লেখ্য, 
- ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন- ২০১৩ অনুযায়ী আদমশুমারি ও গৃহগণনা’ র নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়।
- বাংলাদেশে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ অনুষ্ঠিত হয় → ১০ বছর পর।
- বাংলাদেশের ৬টি জনশুমারি যথা: 
১ম → ১৯৭৪ সালে।
২য় → ১৯৮১ সালে।
৩য় → ১৯৯১ সালে।
৪র্থ → ২০০১ সালে।
৫ম → ২০১১ সালে।
৬ষ্ঠ → ২০২২ সালে।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
আইএমএফ মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ হবে?
  1. ৩.৫ শতাংশ
  2. ৪.৫ শতাংশ
  3. ৫.৫ শতাংশ
  4. ৬.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
⇒ আইএমএফ মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ হবে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:
-বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) কমার আভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
-চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
- মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে এমন প্রাক্কলন করেছে আইএমএফ।
- সংস্থাটি প্রতিবছর এপ্রিলে একটি এবং অক্টোবরে আরেকটি ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. শেল অয়েল কোম্পানি
  2. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার-
  1. ১.১৩%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৮৩%
  4. ১.৫৩%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: মিলিয়ন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
কোনটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি ?
  1. পলি মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৫ মার্চ-১৫ এপ্রিল পাটের বীজ বপনের সময়।
- সময় সঠিক সময়ের আগে বা পরে বীজ বুনলে আলোক সংবেদনশীলতার কারণে পাট গাছ সুষ্ঠুভাবে বাড়তে পারে না,
- অসময়ে ফুল দেখা দেয় এবং পাটের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
.
কোনটি বাংলাদেশের এক নম্বর জাতীয় সামাজিক সমস্যা?
  1. নিরক্ষরতা সমস্যা
  2. বেকারত্ব সমস্যা
  3. জনসংখ্যা সমস্যা
  4. মাদকাসক্তির সমস্যা
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের জনসংখ্যার সমস্যা:
- বাংলাদেশের এক নম্বর জাতীয় সামাজিক সমস্যা হলো 'জনসংখ্যা সমস্যা।'
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশ।
- জনসংখ্যার অত্যধিক ঘনত্বের কারণে সেবা ও সম্পদের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়, যা অন্যান্য সমস্যারও সৃষ্টি করে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- এ কারণে দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।
- অধিক জনসংখ্যার কারণে শিক্ষার মান এবং স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা হ্রাস পায়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ না করলে নিরক্ষরতা এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলি প্রকট হয়ে ওঠে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বনভূমি উজাড়, জলদূষণ, এবং অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধীরগতি হয়। এটি সামগ্রিকভাবে দেশের জিডিপি, মাথাপিছু আয়, এবং জীবনযাত্রার মানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।
.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
  1. লাকসাম
  2. সৈয়দপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. আখাউড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নাট-বল্টু থেকে শুরু করে রেলওয়ের ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের বগি মেরামতসহ সব কাজ করা হয়। 
- ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে রয়েছে ২৮টি শপ (উপকারখানা)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ইত্তেফাক পত্রিকা নিউজ।
.
ব্রি-২৮ কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
ব্যাখ্যা
ব্রি-২৮:
- ব্রি ধান২৮ বোরো মৌসুমের একটি আগাম জাত।
- এ জাত ১৯৯৪ সালে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত হয়।
- গাছের উচ্চতা ৯০ সেমি।
- পাকার সময় ধানের শীষ উপরে থাকে।
- চাল মাঝারি চিকন ও সাদা।
- ভাত ঝরে ঝরে ও খেতে সুস্বাদু।
- এ জাতের জীবনকাল ব্রি ধান২৯ এর চেয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ কম।
- এ জাতটির জীবনকাল ১৪০ দিন।
- স্বাভাবিক ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.৫-৬.০ টন।

চাষাবাদ পদ্ধতি:
১. বীজ তলায় বীজ বপন: ১-১৫ অগ্রহায়ণ (১৫-২৯ নভেম্বর)।
২. চারার বয়স- ৩৫-৪০ দিনের চারা।
৩. চারা রোপণের সময় - ৭-১২ মাঘ (২০শে জানুয়ারি থেকে ২৫শে জানুয়ারি)।
৪. চারার সংখ্যা- প্রতি গুছিতে ২-৩ টি
৫. রোপণ দূরত্ব- ২০×১৫ সেন্টিমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।[লিঙ্ক]
১০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা কোনটি?
  1. রামু
  2. থানচি
  3. শিবগঞ্জ
  4. টেকনাফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকাষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১১.
বাংলাদেশের কোন পাহাড়কে 'পাহাড়ের রানী' বলা হয়?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. চিম্বুক পাহাড়
  3. কেওক্রাডাং পাহাড়
  4. তাজিনডং পাহাড়
ব্যাখ্যা
চিম্বুক পাহাড়:
- বাংলাদেশের পাহাড়ী সৌন্দর্যের মধ্যে পাহাড়ের রানী হিসেবে সর্বোধিক পরিচিত চিম্বুক পাহাড়।
- এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১৫০০ ফুট।
- বাংলার দার্জিলিং খ্যাত এই চিম্বুক পাহাড়।
- এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করে।

উল্লেখ্য,
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী বলা হয়।
- চিম্বুক পাহাড়কে কালাপাহাড়ও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২.
নিচের কোনটি যমুনা নদীর উপনদী?
  1. তিস্তা
  2. ধলেশ্বরী
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. শীতলক্ষ্যা
ব্যাখ্যা
• যমুনা (Jamuna):
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- যমুনা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

•যমুনার উপনদীগুলো হলো:
- ধরলা,
- তিস্তা,
- করতোয়া,
- আত্রাই।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়- নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।