পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস ও সভ্যতা ২. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ৩. ভূ-রাজনীতি উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
'ডমিনো' তত্ত্বটি কোন অঞ্চলে প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. পূর্ব ইউরোপ
  2. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
  3. পূর্ব আফ্রিকা
  4. পশ্চিম ইউরোপ
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- 'ডমিনো তত্ত্ব' (Domino Theory) প্রাথমিকভাবে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলে প্রয়োগ করা হয়েছিল, বিশেষত ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে।
- এটি ছিল ঠান্ডা যুদ্ধকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির একটি মূলনীতি।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- মূল লক্ষ্য ছিল: লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া-তে কমিউনিজম ছড়িয়ে পড়া রোধ করা।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com
.
কাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. আয়াতুল্লাহ খামেনি
  2. আয়াতুল্লাহ হুসাইন
  3. রেজা শাহ পাহলভী
  4. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক
ব্যাখ্যা
ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র:
- রেজা শাহ পাহলভী কে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- শেষ ইরানি রাজবংশ ছিল পাহলভী রাজবংশ ছিল।
- ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে দীর্ঘ আটাশ বছর এই রাজবংশ শাসন পরিচালনা করে।
- আর ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব পর্যন্ত স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র হিসেবে ইরান শাসন করে।
- রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় ও রেজা শাহ পাহলভী ইরান ছেড়ে পালিয়ে যান।

উৎস: Britannica.
.
আফগানিস্তানে সোভিয়েত সৈন্য প্রবেশ করে কবে?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত সৈন্য প্রবেশ করে। 

আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনী:

- ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকারকে রক্ষা করতে সেদেশে ঢুকে পড়লো সোভিয়েত সেনাবাহিনী।
- মস্কো তখন বলেছিল, সোভিয়েত সৈন্যরা ৬ মাস থাকবে।
- কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেদেশে সোভিয়েত সৈন্যরা ছিল দীর্ঘ ১০ বছর, এবং আফগানিস্তান পরিণত হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের ভিয়েতনামে।
- আফগানিস্তানের সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়া্ইয়ের ভেতর দিয়েই জন্ম হয়েছিল তালেবান এবং আল-কায়েদার মতো জিহাদি বাহিনীগুলোর।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল -তার বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠলো আফগানিস্তান।
- ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার শেষ হয়।
- আফগানিস্তানে ১৫ হাজার সোভিয়েত সৈন্য এবং ১০ লাখ আফগান মারা যায়।
- উল্লেখ্য, এর দু' বছর পর ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
.
বিশ্বের প্রথম বাজেট কোন দেশে প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. জার্মানি
  2. ইংল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম বাজেট:
- বিশ্বের প্রথম বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছিল ইংল্যান্ডে। 

উল্লেখ্য,
- বাজেট শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘বুলগা’ থেকে এসেছে। ফরাসি ভাষায় একে বুগেটও বলা হয়। এই শব্দটিকে ইংরেজিতে বলা হলে তা হয়ে ওঠে বোগেট। পরে এই শব্দটিকে বাজেট বলা হয়।
- ১৭২০ সালে প্রথম বাজেট ও রাজস্বনীতি উত্থাপন করেছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী রবার্ট ওয়ালপুল। 
- তখন যুক্তরাজ্যে চরম আর্থিক সংকট চলছিল। ওই সময়ে রবার্ট ওয়ালপুল নানা মহল থেকে কর সংক্রান্ত যত দাবি বা প্রস্তাব পেতেন, তা তার বুজেট বা মানিব্যাগে রেখে দিতেন। তারপর যখন আনুষ্ঠানিকভাবে কর প্রস্তাব উত্থাপনের সময় এলো, তিনি মানিব্যাগ থেকে সবকিছু বের করে একটা প্রস্তাব তৈরি করে তা পার্লামেন্টে উত্থাপন করলেন। সেটিই ছিল বিশ্বের প্রথম বাজেট।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) BBC.
.
ভেলভেট বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ইউক্রেন
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. চেকোস্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা
ভেলভেট বিপ্লব:
- '১৯৮৯ সালে ভেলভেট বিপ্লব' চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত হয়েছিল।
- এটি ছিল একটি অহিংস আন্দোলন যার মাধ্যমে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে

⇒ ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় চীনে ১৯৬৬- ১৯৭৬ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- নীল বিপ্লব: সংঘটিত হয় মিসরে ২০১১ সালে।

উৎস: Britannica.
.
ভারতের বর্তমান অঙ্গরাজ্য কয়টি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা
ভারত:
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- জাতীয় প্রতীক: অশোকচক্র।
- আইনসভা: দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। যথা: রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ) ও লোকসভা (নিম্নকক্ষ)।

উল্লেখ্য,
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারতে পূর্বে ছিল ২৯টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- ৩১ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দেশটির পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ২৬ জানুয়ারি, ২০০০ তারিখে দাদার নগর হাভেলি এবং দমন দিউ পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে একত্র করা হয়।
- মূলত এর মাধ্যমে একটি রাজ্যের সংখ্যা কমিয়ে বাড়ানো হয়েছে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

উৎস: Britannica.
.
কোন দেশের সরকার প্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হয়?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
জার্মানির চ্যান্সেলর:
- জার্মানির সরকার প্রধানকে চ্যান্সেলর বলা হয়।
- সাধারণত গণতান্ত্রিক উপায়ে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত করা হয় দেশটিতে।
- জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।

⇒ জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর ছিলেন অটো ফন বিসমার্ক।
- জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদের নামও জার্মানির ন্যায় চ্যান্সেলর।
- অস্ট্রিয়ার অধিকাংশও জার্মান বংশোদ্ভূত।
- এডলফ হিটলারের জন্মও অস্ট্রিয়াতে।

উৎস: Britannica.
.
কোন শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. পঞ্চদশ
  2. ষোড়শ
  3. সপ্তদশ
  4. অষ্টাদশ
ব্যাখ্যা
ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব:
- অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: Britannica.
.
কোন দেশ আফ্রিকান ইউনিয়ন ত্যাগ করে পুনরায় যোগদান করে?
  1. মরক্কো
  2. ক্যামেরুন
  3. কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
  4. জিবুতি
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশ সমূহ নিয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ জুলাই, ২০০২।
- সদস্য সংখ্যা: ৫৫টি।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: মরক্কো।
- বর্তমান চেয়ারপারসন: জোয়াও ম্যানুয়েল গনসালভেস লরেনকো (অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রপতি)।

উল্লেখ্য,
- মরক্কো আফ্রিকান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল এবং পরে পুনরায় যোগদান করে।

⇒ মরক্কো:
- মরক্কো উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ।
- রাজধানী: রাবাত।
- বৃহত্তম শহর: কাসাব্লাঙ্কা।
- মুদ্রা: মরক্কান দিরহাম (MAD)।

উৎস: i) African Union ওয়েবসাইট।
ii) Al Jazeera. [link]
১০.
বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কোনটি?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. চীন
  3. কিউবা
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- U.S.S.R.-এর পূর্ণরূপ: Union of Soviet Socialist Republics.
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- মিখাইল গর্বাচেভ, যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা ছিলেন, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে মুসলিম প্রজাতন্ত্রে তাজিকিস্তান।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর তাজিকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং এটি একটি মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। এর অন্যান্য মুসলিম প্রধান প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলির মধ্যে আজারবাইজান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কিরগিজস্তান অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
১১.
রোমান সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন ‘কলোসিয়াম’ হলো -
  1. স্নানাগার
  2. নাট্যশালা
  3. বাগান
  4. মন্দির
ব্যাখ্যা
কলোসিয়াম:
- পৃথিবীর প্রাচীন সমৃদ্ধশালী সভ্যতাগুলোর মধ্যে রোমান সাম্রাজ্য অন্যতম।
- কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
- কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন।
- পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
- এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
- ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

⇒ রোমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
চীনা বিপ্লবের কারণে কোন সাম্রাজ্যের পতন হয়?
  1. হ্যান
  2. সাং
  3. মিং
  4. কিং
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা কিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ কিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল।
- কিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- কিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
১৩.
কোন রেনেসাঁ শিল্পী 'দ্য লাস্ট সাপার' অঙ্কন করেন?
  1. রাফায়েল
  2. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  3. মাইকেলেঞ্জেলো
  4. পাবলো পিকাসো
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম:
- The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

⇒ The Last Supper:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ১৪৯৫ সালে ইতালির মিলানের সান্তা মারিয়া দেল গ্রেজির (Santa Maria delle Grazie) ডায়নিং হলের পিছনের দেয়ালে ছবি আঁকার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- যে বিল্ডিংয়ের দেয়ালে ছবিটা আঁকতে হবে তা একটি চার্চের সাথে যুক্ত।
- তিনি আঁকার জন্য বেছে নিলেন বাইবেলের ‘দ্য লাস্ট সাপার’ অংশটুকুর একটি মুহূর্ত।
- যিশুখ্রিষ্ট তাঁর বারোজন শিষ্যকে নিয়ে মৃত্যুর আগে যে শেষ নৈশভোজ সারেন তাই দ্য লাস্ট সাপার নামে এই ভোজে যিশু তাঁর বারোজন শিষ্যকে নিয়ে রুটি ভাগ করে খান আর পান করেন সোমরস।
- নৈশভোজে যিশু ঘোষণা করেন এই শিষ্যদেরই একজন তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। তাঁকে ধরিয়ে দেবে।
- এই ঘোষণার মুহূর্তে যিশু আর তার সঙ্গীদের অভিব্যক্তির আবহই ফুটিয়ে তুলেছেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি তাঁর ‘দ্য লাস্ট সাপার’ চিত্রকর্মে।
- ‘দ্য লাস্ট সাপার’ নিয়ে বেশ কয়েকটি চিত্রকর্ম আঁকা হয়েছে। তবে লিওনার্দোর আঁকা চিত্রটিই সবচেয়ে বিখ্যাত।

উৎস: Britannica.
১৪.
বিল অব রাইটস কত সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে যুক্ত হয়েছে?
  1. ১৭৮৩ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৭৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিল অব রাইটস ১৭৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে যুক্ত হয়েছে।

বিল অব রাইটস:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১৫.
মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধী কী ছিল?
  1. বাদশাহ
  2. সম্রাট
  3. ইখনাটন
  4. ফারাও
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধী ছিল ফারাও।

ফারাও:
- প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের 'ফারাও' বলা হতো।
- বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- তাঁরা একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথমত আহমোজ, রাজা তুথমোস, সম্রাট ইখনাটন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র‍্যামেসিস।
- পরাক্রমশালী তৃতীয় র‍্যামেসিসের মৃত্যুর পর ফারাওদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
'Horns of Africa' নামে পরিচিত দেশ কোনটি?
  1. কেনিয়া
  2. ক্যামেরুন
  3. ইথিওপিয়া
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: আদ্দিস আবাবা।
- সরকার পদ্ধতি: ফেডারেল পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন।
- নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

উল্লেখ্য,
• 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং (ইংরেজি: Horn of Africa) আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- এটি ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
১৭.
২০১৪ সালে রাশিয়া কোন অঞ্চলটি ইউক্রেন থেকে নিজেদের সাথে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়?
  1. কিয়েভ
  2. লুহানস্ক
  3. ক্রিমিয়া
  4. দোনবাস
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া অঞ্চলটি ইউক্রেন থেকে নিজেদের সাথে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- ২৩ জুন, ১৯১৭ সালে ইউক্রেন গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা দেয়।
- ১৯১৮ সালে ইউক্রেনে বলশেভিক সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চার সদস্যের অন্যতম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ইউক্রেন আত্মপ্রকাশ করে।
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৬ মার্চ, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলের ছোট দ্বীপ ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।
- ১৭ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৮ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া।
- ২১ মার্চ, ২০১৪ সালে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বল্পায়ু রাষ্ট্র ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা শুরু করে রাশিয়া।

উৎস: Britannica.
১৮.
‘Ping Pong Diplomacy’ কোন দুটি দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন ও ভিয়েতনাম
  3. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
Ping Pong Diplomacy:
- ‘Ping Pong Diplomacy’ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র এই দুটি দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত। পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উৎস: Britannica.
১৯.
'বারো বিধি' কোন সভ্যতার আইনের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. রােমান সভ্যতা
  2. সিন্ধু সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
বারো বিধি:
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে সর্বপ্রথম লিখিত রোমান আইন প্রচলিত হয়।
- ইতিহাসের পাতায় 'Twelve Tables বা বারো বিধি' নামে পরিচিত সেই আইনের মাধ্যমে রোমে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।
- প্রায় বারটি ধাপে রোমের সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চয়তা নিয়ে প্রণীত সেই বারো টেবিল আইনটি আজও ইতিহাসবিদগণের নিকট এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।

⇒ গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।
- রোমের গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
Great Leap Forward কার নীতি?
  1. লি- কেকিয়াং
  2. চিয়াং কাইশেক
  3. মাও সে তুং
  4. হু চিন মিং
ব্যাখ্যা
মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

⇒ Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
২১.
ট্রুম্যান ডকট্রিন কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়
  3. কোরীয় যুদ্ধের সময়
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে  তিনি ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো নীতি) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করার উদ্দেশ্যে সেই নীতি থেকে তারা সরে আসবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের আক্রমণের স্বীকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দেবে।
- এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতির পরিবর্তে ট্রুম্যান যে সামরিক সক্রিয়তার নীতি নিলেন তা-ই ইতিহাসে 'ট্রুম্যান নীতি' (ট্রুম্যান ডকট্রিন) নামে পরিচিত।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।

⇒ ট্রুম্যানের এই নীতি ঘোষণার পিছনে কয়েকটি কারণ -
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের শক্তি বৃদ্ধি ঘটে। এই ঘটনা আমেরিকা সহ পশ্চিমি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ইংল্যান্ড আমেরিকাকে সতর্ক করে যে, ব্রিটিশ সৈন্য গ্রিস থেকে ফিরে আসার পর সেখানে কমিউনিস্টদের প্রাধান্য স্থাপিত হলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চল মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সতর্কবার্তায় আমেরিকা সচকিত হয়ে পড়ে।
- বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাণিজ্যে মন্দা ও অস্ত্রনির্মাণ সংস্থা উৎপাদন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় ভুগতে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রুম্যান তাঁর সামরিক সক্রিয়তার নীতি গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে আমেরিকা এই সব দেশে শিল্পপণ্যের বাজার দখলের পরিকল্পনা করে।

উল্লেখ্য,
- এই নীতি গ্রহণের ফলে গ্রিস ও তুরস্কে (৪০ কোটি ডলার সাহায্য দিয়ে) কমিউনিস্টদের প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

উৎস: National Archives (.gov).
২২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অস্ট্রিয়ার যুবরাজকে কোন শহরে হত্যা করা হয়েছিল?
  1. সারায়েভো
  2. সালতার
  3. জাগরের
  4. গ্রাজ
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অষ্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে বসনিয়ার সারায়েভো শহরে হত্যা করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
২৩.
‘যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সার্বজনীন’- উক্তিটি কার?
  1. বেনিতো মুসোলিনী
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা
যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার। 
'War is eternal, war is universal. There is no beginning and there is no peace. War is life. Any struggle is war. War is the origin of all things.'-Adolf Hitler, 1932

অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- অ্যাডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- এডলফ হিটলারের জন্ম অস্ট্রিয়াতে।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- ফুয়েরার বা নেতা/পথ প্রদর্শক হলো হিটলারের উপাধি ।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.
২৪.
‘গ্লাসনস্ত’ নীতির সাথে আর কোন নীতি একত্রে প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ড
  2. পেরেস্ত্রইকা
  3. ডেটান্তে
  4. নিউ ইকোনমিক পলিসি
ব্যাখ্যা
‘গ্লাসনস্ত’ নীতির সাথে পেরেস্ত্রইকা নীতি একত্রে প্রবর্তিত হয়েছিল।

মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া। ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত। এর লক্ষ্য ছিল সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা, দুর্নীতি কমানো এবং জনগণের মাঝে মুক্ত চিন্তা ও আলোচনা উত্সাহিত করা। এই নীতি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিকে পরিচালিত হয়।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন। আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৮৫ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো। শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি। একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল। বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica.
২৫.
পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর 'জেরিকো' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফিলিস্তিন
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর:
- পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর জেরিকো ফিলিস্তিনে অবস্থিত।

⇒ জেরিকো বর্তমান ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত যা পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হিসেবে বিবেচিত।
- প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ অনুযায়ী, এর উৎপত্তি প্রায় ৯০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- দামেস্ক এবং আলেপ্পোর মতো শহরগুলোও প্রাচীন, তবে জেরিকোর ইতিহাস তাদের তুলনায় পুরোনো।

উৎস: i) Britannica.
ii) Times of India. [link]
২৬.
মিশরীয় লিপি কী নামে পরিচিত?
  1. প্যাপিরাস
  2. কিউনিফর্ম
  3. হায়ারোগ্লিফিক
  4. ইউনিফর্ম
ব্যাখ্যা
হায়ারোগ্লিফিক লিপি:
- নগরসভ্যতা গড়ে তোলার সাথে মিশরীয়রা প্রথম লিখন ও লিপি পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল হায়ারোগ্লিফিক (Hieroglyphic) বা চিত্র লিখন পদ্ধতি।
- এটি গ্রীকদের দেয়া নাম যার অর্থ দাঁড়ায় 'পবিত্র লিপি'।
- তারা এমনি ২৪টি ব্যঞ্জনধ্বনি বা চিহ্ন আবিষ্কার করে।
- তারা প্যাপিরাসের পাতায় লিখত, ক্রীট, ফিনিশিয়া, লিভিয়া সভ্যতা এ লিপির ব্যবহার করে।
- অনেক ভাষাবিদের মতে, ফারাও রাজা মেনেসের রাজত্বকালে এই লিপির সূচনা হয়।

অন্যদিকে,
- কিউনিফর্ম লিপি বিশ্বের প্রাচীন লিপিগুলোর মধ্যে অন্যতম। অনেক ভাষাবিদ মনে করেন, কিউনিফর্ম লিপি মিসরীয় হায়ারোগ্লিফিকের চেয়েও পুরনো। সুমেরীয়রা এর আবিষ্কারক।
- প্যাপিরাস হল এক প্রকারের কাগজ যা প্রাচীনকালে লেখার কাজে ব্যবহৃত হত। প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপিরাস গাছের মজ্জা থেকে এটি তৈরি করত এবং লেখার জন্য ব্যবহার করত। 

উৎস: i) Britannica.
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. থিওডোর রুজভেল্ট
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

• অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
• মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

অন্যদিকে,
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালে প্রেসিডেন্ট হন, ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৩ সালে, উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৩-১৯২১), জন এফ. কেনেডি ১৯৬১ সালে এবং থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০১-১৯০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: History.com
২৮.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. মারাইস ভিলজোয়েন
  2. চার্লস রবার্টস সোয়ার্ট
  3. এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক
  4. জোহানেস ডি ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৬ সালে জোহানেসবার্গে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি আইনজীবী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৯৭ সালে ক্লার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

উৎস: Britannica.
২৯.
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধে কে জয় লাভ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ:
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।

⇒ ১৩৩৭ সালে ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় অ্যাডওয়ার্ড অবৈধভাবে ফ্রান্সের সিংহাসন দাবি করেন।
- এতে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়, যা ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত চলে।
- ইতিহাসে এটি শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিলেন ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন এই বীর কন্যা।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.
৩০.
স্ট্যাচু অব লিবার্টি'র নকশা কে করেছিলেন?
  1. পল গগিন
  2. অগাস্টে রডিন
  3. গুস্তাভ আইফেল
  4. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

⇒ মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!

উৎস: Britannica.
৩১.
ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ নামে খ্যাত কে ছিলেন?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  3. বার্নার্ড মন্টগোমারি
  4. মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক
ব্যাখ্যা
ফিল্ড মার্শাল রোমেল:
- ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) ছিলেন নাজি জার্মানির একজন বিখ্যাত সেনা কমান্ডার।
- তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- তার বিশেষ খ্যাতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকায়, বিশেষত উত্তর আফ্রিকায়, জার্মান আফ্রিকা কর্পসের (German Afrika Korps) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।
- রোমেল ১৯১০ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার কৌশলগত দক্ষতা এবং নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

এছাড়াও,
- রোমেল যুদ্ধের শেষের দিকে হিটলারের নীতির বিরোধিতা করতে শুরু করেন এবং ১৯৪৪ সালে তাকে সামরিক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আত্মহত্যার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
- তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি এক ধরনের চাপ বা ষড়যন্ত্র ছিল।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৪৪-এ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- রোমেলকে তার দক্ষতা, সাহসিকতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার জন্য স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
৩২.
তাহরির স্কয়ার কোন বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. মিশরীয় বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. চীনা বিপ্লব
ব্যাখ্যা
তাহরির স্কয়ার:
- তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- তাহরির স্কয়ার মিশরীয় বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন
- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।
- মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২০১১ সালে, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও অন্যান্য আরব দেশগুলিতে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে, মিশরের জনগণও প্রতিবাদে নেমে আসে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে।
- তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।
- ১৮ দিনের মধ্যে, লাখ লাখ মানুষ সেখানে জড়ো হয়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে।
- তারা মুবারকের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, এবং দ্রুতই আন্দোলনটি এক গণতান্ত্রিক সংগ্রামে পরিণত হয়।
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।

উৎস: BBC.
৩৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. গুয়াম, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইউকোসুকা, জাপান
  3. সুবিক বে, ফিলিপাইন
  4. হাওয়াই, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহর (Seventh Fleet):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল ভূখণ্ডের বাইরে সবচেয়ে বড় নৌবহর হলো সপ্তম নৌবহর (Seventh Fleet)।
- সপ্তম নৌবহরের সদরদপ্তর জাপানের কানাগাওয়া প্রদেশের ইউকোসুকায় অবস্থিত।
- এটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্যাসিফিক ফ্লিটের অংশ এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে নৌ-অপারেশন পরিচালনার জন্য দায়ী।
- সপ্তম নৌবহর ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই নৌবহরে সাধারণত ৫০-৭০টি জাহাজ, ১৫০টিরও বেশি বিমান এবং প্রায় ২০,০০০ নৌসেনা ও মেরিন সদস্য থাকে।

উৎস: U.S. Naval Institute.
৩৪.
নিম্নের কোন দেশের সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. আফগানিস্তান
  2. লেবানন
  3. মিশর
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- সমুদ্রবন্দর: নেই।

অন্যদিকে,
লেবানন:
- লেবানন ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ। 
- রাজধানী: বৈরুত।
- রাষ্ট্রপতি: জোসেফ আউন।
- প্রধানমন্ত্রী: নওয়াফ সালাম।
- সরকারি ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: লেবানিজ পাউন্ড।
- সমুদ্রবন্দর: বৈরুত বন্দর।

মিশর:
- 'মিশর' আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- মিশর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর - পূর্ব কোণে ও এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ - পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি আন্তঃমহাদেশীয় ভূমধ্যসাগরীয় রাষ্ট্র।
- রাজধানী: কায়রো।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড।
- সমুদ্রবন্দর: আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর, পোর্ট সৈয়দ।

আলজেরিয়া:
- আলজেরিয়া আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরের তীরের একটি স্বাধীন দেশ।
- এটি আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), তামাজিট (জাতীয়), ফরাসি।
- মুদ্রা: আলজেরিয়ান দিনার।
- সমুদ্রবন্দর: আলজিয়ার্স।

উৎস: Britannica.