পরীক্ষা আর্কাইভ

১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩সময়45 minutes৯২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
'সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।' - চরণ দুটি কার লেখা? 
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. শেখ ফজলল করিম
ব্যাখ্যা
• সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।- চরণদ্বয় কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন কবিতার অন্তর্ভুক্ত।
- কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'চন্দ্রবিন্দু' কাব্যের অন্তর্গত।


সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন
– কাজী নজরুল ইসলাম

সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥

------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান।
- তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি' বলা হয়।
- মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
- তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ছায়ানট,
- প্রলয়শিখা,
- চক্রবাক,
- সিন্ধুহিন্দোল।

• কাজী নজরুল ইসলাম এর উপন্যাস-
- বাধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা,

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- দুর্দিনের যাত্রী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন’ কবিতা।
.
Wisdom শব্দের বাংলা অর্থ-
  1. জ্ঞান
  2. বুদ্ধি
  3. মেধা
  4. প্রজ্ঞা
ব্যাখ্যা
• ‘Wisdom’ শব্দের বাংলা অর্থ - গভীর ও বিস্তৃত জ্ঞান; প্রাজ্ঞতা; বিজ্ঞতা; বিচক্ষণতা।

অন্যদিকে,
• ‘Knowledge’ শব্দের বাংলা অর্থ - ‘জ্ঞান।
• ‘Intellect’ শব্দের বাংলা অর্থ - মেধা।
• ‘Intelligence’ শব্দের বাংলা অর্থ - বুদ্ধি।

উৎস: Accessible Dictionary
.
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না-
  1. পতিত
  2. অনুর্বব
  3. ঊষর
  4. বন্ধ্যা
ব্যাখ্যা
• ‘যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না’ এক কথায় বলে - ঊষর।

অন্যদিকে,
• ‘যে নারীর সন্তান হয় না’ এক কথায় বলে - বন্ধ্যা।
• ‘যে ভূমি উর্বর নয়’ এক কথায় বলে - অনুর্বর।
• পতিত অর্থ- পড়ে আছে এমন; অনাবাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. বিপরীত
  2. নিকৃষ্ট
  3. বিকৃত
  4. অভাব
ব্যাখ্যা
• 'অপমান' শব্দের 'অপ' তৎসম উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার -
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে = অপসারণ, অপহরণ।
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু।

---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'সোনালী কাবিন' এর রচয়িতা কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. আল মাহমুদ
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. শক্তি চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।
- আল মাহমুদ প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্য গ্রন্থ 'সোনালী কাবিন'
- সোনালী কাবিন কাব্য গ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে ‘সোনালি কাবিন’ নামে চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘ কবিতাও অন্তর্ভুক্ত আছে। এটিকে একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থও বলা যেতে পারে।

--------------------
• আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
  1. বিসর্জন
  2. ডাকঘর
  3. বসন্ত
  4. অচলায়তন
ব্যাখ্যা
• ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য:
- এই নাটকটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। বসন্ত একটি গীতিনাট্য।
- এই নাটকের বিষয় হচ্ছে যৌবনের প্রতীক ঋতুরাজ বসন্তের জয়গান।
- রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থ কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন।
- কারণ নজরুলও বাংলার জীবনে বসন্ত তথা যৌবন এনেছিলেন।

------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম-
  1. কিছুধ্বনি
  2. উত্তরাধিকার
  3. লোকায়ত
  4. সুন্দরম
ব্যাখ্যা
অপশনে প্রদত্ত পত্রিকাগুলোর মধ্যে শুধু ‘উত্তরাধিকার’ পত্রিকাটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত।

[বর্তমানে পত্রিকাটি মাসিক হলেও এই বি.সি.এস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় এটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা ছিলো। তাই প্রশ্নে 'ত্রৈমাসিক' আকারে উল্লেখ আছে।] 

-------------------------
• উত্তরাধিকার পত্রিকা:
- মাসিক উত্তরাধিকার ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- দশ বছর পত্রিকাটি মাসিক পত্রিকা হিসেবে চালু থাকলেও ১৯৮৩ সাল থেকে ত্রৈমাসিকে রূপান্তরিত হয় এবং পত্রিকাটি ধীরে ধীরে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালের আগে পর্যন্ত এটি ত্রৈমাসিক আকারেই প্রকাশিত হতো।

- বাংলা একাডেমির প্রথম অঙ্গিকারের কথা মনে রেখেই সম্প্রতি উত্তরাধিকার পত্রিকাকে আবার নবপর্যায়ে এবং নতুন আঙ্গিক ও বিন্যাসে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং জুলাই ২০০৯ থেকে মাসিক হিসেবে এটি প্রতিমাসে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
.
'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর প্রধান লেখক ছিলেন-
  1. কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
  2. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
  3. মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
  4. কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ
ব্যাখ্যা
মুসলিম সাহিত্য-সমাজ:
• মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

• সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। তারাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য।

• নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর।

এছাড়াও-
• মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বার্ষিক মুখপত্র শিখা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে।
• শিখার মোট পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল।
• প্রথম সংখ্যা আবুল হুসেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যা কাজী মোতাহার হোসেন, চতুর্থ সংখ্যা মোহাম্মদ আবদুর রশিদ এবং পঞ্চম সংখ্যা আবুল ফজল সম্পাদনা করেন।
• শিখার মুখবাণী ছিল -‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।

• মুসলিম সাহিত্য-সমাজের প্রধান লেখকরা হলেন-
- আবুল হুসেন,
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- আবদুল কাদির,
- আবুল ফজল,
- আনোয়ারুল কাদির প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'ঠক চাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
  1. আলালের ঘরের দুলাল
  2. মৃত্যুক্ষুধা
  3. জোহরা
  4. হাজার বছর ধরে
ব্যাখ্যা
• আলালের ঘরের দুলাল:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় বন্ধ্যা শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- এছাড়াও চরিত্রে রয়েছে, বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

-----------------------
• প্যারীচাঁদ মিত্র:
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর সাহিত্যিক ছন্দনাম  “টেকচাঁদ ঠাকুর”।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায়,
- জাত থাকার কি উপায়?,
- আধ্যাত্মিকা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬৫
  2. ১৮৭২
  3. ১৮৭৫
  4. ১৮৮১
ব্যাখ্যা
• 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
- 'বঙ্গদর্শন' একটি মাসিক সাহিত্যপত্রিকা।
- ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
- বঙ্গদর্শনের ভাষা ছিল খুব উন্নত মানের সাধু বাংলা। সাহিত্য, সমাজ, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মূল্যবান প্রবন্ধ এবং উপন্যাস এতে প্রকাশিত হতো।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৮৭৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এর সম্পাদক ও প্রধান লেখক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র এক গুরু দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০০ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের নৈহাটিস্থ বঙ্কিমভবন গবেষণাকেন্দ্র কর্তৃক বঙ্গদর্শন নবরূপে ষাণ্মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে।

• বঙ্গদর্শনের প্রধান লেখক বঙ্কিমচন্দ্র হলেও এই পত্রিকায় অন্যান্য পন্ডিতগণও নিয়োমিত লিখতেন, এরা হলেন-
- গঙ্গাচরণ,
- রামদাস সেন,
- অক্ষয় সরকার,
- চন্দ্রনাথ বসু প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য-
  1. জীবনানুভূতির গভীরতায়
  2. দূষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায়
  3. কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায়
  4. ভাষার প্রকারভেদে
ব্যাখ্যা
• ‘ট্র্যাজেডি’ হচ্ছে শোকাবহ বা দুঃখজনক অবস্থা বা ঘটনা সংবলিত রচনা বা বিয়োগান্ত নাটকাদি।
• ‘কমেডি’ হচ্ছে হাস্য-রসাত্মক ঘটনা সংবলিত রচনা বা নাটক এবং ‘ফার্স’ হচ্ছে প্রসহসনমূল রচনা।
• সুতরাং ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে জীবনানুভূতির গভীরতায়।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি (হুমায়ুন আজাদ), বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
১২.
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-
  1. তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে
  2. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
  3. শব্দের কথা ও লেখা রূপে
  4. বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
ব্যাখ্যা
• সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের ভিন্নতায়।
- সাধুভাষায় পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয় আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- সাধু ভাষা তৎসম শব্দ বেশি আর চলিত ভাষায় অতৎসম শব্দ বেশি।

---------------------
• চলিত রীতি:
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনে চলিত রীতি পরিবর্তিত রূপ লাভ করে।
- এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। এছাড়াও এতে দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।
- চলিতরীতির লৈখিক ও মৌখিক দুটি রূপই বিদ্যমান।
- এই রীতি সহজবোধ্য, সংক্ষিপ্ত। বকৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য উপযোগী।

• সাধু ভাষা/রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ দীর্ঘতর হয়ে থাকে।
- সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন _____ ।
  1. বিনয় ঘোষ
  2. সিকান্‌দার আবু জাফর
  3. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  4. তফাজ্জল হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘সমকাল' পত্রিকা:
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সমকাল'।
- এর সহকারী সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, আজকের বাংলাদেশের আধুনিক সাহিত্যের বীজতলা নির্মাণে ‘সমকালে’র ভূমিকা অনস্বীকার্য।
- পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের বাংলাদেশের বাঙালি উল্লেখযােগ্য লেখকদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি 'সমকালে' লেখেন নি। 'সমকালে' লেখা ছিল গর্বের।
- সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর একজন সংগঠকের মতাে বাংলাদেশের বাঙালি লেখকদের বিনির্মাণে ‘সমকাল' পত্রিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন।
- 'সমকাল' ছাড়াও তিনি দৈনিক ইত্তেফাক (সহযোগী সম্পাদক) ও দৈনিক মিল্লাত (সহযোগী সম্পাদক) পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'প্রভাত চিন্তা', 'নিভূত চিন্তা', 'নিশীত চিন্তা' প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  2. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
  3. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  4. এস ওয়াজেদ আলী
ব্যাখ্যা
• কালীপ্রসন্ন ঘোষ:
- তিনি ১৮৪৩ সালের ২৩ জুলাই  ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ভরাকর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন বাগ্মী, সাংবাদিক, লেখক, পন্ডিত। 
- তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু হয় ঢাকার ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত ‘ঢাকা শুভসাধিনী সভার’ মুখপত্র 'শুভসাধিনী' সম্পাদনার মাধ্যমে।
- কালীপ্রসন্ন ঘোষ দর্শন ও সমাজ সম্পর্কে অনেক মূল্যবান প্রবন্ধ ও গ্রন্থ রচনা করেন।

• তাঁর প্রবন্ধগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- প্রভাত-চিন্তা।
- নিভৃত-চিন্তা।
- নারীজাতিবিষয়ক প্রস্তাব।
- নিশীথ-চিন্তা। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভ্রান্তিবিনোদ।
- প্রমোদলহরী।
- ভক্তির জয়।
- মা না মহাশক্তি।
- জানকীর অগ্নিপরীক্ষা।
- ছায়াদর্শন প্রভৃতি।

• এছাড়াও 'সঙ্গীতমঞ্জরী' নামে আধ্যাত্মিক সঙ্গীতসংগ্রহ এবং 'কোমল কবিতা' নামে শিশুপাঠ্য গ্রন্থও তিনি রচনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' এই উক্তিটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী আবদুল ওদুদ
  3. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উক্তি:
- ‘ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়'
- 'যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়'।

--------------------- 
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী, গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম বীরবল।
- তিনি সবুজপত্র (১৯১৪) ও বিশ্বভারতী, রূপ ও রীতি এবং অলকা পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারি কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও
- গল্প সংগ্রহ। 

• তাঁর রচিত প্ৰবন্ধগ্রন্থ:
- তেল- নুন -লাকড়ী।
- বীর বলের হালখাতা (চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা)। 
- নানাকথা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন-
  1. মুহুর্মুহু
  2. মূহুর্মুহু
  3. মুর্হুমূর্হু
  4. মুর্হুর্মূহু
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: মুহুর্মুহু (অব্যয় পদ)।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় - মুহুঃ + মুহুঃ।
- অর্থ: বারবার, ঘনঘন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৭.
'দ্যুলোক' শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. দুঃ + লোক
  2. দিব্‌ + লোক
  3. দ্বি + লোক
  4. দ্বিঃ + লোক
ব্যাখ্যা
• ‘দ্যুলোক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- 'দিব্‌ + লোক'।  
- এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যাঞ্জন সন্ধি।

• নিপাতনে সিদ্ধ ব্যাঞ্জন সন্ধি: 
ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারেই যখন কোনো কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না। অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার নাম নিপাতনে সিদ্ধ। 

কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যাঞ্জন সন্ধির উদাহরণ- 
আশ্চর্য = আ + চর্য।
ষোড়শ = ষট্‌ + দশ।
পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি।
একাদশ = এক + দশ।
বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি।
গোষ্পদ = গো + পদ।
বনস্পতি = বন + পতি। 
পরস্পর = পর + পর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. শৈত্য
  2. শীতল
  3. উত্তাপ
  4. হিম
ব্যাখ্যা
• 'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - শৈত্য।

[তাপ আর শৈত্য বিশেষ্য, অন্যদিকে হিম বিশেষণ। হিম বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হলে এর অর্থ হয় তুষার বা বরফ; যা তাপ এর বিপরীত অর্থ প্রদান করে না]

অন্যদিকে,
• শীতল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - উষ্ণ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দের উদাহরণ- 
তিক্ত - মধুর।
ত্যাগ - ভোগ।
ত্বরা - বিলম্ব।
তিমির - আলোক।
তরল - কঠিন।
তিরস্কার - পুরস্কার।
তস্কর - সাধু।
তেজ - মন্দা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনি বাংলা অভিধান।
১৯.
'ইচ্ছা' বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন-
  1. ইচ্ছাময়
  2. ঐচ্ছিক
  3. ইচ্ছুক
  4. অনিচ্ছা
ব্যাখ্যা
• ইচ্ছা (বিশেষ্য পদ),
অর্থ:
- অভিলাষ; স্পৃহা; বাসনা।
- রুচি; প্রবৃত্তি (খাওয়ার ইচ্ছা নাই)।
- অভিপ্রায় (খোদার ইচ্ছায় সব হয়)।

অন্যদিকে,
• ইচ্ছুক (বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- অভিলাষী;
- বাসনাযুক্ত
- রাজি;
- সম্মত।

• ঐচ্ছিক ( বিশেষণ পদ),
অর্থ:
- ইচ্ছানুরূপ,
- ইচ্ছানুযায়ী,
- ইচ্ছাধীন।

- ঐচ্ছিক এবং ইচ্ছুক দুটিই বিশেষণ পদ।
- কিন্তু এখানে ইচ্ছা- কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে না, বরং একটি বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করছে। তাই এর বিশেষণ হিসেবেও এমন শব্দ চয়ন করা উচিত যেটা কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ না করে একটি বিমূর্ত ধারণাকে প্রকাশ করবে।

• ইচ্ছুক - সাধারণত ব্যক্তিকেই নির্দেশ করে।
• ঐচ্ছিক - বিমূর্ত ধারণা প্রকাশ করে।

সুতরাং, ‘ইচ্ছা’ শব্দের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বিশেষণর পদ হচ্ছে- ঐচ্ছিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২০.
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে?
  1. সে বই পড়ছে
  2. সে গভীর চিন্তায় মগ্ন
  3. সে ঘুমিয়ে আছে
  4. সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
ব্যাখ্যা
• সমধাতুজ কর্ম:
বাক্যের ক্রিয়া ও কর্ম পদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে।
যেমন:
- 'আমি বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি'- বাক্যে কর্মপদ ঘুম এবং ক্রিয়াপদ ঘুমিয়েছি একই ধাতু ঘুম্‌ থেকে গঠিত হয়েছে।

আবার,
- ‘সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না’- বাক্যে কর্মপদ চাল এবং ক্রিয়াপদ চেলেছে একই ধাতু চাল থেকে গঠিত হয়েছে। সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
The speaker failed to make the audience ______ to him patiently. -Which of the following is the correct verb form in the blank above?
  1. to listen
  2. listening
  3. listened
  4. listen
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - listen.
- Complete sentence: The speaker failed to make the audience listen to him patiently.
- Causative Verb হিসাবে 'Make' এর নিয়মানুযায়ী এখানে listen বসবে।

• Causative verb হিসাবে 'Make' এর ব্যবহার -
- Make এরপর কোনো ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে verb এর base form বসে।
- Correct sentence: He made me laugh.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়।
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।
২২.
Which of the following ages in literary history is the latest?
  1. The Augustan Age
  2. The Victorian Age
  3. The Georgian Age
  4. The Restoration Age
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে The Georgian Age in literary history is the latest.
- The 'The Georgian Age ' is a sub age of Modern Period.

• The Modern Period (1901-1939) is divided into two shorter periods.
1. The Edwardian Period (1901-1910)
2. The Georgian Period (1910-1939)
- The Modern English period was the one of the most significant literary periods.

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
- The Anglo-Saxon Period - সবথেকে পুরাতন অর্থাৎ The Old English period এর অপর নাম।
- Restoration Period - The Neo-Classical Period এর অন্তর্ভুক্ত।
- Elizabethan Period - The Renaissance Period এর অন্তর্ভুক্ত।

• English Literature Periods and their sub ages: 
1. The Old English Period (450 -1066)

2. The Middle English Period (1066 -1500)
i) The Anglo Norman Period
ii) The Age of Chaucer

3. The Renaissance Period (1500 -1660)
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785)
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832)

6. The Victorian Period (1832 -1901)
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

7. The Modern Period (1901 -1939)
8. Present :- The Post Modern Period (1939 )

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২৩.
The first English dictionary was completed by -
  1. Iazak Walton
  2. Samuel Johnson
  3. Samuel Butler
  4. Sir Thomas Browne
ব্যাখ্যা
• The first English dictionary 'A Dictionary of the English Language' was completed by Dr Samuel Johnson.
- এই কারণে তাকে Father of English Dictionary বলা হয়।

• Dr. Samuel Johnson হচ্ছেন The Age of Sensibility (1745-1798) এর অত্যন্ত সুপরিচিত সাহিত্যিক।
- The Age of Sensibility - কে The Age of Johnson বলা হয় কারণ Dr. Samuel Johnson এই সময়টাকে dominate করেছেন।
- তাই, তাঁর নাম অনুসারে এই সময়টাকে Age of Johnson বলা হয়।
- তিনি William Shakespeare এর একজন বিখ্যাত সমালোচক হিসাবে পরিচিত।

• Dr. Samuel Johnson's major works:
- Dictionary (1755),
- The History of Rasselas, Prince of Abyssinia (1759),
- Preface to Shakespeare (1765).

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
২৪.
My uncle has three sons, ____ work in the same office. Which of the following is the best form of pronoun in the above sentence?
  1. all of them
  2. who all
  3. they all
  4. all of whom
ব্যাখ্যা
• এখানে যেহেতু দুটি clause আছে তাই এদের যুক্ত করতে শূন্যস্থানে একটি Relative pronoun ব্যবহার করতে হবে।
• Relative pronoun গুল সাধারণত Conjunction এরও কাজ করে থাকে।
- কিন্তু অপশন ক) all of them এবং গ) they all তে কোন relative pronoun নেই।
- অন্যদিকে, ''who all'' ব্যাকরণের নিয়ম অনু্যায়ী সঠিক নয়।
- সকল নিয়ম মেনে ''all of whom'' relative pronoun হিসেবে শূন্যস্থানে বসবে।

• শূন্যস্থানে All of whom বসালে বাক্যটির অর্থ হয় - আমার আঙ্কেলের তিন পুত্র আছে যাদের সবাই একই অফিসে কাজ করে।
- Complete sentence: My uncle has three sons, all of whom work in the same office.
২৫.
People always remember patriots. Which of the following is the best passive form of the above sentence?
  1. The patriots will always be remembered by people
  2. The patriots are always being remembered
  3. People are always remembered by the patriots
  4. The patriots are always remembered
ব্যাখ্যা
• Active voice কে Passive Voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:

- Active Voice এর object টি Passive Voice এর Subject হয়।
- Active Voice এর মূল Verb এর form অনুযায়ী অতিরিক্ত ‘be’ Verb বসে।
- মূল verb এর Past Participle form বসে।
- Active Voice এর subject টি Passive Voice এর Object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) বসে।
- তবে Active Voice এর Subject People হলে, তা Passive Voice এর Object হিসেবে না লিখলেও চলে।

• সে অনুসারে, সঠিক passive form: Patriots are always remembered.
২৬.
What is the meaning of the word 'intrepid'?
  1. arrogant
  2. belligerent
  3. questioning
  4. fearless
ব্যাখ্যা
• Intrepid - অকুতোভয়; নিঃশঙ্ক; অসমসাহসিক; শঙ্কাহীন।
 
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) arrogant - উদ্ধত।
খ) belligerent - (ব্যক্তি, জাতি ইত্যাদি) যুদ্ধরত; যুধ্যমান।
গ) questioning - জিজ্ঞাসুভাবে।
ঘ) fearless - নির্ভীক; শঙ্কাহীন।
 
• সুতরাং, শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বোঝা যাচ্ছে যে, the meaning of the word 'Intrepid' is - Fearless.
 
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
What is the meaning of the expression 'bottom line'?
  1. The final step
  2. The end of a road
  3. The last line of a book
  4. The essential point
ব্যাখ্যা
• Bottom line
English Meaning: the most important fact in a situation.
Bangla Meaning: গুরুত্বপুর্ণ বিষয়

Ex. Sentence: The bottom line is that we need another ten thousand dollars to complete the project.
Bangla Meaning: সবেচেয়ে জরুরি বিষয়টা হলো এই কাজ শেষ করতে আমাদের আরো দশ হাজার ডলার প্রয়োজন।

• So, the meaning of the phrase 'Bottom line' is - The essential point.

Source: Live MCQ Lecture.
২৮.
The word 'plurality' means-
  1. The letter 'S'
  2. Chaos and confusion
  3. Men and women
  4. The holding of more than one office at a time
ব্যাখ্যা
• The word 'plurality' means - The holding of more than one office at a time

• Plurality (noun) (plural pluralities)
English meaning:

(1) A large number of different types of something:
(2) The state of being plural, or consisting of more than one; a number consisting of two or more of the same kind; as, a plurality of worlds; the plurality of a verb.
Bangla Meaning: 
(১) [Uncountable noun] বহুত্ব; অনেকত্ব; [Countable noun] বৃহৎ সংখ্যা; (ভোট ইত্যাদির) অধিকাংশ।
(২) [Uncountable noun] বহুপদাধিকার; [Countable noun] যুগ্মভাবে অধিকৃত পদ; যুগ্মাধিকার।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
'Paediatric' relates to the treatment of -
  1. Adults
  2. Children
  3. Old people
  4. Women
ব্যাখ্যা
• Pediatrics (noun): 
English Meaning - The area of medicine that deals with children. 
Bangla Meaning - শিশুচিকিৎসা।

• উল্লেখিত প্রশ্নের বাকি অপশন গুলোর মধ্যে -
- Female/ women specialist is called - Gynecologist
- Adults (old) specialist is called - Geriatrics

• আরো কিছু চিকিৎসা বিষয়ক শব্দ: 
Orthopedics - The treatment or study of bones that have not grown correctly or that have been damaged.
Neurology - The study of the structure and diseases of the brain and all the nerves in the body. 
Cardiology - The study and treatment of medical conditions of the heart. 
Neurology - The study of the structure and diseases of the brain and all the nerves in the body. 

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩০.
'Boot leg' means to-
  1. distribute
  2. export
  3. import
  4. smuggle
ব্যাখ্যা
• মূল পরীক্ষার প্রশ্নে Boot leg দেয়া থাকলেও শব্দটি হবে Bootleg.
- সঠিক উত্তর: Smuggle

Bootleg (verb-transitive) 
English Meaning: Make, distribute, or sell (alcoholic drink or a recording) illegally.
Bangla Meaning: শুল্ক ফাঁকি বা বেআইনিভাবে মদ চোলাই, বিক্রি, আমদানি-রপ্তানি করা।

• Smuggle (verb-transitive):
English Meaning: Move (goods) illegally into or out of a country.
Bangla Meaning: গোপনে ও অবৈধভাবে (কাউকে বা কোনোকিছুকে) নিয়ে যাওয়া।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) distribute -  বিতরণ করা; বণ্টন করে দেওয়া
খ) export -রপ্তানি।
গ) import -  আমদানি করা।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
Are you doing anything special ____ the weekend? -fill in the gap with appropriate preposition.
  1. in
  2. on
  3. for
  4. at
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at.
- Complete sentence: Are you doing anything special at the weekend?

- সময় নির্দিষ্ট করে বুঝাতে at preposition ব্যবহৃত হয়।
- the weekend বা সাপ্তাহিক ছুটি যেহেতু নির্দিষ্ট সময় তাই এর পূর্বে at হবে।
- যেমন:
- What are you doing at the weekend?
৩২.
Which of the following is a correct sentence?
  1. He was too clever not to miss the point
  2. He was so clever to miss the point
  3. He was too clever to miss the point
  4. He was too clever to grasp the point
ব্যাখ্যা
• 'too…to' negative meaning প্রকাশ করে। 
- অর্থাৎ, to এর পরের word টি adjective এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করবে। 
- Structure: too + adjective + to + V1. 

• Miss - ধরতে; আঘাত করতে; নাগাল পেতে ব্যর্থ হওয়া;
• Grasp (হাত দিয়ে শক্ত করে ধরা; আঁকড়ে ধরা; উপলব্ধি করা) শব্দটি ব্যবহার করলে এটি অর্থগত দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।

• Too + adj + to + V1 হলো সঠিক Structure.
- সে অনুযায়ী অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে - He was too clever to miss the point.

সেই হিসেবে অন্য অপশন গুলো ভুল।

Source: Cambridge Dictionary.
৩৩.
The 'Poet Laureate' is-
  1. the best poet of the country
  2. a winner of the Noble Prize in poetry
  3. the Court Poet of England
  4. a classical poet
ব্যাখ্যা

• Poet Laureate
- The poet laureate is the official poet of a country. In Britain the poet laureate is paid by the government for the rest of their life.
- কাব্যিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে 17 শতকে ইংল্যান্ডে সর্ব প্রথম Poet Laureate উপাধি দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়েছিলো।

- ইংল্যান্ডে, Poet Laureate পদটির যাত্রা শুরু হয় ১৬৬৮ সালে, যখন John Dryden-কে প্রথমবারের মতো এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সেই থেকে এটি একটি স্থায়ী পদ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে, এবং এটি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
- The post has become free of specific poetic duties, but its holder remains a salaried member of the British royal household.

- So, the correct answer is the court poet of England. 

• Notable Poet laureates:
- John Dryden (1668–89)
- Thomas Shadwell (1689–92)
- Nahum Tate (1692–1715)
- Nicholas Rowe (1715–18)
- Laurence Eusden (1718–30)
- Colley Cibber (1730–57)
- William Whitehead (1757–85)
- Thomas Warton (1785–90)
- Henry James Pye (1790–1813)
- Robert Southey (1813–43)
- William Wordsworth (1843–50)
- Alfred, Lord Tennyson (1850–92)
- Alfred Austin (1896–1913)
- Robert Bridges (1913–30)
- John Masefield (1930–67)
- Cecil Day-Lewis (1968–72)
- Sir John Betjeman (1972–84)
- Ted Hughes (1984–98)
- Andrew Motion (1999–2009)
- Carol Ann Duffy (2009–19)
- Simon Armitage (2019

Source: Britannica and Collins Dictionary.

৩৪.
Which of the following school of literary writings is connected with a medical theory?
  1. Comedy of Manners
  2. Theater of the Absurd
  3. Heroic Tragedy
  4. Comedy of Humours
ব্যাখ্যা
• Comedy of humours is related to Medical theory.
- এই টার্ম টি ল্যাটিন শব্দ 'humor or umor' থেকে উদ্ভূত হয়েছে যারা মানে হচ্ছে “liquid,বা তরল”।
- মধ্যযুগীয় এবং রেনেসাঁ চিকিৎসা তত্ত্বে এর ব্যবহার দেখা যেতো যেখানে বলা হয় যে, মানুষের শরীর মূলত চারটি liquids বা humours এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে - blood, phlegm, yellow bile (choler), and black bile (melancholy).
- When properly balanced, these humours were thought to give the individual a healthy mind in a healthy body.

• Comedy of humours:
- This dramatic genre is most closely associated with the English playwright Ben Jonson from the late 16th century.
- এই ধরণের কমেডিগুলোতে সাধারণত চরিত্রগুলো নিজেদের হিউমার (temperaments) অনুযায়ী আচরণ করে থাকে।
- এই হিউমার গুলো হচ্ছে - Choleric (খিটখিটে; বদমেজাজি), melancholic (বিষাদবায়ুগ্রস্ত; বিষাদপূর্ণ), sanguine (আশাবাদী) and phelgmatic (স্বভাবত উদাসীন)।

• Example: Ben Jonson's Every man in His Humour and Every man Out of His Humour are two famous comedies of humours.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৩৫.
Who of the following was both a poet and painter?
  1. Keats
  2. Donne
  3. Blake
  4. Spenser
ব্যাখ্যা
• Of the following, the Romantic period's famous poet William Blake was both a painter and poet.

• William Blake: 
- ১৭৫৭ সালে তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের একজন অন্যতম সাহিত্যিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- William Blake is considered to be one of the greatest visionaries of the early Romantic era.  
- লেখক বা কবি পরিচয় ছাড়াও তার মূল পেশা ছিল - 'engraver and watercolor artist'
- অর্থাৎ, তিনি খোদাই করে ছবি তৈরী করতেন এবং জলরঙ দিয়ে ছবি আঁকতেন।
- ছবি ব্যাখ্যা করতে গিয়েই তিনি কবিতা লিখতেন।  

• Best Works:
- Songs of Innocence,
- Songs of Experience,
- The Marriage of Heaven and Hell,
- Milton a poem,
- The Divine image,
- A Vision of the Last Judgment,
- Jerusalem,
- London,
- The Tyger,
- The Lamb,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the daughters of Albion, etc.

Source: Live MCQ Licture & Britannica.
৩৬.
What is the synonym of 'incredible'?
  1. Unbelievable
  2. Unthinkable
  3. Unlikely
  4. Unthinking
ব্যাখ্যা
• The synonym of `incredible' is unbelievable.
• Incredible (adjective) অবিশ্বাস্য; অশ্রদ্ধেয়।
• Unbelievable (adjective) অবিশ্বাস্য।

• Meaning of other words: 
- Unlikely (adjective) অসম্ভাবনীয়; অসম্ভাবিত; অঘটনীয়।
- Unthinkable Bengali definition [আন্‌থিঙ্‌কাব্‌ল্] (adjective) অচিন্তনীয়; অবিবেচ্য।
- Unthinking (adjective)  চিন্তাশূন্য; বিবেচ্যহীন; অপরিণামদর্শী; অসতর্ক।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary
৩৭.
What is the antonym of 'famous'?
  1. opaque
  2. illiterate
  3. obscure
  4. immature
ব্যাখ্যা
• Famous (adjective): 
- English Meaning: Widely known. 
- Bengali Meaning: বিখ্যাত; সুবিদিত। 

• Synonyms: Famed, Celebrated, Prominent, Renowned, etc. 
• Antonyms: Unknown, Obscure (অখ্যাত), Anonymous, Insignificant, etc. 

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
- Opaque - আলোনিরোধক; অনচ্ছ; জড়।
- Illiterate - নিরক্ষর; অক্ষরজ্ঞানহীন; মূর্খ; অজ্ঞ। 
- Obscure - (১) অন্ধকারময়; গুপ্ত; অস্পষ্ট: (২) সুপরিচিত নয় এমন অখ্যাত।
- Immature - অপক্ব; অপরিপক্ব; অপরিণত।

• সুতরাং, Famous এর antonym হচ্ছে Obscure.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৩৮.
'Plebiscite' is a term related to_________?
  1. Medicine
  2. Technology
  3. Law
  4. Politics
ব্যাখ্যা
• Plebiscite
English Meaning: A referendum, 
Bangla Meaning: সব যোগ্য নাগরিকের ভোট; ঐরূপ ভোটে কোনো রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা; গণভোট।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - Plebiscite শব্দটি Politics এর সাথে সম্পর্কিত।
 
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৩৯.
Who wrote 'beauty is truth, truth is beauty'?
  1. Shakespeare
  2. Wordsworth
  3. Keats
  4. Eliot
ব্যাখ্যা
• "Beauty is truth, truth beauty,' is a famous quotation by - John Keats.
- অর্থাৎ সৌন্দর্য্যই সত্য, সত্য সুন্দর।

• অনেকেই এটাকে 'Beauty is truth, truth is beauty' এভাবে জানেন, যা সঠিক নয়।
- সঠিক উক্তিটি হচ্ছে -
'Beauty is truth, truth beauty'

• উক্তিটি Romantic period এর বিখ্যাত লেখক John Keats রচিত 'Ode on a Grecian Urn' নামক কবিতা হতে উদ্ধৃত। 
- এটি একটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যেটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- একটি Grecian urn-এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
- যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।
- এই কবিতার শেষ দুই লাইন হচ্ছে - 
 ‘Beauty is truth, truth beauty, —that is all
 Ye know on earth, and all ye need to know."

• Other qoutes from the poem -
• Heard melodies are sweet, but those unheard
Are sweeter; therefore, ye soft pipes, play on;

• She cannot fade, though thou hast not thy bliss,
For ever wilt thou love, and she be fair!

Source: Britannica and Poetryfoundation.
৪০.
Many islands make up-
  1. an isles
  2. an archipelago
  3. a peninsula
  4. a continent
ব্যাখ্যা
• Many islands make up an archipelago.
- অর্থাৎ অনেকগুলো দ্বীপ মিলে একটি দ্বীপপুঞ্জ গঠিত হয়।

• Archipelago (noun):

Meaning: An extensive group of islands.
Bengali meaning: দ্বীপপুঞ্জ।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
An isle
English Meaning: An island or peninsula, especially a small one.
Bengali meaning: ক্ষুদ্রদ্বীপ।

A Peninsula
English Meaning: A piece of land almost surrounded by water or projecting out into a body of water.
Bengali meaning: সামুদ্রিক জলবেষ্টিত উপদ্বীপ।

A Continent
English Meaning: Any of the world's main continuous expanses of land (Europe, Asia, Africa, North and South America,
Bengali meaning: মহাদেশ; যেমন এশিয়া, আফ্রিকা ইত্যাদি।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪১.
১ বর্গইঞ্চি কত বর্গ সেন্টিমিটারের সমান?
  1. ০.০৯২৯
  2. ৭.৩২
  3. ৬.৪৫
  4. ৬৪.৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ বর্গইঞ্চি কত বর্গ সেন্টিমিটারের সমান?

সমাধান:
আমরা জানি
১ ইঞ্চি =২.৫৪ সেমি
১ বর্গ ইঞ্চি = (২.৫৪ × ২.৫৪) বর্গ সেমি
= ৬.৪৫১৬ বর্গ সেমি
= ৬.৪৫বর্গ সেমি
৪২.
পরস্পরকে স্পর্শ করে আছে এমন তিনটি বৃত্তের কেন্দ্র P, Q, R এবং PQ= a, QR= b, RP= c হলে P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস হবে-
  1. a + b + c
  2. b + c - a
  3. c + a - b
  4. a - b + c
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পরস্পরকে স্পর্শ করে আছে এমন তিনটি বৃত্তের কেন্দ্র P, Q, R এবং PQ= a, QR= b, RP= c হলে P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস হবে-

সমাধান:

P, Q, R কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ যথাক্রমে x, y, z (ধরে নেই)
∴ বৃত্তত্রয় পরস্পরকে বহিঃস্থভাবে স্পর্শ করে
∴ PQ = x + y
বা, a = x + y......(1)
QR = y + z
বা, b = y + z.......(2)
এবং RP = z + x
বা, c = z + x.......(3)

(1) নং + (2) নং + (3) নং দ্বারা পাই,
a + b + c = 2x + 2y + 2z
2x + 2y + 2z = a + b + c 
2x = a + b + c  - 2(y + z)
2x = a + b + c  - 2b
2x = a + c - b

প্রদত্ত প্রশ্নে দ্বৈত উত্তর বিদ্যমান।
তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
৪৩.
x + y - 1 = 0, x - y + 1 = 0 এবং y + 3 = 0 সরল রেখা তিনটি দ্বারা গঠিত ত্রিভুজটি-
  1. সমবাহু
  2. বিষমবাহু
  3. সমকোণী
  4. সমদ্বিবাহু
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y - 1 = 0, x - y + 1 = 0 এবং y + 3 = 0 সরল রেখা তিনটি দ্বারা গঠিত ত্রিভুজটি-

সমাধান: 
x + y - 1 = 0
⇒ y = - x + 1
∴ সমীকরণটির ঢাল = -1

আবার,
 x - y + 1 = 0
⇒ y = x + 1
∴ সমীকরণটির ঢাল = 1

এখন,
ঢালদ্বয়ের গুণফল = -1, তাই সমীকরণদ্বয় পরস্পর লম্ব।
∴ ত্রিভুজটি সমকোণী।
৪৪.
১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল-
  1. ৪৮৫০
  2. ৪৯৫০
  3. ৫৭৫০
  4. ৫৯৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল-

সমাধান: 
আমরা জানি,
1 থেকে n  পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল = n(n + 1)/2

১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল = {৯৯ × (৯৯ + ১)}/২
= (৯৯ × ১০০)/২
= ৯৯ × ৫০
= ৪৯৫০
৪৫.
a = 1, b = -1, c = 2, d = - 2 হলে a - ( - b) - ( - c) - (- d) এর মান কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 1, b = -1, c = 2, d = - 2 হলে a - ( - b) - ( - c) - (- d) এর মান কত?

সমাধান: 
 a - ( - b ) - ( - c ) - ( - d )
= a + b + c + d
= 1 + ( - 1 ) + (2) + ( - 2)
= 1 - 1 + 2 - 2
= 0
৪৬.
৬৪ কিলোগ্রাম বালি ও পাথরের টুকরোর মিশ্রণে বালির পরিমাণ ২৫% । কত কিলোগ্রাম বালি মিশালে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরোর পরিমাণ ৪০% হবে?
  1. ৯.৬
  2. ১১.০
  3. ৪৮.০
  4. ৫৬.০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬৪ কিলোগ্রাম বালি ও পাথরের টুকরোর মিশ্রণে বালির পরিমাণ ২৫% । কত কিলোগ্রাম বালি মিশালে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরোর পরিমাণ ৪০% হবে?

সমাধান:
মিশ্রণে বালি আছে = (২৫ × ৬৪)/১০০ কিলোগ্রাম
= ১৬ কিলোগ্রাম

∴ মিশ্রণে পাথরের পরিমাণ (৬৪ - ১৬) কিলোগ্রাম
= ৪৮ কিলোগ্রাম

নতুন মিশ্রণে পাথরের টুকরার পরিমাণ ৪০% হলে,
পাথর : বালি = ৪০ : ৬০

পাথরের পরিমাণ ৪০ কিলোগ্রাম হলে বালির পরিমাণ ৬০ কিলোগ্রাম
পাথরের পরিমাণ ১ কিলোগ্রাম হলে বালির পরিমাণ ৬০/৪০ কিলোগ্রাম
পাথরের পরিমাণ ৪৮ কিলোগ্রাম হলে বালির পরিমাণ (৬০ × ৪৮)/৪০ কিলোগ্রাম
= ৭২ কিলোগ্রাম

বালি মিশাতে হবে = (৭২ - ১৬) কিলোগ্রাম
= ৫৬ কিলোগ্রাম
৪৭.
কোন সংখ্যার ২/৭ অংশ ৬৪-এর সমান?
  1. ১৮২৭
  2. ২৪৮
  3. ২১৭
  4. ২২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যার (২/৭) অংশ ৬৪ এর সমান?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
ক এর ২/৭ = ৬৪
বা, ২ক/৭ = ৬৪
বা, ২ক = ৬৪ × ৭
বা, ক = (৬৪ × ৭)/২
∴ ক = ২২৪
৪৮.
একটি ৫০ মিটার লম্বা মই একটি খাড়া দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে। মইয়ের এক প্রান্ত মাটি হতে ৪০ মিটার উচ্চে দেয়ালকে স্পর্শ করে। মই-এর অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব (মিটারে)-
  1. ১০
  2. ৩০
  3. ২০
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ৫০ মিটার লম্বা মই একটি খাড়া দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে। মইয়ের এক প্রান্ত মাটি হতে ৪০ মিটার উচ্চে দেয়ালকে স্পর্শ করে। মই-এর অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব (মিটারে)-

সমাধান
ধরি,
মই- এর অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার

পীথাগোরাসের সূত্রানু্যায়ী,
৫০ = ৪০+ ক
বা, ২৫০০ = ১৬০০ + ক
বা, ক = ২৫০০ - ১৬০০
বা, ক = ৯০০
বা, ক = ৩০
∴ ক = ৩০ মিটার
৪৯.
(2 + x) + 3 = 3(x + 2) হলে x এর মান কত?
  1. - 1/2
  2. 1/2
  3. 1/3
  4. 2/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (2 + x) + 3 = 3(x + 2) হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
(2 + x) + 3 = 3(x + 2)
বা, 2 + x + 3 = 3x + 6
বা, 3x + 6 = x  + 5
বা, 3x - x = 5 - 6
বা, 2x = - 1
∴ x = - 1/2
৫০.
কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. ০.৩
  2. √০.৩
  3. ২/৫
  4. ১/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান: 
ক) ০.৩ = ০.৩
খ) √০.৩ = ০.৫৪৭৭২
গ) ২/৫ = ০.৪
ঘ) ১/৩ = ০.৩৩
৫১.
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
- বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র — ৪টি।
যথা:
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী ও
- সিলেট

• বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
• এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২.
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১৪
  2. ৩৩
ব্যাখ্যা


বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় — ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র  — ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
৫৩.
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. সাড়ে ৫ ঘণ্টা
  3. সাড়ে ৬ ঘণ্টা
  4. ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় — ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে — ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৮,০০০ কিমি.
  2. ৫,২০০ কিমি.
  3. ১১,০০০ কিমি.
  4. ৮,৫০০ কিমি.
ব্যাখ্যা
নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই এবং এসএসসি প্রোগ্রাম, (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) অনুসারে, 
উপনদী ও শাখানদীসহ বাংলাদেশের নদীগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার এবং নদীপথের দৈর্ঘ্য ৮,৪০০ কিলোমিটার যা অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ নামে পরিচিত। অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথের মধ্যে ৫৪০০ কিলোমিটার নদীপথ সারাবছর নৌ চলাচলের জন্য উপযুক্ত। অবশিষ্ট ৩,০০০ কিলোমিটার শুধুমাত্র বর্ষাকালে ব্যবহার করা যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এর তথ্যমতে,
বাংলাদেশে প্রায় ২৪,০০০ কিলোমিটার নদী, খাল এবং উপনদী রয়েছে, যা দেশের মোট ভূমির প্রায় ৭% জুড়ে বিস্তৃত। দেশের বেশিরভাগ অংশই একটি জটিল জলপথ নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত, যা বর্ষাকালে এর সর্বাধিক বিস্তার লাভ করে। এই ২৪,০০০ কিলোমিটার নদী, উপনদী এবং খালের মধ্যে শুধুমাত্র প্রায় ৫,৯৬৮ কিলোমিটার বর্ষা মৌসুমে যান্ত্রিক নৌযানের জন্য নাব্য থাকে, যা শুষ্ক মৌসুমে সংকুচিত হয়ে প্রায় ৩,৮৬৫ কিলোমিটারে নেমে আসে। অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাত দেশের মোট পণ্য পরিবহনের ৫০% এবং যাত্রী পরিবহনের এক-চতুর্থাংশ পরিচালনা করে।

সুতরাং, অধিক কাছাকাছি উত্তর হিসেবে - ৫,২০০ কিমি. গ্রহণ করা হলো।

উৎস:
নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
৫৬.
[তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশের GDP-তে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ৮০
  2. ৭৫
  3. ৩২
  4. ১০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:

- অবদান ১১.০২ শতাংশ। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)। 
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৭.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কোন নদী দ্বারা বিভক্ত?
  1. নাফ
  2. কর্ণফুলী
  3. নবগঙ্গা
  4. ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
• নাফ নদী (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- উৎপত্তিস্থল থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
• কর্ণফুলী (Karnaphuli):
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

• নবগঙ্গা নদী (Nabaganga River):
- মাথাভাঙ্গা নদীর একটি শাখা, চুয়াডাঙ্গা শহরের কাছে এর উৎপত্তি।
- মাথাভাঙ্গা থেকে ‘গঙ্গার নবরূপ’ - এভাবে নবগঙ্গার নামকরণ করা হয়েছে বলে অনুমান করা হয়। 

• ভাগীরথী: 
- ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে প্রবাহিত একটি নদী। এটি গঙ্গার প্রধান দুটি প্রবাহের একটি এবং হিন্দুদের একটি পবিত্র নদী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
কোন নেতা ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?
  1. তিতুমীর
  2. সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ফরায়েজী আন্দোলন:
- ১৮১৮ সালে — হাজী শরীয়তউল্লাহ বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- প্রথমদিকে ধর্মকেন্দ্রিক হলেও পরবর্তীতে সামাজিক ও ইংরেজ শাসনবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ'র মৃত্যুর পর তার ছেলে দুদু মিয়া এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যু হলে সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজী আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রুপ দেন- ‍দুদু মিয়া।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯.
তেঁতুলিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. জয়পুরহাট
  4. লালমনিরহাট
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• তেঁতুলিয়া উপজেলা: 
- পঞ্চগড় জেলার একটি উপজেলা।
- আয়তন: ১৮৯.১০ বর্গ কিমি।
- অবস্থান: ২৬°২৪´ থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°২১´ থেকে ৮৮°৩৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- সীমানা: উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে পঞ্চগড় সদর উপজেলা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তর সীমান্তে তেঁতুলিয়া উপজেলা অবস্থিত।
- এ উপজেলায়  সাঁওতাল, রাজবংশী প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- ডাহুক, করতোয়া ও মহানন্দা নদী প্রবাহিত হয়েছে এ উপজেলা দিয়ে।

সূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
৬০.
কে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেন?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
  3. সুবাদার ইসলাম খান
  4. নবাব শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• নবাব মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খান বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা  থেকে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।

ইসলাম খান:
- ইসলাম খান পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য বাংলার মুঘল সুবাদার ছিলেন।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।
- তিনি বাংলার প্রথম সুবাদার ছিলেন।

শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬১.
১৯০৫ সালে নবগঠিত প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন-
  1. ব্যামফিল্ড ফুলার
  2. লর্ড মিন্টো
  3. লর্ড কার্জন
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর: 
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়।
- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জলপাইগুড়ি, মালদহ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়।
- প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিযুক্ত হন — স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।
- তিনি ১৯০৬ সালের ২০ আগস্ট লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ছিলো ঢাকা।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতার কারণে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৬২.
হিমছড়ি কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• হিমছড়ি: 
- হিমছড়ি কক্সবাজার জেলার উপকন্ঠে অবস্থিত।
- জেলা সদর হতে ৯ কিঃমিঃ দূরে হিমছড়ি অবস্থিত।
- পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণা সমন্বিত হিমছড়ি অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এক পর্যটন স্পট।
- পর্যটন মৌসুমে এখানে পর্যটকদের আনাগোণা বেশি পরীলক্ষিত হয়।
- এখানে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঝর্ণা (প্রসবণ) রয়েছে।
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে হিমছড়িসহ আশে পাশে অনেক পর্যটন স্পট দারুণভাবে ক্ষতিসাধন হয়।
- সিঁড়ি বেয়ে উঁচু পাহাড়ে উঠে সাগর, পাহাড় ও কক্সবাজারের নৈসর্গিক সৌর্ন্দয অতিসহজে উপভোগ করা যায়।

------------------- 
আরো কয়েকটি ঝর্ণা: 
মাধবকুন্ড: 
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় অবস্থিত।

হামহাম: 
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।

শুভলং: 
- রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।

খৈয়াছড়া: 
- চট্টগ্রামের মিরসরাই-এ অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, হিমছড়ি, coxsbazar.gov.bd.
৬৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে '৩৬০ আউলিয়ার দেশ' বলা হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশের — সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।

৩৬০ আউলিয়ার দেশ:
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সিলেট জেলা:
- মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.)সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ। 
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় এই বিভাগে।
- সিলেট জেলা প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, বালুসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে অনন্য একটি জেলা। 
- দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখালে হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪.
বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কোন খাতে?
  1. আবাসিক
  2. কৃষি
  3. পরিবহন
  4. শিল্প
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাত: 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত।
- কৃষি বাংলাদেশের প্রধান অর্থনৈতিক খাত এবং পানি সম্পদের প্রধান ব্যবহারকারী।
- কৃষিখাত ছাড়া পানির আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারও ব্যাপক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
[তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে রেডিমেড গার্মেন্টস-এর অংশ কত?
  1. ৭৫%
  2. ৫৬%
  3. ৩৫%
  4. ৬০%
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৬.
[তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত আসনে মহিলা সদস্যের সংখ্যা কত?
  1. ৩০
  2. ৩২
  3. ৩৫
  4. ৪০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৭.
[তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা কত?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৩
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- বর্তমানে দেশে সরকারি MBBS মেডিকেল কলেজ - ৩৭টি।
- দেশের সর্বশেষ সরকারি মেডিকেল কলেজ - বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৮.
সেন্টমার্টিন দ্বীপ-এর অপর নাম কী?
  1. নারিকেল জিঞ্জিরা
  2. সোনাদিয়া
  3. কুতুবদিয়া
  4. নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো - সেন্টমার্টিন।
- সেন্ট মার্টিনের স্থানীয় নাম - নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।

অন্যদিকে,
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ ও তাদের অবস্থান:
- ভোলা - ভোলা(দ্বীপজেলা)।
- সেন্টমার্টিন - টেকনাফ, কক্সবাজার।
- দক্ষিণ তালপট্টি/পূর্বাশা/নিউমুর - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
- নিঝুম দ্বীপ - হাতিয়া, নোয়াখালী।
- সোনাদিয়া - মহেশখালী, কক্সবাজার।
- মনপুরা দ্বীপ - মনপুরা, ভোলা।
- কতুবদিয়া - কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
[তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন] ২০০০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে-
  1. ২০০ মিলিয়ন
  2. ১২০ মিলিয়ন
  3. ১০০ মিলিয়ন
  4. ২৩০ মিলিয়ন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

-------------------------------- 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭০.
আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. মিয়ানমার
  2. জর্ডান
  3. ইরাক
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
আকাবা:
- জর্ডানের সমুদ্র বন্দর হলো আকাবা।
- আকাবা বন্দর কন্টেইনার পরিবণের জন্য লাল সাগরের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বন্দর।
- এটি জর্ডানের বাজারের প্রাথমিক প্রবেশ দ্বার।
- এই অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে চলমান পণ্য সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট।

অন্যদিকে -
- আকিয়াব মিয়ানমারের একটি সমুদ্রবন্দর।
- হাইফা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত: ইসরায়েল।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।

উৎস: Britannica.
৭১.
'ক্রুজিরো' কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. ব্রাজিল
  3. কম্বোডিয়া
  4. মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল:
- ব্রাজিল আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ।
- ব্রাজিল আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলরেখাসহ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পূর্ব দিকে একটি বিশাল ত্রিভুজের আকৃতি নিয়েছে।
- চিলি ও ইকুয়েডর ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিটি দেশের সঙ্গে এর সীমান্ত আছে।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- ভাষা: পর্তুগিজ।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়েল।
- এটি একটি বহুদলীয় ফেডারেল প্রজাতন্ত্র যেখানে দুটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
- ব্রাজিলে ২৬টি রাজ্য রয়েছে।

⇒ ব্রাজিল পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৫০০ থেকে ১৮২২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিল একটি পর্তুগিজ উপনিবেশ ছিল।
- ১৮১৫ সালে ব্রাজিলে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৮২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিলকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৮৮৮ সালে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।
- ১৮৮৯ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রথম ব্রাজিলিয়ান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ দেশটির উত্তরে আছে বিশ্বের বৃহত্তম জঙ্গল আমাজন।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ব্রাজিলের সাবেক মুদ্রা ক্রুজিরো, তবে বর্তমান মুদ্রা রিয়াল।

উৎস: Britannica.
৭২.
The World Economic Forum কর্তৃক নির্ধারিত International Competitiveness Ranking-এ ১৯৯৩ সালে কোন দেশ সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
The World Economic Forum কর্তৃক নির্ধারিত International Competitiveness Ranking-এ ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়া সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালে The World Economic Forum কর্তৃক নির্ধারিত International Competitiveness Ranking-এ সিঙ্গাপুর সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে।

World Economic Forum:

- WEF-এর পূর্ণরূপ; World Economic Forum.
- World Economic Forum বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ শুরুতে এটির নাম ছিলো European Management Forum।
- এটি ১৯৮৭ সালে World Economic Forum নামধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট।
৭৩.
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের স্থান কততম?
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. দ্বাদশ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

World Population Prospects 2024:

- জুলাই ২০২৪-এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ 'World Population Prospects 2024' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

⇒ প্রতিবেদন অনুসারে –
• জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ দেশ:
১. ভারত,
২. চীন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. ইন্দোনেশিয়া,
৫. পাকিস্তান,
৬. নাইজেরিয়া, 
৭. ব্রাজিল, 
৮. বাংলাদেশ,
৯. রাশিয়া,
১০. ইথিওপিয়া।

⇒  জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। [link]
৭৪.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. IJSG
  2. APEC
  3. SAARC
  4. ADB
ব্যাখ্যা
IJSG:
- IJSG-এর পূর্ণরূপ: International Jute Study Group.
- এটি ইন্টারন্যাশনাল জুট অর্গানাইজেশন (IJO) এর উত্তরসূরী।
- এটি গঠিত হয় ২৭ এপ্রিল, ২০০২ সালে।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এটি বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনের একটি সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- পাট ও কেনাফের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

⇒ মার্চ ২০০০- এপ্রিল ২০০১ জেনেভাতে অনুষ্ঠিত হওয়া UNCTAD সম্মেলনের ফলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

অন্যদিকে,
• APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ: Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

• SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- এর সদরদপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি:

• ADB:
- ADB-এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank.
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি।
- সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৭৫.
ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত?
  1. ডালাস
  2. লন্ডন
  3. নিউইয়র্ক
  4. হংকং
ব্যাখ্যা
ওয়াল স্ট্রিট (Wall Street):
- ওয়াল স্ট্রিট নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- ওয়াল স্ট্রিট নিউ ইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্ববহ বিনিয়োগ বাজার নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।
- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ছাড়াও বহু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই সড়কে অবস্থিত।
- এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক।

উৎস: Britannica.
৭৬.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।] ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংককে (IDB) দেয় বাংলাদেশের চাঁদার হার কত?
  1. ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
  2. ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
  3. ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
  4. কোনো চাঁদা দিতে হয় না
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

Islamic Development Bank (IsDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- ৫৭তম দেশ: গায়ানা।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের (সৌদি আরব)।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে বিনা সুদে।

উল্লেখ্য,
- IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে IsDB-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সাল থেকে।

উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
৭৭.
বিশ্বব্যাংক -এর কোন অঙ্গ সংগঠনটি 'Soft Ioan Window' নামে পরিচিত?
  1. IBRD
  2. IDA
  3. IFC
  4. EDI
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।

- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ IDA:
- IDA-এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, IDA তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- এজন্যে এটি Soft Loan Window নামে পরিচিত।
- IDA ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- IDA সদস্য দেশগুলোর যথাক্রমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়।
- বাংলাদেশ IDA-১০৯তম এবং World Bank-এর ১১৮তম সদস্য।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৭৮.
আফ্রিকা মহাদেশের মানচিত্রে Horns of Africa-তে কোন দেশটি অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. নাইজেরিয়া
  3. কেনিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: আদ্দিস আবাবা।
- সরকার পদ্ধতি: ফেডারেল পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন।
- নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

উল্লেখ্য,
• 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং (ইংরেজি: Horn of Africa) আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- এটি ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
৭৯.
১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমস কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লসএঞ্জেলস
  2. আটলান্টা
  3. টোকিও
  4. নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অলিম্পিক গেমস:

- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিস শুরু হওয়া প্রাচীন অলিম্পিক গেমস থেকেই মূলত আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জন্ম।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

⇒ ১৯৯৬ সালের ১৯ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.
৮০.
১৯৯২ সালের Wimbledon টেনিস প্রতিযোগিতায় men's singles-এ কে চ্যাম্পিয়ন হন?
  1. Boris Becker
  2. Mechael Stich
  3. Andre Agassi
  4. Stefan Edberg
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

১৯৯২ সালের Wimbledon টেনিস প্রতিযোগিতায় men's singles-এ চ্যাম্পিয়ন হন Andre Agassi। 


টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বছরে চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ- অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন (উইম্বলডন) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- জেতাকে বোঝায়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।

⇒ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

⇒ Wimbledon 2024:
• পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: কার্লোস আলকারাস।
- রানার আপ: নোভাক জোকোভিচ।

• নারী একক:
- চ্যাম্পিয়ন: বার্বোরা ক্রেচিকোভা।
- রানার আপ: জ্যাসমিন পাওলিনি।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।
৮১.
নিচের কোন তারিখে পিএলও-ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে?
  1. ১০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  2. ১১ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  3. ১৩ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  4. ২০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- অসলো চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের পাশে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৮২.
রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত 'ধরিত্রী সম্মেলন'-এ কত দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিল?
  1. ১৫০
  2. ১৫৬
  3. ১৭৮
  4. ১৭৯
ব্যাখ্যা
Earth Summit:
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।
- এই চুক্তি পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল: পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাপী এই সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৮৩.
'Club of Vienna' কী?
  1. অস্ট্রিয়ার একটি বিখ্যাত পান্থশালা
  2. পশ্চিম ইউরোপের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাৎসরিক সভা
  3. একটি বিশ্ব উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন
ব্যাখ্যা
Club of Vienna:
'Club of Vienna' মূলত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা বিশ্ব উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাজ করে। এর লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন দেশের উন্নয়ন নীতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা এবং গবেষণা করা।

মূল উদ্দেশ্য:
১. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণা করা এবং আলোচনা করা।
২. উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কার্যকর নীতির উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
৩. আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও সহযোগিতা।

কার্যক্রম:
১. উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজন করে।
২. উন্নয়ন গবেষণা, নীতি এবং কৌশল সম্পর্কে প্রতিবেদন ও বই প্রকাশ করে।
৩. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।

উৎস: Club of Vienna ওয়েবসাইট।
৮৪.
জাতিসংঘ 'আদিবাসী বর্ষ' হিসেবে কোন সালকে ঘোষণা করেছে?
  1. ১৯৯১ সাল
  2. ১৯৯২ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯৪ সাল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ:
- জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮২ সালের ৯ আগস্ট জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- এই দিনকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২০২২ থেকে ২০৩২ সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে।
- ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ১৪৪টি রাষ্ট্রের সমর্থন, ৪টি রাষ্ট্রের বিরোধিতা ও ১১টি রাষ্ট্রের ভোট প্রদানে অনুপস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে আদিবাসীদের কল্যাণার্থে ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার নিমিত্তে The Declaration on the Rights of Indigenous Peoples (UNDRIP) অনুমোদন করে।

⇒ ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৮৫.
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়েছে?
  1. ফুনসিনপেক
  2. সিপিপি
  3. খেমাররুজ
  4. কেপিএলএনএফ
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে ফুনসিনপেক। ভিয়েতনামের দখল ছিল কম্বোডিয়া তারা জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে ১৯৯৩ সালে আধুনিক কম্বোডিয়া আত্নপ্রকাশ করে। এবং ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কম্বোডিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বিজয়ী হয় ফুনসিনপেক দল।

কম্বোডিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ কম্বোডিয়া। 
- রাজধানী: নমপেন।
- গুরুত্বপূর্ণ শহর: সিয়ানুক‌ভিল। 
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সরকারী ভাষা: খমের।
- মুদ্রা: রিয়েল।

উৎস: Britannica.
৮৬.
নিচের কোন দেশটি Group of Seven (G-7) এর সদস্য নয়?
  1. কানাডা
  2. ইতালি
  3. সুইডেন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
সুইডেন Group of Seven (G-7) এর সদস্য নয়।

G-7:

- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ১ জানুয়ারি, ২০২৪ থেকে, ইতালি G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
- জর্জিয়া মেলোনি ২০২৪ সালের G-7 সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।
- G-7-এর সভাপতিত্ব তার সদস্য দেশগুলির মধ্যে প্রতি বছর আবর্তিত হয়।
- এটি প্রতিটি সদস্যের এজেন্ডা এবং অগ্রাধিকারগুলিকে প্রভাবিত করার সুযোগ নিশ্চিত করে।

⇒ ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৪ সালে ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ইতালিতে।
- এবারের সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ইউক্রেনকে সহায়তা, গাজায় যুদ্ধবিরতি, অভিবাসন নীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং চীনের বাণিজ্যিক বিষয়।
- এছাড়াও আফ্রিকা এবং ভূমধ্যসাগর এ দুটি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু এবারের সম্মেলনে আলোচনার মুখ্য বিষয়বস্তু ছিল।
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষ করে সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে কীভাবে ন্যায্য ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানেরা আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে।
- সম্মেলনে রাশিয়ার সামরিক সম্প্রসারণ নীতির প্রতি চীনের সমর্থন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ৪৯তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালের ১৯-২১ মে জাপানের হিরোশিমা শহরে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।
৮৭.
বিশ্বের কোন শহর 'নিষিদ্ধ শহর' নামে পরিচিত?
  1. লাসা
  2. উলানবটোর
  3. পিয়ংইয়ং
  4. কাবুল
ব্যাখ্যা
বিশ্বের নিষিদ্ধ শহর:
- বিশ্বের নিষিদ্ধ শহর বলা হয় লাসাকে।
- লাসা তিব্বত এর রাজধানী।
- এটি ঐতিহাসিকভাবে দালাই লামার বাসস্থান।
- সমুদ্র সমতল হতে এর উচ্চতা ৩,৬৫০ মিটার।
- ১৯৫৮ সালে চীনা কমিউনিস্টদের ধর্মীয় স্থাপনা দখলের কারণে লাসা শহর নিষিদ্ধ স্থান হিসাবে পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.
৮৮.
'League of Arab States'-এর বর্তমান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. তিউনেসিয়া
  2. কায়রো
  3. রাবাত
  4. জেদ্দা
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪।
- আরব লীগ গঠিত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৪৫।
- আরব লীগের ভিত্তি ছিল আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৭টি।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন।
- বর্তমান সদস্য: ২২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস, সোমালিয়া।

উল্লেখ্য,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে আরব লীগে যোগদান করে।

উৎস: Arab League ওয়েবসাইট।
৮৯.
বাংলাদেশ নিচে উল্লিখিত কোন সময়ের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৮-৭৯
  2. ১৯৭৯-৮০
  3. ১৯৮০-৮১
  4. ১৯৮১-৮২
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।

এছাড়াও,
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে। বাংলাদেশের প্রথমবারের (১৯৭৯-৮০) নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ লাভ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৯০.
The United Nations University কোন শহরে অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. ব্রাসেলস
  3. নিউইয়র্ক
  4. টোকিও
ব্যাখ্যা
UNU:
- UNU-এর পূর্ণরূপ: United Nations University বা জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- একাডেমিক কাজ শুরু করে: সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: টোকিও, জাপান।
- এর প্রধানের উপাধি হলো রেক্টর।
- প্রথম ইউএনইউ কাউন্সিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রেক্টর: ড. জেমস এম. হেস্টার।
- বর্তমান রেক্টর: শিলিদজি মারওয়ালা (৭ম)।
- লক্ষ্য হল যৌথ গবেষণা এবং শিক্ষার মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যাগুলি সমাধান করার প্রচেষ্টায় অবদান রাখা।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৬৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থান করেন।
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (UNU) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

⇒ বিশ্বের প্রায় ১২টি দেশে ১৩টি প্রতিষ্ঠানে এই ক্যাম্পাসের কার্যক্রম চালু আছে।
- স্নাতকোত্তর পাঠদান কার্যক্রমের মাধ্যমে, ইউএনইউ বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।

উৎস: UNU ওয়েবসাইট।
৯১.
আকাশ নীল দেখায় কেন?
  1. নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
  2. নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
  3. নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  4. নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
ব্যাখ্যা
• বিক্ষেপণ:
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে।
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে।
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি।
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়।
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়।
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯২.
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে- এটি কী?
  1. হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
  2. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা
  3. হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
  4. ফুসফুসে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা
• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধার ফলে স্ট্রোক হয়। যাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যা একটি রক্ত সঞ্চালনের জনিত একটি রোগ।

• স্ট্রোক:
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়।

• স্ট্রোকের কারণ:
- সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্ত চাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ হতে পারে।
- অনেক সময় অত্যধিক স্নায়ুবিক চাপ, যেমন: উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
- নির্গত রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে, রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বরে ও মাথার খুলিতে ঢুকে গেলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

• লক্ষণ:
- প্রচন্ড মাথা ব্যথা,
- ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া,
- কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারিয়ে যাওয়া,
- মাংস পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া,
- শ্বসন ও নাড়ির স্পন্দন কমে যাওয়া,
- মুখমন্ডল লালবর্ণ ধারণ করা ইত্যাদি।

• প্রতিরোধের উপায়:
- ধূমপান চিরতরে পরিহার করা,
- যারা উচ্চ রক্ত চাপে ভুগছেন তা নিয়ন্ত্রণে রাখা,
- যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তা নিয়ন্ত্রণে রাখা,
- দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, সুন্দর ও সাধারণ জীবন যাপনকরা,
- সুষম খাবার, পরিমিত ঘুম এবং ব্যায়াম করা ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৩.
কোনটি রক্তের কাজ নয়?
  1. কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা
  2. ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
  3. হরমোন বিতরণ করা
  4. জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
ব্যাখ্যা
• জারক রস বিতরণ করা রক্তের কাজ নয়।

• রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

• রক্তের কাজ:
- অক্সিজেন পরিবহন,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ,
- খাদ্যসার পরিবহন,
- তাপের সমতা রক্ষা,
- বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন,
- হরমোন পরিবহন,
- রোগ প্রতিরোধ,
- রক্ত জমাট বাঁধা।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪.
ডিজিট্যাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. এলইডি
  2. সিলিকন চিপ
  3. এলসিডি
  4. আইসি
ব্যাখ্যা
- আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলো সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে।
- বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন- কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।
- সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয় এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই।  যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
৯৫.
বাতাসের নাইট্রোজেন কিভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে?
  1. সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে
  2. ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
  3. পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
  4. মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে
ব্যাখ্যা
• বিদুৎ উৎপাদনে প্রকল্পে ও মোটর কারে নাইট্রোজেন গ্যাস ও অক্সিজেন গ্যাসের বিক্রিয়ায় NO গ্যাস উৎপন্ন হয়। পরে বায়ুর অক্সিজেনসহ NO বিক্রিয়া করে NO2 এবং ওজোন ও পানির সাথে যুক্ত হয়ে নাইট্রিক এসিডরুপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। উদ্ভিদ নাইট্রেট লবণ গ্রহণ করে। এতে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

- উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এবং গাছকে সবুজ ও সতেজ করতে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হচ্ছে ইউরিয়া।
- সার ছাড়া বায়ু থেকে নাইট্রোজেন পাওয়া যায়।
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ - ৭৮.০২%।
- বায়ু থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন চক্র বলে।
- নাইট্রোজেন চক্র এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাইট্রোজেন বিভিন্নভাবে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: 
১. ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. রসায়ন বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৬.
'গ্রীনহাউজ ইফেক্টের' পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কী হবে?
  1. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
  4. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
ব্যাখ্যা
• গ্রীন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।

- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: 
১. বাংলাপিডিয়া।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩. অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
৯৭.
‘নিত্য ব্যবহার্য বহু 'এরোসোলের' কৌটায় এখন লেখা থাকে 'সিএফসি' বিহীন। সিএফসি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক?
  1. ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
  2. গ্রিন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে
  3. ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
  4. দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায়
ব্যাখ্যা
- দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায় এবং ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান।
- এছাড়াও N2O, NO, মিথেন, BCF, CH3Br, CCl4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত।

• CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস:
১. পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র।
৯৮.
আলট্রাসনোগ্রাফি কী?
  1. নতুন ধরনের এক্সরে
  2. ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
  3. শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
  4. শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
ব্যাখ্যা
• আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়। এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়।

• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
বাংলাদেশে তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক (frequency) প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল-এর তাৎপর্য কী?
  1. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বন্ধ হয়
  2. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে
  3. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
  4. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার উঠানামা করে
ব্যাখ্যা
• যে প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে দিক বা দশা পরিবর্তন করে তাকে দিক পরিবর্তী প্রবাহ বলে(A.C.)। বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল বলতে- প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়।

• তড়িৎ প্রবাহ:
- দুটি ভিন্ন বিভবের ধাতব বস্তুকে যখন পরিবাহী তার দ্বারা যুক্ত করা হয় তখন তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
- যখন দুটি ভিন্ন বিভবের ধাতব বস্তুকে তার দ্বারা সংযুক্ত করা হয়, তখন নিম্ন বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তু থেকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন উচ্চ বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ধাতব বস্তুর মধ্যে বিভব পার্থক্য বর্তমান থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ঋণাত্মক আধানের এই প্রবাহ চলে।
- কোনোভাবে যদি ধাতব বস্তুদ্বয়ের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বজায় রাখা যায় তখন এই প্রবাহ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে।
- ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রনের এই প্রবাহের জন্যই তড়িৎ প্রবাহিত হয়।
- মূলত কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাই হলো তড়িৎ প্রবাহ।
- প্রচলিত তড়িৎ প্রবাহের দিক ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার। একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- প্রতি একক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে স্থানান্তর করতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণ হলো ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব পার্থক্য।
- দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য না থাকলে তড়িৎ প্রবাহিত হবে না। ফলে কোনো আধান প্রবাহিত হবে না এবং কোনো কাজও সম্পন্ন হবে না।
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। যথা-

(ক) অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা সমপ্রবাহ বা একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ:
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়।
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়।

(খ) পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি প্রবাহ:
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ।
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী।
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো।
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়।
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়।
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০০.
নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
  1. যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
  2. নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
  3. গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
  4. পাল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে।

- বলের অনুভূমিক উপাংশ নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং উল্লম্ব উপাংশ নৌকাটিকে পাড়ের দিকে টানে।
- কিন্তু নৌকার হাল দ্বারা উল্লম্ব উপাংশ প্রতিহত করা হয়।
- গুণ যত লম্বা হয়, নৌকা তত তাড়াতাড়ি নৌকা সামনে এগিয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।