পরীক্ষা আর্কাইভ

৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ২৪ মে, ২০১৩সময়45 minutes৯৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ২৪ মে, ২০১৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
'চর্যাপদ' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৮০০
  2. ১৮৫৭
  3. ১৯০৭
  4. ১৯০৯
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ (ধর্ম চর্চা)।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

• চর্যাপদের পদ সংখ্যা: চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি। তবে সুকুমার সেন মনে করেন পদসংখ্যা ৫১টি।
• উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা: চর্যাপদের সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া যায়। 
 
• অনুদ্ধারকৃত/বিলুপ্ত পদের সংখ্যা: সাড়ে ‍৩টি। প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ভুসুকুপা রচিত ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। পদটির ৬টি পদ পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।
• এছাড়াও চর্যাপদের ২৪নং (কাহ্নপা রচিত), ২৫নং (তন্ত্রীপা রচিত) এবং ৪৮নং (কুক্কুরীপা রচিত) পদগুলো পাওয়া যায়নি। 

• চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। অপরদিকে ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
• ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে, ____ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ।
  1. ৪৫০-৬৫০
  2. ৬৫০-৮৫০
  3. ৬৫০-১২০০
  4. ৬৫০-১২৫০
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে, বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:
- প্রাচীন যুগ (৬৫০ - ১২০০),
- মধ্যযুগ (১২০১ - ১৮০০) এবং
- আধুনিক যুগ (১৮০১ - বর্তমান)।

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:
- প্রাচীন যুগ (৯৫০ - ১২০০),
- মধ্যযুগ (১২০১ - ১৮০০) এবং
- আধুনিক যুগ (১৮০১ - বর্তমান)।

• মধ্যযুগের প্রথম ১৫০ বছর (১২০১ - ১৩৫০) অন্ধকার যুগ ছিল।

• দীনেশ্চন্দ্র সেন, সুকুমার সেন, গোপাল হালদার, মুহম্মদ এনামুল হক প্রমুখ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের উল্লেখিত যুগ-বিভাগ সমর্থন করেন।
• তবে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের উল্লেখিত যুগ-বিভাগের মধ্যে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সময়সীমা মেনে নিলেও তাঁর মতে প্রাচীনযুগের সময়সীমা- ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত (মোট ৫৫০ বছর)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মধ্যযুগের কবি নন কে?
  1. জয়নন্দী
  2. বড়ু চণ্ডীদাস
  3. গোবিন্দ দাস
  4. জ্ঞান দাস
ব্যাখ্যা
• জয়নন্দী প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদের কবিগণের একজন। 

-------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে)।
- এবং ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

• চর্যাপদের কবিগণ:
 চর্যার কবিতের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

কবিগণ হলেন:
কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেণ্ডণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলতে-
  1. ১১৯৯-১২৫০ পর্যন্ত
  2. ১২০১-১৩৫০ পর্যন্ত
  3. ১২৫০-১৩৫০ পর্যন্ত
  4. ১২৫০-১৪৫০ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• মধ্যযুগের প্রথম ১৫০ বছর (১২০১ - ১৩৫০) অন্ধকার যুগ ছিল।

• অন্ধকার যুগ:

বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত দেড়’শ বছরকে কেউ কেউ অন্ধকার যুগ বা তামস যুগ বলে অভিহিত করেছেন।
- তথাকথিত অন্ধকার যুগের সাহিত্য সৃষ্টির কোন নিদর্শন পাওয়া যায় নি এ কথা ও সত্য নয়।

• অন্ধকার যুগে প্রাপ্ত কিছু সাহিত্য নিদর্শন-
- 'প্রাকৃত পৈঙ্গল' এর কবি হলেন শ্রীহর্ষ।
- রামাই পণ্ডিত রচিত 'শূণ্যপূরাণ' এবং এর ‘কলিমা জালাল’ বা অংশবিশেষ 'নিরঞ্জনের রুষ্মা',
- হলায়ূধ মিশ্র রচিত 'সেক শুভদয়ার'।

• হলায়ুধ মিশ্র রচিত পির মাহাত্ম্য-ব্যঞ্জক কাব্য ‘সেক শুভোদয়া’।
• রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থের নাম ‘শূণ্যপুরাণ’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. মৃত্যুঞ্জল বিদ্যালঙ্কার
  4. রামরাম বসু
ব্যাখ্যা
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষায় শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
• এই কলেজে ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসে শ্ররিামপুর মিশনের পাদরি এবং বাইবেলের অনুবাদক উইলিয়াম কেরি। তিনি তাঁরা অধীনস্ত দু-জন পণ্ডিত এবং ছয় জন সহকারী পণ্ডিতের সহযোগিতায় বাংলা গদ্যে কলেজের পাঠোপযোগী পুস্তক রচনায় আত্মনিয়োগ করেন।
• তাঁদের এই প্রচেষ্টার ফলাফল দিয়েই বাংলা গদ্যের অনুশীলনে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা নিরূপণ করা হয়।

ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন এগুলো হলো:

• কেরি রচিত: কথোপকথন (১৮০১); ইতিহাসমালা (১৮১২)।
• রামরাম বসু রচিত: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০১); লিপিমালা (১৮০২)।
• গোলোকথান শর্মা রচিত: হিতোপদেশ (১৮০২)।
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২); হিতোপদেশ (১৮০৮); রাজাবলি (১৮০৮); প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)।
• তারিণীচরণ মিত্র রচিত: ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট (১৮০৩)।
• রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় রচিত: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)।
• চণ্ডীচরণ মুন্শী রচিত: তোতা ইতিহাস (১৮০৫)। 
• হরপ্রসাদ রায় রচিত: পুরুষ পরীক্ষা (১৮১৫)।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
বাংলা সাহিত্যের জনক হিসেবে কার নাম চির স্মরণীয়?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যের জনক বলতে কেউ নেই। প্রশ্নে ভুল আছে।
[প্রশ্নে ভুল থাকায় উত্তর গ্রহণ করা হয়নি।]

• বাংলা 'গদ্যের' জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বলা হয়।
• বাংলা চতুর্দশপদী কবিতার জনক, প্রথম বিদ্রোহী কবি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বলা হয়।
• সাহিত্য সম্রাট বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
• এবং রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
  1. তিলোত্তমা কাব্য
  2. মেঘনাদ বধ কাব্য
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. বীরাঙ্গনা
ব্যাখ্যা
• 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এই গ্রন্থেই তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

---------------------
• 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্য: 
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য। 
- মহাভারতের সুন্দ ও উপসুন্দ কাহিনিকে অবলম্বন করে রচিত কাব্য ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’।
- ১৮৬০ সালের এই কাব্যটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 
- 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মাইকেল মধূসূদন দত্তের প্রথম কাব্য। 

• মেঘনাদবধ কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনী অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন। 
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে। 
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি। 
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।

• 'বীরাঙ্গনা কাব্য':
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য।
- এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কাব্য ‘হেরোইদাইদ্স’ কাব্যের অনুসরণে ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত।
- এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছে এই কাব্যে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কুলীন কুলসর্বস্ব নাটকটি কার লেখা?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. রামনারায়ণ তর্করত্ন
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- 'কুলীন কুলসর্বস্ব' নাটকটি রচনা করেছেন রামনারায়ণ তর্করত্ন।

• কুলীনকুলসর্বস্ব:
- নাট্যকার হিসেবে রামনারায়ণ তর্করত্ন প্রভূত খ্যাতিলাভের পশ্চাতে রয়েছে তাঁর সামাজিক নাটক ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪) সালে অভিনয় সাফল্য লাভ করে।
• তাঁর 'কুলীন কুলসর্বস্ব' নাটক তৎকালীন নাট্যসাহিত্যে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।
• সমকালীন সমাজব্যবস্থার কুসংস্কারাচ্ছন্ন দিকগুলো নাটকে রূপায়িত করতে গিয়ে আঙ্গিকগত দিক থেকে তাঁর চূড়ান্ত সার্থকতা লাভ করা সম্ভব হয় নি।
• 'কুলীন কুলসর্বস্ব' নাটক রচনার জন্য রামনারায়ণ রংপুরের জমিদার কালীচন্দ্র রায়চৌধুরী ঘোষিত পঞ্চাশ টাকা পুরস্কার লাভ করেন।
• এই নাটকের মাধ্যমে দর্শকদের প্রবলভাবে মাতিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। সে কারণে তিনি ‘নাটুকে নারায়ণ’ নামে খ্যাতি লাভ করেছিল।
• 'কুলীন কুলসর্বস্ব' নাটকে যে কৌতুকরস স্থান পেয়েছে তা কোথাও করুণ, আবার কোথাও প্রহসনধর্মী।

• রামনারায়ণ তর্করত্ন যেসকল নাটক অনুবাদ করেন:
- অভিজ্ঞান শকুন্তলা,
- রত্নাবলী,
- মালতীমাধব,
- বেণীসংহার।

• রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত নাটক:
- রুক্ষ্মিণীহরণ,
- কংসবধ,
- ধর্মবিজয়।

• রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত প্রহসন:
- যেমন কর্ম তেমন ফল,
- উভয় সংকট,
- চক্ষুদান।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
'নীল দর্পণ' নাটকটির বিষবস্তু কী?
  1. নীলকরদের অত্যাচার
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. তে-ভাগা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• নীল-দর্পণ:
- 'নীল-দর্পণ' (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্র রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু।
- নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ' A Native' ছদ্মনামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন ও নাম দেন 'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' (1861) এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নীল-দর্পণকে 'আঙ্কল টমস কেবিন'-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

----------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- রায়বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র একজন নাট্যকার ছিলেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুপ্রেরণায় কবিতা লিখতেন।
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে 'সংবাদ প্রভাকর', 'সংবাদ সাধুরঞ্জন' প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- 'নীল-দর্পণ' তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটে।

• তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- নবীন তপস্বিনী,
- লীলাবতী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
'ঘরে বাইরে' উপন্যাসটি কার লেখা?
  1. আলাওল
  2. কাজী দীন মহম্মদ
  3. কাজী মোতাহের হোসেন
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
ঘরে-বাইরে উপন্যাস: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।

• এর উল্লেখযােগ্য চরিত্র-
- নিখিলেশ,
- বিমলা ও
- সন্দীপ।

--------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- বাংলা সাহিত্যের ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের নাম ভিখারিণী।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস:
- বৌ ঠাকুরাণীর হাট,
- প্রজাপতির নির্বন্ধ, 
- ঘরে বাইরে,
- চোখের বালি,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চতুরঙ্গ, 
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি?
  1. পঞ্চতন্ত্র
  2. কালান্তর
  3. প্রবন্ধ সংগ্রহ
  4. শাশ্বত বঙ্গ
ব্যাখ্যা
• পঞ্চতন্ত্র:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২) দুই পর্বে বিভক্ত ব্যক্তিগত প্রবন্ধ সংকলন।
- প্রথম পর্বে ৩৪, দ্বিতীয় পর্বে ৩১, মোট ৬৫টি রচনার সংকলন।
- উল্লেখযোগ্য রচনা: বই কেনা, মোপাসাঁ, চেখফ্-রবীন্দ্রনাথ, বিদেশে, মেশেদিনী, অনুবাদ সাহিত্য, অর্থং অর্থং ইত্যাদি।
- এইসব প্রবন্ধ 'বসুমতী' ও 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রবন্ধগুলোর মধ্যে মুজতবা আলীর বিশেষ ও সরস গদ্যশৈলীর পরিচয় মেলে। তাছাড়া বিচিত্র বিষয় প্রীতির নিদর্শন পাওয়া যায়।
- গ্রন্থটিকে রম্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে, 
• কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনে রচিত একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলন।
• কাজী আবদুল ওদুদ রচিত ‘শাশ্বত বঙ্গ’ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একটি গ্রন্থ।

--------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- তিনি ছিলেন  শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

• তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
• 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
- ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা।
- অক্ষয়কুমার দত্ত এ পত্রিকায় ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- তৎকালীন উদার, বিজ্ঞানমনস্ক ও দেশসচেতন পত্রিকা ছিলো 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
- অক্ষয়কুমার অবসর নিলে পত্রিকার সম্পাদক হন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তবে অক্ষয়কুমারের সম্পাদনাকাল ছিল পত্রিকার স্বর্ণযুগ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি?
  1. কবর
  2. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  3. জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
  4. ওরা কদম আলী
ব্যাখ্যা
• 'কবর' নাটক:
- 'কবর' নাটকের রচয়িতা অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়। নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• ‘কবর’ নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে 'কবর' নাটক লেখা হয়েছে।
- 'কবর' নাটকে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে শহরে কারফিউ দিয়ে লাশ গুম করতে গভীর রাতে কবরস্থানে নিয়ে যায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ এবং নেতা (নাটকে তার নাম নেই) যৌথভাবে এ দায়িত্ব নেয়। কিন্তু লাশগুলো ছিন্নভিন্ন দেখে তারা ধর্মীয় প্রথা অনুসারে কবরস্থ না করে একত্রে মাটিচাপা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বাধা দেয় গোর-খোদক।

কবরস্থানে আশ্রয় নেয়া আরেক স্বজনহারা পাগল মুর্দা ফকিরও প্রতিবাদ জানিয়ে বলে: এ লাশগুলো আন্দোলনকারীর। এরা এভাবে কবরে যাবে না। লাশগুলোও তখন উঠে দাঁড়ায় এবং বলে: আমরা কবরে যাবো না। এসব দেখে মদ্যপ ইন্সপেক্টর ও নেতা ভয় পেয়ে যায়।

অন্যদিকে, 
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তযুদ্ধবিষয়ক কাব্যনাট্য।
- 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' সেলিম আল দীন রচিত একটি নাটক। যা ১৯৭২ সালে ডাকসু মঞ্চস্থ করে এবং নাট্য প্রতিযোগিতাতেও প্রথম পুরস্কার পায়।
- ১৯৭৮ সালে 'ওরা কদম আলী' প্রকাশের মধ্য দিয়ে মামুনুর রশীদের আবির্ভাব ঘটে নাট্যকার হিসেবে। শোষিত-নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের জন্য নাটক লিখতে গিয়ে তিনি নাটকে নিয়ে এসেছেন প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ চেতনা।

---------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
'ভানুসিংহ ঠাকুর' কার ছদ্মনাম?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. জীবনানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীনকিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
কোন কাব্যটি পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন রচিত?
  1. চৈতালী
  2. রাখালী
  3. ফনিমনসা
  4. আলো পৃথিবী
ব্যাখ্যা
• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।

-----------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কার কবিতা?
  1. শওকত ওসমান
  2. সিকান্দার আবু জাফর
  3. সুফিয়া কামাল
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়িতা- 'শামসুর রাহমান'।

• ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থ:
- এ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রতি।
- ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ৩৮ টি কবিতা এ গ্রন্থে সংযোজন করা হয়েছে।

• শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’ এর উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি,
- মধুস্মৃতি,
- রক্তাক্ত প্রান্তরে ইত্যাদি।

---------------
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা'
- শামসুর রাহমান।

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতা- শামসুর রাহমান।
১৭.
'দেয়াল' রচনাটি কার?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
• দেয়াল:
- বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদের শেষ উপন্যাস দেয়াল।
- এটি তাঁর লেখা একটি ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাস যার ভিত্তি মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা ও সেই সময়কার ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনার মাধ্যমে এই উপন্যাসের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এটি তার মৃত্যুর এক বছর পর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।

• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘দেয়াল’ উপন্যাস।
১৮.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. মাটি আর অশ্রু
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সারেং বউ
ব্যাখ্যা
• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন। তারমধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'। মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।

------------------
• সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
- তিনি ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিপ্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

• শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- সাগর,
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং 'যাপিত জীবন' উপন্যাস সেলিনা হোসেন।
১৯.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।' এ গানের প্রথম সুরকার কে?
  1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. আসাদ চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
• আবদুল গাফফার চৌধুরীর অমর-কর্ম হচ্ছে ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত (একুশের গান) শিরোনামের  গান: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো /একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি।
• হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩) সংকলন গ্রন্থে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
• গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে।
• ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
১৯৮৫ সালে নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক কে পান?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সিকান্‌দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আলী আহসান:
- সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন একজন অধ্যাপক ও লেখক
-  তাঁর পিতা সৈয়দ আলী হামেদ ছিলেন একজন স্কুল ইন্সপেক্টর।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি কবিতায় অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭), সুফী মোতাহের হোসেন স্বর্ণপদক (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), মধুসূদন স্বর্ণপদক (১৯৮৫) ও নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক লাভ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ।
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।
- উচ্চারণ।
- আমার প্রতিদিনের শব্দ।
- সমুদ্রেই যাবো।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।
- নজরুল ইসলাম।
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা।
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
Fill in the blank of the following sentence with the right form of verb. 
If I ____ a king!
  1. am
  2. was
  3. were
  4. shall be
ব্যাখ্যা
• এই বাক্যটি একটি অবিশ্বাস্য বা কাল্পনিক শর্তের (unreal condition) ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
- ইংরেজি ব্যাকরণে, যদি কোনো শর্ত বা পরিস্থিতি কাল্পনিক হয় এবং বর্তমান বা ভবিষ্যৎ সময় বোঝায়, তখন আমরা subjunctive mood ব্যবহার করি।

• Subjunctive mood-এ, "I" এর সাথেও "were" ব্যবহার হয় (যদিও সাধারণত "I" এর সাথে "was" ব্যবহৃত হয়)।

Complete sentence: If I were a king!
বাক্যটির অর্থ: "যদি আমি একজন রাজা হতাম!"

• Subjunctive Mood is used to express wishes, suggestions, hypothetical situations, or actions that are not certain or real. It is typically used after certain verbs (like "suggest," "wish," "recommend"), and in conditional sentences that express hypothetical or unreal situations.
• Subjunctive Mood ব্যবহার করা হয় যখন কোনো সম্ভাব্য বা কাল্পনিক পরিস্থিতি, ইচ্ছা বা পরামর্শ ব্যক্ত করা হয়। এটি সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট ক্রিয়ার পর ব্যবহৃত হয় (যেমন wish, suggest, if, ইত্যাদি)।
২২.
Tiger : Zoology : : Mars : ____.
  1. Astrology
  2. Cryptology
  3. Astronomy
  4. Telescope
ব্যাখ্যা
• Analogy: Tiger : Zoology :: Mars : Astronomy.

• Tiger - বাঘ; ব্যাঘ্র; শার্দূল;
• Zoology - প্রাণিবিজ্ঞান; প্রাণিবিদ্যা;
• Mars - মঙ্গলগ্রহ।

• Analogical recognition:
→ Zoology is a branch of biology that studies the members of the animal kingdom and animal life.
→ So, Tiger is related to zoology.
→ Astronomy is a science that encompasses the study of all extraterrestrial objects and phenomena.
→ So, Mars is related to astronomy.

→ অর্থাৎ, Tiger একটি প্রাণী, Zoology প্রাণী সম্পর্কিত বিদ্যা;Mars একটি গ্রহ, Astronomy গ্রহ নক্ষত্র বিষয়ক study.

অপশন আলোচনা:
- Astrology (জ্যোতিষশাস্ত্র),
- Telescope (দুরবিন),
- Cryptology (কোড অধ্যয়ন বা লেখার শিল্প),
- Astronomy (জ্যোতির্বিদ্যা; জ্যোতির্বিজ্ঞান; জ্যোতিঃশাস্ত্র; খগোলবিদ্যা)।

Source: 
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
Maiden speech means-
  1. First speech
  2. Middle speech
  3. Maid servant's speech
  4. Final speech
ব্যাখ্যা
• Maiden speech:
English meaning:
- A politician's maiden speech is the first speech that he or she makes in parliament after becoming a member of it.
- The first formal speech made by a British Member of Parliament in the House of Commons or by a member of the House of Lords.
Bangla meaning: প্রথম বক্তৃতা বা প্রথম ভাষণ।

Example:
- I am most grateful for the opportunity to make my maiden speech in this debate.
- I spoke about referendums in my maiden speech and have done so on a number of other occasions.

• সুতরাং, Maiden speech means - First speech.

Source: Cambridge Dictionary, Collins Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
N.B. stands for-
  1. Note before
  2. No bar
  3. Non bearing
  4. Nota bene
ব্যাখ্যা
• Nota Bene (Latin phrase) (in short N. B)
English Meaning: used to call attention to something important/ pay attention.
Bangla Meaning: সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

- That's the basic meaning of N.B. — the abbreviated form of the Latin phrase "nota bene" (literally, "note well").
- N.B. still appears in some forms of academic writing as a way of steering readers' attention toward something particularly important.

Source: Merriam-Webster Dictionary
২৫.
What is the masculine gender of ''mare''?
  1. Mermaid
  2. Bear
  3. Stallion
  4. Dog
ব্যাখ্যা
• Mare: [feminine gender]
Meaning: ঘোটকী।
Masculine gender: Stallion.

• Mermaid (feminine) - মৎসকুমারী।
- এর masculine হচ্ছে - Merman - মৎসকুমার।

• Dog (masculine) - কুকুর।
- এর feminine gender হচ্ছে Bitch (স্ত্রীজাতীয় কুকুর)।

• Bear:
Meaning: ভল্লুক।
২৬.
Botany is to plants as Zoology is to-
  1. Flowers
  2. Rivers
  3. Mountains
  4. Animals
ব্যাখ্যা
• গাছপালা (Plants) উদ্ভিদবিদ্যার (Botany) বিষয়।
- তেমনি প্রাণীদের (Animals) নিয়ে আলোচনা করে প্রাণীবিদ্যা (Zoology)।
- সুতরাং, 'Botany' is to 'Plants' as 'Zoology' is to- 'Animals'

• Botany হলো উদ্ভিদবিদ্যা বা উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার শাখা। একইভাবে, Zoology হলো প্রাণীবিদ্যা বা প্রাণী নিয়ে গবেষণার শাখা। সুতরাং, Botany যেমন উদ্ভিদের সাথে সম্পর্কিত, Zoology তেমনি প্রাণীর সাথে সম্পর্কিত।

• অন্য অপশনগুলর মধ্যে -
ক) Flowers - ফুল।
খ) Rivers - নদী। 
গ) Mountains - পর্বত; শৈল; গিরি; পাহাড়।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
১৯৭১ সনের কত তারিখে মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়?
  1. ৭ মার্চ ১৯৭১ খ্রি.
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১ খ্রি.
  3. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ খ্রি.
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ খ্রি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।

উল্লেখ্য,
- মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

⇒ আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
⇒ সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের এই অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
২৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১ মার্চ ১৯১৯ খ্রি.
  2. ১৭ মার্চ ১৯২০ খ্রি.
  3. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খ্রি.
  4. ২১ জুন ১৯৪১ খ্রি.
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমান:
- শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ পাশ করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন।
- ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৯.
বহুল আলোচিত মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. ফেনী
  3. লালমনিরহাট
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন চরসমূহ:
- সুন্দরবনের চরসমূহ: দুবলার চর, পাটনি চর।
- লক্ষ্মীপুর জেলার চরসমূহ: চর গজারিয়া, চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলার চরসমূহ: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলার চরসমূহ: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলার চর: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলার চর: নির্মল চর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩০.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কত সনে?
  1. ১৯৪৭ খ্রি.
  2. ১৯৫৮ খ্রি.
  3. ১৯৬৪ খ্রি.
  4. ১৯৬৫ খ্রি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।

⇒ ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র -২টি
(ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
(খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

⇒ উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র-১৪টি
- নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৩১.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৭ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি.
  2. ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ খ্রি.
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ খ্রি.
  4. ৭ ডিসেম্বর ১৯৭২ খ্রি.
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- বিচারপতি এম ইদ্রিস কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি তে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ।
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।
- পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য,
- ২য় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ হয়।
- সেবার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ৩০টি।
- ঐ সংসদেই প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে একজন নারী সাংসদ সৈয়দা রাজিয়া ফয়েজ খুলনা-১৪ থেকে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কত সনে?
  1. ১৭৫৭ খ্রি.
  2. ১৭৭০ খ্রি.
  3. ১৮৫৭ খ্রি.
  4. ১৭৯৩ খ্রি.
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা
  4. আইএমএফ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৩৪.
বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্তবর্তী নদী কোনটি?
  1. গোমতী
  2. জিঞ্জিরাম
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত:
- মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম নাফ নদী।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমানা রেখা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে এবং মিয়ানমারের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার (১৭০ মাইল)।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের তিনটি জেলার স্থল সীমান্ত আছে।
- তিনটি হলো: রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার।

⇒ নাফ নদী (Knaf):
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে নাফ নদী।
- নাফ নদী মিয়ানমারের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করে।
- নাফ নদী (Naf River) কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত প্রলম্বিত খাঁড়ি সদৃশ নাফ নদী মায়ানমারের আরাকান থেকে কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।
- কক্সবাজার জেলার দক্ষিণে এটি একটি বড় নদী।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- উৎপত্তিস্থল থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
৩৬.
জামাল নজরুল ইসলাম কে?
  1. ফুটবল খেলোয়াড়
  2. অর্থনীতিবিদ
  3. কবি
  4. বৈজ্ঞানিক
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।
৩৭.
Who is known as the 'Lady of the Lamp'?
  1. Sorojini Naidu
  2. Hellen Killer
  3. Florence Nightingale
  4. Madame Teresa
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.
৩৮.
For which of the following disciplines Nobel Prize is awarded?
  1. Physics and Chemistry
  2. Physiology or Medicine
  3. Literature, Peace and Economics
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল-এর নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার।
- ১৮৯৫ সালে এক উইলে ‘মানবজাতির সর্বোচ্চ সেবায় অবদান রাখা’ ব্যক্তিদের জন্য এই পুরস্কার নিবেদিত করেছেন তিনি।

⇒ নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা ৪ টি।
যথা:
ক। নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট (নরওয়ে): শান্তি,
খ। সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন): সাহিত্য,
গ। রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন): পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতি,
ঘ। ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন): চিকিৎসা শাস্ত্র।

⇒ ২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী:
• সাহিত্য: হান কাং।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান: ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
• পদার্থবিজ্ঞান: জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
• রসায়ন: ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
• অর্থনীতি: ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
• শান্তি: জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৩৯.
World 'No-Tobacco Day' is observed on -
  1. May 25
  2. May 30
  3. May 28
  4. May 31
ব্যাখ্যা
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস:
- ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিএইচও) সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ১৯৮৭ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস চালু করে।
- বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা ধরে তামাক সেবনের সব প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকাতে উৎসাহিত করার জন্য দিবসটি পালন করা হয়।
- এছাড়া দিবসটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো মানুষকে তামাক ব্যবহারে ব্যাপক নিরুৎসাহিতকরণ এবং স্বাস্থ্যের ওপর তামকের নেতিবাচক প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানো।

অন্যদিকে,
- ২৫ মে: বিশ্ব থাইরয়েড দিবস।
- ২৮ মে: বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।

উৎস: Britannica.
৪০.
In Cricket game the length of pitch between the two wickets is -
  1. 24 yards
  2. 23 yards
  3. 22 yards
  4. 21 yards
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট পিচ:
- ক্রিকেট খেলার উৎপত্তি ইংল্যান্ডে।
- ১৯০৯ সালে ICC গঠিত হয়।

⇒ ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ ও প্রস্ত ১০ ফুট।
- পিচের দুই মাথায় ৩টি করে স্টাম্প থাকে।
- একে উইকেট বলে।
- স্টাম্পের মাথার উপর দুইটি বেল বসানো থাকে।
- ১০ প্রকারে ব্যাটসম্যান আউট হতে পারে।
- যে ওভারে কোনো রান হয় না তাকে মেডেন ওভার বলে।

⇒ ক্রিকেট খেলার কলাকৌশলকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়-
ক. ব্যাটিং খ. বোলিং গ. ফিল্ডিং ও ক্যাচিং ঘ. উইকেট কিপিং।

⇒ বোলার হাত থেকে বল ছেড়ে দেয়ার পর শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য কয়েক পদক্ষেপ সামনে যেতে হয়, একে ফলো থু বলে।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
IMF (International Monetary Fund) is the result of -
  1. Hawana Conference
  2. Geneva Conference
  3. Rome Conference
  4. Brettonwood Conference
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

⇒ Bretton Woods Conference:
- ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস।
- তাদের দুই জনকে World Bank ও IMF- এর Founding Fathers বলা হয় ৷
- সেই সম্মেলনে দুটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়: আইএমএফ এবং পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক বা বিশ্বব্যাংক।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনে জন্ম হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্বব্যাংকসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান যেগুলো সম্মিলিতভাবে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস নামে পরিচিত।

উৎস: i) World Bank Group.
ii) U.S. Department of State (.gov).
৪২.
The International Court of Justice is located in-
  1. New York
  2. London
  3. Geneva
  4. Hague
ব্যাখ্যা
International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত হলো আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।

⇒ বিচারক সংখ্যা: আদালতের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন এবং তারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ দ্বারা নির্বাচিত হন।
- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।

⇒ কাজ: আদালত আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করে।
- বিরোধ নিষ্পত্তি: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে যে কোনো আন্তর্জাতিক আইনের বিষয় নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত সেগুলোর নিষ্পত্তি করে।
- আইনি পরামর্শ: জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষভাবে আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি পরামর্শ প্রদান।

উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
৪৩.
[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
Badminton is the national sport of -
  1. Malaysia
  2. Scotland
  3. China
  4. Nepal
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ব্যাডমিন্টন:

- ব্যাডমিন্টন একপ্রকার বহিরাঙ্গন ক্রীড়া।
- এটি একক বা যুগ্মভাবে খেলা হয়।
- ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য নেট দ্বারা বিভক্ত একটি আয়তাকার কোর্ট প্রয়োজন হয়।
- খেলোয়াড় র‌্যাকেটের সাহায্যে তার প্রতিদ্বন্দীর কোর্টে শাটলকর্কটি ছুঁড়ে দিয়ে স্কোর সংগ্রহ করেন।

⇒ উনিশ শতকের মধ্যভাগে ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ সেনা অফিসারেরা এই খেলা উদ্ভাবন করেন।
- তারা ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খেলা ব্যাটলডোর ও শাটলকর্কে একটি নেট যুক্ত করে এই খেলা চালু করেছিলেন।
- ১৮৯৩ সালে ইংল্যান্ডে ’ব্যাডমিন্টন এসোশিয়েশন’ গঠন করা হয়।
- জনপ্রিয়তা অব্যাহত থাকায় ১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ডের একটি পুরুষ ALL England Championship অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতা সিঁড়ি বেয়ে ১৯৩৪ সালে International Badminton Federation (I.B.F) গঠিত হয়।
- মেয়েদের জন্য টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা সর্বপ্রথম করা হয় ১৯৫৭ সালে।
- এর দু’বছর পরে ১৯৫৯ সালে এশিয়ার কয়েকটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরে এক বৈঠকের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে International Badminton Federation (I.B.F) গঠিত হয়।
- ১৯৩৪ সালে International Badminton Federation (IBF) গঠিত হওয়ার পর ১৯৩৮ সালে সর্বপ্রথম খেলাটির নিয়ম কানুন প্রণীত হয়।
- তারপর বিভিন্ন সময়ে তা পরিবর্তিত, সংশোধিত ও সংযোজিত হয়ে ১৯৮৩ সালের মে মাসে পূর্ণতা লাভ করে।
- ১৯৮৩ সালে প্রণীত নীতিমালা এখনও কার্যকর রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা।
- মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা সেপাক টার্কো।
- চীনের জাতীয় খেলা টেবিল টেনিস।
- নেপালের জাতীয় খেলা ভলিবল।
- স্কটল্যান্ডের জাতীয় খেলা রাগবি ও ফুটবল।

উৎস: Britannica.
৪৪.
EURO is the currency of -
  1. Asia
  2. Europe
  3. America
  4. Africa
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- ২০০৮ সালে সাইপ্রাস ও মাল্টা এবং ২০১৫ সালে লিথুয়ানিয়া ইউরো গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ১ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে ইউরো গ্রহণ করে।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৪৫.
নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. UNCTAD
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
৪৬.
'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. সিউল
  2. আম্মান
  3. কায়রো
  4. তেহরান
ব্যাখ্যা
তাহরির স্কয়ার:
- মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।

অন্যদিকে,
রেড স্কয়ার:
- রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে এই রেড স্কয়ার অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য নিদর্শনে সমৃদ্ধ এক পর্যটনকেন্দ্র মস্কোর রেড স্কয়ার।
- রাশিয়ার প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ক্রেমলিন সংলগ্ন এই রেড স্কয়ার।
- রেড স্কয়ারের পশ্চিম পাশে ক্রেমলিনেই বর্তমান রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন।
- রেড স্কয়ারে শায়িত আছেন রুশ বিপ্লবের মহানায়ক ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন।

তাকসিম স্কয়ার:
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত একটি স্থানের নাম তাকসিম স্কয়ার।
- তাকসিম স্কয়ার এলাকায় প্রধানত ইস্তাম্বুলের অমুসলিমদের বসবাস।
- এটিকে সেক্যুলার তুরস্কের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৭.
কোনটি D-৮ ভুক্ত দেশ নয়?
  1. নাইজেরিয়া
  2. ভারত
  3. মালয়েশিয়া
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ভারত D-৮ ভুক্ত দেশ নয়।

D-8:

- D-8-এর পূর্ণরূপ: Developing Eight.
- এটি মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- Istanbul Declaration -এর মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদরদপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য: ৯টি দেশ।
- D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আজারবাইজান।
- সংস্থাটির বর্তমান ও পঞ্চম মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর পর।

উল্লেখ্য,
- ডিসেম্বর, ২০২৪-এ আজারবাইজান সংস্থাটির ৯ম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।
৪৮.
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
Amnesty International:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ফ্রান্সের।
- তিনি ২০২১ সালে Amnesty International-এর মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন।

উৎস: Amnesty International ওয়েবসাইট।
৪৯.
'আরব বসন্ত' বলতে কী বুঝায়?
  1. আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
  2. আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
  3. আরব রাজতন্ত্র
  4. আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায়।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
- পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়।
- এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের মোট ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার।

উৎস: Britannica.
৫০.
আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?
  1. ফিজি
  2. ভ্যাটিকান
  3. কুয়েত
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সরকারের সঙ্গে লাতেরান চুক্তির আওতায় এই পোপীয় রাষ্ট্রের সৃষ্টি।
- ভ্যাটিকান সিটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের অন্যতম তীর্থস্থান।
- ভ্যাটিকান সিটি নগররাষ্ট্রটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত নয়, কিন্তু সেনজেনভুক্ত।
- এই দেশ ২০০৪ সাল থেকে ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে গ্রহণ করেছে আর এর অফিশিয়াল ভাষা হচ্ছে লাতিন।

উৎস: i) Statistica ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৫১.
এশিয়ার হিন্দু রাষ্ট্র কোনটি?
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. মালদ্বীপ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

এশিয়ার হিন্দু রাষ্ট্র:
- নেপালকে ১৯৬২ ও ১৯৯০ সালের সংবিধানের মাধ্যমে সাংবিধানিকভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে, অন্তর্বর্তীকালীন সংসদের মাধ্যমে নেপালকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ঘোষণা করা হলেও, তখন ধর্মের স্বাধীনতাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে এমন কোনো আইন পরিবর্তন করা হয়নি। তবে ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে নেপাল প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়, এবং এর পর নেপালকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে সংবিধানে চিহ্নিত করা হয়।

- অপশনের ৪টি রাষ্ট্র সাংবিধানিকভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র।

উৎস: i) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৫২.
'লয়াজিরগা' কোন দেশের আইন সভা?
  1. ফিজি
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
৫৩.
কোপেনহেগেন কোন দেশের রাজধানী?
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. ভিয়েতনাম
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
ডেনমার্ক:
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমের দেশ ডেনমার্ক।
- এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, এবং এটি নর্ডিক কাউন্ট্রির মধ্যে অন্যতম।
- সরকারিভাবে এটি ‘কিংডম অফ ডেনমার্ক‘ নামে পরিচিত। 
- রাজধানী : কোপেনহেগেন।
- এছাড়া আরাফাস, আলব্রোগা দেশটির বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ডেনমার্কের সরকারি ভাষা হল ডেনিশ।
- ডেনমার্কের বর্তমান জাতীয় পতাকা ১২১৯ সাল থেকে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস।
- ভিয়েতনামের রাজধানী হানয়।
- আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান।

উৎস: Britannica.
৫৪.
শ্যামদেশ কোন দেশের পুরাতন নাম?
  1. মিসর
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
থাইল্যান্ড:
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- থাইল্যান্ড উত্তর সীমান্তের পাহাড়ী বনাঞ্চল, কেন্দ্রীয় সমভূমির উর্বর ধানের ক্ষেত্র, উত্তর-পূর্বের বিস্তৃত মালভূমি এবং সংকীর্ণ দক্ষিণ উপদ্বীপের বর্বর উপকূল সহ বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ ‘থাই’ শব্দের একটি অর্থ ‘মুক্ত’।
- 'থাইল্যান্ড' শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
- রাজধানী: ব্যাংকক।
- মুদ্রা: বাথ।

উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম শ্যাম দেশ।
- থাইল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত শ্যাম বলা হত।
- একে কখনও ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক আধিপত্যের অধীনে আনা হয়নি।
- স্বাধীন শ্যাম ১৯৩২ সালে একটি বিপ্লব হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত ছিল।
- সেই সময় থেকে, থাইল্যান্ড একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল এবং পরবর্তী সমস্ত সংবিধান একটি নির্বাচিত সংসদের ব্যবস্থা করেছে।

উৎস: Britannica.
৫৫.
  1. ১০
  2. ৯০
  3. ১০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
মনেকরি
সংখ্যাটি = ক


প্রশ্নমতে
(ক/৯)  - (ক/১০) = ১
(১০ক - ৯ক)/৯০ = ১
ক/৯০ = ১
ক = ৯০ 
৫৬.
একটি আয়তাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার। এর দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে। আয়তাকার কক্ষের সমান পরিসীমাবিশিষ্ট বর্গাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল কত হবে?
  1. ২২৫ বর্গমিটার
  2. ১৪৪ বর্গমিটার
  3. ১৬৯ বর্গমিটার
  4. ১৯৬ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তকার কক্ষের ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার। এর দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে। আয়তাকার কক্ষের সমান পরীসীমাবিশিষ্ট বর্গাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল কত হবে?

সমাধান:
মনে করি,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য x মিটার এবং প্রস্থ y মিটার
১ম শর্তমতে,
xy = 192 বর্গ মিটার.
∴ y = 192/x ... .......... (1)

২য় শর্তমতে,
(x - 4)(y + 4) = xy
⇒ xy + 4x - 4y - 16 = xy
⇒ 4(x - y) = 16
∴ x - y = 4 .......... (2)

এখন y এর মান ২ নং এ বসিয়ে পাই,
x - 192/x = 4
⇒ x2 - 4x - 192 = 0
⇒ x2 - 16x + 12x - 192 = 0
⇒ (x - 16)(x + 12) = 0

কিন্তু,
x = 16 এবং x ≠ -12
∴ x = 16 এবং y = 192/16 = 12

আয়তক্ষেত্র পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 2(16 + 12) = 56 মিটার

আবার,
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা, 4a = 56
∴ a = 14
∴ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 142 = 196 বর্গমিটার
৫৭.
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ; সংখ্যা তিনটির গড় কত?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ; সংখ্যা তিনটির গড় কত?

সমাধান:
মনে করি,
তিনটি ক্রমিক সংখ্যা যথাক্রমে ক - ১, ক, ক + ১

প্রশ্নমতে,
(ক - ১)(ক)(ক + ১) = ৫(ক - ১ + ক + ক + ১)
বা, ক(ক - ১) = ৫ × ৩ক
বা, ক - ১ = ১৫
বা, ক = ১৬
∴ ক = ৪

সুতরাং সংখ্যা তিনটি হলো ৩, ৪, ৫
∴ সংখ্যা তিনটির গড় = (৩ + ৪ + ৫)/৩
= ১২/৩
= ৪
৫৮.
একটি বৃত্তের পরিধি ও ক্ষেত্রফল যথাক্রমে ১৩২ সেন্টিমিটার ও ১৩৮৬ বর্গসেন্টিমিটার। বৃত্তটির বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬৬ সেন্টিমিটার
  2. ৪২ সেন্টিমিটার
  3. ২১ সেন্টিমিটার
  4. ২২ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের পরিধি ও ক্ষেত্রফল যথাক্রমে ১৩২ সেন্টিমিটার ও ১৩৮৬ বর্গসেন্টিমিটার। বৃত্তটির বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
বৃত্তটির ব্যাসার্ধ = (ক্ষেত্রফল/পরিধি) × ২
= (১৩৮৬/১৩২) × ২
= ২১ সে.মি.

∴ বৃত্তটির বৃহত্তম জ্যা (ব্যাস)-এর দৈর্ঘ্য = ২১ × ২ = ৪২ সে.মি.
৫৯.
একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র-ছাত্রী আছে প্রত্যেকে তত পয়সার চেয়ে আরও ২৫ পয়সা বেশি করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৫ টাকা উঠল। ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত?
  1. ৭০
  2. ৮৫
  3. ৭৫
  4. ১০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র-ছাত্রী আছে প্রত্যেকে তত পয়সার চেয়ে আরও ২৫ পয়সা বেশি করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৫ টাকা উঠল। ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত?

সমাধান:
ধরি, ঐ শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ক
প্রত্যেকে চাঁদা দেয় ক + ২৫ টাকা
মোট চাঁদা = ক (ক + ২৫) টাকা
= ক + ২৫ক টাকা

প্রশ্নমতে,
+ ২৫ক = ৭৫০০
⇒ ক + ২৫ক - ৭৫০০ = ০
⇒ ক + ১০০ক - ৭৫ক - ৭৫০০ = ০
⇒ ক(ক + ১০০) - ৭৫(ক + ১০০) = ০
⇒ (ক + ১০০)(ক - ৭৫) = ০
হয় (ক + ১০০) = ০ 
(ক + ১০০) = ০ ⇒ ক = -১০০ , সম্ভব নয়

অথবা, (ক - ৭৫) = ০ ∴ ক = ৭৫
অতএব, ঐ শ্রেণিতে ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।
৬০.
মামুন 240 টাকায় একই রকম কতগুলি কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য 1 টাকা কম পড়ত। সে কতগুলো কলম কিনেছিল?
  1. 13 টি
  2. 14 টি
  3. 15 টি
  4. 16 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মামুন 240 টাকায় একই রকম কতগুলি কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য 1 টাকা কম পড়ত। সে কতগুলো কলম কিনেছিল?

সমাধান:
ধরি,
সে কলম কিনেছিলো x টি
∴ 1 টি কলমের দাম= 240/x টাকা

আবার,
1 টি কলম বেশি পেলে 1 টি কলমের দাম হত = 240/(x + 1) টাকা

প্রশ্নমতে,
(240/x) - {240/(x + 1) = 1
⇒ (240x + 240 - 240x)/{x(x + 1)} = 1
⇒ x2 + x = 240
⇒ x2 + 16x - 15x - 240 = 0
⇒ x(x + 16) - 15(x + 16) = 0
⇒ (x - 15)(x + 16) = ০
হয় x - 15 = ০ অথবা x + 16 = ০
∴ x = 15 অথবা x = - 16 [যা গ্রহণযোগ্য নয়]

∴ সে 15 টি কলম কিনেছিলো।
৬১.
একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি-
  1. ৪ সমকোণ
  2. ৬ সমকোণ
  3. ৮ সমকোণ
  4. ১০ সমকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি-

সমাধান:
সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা n হলে তার কোণগুলোর সমষ্টি (2n - 4) সমকোণ।
সুতরাং সুষম পঞ্চভুজের পাঁচ কোণের সমষ্টি = {(2 × 5) - 4} সমকোণ
= (10 - 4) × 90°
= 6 × 90
= 6 সমকোণ
৬২.
০.০৩, ০.১২, ০.৪৮, ____ শূন্যস্থানে সংখ্যাটি কত হবে?
  1. ০.৯৬
  2. ১.৪৮
  3. ১.৯২
  4. ১.৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.০৩, ০.১২, ০.৪৮ - শূন্যস্থানে সংখ্যাটি কত হবে?

সমাধান:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা এবং এর সাধারণ অনুপাত ৪
১ম পদ = ০.০৩
২য় পদ = ০.০৩ × ৪ = ০.১২
৩য় পদ = ০.১২ × ৪ = ০.৪৮
৪র্থ পদ = ০.৪৮ × ৪ = ১.৯২
৬৩.
২০ ফুট লম্বা একটি বাঁশ এমনভাবে কেটে দু'ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০ ফুট লম্বা বাঁশ এমনভাবে কেটে দু'ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট?

সমাধান:
ধরি,
বড় অংশের দৈর্ঘ্য x ফুট
ছোট অংশের দৈর্ঘ্য ২x/৩ ফুট।

প্রশ্নমতে,
x + (২x/৩) = ২০
বা, (৩x + ২x)/৩ = ২০
বা, ৫x = ৬০
∴ x = ১২

∴ ছোট অংশের দৈর্ঘ্য (২ × ১২)/৩ = ৮ ফুট
৬৪.
(5n + 2 + 35 × 5n - 1)/(4 × 5n) এর মান কত?
  1. 4
  2. 8
  3. 5
  4. 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (5n + 2 + 35 × 5n - 1)/(4 × 5n) এর মান কত?

সমাধান:
(5n + 2 + 35 × 5n - 1)/(4 × 5n)
= (5n. 52 + 7 × 5 × 5n - 1)/(4 × 5n)
= (5n. 25 + 7 × 51 + n -1)/(4 × 5n)
= (5n. 25 + 7 × 5n)/(4 × 5n)
= 5n (25 + 7)/(4 × 5n)
= 32/4
= 8
৬৫.
বিষমবাহু △ABC এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত △ABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার। △ABC এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. x2 বর্গমিটার
  2. 2x বর্গমিটার
  3. (x/2)2 বর্গমিটার
  4. (√x/3)3 বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিষমবাহু △ABC এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত △ABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার। △ABC এর ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান:
যেকোনো ত্রিভূজের মধ্যমা ঐ ত্রিভূজকে সমদ্বিখন্ডিত করে।
তাই মধ্যমা AD, ΔABD ও ΔACD এ সমান ভাগে ভাগ করে।
যেহেতু ΔABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার সেহেতু ΔACD এর ক্ষেত্রফল হবে x বর্গমিটার
সুতরাং, ΔABC এর ক্ষেত্রফল= ΔABD এর ক্ষেত্রফল + Δ ABD এর ক্ষেত্রফল
= x + x
= 2x বর্গমিটার
৬৬.
A = {1, 2, 3} ও B = ∅ হলে A ∪ B = কত?
  1. {1, 2, 3}
  2. {1, 2, ∅}
  3. {2, 3, ∅}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {1, 2, 3} ও B = ∅ হলে A ∪ B = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {1, 2, 3}
B = ∅

A ∪ B = {1, 2, 3} ∪ ∅
= {1, 2, 3}
৬৭.
x + y = 2, x2 + y2 = 4 হলে x3 + y3 = ?
  1. 8
  2. 9
  3. 16
  4. 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 2, x2 + y2 = 4 হলে x3 + y3 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + y = 2
x2 + y2 = 4

আমরা জানি,
(x + y)2 = x2 + y2 + 2xy
⇒ 22 = 4 + 2xy
⇒ 4 = 4 + 2xy
⇒ 2xy = 4 - 4
⇒ 2xy = 0
⇒ xy = 0/2
∴ xy = 0

x3 + y3 = (x + y)3 - 3xy(x + y)
= 23 - 3 × 0 × 2
= 8
৬৮.
√169 is equal to-
  1. 11
  2. 13
  3. 15
  4. 17
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √169 is equal to-

সমাধান:
√169 = √132
= 132 × (1/2)
= 13
৬৯.
১৭ দিন আগে আবদুর রহিম বলেছিল যে তার জন্মদিন 'আগামীকাল'। আজ ২৩ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৭ দিন আগে আবদুর রহিম বলেছিল যে তার জন্মদিন 'আগামীকাল'। আজ ২৩ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?

সমাধান:
আজ ২৩ তারিখ হলে ১ দিন আগে ছিল ২৩ - ১ = ২২ তারিখ
২ দিন আগে ছিল ২৩ - ২ = ২১ তারিখ
একইভাবে, ১৭ দিন আগে ছিল ২৩ - ১৭ = ৬ তারিখ
তাহলে, ৬ তারিখ বলেছিল আগামীকাল তার জন্মদিন।
অর্থাৎ, ৬ + ১ = ৭ তারিখ তার জন্মদিন।
৭০.
ইদানীং আপনার মনে হচ্ছে সংসারে আপনার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। আপনি এমন অবস্থায়-
  1. খুবই হতাশাবোধ করবেন
  2. বন্ধুদের সাথে বিষয়টি আলাপ করবেন
  3. সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
  4. ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন খারাপ করবেন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইদানীং আপনার মনে হচ্ছে সংসারে আপনার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। আপনি এমন অবস্থায়- 

সমাধান:
সংসারে আপনার গুরুত্ব হ্রাস পেলে এক্ষেত্রে, গ) সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়া একটি উত্তম পছন্দ হবে, কারণ এটি সম্পর্ককে পুনরুদ্ধার এবং উন্নতি করার উপযুক্ত পথ।
হতাশ হয়ে,ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বা বন্ধুদের সাথে আলাপ করে পারিবারিক সমস্যার সমাধান করা যায় না।
৭১.
আমার কক্ষে এক বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রত্যেক দুইজন করে সন্তানসহ আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন। আমার কক্ষে মোট কতজন লোক হলো?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আমার কক্ষে এক বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রত্যেক দুইজন করে সন্তানসহ আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন। আমার কক্ষে মোট কতজন লোক হলো?

সমাধান:
বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি, অর্থাৎ ৩টি দ্মপতি মিলে = ৩ × ২ = ৬ জন
মোট সন্তান = ২ দম্পতি × ২ জন করে সন্তান = ৪ জন
আমি নিজে = ১ জন

মোট লোকসংখ্যা = ৬ + ৪ + ১ = ১১ জন
৭২.
ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন। ঘ হচ্ছে গ এর মা। চ, ঘ এর পুত্র। চ এর সাথে ক এর সম্পর্ক কী?
  1. ক এর মামা চ
  2. ক এর খালু চ
  3. চ এর নানা ক
  4. ক এর চাচা চ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন। ঘ হচ্ছে গ এর মা। চ, ঘ এর পুত্র। চ এর সাথে ক এর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন।
∴ গ, ক এর খালা।

ঘ হচ্ছে গ এর মা। তাহলে ঘ, খ এরও মা।
∴ ঘ, ক এর নানী।

চ, ঘ এর পুত্র। চ, ক এর নানীর পুত্র।
∴ চ, ক এর মামা।
৭৩.
ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো-
  1. ১৫০°
  2. ৬০°
  3. ৯০°
  4. ১২০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো-

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ = | (১১M - ৬০H)/২ |
= | (১১ × ০ - ৬০ × ৮)/২ |
= |- ৪৮০ /২ |
= |- ২৪০ |
= ২৪০°

∴ উৎপন্ন প্রবৃদ্ধ কোণ = ৩৬০° - ২৪০°
= ১২০°
৭৪.
  1. T, X
  2. X, T
  3. S, T
  4. T, B
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান:
প্রশ্নটি হয় অসম্পূর্ণ অথবা ভুল থাকায় কোনো সঠিক উত্তর নেয়া সম্ভব হয়নি।

৭৫.
প্রাণদ : জল : : মহীজ : ?
  1. সম্বর
  2. গ্রহ
  3. নিঃসর্গ
  4. অশ্ব
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রাণদ : জল : : মহীজ : ? 

সমাধান:
প্রাণদ মানে প্রাণদানকারী; জলের অপর নাম জীবন।
অর্থ্যাৎ, জল একটি প্রাণদ উপাদান।

অন্যদিকে,
জ্যোতিষশাস্ত্রে বর্ণিত নবগ্রহের একটি গ্রহ মঙ্গল যার অপর নাম - কুজ, ভৌম, বক্র, ত্রুর, মহীজ প্রভৃতি।
অর্থ্যাৎ মহীজ/মহিসুত মানে মঙ্গলগ্রহ।
"মঙ্গল" হলেন পৃথিবী/ভূমি দেবীর পুত্র। তার দেহে বিজয় এবং গর্বের চিহ্ন বর্তমান ও তার রয়েছে চতুর্বাহু ৷ তার সম্মানার্থে সপ্তাহের একটি দিন মঙ্গলবার হয়। তার গায়ের রং লাল এবং বাহন মেষ।

অর্থ্যাৎ 'মহীজ' শব্দটির সাথে এখানে যুক্তিসঙ্গত উত্তর - গ্রহ।
কেননা, মহীজ (মঙ্গল) নবগ্রহের একটি অংশ।

উল্লেখ্য, সূর্য, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, রাহু ও কেতু - এই নয়টি গ্রহকে একত্রে নবগ্রহ বলা হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক ও বানান অভিধান এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ কী খাদ্য উপাদান গ্রহন করে?
  1. ফসফরাস
  2. নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম
  4. সালফার
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যেও ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেন জাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে। 
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ প্রধানত নাইট্রোজেন লাভ করে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে। 
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়। 

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কী কী থাকে?
  1. নিউট্রন ও প্রোটন
  2. ইলেকট্রন ও প্রোটন
  3. নিউট্রন ও পজিট্রন
  4. ইলেকট্রন ও পজিট্রন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন (electron) নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. রোগ প্রতিরোধ করা
  3. রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
  4. উপরে উল্লিখিত সব কয়টিই
ব্যাখ্যা
- রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ হচ্ছে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করা। 
- হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে তা শরীরের বিভিন্ন কোষে ছড়িয়ে দেয়া। 
- এর ফলে জীবিত কোষগুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে। 
- এছাড়া হিমোগ্লোবিন কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়। 
- হিমোগ্লোবিন বর্ণহীন রক্তকে লাল করে থাকে। 

উৎস: National Library of Medicine Website [লিঙ্ক]।
৭৯.
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
  1. ৪ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
সুষম খাদ্য: 
- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। 
- সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি। 
- সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১ । 

সুষম খাদ্যের উপাদান: 
১. শর্করা, 
২. আমিষ, 
৩. ভিটামিন, 
৪. খনিজ লবণ, 
৫. চর্বি এবং 
৬. পানি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
  1. অগ্ন্যাশয় হতে
  2. প্যানক্রিয়াস হতে
  3. লিভার হতে
  4. পিটুইটারী গ্লান্ড হতে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- প্যানক্রিয়াস এর বাংলা অর্থ অগ্ন্যাশয়। তাই অপশনে ক) অগ্ন্যাশয় ও খ) প্যানক্রিয়াস দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. শুশুক
  4. জেলী ফিস
ব্যাখ্যা
- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই। তাই শুশুক পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়। 

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 
- This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

উৎস: uk.whales.org
৮২.
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হল-
  1. গ্লাইকোজেন
  2. গ্লুকোজ
  3. ফ্রুক্টোজ (Fructose)
  4. সুক্রোজ
ব্যাখ্যা
গ্লাইকোজেন: 
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড। 
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে। 
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ। 
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়। 
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n

গ্লাইকোজেন এর কাজ: 
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়। 
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়। 

তাই, বলা যায় অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো - গ্লাইকোজেন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
প্রাণী জগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-
  1. জুওলজী
  2. বায়োলজী
  3. ইভোলিউশন
  4. জেনেটিক্স
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্স: 
- পিতামাতার বৈশিষ্ট্যগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততির দেহে সঞ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো “বংশগতি” (Heredity)। 
- বংশগতি সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা ও গবেষণা করা হয় বংশগতিবিদ্যা (Genetics) নামের জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখায়। 

জুওলজী: 
- জীববিজ্ঞানের শাখা যা প্রাণীজগতের সদস্যদের এবং সাধারণভাবে প্রাণীজগতের অধ্যয়ন করে। 
- এটি পৃথক প্রাণী এবং তাদের উপাদানের অংশগুলির অনুসন্ধান,  এবং প্রাণীর জনসংখ্যা, সমগ্র প্রাণীজগত এবং একে অপরের সাথে, উদ্ভিদ এবং অজীব পরিবেশের সাথে প্রাণীদের সম্পর্ক সম্পর্কে অনুসন্ধান উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে। 

বায়োলজী: 
- জীববিজ্ঞান হল জীব ও তাদের বিভিন্ন শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার অধ্যয়ন। 

ইভোলিউশন: 
- গভীর যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আধুনিক মানুষের ধারণা হয়েছে যে জীব সৃষ্টির মূলেই রয়েছে বিবর্তন। 
- ল্যাটিন শব্দ 'Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে। 
- ইংরেজ দার্শনিক এবং শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার (Herbert Spencer) প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন। 
- এক সময় বলা হতো, যে ধীর, অবিরাম এবং চলমান পরিবর্তন দিয়ে কোনো সরলতর নিম্নশ্রেণির জীব থেকে জটিল এবং উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটে, তাকে বিবর্তন বা অভিব্যক্তি বা ইভোলিউশন বলে। 
- এখন বিবর্তন বা ইভোলিউশনের সংজ্ঞা জিনের অ্যালিলের মাধ্যমে দেওয়া হয় (একটি নির্দিষ্ট জিন একাধিকভাবে থাকতে পারে, তখন সেই জিনটির ভিন্ন ভিন্ন রূপকে তার অ্যালিল বলা হয়)। 
- কার্টিস বার্নস (1989) প্রদত্ত আধুনিক সংজ্ঞা অনুসারে, বিবর্তন হলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নির্দিষ্ট এলাকায় এক কিংবা কাছাকাছি প্রজাতির অ্যালিল ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তন। 

উৎস: জীবিবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী। 
৮৪.
কোন খাদ্যে প্রোটিন বেশি?
  1. ভাত
  2. গরুর মাংস
  3. মসুর ডাল
  4. ময়দা
ব্যাখ্যা
- ডাল প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার আবার গরুর মাংসেও প্রোটিন থাকে তবে এতে চর্বির পরিমাণ বেশি বলে ডাল ই হচ্ছে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। 
- প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমান হচ্ছে ২৫.১ গ্রাম এবং গরুর মাংসে হচ্ছে ২২.৬ গ্রাম। 

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) অনুসারে, 
- ডাল বীজে আমিষের পরিমাণ ২০-২৫ শতাংশ, 
- লাল মাংসে আমিষের পরিমাণ ১৬-১২ শতাংশ, 
- মাছে আমিষের পরিমাণ ১৮-২৫ শতাংশ এবং 
- মুরগির মাংসে আমিষের পরিমাণ ২০-২৫ শতাংশ। 

উৎস: ais.gov.bd 
৮৫.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. আয়োডিন
  2. আয়রন
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। 
- হাড়ের ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। 
- রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। 
- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস খাদ্যের উৎস: ম্যাকরেল মাছ, স্যামন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, সয়া মিল্ক, দুধ, মাশরুম, চিজ, কমলালেবুর রস ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬.
সুনামীর কারণ হল-
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  4. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami): 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়। 
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। 
- এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ। 
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম। 
- তবে, ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়। 
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়। 
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেয়ু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যাটি সঠিক নয় তা হল-
  1. এ রোগে মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
  2. চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়
  3. এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  4. ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
ব্যাখ্যা
[অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাব হলে প্রোটিন, শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, একে ডায়াবেটিস রোগ বলা হয়। চিনি জাতীয় খাবারের সাথে এ রোগের সম্পর্ক নেই। ডায়াবেটিস হলে হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদি অঙ্গের স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়।] 

ডায়বেটিস: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উল্লেখ্য যে, 
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগ হয় এ তথ্যটি সত্য নয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. নদী
  2. সাগর
  3. হ্রদ
  4. বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
- মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
নবায়নযোগ্য জ্বালানী কোনটি?
  1. পরমাণু শক্তি
  2. কয়লা
  3. পেট্রোল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০.
জমির লবণাক্ততা নিয়িন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ। 
- দুই-তিনবার স্বাদুপানির সেচ দিয়ে সেই পানি জমি থেকে বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যায়। 
- এটা একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি। 
- লবণাক্ততার কারণে শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ফসল চাষ অসম্ভব হয়ে পড়ে। 
- এ সময়ে মাটির লবণাক্ততা ৮.০ ডিএস/মি. এর উপরে চলে যায়। 
- এছাড়া এ সময়ে নদীর পানির লবণাক্ততা ২৫.০-৩০.০ ডিএস/মি. পর্যন্ত লক্ষ করা যায়। 

জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো: 
- ভূমিক্ষয় রোধ করা। 
- মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা। 
- মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা। 
- একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা। 
- পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষিশিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
নিচের কোনটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি?
  1. তামা
  2. রূপা
  3. সোনা
  4. কার্বন
ব্যাখ্যা
পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
কোন ডালের সংগে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক আছে?
  1. অড়হর
  2. ছোলা
  3. খেসারী
  4. মটর
ব্যাখ্যা
- অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। 
- বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে। 
- এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। 
- পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি। 
- ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে  পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে। 
- মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে। 
- Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়।  
- ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৯৩.
মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস-
  1. পরিপাক
  2. খাদ্য গ্রহণ
  3. শ্বসন
  4. রক্ত সংবহন
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল খাদ্যদ্রব্য (শর্করা, প্রোটিন, লিপিড ইত্যাদি) এনজাইমের উপস্থিতিতে অক্সিজেনের সাহায্যে জারণের মাধ্যমে ভেঙ্গে সরল উপাদানে পরিণত হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলা হয়। 
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা জীবের শক্তি ব্যয়কারী জৈবনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন। 
- কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া ও সাইটোপ্লাজমে শ্বসন ক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- তবে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াই শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান অঙ্গ। 
- শ্বসন প্রক্রিয়ার জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসন। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির-
  1. ঘনত্ব কম
  2. ঘনত্ব বেশি
  3. তাপমাত্রা বেশি
  4. দ্রবণীয়তা বেশি
ব্যাখ্যা
- পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়ে। 
- এ কারণে পানির তুলনায় বরফের ঘনত্ব কম। 
- একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়। 
- সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে। 
- বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৯৫.
গাড়ির ব্যাটারিতে কোন এসিড ব্যবহৃত হয়?
  1. নাইট্রিক
  2. সালফিউরিক
  3. হাইড্রোক্লোরিক
  4. পারক্লোরিক
ব্যাখ্যা
এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
- সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
- সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
- এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
- ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯৬.
Lunar eclipse occurs on-
  1. A new moon day
  2. A full moon day
  3. A half moon day
  4. A moonless day
ব্যাখ্যা
- Solar eclipses occur at the new moon, and lunar eclipses occur at full moon.
- But a solar eclipse does not occur at every new moon, nor does a lunar eclipse occur at every full moon, because the Moon's orbital plane is inclined to the ecliptic, the plane of the orbit of Earth around the Sun.

উৎস: britannica.com
৯৭.
Which of the following ecosystems covers the largest area of the earth's surface?
  1. Desert Ecosystem
  2. Mountain Ecosystem
  3. Freshwater Ecosystem
  4. Marine Ecosystem
ব্যাখ্যা
- The Marine Ecosystem is the largest existing ecosystem on our planet
- Covering over 71% of the Earth’s surface, it’s a source of livelihood for over 3 billion people. 
- The ocean also works as the main “lung” of our planet, releasing more oxygen into the atmosphere, notably through marine plants, than all the forests in the world, and absorbing 30% of the carbon dioxide produced by humans. 

উৎস: un.org
৯৮.
Dengue fever is spread by-
  1. Aedes aegypti mosquito
  2. Common House flies
  3. Anopheles mosquito
  4. Rats and squirrels
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর: 
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। 
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। 
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। 
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। 
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। 
- সেখান থেকে জানা যায়, চীনে এই রোগটি ৯৯২ খৃষ্টাব্দে শনাক্ত করা হয়েছিল। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারী আকারে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৫০ সালের দিকে ফিলিপিন্স এবং থাইল্যান্ডে। 
- বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে। 
- প্রথমে এই জ্বরটি ঢাকায় একসঙ্গে অনেকের হয়েছিল বলে এর নাম হয়ে যায় 'ঢাকা ফিভার'। 
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে এটি প্রথম মহামারী আকারে দেখা যায়। 
 
উৎস: World Health Organization ওয়েবসাইট।
৯৯.
Photosynthesis takes place in-
  1. Roots of the plants
  2. Stems of the plants
  3. Green parts of the plants
  4. All parts of the plants
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোপ্লাস্ট নামক ছোট জিনিসগুলোতে উদ্ভিদ কোষের ভিতরে সালোকসংশ্লেষণ হয়। 
- ক্লোরোপ্লাস্টে (বেশিরভাগই মেসোফিল স্তরে পাওয়া যায়) ক্লোরোফিল নামে একটি সবুজ পদার্থ থাকে। 
- সুতরাং, সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের সবুজ অংশে সঞ্চালিত হয়।

- Photosynthesis takes place inside plant cells in small things called chloroplasts. 
- Chloroplasts (mostly found in the mesophyll layer) contain a green substance called chlorophyll. 
- So, Photosynthesis takes place in green parts of the plants

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০.
The term PC means-
  1. Private Computer
  2. Prime Computer
  3. Personal Computer
  4. Professional Computer
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।