ব্যাখ্যা
- হিমালয় পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর সীমান্তে একটি প্রাকৃতিক প্রাচীর তৈরি করেছে। এটি দক্ষিণ এশিয়াকে মধ্য এশিয়া ও চীন থেকে পৃথক করেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো একটি স্বতন্ত্র ভূরাজনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বিকশিত হয়েছে।
- হিমালয় বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করেছে, বিশেষ করে প্রাচীন যুগে। ভারতীয় উপমহাদেশকে বহিঃপ্রভাব থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে, যার ফলে স্বতন্ত্র রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে। আজকের দিনে এটি ভারত–চীন, ভারত–নেপাল, ভারত–ভুটান সীমান্তরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- হিমালয়ের গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সিন্ধুর মতো নদীগুলো দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি, অর্থনীতি, ধর্মীয় সংস্কৃতি এবং জীবনধারাকে প্রভাবিত করেছে। হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে হিমালয়কে পবিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক এবং বিভিন্ন সভ্যতার বিকাশের উৎস।
- Sahara Desert (সাহারা মরুভূমি) আফ্রিকায় অবস্থিত, দক্ষিণ এশিয়ার সাথে সম্পর্ক নেই।
- Andes Mountains (আন্দিজ পর্বতমালা) দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত, দক্ষিণ এশিয়ার ঐক্যে কোনো ভূমিকা নেই।
- Arctic Ocean (আর্কটিক মহাসাগর) মেরু অঞ্চলে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক ঐক্যে কোনো প্রভাব নেই।
- হিমালয় পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য।
সূত্রঃ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি– ড. মোঃ আব্দুল ওদুদ ভূঁইয়া