• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]; ২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]; ৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]; ৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]; ৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
২.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে সাক্ষীর সাক্ষ্য লিখিত ভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
ক
সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
খ
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
গ
যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
ঘ
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল এবং রিভিউ অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো- আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)- যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।
Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases- In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
৩.
'No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
ক
১৩০ ধারা
খ
১৩২ ধারা
গ
১৩৩ ধারা
ঘ
১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি: ১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।
২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।
৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
Section 135: Exemption from arrest under civil process: (1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৪.
দেওয়ানি আদালতে হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের শর্ত কী?
ক
প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে
খ
বিচারকের উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে
গ
বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করতে হবে
ঘ
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)- হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
[Witnesses to be examined in open Court- The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
৫.
সাধারণত অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের-
ক
পরিমাণ উল্লেখ করবে না
খ
আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবে
গ
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
ঘ
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• আরজি হলো মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে- ⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম; ⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান; ⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি; ⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে; ⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়; ⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।
• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে- অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।
Order 7 Rule 2: In money suits- Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
৬.
'Pro-forma defendant' বলতে কাদের বুঝায়?
ক
যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রতিকার চাওয়া হয়
খ
যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়
গ
যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমা থেকে বাদ দিতে হয়
ঘ
স্বার্থ ব্যতীত যাদেরকে প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
ব্যাখ্যা
• মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant )- অনেক সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, বিবাদী ব্যতীত অন্যান্য কতিপয় ব্যক্তিকে মোকদ্দমা বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না বা মোকদ্দমায় তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের মোকাবেলা পক্ষ বা (Pro-forma defendant ) বলা হয়।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী- "বিবাদিগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।" It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.
উক্ত বিধি দ্বারা পরোক্ষ ভাবে (Pro-forma defendant) নীতির বৈধতা দেয়া হয়েছে।
৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ________ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো ব্যক্তির প্রতি জারিকৃত বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
ক
১৪০
খ
১৪২
গ
১৪৪
ঘ
১৪৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে: এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
Section 142: Orders and notices to be in writing: All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
৮.
ডিক্রি জারির আদালত ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত কোথায় ডিক্রি প্রেরণ করেন?
ক
হাইকোর্টে
খ
সরাসরি ডিক্রি জারির আদালতে
গ
ডিক্রিদানকারী আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
ঘ
ডিক্রি জারির আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি: ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
Order-21 Rule-5: Mode of transfer: Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.
৯.
ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ হলে দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কে প্রত্যর্পণের আবেদন করতে পারে?
ক
যে কেউ
খ
শুধুমাত্র বাদী
গ
শুধুমাত্র বিবাদী
ঘ
সুবিধা পাওয়ার অধিকারী যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: (১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।
(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
Section: 144- Application for restitution: (1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮নং বিধিতে ________________ মোকদ্দমার বিধান রয়েছে।
ক
ছানী
খ
প্রতিনিধিত্বমূলক
গ
স্বার্থবিহীন
ঘ
নাবালক কর্তৃক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা 'Representative suit' বলা হয়।
• Order 1 Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest- 1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Court sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such persons either b personin service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারায় কোন আদালতের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
ক
সুপ্রিম কোর্ট
খ
জেলা জজ আদালত
গ
ডিক্রি দানকারী আদালত
ঘ
আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা: “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,- ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
Section 37- Definition of Court which passed a decree: The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- (a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and (b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে জেলা জজ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগকালে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
ক
কোনো প্রতিকার নেই
খ
সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
গ
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
ঘ
জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন করা যাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী, ১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
গুরত্বপূর্ণ তথ্য: ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে। ⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই। ⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২ অনুসারে কাকে কমিশন প্রেরণ করা যেতে পারে?
ক
শুধুমাত্র বাদীকে
খ
শুধুমাত্র বিবাদীকে
গ
যে কোনো সাক্ষীকে
ঘ
শুধুমাত্র আইনজীবীকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২: কমিশনের জন্য আদেশ: আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারেন।
Order-26 Rule-2- Order for commission: An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
১৪.
The jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed _______ lac Taka and ________ lac Taka respectively.
ক
20 , 5
খ
25 , 15
গ
20 , 10
ঘ
25 , 5
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887: Section 19-Extent of jurisdiction of Senior Assistant Judge, etc: (1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.
(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.
(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.
• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার- ⇒ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; ⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; ⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কী প্রমাণ করতে হবে?
ক
স্থাবর সম্পত্তির দখল
খ
স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব
গ
স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব এবং দখল দুটোই
ঘ
কোনো কিছু প্রমাণ করতে হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।
৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।
Section 8- Recovery of specific immoveable property: A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
১৬.
'An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
ক
৫৪ ধারায়
খ
৫৫ ধারায়
গ
৫৬ ধারায়
ঘ
৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 56: An injunction cannot be granted- (a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; (b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; (c) to restraint persons from applying to any legislative body; (d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; (e) to stay proceedings in any criminal matter; (f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; (g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; (h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; (i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; (j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; (k) where the applicant has no personal interest in the matter.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত; ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত; iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা; iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ; v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত; vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে; vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য; viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে; ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে; x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা xi) মামলার বিষয়বস্তুতে দরখাস্তকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ না থাকলে।
১৭.
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ___________ নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
ক
অস্থায়ী
খ
চিরস্থায়ী
গ
বাধ্যতামূলক
ঘ
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
Section 52- Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন- ১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা ২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
১৮.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী-
ক
কোনো প্রতিকার পাবে না
খ
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
গ
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী নয়
ঘ
'ক' থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের অধিকারী
ব্যাখ্যা
• 'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী।
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন: (ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়; (খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি; (গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
Section 35- When rescission may be adjudged: Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- (a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; (b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; (c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
১৯.
The Specific Relief Act,1877 এর ২৯ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা খারিজের ফলাফল কী?
ক
বিবাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
খ
বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
গ
বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
Section 29- Bar of suit for breach after dismissal: The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২০.
কামাল ও জামাল একটি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। পরে জানা গেল যে, লাভের হিসাবে একটি সাধারণ গণনাগত ভুল হয়েছে। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
ক
চুক্তিটি অবশ্যই বাতিল করতে হবে
খ
চুক্তিটি বাতিল করা যাবে না
গ
চুক্তিটি বাতিল করা যাবে যদি উভয় পক্ষকে পূর্বের অবস্থায় ফেরানো যায়
ঘ
খ এবং গ উভয় সঠিক
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ: কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
Section 36: Rescission for mistake: Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
২১.
'When instrument may be rectified'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
ক
৩০ ধারার
খ
৩১ ধারার
গ
৩৫ ধারার
ঘ
৩৮ ধারার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে: যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
Section 31- When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায় চুক্তি পালনে কয়টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে?
ক
৪টি
খ
৫টি
গ
৭টি
ঘ
৯টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায় চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে। যথা- ⇒ যার পক্ষে ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব; ⇒ যে পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; ⇒ যে চুক্তি পালনে অক্ষম; ⇒ যে চুক্তির বিষয়বস্তু পূর্বেই নিষ্পত্তি হয়েছে।
Section 24- Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person- (a) who could not recover compensation for its breach; (b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed; (c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or (d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় মোকদ্দমার কোন পক্ষের নিকট হতে আদালতকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
ক
যেকোনো পক্ষ থেকে
খ
যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
গ
যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
ঘ
যে পক্ষের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা: দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation: On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
২৪.
Section 16 of The Specific Relief Act,1877 states provisions regarding specific performance of ________ part of contract.
ক
small
খ
large
গ
important
ঘ
independent
ব্যাখ্যা
• Section 16- Specific performance of independent part of contract: When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে, কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
২৫.
ফৌজদারি রিভিশনে দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
ক
চূড়ান্ত
খ
আপিলযোগ্য
গ
হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
ঘ
দায়রা আদালতে ২য় বার রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে- ১. হাইকোর্ট বিভাগ; ২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।
• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে, দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
Section 439A: Sessions Judge's powers of revision- (1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439.
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটগণের কোন ধরনের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
ক
বিশেষ ক্ষমতা
খ
সাধারণ ক্ষমতা
গ
অতিরিক্ত ক্ষমতা
ঘ
উল্লিখিত সকল ধরনের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা: সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
Section 36- Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
২৭.
একটি গ্রেফতারী পরোয়ানা যদি ঢাকায় জারি করা হয়, তাহলে তা কোথায় কার্যকর করা যাবে?
ক
শুধুমাত্র ঢাকায়
খ
শুধুমাত্র বিভাগীয় শহরগুলোতে
গ
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে
ঘ
বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা- গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় কার্যকর করা যাবে।
Section 82- Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে নিতে পারেন?
ক
অপরাধ স্বীকার করলে
খ
মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
গ
হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
ঘ
মিথ্যা অভিযোগ দিলে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না: (১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer: (1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint: or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody: Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
২৯.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন পরিস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন?
ক
যখন পুলিশ অনুরোধ করে
খ
যখন পরিবারের সদস্যরা অনুমতি দেয়
গ
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য
ঘ
ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত: (১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death: (1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses- Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫১৪ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
ক
জামিনদারের অব্যাহতির
খ
জামিননামা গ্রহণের
গ
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
ঘ
নাবালক কর্তৃক জামিননামা প্রদানের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-
(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন।
(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।
(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।
(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।
(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।
(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।
(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
ক
XX অধ্যায়ে
খ
XXII অধ্যায়ে
গ
XII অধ্যায়ে
ঘ
XXV অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII(২২) অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)- গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ২৬০ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন- i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী, সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় কাকে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
ক
অভিযুক্ত
খ
অভিযোগকারী
গ
পাবলিক প্রসিকিউটর
ঘ
সহ-অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়- ১- হাইকোর্ট বিভাগে; ২- দায়রা জজের নিকট।
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে- ১. পাবলিক প্রসিকিউটর; ২. অভিযোগকারী।
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
Section 417- Appeal in case of acquittal: (1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- (a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; (b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- (a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; (b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ২য় কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
ক
অপরাধের নাম
খ
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
গ
দণ্ডবিধির ধারাসমূহ
ঘ
দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-
• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule): ১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ; ২য় কলাম- অপরাধের নাম; ৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ; ৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা; ৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য; ৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা; ৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি; ৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৩৪.
আপিল বিভাগ কর্তৃক ফৌজদারি মামলা ও আপিল স্থানান্তরের উদ্দেশ্য কী?
ক
ন্যায়বিচার
খ
পক্ষগণের সুবিধা
গ
সাক্ষীদের সুবিধা
ঘ
'ক' বা 'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals: (1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৩৫.
“No appeal in certain cases when accused pleads guilty”- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
ক
৪১২ ধারা
খ
৪১৩ ধারা
গ
৪১৪ ধারা
ঘ
৪১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারা- আসামী দোষ স্বীকার করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপিল চলবে না: ইতোপূর্বে এই কার্যবিধিতে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং উক্ত স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে দায়রা আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে শাস্তি প্রদান করলে দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডাদেশের বৈধতা ব্যতীত উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল দায়ের করা চলবে না।
No appeal in certain cases when accused pleads guilty: Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
৩৬.
জামিনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ কীভাবে নির্ধারণ করতে হবে?
ক
জামিনদারের আর্থিক সক্ষমতা দেখে
খ
অপরাধের ধরন দেখে
গ
মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক
ঘ
আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা: এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৭.
'আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোনো পুলিশ অফিসার কোনো আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় বলা আছে?
ক
১৫৪ ধারায়
খ
১৫৫ ধারায়
গ
১৫৬ ধারায়
ঘ
১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ: (১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।
(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত- আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।
(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
Section 155- Information in non-cognizable cases: (1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases- (2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial.
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারার (৪) উপধারায় সরকার কাকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন?
ক
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
খ
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
গ
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
ঘ
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট; iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।
• ১৯০ ধারার উপধারা (৪) এ দেয়া আছে- সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।
Section 190(4)- Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
৩৯.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন কোন ধরনের অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে?
ক
৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
খ
৭ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
গ
৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
ঘ
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ: ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।
ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
৪০.
এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
ক
নালিশটি লিখিত আকারে রূপান্তর করবেন
খ
নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
গ
নালিশটি খারিজ করে দিবেন
ঘ
নালিশকারীকে পুনরায় আসতে বলবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case: (1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. (2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার ব্যাখ্যায় 'Reasonable cause for remand' এর বিধান রয়েছে?
ক
১৬৭
খ
২০০
গ
৩৪৪
ঘ
৩৬৪
ব্যাখ্যা
• Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings: (1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation:Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা: (১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ
রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৪২.
দণ্ডবিধি,১৮৬০ কোথায় কার্যকর হয়?
ক
সমগ্র বাংলাদেশে
খ
পার্বত্য চট্রগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
গ
নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
ঘ
খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ১- শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা: এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।
Section 1- Title and extent of operation of the Code: This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.
৪৩.
'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধসমূহ' The Penal Code, 1860 এর কত অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
ক
ষষ্ঠ অধ্যায়
খ
নবম অধ্যায়
গ
ষোড়শ অধ্যায়
ঘ
বিংশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ,১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম: - দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, - তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি, - চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, - পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, - পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, - ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, - নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, - নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, - ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, - সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, - বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, - একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, - ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৪৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে, 'ক্ষতি (Injury)' বলতে কী বোঝায়?
ক
শুধুমাত্র শারীরিক আঘাত
খ
অবৈধভাবে আর্থিক ক্ষতিসাধন
গ
শুধুমাত্র মানসিক ক্ষতি
ঘ
দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির অবৈধ ক্ষতিসাধন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি: যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
Section 44-“Injury”: The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
৪৫.
দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
ক
Thug
খ
Theft
গ
Robbery
ঘ
Cheating
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে- আইনটি পাশ হওয়ার পর, যে কেউ যেকোন সময়ে অন্য কারো বা অন্যদের সাথে অভ্যাসগতভাবে দস্যুতা বা খুনের মাধ্যমে শিশু চুরি করার উদ্দেশ্যে যুক্ত থাকে, সে একজন ঠগ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
Section 310: Thug: Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
Section 311: Punishment: Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৪৬.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে মানহানি হতে পারে যদি:
ক
তার সম্পত্তি নষ্ট করা হয়
খ
তার নামে মিথ্যা মামলা করা হয়
গ
তার ছবি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়
ঘ
তার পরিবার-পরিজনের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে নিন্দাবাদ করা হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
মানহানি: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১: যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২: কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪: কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
৪৭.
এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক
মৃত্যুদণ্ড
খ
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গ
৭ বৎসর কারাদণ্ড
ঘ
১০ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারার বিধান: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে- (ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা (খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc: Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in- (a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or (b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
৪৮.
'A', 'B'-কে 'Z'-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এক্ষেত্রে 'A'-
ক
কোনো শাস্তি পাবে না
খ
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
গ
সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ঘ
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে: কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।
সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে: এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
⇒ A, B-কে Z-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। যদি B, Z-কে হত্যা করত, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হত। সুতরাং, A সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য; এবং, যদি প্ররোচনার ফলে Z-এর কোনো ক্ষতি হতো, তাহলে A সর্বোচ্চ চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য হতো।
Section 115- Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence: Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
Illustration- A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 3[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
৪৯.
'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' অপরাধের মূল উপাদান কী?
ক
চুরি করা
খ
ভয় দেখানো
গ
মিথ্যা বলা
ঘ
সম্পত্তি নষ্ট করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়: কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
Section 383 - Extortion: Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion".
৫০.
তপন, একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে এবং সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। তপন দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ করেছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
ক
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
খ
দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা; যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গ
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা; অনধিক ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ঘ
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা; অনধিক ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান: যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
Section 305: Abetment of suicide of child or insane person: If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৫১.
The Penal Code, 1860 এর বিধান অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে একটি কাজ 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না?
ক
যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হলে
খ
ভালো উদ্দেশ্য থাকলে
গ
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
ঘ
পর্যাপ্ত মনোযোগ দেওয়া হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
Section 52- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৫২.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
ক
চুরি
খ
ডাকাতি
গ
দস্যুতা
ঘ
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
Section 392- Punishment for robbery: Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৫৩.
'A', 'Z'- এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে 'Z'-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, 'A' -এর কৃত কাজ কোন উদ্দেশ্যে করা হলে তা 'অপরাধমূলক বল প্রয়োগ' হিসেবে গণ্য হবে?
ক
'Z' কে আহত করা
খ
'Z' কে ভয় দেখানো
গ
'Z' কে বিরক্ত করা
ঘ
উপরের যেকোনো একটি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদহারণ: "A, Z-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে Z-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, যদি A-এর উদ্দেশ্য Z-কে আহত করা, ভয় দেখানো বা বিরক্ত করা হয়, তাহলে A, Z-এর প্রতি অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।"
Section 350- Criminal force: Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৫৪.
কোনো ব্যক্তি কোনো যুদ্ধবন্দীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করলে, উক্ত ব্যক্তি-
ক
কোনো শাস্তি পাবে না
খ
অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
গ
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ঘ
অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড দুটোই পাবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
Section 374- Unlawful compulsory labour:
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.
Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৫৫.
'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি যথেষ্ট?
ক
প্রবেশকারীর প্রবেশ করার ইচ্ছা
খ
প্রবেশকারীর সম্পূর্ণ শরীরের প্রবেশ
গ
প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
ঘ
প্রবেশকারীর অবস্থান করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা- অনধিকার গৃহে প্রবেশ: কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
Section 442- House-trespass: Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
৫৬.
গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হলে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
ক
২০০ টাকা
খ
৩০০ টাকা
গ
৫০০ টাকা
ঘ
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ: যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Section 358- Assault or criminal force on grave provocation: Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.
৫৭.
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার অধীন কোন কাজ অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হবে না?
ক
নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্য
খ
সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য
গ
সামান্য ক্ষতিকারক কার্য
ঘ
নাবালক কর্তৃক কৃত কার্য
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য: সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।
Section 95- Act causing slight harm: Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৫৮.
সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন-
ক
অপরাধীর সম্মতি সাপেক্ষে
খ
অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত
গ
অপরাধীর আবেদন সাপেক্ষে
ঘ
বিচারিক আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন: যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life: In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৫৯.
১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি কী?
ক
মূল কারাদণ্ডের সমান
খ
মূল কারাদণ্ডের অর্ধেক
গ
মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
ঘ
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে- (i) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড । (ii) যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। (iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬০.
দণ্ডবিধিতে 'Unnatural offences' এর ক্ষেত্রে কী শাস্তির বিধান রয়েছে?
ক
শুধু অর্থদণ্ড
খ
শুধু কারাদণ্ড
গ
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড যেকোনো একটি
ঘ
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে। ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।
Section 377⇒ Unnatural offences: Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
৬১.
কোন আইন দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে সাক্ষ্য আইনের দালিলিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
ক
The Evidence(Amendment) Act, 2020
খ
The Evidence(Amendment) Rules, 2021
গ
The Evidence(Amendment) Act, 2022
ঘ
The Evidence(Amendment) Act, 2021
ব্যাখ্যা
• The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।
ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম; ⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা ⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৬২.
একজন সাক্ষী হিসেবে শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের কর্তব্য কী হবে?
ক
অভিযোগকারীকে সাহায্য করা
খ
আদালতকে সাহায্য করা
গ
অভিযুক্তকে শাস্তি থেকে বাঁচানো
ঘ
নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: (১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়। (২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয়, যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে- ১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে; ২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে; ৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties. (2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক অনুযায়ী আদালত কী অনুমান করতে পারে?
ক
শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা সত্য
খ
শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য অগ্রহণযোগ্য
গ
শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সর্বদা গ্রহণযোগ্য
ঘ
শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার অন্তর্গত বা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে। [The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]
অর্থাৎ, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
৬৪.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
ক
উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
খ
অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
গ
যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
ঘ
যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:
অভিপ্রায় (Motive): একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়। উদাহরণ: ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে। খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।
প্রস্তুতি (Preparation): অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি। উদাহরণ: ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল। খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।
পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct): অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে। উদাহরণ: ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে। খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি দখল করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।
পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct): অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন- পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি। উদাহরণ: ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল। খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করে এবং এগুলি ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬৫.
মৃত্যুর কারণ সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষনা সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
ক
৩২(১) ধারায়
খ
৩২(২) ধারায়
গ
৩২(৩) ধারায়
ঘ
৩২(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী- কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা (dying declaration); ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker); iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs); vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
৬৬.
স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায় কার মতামতের ভিত্তিতে প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব দূর হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়?
ক
অভিযুক্তের
খ
আদালতের
গ
পুলিশের
ঘ
সরকারি উকিলের
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী, "যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"
⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।
Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant: If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.
৬৭.
"Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট?
ক
২৫ ধারা
খ
৫৫ ধারা
গ
১১০ ধারা
ঘ
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী- কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
Section 134: Number of witnesses- No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
অপরদিকে, "Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।" এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই বলা যায়, "Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।
৬৮.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালত The Evidence Act, 1872 এর ১৫২ ধারায় কোন ধরনের প্রশ্ন করতে নিষেধ করতে পারেন?
ক
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
খ
উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
গ
অপমানিত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
ঘ
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে, আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।
Section 152- Questions intended to insult or annoy: The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 এর ২২ক ধারায় বলা হয়েছে-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা 'Leading question' বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
১৪২ ধারার বিধান- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না। [Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court.]
অর্থাৎ, উল্লিখিত ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আদালতের অনুমতিতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে।
৭১.
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যকার যোগাযোগ কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ করা যেতে পারে?
ক
কোনো ক্ষেত্রেই নয়
খ
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেওয়ানি মামলায়
গ
একজনের বিরুদ্ধে অপরজনের ফৌজদারি মামলায়
ঘ
খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা: কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।
Section 122⇒ Communications during marriage: No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৭২.
'Criminal Conspiracy' এবং 'Common Intention' কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
ক
৭ ধারায়
খ
১০ ধারায়
গ
১২ ধারায়
ঘ
১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ: দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।
Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design: Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৭৩.
তামাদি আইনের ৪ ধারার শিরোনামের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
ক
আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
খ
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
গ
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
ঘ
আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়: যেক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
Section 4- Where Court is closed when period expires: Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৭৪.
তামাদি আইনের কত ধারায় ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত সম্পত্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান উল্লেখ আছে?
ক
৯ ধারায়
খ
১০ ধারায়
গ
১১ ধারায়
ঘ
১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১০ ধারা- প্রকাশ্য ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা: এই আইনে ইতিপূর্বে যা বর্ণিত থাকুক না কেন কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যে লোকের উপর সম্পত্তি অছি অর্পিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে কিংবা তার আইনগত এজেন্টের বিরুদ্ধে কিংবা স্বত্বার্পিত লোকের বিরুদ্ধে (মূল্যভিত্তিক দ্রব্যের বিনিময়ে স্বত্বার্পিত না হয়ে থাকলে) তারা কিংবা তাদের হাতের উক্তরূপ সম্পত্তির কিংবা তার আয়ের কিংবা ঐ সম্পত্তির হিসাবের কিংবা এর আয়ের হিসাবের লক্ষ্যে কোন মামলা করতে হলে তারা কখনোও মেয়াদকালের কারণে বারিত হবে না।
এই ধারার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা হিন্দু ধর্মীয় কিংবা দাতব্য উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত কোন সম্পত্তি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ট্রাস্টে ন্যস্ত সম্পত্তি বলে পরিগণিত হবে এবং উক্তরূপ সম্পত্তির ব্যবস্থাপক তার অছি বলে আমলে আসবে।
৭৫.
রহিম, আলীকে ১০০,০০০ টাকা ধার দিয়েছিলেন। তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার ১ মাস আগেই আলী, রহিমকে ২০,০০০ টাকা পরিশোধ করলেন এবং লিখিত স্বীকৃতি দিলেন। এই ক্ষেত্রে তামাদির নতুন মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে?
ক
মূল ঋণ গ্রহণের তারিখ থেকে
খ
তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
গ
২০,০০০ টাকা পরিশোধের তারিখ থেকে
ঘ
আদালতে মামলা দায়ের করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, যখন আংশিক পরিশোধ করা হয় এবং লিখিত স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তখন সেই পরিশোধের তারিখ থেকে নতুন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়। এক্ষেত্রে, ২০,০০০ টাকা পরিশোধের তারিখ থেকে তামাদির নতুন মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে।
সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী- ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।
Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy- (1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৭৬.
তামাদি আইনের ১৬ ধারায় তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময় কোন সময়কাল বাদ দেয়া হবে?
ক
ডিক্রি জারির সময়
খ
দখল হস্তান্তরের সময়
গ
বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার সময়কাল
ঘ
বিক্রয় রদের কার্যধারা চালানোর সময়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে- ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।
Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending- In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৭৭.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা হলে, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৪৮ অনুচ্ছেদের অধীন কে ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়েরের অধিকারী?
ক
পুলিশ
খ
আদালত
গ
যেকোনো ব্যক্তি
ঘ
সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪৮: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি যা হারিয়ে গিয়েছে বা বা চুরির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে অথবা অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে বা পরিবর্তন করা হয়েছে বা তা অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখার ফলে ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি: - ৩ বৎসর; - এমন সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি যখন প্রথম জানতে পারে যে, ওই সম্পত্তি কার নিকট আছে।
৭৮.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে-
ক
শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
খ
'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
গ
'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ঘ
'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)- যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-
⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না, সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।
অর্থাৎ, এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে। ⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।
Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants- Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
Illustrations- (a) A incurs a debt to a firm of which B, C and D are partners. B is insane, and C is a minor. D can give a discharge of the debt without the concurrence of B and C. Time runs against B, C and D. (b) A incurs a debt to a firm of which E, F and G are partners. E and F are insane, and G is a minor. Time will not run against any of them until either E or F becomes sane, or G attains majority.
৭৯.
সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন কোন ধারা প্রযোজ্য হবে না?
ক
২০ ও ২১ ধারা
খ
২২ ও ২৩ ধারা
গ
২৪ ও ২৫ ধারা
ঘ
২৬ ও ২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়- ⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে; ⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা; ⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে; ⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
Section 29- Savings: (1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. (2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- (a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and (b) the remaining provisions of this Act shall not apply. (3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. (4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৮০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৬৬ অনুচ্ছেদে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
ক
ডিক্রি জারীতে বিক্রয় রদ করার দরখাস্ত দাখিলের
খ
বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ লাভের দরখাস্ত দাখিলের
গ
ডিক্রি জারীতে কোন স্থাবর সম্পত্তির দখল অর্পণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ দায়েরের
ঘ
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দরখাস্ত দাখিলের
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬৬:
বিষয়: ডিক্রি জারীতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree] মেয়াদ- ৩০ দিন; গণনা শুরু - নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।
অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ-১৬৪ - বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ লাভের জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of exparte decree]; - ৩০ দিন; - ডিক্রির তারিখ অথবা যে ক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারী হয়নি, সেক্ষেত্রে দরখাস্তকারী যখন ডিক্রির বিষয় অবগত হয়।
অনুচ্ছেদ-১৬৫ - দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য দরখাস্ত; - ৩০ দিন; - বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।
অনুচ্ছেদ-১৬৭ - ডিক্রিমূলে প্রাপ্ত অথবা ডিক্রি জারীতে কোন স্থাবর সম্পত্তির দখল অর্পণে বাধাদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ; -৩০ দিন; -বাধাদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির তারিখ হতে।
৮১.
নিম্নলিখিত কোনটি তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীনে বিলম্ব মওকুফের ক্ষেত্র নয়?
ক
আপিল
খ
মামলা দায়ের
গ
রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত
ঘ
রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী- ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে 'Condonation of delay' বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।
১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য - i) আপিল (Appeal); ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal); iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision); iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review); v) অন্য কোন দরখাস্তে (Any other application)।
১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়- ১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে। ২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মওকুফের আবেদন মঞ্জুর করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন।
৮২.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ _____ এ আলোচনা করা হয়েছে।
ক
১৮
খ
২৫
গ
২৭
ঘ
৩০
ব্যাখ্যা
• আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ: আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-
১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে; ২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে; ৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে; ৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে; ৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে; ৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে; ৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
৮৩.
An Advocate must ________ to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party.
ক
try
খ
decline
গ
accept
ঘ
obliged
ব্যাখ্যা
• Canons of Professional conduct & Etiquette-এর ৪ অধ্যায় বিধি-৩: An Advocate must decline to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party or to work any oppression or wrong. But otherwise it is his right, and having accepted a retainer, it becomes his duty to insist upon the judgment of the court as to the legal merits of his client's claim. His appearance in court should be deemed equivalent to an assertion on his honour that in his opinion his client's case is one proper for judicial determination.
- একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলার বিবদমান পক্ষ একে অপরকে অযথা হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করিবেন। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।