পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই, কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামারগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
সঠিক উত্তর:
খ) চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চার
ব্যাখ্যা

খামারের আয়তন: আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামার গুলোকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

০.৪৯ একর পর্যন্ত খামারগুলাে প্রান্তিক খামার, 
০.৫০ - ২.৪৯ একরের খামারগুলো ক্ষুদ্রায়তন খামার, 
২.৫০ - ৭.৪৯ একর আয়তনের খামারগুলো মাঝারি এবং 
৭.৫০ একর হতে আরো বড় আকারের খামার গুলো বৃহদায়তন খামার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বোর্ড বই।

.
বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৪.৫%
  2. খ) ৫.৭৪%
  3. গ) ৬.৩২%
  4. ঘ) ৫.৩৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৭৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৭৪%
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৭৪%।
- কৃষি ও বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ২.৬৫% ।
- কৃষির উপখাত হিসেবে সব থেকে বেশি প্রবৃদ্ধি বনজ সম্পদের ৬.১২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

.
নিচের কোনটি কৃষির উপখাত নয়?
  1. ক) শস্য ও শাক-সবজি
  2. খ) মৎস্য
  3. গ) প্রাণিজ সম্পদ
  4. ঘ) বনজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
খ) মৎস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৎস্য
ব্যাখ্যা

মৎস্য বাংলাদেশের কৃষির উপখাত নয়। এটি এখন উন্নত কৃষি খাত।
- পূর্বে মৎস্য, শস্য, শাকসবজি, বনজ সম্পদ ও প্রাণী সম্পর্কে কৃষির উপখাত হিসেবে ধরা হতো।
- বর্তমানে কৃষির উপখাত গুলো হল: শস্য ও শাকসবজি, বনজ সম্পদ এবং প্রাণী সম্পদ

 উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বই ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

.
কোনটি অনিয়ন্ত্রিত ফসল?
  1. ক) ধান
  2. খ) আলু
  3. গ) পাট
  4. ঘ) আখ
সঠিক উত্তর:
খ) আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলু
ব্যাখ্যা

আলু একটি অনিয়ন্ত্রিত ফসল। আলুকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল হিসেবে ঘোষণা করা হয় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

- যে সকল ফসলের বীজ, বিক্রয় বিতরণ বিনিময়, আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অনুমোদন প্রয়োজন হয় না তাদেরকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল বলে।
- যেমন: সরিষা, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি।

- যে সকল ফসলের বীজ, বিক্রয় বিতরণ বিনিময়, আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অনুমোদন প্রয়োজন হয় তাদেরকে নিয়ন্ত্রিত ফসল বলে।
- যেমন: ধান, গম, পাট, আখ ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

.
ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলকে ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে ফসল কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: উদ্যান ফসল ও মাঠ ফসল।

উদ্যান ফসল: উদ্যান শব্দের অর্থ বাগান বা বাগিচা। বাগানে যেসব ফসল ফলানো হয় তাই উদ্যান ফসল।
যেমন - লাউ, সিম, ফুলকপি ,টমেটো, আলু ইত্যাদি।

মাঠ ফসল: যে সকল ফসল সুপরিসর একটি মাঠে নির্দিষ্ট সময় ধরে চাষ করা হয় এবং ওই ফসলের উপর কৃষকের জীবন ও জীবিকা নির্ভর করে তাকেই মাঠ ফসল বলে।যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, তুলা ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

.
পটল কোন মৌসুমে পাওয়া যায়?
  1. ক) রবি মৌসুম
  2. খ) খরিপ মৌসুম
  3. গ) রবি - খরিপ মৌসুম
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) খরিপ মৌসুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খরিপ মৌসুম
ব্যাখ্যা

- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। পটল একটি খরিপ মৌসুমের ফসল।
- খরিপ মৌসুমের ফসলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া, করলা, পটল, আমলকি, বরবটি ইত্যাদি ।

- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে। রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে। এ সময় তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।
- রবি মৌসুমের ফসল গুলি হল - ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, টমেটো, সিম, আউশ ধান ইত্যাদি ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

.
নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার কোনটি?
  1. ক) হাড়ের গুড়া
  2. খ) সরিষার খৈল
  3. গ) মাছের কাঁটা
  4. ঘ) গৃহস্থালির ছাই
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষার খৈল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষার খৈল
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার হল - সরিষার খৈল। 
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
- এটি গাছকে সবুজ ও সতেজ করে। 
- দেশে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হল ইউরিয়া । 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) ক্লিংকার
  2. খ) অ্যামোনিয়া
  3. গ) অপরিশোধিত তেল
  4. ঘ) মিথেন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলি জমিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এর প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে কাজকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে থাকে।
- কুশি বরসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

 উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

.
কৃষি খাতে প্রাণি সম্পদের অবদান কত-
  1. ক) ১০.৬৯%
  2. খ) ৯.৮৮%
  3. গ) ১২.২৩%
  4. ঘ) ২০.১২%
সঠিক উত্তর:
ক) ১০.৬৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০.৬৯%
ব্যাখ্যা

বর্তমানে কৃষি খাতে মৎস্য সম্পদের অবদান ১০.৬৯%।

- জিডিপিতে বর্তমানে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১

১০.
ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় ?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গম ও ভুট্টার চাহিদা পূরণ, উচ্চ ফলনশীল গম ও ভুট্টার জাত উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। 

- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরে অবস্থিত।
- বর্তমানে ১১টি গবেষণা বিভাগ এবং ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ১টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও ১টি বীজ উৎপাদন উপ-কেন্দ্র রয়েছে। 

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সহযোগিতায় এ পর্যন্ত গমের ৩৩টি ও ভুট্টার ২৬টি (বারি হাইব্রিড ভুট্টা ১৭টি, বারি ভুট্টা ৬টি, খই ভুট্টা ১টি, বেবি ভুট্টা ১টি ও মিষ্টি ভুট্টা ১টি ) জাত এবং নুতন ইনস্টিটিউট হতে ডব্লিউএমআরআই গম ১ নামে গমের ১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১১.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) বিনা
  2. খ) হীরা
  3. গ) প্রগতি
  4. ঘ) আনন্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আনন্দ
ব্যাখ্যা

- আনন্দ হল গমের উন্নত জাত ।
- এছাড়াও গমের উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে - আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, ইনিয়া-66, শতাব্দী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

১২.
গৌড়মতি কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ইক্ষু
  2. খ) পাট
  3. গ) উন্নত জাতের চা
  4. ঘ) বারোমাসি আম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বারোমাসি আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বারোমাসি আম
ব্যাখ্যা

গৌড়মতি হলো বারোমাসি আম। 
- আশ্বিনা ও ল্যাংড়া—এ দুই জাতের আমের মুকুলের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে নতুন জাতের উৎপত্তি হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- তাঁরা আমটির নাম দিয়েছেন 'গৌড়মতি'।
- চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শিয়ালমারা এলাকার এক আমবাগানের একটি গাছে এই জাতের আম পাওয়া গেছে। 
- গাছটির আনুমানিক বয়স ১৬ বছর হবে।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

১৩.
২০১৯-২০২০ সালে কত শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে?
  1. ক) ৭৬.৮৫%
  2. খ) ২.২৪%
  3. গ) ৩.০১%
  4. ঘ) ২.৬৬%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
ব্যাখ্যা

২০১৯-২০২০ সালে ৩.০১% শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে ।
- ধান উৎপন্ন হয়েছে ৭৬.৮৫% জমিতে।
- ডাল জাতীয় শস্য ২.২৪% জমিতে।
- মসলা জাতীয় ফসল উৎপন্ন ২.৬৬% জমিতে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ( আপডেট) ২০২০

১৪.
দেশের যে জনপদে অধিক আম উৎপাদন হয় -
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুন্ড্র
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা

দেশের অধিক আম উৎপাদন হয় বরেন্দ্র জনপদে। 
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। 
- রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর আম চাষের জন্য বিখ্যাত জেলা।

- কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৫.
জুটন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) আবুল হুসসাম
  3. গ) ফেরদৌসী কাদরি
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
ব্যাখ্যা

জুটন আবিষ্কার করেন মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা। 
- জুটন হল পাট ও সুতা মিশ্রিত কাপড়। এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।

- মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে দেশী পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন।
- আর্সেনিক থেকে রক্ষা পেতে আবুল হুসসাম সনো ফিল্টারের আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৬.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৫১
  4. ঘ) ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো’র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- অত:পর ১৯৩৬ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (ICJC) আওতায় ঢাকায় জুট এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- ১৯৫১ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (ICJC) স্থলে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটি (PCJC)  গঠিত হয় এবং বর্তমান স্থানে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।

বর্তমানে বিজেআরআই তিনটি ধারায়  গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে:
(১) পাটের কৃষি তথা পাট ও পাটজাতীয় আঁশ ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা এবং বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত গবেষণা;
(২) পাটের কারিগরী তথা মূল্য সংযোজিত বহুমুখী নতুন নতুন পাট পণ্য উদ্ভাবন এবং প্রচলিত পাট পণ্যের মানোন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা এবং
(৩) পাটের টেক্সটাইল অর্থাৎ পাট এবং তুলা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম আঁশের সংমিশ্রনে পাট জাত টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন সংক্রান্ত গবেষণা এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনা।

- বর্তমানে বিজেআরআই এর কৃষি গবেষণায় ৬টি, কারিগরী গবেষণায় ৪টি, জুট টেক্সটাইল গবেষণায় ১টি এবং পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ বিভাগসহ মোট ১২টি বিভাগ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পাঁট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৭.
প্রথম চা নিলাম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়-
  1. ক) আগ্রাবাদ
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) মালনীছড়া
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
ক) আগ্রাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগ্রাবাদ
ব্যাখ্যা

সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। 
- ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
- ১৪ মে ২০১৮ শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৮.
দেশের প্রক্রিয়াজাত মাংস রপ্তানির পরিমাণ কত-
  1. ক) ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন
  2. খ) ৫৮ মেট্রিক টন
  3. গ) ৬১ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৫৫ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৬১ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬১ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে ৬১ মেট্রিক টন মাংস রপ্তানি করা হয়েছে; ২০২০ সালে যা ছিল ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন।
- মাংস ছাড়া ও চামড়া, হাঁসের পালক, মিষ্টি জাতীয় পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১৯.
রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হল বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সনের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত। 
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি’র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট

২০.
সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে কোন অঞ্চলে?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) টাঙ্গাইল-শেরপুর
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে চট্টগ্রাম জোনে।
- এই অঞ্চলে রাবার বাগানের সংখ্যা ৮ টি। 

- সিলেট জোন (৪টি বাগান
- টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)
উল্লেখ্য রাবার বাগানকে ৩ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

২১.
সামুদ্রিক মৎস আহরণের পরিমাণ -
  1. ক) ১০.৫০ লক্ষ মে. টন
  2. খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
  3. গ) ৫.৫০ লক্ষ মে. টন
  4. ঘ) ৮.৯৫ লক্ষ মে. টন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
ব্যাখ্যা

মৎস অধিদপ্তরের হিসাব অনুসারে, দেশে গত অর্থ বছরে মোট ৪৫.৫২ লক্ষ মেট্রিক টন মৎস আহরণ করা হয়েছে।
তার মধ্যে -
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ১২.৫৯ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উৎসে চাষকৃত মাছের পরিমাণ - ২৬.১৮ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২২.
চলতি বছর কত হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে?
  1. ক) ৫.৯০ লক্ষ
  2. খ) ৬.৭৭ লক্ষ
  3. গ) ৮.৪৩ লক্ষ
  4. ঘ) ৬.৮২ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬.৮২ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬.৮২ লক্ষ
ব্যাখ্যা

চলতি বছর ৬.৮২ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে।
- যা থেকে প্রায় ৭৭.২৫ লক্ষ বেল পাটের আঁশ উৎপাদিত হয়েছে।
- ১ বেল = ৩.৫ মণ প্রায়।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২৩.
বর্তমানে চিনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কত লক্ষ টন?
  1. ক) ১ লক্ষ টন
  2. খ) ৩ লক্ষ টন
  3. গ) ৪ লক্ষ টন
  4. ঘ) ১০ লক্ষ টন
সঠিক উত্তর:
ক) ১ লক্ষ টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ লক্ষ টন
ব্যাখ্যা

বর্তমানে চীনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ লক্ষ টন।

- দেশে মোট চিনির চাহিদা ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এরমধ্যে সরকারি চিনিকলগুলোতে উৎপাদন হয় মাত্র ৮০ হাজার টন। অর্থাৎ বাকি ১৭ দশমিক ২ মেট্রিক টন চিনি প্রতিবছর বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আর এসব আমদানি চিনির অধিকাংশই আসে র-সুগার হিসেবে। 

-তারপর সেই র-সুগারকে রিফাইন করে চিনি উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দেশের চিনির সরবরাহ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। 

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন

২৪.
মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৯০%
  3. গ) ৭৫%
  4. ঘ) ৮৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৬টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

২৫.
সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- এরপরই রয়েছে যশোর এবং কুমিল্লা।
- বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদন তরুণদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বাড়ছে।

উৎস: কৃষি বর্ষপঞ্জি ২০২০ ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

২৬.
Thrust sector বলা হয়-
  1. ক) গলদা চিংড়িকে
  2. খ) বাগদা চিংড়িকে
  3. গ) হিমায়িত খাদ্যকে
  4. ঘ) ছাগল পালন কে
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত খাদ্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত খাদ্যকে
ব্যাখ্যা

Thrust sector বলা হয় হিমায়িত খাদ্যকে । 
- খাদ্য তৈরির পর খাওয়ার আগ পর্যন্ত এবং খাদ্যের কাঁচামাল রান্না করা পর্যন্ত সময় যদি আপনি সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে হিমায়িত বা ফ্রিজিং পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
- এই পদ্ধতিতে সংরক্ষিত খাদ্যকে ফ্রোজেন ফুড বলা হয়। হিমায়িত প্রক্রিয়া খাদ্যের ভেতরগত আদ্রতাকে বরফে পরিবর্তন করার মাধ্যমে এর পচন হওয়া রোধ করে বা বিলম্বিত করে। যার ফলে অনেক প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়ার বংশ বৃদ্ধি থেমে যায়। 

ফুড ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় সাধারণত: দুই ভাবে ফ্রোজেন ফুড তৈরি করা হয় -
- মেকানিকাল ফ্রিজিং
- Cryogenic freezing

- এদের মধ্যে ক্রায়োজেনিক ফ্রিজিং প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। তবে, পারিবারিক পর্যায়ে সাধারণ রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করে ফ্রিজিং প্রক্রিয়ায় খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।

২৭.
বর্তমানে দেশে মহিষের সংখ্যা-
  1. ক) ১৪.০৪ লক্ষ
  2. খ) ৭.৮ লক্ষ
  3. গ) ১২.৩৪ লক্ষ
  4. ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
ব্যাখ্যা

দেশে মহিষের সংখ্যা ১৫.০১ লক্ষ।
- মোষ বা মহিষ, (ইংরেজি: Water buffalo), গরুর নিকট আত্মীয় কালো চেহারার রোমন্থক প্রাণী। 
- এই বিশাল বোভিডির উৎপত্তি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীন এই অঞ্চলে। 
- বর্তমানে এটি ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার কিছু দেশেও পাওয়া যায়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২৮.
করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার কত?
  1. ক) ৬%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা

করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার ৪%।
- প্রধানমন্ত্রী কৃষি ক্ষেত্রে প্রণোদনা ঘোষণা করেন ১২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে।
- কৃষিতে দেয়া প্রণোদনার পরিমাণ ৫০০০ কোটি টাকা। 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৫৪৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক এর পরিপত্র।

২৯.
গবাদিপশু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে-
  1. ক) ১০ তম
  2. খ) ১২ তম
  3. গ) ১৪ তম
  4. ঘ) ২০ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, গবাদি পশু উৎপাদনে বিশ্বে দ্বাদশ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- এককভাবে ছাগল উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। 
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়। ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
- বর্তমানে ছাগলের থেকে গরুর উৎপাদন বাড়ছে।

সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

৩০.
কোনটি মুরগির সংকর জাত?
  1. ক) আঁচিল
  2. খ) সাদা লেগহর্ন
  3. গ) অস্টালপ
  4. ঘ) রুপালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপালি
ব্যাখ্যা

রুপালি ও সোনালী হলো মুরগির সংকর জাত।
- দেশি জাতের মধ্যে রয়েছে: চাটগে, আসিল, উদোলা গলা।
- বিদেশি জাতের মুরগি:সাদা লেগহর্ন, রোড আইল্যান্ড রেড, অস্টালপ ।
- দেশে বহুল পরিচিত মুরগি বয়লার, সোনালী, পাকিস্তানি ইত্যাদি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩১.
গবেষণায় একুশে পদক - ২০২০ লাভ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মসলা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণায় ২০২০ সালে একুশে পদক লাভ করে।

- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে। 
গবেষণা কেন্দ্রগুলো হলো-
- ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র, 
- চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র, 
- খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র, 
- কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং 
- বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র এবং 

উপকেন্দ্র ৫টি হলো -
- রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
- সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
- যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র,
- পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
- সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট

৩২.
প্রথম ডিজিটাল স্বয়ংসম্পূর্ণ ভূমি কার্যালয় চালু হয় কোথায়?
  1. ক) ফটিকছড়ি
  2. খ) বাঁশখালী
  3. গ) হাইমচড়
  4. ঘ) সাচার
সঠিক উত্তর:
ক) ফটিকছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফটিকছড়ি
ব্যাখ্যা

চট্রগ্রামের ফটিকছড়িতে ২৩ জানুয়ারি ২০১৪,দেশের প্রথম ডিজিটাল স্বয়ংসম্পূর্ণ ভূমি কার্যালয় চালু হয়।
- নিখুঁত ও নির্ভুল ভূমি ব্যবস্থাপনা, কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে। এ ছাড়া, নামজারি, নথি হালনাগাদ করা এবং কম সময়ে ভূমি সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও খতিয়ান পাওয়া যাবে।

- খুলনায় চালু করা হয়েছে দেশের প্রথম ডিজিটাল ভূমি তথ্য ব্যাংক। এটির কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৯ সালে,খাসজমি বন্দোবস্ত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরো সহজ এবং এতে স্বচ্ছতা আনার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে জেলা প্রশাসন।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।

৩৩.
DAE stand for-
  1. ক) Develop Annual Employment
  2. খ) Department of Agricultural Extension
  3. গ) Department of Agriculture and Engineering
  4. ঘ) Development of Agriculture Extension
সঠিক উত্তর:
খ) Department of Agricultural Extension
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Department of Agricultural Extension
ব্যাখ্যা

 DAE stand for Department of Agricultural Extension (কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)।

- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা যথা ডিএ (ইএন্ডএম), ডিএ (জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

- বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ‘‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসূ ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’’

সূত্র: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (dae.gov.bd)

৩৪.
চলতি অর্থবছরে কত লক্ষ হেক্টর জমি পানি সেচের আওতায় এসেছে?
  1. ক) ৬০.৪৩
  2. খ) ৫৬.৩০
  3. গ) ৪৯.৯৮
  4. ঘ) ৬৫.২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬.৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৬.৩০
ব্যাখ্যা

চলতি বছর ৫৬.৩০ লক্ষ হেক্টর জমি পানি সেচের আওতায় এসেছে যা গত বছরের(৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টর) তুলনায় ০.০৩ লক্ষ হেক্টর বেশি ।
- বর্তমানে পানি সেচ দেওয়ার মাধ্যমগুলোতে হল: গভীর নলকূপ, উন্মুক্ত জলাশয়, অগভীর নলকূপ/ সারফেস ওয়াটার ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১