পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পদ, সন্ধি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে কোনটি পদের প্রকারভেদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) অনুসর্গ
  2. খ) অব্যয়
  3. গ) আবেগ
  4. ঘ) যোজক
সঠিক উত্তর:
খ) অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অব্যয়
ব্যাখ্যা

পদ:
- শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন নাম হয় পদ।

প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণে বাংলা ভাষার শব্দগুলিকে পাঁচটি শব্দশ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
এগুলো হলো: 
১. বিশেষ্য
২. বিশেষণ
৩. সর্বনাম
৪. ক্রিয়া
৫. অব্যয় 

তবে, আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে পদ ৮ প্রকার:
১. বিশেষ্য
২. সর্বনাম,
৩. বিশেষণ
৪. ক্রিয়া,
৫. ক্রিয়া বিশেষণ,
৬. অনুসর্গ,
৭. যোজক
৮. আবেগ।

প্রচলিত ব্যাকরণের অব্যয় কথাটিকে এই ব্যাকরণে গ্রহণ করা হয় নি, তার কারণ হল,  শব্দ শ্রেণি হিসাবে অব্যয় কারক-বিভক্তি-বহুল সংস্কৃত ব্যাকরণের ধারণা। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি। 

.
সাধারণত কোন পদে সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বাধিক পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) বিশেষ্য ও বিশেষণ
  2. খ) ক্রিয়া ও সর্বনাম
  3. গ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া
  4. ঘ) বিশেষণ ও ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়া ও সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
অন্যদিকে, 
চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।

সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য সহজেই নির্ণয় করা যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।
.
বিশেষণ পদ কোনটি?
  1. ক) রক্তাক্ত
  2. খ) সততা
  3. গ) তিক্ততা
  4. ঘ) সরলতা
সঠিক উত্তর:
ক) রক্তাক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রক্তাক্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষণ :
যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।

রক্তাক্ত (বিশেষণ): রক্তে মাখা; রক্তরঞ্জিত।

অন্যদিকে,
- সততা, তিক্ততা, সরলতা শব্দগুলো বিশেষ্য পদ। 

 তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
.
পাশাপাশি দুটি_________ মিলনকে সন্ধি বলে।
  1. ক) ধ্বনির
  2. খ) শব্দের
  3. গ) পদের
  4. ঘ) ধাতুর
সঠিক উত্তর:
ক) ধ্বনির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধ্বনির
ব্যাখ্যা
সন্ধি: 
-
পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- অন্য কথায়, সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন৷ সন্ধি শব্দ গঠনেরও একটি উপায়।
* তবে সন্ধির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চারণের সুবিধা। 
- পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল।
- যেমন আমি এখন চা আনতে যাই বাংলা ভাষার এই বাক্যটিকে সন্ধির সূত্র মনুযায়ী ‘আম্যেখন চানতে যাই বলা যায় না।
- তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে।

তথ্যসূত্রঃ  মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘স্বাস্থ্য’ শব্দটি কোন ধরনের বিশেষ্য পদ?
  1. ক) ভাববাচক
  2. খ) গুণবাচক
  3. গ) সমষ্টিবাচক
  4. ঘ) বস্তুবাচক
সঠিক উত্তর:
খ) গুণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুণবাচক
ব্যাখ্যা
 বিশেষ্য পদ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে:

১. গুণবাচক বিশেষ্যঃ মধুরতা, তারল্য, তিক্ততা, সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন ইত্যাদি।
২. ভাববাচকঃ গমন, দর্শন, ভোজন, শয়ন, দেখা, শোনা।
৩. বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচকঃ বই, খাতা, কলম ইত্যাদি।
৪. সমষ্টিবাচক - পঞ্চায়েত, মাহফিল, জনতা, সভা, সমিতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণঃ নবম-দশম শ্রেণী
.
“মানুষ চাইলেই সব কিছু পায় না, এটাই সত্য”। এই বাক্যে ’সত্য’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) ক্রিয়া বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়
  4. ঘ) বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
- সত্য শব্দটি এই বাক্যের বিষয়, তাই এটি বিশেষ্য।
- কিন্তু যদি বলা হয় ‘সত্য পথে থেকে সত্য কথা বলবে’ তবে সত্য শব্দটা বিশেষণ হত।
- কারণ, সত্য শব্দটা পথ ও কথা শব্দকে বিশেষিত করেছে।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই।
.
বাংলা ব্যকরণে সন্ধির মূল সুবিধা হল:
  1. ক) সরল লেখ্যরুপ প্রদান
  2. খ) সহজে উচ্চারণ
  3. গ) শব্দের অলংকার বৃদ্ধি
  4. ঘ) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
খ) সহজে উচ্চারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সহজে উচ্চারণ
ব্যাখ্যা
সন্ধি
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন৷
- সন্ধি শব্দ গঠনেরও একটি উপায়।
- তবে সন্ধির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চারণের সুবিধা।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘পদ্ধতি’ কোন সন্ধির ‍উদাহরণ?
  1. ক) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
  2. খ) স্বর সন্ধি
  3. গ) ব্যঞ্জন সন্ধি
  4. ঘ) বিসর্গ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যঞ্জন সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যঞ্জন সন্ধি
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

সাধারণত, ব্যঞ্জনসন্ধি  চার নিয়মে হয়: 
১. স্বর+ব্যঞ্জন
২. ব্যঞ্জন + স্বর
৩. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
৪. নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি।

ব্যঞ্জন+স্বর: ক/চ/ট/ত/প+স্বর = গ/জ/ড(ড়)/দ/ব।

উদাহরণ: 
- দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত,
- সৎ + উপায় = সদুপায়।
- - পরিচ্ছদ = পরি্ +ছদ,
পদ্ধতি = পদ্ + হতি। 

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
"বেশ, তাই হবে।" দাগাঙ্কিত অংশটি কোন পদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) আবেগ
  2. খ) যোজক
  3. গ) অনুসর্গ
  4. ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক) আবেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবেগ
ব্যাখ্যা
আবেগ:
মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলােকে আবেগ শব্দ বলা হয়।
এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলাের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন - ছি ছি, আহা, বাহ, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

"বেশ, তাই হবে।" - এটি সিদ্ধান্তবাচক আবেগ-শব্দ। 

সিদ্ধান্তবাচক আবেগ-শব্দ:
এই জাতীয় আবেগ শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয়। 
যেমন:
- হুঁ, যুক্তিটা মন্দ হচ্ছে না। 
- না, আমি তোমার কোনো কথাই শুনব না।
- উঁহু, ও কাজ আমাকে দিয়ে হবে না। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি। 

 
১০.
নিচের কোনটি “নিপাতনে সিদ্ধ” সম্বন্ধে সঠিক?
  1. ক) যে সন্ধি সকল বিষয় মানে
  2. খ) যে সন্ধি দুটি ব্যঞ্জন বর্ণ দিয়ে শুরু হয়
  3. গ) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না
  4. ঘ) যে সন্ধি মৌলিক নিয়ম গুলো মানে
সঠিক উত্তর:
গ) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যে সন্ধি ব্যাকরণের কোন নিয়ম মানে না
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি: 
- সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
- আরো স্পষ্ট করে বললে,  যে সকল ব্যঞ্জনসন্ধি কোনাে নিয়ম না মেনে, বরং নিয়মের ব্যতিক্রম করে সন্ধি হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

উদাহরণ: 
কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়
- কুল + অটা = কুলটা
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ
- গো + অস্থি = গবাস্থি
- গো + ইন্দ্র = গবেন্দ্র

সূত্রঃ ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
১১.
নিচের কোন শব্দযুগল সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ক) নদী ও সাগর
  2. খ) বই ও পাহাড়
  3. গ) মিছিল ও জনতা
  4. ঘ) পরিবার ও ভোজন
সঠিক উত্তর:
গ) মিছিল ও জনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিছিল ও জনতা
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদ:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, কল্প, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলােকে বিশেষ্য বলে।
যেমন – নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভােজন, সততা ইত্যাদি।

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
- নাম-বিশেষ্য
- জাতি-বিশেষ্য
- বস্তু-বিশেষ্য
- সমষ্টি-বিশেষ্য
- গুণ-বিশেষ্য
- ক্রিয়া-বিশেষ্য

সমষ্টি-বিশেষ্য:
- এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বােঝায়।
যেমন – জনতা, পরিবার, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।


তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি 
১২.
সু + অল্প = স্বল্প, কোন সূত্রে সিদ্ধ?
  1. ক) ও + অন্য স্বর = অব্‌ + স্বর
  2. খ) উ/ঊ + অন্য স্বর = ব্‌ + স্বর
  3. গ) ঋ + অন্য স্বর = র্‌ + স্বর
  4. ঘ) এ + অন্য স্বর = অয়্‌ + স্বর
সঠিক উত্তর:
খ) উ/ঊ + অন্য স্বর = ব্‌ + স্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উ/ঊ + অন্য স্বর = ব্‌ + স্বর
ব্যাখ্যা

সু + অল্প = স্বল্প-
এটি উ/ঊ + অন্য স্বর = ব্‌ + স্বর নিয়মে সিদ্ধ স্বরসন্ধি।

গো + আদি = গবাদি- ও + অন্য স্বর = অব্‌ + স্বর নিয়মে সিদ্ধ স্বরসন্ধি।
শে + অন = শয়ন- এ + অন্য স্বর = অয়্‌ + স্বর নিয়মে সিদ্ধ স্বরসন্ধি।
পিতৃ + আলয় = পিত্রালয়- ঋ + অন্য স্বর = র্‌ + স্বর নিয়মে সিদ্ধ স্বরসন্ধি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
নিচের কোনটি সর্বনামের প্রতিনিধি স্থানীয়?
  1. ক) অব্যয়
  2. খ) ক্রিয়া
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) বিশেষণের অতিশায়ন
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
সর্বনাম
- বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
- সর্বনাম সাধারণত ইতোপূর্বে ব্যবহৃত বিশেষ্যের প্রতিনিধি স্থানীয় শব্দ।
যেমন:  হস্তী প্রাণিজগতের সর্ববৃহৎ প্রাণী। তার  শরীরটি যেন বিরাট এক মাংসের স্তুপ।

উল্লেখ্য যে, 

- বিশেষ্য পদ অনুক্ত থাকলেও ক্ষেত্রবিশেষে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: যারা দেশের ডাকে সারা দিতে পারে, তারা তো সত্যিকারের দেশপ্রেমিক।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বিরোধ যোজকের উপস্থিতি আছে কোন বাক্যে?
  1. ক) এত প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু আশানুরুপ ফল পেলাম না
  2. খ) যত পড়ছি তত জানার আগ্রহ বাড়ছে
  3. গ) রীমা এবং সীমা এই কাজটি করেছে
  4. ঘ) হাতে সময় কম তাই চলে যেহে হচ্ছে।
সঠিক উত্তর:
ক) এত প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু আশানুরুপ ফল পেলাম না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এত প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু আশানুরুপ ফল পেলাম না
ব্যাখ্যা
যোজক: 
- পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে তাকে যোজক বলে।
- যেমন: এবং, ও, আর, তবু, অথবা, সুতরাং, কারন, তবে ইত্যাদি।

যোজকের প্রকারভেদ:
বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজক কে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:

- সাধারন যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে। যেমন: করিম ও রহিম এ কাজটি করেছে।
- বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে। যেমন: চা না-হয় কফি খান।
- বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে। যেমন: তাকে আসতে বললাম, তবু এলো না ।
- কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন: বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
- সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন: যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
ব্যাতিহারিক সর্বনাম কোনগুলো চিহ্ণিত করুন:
  1. ক) স্বয়ং, খোদ, আপনি
  2. খ) এ, ইহারা, ইনি -
  3. গ) নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর
  4. ঘ) এ, ইহারা, ইনি
সঠিক উত্তর:
গ) নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে -

-  স্বয়ং, খোদ, আপনি- আত্মবাচক সর্বনাম
-  এ, ইহারা, ইনি - সমীপ্যবাচক সর্বনাম
নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর - ব্যতিহারিক সর্বনাম
-  সব, সকল, তাবৎ - সাকুল্যবাচক সর্বনাম পদ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
সন্ধি সাধিত শব্দ, ‘একাদশ’ কোন ধরণের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
  1. ক) স্বরস্বন্ধি
  2. খ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
  3. গ) বিসর্গ সন্ধি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যা
’একাদশ’= (এক+দশ ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। 

- কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসরণ করে না। এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে।

এছাড়াও আরো কয়েকটি নিপাতনে সিন্ধ ব্যাঞ্জনসন্ধির উদাহরণ- 
ষট্‌ + দশ = ষোড়শ;
পর্‌ + পর = পরস্পর;
গো + পদ = গোস্পদ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।