পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলাবিদ সাহিত্য পরীক্ষা - ১২: টপিক সমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ (অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল হাসান, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহসান হাবীব। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] [এই টপিকের উপর কোন ভিডিও লেকচার নাই]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'ইউরোপের চিঠি' ভ্রমণকাহিনীর রচয়িতা -
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
অন্নদাশঙ্কর রায়: 
- অন্নদাশঙ্কর রায় একজন স্বনামধন্য বাঙালি কবি, লেখক এবং সেই সাথে বিশিষ্ট ছড়াকারও।
- তিনি 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে লিখতেন।
- পথে প্রবাসে ও ইউরোপের চিঠি তাঁর রচিত দুইটি ভ্রমণ কাহিনী।
-  অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রথম কবিতাগ্রন্থ রাখী (১৯৩২)। 
- তাঁর প্রথম উপন্যাস অসমাপিকা (১৯৩০)।
- ১৯২৭ সালে অন্নদাশঙ্কর রায় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথমস্থান অধিকার করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাসটি লিখেছেন -
  1. মাহবুব আলম চৌধুরী
  2. আনোয়ার পাশা
  3. শামসুল হক
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
 রাইফেল রোটি আওরাত: আনোয়ার পাশা
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটির রচনাকাল ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস এটি।
- উপন্যাসটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

আনোয়ার পাশা:
- আনোয়ার পাশা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।

- আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস:
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)

- তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- 'নদী নিঃশেষিত হলে',
- 'সমুদ্র শৃঙ্খলাতা উজ্জয়িনী' ও
- 'অন্যান্য কবিতা'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
আবু জাফর শামসুদ্দীন এর ত্রয়ী উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  2. পদ্মা মেঘনা যমুনা
  3. সংকর সংকীর্তন
  4. পরিত্যক্ত স্বামী
ব্যাখ্যা
আবু জাফর শামসুদ্দীন:
- আবু জাফর শামসুদ্দীন একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
- ১৯১১ সালের ১২ মার্চ ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে তাঁর জন্ম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো:
• উপন্যাস:
- দেয়াল,
- পরিত্যক্ত স্বামী।

- আবু জাফর শামসুদ্দীন এর ত্রয়ী উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান,
- পদ্মা মেঘনা যমুনা এবং
- সংকর সংকীর্তন।

• গল্পগ্রন্থ:
- জীবন,
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা,
- ল্যাংড়ী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করেন -
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
-  ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
বিহারীলাল চক্রবর্তী
- বিহারীলাল চক্রবর্তী রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত তিনি।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম কবি।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
-বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা - বঙ্গসুন্দরী।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদামঙ্গল।

- বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'হাওয়া বদল' গল্পটি কার লেখা?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু
- বুদ্ধদেব বসু একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- রবীন্দ্রনাথের মত তিনিও সব্যাসাচী লেখক।

- "প্রগতি" ও "কবিতা" নামে তিনি দুটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- বুদ্ধদেব বসুর রচিত "হঠাৎ আলোর ঝলকানি” একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।

- বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প -
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

- উপন্যাস -
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন বাংলা সাহিত্যিকের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী একই দিনে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 
- বেগম রোকেয়া বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং প্রথম বাঙালি নারীবাদী। 
- ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

- ১৯০২-এ ‘পিপাসা’ নামে একটি বাংলা গল্পের মধ্য দিয়ে তিনি সাহিত্যজগতে পা রাখেন।
- রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে
- ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ),
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা),
- ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস),
- ‘অবরোধবাসিনী’ (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ) প্রভৃতি।
- তার লেখাগুলো নবনূর, সওগাত, মোহাম্মদী ইত্যাদি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

- ১৯০৯ সালের ১ অক্টোবর স্বামীর প্রদত্ত অর্থে পাঁচটি ছাত্রী নিয়ে তিনি ভাগলপুরে ‘সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস’ স্কুল স্থাপন করেন।
- ১৯১৬ সালে তিনি মুসলিম বাঙালি নারীদের সংগঠন 'আনজুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম' প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ১.ড. সৌমিত্র শেখর রচিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. দৈনিক প্রথম আলো।
.
বাংলা ভাষায় গজল রচনার পথিকৃৎ কে?
  1. মনিরউদ্দিন ইউসুফ
  2. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
অতুলপ্রসাদ সেন
- ১৮৭১ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকায় তাঁর জন্ম। 
- বাংলা সঙ্গীতে অতুলপ্রসাদই প্রথম ঠুংরির চাল সংযোজন করেন।
- ‘মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা’ গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- লক্ষ্ণৌতে বসবাসকালে তিনি ১৯৩৪ সালের ২৬ আগস্ট  মৃত্যুবরণ করেন।

- বাংলা ভাষায় গজল রচনার পথিকৃৎ  অতুলপ্রসাদ সেন।
- তিনিই প্রথম বাংলায় গজল রচনা করেন। 
- উত্তর ভারতের লক্ষ্ণৌ শহরে থাকার কারণে তিনি এ ধারার সঙ্গে পরিচিত হন এবং বাংলা গজলের বুনিয়াদ রচনা করেন।
- তাঁর পরে কাজী নজরুল ইসলামের হাতে বাংলা গজল বিশিষ্ট রূপ লাভ করে।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
.
'মেঘ বলে চৈত্রে যাবো' আহসান হাবীবের একটি -
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. শিশুতোষ গ্রন্থ
  4. ছোট গল্প
ব্যাখ্যা
আহসান হাবীব 
- ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মধ্যবিত্তের সংকট ও জীবনযন্ত্রণা আহসান হাবীবের কবিতার মুখ্য বিষয়। 
- সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১), বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬১), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪), একুশে পদক (১৯৭৮) লাভ করেন।
- ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, ইতাদি।

- তাঁর দুটি বিশিষ্ট  উপন্যাস হলো - অরণ্য নীলিমা  ও রাণীখালের সাঁকো।

- এ ছাড়া তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ,
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১০.
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তার প্রকৃত নাম কী?
  1. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  2. মীর আবদুস শুকুর
  3. আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  4. কাজী আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
আল মাহমুদ
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা বিভাগের জুনিয়র স্টাফ অফিসার পদে যোগ দেন। ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। 
- তিনি ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। 
- এটি আল মাহমুদ রচিত সনেট, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

কাব্যগ্রন্থ
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস ,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে, 
- অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
- একুশে পদক (১৯৮৬),
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)।

উৎস - ১.ডেইলি স্টার বাংলা,
২.বাংলাপিডিয়া।
১১.
কোন বাঙালি সাহিত্যিক স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় নিযুক্ত ছিলেন?
  1. আহসান হাবীব
  2. আবু ইসহাক
  3. আল মাহমুদ
  4. আবু জাফর ওবায়েদউল্লাহ
ব্যাখ্যা
আবু ইসহাক
- তিনি ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, অভিধান- প্রণেতা।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের 'অভিশাপ' নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে তিনি পুলিশ বিভাগে সহকারি পরিদর্শক হন। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকায় এসে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার উপ-পরিচালক হন।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান হয়ে ১৯৮৪ সালে অবসার গ্রহণ করেন।

- তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খন্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করেছেন, যা বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেছে।
- তাঁর রচিত একমাত্র নাটক জয়ধ্বনি। 
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

- সূর্য দীঘল বাড়ী তাঁর প্রথম উপন্যাস। 
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন।

♦ তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল (গোয়েন্দাভিত্তিক)।

♦ তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

♦ সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাক
- 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' (১৯৬৩),
- 'একুশে পদক' (১৯৯৭),
- 'স্বাধীনতা পদক' (মনণোত্তর, ২০০৪) লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' এর রচয়িতা কে?
  1. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ইমদাদুল হক
  4. আহামেদ ছফা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
- বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। 
- ১৪ মে ২০২০ এ তিনি মৃত্যুবরন করেন।

- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য তিনি, 
- 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' (১৯৭০),
- 'একুশে পদক' (১৯৮৫),
- 'স্বাধীনতা পদক' (২০১৫) লাভ করেন।

- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পান।
- এছাড়াও ২০১৪ সালে ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করেন।

 - তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে,
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি,
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে,
- কাল নিরবধি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাসটির রচয়িতা -
  1. আব্দুল কাদির
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. আহমদ ছফা
  4. বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
আহমদ ছফা
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- জন্ম - ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা 'স্বদেশ' প্রকাশিত হয়েছিল। 

আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- অলাতচক্র ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

আহমদ ছফার শিশুতোষ রচনা:
- দোলো আমার কনকচাঁপা,
- গো হাকিম ইত্যাদি।

কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর।