পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ দর্শন [২১১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ দর্শন [২১১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
Exam - 09 Topics: Modern Philosophic Trends in Bangladesh: Materialism, Idealism, Humanism and Mysticism. [Source: Class - 06 and Relevant Books]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ দর্শন [২১১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ দর্শন [২১১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
“বাংলাদেশ দৰ্শন মোক্ষ বা মুক্তি লাভকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।”- কে বলেছেন? 
  1. আব্দুল মতীন
  2. দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
  3. মফিজউদ্দিন আহমেদ
  4. আবুল কাসেম
সঠিক উত্তর:
মফিজউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মফিজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- ড. মফিজউদ্দিন আহমেদ একজন বাংলাদেশী বাস্তববাদী চিন্তাধারার দার্শনিক। 
বাংলাদেশ তথা বাঙালির দর্শনের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন,
“বাংলাদেশ দৰ্শন মোক্ষ বা মুক্তি লাভকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।”

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়।

.
নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. বাঙালির দর্শন সমন্বয়ধর্মী
  2. বাঙালির দর্শনে ধর্মীয় প্রভাব নেই
  3. বাঙালির দর্শন মানবতাবাদী
  4. বাঙালির দর্শনে মরমীবাদের প্রভাব রয়েছে
সঠিক উত্তর:
বাঙালির দর্শনে ধর্মীয় প্রভাব নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালির দর্শনে ধর্মীয় প্রভাব নেই
ব্যাখ্যা

(খ) বক্তব্যটি সঠিক নয়। 
কারণ বাঙালির দর্শনকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না। ধর্ম ও দর্শন উভয়ই মানুষের হৃদয়জাত। তাই এ দেশের দর্শন চিন্তায় ধর্মতত্ত্ব আবেগ ও ভক্তির আধিক্য আছে।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

.
Who is the author of the book, "New Humanism"? 
  1. M.N Roy
  2. G.C Dev
  3. Rabindranath Tagore 
  4. Vivekananda 
সঠিক উত্তর:
M.N Roy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
M.N Roy
ব্যাখ্যা

নব্য মানবতাবাদের প্রবর্তক এম.এন রায় তথা মানবেন্দ্র নাথ রায় , তিনি New Humanism ও Beyond Marxism  নামক গ্রন্থ লেখেন। এই গ্রন্থগুলোতে তার নতুন ধারার মানবতাবাদী দর্শনের পরিচয় মেলে।

Source: Stanford encyclopedia of philosophy 

.
ভারতীয় উপমহাদেশে কোন উপযোগবাদী দার্শনিকের আগমন ঘটে?
  1. জেমস মিল
  2. জন স্টূয়ার্ট মিল
  3. (ক) ও (খ) উভয়ই 
  4. বেন্থাম
সঠিক উত্তর:
(ক) ও (খ) উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(ক) ও (খ) উভয়ই 
ব্যাখ্যা

উনিশ শতকে ব্রিটিশ উপযোগবাদী জেমস্ মিল ও জন স্টুয়ার্ট মিলের ভারত আগমনে এদেশে উপযোগবাদী চিন্তার প্রসার ঘটে। উপযোগবাদী চিন্তার দ্বারা যেসব চিন্তাবিদ প্রভাবিত ছিলেন তন্মধ্যে রাজা রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, অক্ষয়কুমার দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কেশবচন্দ্র সেন, বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী প্রমুখ অন্যতম।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

.
মুসলিম সাহিত্য সমাজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯২৭
  2. ১৯২৫
  3. ১৯২৮
  4. ১৯২৬
সঠিক উত্তর:
১৯২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তবুদ্ধির চিন্তায় সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে মুসলিম সাহিত্য সমাজ। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকায় মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হয়। সাহিত্য সমাজের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল বিচার বুদ্ধিকে অন্ধ, কুসংস্কার ও অন্ধ আনুগত্য থেকে মুক্তি দান করা।" এজন্য এ আন্দোলন "বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন” নামে পরিচিত।

Source: বাংলাপিডিয়া 

.
ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. ডিরোজিও। 
  4. রামতনু লাহিড়ী 
সঠিক উত্তর:
ডিরোজিও। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিরোজিও। 
ব্যাখ্যা

ইয়ং বেঙ্গল  হিন্দু কলেজের ছাত্রদেরকে সমসাময়িক কলকাতা সমাজ কর্তৃক প্রদত্ত সামাজিক বুদ্ধিবাদী একটি অভিধা বিশেষ। এঁরা সবাই হিন্দু কলেজ-এর মুক্তবুদ্ধি যুক্তিবাদী শিক্ষক হেনরী লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও-র অনুসারী ছিলেন। ডিরোজিও তাঁর ছাত্রদেরকে জীবন ও সমাজ-প্রক্রিয়ার প্রতি যুক্তিসিদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করার শিক্ষা দিয়েছিলেন। এঁদের মধ্যে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, রামগোপাল ঘোষ, মাধবচন্দ্র মল্লিক, রামতনু লাহিড়ী অন্যতম

Source: বাংলাপিডিয়া 

.
নিচের কোনটি মরমী ধারার দর্শন? 
  1. বাউলবাদ
  2. বৈষ্ণববাদ
  3. সূফীবাদ
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

সহজিয়া, মরজিয়া দৰ্শন, বাউল দর্শন, বৈষ্ণব দর্শন, ভক্তিবাদ, সুফিবাদ ইত্যাদি সবই বাঙালির দর্শন। অধ্যাত্ম চেতনা বাঙালির দর্শনের মূল লক্ষ্য। এই মতবাদগুলোর প্রতিটিই মরমী ধারার।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

.
বাংলার সূফী ধারার মতকে "নব্য সুফীবাদ " হিসেবে অভিহিত করেন কে? 
  1. ড. আব্দুল মতীন
  2. ড. এনামুল হক
  3. ড. মফিজউদ্দিন আহমেদ 
  4. আরজ আলী মাতুব্বর 
সঠিক উত্তর:
ড. এনামুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. এনামুল হক
ব্যাখ্যা

পারস্য, সমরখন্দ, বোখরা, উত্তর ভারত থেকে সুফীরা দলে দলে বাংলায় আগমন করেন। সুফী চিন্তাধারার সাথে বাঙালির দেশজ, তন্ত্র, যোগ, দেহ-সাধনার সমন্বয় ঘটে। দেশি চিন্তার প্রভাবে বাংলার সুফী চিন্তা এক নব্য রূপ লাভ করে। ড. এনামুল হক সাহের এই মতবাদকে “নব্য সুফীবাদ” বলে অভিহিত করেছেন।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

.
আরজ আলী মাতুব্বর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? 
  1. কুমিল্লা
  2. সুনামগঞ্জ 
  3. বরিশাল
  4. রংপুর 
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

আরজ আলী মাতুব্বর  (১৯০০-১৯৮৫) বরিশাল জেলার লামচরি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের মক্তবে মাত্র কয়েক মাস লেখাপড়া করার পর তিনি নিজের চেষ্টায় নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। পৈতৃক পেশা কৃষিকাজ দিয়েই তাঁর কর্মজীবনের শুরু। কৃষিকাজের অবসরে জমি জরিপের কাজ করে তিনি আমিনি পেশার সূক্ষ্ম গাণিতিক ও জ্যামিতিক নিয়ম সম্পর্কে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেন।

Source : বাংলাপিডিয়া 

১০.
বাংলাদেশ দর্শন সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন কে?
  1. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  2. দেওয়ান আজরফ
  3. ড. মফিজউদ্দিন আহমেদ 
  4. জিসি দেব
সঠিক উত্তর:
দেওয়ান আজরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ান আজরফ
ব্যাখ্যা

দেওয়ান আজরফ ছিলেন ভাষা আন্দোলনের একজন দৃঢ় সমর্থক।তিনি ১৯৪৯ সালে তমদ্দুন মজলিসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং আজীবন ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ দর্শন সমিতির সভাপতি ছিলেন।

Source: বাংলাপিডিয়া 

১১.
আরজ আলী মাতুব্বর রচিত "সত্যের সন্ধান" গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়? 
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা

আরজ আলী মাতুব্বর  দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস নিয়ে সকল অন্ধতা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তাঁর বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি একাধিক গ্রন্থে প্রকাশ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি: সত্যের সন্ধান (১৯৭৩), সৃষ্টিরহস্য (১৯৭৭), অনুমান (১৯৮৩), মুক্তমন (১৯৮৮) ইত্যাদি। তাঁর বেশ কিছু অপ্রকাশিত  পান্ডুলিপি সম্প্রতি আরজ আলী মাতুববর রচনাবলি নামে প্রকাশিত হয়েছে।

১২.
"The Creed of Islam"  গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. সৈয়দ আমীর আলি
  2. আবুল হাশিম
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. আরজ আলী মাতুব্বর 
সঠিক উত্তর:
আবুল হাশিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাশিম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমকালীন চিন্তাবিদদের মধ্যে আবুল হাশিম (১৯০৫- ১৯৭৪) একজন। তার দার্শনিক চিন্তাধারার মূল উৎস ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম দর্শন।  ইংরেজি ভাষায় রচিত "The Creed of Islam " তার অন্যতম গ্রন্থ।

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম 

১৩.
"Mohammedan Literary Society of  Calcutta" ( মুসলিম সাহিত্য সমিতি) কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. নওয়াব আব্দুল লতিফ 
  3. সৈয়দ আহমেদ খান
  4. আবুল কাসেম
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আব্দুল লতিফ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আব্দুল লতিফ 
ব্যাখ্যা

বাংলার মুসলিমদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে মুসলিমদের প্রভাব বিস্তার এবং পুনর্জাগরণের লক্ষ্যে ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে কলকাতায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমিতি’ (Mohammedan Literary Society of  Calcutta) গঠন ছিল আবদুল লতিফের জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা। তিনি মুসলিমদের মধ্যে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ও সমকালীন চিন্তা ধারার অনুকূলে জনমত এবং শিক্ষিত মুসলিম, হিন্দু ও ইংরেজদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতির মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ সমিতি গঠন করেন।

Source: বাংলাপিডিয়া

১৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মরণোত্তর একুশে পদকে প্রাপ্ত হন কে?
  1. আরজ আলী মাতুব্বর 
  2. দেওয়ান আজরফ 
  3. জিসি দেব
  4. আবুল হাশিম 
সঠিক উত্তর:
জিসি দেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিসি দেব
ব্যাখ্যা

দর্শনে বিশিষ্ট অবদানের জন্য ১৯৬৭ সালে জিসি দেবকে সম্মানসূচক ‘দর্শন সাগর’ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে গোবিন্দদেব দর্শন গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৬ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘একুশে পদক’ প্রদান করে।

Source: বাংলাপিডিয়া 

১৫.
শ্রীচৈতন্যর ভাবনাকে কেন্দ্র করে কোন দর্শন গড়ে উঠে?
  1. সহজিয়া
  2. বাউল
  3. বৈদিক
  4. বৈষ্ণব 
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব 
ব্যাখ্যা

বৈষ্ণববাদ  ভগবান বিষ্ণু বা কৃষ্ণকে ভক্তির মাধ্যমে ভজনা করা বৈষ্ণববাদ বা বৈষ্ণব ধর্মীয় মতবাদের মূল ভিত্তি। বাংলাভাষী অঞ্চলে বৈষ্ণব ধর্ম গৌড়ীয় ধর্ম-দর্শনের প্রায় সমার্থক, যা প্রধানত কৃষ্ণের আদি রসাত্মক লীলায় ভরপুর। এই ধর্ম-দর্শনের প্রেরণা ও প্রতিষ্ঠাতা হলেন কৃষ্ণচৈতন্য (১৪৮৬-১৫৩৩), যাঁর ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে, তিনি হলেন স্বয়ং ভগবান পরমেশ্বর কৃষ্ণের প্রতিমূর্তি এবং যিনি চির মিলনে ও বিরহে রাধাকৃষ্ণের যুগলসত্তাস্বরূপ। চৈতন্য ও কৃষ্ণ এতটাই একীভূত যে, একজনকে পূজা করা মানে অন্য জনকেও পূজা করা।

Source: বাংলাপিডিয়া 

১৬.
বাংলাদেশে মার্ক্সবাদী দর্শন চর্চার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি কে?
  1. জিসি দেব
  2. আরজ আলী মাতুব্বর 
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. বদরুদ্দীন ওমর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন ওমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন ওমর
ব্যাখ্যা

ভারত বিভাগের পর পূর্ব বাংলায় মার্কসবাদী চিন্তার প্রসার বাধাগ্রস্ত হয়। এই সময় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা আত্মগোপন করে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মার্কসবাদ প্রসার লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ মাকর্সবাদী দর্শন দ্বারা প্রভাবিত। বাংলাদেশে মার্ক্সবাদী দর্শন চর্চার ক্ষেত্রে বদরুদ্দীন ওমর, রনেশ দাসগুপ্ত, সন্তোষ গুপ্ত, সত্যেন সেন, অজয় রায় প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

১৭.
বাঙালির দর্শনের প্রত্যক্ষবাদী চিন্তাধারায় কার প্রভাব লক্ষণীয়?
  1. ভিটগেনস্টাইন 
  2. এ জে এয়ার 
  3. অগাস্ট কোত
  4. মরিজ শ্লিক 
সঠিক উত্তর:
অগাস্ট কোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগাস্ট কোত
ব্যাখ্যা

উনিশ শতকে বাঙালি চিন্তাবিদদের ওপর অগাস্ট কোঁতের (১৭৯৮-১৮৫৭) প্রত্যক্ষবাদের প্রভাব অপরিসীম। স্যামুয়েল লব, জেমস্ গেডেস, হেনরী কটনের মাধ্যমে এদেশে কোঁতের মতবাদের প্রবেশ ঘটে। কোঁতের প্রত্যক্ষবাদ দ্বারা যারা প্রভাবিত হন তাঁদের মধ্যে যোগেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ, দ্বারকানাথ মিত্র, কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য।এঁরা কলকাতায় "পজিটিভিস্ট ক্লাব” গঠন করেন। কোঁতের প্রত্যক্ষবাদী চিন্তার দ্বারা উনিশ শতকের বেশ কয়েকজন সাহিত্যিক প্রভাবিত হয়েছিলেন। এঁদের মধ্যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ভূদেব মুখার্জী, সতীশ চন্দ্ৰ মুখার্জী অন্যতম। বঙ্কিম চন্দ্র বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রত্যক্ষবাদের ওপর বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ লেখেন।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

১৮.
গোবিন্দচন্দ্র দেবকে কোন ধারার দার্শনিক বলা যায়?
  1. বাস্তবাবাদী
  2. অধ্যাত্ম ভাববাদী
  3. সমন্বয়ী ভাববাদী 
  4. জড়বাদী
সঠিক উত্তর:
সমন্বয়ী ভাববাদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন্বয়ী ভাববাদী 
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের দার্শনিক ড. গোবিন্দচন্দ্র দেবের দর্শন সমন্বয়ধর্মী। এটি তাঁর দর্শনের একটি লক্ষণীয় দিক। তাত্ত্বিক দিক থেকে তিনি সমন্বয় ঘটিয়েছেন অভিজ্ঞতাবাদ, যুক্তিবাদ ও স্বজ্ঞাবাদের জড়বাদ ও ভাববাদের-সসীম আত্মার অস্তিত্ব ও অসীম পরমাত্মার ধর্ম, কবিতা, বিজ্ঞান ও দর্শনের। তেমনি জীবন-দর্শনেও সমন্বয় ঘটিয়েছেন। সাধারণ মানুষের জৈবিক ও আধ্যাত্মিক প্রয়োজনের ইহলৌকিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মোক্ষানুসন্ধানের। তিনি এর নাম দিয়েছেন “মধ্যপথ” দর্শন। তিনি মূলত ভাববাদী ধারার দার্শনিক, তার ভাববাদকে সমন্বয়ী ভাববাদ হিসেবে অভিহিত করা হয়। 

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম 

১৯.
"গাহি সাম্যের গান, মানুষের চেয়ে কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান" - নজরুলের এই লেখনীতে কোন ধারার দার্শনিক চিন্তার প্রতিফলন ঘটে? 
  1. ভাববাদী 
  2. মানবতাবাদী
  3. জড়বাদী
  4. মরমীবাদী
সঠিক উত্তর:
মানবতাবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবতাবাদী
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলাম একজন মানবতাবাদী কবি যিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ, শোষণ ও অনাচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এবং সকল মানুষের সমান অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাণী প্রচার করেছেন। তিনি 'সাম্যবাদী' কবিতায় সাম্যবাদের কথা বলেন এবং তাঁর 'বিদ্রোহী' কবিতায় মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার ও সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুলে ধরেন। উপর্যুক্ত চরণ দুটি তার "মানুষ" কবিতার অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতাতেও তিনি মানুষের জয়গান তুলে ধরেন। 

Source: বাংলাপিডিয়া 

২০.
রবীন্দ্রনাথ কর্তৃক লালন শাহের ২০ টি গান কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. ভারতী
  2. পরিচয়
  3. বঙ্গদর্শন
  4. প্রবাসী
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী
ব্যাখ্যা

বাউলবাদ তথা বাউলদর্শনের ব্যাপক পরিচিতির মূলে যাদের অবদান সর্বাধিক তাদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ও ক্ষিতিমোহন সেন অন্যতম।  ১৩২২ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ প্রবাসী পত্রিকায় (১৭৭৪-১৮৯০) ২০ টি গান প্রকাশ করেন। এর ফলে বাঙালি শিক্ষিত সমাজে বাউল গান জনপ্রিয়তা পায়।

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম

২১.
হাসন রাজার জন্মস্থান কোথায়?
  1. বরিশাল
  2. সুনামগঞ্জ 
  3. ফরিদপুর
  4. নোয়াখালী 
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

অহিদুর রেজা বা দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী (ছদ্মনাম)(১৮৫৪ - ৬ ডিসেম্বর ১৯২২) ছিলেন বাংলাদেশের একজন মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী। তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রাজা। মরমী সাধনা বাংলাদেশে দর্শনচেতনার সাথে সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে, যার সূচনা লালন শাহ করেছিলেন।

Source: শিক্ষক বাতায়ন 

২২.
বাউলদের মতে সব তত্ত্ব ও সত্যের ভিত্তি কী ?
  1. মানবদেহ
  2. আত্মা
  3. ইচ্ছাশক্তি
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
মানবদেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবদেহ
ব্যাখ্যা

বাউলদের মতে সব তত্ত্ব ও সত্যের ভিত্তি মানবদেহ। দেহই সকল জ্ঞান ও কর্মের উৎস। নিজের মধ্যেই পরমসত্তার অবস্থান। তাই পরমসত্তাকে জানতে হলে আগে নিজেকে জানতে হবে। বাউল মতে প্রেমই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয়,শ্রেষ্ঠ সম্পদ।।

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম 

২৩.
আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. সৈয়দ আমীর আলী 
  2. আহসান হাবীব
  3. খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ
  4. আবুল হাশিম 
সঠিক উত্তর:
খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ
ব্যাখ্যা

আহ্ছানউল্লা, খানবাহাদুর (১৮৭৩-১৯৬৫)  শিক্ষাবিদ, শিক্ষাসংস্কারক, সাহিত্যিক, ধর্মবেত্তা, সুফি, সমাজসেবক। ১৮৭৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনিই আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা।

Source:  বাংলাপিডিয়া

২৪.
"মানুষের ধর্ম" গ্রন্থটির রচয়িতা কে? 
  1. দেওয়ান আজরফ 
  2. আবুল হাশিম
  3. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  4. আরজ আলী মাতুব্বর 
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাহিত্য ও দর্শনের ভুবনে মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ(১৮৯৮-১৯৭৪) বিশেষ স্থানের অধিকারী। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার দার্শনিক গ্রন্থ "মানুষের ধর্ম" ১৯৩৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় মোসলেম ভারত ও সওগাত পত্রিকায়। "পারস্য প্রতিভা " তার আরেকটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ।

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম 

২৫.
গোবিন্দচন্দ্র দেব কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১৯৬১
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭২
  4. ১৯৮১
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা

গোবিন্দচন্দ্র দেবকে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনে  নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের গণকবরে তাঁর মরদেহ সমাহিত করা হয়।

Source: বাংলাপিডিয়া 

২৬.
কোন বাংলাদেশী দার্শনিক তার দর্শনের নাম দিয়েছে, "কল্যাণদর্শন"?
  1. সাইদুর রহমান 
  2. জিসি দেব
  3. দেওয়ান আজরফ 
  4. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী
সঠিক উত্তর:
সাইদুর রহমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইদুর রহমান 
ব্যাখ্যা

জীবনবাদী ও মানবতাবাদী দর্শনের একজন প্রচারক অধ্যাপক সাইদুর রহমান (১৯০৯-১৯৮৭)। তার মতে যথার্থ দর্শনের জন্য প্রয়োজন ককল্যাণচিন্তা, বিশ্বমানবতার ব্যাপক কল্যাণসাধনের মানসিকতা। দর্শন বলতে সাইদুর রহমান বুঝেছেন এই কল্যাণ ধর্মকেই,তাই তিনি তার দর্শনের নাম দিয়েছে কল্যাণদর্শন।

Source: বাঙালির দর্শন - ড. আমিনুল ইসলাম 

২৭.
লালন শাহের জন্মস্থান কোনটি?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. খুলনা
  3. ঝিনাইদহ 
  4. সাতক্ষীরা 
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
ব্যাখ্যা

লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০)  বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক। ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন। এ তথ্যটি পাওয়া যায় তাঁর মৃত্যুর দুসপ্তাহ পরে হিতকরী (১৮৯০) পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ-নিবন্ধে।

Source: বাংলাপিডিয়া 

২৮.
আরজ আলী মাতুব্বরের কোন গ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. মুক্তমন
  2. স্মরণিকা
  3. অনুমান
  4. সত্যের সন্ধান
সঠিক উত্তর:
মুক্তমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তমন
ব্যাখ্যা

স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর এর জীবদ্দশায় প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো: সত্যের সন্ধান, সৃষ্টি রহস্য,  অনুমান ও স্মরণিকা। তার মৃত্যুর কিছুকাল পরে প্রকাশিত হয় "মুক্তমন"।

Source: বাংলা একাডেমি 

২৯.
বাংলাদেশের কোন ক্ষেত্রে আধুনিক বস্তুবাদের প্রভাব সর্বাধিক? 
  1. অর্থনীতিতে
  2. শ্রমিক আন্দোলন
  3. সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে
  4. (খ) ও (গ) উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
(খ) ও (গ) উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(খ) ও (গ) উভয়ই 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শ্রমিক সমাজে ও সামাজিক আন্দোলন তথা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ধারায় আধুনিক বস্তুবাদী চেতনা,  মার্কসবাদী দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী চেতনার প্রভাব বেশ লক্ষনীয়। রাজনীতিতেও এর সামান্য প্রভাব বিদ্যমান।

source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

৩০.
"পজিটিভিস্ট ক্লাব" কোথায় গঠিত হয়?
  1. ঢাকায়
  2. কলকাতায়
  3. বারাসাতে
  4. শিলাইদহে
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
ব্যাখ্যা

উনিশ শতকে বাঙালি চিন্তাবিদদের ওপর অগাস্ট কোঁতের (১৭৯৮-১৮৫৭) প্রত্যক্ষবাদের প্রভাব অপরিসীম। স্যামুয়েল লব, জেমস্ গেডেস, হেনরী কটনের মাধ্যমে এদেশে কোঁতের মতবাদের প্রবেশ ঘটে। কোঁতের প্রত্যক্ষবাদ দ্বারা যারা প্রভাবিত হন তাঁদের মধ্যে যোগেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ, দ্বারকানাথ মিত্র, কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য।এঁরা কলকাতায় "পজিটিভিস্ট ক্লাব” গঠন করেন।

source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

৩১.
বাঙালির দর্শনে সেকুলার মানবাতাবাদী ধারার দর্শনের উৎস কোনটি?
  1. নব্য সুফীবাদ
  2. বৈষ্ণববাদ
  3. লোকায়ত দর্শন 
  4. মরমীবাদ
সঠিক উত্তর:
লোকায়ত দর্শন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকায়ত দর্শন 
ব্যাখ্যা

প্রাক-ঐতিহাসিককাল থেকেই বাংলায় দুই ধরনের মানবতাবাদী চিন্তা বিদ্যমান ছিল-সেক্যুলার (ইহজাগতিক) মানবতাবাদ এবং নব-সেক্যুলার (পারলৌকিক) মানবতাবাদ। সেকুলার মানবতাবাদের উৎস হলো জড়বাদী বা লোকায়ত দর্শন। আর নন-সেকুলার মানবতাবাদের উৎস হলো বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদ।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

৩২.
নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল মানবতাবাদী দার্শনিক
  2. বাঙালির দর্শন সমন্বয়ধর্মী
  3. বাউলবাদ মরমী ধারার দর্শন 
  4. বাঙালির দর্শনে বেদ বিরোধী চিন্তা অনুপস্থিত 
সঠিক উত্তর:
বাঙালির দর্শনে বেদ বিরোধী চিন্তা অনুপস্থিত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালির দর্শনে বেদ বিরোধী চিন্তা অনুপস্থিত 
ব্যাখ্যা

(ঘ) বক্তব্যটি সঠিক নয়। বেদ বিরোধী চিন্তাধারা বলতে চার্বাক, জৈন ও বৌদ্ধ দর্শনকে বোঝায়। এ তিনটি সম্প্রদায় বেদের প্রামাণ্যকে অস্বীকার করে নিজস্ব দর্শন রচনা করে যা বাংলাদেশ দর্শনের বস্তুবাদী ও নাস্তিক্যবাদী চিন্তাধারার সাথে সম্পর্কিত। বাঙালি দর্শনের উৎস হিসেবে এ তিনটি ধারা বাংলাদেশ দর্শনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়

৩৩.
নিচের কোন রাজনৈতিক দল মার্কসবাদী চিন্তার দ্বারা প্রভাবিত? 
  1. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
  2. বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি 
  3. জাতীয় নাগরিক দল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসীয় কমিউনিস্ট মতবাদ ভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দল। এটি নিখিল ভারত কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকারী সংগঠন। প্রথমে দলটি গঠিত হয় বিদেশের মাটিতে। ১৯২০ সালের ১৭ই অক্টোবরে তদানীন্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের তাশখন্দে। প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন ভারতীয় বিপ্লবী এম এন রায়।

 Source: বাংলাপিডিয়া 

৩৪.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক সংগঠন "তমদ্দুন মজলিসের" সভাপতি ছিলেন কে?
  1. দেওয়ান আজরফ
  2. খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ
  3. জিসি দেব
  4. আবুল হাশিম
সঠিক উত্তর:
দেওয়ান আজরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ান আজরফ
ব্যাখ্যা

দেওয়ান আজরফ একজন  শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, লেখক, জাতীয় অধ্যপক। ১৯০৮ সালের ১ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলায় তাঁর জন্ম।মোহাম্মদ আজরফ ছিলেন ভাষা আন্দোলনের একজন দৃঢ় সমর্থক।তিনি ১৯৪৯ সালে তমদ্দুন মজলিসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং আজীবন ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন।

Source: বাংলাপিডিয়া 

৩৫.
জিসি দেবের কোন গ্রন্থটি তার মরণোত্তর প্রকাশিত হয়?
  1. Idealism and Progress 
  2. তত্ত্ববিদ্যাসার
  3. The Parables of the east 
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
The Parables of the east 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Parables of the east 
ব্যাখ্যা

 দেবের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট নয়টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২)(Idealism and Progress), আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ এ্যাপলিকেশন (১৯৫৮)(Idealism: A new defense and new application), আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭), এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩)(Aspiration of the common man), দি ফিলোসফি অব বিবেকানন্দ অ্যান্ড দি ফিউচার অব ম্যান (১৯৬৩), তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬), বুদ্ধ: দি হিউম্যানিস্ট (১৯৬৯)(Buddha: The humanist)। গ্রন্থগুলো তাঁর জীবিতকালেই প্রকাশিত হয়। দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট (১৯৮৪)(parables of the east) এবং মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স (১৯৯৩)(My American experience)  নামক গ্রন্থদুটি তাঁর মরণোত্তর প্রকাশনা। 

Source: বাংলাপিডিয়া 

৩৬.
বাংলায় লোকায়ত দর্শনের উদ্ভব কোন সময়ে ঘটে?
  1. আধুনিক যুগে
  2. মধ্যযুগে
  3. প্রাচীন যুগে
  4. সমসাময়িক সময়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন যুগে
ব্যাখ্যা

প্রাচীনকালে বাংলায় লোকায়ত দর্শনের উদ্ভব ঘটে। লোকায়িতরা ছিল প্রাচীন বাংলার দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক আলোচনার দিশারী।" রিস ডেভিডস্ বলেন, প্রাচীনকালের লোকায়িতরাই নিসর্গ ও নৈসর্গিক নিয়মের সন্ধানে আত্মনিয়োগ করেছিলেন এবং এই অর্থে তাঁরাই ছিলেন দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার পথিকৃত।

Source: বাঙালির দর্শন - রামদুলাল রায়