পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১০২
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 7” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১০২ প্রশ্ন

.
Choose the verb form of 'Eternity'.
  1. Eternelize
  2. Eternet
  3. Eternal
  4. Eternize
সঠিক উত্তর:
Eternize
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Eternize
ব্যাখ্যা
• Eternity: [noun]
English meaning: time that never ends or that has no limits.
Bangla meaning: অনন্তকাল; পরকাল।

Example: Religions gain some of their worldly power by claiming they have the key to eternity.

Options,

ক) Eternelize: Wrong word.
- Correct word: Eternalize: [verb]
Meaning: to make eternal.

খ) Eternet: Wrong word.

গ) Eternal: [adjective]
English meaning: lasting forever or for a very long time.
Bangla meaning: (১) চিরন্তন; আদি-অন্তহীন: the Eternal God. (২) (কথ্য) অবিরাম।

Example: The company is engaged in the eternal search for a product that will lead the market.

ঘ) Eternize: [verb]
English meaning: to make eternal.
Bangla meaning: চিরস্থায়ী করা; অমর করা; অমর করে রাখা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, 'Eternity' এর verb form হলো - Eternize.

Source: Merriam-Webster & Cambridge Dictionary.
.
Choose the incorrect sentence.
  1. The company's sole concern is to ensure the safety of its employees.
  2. Would you like some peaches and cream for dessert?
  3. Iraq's principal export is oil.
  4. She complained that her husband never paid her any complements anymore.
সঠিক উত্তর:
She complained that her husband never paid her any complements anymore.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She complained that her husband never paid her any complements anymore.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নে ভুল বাক্যটি হলো: She complained that her husband never paid her any complements anymore.

• প্রশ্নটি করা হয়েছে confusing word এর উপর ভিত্তি করে।ইংরেজীতে কিছু শব্দ আছে যেগুলো দেখতে অথবা উচ্চারণ গত দিক দিয়ে কাছাকাছি থাকলেও এদের মধ্যে রয়েছে অর্থ গত পার্থক্য, এমনই কিছু শব্দের উপর ভিত্তি করে প্রশ্নটি করা হয়েছে।

• She complained that her husband never paid her any complements anymore.
- Complement অর্থ "যা কোনো কিছুকে পূর্ণ করে; প্রয়োজনীয় পূর্ণ সংখ্যা যা পরিমাণ; পূরক"।
- এই বাক্যে 'Complement' এর জায়গায় 'compliment' বসলে বাক্যটি সঠিক হতো, যার অর্থ "প্রশংসাসূচক; শ্রদ্ধাসূচক বা সৌজন্যসূচক কথা"।
- Correct sentence: She complained that her husband never paid her any compliments anymore.

• Complement vs. Compliment
Bangla meaning: "যা কোনো কিছুকে পূর্ণ করে; প্রয়োজনীয় পূর্ণ সংখ্যা যা পরিমাণ; পূরক" vs. "প্রশংসাসূচক; শ্রদ্ধাসূচক বা সৌজন্যসূচক কথা"।

Other options,
ক) The company's sole concern is to ensure the safety of its employees.
- বাক্যটি সঠিক। এর অর্থ "কোম্পানির একমাত্র উদ্বেগ হলো তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।"

• Ensure vs Insure:
Bangla meaning: "নিশ্চিত করা" vs. "বিমা করা"।

খ) Would you like some peaches and cream for dessert?
- বাক্যটি সঠিক। এর অর্থ "আপনি কি ডেজার্টের জন্য পীচ এবং ক্রিম চান?"

• Desert vs. Dessert:
Bangla meaning: "মরু; মরুভূমি" vs. "ভোজের শেষ পদ রূপে পরিবেশিত ফল; মিষ্টান্ন ইত্যাদি; ফলাহার"।

গ) Iraq's principal export is oil.
- বাক্যটি সঠিক। এর অর্থ "ইরাকের প্রধান রপ্তানি হল তেল।"

• Principal vs. Principle:
Bangla meaning: "প্রধান; মুখ্য" vs. "আচরণের মূলনীতি; নীতিনিয়ম"।

Source: Accessible Dictionary.

.
The conference was adjourned _________ the main hall for the final discussion.
  1. on
  2. with
  3. to
  4. in
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• Adjourned to:
English Meaning: to go to another place, usually after something has ended:
Bangla Meaning: কার্যক্রম শেষ করে পৃথক হয়ে যাওয়া; অন্যত্র চলে যাওয়া
Example: After the initial session, the court adjourned to a different date for further proceedings.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- 'কার্যক্রম শেষ করে পৃথক হয়ে যাওয়া; অন্যত্র চলে যাওয়া' অর্থ বোঝাতে Adjourned এর পরে to বসে।
- তাই শূন্যস্থানে to বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হবে।

Complete sentence: The conference was adjourned to the main hall for the final discussion.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Cambridge Dictionary.
.
Choose the correct spelling.
  1. Liaison
  2. Liason
  3. Leaison
  4. Leiaison
সঠিক উত্তর:
Liaison
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Liaison
ব্যাখ্যা
• Liaison:
English meaning: communication between people or groups who work with each other.
Bangla meaning: দুই পক্ষের সংযোগ বা যোগাযোগ।

Example:
- He blamed the lack of liaison between the various government departments.
- The police have appointed a liaison officer to work with the local community.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
.
She stretched her arm to reach ________ the top shelf.
  1. at
  2. to
  3. in
  4. No preposition
সঠিক উত্তর:
No preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No preposition
ব্যাখ্যা
• কিছু কিছু verb এর পর preposition বসে না।
যেমন: reach, resemble, violate, discuss, resign, sign, investigate, recommend, order, command, enter ইত্যাদি।
Transitive verb এর পর কোন preposition বসে না, সরাসরি object বসে।

• তাই 'She stretched her arm to reach the top shelf.' - এই বাক্যে কোন preposition বসবে না।

Complete sentence: She stretched her arm to reach the top shelf.

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
.
If enough people donated 20% of their salaries to charity and gave up their ________ tastes, poverty could be eliminated.
  1. vacillate
  2. swank
  3. lucid
  4. sybaritic
সঠিক উত্তর:
sybaritic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
sybaritic
ব্যাখ্যা
• Options,

- Vacillate: দ্বিধা করা।
- Swank: সদম্ভ।
- Lucid: স্বচ্ছ, নির্মল।
- Sybaritic: বিলাসী।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে Sybaritic বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হবে।

Complete sentence: If enough people donated 20% of their salaries to charity and gave up their sybaritic tastes, poverty could be eliminated.

Bangla meaning: যদি পর্যাপ্ত মানুষ তাদের বেতনের ২০% দান করে এবং তাদের বিলাসী রুচি ত্যাগ করে, তবে দরিদ্রতা নির্মূল করা সম্ভব হবে।
Source: Live MCQ Lecture.
.
Recent scandals have shaken many people's belief in politicians. The word 'Belief' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা
• Belief: [noun]
English meaning: the feeling of being certain that something exists or is true.
Bangla meaning: বিশ্বাস; আস্থা; প্রত্যয়।

Example: 
- Recent scandals have shaken many people's belief in politicians.
Bangla meaning: সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারিগুলো অনেক মানুষের রাজনীতিবিদদের প্রতি বিশ্বাস নড়বড়ে করে দিয়েছে।

Other form: 
- Believe: [verb]
Meaning: to think that something is true, correct, or real.

- Believable: [adjective]
Meaning: If something is believable, it seems possible, real, or true.

- Believably: [adverb]
Meaning: in a way that seems possible, real, or true.

Source: Cambridge Dictionary.
.
He let his car __________ idle for weeks without using it.
  1. to sit
  2. sit
  3. sitting
  4. sits
সঠিক উত্তর:
sit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
sit
ব্যাখ্যা
• Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
• Infintive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitve এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই,fly verb-টি to-বিহীন infinitive form বসবে।

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - sit.
Complete Sentence: He let his car sit idle for weeks without using it.

Bangla meaning: সে তার গাড়ি ব্যবহার না করে সপ্তাহ ধরে নিষ্ক্রিয় রেখে দিল।

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে sit, তাই নিয়মানুযায়ী অন্য অপশন গুলো ভুল।
.
In the world of ballet, she was one of a __________.
  1. more
  2. type
  3. rare
  4. kind
সঠিক উত্তর:
kind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kind
ব্যাখ্যা
• One of a kind: [idiom]
English meaning: a person or thing that is not like any other person or thing.
Bangla meaning: কোন ব্যক্তি বা জিনিস যা অন্য কোনো ব্যক্তি বা জিনিসের মতো নয়/বিরল।

Example: I don't know how we'll ever replace Mary after she retires. She's really one of a kind.

Complete sentence: In the world of ballet, she was one of a kind.

Bangla meaning: ব্যালে জগতে, তিনি আর অন্য কারো মতো নন।

Source: Cambridge Dictionary.
১০.
Antonym of 'Inherent' -
  1. Laconic
  2. Congenital
  3. Inapt
  4. Innate
সঠিক উত্তর:
Inapt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inapt
ব্যাখ্যা
• Inherent (adjective)
English Meaning: Existing as a natural and permanent quality of something or someone.
Bangla Meaning: Inherent (in) স্বাভাবিক বা স্থায়ী অংশ বা গুণরূপে বিদ্যমান; সহজ; স্বাভাবিক; অন্তঃস্থায়ী; অন্তঃশায়ী; আনুষঙ্গিক: inherent nature, স্বভাব; অন্তঃপ্রকৃতি; an inherent quality, স্বাভাবিক গুণ: an inherent love, সহজাত ভালবাসা; the power inherent in the office of the President.

Synonyms: Innate (স্বভাবজ), Immanent (অন্তর্নিহিত), Congenital (জন্মগত), Built in, (স্বভাজাত) Inborn(জন্মগত)।
Antonyms: Acquired (অর্জিত), Alien (নিজস্ব নহে এমন), Extrinsic (বহি:স্থ), Alien (বেমানান), Inapt(অনুপযুক্ত)। 

Other Forms: Inherently (adverb).

Example Sentence: 
1. I have always been conscious of the inherent dangers to our natural world from our industry.
2. He has an inherent sense of fair play.

Option,
- Laconic (অল্পকথায় প্রকাশিত)।

Source: Live MCQ Lecture.
১১.
Salam will have Soham _________ his homework.
  1. prepare
  2. prepared
  3. prepares
  4. to prepare
সঠিক উত্তর:
prepare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
prepare
ব্যাখ্যা
Complete sentence: Salam will have Soham prepare his homework.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসাবে Have এর structure - 
1. Subject + have (any tense) + object (usually person) + base form of verb + . . . .
Example:
- John had Alex clean the bedroom.
- He always has me do his work.
- Mary will have Alex prepare her homework.

2. Subject + have (any tense) + object (usually thing) + past participle form of verb + . . . .
Example:
- John had his car washed.
- He always has his work done.
- Mira will have her homework prepared.

• Causative verb হিসাবে get এর structure - 
1. Subject + get (any tense) + বস্তুবাচক object +verb এর past participle এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got his car washed.

2. Subject + get (any tense) + ব্যক্তিবাচক object + infinitive (to + v1) এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got Alex to clean the bedroom.

• Causative verb হিসাবে Make এর structure - 
1. Subject + make (any tense) + object (always person) + base form of verb + . . .
Example:
- Robert made me beat that little child.
- He always makes me do his work.
- Mary will make me prepare her homework.
- I made him wash my car.
- He makes me laugh whenever I am down.
১২.
Though she was tired, she continued working late into the night. (compound sentence)
  1. She was tired and continued working late into the night.
  2. She was tired but continued working late into the night.
  3. She was tired so continued working late into the night.
  4. She was tired and then continued working late into the night.
সঠিক উত্তর:
She was tired but continued working late into the night.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She was tired but continued working late into the night.
ব্যাখ্যা
• Though/although যুক্ত complex sentence কে compound sentence এ পরিবর্তন করার নিয়ম:

• Though/although উঠে যায়,
- ১ম clause টি বসে,
- but বসে,
- ২য় clause বসে।

Complex: Though he tried to pray, he could not get rid of the curse.
Compound: He tried to pray but could not get rid of the curse.

Complex: Though she was tired, she continued working late into the night.
Compound: She was tired but continued working late into the night.

Source: Advanced Learners by Chowdhury & Hossain.
১৩.
Sir Thomas More's "Utopia" is known as -
  1. Novel
  2. Poem
  3. Sonnet
  4. Satire
সঠিক উত্তর:
Satire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satire
ব্যাখ্যা
• Sir Thomas More রচিত Utopia কি একটি satire নাকি tragedy তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, এটি মূলত satire হিসেবেই ইংরেজি সাহিত্যে সুপরিচিত।
- Utopia is a work of fiction and socio-political satire by Sir Thomas More. 
- 'Utopia' রচনা করে 'Thomas More' বিখ্যাত হয়ে আছেন। 
- এটি রচনার কাল ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দ। 
- তিনি 'Utopia' লিখেছেন ল্যাটিন ভাষায়। 
- 'Utopia' গ্রিক অর্থ হচ্ছে কোথাও না। অর্থাৎ কোথাও কোনোদিন যা ছিল না।
- এর দ্বারা একটি কাল্পনিক দ্বীপকে বোঝানো হয়।
- বইটির কাহিনি দুইটি ভাগে বিভক্ত।
- Sir Thomas Moore এর এই লেখার উপর ভিত্তি করে পরবর্তী তে সাহিত্যে একটি নতুন genre - Utopian fiction তৈরি হয়েছে।

উৎস: ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস , ড. শীতল ঘোষ, goodreads.com and Live MCQ Lecture.
১৪.
Change the voice: Buy him a car.
  1. Let a car been bought for him.
  2. Let a car be bought by him.
  3. Let a car be bought for him.
  4. Let a car being bought to him.
সঠিক উত্তর:
Let a car be bought for him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let a car be bought for him.
ব্যাখ্যা
• Imperative Sentence- এ Active Voice কে Passive Voice করার নিয়ম:
- passive voice- এ প্রথমে Let দিয়ে বাক্য শুরু হবে।
- active voice- এর object = a car, passive voice- এ Let- এর পর বসবে।
- অতিরিক্ত একটি be verb হিসেবে be বসবে।
- মূল Verb এর Past Participle 'bought' বসবে।
- 'bought'- এর পর Preposition হিসেবে for বসবে।
- 'for' এর পর active voice- এর ব্যক্তিবাচক object = him, passive voice- এ অপরিবর্তিত অবস্থায় বসবে ।

Active Voice: Buy him a car.
Passive Voice: Let a car be bought for him.
১৫.
What is the main conflict in "Romeo and Juliet"?
  1. Betrayal in love
  2. Family feud
  3. Economic struggle
  4. Religious differences
সঠিক উত্তর:
Family feud
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Family feud
ব্যাখ্যা
• Romeo and Juliet: 
- Romeo and Juliet, Shakespeare এর একটি রোমান্সধর্মী নাটক। 
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- এর চরিত্রসমূহ হচ্ছে: Romeo (নায়ক), Juliet (নায়িকা), Montego, Lady Montego, Capulet, Lady Capulet. 
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান। 
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই। 
 
• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
 
 Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Antony and Cleopatra.
 
• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.
 
• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture
১৬.
Shaw's "Mrs. Warren’s Profession" is a/an -
  1. one-act play
  2. three-act play
  3. four-act play
  4. five-act play
সঠিক উত্তর:
four-act play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
four-act play
ব্যাখ্যা
• Mrs. Warren’s Profession:
- It is a play by G.B Shaw.
- এটি একটি 4-acts বিশিষ্ট নাটক।
- এটি ১৮৯৩ সালে লেখা এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Due to government censorship it wasn't performed until 1902.
- The play’s subject matter is organized prostitution.

• George Bernard Shaw:
- একজন বিখ্যাত আইরিশ Playwright and a Critic।
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica.
১৭.
Who created the character 'Fitzwilliam Darcy'?
  1. Charles Dickens
  2. Virginia Woolf
  3. Charlotte Bronte
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
ব্যাখ্যা
• The character 'Fitzwilliam Darcy' is created by - Jane Austen.

• Pride and Prejudice:

- এটি Jane Austen লিখিত romantic novel.
- এটি একটি classic English literature.
- এটি একটি Romantic novel, যেখানে Darcy এবং Elizabeth একে অপরের প্রেমে পরে তাদের মাঝে অনেক differences থাকার পরেও।

• The Important character of Pride and Prejudice:
- Elizabeth Bennet,
- Fitzwilliam Darcy,
- George Wickham,
- Charles Bingley,
- Jane Bennet,
- Lydia Bennet etc.

• Some Quotes:

• “A lady's imagination is very rapid; it jumps from admiration to love, from love to matrimony in a moment.”
• “It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife.”
• “Angry people are not always wise.”

• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815).

Source: Britannica.
১৮.
অঘারাম বাস করে অজপাড়াগাঁয়ে। - বাক্যে 'অঘা' ও 'অজ' কোন ধরনের উপসর্গ?
  1. তৎসম উপসর্গ
  2. ফারসি উপসর্গ
  3. বাংলা উপসর্গ
  4. আরবি উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
বাংলা উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• অঘারাম বাস করে অজপাড়াগাঁয়ে। - বাক্যে 'অঘা' ও 'অজ' বাংলা উপসর্গ

বাংলা উপসর্গ:

- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

অন্যদিকে,
তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।
• তৎসম উপসর্গ বিশটি:
• প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

বিদেশি উপসর্গ:
• ফারসি উপসর্গ: কার্‌, দর্‌, না, নিম্‌, ফি, বদ্‌, বে, বর্‌, ব্‌, কম্‌।
• আরবি উপসর্গ: আম্‌, খাস, লা, গর্‌।
• ইংরেজি উপসর্গ: ফুল, হাফ, হেড, সাব।
• উর্দু-হিন্দি উপসর্গ: হর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
কোনটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য?
  1. গীতাঞ্জলি
  2. গরু
  3. বীরত্ব
  4. সমিতি
সঠিক উত্তর:
গীতাঞ্জলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা
নামবাচক বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য:
- যে পদ দ্বারা কোন ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, বা গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা বা নামবাচক বিশেষ্য পদ বলে।
যেমন-
- নজরুল, ঢাকা, মেঘনা, হিমালয়, গীতাঞ্জলি, ফাল্গুন, বিজু, বৈসাবি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
গুণবাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য পদে কোনো গুণ, অবস্থা ও ভাবের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন: সুখ, দুঃখ, দয়া, বীরত্ব ইত্যাদি।

জাতিবাচক বিশেষ্য:
- যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
- যেমন: মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, নদী, পর্বত, ইংরেজ ইত্যাদি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

সমষ্টিবাচক বিশেষ্য:
- যে পদে বেশকিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি বোঝায় তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
- যেমন- সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, মাহফিল, ঝাঁক, বহর, দল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।
২০.
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে কোন কাব্যটি রচনা করেন?
  1. কেতকামঙ্গল
  2. ধর্মমঙ্গল
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. পদ্মাবতী
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ৩টি খণ্ড ছিল।
- এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্রের প্রথম কাব্য ছিল বিমিশ্র দেবতা সত্যনারায়ণের সম্মানে রচিত একটি পাঁচালি।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বা নাগরিক কবিও বলা হয়।

অন্যদিকে,
- ধর্মমঙ্গল ধারার প্রথম কবি - ময়ূরভট্ট। ধর্মমঙ্গলের দুজন প্রধান কবি রূপরাম চক্রবর্তী ও ঘনরাম চক্রবর্তী।
- 'পদ্মাবতী' কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
'ফুলকুমারী' সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. ফুলের কুমারী
  2. কুমারী ফুলের ন্যায়
  3. ফুলের ন্যায় সুন্দর কুমারী
  4. ফুলের ন্যায় কুমারী
সঠিক উত্তর:
কুমারী ফুলের ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমারী ফুলের ন্যায়
ব্যাখ্যা
উপমিত কর্মধারয়:
- যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়।
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়।
- এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম, 
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি, 
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ, 
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ,
- কুমারী ফুলের ন্যায় = ফুলকুমারী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২.
'চিত্রলেখা' নামে সিনেমা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - 
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. সত্যজিৎ রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ওই জেলারই ব্যারাকপুর গ্রামে।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- তিনি 'চিত্রলেখা' (১৯৩০) নামে একটি সিনেমা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ,
- বিপিনের সংসার,
- চাঁদের পাহাড়,
- দম্পতি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:

- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৩.
কোন বাক্যটির ক্রিয়া অকর্মক?
  1. নাছরিন খেলা করছে।
  2. শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
  3. বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।
  4. মেয়েটি হাসে।
সঠিক উত্তর:
মেয়েটি হাসে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়েটি হাসে।
ব্যাখ্যা
অকর্মক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ার কর্ম নেই, তা অকর্মক ক্রিয়া।
- অকর্মক ক্রিয়ার ক্রিয়া পদটিকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে কোন উত্তর পাওয়া না।
যেমন:
- মেয়েটি হাসে।
এখানে, 'কী হাসে' বা 'কাকে হাসে' প্রশ্ন করলে কোন উত্তর হয় না। কাজেই 'হাসে' ক্রিয়াটি অকর্মক ক্রিয়া।

অন্যদিকে,
সকর্মক ক্রিয়া:
- বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন -
- নাছরিন খেলা করছে।
এই বাক্যে 'করছে' হলো সকর্মক ক্রিয়া। 'খেলা' হলো 'করছে' ক্রিয়ার কর্ম।

দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
- বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
- বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
'রাজা-বাদশা’ মিশ্র শব্দটি কোন দুটি ভাষা হতে আগত?
  1. তৎসম + ফারসি
  2. তৎসম + আরবি
  3. ফারসি + বাংলা
  4. ফারসি + তৎসম
সঠিক উত্তর:
তৎসম + ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম + ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'রাজা-বাদশা’ মিশ্র শব্দটি (তৎসম + ফারসি) ভাষা হতে আগত।

মিশ্র শব্দ:
- কোন কোন সময় দেশী ও বিদেশী শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
শাকসবজি একটি মিশ্র।

'রাজা'
- তৎসম শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- দেশশাসক, নৃপতি, ভূপতি।

'বাদশা'
- ফারসি শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- মুসলমান সুলতান বা সম্রাট।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৫.
’বাংলার স্কট’ বলা হয় কাকে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- তিনি 'বাংলার স্কট' ও 'সাহিত্য সম্রাট' নামে পরিচিত।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসসমূহ:
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:

- কমলাকান্ত,
- লোকরহস্য,
- কৃষ্ণ চরিত্র,
- বিজ্ঞানরহস্য,
- বিবিধ সমালোচনা,
- প্রবন্ধ-পুস্তক,
- সাম্য,
- কৃষ্ণ চরিত্র,
- বিবিধ প্রবন্ধ,
- মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত (ব্যাঙ্গ)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৬.
'উজানে মৃত্যু' নাটকের রচয়িতা -
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'উজানে মৃত্যু' নাটকের রচয়িতা - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
কোন শব্দগুচ্ছটি 'সূর্য' এর সমার্থক শব্দ?
  1. ভানু, সবিতা
  2. রবি, ইন্দু
  3. আদিত্য, দিবা
  4. তপন, সুধাংশু
সঠিক উত্তর:
ভানু, সবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভানু, সবিতা
ব্যাখ্যা
• 'সূর্য' এর সমার্থক শব্দ - ভানু, সবিতা, মার্তণ্ড

‘সূর্য’ শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ:

- রবি, তপন, ভাস্কর, আদিত্য, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, অংশুমালী, অরুণ।

অন্যদিকে,
- ‘চাঁদ’ শব্দের সমার্থক শব্দ - ইন্দু, সুধাংশু।
- 'দিবা' শব্দের সমার্থক শব্দ - দিনমান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৮.
'জল পড়ে, পাতা নড়ে।' বাক্যটি প্রকাশভক্তি অনুসারে - 
  1. কর্মকর্তৃবাচ্য
  2. ভাববাচ্য
  3. কর্মবাচ্য
  4. কর্তৃবাচ্য
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
কর্মকর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন:
- কাজটা ভালো দেখায় না।
- বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।

অনুরূপ, জল পড়ে পাতা নড়ে। বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করেছে।

অন্যদিকে,
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
- কোথায় থাকা হয়।

কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়।
- কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।

কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
- চোরটা ধরা পড়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।
২৯.
'স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিতে চায়?' - চরণদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা
কবি রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়

“স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
কে বাঁচিতে চায়?
দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,
কে পরিবে পায়।
কোটিকল্প দাস থাকা নরকের প্রায় হে,
নরকের প্রায়!
দিনেকের স্বাধীনতা, স্বর্গসুখ-তায় হে,
স্বর্গসুখ তায়!

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়:

- কবি, সাংবাদিক রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাকুলিয়া গ্রামে।
- ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়।
- তিনি নিজে কলকাতা থেকে মাসিক রস সাগর (১৮৫২) (পরিবর্তিত নাম সংবাদ সাগর) ও সাপ্তাহিক বার্তাবহ (১৮৫৬) সম্পাদনা করেন।
- এডুকেশন গেজেট পত্রিকা (১৮৫৫) প্রকাশিত হলে তিনি তার সহসম্পাদক নিযুক্ত হন।

তাঁর রচিত কাব্য:
- কর্মদেবী,
- শূরসুন্দরী ও
- কাঞ্চী কাবেরী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
‘হৃৎকলমের টানে’ - কার রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. বিষ্ণু দে
  4. হাসান আজিজুল হক
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
• ‘হৃৎকলমের টানে’ - সৈয়দ শামসুল হক রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।

সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি একজন প্রখ্যাত কবি, কথা-সাহিত্যিক, ও নাট্যকার।
- কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় অনলস পদচারণার কারণে তিনি সর্বমহলে ‘সব্যসাচী’ লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- এক মহিলার ছবি,
- অনুপম দিন,
- খেলারাম খেলে যা,
- নীল দংশন,
- স্তব্ধতার অনুবাদ ইত্যাদি।

সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ:
- হৃৎকলমের টানে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
৩১.
'যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. অবিসংবাদী
  2. অপরিণামদর্শী
  3. অবিমৃশ্যকারী
  4. অচিন্ত্য
সঠিক উত্তর:
অবিমৃশ্যকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিমৃশ্যকারী
ব্যাখ্যা
• 'যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে' এর এক কথায় প্রকাশ - অবিমৃশ্যকারী

অন্যদিকে,
- 'যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই' এর এক কথায় প্রকাশ - অবিসংবাদী।
- 'যে ভবিষ্যতের চিন্তা করেনা বা দেখে না' এর এক কথায় প্রকাশ - অপরিণামদর্শী।
- 'যা চিন্তা করা যায় না' এর এক কথায় প্রকাশ - অচিন্ত্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩২.
জসীমউদ্দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি নয় কোনটি?
  1. যে দেশে মানুষ বড়
  2. হলদে পরীর দেশে
  3. চলে মুসাফির
  4. দুয়ার হতে অদূরে
সঠিক উত্তর:
দুয়ার হতে অদূরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুয়ার হতে অদূরে
ব্যাখ্যা
জসীমউদ্দীন রচিত ভ্রমণকাহিনিগুলো হলো:
- যে দেশে মানুষ বড়,
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশে।

অন্যদিকে,
- দুয়ার হতে অদূরে - বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণকাহিনি।

জসীমউদ্দীন:

- কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীমউদ্দীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
নিম্নের কোনটিতে কুল-উপাধি ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচকতা রয়েছে?
  1. ধাত্রী
  2. ঘোষজা
  3. নর্তকী
  4. কুহকিনী
সঠিক উত্তর:
ঘোষজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষজা
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার বহু বিশেষ্য পদ রয়েছে যাদের কোনটিতে পুরুষ ও কোনটিতে স্ত্রী বোঝায়।
- যে শব্দের পুরুষ বোঝায় তাকে পুরুষবাচক শব্দ আর যে শব্দ স্ত্রী বোঝায় তাকে স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।

• কুল উপাধির ও স্ত্রীবাচকতা রয়েছে।
যেমন:
- ঘোষ (পুরুষ)
- ঘোষজা (কন্যা অর্থে)
- ঘোষজায়া(পত্নী অর্থে)।

অন্যদিকে,
• যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে তা রয়েছে, স্ত্রীবাচক বােঝাতে সেসব শব্দে ত্রী হয়। যেমন: নেতা-নেত্রী, কর্তা| কত্রী, শ্রোতা- শ্রোত্রী, ধাতা- ধাত্রী ইত্যাদি।

• ইকা-প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ - নর্তক—নর্তকী।

• নী প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ - কুহক-কুহকিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।
৩৪.
‘বিড়াল-তপস্বী’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. বৃথা খেটে মরা
  2. তুল্যরূপ তীব্র
  3. সর্বনাশ করা
  4. ভণ্ড লোক
সঠিক উত্তর:
ভণ্ড লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভণ্ড লোক
ব্যাখ্যা
• 'বিড়াল-তপস্বী' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভণ্ড লোক

অন্যদিকে,
- 'ভিটায় ঘুঘু চড়ানো' বাগধারাটির অর্থ - সর্বনাশ করা।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'বর্ণচোরা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কপট ব্যক্তি।
• 'বালির বাধঁ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অস্থায়ী বস্তু।
• 'ব্যাঙের সর্দি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অসম্ভব ঘটনা।
• 'ভরাডুবি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সর্বনাশ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৫.
গ্লুবার লবণে কয় অণু পানি থাকে? 
  1. ৫ অণু
  2. ১০ অণু
  3. ১৮ অণু
  4. ২৪ অণু
সঠিক উত্তর:
১০ অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ অণু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 19
  2. 20
  3. 39
  4. 58
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: 
- কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে। 
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। 
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z. 
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়। 

এখানে, 
X = মৌলের প্রতীক। 
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে। 
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়। 

পটাশিয়াম (K) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়: 

- পটাশিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা 19 এবং 
- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণুর ভর সংখ্যা 39 
অতএব, পটাশিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হবে = 39 - 19 = 20

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
বড় দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. কার্পাস
  2. আলু
  3. ভুট্টা
  4. ডালিয়া
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
দিবালোকের দীর্ঘতা ভিত্তিক পুষ্পক উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ: 
- সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান থাকে না, কখনও দিন ছোট ও রাত বড় আবার কখনও দিন বড় ও রাত ছোট থাকে। 
- দিবাকালের দীর্ঘতার উপর ভিত্তি করে পুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
যথা- 
১। ছোট দিনের উদ্ভিদ: 
- দিনের দৈর্ঘ্য কম হলে যেসব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় ছোট দিনের উদ্ভিদ। 
- দিন ছোট হলে রাত বড় হয় তথা অন্ধকার কাল বেশি থাকে। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, তামাক, শিম, রোপা আমন, পাট ইত্যাদি ছোট দিনের উদ্ভিদ। 

২। বড় দিনের উদ্ভিদ: 
- রাতের অন্ধকারের চেয়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হলে যে সব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় বড়দিনের উদ্ভিদ। 
- উদ্ভিদের বিভিন্নতায় দিনের এ দৈর্ঘ্যকাল ১৪-১৮ ঘন্টা হতে পারে। 
যেমন- পালংশাক, লেটুস, আফিম, ভুট্টা, যব, ঝিঙা ইত্যাদি বড় দিনের উদ্ভিদ। 

৩। নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদের ফুল ধারণের উপর দিন রাতের তুলনামূলক দৈর্ঘ্যের কোন প্রভাব নাই এরাই নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ। 
- প্রয়োজনীয় দৈহিক বৃদ্ধি হলেই এদের ফুল ধরে। 
- এদেরকে বছরের বিভিন্ন সময়ে জন্মানো যায়। 
যেমন- টমেটো, শশা, কার্পাস, সূর্যমুখী, আউশ ধান ইত্যাদি নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি উৎপাদন করা হয়? 
  1. ইথানল
  2. বেনজিন
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. অ্যালডিহাইড
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 

- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্যে শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। 
- এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
মানবদেহে কোন রক্তকণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. অনুচক্রিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা
  3. লোহিত রক্তকণিকা
  4. প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
রক্তকণিকা: 
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্তকণিকা রয়েছে। 
যথা- 
ক) লোহিত রক্তকণিকা: 
- লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক ধরনের উপাদান থাকে বলে রক্ত লাল দেখায়। 
- মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো। 
- পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা প্রতি কিউবিক মিলিলিটারে প্রায় ৫০ লক্ষ। 
- পুরুষের তুলনায় মহিলাদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা কম থাকে। 
- তুলনামূলকভাবে শিশুদের দেহে রক্তকণিকার পরিমাণ বেশি থাকে। 
- মানুষের দেহে প্রতি ১২০ দিনে লোহিত রক্তকনিকা ধ্বংস হয়, আবার সমপরিমাণে তৈরিও হয়। 
- ব্যায়াম করলে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যাও বেড়ে যায় এবং বেশি দিন বাঁচে। 

খ) শ্বেত রক্তকণিকা: 
- মানুষের শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা অনেক কম। 
- লাল অস্থিমজ্জা ও লসিকাগ্রন্থিতে শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি হয়। 
- এদের রং নেই কিন্তু নিউক্লিয়াস আছে। 
- প্রতি কিউবিক মিলিলিটারে ৫-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। 
- এরা সাধারণত ১২-১৩ দিন বেঁচে থাকে। 
- ব্যায়াম করলে এরা বেশি দিন বাঁচে এবং সংখ্যায় বেড়ে যায়। 
- শ্বেত রক্তকণিকা রক্তে প্রবেশকারী রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রক্ষা করে, ফলে শারীরিক সক্ষমতা মজবুত ও শক্তিশালী হয়। 

গ) অনুচক্রিকা: 
- অনুচক্রিকা আকারে ছোট, গোলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- প্রতি কিউবিক মিলিলিটারে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার অণুচক্রিকা থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অনুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- দেহের কোনো স্থানে ক্ষত হলে সেখানে ৩ মিনিটের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
মুদ্রা ধাতু নিচের কোনটি?
  1. Cu
  2. Ca
  3. Na
  4. Mg
সঠিক উত্তর:
Cu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cu
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
ওসিআর-এর প্রধান কাজ কী?
  1. ভিডিওতে ছবি শনাক্ত করা
  2. বারকোড স্ক্যান করা
  3. মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
  4. অডিও থেকে টেক্সট কনভার্ট করা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রিত বা হাতে লেখা টেক্সট পড়া
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition.
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
হার্ড ডিস্কে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়?
  1. রেডিও
  2. চুম্বকীয়
  3. আলোক
  4. বৈদ্যুতিক
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকীয়
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্কে ম্যাগনেটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৩.
বাইনারি সংখ্যা .1101 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কোনটি?
  1. .8125
  2. .7578
  3. .2385
  4. .2560
সঠিক উত্তর:
.8125
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.8125
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
- যেমন- প্রথম অংকটিকে ২-১ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২-২ দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২-৩ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
৪৪.
'.avi' কোন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ভিডিও ফাইলস
  2. টেক্সট ফাইলস
  3. অডিও ফাইলস
  4. ইমেজ ফাইলস
সঠিক উত্তর:
ভিডিও ফাইলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও ফাইলস
ব্যাখ্যা
• '.avi' হলো ভিডিও ফাইলসের এক্সটেনশন।

• ফাইল এক্সটেনশন:

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix.
- এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।

• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• এছাড়াও, অডিও ফাইলস:
- .mp3
- .wav

• টেক্সট ও ডকুমেন্ট ফাইলস:
- .doc
- .docx
- .rtf
- .txt

• ভিডিও ফাইলস:
- .flv
- .avi
- .mp4

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
৪৫.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে ক্ষতির উদ্দেশ্যে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. ডেটা ব্রিচ
  3. র‍্যানসমওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার, এটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
৪৬.
কোনো একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী 2024 সালের জুলাই মাসে ঐ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কম ওজনের 90 টি শিশু, স্বাভাবিক ওজনের 242 টি শিশু এবং বেশি ওজনের 76 টি শিশু জন্ম নেয়। এখান হতে একটি শিশু দৈবভাবে নির্বাচন করলে নির্বাচিত শিশুটি কম ওজনের না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 93/139
  2. 46/107
  3. 53/68
  4. 127/303
সঠিক উত্তর:
53/68
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53/68
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী 2024 সালের জুলাই মাসে ঐ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কম ওজনের 90 টি শিশু, স্বাভাবিক ওজনের 242 টি শিশু এবং বেশি ওজনের 76 টি শিশু জন্ম নেয়। এখান হতে একটি শিশু দৈবভাবে নির্বাচন করলে নির্বাচিত শিশুটি কম ওজনের না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মোট শিশু = (90 + 242 + 76) = 408
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = 408
কম ওজনের শিশুর সংখ্যা = 90টি

∴ দৈবভাবে একটি শিশু নির্বাচন করলে শিশুটি কম ওজনের হওয়ার সম্ভাবনা = 90/408 = 45/204

∴ শিশুটি কম ওজনের না হওয়ার সম্ভাবনা = 1 - (45/204)
= 159/204
= 53/68
৪৭.
পলাশ ৫ টাকায় ৪ টি লজেন্স ক্রয় করে ৪ টাকায় ৫ টি লজেন্স বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
  1. ৩৬% লাভ
  2. ২০% ক্ষতি
  3. ৩৬% ক্ষতি
  4. ২০% লাভ
সঠিক উত্তর:
৩৬% ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পলাশ ৫ টাকায় ৪ টি লজেন্স ক্রয় করে ৪ টাকায় ৫ টি লজেন্স বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান:
৪ টি লজেন্সের ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
১ টি লজেন্সের ক্রয়মূল্য = ৫/৪ টাকা

আবার,
৫ টি লজেন্সের বিক্রয়মূল্য = ৪ টাকা
১ টি লজেন্সের বিক্রয়মূল্য = ৪/৫ টাকা

∴ ক্ষতি = (৫/৪) - (৪/৫)
= (২৫ - ১৬)/২০
= ৯/২০

৫/৪ টাকায় ক্ষতি হয় = ৯/২০টাকা
∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় = (৯ × ৪)/(২০ × ৫) টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (৯ × ৪ × ১০০)/(২০ × ৫) টাকা
= ৩৬ টাকা বা ৩৬%
৪৮.
  1. 0
  2. 2
  3. 4
  4. 6
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান:
৪৯.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 50 সে. মি. ও ভূমির দৈর্ঘ্য 60 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশ কত? 
  1. 1200 বর্গ সে.মি.
  2. 300 বর্গ সে.মি.
  3. 400 বর্গ সে.মি.
  4. 500 বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
300 বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
300 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 50 সে. মি. ও ভূমির দৈর্ঘ্য 60 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশ কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি, b = 60 সে. মি.
সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 50 সে. মি.

আমরা জানি,
∴ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/4) × √(4a2 - b2)
= (60/4) × √(4 × 502 - 602)
= (15) × √(10000 - 3600)
= (15) × √6400
= 15 × 80
= 1200 বর্গ সে.মি.

∴ ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশ = 1200/4 বর্গ সে.মি.
= 300 বর্গ সে.মি.
৫০.
(2a + 3b, 4) = (4, 4a + 2b,) হলে, (a, b) এর মান কত?
  1. (3, 2)
  2. (1, 1/3)
  3. (2, 2)
  4. (1/2, 1)
সঠিক উত্তর:
(1/2, 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(1/2, 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (2a + 3b, 4) = (4, 4a + 2b,) হলে, (a, b) এর মান কত?

সমাধান:
2a + 3b = 4 .......... (1)
4a + 2b = 4 ......... (2)
{(1) নং × 2} - (2) নং ⇒
4a + 6b - 4a - 2b = 8 - 4
⇒ 4b = 4
∴ b = 1

(1) নং সমীকরণে b = 1 বসিয়ে পাই,
2a + 3 · 1 = 4
⇒ 2a = 4 - 3
⇒ a = 1
∴ a = 1/2

∴ নির্ণেয় সমাধান (a, b) = (1/2, 1)
৫১.
স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে SCIENCE শব্দটিকে কতভাবে সাজানো যায়?
  1. 24
  2. 28
  3. 36
  4. 48
সঠিক উত্তর:
36
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে SCIENCE শব্দটিকে কতভাবে সাজানো যায়?

সমাধান:
এখানে মোট বর্ণ আছে 7টি
স্বরবর্ণ আছে (I, E, E) 3টি এবং E দুইটি ও I একটি।

স্বরবর্ণ 3টি জোড় স্থানে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 3!/2! = 3 [E আছে 2টি]
বাকি 4টি বর্ণ 4টি বিজোড় স্থানে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 4!/2! [C আছে 2টি]
= 12

∴ স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে মোট বিন্যাস সংখ্যা = 3 × 12 = 36

অতএব, SCIENCE শব্দটিকে স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে মোট 36 উপায়ে সাজানো যাবে।
৫২.
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু তাদের গ.সা.গু এর ৮ গুণ। দুটি সংখ্যার গুণফল ১১৫২ হলে তাদের ল.সা.গু কত?
  1. ৮৪
  2. ৯৬
  3. ৬৮
  4. ৭৪
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার ল.সা.গু তাদের গ.সা.গু এর ৮ গুণ। দুটি সংখ্যার গুণফল ১১৫২ হলে তাদের ল.সা.গু কত?

সমাধান:
ধরি,
গ.সা.গু = ক
এবং ল.সা.গু =  ৮ক

আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গুর গুণফল = দুটি সংখ্যার গুণফল
৮ক = ১১৫২
⇒ ক = ১৪৪
⇒ ক = ১২

∴ ল.সা.গু = ৮ × ১২ = ৯৬
৫৩.
- 5 - 8 - 11 - ….. সমান্তর ধারাটির 14 তম পদ কত?
  1. - 38
  2. - 41
  3. - 44
  4. - 47
সঠিক উত্তর:
- 44
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 44
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: - 5 - 8 - 11-, ….. সমান্তর ধারাটির 14 তম পদ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ধারাটির ১ম পদ, a = - 5
সাধারণ অন্তর, d = - 8 - (- 5) = - 8 + 5 = - 3
পদ সংখ্যা, n = 14

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - 1)d
∴ 14 তম পদ = - 5 + {(14 - 1) × (- 3)}
= - 5 + {13 × (- 3)}
= - 5 - 39
= - 44
৫৪.
নিচের কোনটি x3 - 6x2 + 12x - 9 এর একটি উৎপাদক?
  1. (x - 1)
  2. (x - 2)
  3. (x - 3)
  4. (x - 4)
সঠিক উত্তর:
(x - 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি x3 - 6x2 + 12x - 9 এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
x3 - 6x2 + 12x - 9
= x3 - 3 ⋅ x2 ⋅ 2 + 3 ⋅ x ⋅ 22 - 23 - 1
= (x - 2)3 - 1
= (x - 2)3 - 13
= (x - 2 - 1){(x - 2)2 + (x - 2) ⋅ 1 + 12)}
= (x - 3){x2 - 2 ⋅ x ⋅ 2 + 22 + x - 2 + 1)
= (x - 3){x2 - 4x + 4 + x - 2 + 1)
= (x - 3)(x2 - 3x + 3)
৫৫.
একটি সামন্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৩ সে.মি. এবং ১৯ সে.মি. হলে, সামন্তরিকের পরিসীমা কত?
  1. ৫২ সে.মি.
  2. ৬৪ সে.মি.
  3. ৭২ সে.মি.
  4. ৭৫ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৬৪ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সামন্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৩ সে.মি. এবং ১৯ সে.মি. হলে, সামন্তরিকের পরিসীমা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
সামান্তরিকের পরিসীমা = ২ × সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি
= ২ × ( ১৩ + ১৯)
= ৬৪ সে.মি.
৫৬.
যদি g(x) = x3 + ax2 - 3x - 6 হয়, তবে a এর কোন মানের জন্য g(- 2) = 0?
  1. 2
  2. 1/2
  3. 3
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি g(x) = x3 + ax2 - 3x - 6 হয়, তবে a এর কোন মানের জন্য g(- 2) = 0?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
g(x) = x3 + ax2 - 3x - 6
∴ g(- 2) = (- 2)3 + a(- 2)2 - 3(- 2) - 6
= - 8 + 4a + 6 - 6
= 4a - 8

প্রশ্নমতে,
g(- 2) = 0
⇒ 4a - 8 = 0
⇒ 4a = 8
⇒ a = 8/4
∴ a = 2

অর্থাৎ, a = 2 হলে, g(- 2) = 0 হবে।
৫৭.
বার্ষিক ১০% সরল মুনাফায় কোন আসলের ৪ বছরের মুনাফা ২০০ টাকা হলে, একই হার মুনাফায় একই সময় পর ঐ আসলের যৌগিক মুনাফা কত হবে?
  1. ১৯৫.০৫ টাকা
  2. ২৮৪.০৫ টাকা
  3. ১৮৬.০৫ টাকা
  4. ২৩২.০৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৩২.০৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩২.০৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% সরল মুনাফায় কোন আসলের ৪ বছরের মুনাফা ২০০ টাকা হলে, একই হার মুনাফায় একই সময় পর ঐ আসলের যৌগিক মুনাফা কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
আসল = P
সময়, n = ৪ বছর
মুনাফা, I = ২০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ১০%

∴ P = I/(n × r)
= (২০০ × ১০০)/(৪ × ১০)
= ৫০০

৪ বছর পর চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৫০০{১ + (১০/১০০)}
= ৫০০ × (১ + ০.১)
= ৫০০ × ১.১ × ১.১ × ১.১ × ১.১
= ৭৩২.০৫ টাকা 

∴ ৪ বছর পর যৌগিক মুনাফা = ৭৩২.০৫ - ৫০০ টাকা
= ২৩২.০৫ টাকা
৫৮.
log22 + log222 + log223 + . . . . . + log22n = ?
  1. (2n + 6)/n
  2. n + 1
  3. n(n + 1)/2
  4. 4n
সঠিক উত্তর:
n(n + 1)/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n(n + 1)/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log22 + log222 + log223 + . . . . . + log22n = ?

সমাধান:
log22 + log222 + log223 + . . . . . + log22n
= log22 + 2 log22 + 3 log22 + . . . . . + n log22
= 1 + 2 + 3 + . . . . + n
= n(n + 1)/2
৫৯.
X চিত্রটিকে ডটেট লাইন বরাবর ভাঁজ করলে কোন চিত্রটি পাওয়া যায়?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X চিত্রটিকে ডটেট লাইন বরাবর ভাঁজ করলে কোন চিত্রটি পাওয়া যায়?


সমাধান:

2 নং চিত্রটি পাওয়া যায়।
৬০.
যদি 134 = good and tasty;  478 = see good pictures এবং 729 = pictures are faint হয়, তবে 'see' = কত?
  1. 4
  2. 7
  3. 8
  4. 3
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 134 = good and tasty;  478 = see good pictures এবং 729 = pictures are faint হয়, তবে 'see' = কত?

সমাধান:
• প্রথম এবং দ্বিতীয় বিবৃতিতে, সাধারণ কোড সংখ্যা '4' এবং সাধারণ শব্দটি হলো 'good'। সুতরাং, '4' সংখ্যাটি 'good' এর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

• দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বিবৃতিতে, সাধারণ কোড সংখ্যা '7' এবং সাধারণ শব্দটি হলো 'pictures'। সুতরাং, '7' সংখ্যাটি 'pictures' এর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

• দ্বিতীয় বিবৃতিতে 4 এবং 7 বাদ দিলে শুধুমাত্র 8 সংখ্যাটি বাকি থাকে, অর্থাৎ 'see' = 8 হবে।
৬১.
পাখি : চিড়িয়া : : হরিণ : ?
  1. বন
  2. মৃগ
  3. সায়র
  4. দ্বিজ
সঠিক উত্তর:
মৃগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃগ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাখি : চিড়িয়া : : হরিণ : ?

সমাধান:
• পাখি এর সমার্থক শব্দ চিড়িয়া এবং হরিণের সমার্থক শব্দ মৃগ।

'পাখি' এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ: বিহগ, খগ, দ্বিজ।
'হরিণ' এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ: কুরঙ্গ, সারঙ্গ, সুনয়ন।
৬২.
লিভারে ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানের দূরত্ব কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. 5 feet
  2. 6 feet
  3. 7.5 feet
  4. 8.5 feet
সঠিক উত্তর:
7.5 feet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7.5 feet
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লিভারে ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানের দূরত্ব কত হওয়া প্রয়োজন?


সমাধান:
ধরি,
বামদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব L1 = a feet
বামদিকের বস্তুর ওজন W1 = 10 lb
ডানদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব L2 = 5 feet
ডানদিকের বস্তুর ওজন W2 = 15 lb

এখন,
L1 × W1 = L2 × W2
⇒ a × 10 = 5 × 15
⇒ a = 75/10
∴ a = 7.5 feet

∴ লিভারে ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানের দূরত্ব 7.5 feet হওয়া প্রয়োজন।
৬৩.
সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি যথার্থ হবে?
৪, ১৮, ?, ১০০, ১৮০, ২৯৪
  1. ৩৬
  2. ৪৮
  3. ৫২
  4. ৫৬
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি যথার্থ হবে?
৪, ১৮, ?, ১০০, ১৮০, ২৯৪

সমাধান:
- ২ = ৮ - ৪ = ৪
- ৩ = ২৭ - ৯ = ১৮
- ৪ = ৬৪ - ১৬ = ৪৮
- ৫ = ১২৫ - ২৫ = ১০০
- ৬ = ২১৬ - ৩৬ = ১৮০
- ৭ = ৩৪৩ - ৪৯ = ২৯৪
৬৪.
যদি উত্তর-পশ্চিম দিক দক্ষিণে, দক্ষিণ-পশ্চিম দিক পূর্ব দিকে এভাবে সকল দিক পরিবর্তিত হয়, তাহলে দক্ষিণ-পূর্ব দিকটি কোন দিকে পরিবর্তিত হবে?
  1. উত্তর দিক
  2. উত্তর-পূর্ব দিক
  3. উত্তর-পশ্চিম দিক
  4. পশ্চিম দিক
সঠিক উত্তর:
উত্তর দিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর দিক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি উত্তর-পশ্চিম দিক দক্ষিণে, দক্ষিণ-পশ্চিম দিক পূর্ব দিকে এভাবে সকল দিক পরিবর্তিত হয়, তাহলে দক্ষিণ-পূর্ব দিকটি কোন দিকে পরিবর্তিত হবে?

সমাধান:

∴ দক্ষিণ-পূর্ব দিকটি দক্ষিণ দিকে পরিবর্তিত হবে।
৬৫.
(?) চিহ্নিত স্থানে কোন বর্ণটি হবে? 
A, Z, B, Y, C, X, D, ?
  1. U
  2. W
  3. T
  4. V
সঠিক উত্তর:
W
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (?) চিহ্নিত স্থানে কোন বর্ণটি হবে? 
A, Z, B, Y, C, X, D,  ?

সমাধান:

A থেকে Z পর্যন্ত Ascending ও Descending অর্ডারে সাজিয়ে 1, 1, 2, 2, 3, 3, . . . এইরূপে চিত্রে প্রদর্শিত তীর চিহ্ন অনুযায়ী সাজালে প্রদত্ত সিরিজটি পাওয়া যাবে।
A, Z, B, Y, C, X, D, W
৬৬.
একটি ট্রেন 20 মিটার/সেকেন্ড বেগে 300 মিটার লম্বা একটি সেতু অতিক্রম করতে 30 সেকেন্ড সময় নেয়। ট্রেনের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 150 মিটার
  2. 300 মিটার
  3. 250 মিটার
  4. 200 মিটার
সঠিক উত্তর:
300 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
300 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন 20 মিটার/সেকেন্ড বেগে 300 মিটার লম্বা একটি সেতু অতিক্রম করতে 30 সেকেন্ড সময় নেয়। ট্রেনের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
এখানে ট্রেনের বেগ = 20 মিটার/সেকেন্ড
সময় = 30 সেকেন্ড

মোট দূরত্ব = বেগ × সময়
= 20 × 30
= 600 মিটার

∴ ট্রেনের দৈর্ঘ্য = মোট দূরত্ব - সেতুর দৈর্ঘ্য
= 600 - 300
= 300 মিটার
৬৭.
জার্মানি-ফ্রান্স : বেলজিয়াম :: চীন-রাশিয়া : ?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. ভারত
  3. লেবানন
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জার্মানি-ফ্রান্স : বেলজিয়াম :: চীন-রাশিয়া : ?

সমাধান
• জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে বেলজিয়াম বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে, একইভাবে চীন-রাশিয়ার মাঝে মঙ্গোলিয়া বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে।

[- বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে), নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন) এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।
- মঙ্গোলিয়া ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করেছিল।
- এটি বর্তমানে রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে।
- অপরদিকে লেবানন ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে একটি বাফার রাষ্ট্র।]
৬৮.
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন ব্যক্তি 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' লাভ করেন?
  1. ১০ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৩ জন ব্যক্তি 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' লাভ করেন।

স্বাধীনতা পদক:

- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

• পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা,

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৯.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনসংখ্যা নীতি:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, কোন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. গৃহস্থালির কাজে
  2. শিল্পখাতে
  3. ক্যাপটিভ
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গ্যাসক্ষেত্র:

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%) [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়]।
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]। 
- ক্যাপটিভ: ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট (১১.০০%)।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৯টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানিকৃত আরএলএনজিসহ গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ মোট প্রায় ১,০০২.৬ বিলিয়ন ঘনফুট এবং গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৯৩২.৪ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭১.
বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করার পূর্বে কার অনুমোদন লাগবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

⇒ অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭২.
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী?
  1. রক্ত সোপান
  2. বিজয় গাঁথা
  3. অনির্বাণ জেড
  4. বীরের প্রত্যাবর্তন
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম অনির্বাণ জেড।

সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:

- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান।
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড।
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

এছাড়াও,
⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ, ঢাকা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি।
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৩.
কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন শুরু হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন।
- সেই উত্তাল মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না–জানা অনেকে শহীদ হন।

⇒ মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানদের অনন্য আত্মত্যাগের এই দিনকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- তারপর থেকে সারা বিশ্বেই নিজ নিজ মাতৃভাষা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে।

• বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
নিচের কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি?
  1. NAPE
  2. NICAR
  3. NAEM
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NICAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NICAR
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"।

NAEM:
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management. 
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।
- ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি -এ রূপান্তর করা হয়।

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭৫.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দিনাজপুর অঞ্চলে বাস করে?
  1. রাজবংশী
  2. সাঁওতাল
  3. হাজং
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।

⇒ রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। 
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- খরা, অনাবৃষ্টি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হুদুমা’ পূজা রাজবংশীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। 

⇒ হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।
৭৬.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:

- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

⇒ বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট। [link]
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
৭৭.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ কোনটি?
  1. বিএনএস পলাশ
  2. বিএনএস পদ্মা
  3. সংগ্রাম
  4. স্টেলা মেরিস
সঠিক উত্তর:
বিএনএস পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএনএস পদ্মা
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

⇒ খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ ‘বিএনএস পদ্মা’।
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগদ ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- পানির নীচে এর গভীরতা ৪ দশমিক ১ মিটার।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৭৮.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. সোনারতরী
  2. অগ্নিবীণা
  3. গীতবিতান
  4. বনফুল
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এই গান প্রচার করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে (অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি গীতবিতানের স্বদেশ পর্বে অন্তর্ভুক্ত।
- এর চরণসংখ্যা ২৫।
- গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।
- প্রথম চার চরণের যন্ত্রসংগীত বাজানো হয় বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে।
- দেশে ১৯৭৮ সালে জাতীয় সংগীত বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল। 
- ১৯০৫ সালের সঞ্জীবনী পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় গানটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী একটি সমাবেশে প্রথম গানটি গাওয়া হয়।
- গানটি গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ অংশের অর্ন্তভুক্ত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১১ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
৭৯.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিচার বিভাগ
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
আইন ও সালিশ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও সালিশ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।

⇒ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
- বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকার কাঠামোর অংশ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
ইলিশ মাছের দৈর্ঘ্য কত সেন্টিমিটারের কম হলে সেটাকে ‘জাটকা ইলিশ’ বলা হয়ে থাকে?
  1. ৯ সেন্টিমিটার
  2. ১০ সেন্টিমিটার
  3. ২৪ সেন্টিমিটার
  4. ২৫ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশে ১ নভেম্বর থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত জাটকা অর্থাৎ বাচ্চা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। 
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে।
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। 

⇒ জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা, বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা।
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা থেকে পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

⇔ ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। 
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
৮১.
বাংলাদেশে কার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৫১ (১) অনুযায়ী এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন কতে গিয়ে কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করে থাকলে তাঁকে কোন আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করবে না।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (২) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না এবং তাঁর গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হতে পরোয়ানা জারী করা যাবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮২.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৬২ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. বয়সসীমা নেই
সঠিক উত্তর:
বয়সসীমা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই। 

⇒ সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগে বয়সসীমা তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- এ পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
- এ কারণে বিধানটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. সাতক্ষীরা
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন?
  1. সেনাবাহিনী
  2. ইপিআর
  3. নৌবাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ।

উল্লেখ্য,
⇔ বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)।

⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ই পি আর।

⇒ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন: ১০নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: নৌবাহিনী।

⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: পশ্চিম পাকিস্তান।
- কর্মস্থল: বিমান বাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮৫.
কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
না ভোট:
- ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটাররা প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ প্রয়োগ করেছিল।
- ওই সময় জারি করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ৩১(৫) (বিবি)-তে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এ বিধান অনুযায়ী ব্যালট পেপারের সবশেষ প্রার্থীর স্থানে লেখা থাকে ‘ওপরের কাউকে নয়’ এবং ভোটারদের সহজ পরিচিতির জন্য মার্কা রাখা হয় ‘ক্রস’।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এটি সর্বশেষ ভোট। 

উল্লেখ্য,
- সারা দেশে মোট প্রদত্ত ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৫৯ হাজার ২১০ ভোটের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি ‘না ভোট’ পড়েছিল।
- উল্লেখ্য, ওই নির্বাচনে ৩৮টি দল অংশগ্রহণ করলেও মাত্র ৬টি দল ‘না ভোটের’ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের এই ধারাগুলো ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে সংসদ কর্তৃক পাসকৃত আইনের ধারা ৩১-এর সংশোধনী (খ) ও (গ) দ্বারা বিলুপ্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৬.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট কোন আইন পাস হয়?
  1. ভারত ভাগ আইন
  2. যুদ্ধবিরতি আইন
  3. ভারত শাসন আইন
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভারত শাসন আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত শাসন আইন
ব্যাখ্যা
বঙ্গীয় আইন সভা:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

⇒ ভারতবর্ষে ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর আওতায় চার সদস্য বিশিষ্ট গভর্নর জেনারেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে ক্ষুদ্র পরিসরের আইনসভা বলা যেতে পারে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৬১ সালে ভারত সরকারকে বাংলায় প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- এর ফলে ১৮৬১ সালের ১আগস্ট ভারতীয় কাউন্সিল আইন ঘোষিত হয়।
- বঙ্গীয় আইনসভা প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

⇒ ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় আইনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই আইনসভায় লেফটেনেন্ট গভর্নর পদাধিকার বলে সভাপতি, ১২ জন মনোনীত সদস্য, যার মধ্যে চারজন মাত্র বাঙালি ছিলেন, বাকি ৮ জনের ৪ জন সরকারি সদস্য, ৪ জন বেসরকারি সদস্য ছিলেন।
- ১৮৯২ সালে ১৩ জনের স্থলে এই সভার সদস্য ২১ জন করা হলো।
- তবে এই প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার বিধান ছিল না।
- কিন্তু তারপরও বাংলার প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভাই বাংলাকে গণতান্ত্রিক আইনসভার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
নিচের কোনটি শৈত্য সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫৪
  2. ব্রি ধান ৫৬
  3. ব্রি ধান ৩৬
  4. ব্রি ধান ৫৫
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল।
- শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে।
- শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।

⇒ আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন-গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।
- তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।

⇒ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে।
- বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী।
- ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।

অন্যদিকে,
- ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৫ খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত।
- ব্রি ধান ৫৪ লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৮.
ICSID এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ১৫৮টি
  2. ১৫৯টি
  3. ১৬০টি
  4. ১৬১টি
সঠিক উত্তর:
১৫৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ICSID:

- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৫৮টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৯.
গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয় কোন শহরকে?
  1. স্পার্টা
  2. থেসালোনিকি
  3. পাত্রাস
  4. অ্যাথেন্স
সঠিক উত্তর:
অ্যাথেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাথেন্স
ব্যাখ্যা
• অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।

অন্যদিকে,
- স্পার্টা, থেসালোনিকি ও পাত্রাস গ্রিসের বিখ্যাত তিনটি শহর।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৯০.
'শাত-ইল-আরব' কোন দুইটি দেশের বিরোধপূর্ণ জলপথ?
  1. ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
  2. ইরাক ও ইরান
  3. জর্ডান ও সিরিয়া
  4. সিরিয়া ও মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৯১.
মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করে -
  1. IMF
  2. MIGA
  3. IDA
  4. ICSID
সঠিক উত্তর:
IMF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- MIGA বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে।
- IDA তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- ICSID সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

তথ্যসূত্র- IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯২.
মার্কিন 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ - ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ'।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ - 'সিনেট'।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৯৩.
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের কোন দেশটি OIC এর সদস্য?
  1. গায়ানা
  2. ইকুয়েডর
  3. বলিভিয়া
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
গায়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গায়ানা
ব্যাখ্যা
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ- ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৪.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. এস্তোনিয়া
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
এস্তোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- এই সমস্ত দেশ একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

উল্লেখ্য:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
৯৫.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লিসবন
  2. ব্রাসেলস
  3. শেনজেন
  4. ম্যাসট্রিচট
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- ব্রাসেলস চুক্তি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত আত্মরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- লিসবন চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক চুক্তি।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।
৯৬.
'আবু মুসা দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. আরব সাগরে
  2. ক্যারিবিয়ান সাগরে
  3. ওমান সাগরে
  4. পারস্য উপসাগরে
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
ব্যাখ্যা
• 'আবু মুসা দ্বীপ':
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে। 
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে।
- বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস ব্রিটানিকা।
৯৭.
'ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম' কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. সাড়া দান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. চীনের বৃষ্টিপাত ও ঝড়
  2. বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  3. ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
  4. আরব মালভূমির সাইমুম
সঠিক উত্তর:
আরব মালভূমির সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব মালভূমির সাইমুম
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• স্থানীয় বায়ুর ‍উদাহরণ:
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১০০.
বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?
  1. ০.৩ শতাংশ
  2. ০.০৩ শতাংশ
  3. ৩ শতাংশ
  4. ০.০০৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে বায়ুমন্ডলের বয়স প্রায় ৩৫ কোটি বছর।
- এর গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার।
- বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় এটাও উল্লেখ করেন যে এই বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৭ শতাংশই ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- বায়ুমন্ডলের একটির উপর আরেকটি পর্যায়ক্রমে অবস্থিত। সাধারণত উপরের স্তরের বায়ু নিচের বায়ুস্তরে ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
- বায়ুর এই চাপের জন্যই পৃথিবীপৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায়, বায়ুর ঘনত্ব ততই কমতে থাকে।
- তবে সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব সব থেকে বেশি দেখা যায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ, 
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ, 
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস ০..০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০১.
সভ্যতার অন্যতম প্রতিচ্ছবি কোনটি? 
  1. মূল্যবোধ
  2. নৈতিকতা
  3. সমাজ
  4. রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সমাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজ
ব্যাখ্যা
সভ্যতা (Civilization):
- সাধারণ অর্থে সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধারা।
- এ প্রসঙ্গে ম্যাকাইভার এবং পেজ এর মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তারা বলেন, আমরা যা তা হলো সংস্কৃতি এবং আমরা যা ব্যবহার করি তা হলো সভ্যতা।
- জেরি এবং জেরি বলেন, “সভ্যতা হচ্ছে সংস্কৃতির উন্নত ধরন যেমন- কেন্দ্রীয় সরকার, শিল্পকলা ও শিক্ষণের উন্নয়ন, নীতি-নৈতিকতার সমন্বিত রূপ যা নগরের সাথে সম্পর্কিত এবং বৃহত্তর সমাজ যার মধ্যে নির্দিষ্ট।”
- স্কট বলেন, “সভ্যতা হচ্ছে একটি উচ্চতর জটিল বিষয় যা সংস্কৃতির সাথে আপেক্ষিকতার আলোকে তুলনা করা হয়।”
- বটোমোর বলেন, “সভ্যতা হলো কতকগুলো নির্দিষ্ট মানবগোষ্ঠীর অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসমূহের সমন্বয়”।
- সব মিলিয়ে বলা যায়, সভ্যতা হলো উন্নত জীবনধারা তথা সংস্কৃতির উন্নত ধরন। সভ্যতা প্রযুক্তিবিদ্যা, বস্তুগত সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সমষ্টিকে বোঝায়।
- সভ্যতা হচ্ছে সংস্কৃতির অধিকতর অগ্রসর ও জটিল বিষয় যা বিভিন্ন সমাজে প্রবাহিত হয়।
- অর্থাৎ, সমাজ সভ্যতার প্রতিচ্ছবি। সমাজের বিশ্লেষণ করেই সভ্যতার সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।

সূত্র: সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
নীতিশাস্ত্রে সততা বলতে বুঝায় মানুষের চরিত্রের -
  1. স্বভাবজাত প্রবৃত্তি
  2. স্থায়ী প্রবণতা
  3. স্বভাবজাত প্রবণতা
  4. স্থায়ী প্রবৃত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী প্রবণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী প্রবণতা
ব্যাখ্যা
সততা (Honesty):
- নীতিশাস্ত্রে সততা বলতে বুঝায় মানুষের চরিত্রের স্থায়ী প্রবণতা।
- সততা মানুষের স্বভাবজাত প্রবণতা নয়, অর্জিত প্রবণতা।
- কর্তব্য করার অভ্যাসের ফলেই সততা জন্মে।
- সততার স্বরূপ সম্পর্কে এরিষ্টটল বলেন, সততা মনের স্থায়ী অবস্থা যা ইচ্ছার দ্বারা গঠিত এবং যার ভিত্তি বাস্তব জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ-যে আদর্শটি বিচারবুদ্ধি স্থির করে দিয়েছে।
- কোন মানুষ জন্মগতভাবে সৎ হতে পারে না, মানুষ ভাল কাজ করতে যখন সৎ অভ্যাস গঠন করে, তখন তাকে সৎলোক বলা হয়।
- মানুষ যখন তার প্রবৃত্তি, কামনা ও বাসনাকে বিচার-বুদ্ধির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে জীবনযাপন করে তখন সে চরিত্রবান বলে বিবেচিত হয়।
- তাই ম্যাকেনজী বলেন, সততা বলতে বুঝায় চরিত্রের সৎ অভ্যাস এবং তা কর্তব্য থেকে পৃথক।
- কর্তব্য বলতে বুঝায় এক বিশেষ ধরনের কাজ যা আমাদের করা উচিত।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।