উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'অনটন' শব্দটি সঠিক।
• ফনীভূষণ শব্দের সঠিক রূপ হবে ফণিভূষণ।
• নিরহঙ্কারী শব্দের সঠিক রূপ হবে নিরহঙ্কার।
• নিরপরাধী শব্দের সঠিক রূপ হবে নিরপরাধ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'অনটন' শব্দটি সঠিক।
• ফনীভূষণ শব্দের সঠিক রূপ হবে ফণিভূষণ।
• নিরহঙ্কারী শব্দের সঠিক রূপ হবে নিরহঙ্কার।
• নিরপরাধী শব্দের সঠিক রূপ হবে নিরপরাধ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
• কিছু বিসর্গ সন্ধির সন্ধি বিচ্ছেদ হলোঃ
- প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ,
- পুনঃ + আয় = পুনরায়,
- অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান,
- অন্তঃ + গত = অন্তর্গত,
- পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত,
- অহঃ + অহ = অহরহ ইত্যাদি।
• ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমনঃ
- রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র,
- সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র,
- পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা,
- সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র,
- অতি + ইত = অতীত ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- সহযোগীতা শব্দের সঠিক বানান সহযোগিতা।
- ভূগোলিক শব্দের সঠিক বানান ভৌগোলিক।
- একাকীত্ব শব্দের সঠিক বানান একাকিত্ব।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে মাধুর্য্য বানানটি ভুল।
- এর সঠিক বানান হচ্ছে মাধুর্য।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
- 'জাপান একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।' বাক্যটি শুদ্ধরূপ জাপান একটি সমৃদ্ধ দেশ।
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই সশিক্ষিত।' বাক্যটি শুদ্ধরূপ সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- 'কাব্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়।' বাক্যটি শুদ্ধরূপ কাব্যটির উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা প্রশংসনীয়।
• পদ প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ
- সব্যয় পদ ও
- অব্যয় পদ।
• সব্যয় পদ চার প্রকার। যথাঃ
- বিশেষ্য,
- বিশেষণ,
- সর্বনাম ও
- ক্রিয়া।
• সুতরাং পদ মোট পাঁচ প্রকার। যথাঃ
- বিশেষ্য,
- বিশেষণ,
- সর্বনাম,
- ক্রিয়া ও
- অব্যয় পদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'তিনি স্বস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন।' বাক্যটি সঠিক নয়।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- তিনি সস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমনঃ
- নর + অধম = নরাধম,
- হিত + অহিত = হিতাহিত,
- বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে শ্রদ্ধাঞ্জলী বানানটি ভুল।
- অঞ্জলি যুক্ত শব্দে সাধারণত ই-কার হয়।
- তাই সঠিক বানানটি হবে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
• অশ্রুজল শব্দের সঠিক রূপ হবে অশ্রু অথবা জল অথবা চোখের জল।
• একত্রিত শব্দের সঠিক রূপ হবে একত্র।
• অধীনস্থ শব্দের সঠিক রূপ হবে অধীন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
- সমূলসহ শব্দের সঠিক প্রয়োগ মূলসহ/সমূল।
- অধীনস্থ শব্দের সঠিক প্রয়োগ অধীন।
- ছায়ামুর্তি শব্দের সঠিক প্রয়োগ ছায়ামূর্তি।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
- যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধবাচক অব্যয় বলে।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'ও' অব্যয়টি বাক্যস্থিত দুটি পদের সংযোজন করেছে।
- কয়েকটি সংযোজক অব্যয়ঃ আর, ও, এবং, অধিকন্তু, সুতরাং ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- অপশন গুলোতে 'স্বাতন্ত্র' বানানটি ভুল।
- এর সঠিক বানান হচ্ছে স্বাতন্ত্র্য।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
অর্ধাঙ্গিনী হচ্ছে প্রচলিত শব্দ কিন্তু অভিধান অনুসারে তা অশুদ্ধ প্রয়োগ।
• এর শুদ্ধ রূপ - অর্ধাঙ্গী।
- অর্ধাঙ্গী (সংস্কৃত শব্দ)।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [অর্ধ+অঙ্গ+ঈ]
অর্থ: পত্নী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- নিষ্পাপী হচ্ছে অপ-প্রয়োগের দৃষ্টান্ত।
- এর সঠিক প্রয়োগ হবে নিষ্পাপ, পাপ, পাপী।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
• যে পদে বেশকিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি বোঝায় তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমনঃ
- সভা,
- জনতা,
- সমিতি,
- পঞ্চায়েত,
- মাহফিল,
- ঝাঁক,
- বহর,
- দল।
• যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয় তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। যেমনঃ
- গমন,
- দর্শন,
- ভোজন,
- শয়ন,
- দেখা,
- শোনা।
• যৌবন গুণবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
• হিমালয় সংজ্ঞা বা নাম বাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• ত ও দ এর পর শ থাকলে ত ও দ এর স্থলে চ এবং শ এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমনঃ
- উৎ + শৃঙ্খল = উচ্ছৃঙ্খল,
- উৎ+ শ্বাস = উচ্ছ্বাস ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- ভুল বানানটি হলো ছান্দসীক।
- এর সঠিক বানানটি হবে ছান্দসিক।
- যার অর্থ ছন্দবিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন বা ছন্দবিষয়ক।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'সকল আলেমগণ আজ উপস্থিত' বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- 'সকল আলেম আজ উপস্থিত' বা 'আলেমগণ আজ উপস্থিত'।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু অপপ্রয়োগজনিত শব্দের শুদ্ধরূপ হলো-
অশুদ্ধ শব্দ ----- শুদ্ধ শব্দ
নিরপরাধী ------ নিরপরাধ
অহর্নিশি ----- অহর্নিশ
নিরহঙ্কারী ----- নিরহঙ্কার
নির্দোষী ----- নির্দোষ
পিতাহারা ------ পিতৃহারা
অর্ধরাত্রি ----- অর্ধরাত্র
নিরভিমানী ---- নিরভিমান
দিবারাত্রি ----- দিবারাত্র
নীরোগী ------ নীরোগ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
- যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বাক্যটিতে কথা বিশেষ্য পদ।
- মন্দ কথার দোষ প্রকাশ করেছে।
- তাই বাক্যে মন্দ বিশেষণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে।
- তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(16×1) + (8×1) + (4×1) + (2×0) + (1×0)
= 16 + 8 + 4 + 0 + 0
= 28
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 763, 642, 537 কিন্তু 780 অকটাল সংখ্যা নয় কারণ 8 অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
বুলিয়ান উপপাদ্যঃ
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal।
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২^৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলোঃ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- তাই 75E সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক মেমোরি।
- হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় সাধারণত গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে।
- সাধারণত বাজারে ২০ জিবি থেকে ৫০০ জিবি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্ক প্রচলিত আছে।
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানঃ
• Seagate,
• Toshiba ইত্যাদি
• আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ
- Accuracy,
- Memory,
- Versatility,
- Automation,
- Correctness,
- High Speed,
- Reliability,
- Diligence,
- Logical Decision,
- Endless Life ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী (volatile) মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী (volatile) মেমোরিও বলা হয়।