পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
Exam -7:The Code of Criminal Procedure, 1898 Topic: Section 221-403
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. পুলিশের
  3. আদালতের
  4. সরকারি উকিলের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সেই সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০ এবং ২৩ এ যথাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ) মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ২৪২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে এবং ধারা ২৬৫ঘ দায়রা আদালতকে অভিযোগ গঠনের ক্ষমতা দিয়েছে। মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে সেই অপরাধ বিষয়ে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
.
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ধারা ২৪৫ অনুসারে আসামীকে নির্দোষ সাব্যস্ত করার পর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন?
  1. দণ্ডাদেশ প্রদান করবেন
  2. জামিন প্রদান করবেন
  3. খালাস আদেশ প্রদান করবেন
  4. পুনরায় শুনানি করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪৫: খালাস (acquittal)-
ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৪ ধারার উল্লেখিত সাক্ষ্য, স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করলে খালাস আদেশ প্রদান করবেন।

[If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.]
.
'No influence, by means of any promise or threat or otherwise, shall be used to an accused person to induce him to disclose or withhold any matter within his knowledge.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৪১
  2. ধারা ৩৪২
  3. ধারা ৩৪৩
  4. ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
Section 343- No influence to be used to induce disclosures:
Except as provided in sections 337 and 338, no influence, by means of any promise or threat or otherwise, shall be used to an accused person to induce him to disclose or withhold any matter within his knowledge.

ধারা ৩৪৩ - প্রভাব ব্যবহারের নিষেধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮ দ্বারা প্রদত্ত নির্দেশনার ব্যতীত, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার জ্ঞানে থাকা কোনো বিষয়ে তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রকার প্রভাব, প্রতিশ্রুতি বা হুমকি ব্যবহার করা যাবে না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১২০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৭০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 ⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসারে, কোন শর্তে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে?
  1. অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার বিধান মেনে
  4. অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্য নেওয়ার পর
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে, সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি _______ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী দণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
  3. মৃত্যুদণ্ডের জন্য আসামির শারীরিক পরীক্ষা
  4. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
.
ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং যথাযথ কারণ দেখায় না কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তখন ম্যাজিস্ট্রেট কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন
  2. অভিযোগের পুনরায় তদন্ত করবেন
  3. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেন
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে দণ্ডন:

যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি অভিযুক্ত অপরাধটি করেছেন, তবে তার স্বীকৃতি সম্ভবত তার ব্যবহৃত শব্দে যতটা সম্ভব সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা হবে; এবং যদি অভিযুক্ত কোনো যথাযথ কারণ না দেখায় কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অনুযায়ী দণ্ডিত করতে পারেন।
.
করিম একজন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে এবং পরে তাকে হত্যা করে। এ ক্ষেত্রে ধারা ২৩৫-এর অধীনে করিমের বিচার কীভাবে হবে?
  1. শুধুমাত্র হত্যার জন্য বিচার হবে
  2. শুধুমাত্র আক্রমণ এর বিচার হবে
  3. আক্রমণ ও হত্যার জন্য পৃথক দুটি মামলায় বিচার হবে
  4. আক্রমণ এবং হত্যার জন্য একই মামলায় বিচার হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫: একাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence):

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে,যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের,যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
১০.
ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন আনীত অভিযোগটি মিথ্যা বা তুচ্ছ, তবে তিনি ফরিয়াদির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি / সংবাদদাতা / অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১১.
ধারা ৩৪২ এর অধীন আসামী আদালতের প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, আদালত-
  1. এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
  2. আসামীকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে
  3. আসামীকে জরিমানা করতে পারে
  4. আসামীকে শাস্তির জন্য দায়ী করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

উক্ত ধারা অনুযায়ী,
আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
১২.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ-
  1. বহাল রাখতে পারেন
  2. বাতিল করতে পারেন
  3. পরিবর্তন করে অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারেন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
১৩.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' উপস্থিত থাকলেও, 'ক' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'খ' কে খালাস দিবে
  2. মামলা বাতিল করবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
• উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের কপি কোথায় প্রেরণ করবেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১৫.
অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে সাক্ষী হতে চাইলে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে
  2. নিজে লিখিতভাবে আদালতে অনুরোধ জানাতে হবে
  3. নিজে মৌখিকভাবে আদালতে জানাতে হবে
  4. নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে মৌখিকভাবে আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজ পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness for the defence) হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে।
 
উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবেনা।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 

Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ অনুযায়ী আদালত কিসের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে
  2. অভিযোগের পুনরায় যাচাই হলে
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন নাকচ হলে
  4. চার্জে গুরুতর ভুলের কারণে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হলে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া, কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা না গেলে, দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

অপরদিকে,
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ এ দেয়া আছে-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামির বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে, তাহলে তা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।
১৭.
ধারা ৩৫৯-এর অধীনে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার নেই-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. দায়রা জজের
  3. আইনজীবীর
  4. উল্লিখিত কারো নেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫গ ধারার অধীনে- আদালত যদি এই মত পোষণ করেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে আদালত-
  1. নতুন চার্জ গঠন করবেন
  2. অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
  3. পুনারয় সাক্ষী ডাকবেন
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবেন
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
 
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১৯.
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করার পর ৩৬৯ ধারার অধীন কখন তা পরিবর্তন করতে পারবে?
  1. আপিলের জন্য
  2. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. পুরানো রায় পুনরায় পর্যালোচনার জন্য
  4. শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে।

Section 369: Court not to alter judgment-
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
২০.
অভিযোগ প্রত্যাহারের পর আদালত কর্তৃক দণ্ডাদেশ রদ করা না হলে, তাহলে আদালত ধারা ২৪০ এর অধীনে-
  1. অভিযুক্তকে সরাসরি গ্রেফতার করতে পারে
  2. অভিযোগ পুনরায় দায়ের করতে পারে
  3. নতুন মামলার প্রস্তাব করতে পারে
  4. অভিযোগ সম্পর্কে পুনরায় অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
২১.
ধারা ৩৮৬ এর অধীনে আসামির কোন ধরনের সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা যাবে?
  1. কেবল স্থাবর সম্পত্তি
  2. কেবল অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):
কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;
২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর, অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না। অর্থাৎ, আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
২২.
কোন ধারা অনুযায়ী সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬২
  4. ধারা ২৬৩
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 
 
• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী-
সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
২৩.
যদি অভিযোগকারী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. নতুন তদন্তের আদেশ
  2. অভিযুক্তকে মুক্তির আদেশ
  3. অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
২৪.
গর্ভবতী নারীর মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে কী ধরনের দণ্ডে রূপান্তর করা যেতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ, নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
২৫.
দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানাটি কোন আদালতে ফেরত দিতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে
  4. চিফ জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারা: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
২৬.
ধারা ৪০২ অনুসারে, কোন শাস্তির পরিবর্তন সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া করতে পারবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্বাসন
  3. সশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লেখিত সকল শাস্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, সশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
২৭.
ধারা ২৪৯ এর অধীনে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে-
  1. কারাগারে পাঠানো হবে
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. নতুন করে বিচার করা হবে
  4. জরিমানা করা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

[In any case instituted otherwise than upon complaint,a Metropolitan Magistrate,a Magistrate of the first class or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction and may thereupon release the accused.]
২৮.
ধারা ৩৮৪ এর অধীনে পরোয়ানার নির্দেশের উদ্দেশ্য কী?
  1. দণ্ড কার্যকর করা
  2. আসামিকে মুক্তি দেওয়া
  3. মামলার শুনানি স্থগিত করা
  4. আসামিকে অন্য কারাগারে স্থানান্তর করা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

Section 384: Direction of warrant for execution:
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা কোন ধরনের অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সকল ধরনের অপরাধী
  2. নারী অপরাধী
  3. কিশোর অপরাধী
  4. সামরিক অপরাধী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:

(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein.

(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৩০.
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধুমাত্র দায়রা আদালতে
  3. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৯: কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা শাস্তি প্রদানকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট জারি করতে পারে।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৩১.
"nemo debet bis vexari" নীতির অর্থ কী?
  1. কাউকে দণ্ডিত করা উচিত নয়
  2. একজন ব্যক্তিকে শুধুমাত্র প্রথমবার কঠোরভাবে দণ্ডিত করা উচিত
  3. একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে
  4. একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।