পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes৫১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫৩
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ - সম্পূর্ণ সিলেবাস উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান, মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ বই ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৩ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি সংস্কৃত শব্দ?
  1. কাজ
  2. ভোজন
  3. বউ
  4. কানু
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত শব্দ - ভোজন
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- আহার গ্রহণ, ভক্ষণ,
- ভোজ্যদ্রব্য।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত 'কৃষ্ণ' থেকে আগত তদ্ভব শব্দ - কানু।
সংস্কৃত 'বধূ' থেকে আগত তদ্ভব শব্দ - বউ।
সংস্কৃত 'কার্য' থেকে আগত তদ্ভব শব্দ - কাজ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'গরল' বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. বিষ
  2. কুটিল
  3. অমৃত
  4. বক্র
ব্যাখ্যা
• 'গরল' বিপরীতার্থক শব্দ -  অমৃত।

উল্লেখ্য,
'গরল' শব্দের অর্থ - বিষ, বিষাক্ত ক্ষত বা ঘা।
'অমৃত' শব্দের অর্থ - যা পান করলে অমর হওয়া যায়, সুধা, পীযূষ, অতিশয় সুস্বাদু খাদ্য, স্বর্গ, বেহেশত।
'বক্র' শব্দের অর্থ - সরল নয় এমন, বাঁকা, কুটিল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'নিমেষ মাঝেই সব শেষ।' - বাক্যে 'মাঝে' অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. মধ্যে
  2. একদেশিক
  3. ক্ষণকাল
  4. ব্যাপ্তি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন অর্থে অনুসর্গের প্রয়োগ:

'মধ্যে' অর্থে - 'সীমার মাঝে অসীম তুমি'।
'একদেশিক' অর্থে - এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল।
'ক্ষণকাল' অর্থে - নিমেষ মাঝেই সব শেষ।
'ব্যাপ্তি' অর্থে - আছো তুমি জগৎ মাঝারে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য?
  1. তৎসম শব্দের ব্যাপক ব্যবহার
  2. ভাষা চটুল ও জীবন্ত
  3. উচ্চারণ গুরুগম্ভীর
  4. কাঠামো অপরিবর্তনীয়
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য:
১. চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন: করেছি, গিয়েছি।
২. চলিত ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন: তারা, তাদের।
৩. চলিত ভাষায় অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: হতে, দিয়ে।
৪. চলিত ভাষায় তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি। যেমন: হাত, মাথা, ঘি, ধোয়া।
৫. চলিত ভাষার উচ্চারণ হালকা ও গতিশীল।
৬. চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল।
৭. চলিত ভাষা চটুল, জীবন্ত ও লোকায়ত

অন্যদিকে,
সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য - সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের (সংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি। যেমন: হস্ত, মস্তক, ঘৃত, ধৌত। সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগম্ভীর। সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী। এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. উদক
  2. সমীরণ
  3. পাবক
  4. সলিল
ব্যাখ্যা
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

অন্যদিকে,
'পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জল, নীর, সলিল, অপ, উদক, তোয়, জীবন ইত্যাদি।

'আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অনল, বহ্নি, হুতাশন, পাবক, বৈশ্বানর, দহন, সর্বভুক, শিখা, হোমাগ্নি, কৃশানু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
'সন্দেশ' শব্দের প্রত্যয়গত অর্থ কী?
  1. গবেষণা
  2. মিষ্টান্ন বিশেষ
  3. সংবাদ
  4. বার্তা
ব্যাখ্যা
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।

যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"কুটুম্ব ˃ কুটুম" - এটি কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রতি
  2. বিষমীভবন
  3. স্বরলোপ
  4. অন্তর্হতি
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।

যেমন:
আটমেসে > আটাসে,
কুটুম্ব > কুটুম,
জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. প্রতিশব্দ
  2. বাগ্‌ধারা
  3. শব্দ গঠন
  4. বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা
ব্যাখ্যা
অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
"মনোজ" বলতে কী বোঝায়?
  1. ভ্রমণ করা স্বভাব যার
  2. মনে যার জন্ম
  3. মরে না যে
  4. মর্মকে ভেদকারী
ব্যাখ্যা
• 'মনে যার জন্ম' এর এক কথায় প্রকাশ - মনসিজ/ মনোজ

অন্যদিকে,
মর্মকে ভেদকারী - মর্মভেদী।
মরে না যে - অমর।
ভ্রমণ করা স্বভাব যার - ভ্রমর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
'হরহামেশা' শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. ইংরেজি
  2. ফারসি
  3. উর্দু-হিন্দি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
উর্দু-হিন্দি উপসর্গ:
হর: প্রত্যেক অর্থে - হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা

বিদেশি উপসর্গ:
আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি কর্তৃবাচ্য?
  1. তুমিই ঢাকা যাবে।
  2. তোমাদের কখন আসা হলো?
  3. আমার যাওয়া হবে না।
  4. এবার একটি গান করা হোক।
ব্যাখ্যা
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়। কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।

যেমন:
- তুমিই ঢাকা যাবে।
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।

অন্যদিকে,
ভাববাচ্য - তোমাদের কখন আসা হলো? আমার যাওয়া হবে না। এবার একটি গান করা হোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস কোনটি?
  1. ফুসফুস
  2. কণ্ঠনালী
  3. নাসিকা
  4. মুখ
ব্যাখ্যা
ধ্বনি:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে তার যে অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তা-ই ধ্বনি। মানুষের বাগ্‌যন্ত্রের সহায়তায় উচ্চারিত ধ্বনি থেকেই ভাষার সৃষ্টি।
- ধ্বনি নির্গত হয় মুখ দিয়ে। ধ্বনি উৎপাদনে মুখ, নাসিকা, কণ্ঠ প্রভৃতি বাক্-প্রত্যঙ্গ ব্যবহৃত হলেও ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস হলো ফুসফুস। ফুসফুসের সাহায্যে আমরা শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করি। ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে আসে।
- ফুসফুস থেকে বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় মুখের বিভিন্ন জায়গায় ঘষা খায়। এই ঘর্ষণের ফলে মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৩.
কোনটি শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. বিজয়
  2. বিজয়ানী
  3. বিজয়ী
  4. বিজয়িনী
ব্যাখ্যা
• পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়।

যেমন:
- তেজস্বী - তেজস্বিনী,
- যশস্বী - যশস্বিনী,
- পয়স্বী - পয়স্বিনী,
- বিজয়ী - বিজয়িনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
'কবিতা' এর বহুবচন কী হবে?
  1. কবিতারাজি
  2. কবিতাগুচ্ছ
  3. কবিতামালা
  4. কবিতাপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ:

যেমন:
- আবলি - পুস্তকাবলি।
- গুচ্ছ - কবিতাগুচ্ছ।
- পুঞ্জ - মেঘপুঞ্জ।
- মালা - পর্বতমালা।
- রাজি - তারকারাজি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
'বাঘা' শব্দে 'আ' কোন ধরনের প্রত্যয়?
  1. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  2. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ব্যতীত বাকি প্রত্যয়গুলোকে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন:
বাঘ + আ = বাঘা;
ঘর + আমি = ঘরামি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের শেষে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন:
ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা,
ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন -
অণু + ইক = আণবিক,
পুষ্প + ইত = পুষ্পিত।

বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
- সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন :
√ নাচ্ + অন = নাচন;
√ ডুব্‌ + অন্ত = ডুবন্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
কোনটি বাংলা ধাতু?
  1. গঠ্‌
  2. গম্
  3. খাদ্‌
  4. জান্‌
ব্যাখ্যা
বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।

যেমন:
- কাট্, কাঁদ্‌, জান্‌, নাচ্ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।

যেমন:
- কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্‌, স্থা, খাদ্‌ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
কোনটি যৌগিক শব্দ?
  1. কর্তব্য
  2. পঙ্কজ
  3. বাঁশি
  4. হস্তী
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দ:
- যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।

যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা - অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

অন্যদিকে,
রূঢ়ি শব্দ - হস্তী, বাঁশি।
যোগরূঢ় শব্দ - পঙ্কজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
'বিরানব্বই' শব্দটি কোন সমাস?
  1. দ্বিগু সমাস
  2. নিত্য সমাস
  3. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস
  4. প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাে নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যােগে এগুলাের অর্থ বিশদ করতে হয়।

যেমন:
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই,
- অন্য যুগ = যুগান্তর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
১৯.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. বীণা
  2. বাণিজ্য
  3. কণিকা
  4. ক্রন্দণ
ব্যাখ্যা
• কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়।

যেমন:
- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত 'ন' কখনো 'ণ' হয় না, ন হয়।
যেমন -
- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
'লেফাফা দুরস্ত' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. গভীরভাবে
  2. পরিপাটি
  3. সবকিছু
  4. গম্ভীর প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
• 'লেফাফা দুরস্ত' বাগ্‌ধারার অর্থ - পরিপাটি

অন্যদিকে,
রাশভারী - গম্ভীর প্রকৃতি।
হাড়হদ্দ - সবকিছু।
হাড়ে হাড়ে - গভীরভাবে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
কোনটি অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. মারি > মাইর
  2. বলিয়া > বলে
  3. চারি > চাইর
  4. আলাহিদা > আলাদা
ব্যাখ্যা
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অপিনিহিতি - চারি > চাইর, মারি > মাইর।
অন্তর্হতি - আলাহিদা > আলাদা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
'চালাক ছেলে' কোন বিশেষণের উদাহরণ?
  1. নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ
  2. অবস্থাবাচক বিশেষণ
  3. ভাববাচক বিশেষণ
  4. গুণবাচক বিশেষণ
ব্যাখ্যা
গুণবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।

যেমন:
- চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।

অন্যদিকে,
ভাববাচক বিশেষণ - খুব ভালো খরব। গাড়িটা বেশ জোরে চলছে। এসব বাক্যে ‘খুব’ এবং ‘বেশ’ ভাববাচক বিশেষণ।
অবস্থাবাচক বিশেষণ - চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।
নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ - এই দিনে, সেই সময় – এখানে ‘এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৩.
'বনৌষধ' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বন + ওষধি
  2. বন + ঔষধ
  3. বন + ওষুধ
  4. বন + ঔষধি
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়। ঔ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- বন + ওষধি = বনৌষধি,
- মহা + ঔষধ = মহৌষধ,
- মহা + ওষধি = মহৌষধি,
- বন + ঔষধ = বনৌষধ,
- গঙ্গা + ওঘ = গঙ্গৌঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
'বাস্তুঘুঘু' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. অতি ধূর্ত লোক
  2. কথায় পটু
  3. অতিরিক্ত চালবাজি
  4. ক্রোধী লোক
ব্যাখ্যা
• 'বাস্তুঘুঘু' বাগ্‌ধারার অর্থ - অতি ধূর্ত লোক

অন্যদিকে,
ফোঁস মনসা - ক্রোধী লোক।
ফপর দালালি - অতিরিক্ত চালবাজি।
বচনবাগীশ - কথায় পটু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
কোনটি 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. অম্বু
  2. সরিৎ
  3. প্রবাহিণী
  4. নীলাম্বু
ব্যাখ্যা
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, বারিধি, জলধি, অকূল, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- স্রোতস্বিনী, তটিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।

'পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জল, নীর, অপ, তোয়, জীবন ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৬.
'কাঁদ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √কাঁদ্ + ই
  2. √কাঁদ্ + অ
  3. √কাঁদ্ + অন
  4. √কাঁদ্ + উনি
ব্যাখ্যা
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

যেমন:
অ:
- √কাঁদ্ + অ = কাঁদ
- √ধর্ + অ = ধর,
- √চল্ + অ = চল,
- √পড়ু + অ = পড়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
২৭.
'খন্দ' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. টিলা
  2. গর্ত
  3. নালা
  4. ঢিলা
ব্যাখ্যা
• 'খন্দ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - টিলা

উল্লেখ্য,
'খন্দ' শব্দের অর্থ - নালা, গর্ত, নিম্নভূমি।
'টিলা' শব্দের অর্থ - মাটির উঁচু ঢিবি।

অন্যদিকে,
টান - ঢিলা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৮.
‘হাতি’ শব্দে ‘হ’ কোন ব্যঞ্জনধ্বনি?
  1. কম্পিত ব্যঞ্জন
  2. কণ্ঠনালীয়
  3. ওষ্ঠ্য
  4. মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাতি শব্দের কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
কম্পিত ব্যঞ্জন - র।
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ়।
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন - প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৯.
'ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’ প্রবাদ প্রবচনের অর্থ কী?
  1. সৌভাগ্যবান হলে মৃত্যুর হাত থেকেও রক্ষা পাওায়া যায়
  2. মর্মান্তিক আঘাতের উপর আঘাত
  3. অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা
  4. অপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই
ব্যাখ্যা
• 'ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’ প্রবাদ প্রবচনের অর্থ - অপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই

অন্যদিকে,
গরিবের ঘোড়া রোগ - অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা।
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা - মর্মান্তিক আঘাতের উপর আঘাত।
রাখে হরি মারে কে? - সৌভাগ্যবান হলে মৃত্যুর হাত থেকেও রক্ষা পাওায়া যায়।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩০.
'Counteraction' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. প্রতিরূপ
  2. প্রতিসাক্ষ্য
  3. প্রতিরোধ
  4. প্রতিদাবি
ব্যাখ্যা
• 'Counteraction' এর বাংলা পরিভাষা - প্রতিরোধ

অন্যদিকে,
Counterclaim - প্রতিদাবি। 
Counterevidence - প্রতিসাক্ষ্য। 
Counterpart  - প্রতিরূপ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
৩১.
কোনটি আরবি শব্দ?
  1. হাঙ্গামা
  2. গোয়েন্দা
  3. মোহর
  4. আমির
ব্যাখ্যা
• আরবি শব্দ - আমির
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- বিত্তবান, ধনী, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি।
- সম্পৎশালী ব্যক্তি, আরব শাসকের উপাধি।

অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - মোহর, গোয়েন্দা এবং হাঙ্গামা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩২.
অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. তধ্‌ + মাত্র = তন্মাত্র
  2. উৎ + লাস = উল্লাস
  3. ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি
  4. উৎ + নীত = উন্নীত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ  - তধ্‌ + মাত্র = তন্মাত্র। এর শুদ্ধরূপ - তদ্‌ + মাত্র = তন্মাত্র।

সন্ধির নিয়ম:

- আগে ৎ বা দ্‌ এবং ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ বা দ্‌ স্থানে 'ন্‌' হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে 'ন্ন' কিংবা ম-এর সঙ্গে মিলে 'ন্ম' হয়। কিন্তু, ৎ / দ্-এর পর ল্ থাকলে ৎ / দ্ সন্ধিতে 'ল্‌' হয় এবং ল্ পরের ল-এর সঙ্গে মিলে 'ল্ল' হয়।

যেমন:
- উৎ + নীত = উন্নীত,
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি,
- উৎ + লাস = উল্লাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৩.
কোনটি অশুদ্ধ বাক্য?
  1. মালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে।
  2. কৃত্তিবাস বাংলা রামায়াণ লিখেছেন।
  3. যার লাঠি, তার ঘাঁটি।
  4. সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিয়েছে।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কৃত্তিবাস বাংলা রামায়াণ লিখেছেন ও গ) যার লাঠি, তার ঘাঁটি।
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
----------------------- 

অশুদ্ধ বাক্য: যার লাঠি, তার ঘাঁটি।
শুদ্ধ বাক্য: যার লাঠি, তার মাটি।

অশুদ্ধ বাক্য: কৃত্তিবাস বাংলা রামায়াণ লিখেছেন।
শুদ্ধ বাক্য: কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখেছেন।

অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য: সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: বমাল বা মালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৪.
'প্লবগ' শব্দটি দিয়ে কী বোঝায়?
  1. পা দিয়ে যে চলেনা
  2. ত্বরিত গমন করতে পারে যে
  3. উরস দিয়ে হাটে যে
  4. লাফিয়ে চলে যে
ব্যাখ্যা
• 'লাফিয়ে চলে যে' এর এককথায় প্রকাশ - প্লবগ।

অন্যদিকে,
উরস (বক্ষ) দিয়ে হাটে যে - উরগ।
ত্বরিত গমন করতে পারে যে - তুরগ।
পা দিয়ে যে চলেনা - পন্নগ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৩৫.
"চালকুমড়া" শব্দটি কোন সমাস?
  1. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
  2. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
  3. উপমান কর্মধারয় সমাস
  4. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যথা:
সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
চালে আশ্রিত কুমড়া = চালকুমড়া,
হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৩৬.
নিচের কোনটি জাতি-বিশেষ্য?
  1. গীতাঞ্জলি
  2. হাবিব
  3. ছাগল
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
জাতি-বিশেষ্য:
- জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়।

যেমন:
- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
নাম-বিশেষ্য - বাংলাদেশ, হাবিব, গীতাঞ্জলি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৩৭.
'শ্মশান' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. শ্বশান্‌
  2. শঁশান্
  3. শ্বঁশান্‌
  4. শশ্বানঁ
ব্যাখ্যা
ম বর্ণের উচ্চারণ:
- ম বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]। শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়,

যেমন:
- শ্মশান [শঁশান্],
- স্মরণ [শঁরোন্]।

• শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়।
যেমন:
- আত্মীয় [আতিঁয়ো], পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।

• কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্- এর উচ্চারণ বজায় থাকে।
যেমন:
- যুগ্ম [জুগ্‌মো],
- জন্ম [জমো],
- গুল্ম [গুমো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
৩৮.
'Demographic' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জনতাত্ত্বিক
  3. গণতন্ত্র
  4. জনতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
'Demographic' এর বাংলা পরিভাষা - জনতাত্ত্বিক

অন্যদিকে,
Demography - জনতত্ত্ব।
Democracy - গণতন্ত্র।
Socialism - সমাজতন্ত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
৩৯.
'ধেনু' শব্দের অর্থ কী?
  1. পাখি
  2. হাতি
  3. গাভি
  4. ঘোড়া
ব্যাখ্যা
• 'ধেনু' শব্দের অর্থ - নবপ্রসূতা গাভি, দুগ্ধ বতী গাভি; গাভি

অন্যদিকে,
'ঘোড়া' শব্দের অর্থ - ঘোড়া ঘোটক, তুরঙ্গম, হয়।
'হাতি' শব্দের অর্থ - হস্তী, কুঞ্জর, কর, করী, মাতঙ্গ।
'পাখি' শব্দের অর্থ - পক্ষী, বিহগ, দ্বিজ, খেচর, খগ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪০.
'বয়োধিক' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বয়স + অধিক
  2. বয় + অধিক
  3. বয়ঃ + অধিক
  4. বয়সঃ + অধিক
ব্যাখ্যা
বিসর্গ সন্ধি:
- অ-ধ্বনির সঙ্গে বিসর্গ এবং পরে অ-ধ্বনি থাকলে বিসর্গ ও অ-ধ্বনি স্থলে ও-কার হয়।

যেমন:
- ততঃ + অধিক = ততোধিক, 
- যশঃ + অভিলাষ = যশোভিলাষ, 
- বয়ঃ + অধিক = বয়োধিক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
৪১.
'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. বিবমিষা
  2. উপবিষ্ট
  3. অবৈতনিক
  4. বিবক্ষা
ব্যাখ্যা
• 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবমিষা

অন্যদিকে,
বলবার ইচ্ছা - বিবক্ষা।
বসে আছে যে - আসীন, উপবিষ্ট।
বেতন নেওয়া হয় না যাতে - অবৈতনিক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪২.
'ঘরমুখো' শব্দটি কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. নিত্য সমাস
  4. প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি।

যথা:
- এক দিকে চোখ (দৃষ্টি) যার = একচোখা (চোখ+আ),
- ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (মুখ+ও),
- নিঃ (নেই) খরচ যার = নি-খরচে (খরচ+এ)।
- এরকম: দোটানা, দোমনা, একগুঁয়ে, অকেজো, একঘরে, দোনলা, দোতলা, ঊনপাঁজুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৩.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. শুশ্রূষা
  2. আভ্যন্তর
  3. বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. নৈঋত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - নৈঋত
- এর শুদ্ধ বানান - নৈর্ঋত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকের মধ্যবর্তী কোণ,
- রাক্ষসবিশেষ।

অন্যদিকে,
- বন্দ্যোপাধ্যায়, আভ্যন্তর এবং শুশ্রূষা - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৪.
‘স্বাদ’ ও ‘সাদ’ শব্দের অর্থ যথাক্রমে -
  1. ইচ্ছা ও সুর
  2. আস্বাদ ও ইচ্ছা
  3. তির ও আস্বাদ
  4. খোঁপা ও সুর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে - আস্বাদ ও আলস্য। 
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটির উত্তর তুলে নেওয়া হলো। 
----------------- 

• ‘স্বাদ’ শব্দের অর্থ - আস্বাদ
• ‘সাদ’ শব্দের অর্থ - আলস্য

অন্যদিকে,
'শর' শব্দের অর্থ - তির।
'স্বর' শব্দের অর্থ - সুর।
'কবরী' শব্দের অর্থ - খোঁপা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

৪৫.
'কলম থাকলে লেখা যেত।' - বাক্যটির জটিল রূপ কী হবে?
  1. কলম থাকলে না হয় লেখা যেত।
  2. কলম থাকলেও লেখা যেত না।
  3. যদি কলম থাকত, তাহলে লেখা যেত।
  4. যতি একটি কলম থাকতো এবং লেখা যেত।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য থেকে জটিল পরিবর্তন:
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।

যেমন
সরল বাক্য: কলম থাকলে লেখা যেত।
জটিল বাক্য: যদি কলম থাকত, তাহলে লেখা যেত।

সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।
জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৬.
কোন শব্দে সমাস ঘটিত অপপ্রয়োগ হয়েছে?
  1. পিতৃহারা
  2. নির্ধনী
  3. অহর্নিশ
  4. যুবরাজ
ব্যাখ্যা
• 'নির্ধনী' - শব্দে সমাস ঘটিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
'নির্ধন' শব্দের শুদ্ধরূপ - নির্ধন।

অন্যদিকে,
- যুবরাজ,
- অহর্নিশ, 
- পিতৃহারা।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৭.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. শাশুড়ী
  2. শাশুড়ি
  3. শ্বাশুড়ী
  4. শ্বাসুড়ি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - শাশুড়ি
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- স্বামী বা স্ত্রীর মাতা বা তৎস্থানীয়া নারী, শ্বশু।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৮.
'আদান' শব্দের 'আ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিপরীত
  2. ঈষৎ
  3. পর্যন্ত
  4. সম্মুখ
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত উপসর্গ '' এর ব্যবহার:
পর্যন্ত অর্থে = আকণ্ঠ, আমরণ, আসমুদ্র।
ঈষৎ অর্থে = আরক্ত, আভাস।
বিপরীত অর্থে = আদান, আগমন।

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
- যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৪৯.
'গরুতে গাড়ি টানে।' - বাক্যে 'গরুতে' কোন কারক?
  1. কর্ম
  2. করণ
  3. কর্তা
  4. অধিকরণ
ব্যাখ্যা
কর্তা কারক:
- ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।

যেমন:

শিহাব বই পড়ে।
শিমুলকে যেতে হবে।
নজরুল কর্তৃক অগ্নিবীণা রচিত হয়েছে।
আমার খাওয়া হয়নি।
গরুতে গাড়ি টানে। সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
৫০.
'আনন্দ' শব্দটি কোন বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ভাব বিশেষ্য
  2. বস্তু-বিশেষ্য
  3. গুণ-বিশেষ্য
  4. নাম-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
গুণ-বিশেষ্য:
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।

যেমন:
- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
নাম-বিশেষ্য - সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা, ঢাকা, হিমালয়, পদ্মা।
বস্তু-বিশেষ্য - ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।
ভাববাচক বিশেষ্য - ভোজন, শয়ন, দর্শন, দেখা, শোনা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
৫১.
কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. খেয়াঘাট
  2. গরুরগাড়ি
  3. পাঁচকম
  4. একোন
ব্যাখ্যা
তৎপুরুষ সমাস:
- সমাস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

অলুক তৎপুরুষ:
- কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লােপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ।

যেমন:
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা, 
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি,
- খেলার মাঠ = খেলারমাঠ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস - এক দ্বারা ঊন = একোন, পাঁচ দ্বারা কম = পাঁচকম।
যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস - খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫২.
'ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে।' - এখানে 'ঘরেতে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে সপ্তমী
  2. করণে সপ্তমী
  3. কর্মে সপ্তমী
  4. অধিকরণে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত -'এ', –'য়', -'য়ে', -তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- আমি আগামীকাল বাড়ি যাব।
- মন আমার নাচেরে আজিকে
- খিলিপান দিয়ে ঔষধটা খেয়ে নিও।
- ছাদ থেকে নদী দেখা যায়।
- ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে। অধিকরণে সপ্তমী।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
৫৩.
শুদ্ধ বানান -
  1. উন্মীলীত
  2. শিরপীড়া
  3. দূরীভুত
  4. চর্ব্যচূষ্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - চর্ব্যচূষ্য
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- চিবিয়ে বা চুষে খেতে হয় এমন,
- বিবিধ সুস্বাদু খাদ্যবস্তু।

অন্যদিকে,
দূরীভুত - দূরীভূত।
শিরপীড়া - শিরঃপীড়া।
উন্মীলীত - উন্মীলিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।