পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৮৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯০ প্রশ্ন

.
'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি জীবনকে কোন উপমায় উপস্থাপন করেছেন?
  1. নিশার স্বপন
  2. সোনার দিন
  3. নদীর স্রোত
  4. পাহাড়ের চূড়া
সঠিক উত্তর:
নিশার স্বপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশার স্বপন
ব্যাখ্যা

• 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি জীবনকে 'নিশার স্বপন' উপমায় উপস্থাপন করেছেন।
- কবিতাটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবিতাবলী' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

জীবন-সঙ্গীত
  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

বলো না কাতর স্বরে
বৃথা জন্ম এ সংসারে
এ জীবন নিশার স্বপন,
দারা পুত্র পরিবার,
তুমি কার কে তোমার
বলে জীব করো না ক্রন্দন;
মানব-জনম সার,
এমন পাবে না আর
বাহ্যদৃশ্যে ভুলো না রে মন;
কর যত্ন হবে জয়,
জীবাত্মা অনিত্য নয়,
ওহে জীব কর আকিঞ্চন

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়:
- কবি, আইনজীবী হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ে জন্ম ১৮৩৮ সালের ১৭ এপ্রিল হুগলির গুলিটা গ্রামে মাতামহের বাড়িতে।
- হেমচন্দ্রের প্রধান পরিচয় একজন দেশপ্রেমিক কবি হিসেবে।
- হেমচন্দ্রের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'চিন্তাতরঙ্গিণী' ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা হচ্ছে 'বৃত্রসংহার' (২ খণ্ড, ১৮৭৫-৭৭) মহাকাব্য। মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে মূলত সমসাময়িক সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় ঘোষিত হয়েছে।

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- চিন্তাতরঙ্গিণী,
- বীরবাহু কাব্য (আখ্যান কাব্য),
- আশাকানন (রূপক কাব্য),
- কবিতাবলী (খণ্ড কবিতার সংকলন),
- ছায়াময়ী,
- দশমহাবিদ্যা,
- চিত্তবিকাশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
"বাংলা নিশ্চয়ই, বাংলার প্রায় মূর্তি-অবহটঠের সদ্যোনির্মোক মুক্ত রূপ" - চর্যাপদ সম্পর্কে উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত
  2. রাহুল সাংকৃত্যায়ন
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  4. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের প্রধান আলোচকগণ:
- বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
- চর্যাগীতির বৈয়াকরণ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে দেখালেন চর্যাপদ 'বাংলা নিশ্চয়ই, বাংলার প্রায় মূর্তি-অবহটঠের সদ্যোনির্মোক মুক্ত রূপ।'
- ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার এবং ১৯৩৮ সালে তা প্রকাশ করে চর্যার জট উন্মোচন করেন।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ১৯২৭ সালে চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন এবং ১৯৪২ সালে চর্যাপদের সঠিক পাঠ নির্ণয় করে আলোচনার পথ আরও সহজ করেন।
- ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৪৬ সালে চর্যাগীতির অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ করেন। বিহারের প্রখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'The Abbey of Bliss' নামে 'আনন্দমঠ' উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ করেন কে?
  1. শ্রী অরবিন্দ
  2. রমেশচন্দ্র দত্ত
  3. নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
  4. উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা

'আনন্দমঠ' উপন্যাস:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিতে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ১৮৮২ সালে।
- উপন্যাসটিতে প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে স্বদেশভক্তি, স্বজাতি ও স্বধর্মপ্রীতি।
- নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত 'The Abbey of Bliss' (1907) এবং শ্রী অরবিন্দ 'Ananda Math' (1910) নামে উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- এটি মূলত বাস্তবানুগ রোমান্সধর্মী উপন্যাস। এই গ্রন্থ থেকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনায় স্বসম্প্রদায়প্রীতি লক্ষ করা যায়।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমূহ:
- দুর্গেশনন্দিনী,
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম কী?
  1. জরাসন্ধ
  2. বাণভট্ট
  3. সুনন্দ
  4. চিত্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
জরাসন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরাসন্ধ
ব্যাখ্যা

• চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ

অন্যদিকে
নীহাররঞ্জন গুপ্তের ছদ্মনাম - বাণভট্ট।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - সুনন্দ।
সতীনাথ ভাদুড়ীর ছদ্মনাম - চিত্রগুপ্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"শুকপাখি" - কোন পালার চরিত্র?
  1. মহুয়া
  2. কাজলরেখা
  3. কমলা
  4. রূপবতী
সঠিক উত্তর:
কাজলরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজলরেখা
ব্যাখ্যা

কাজলরেখা:
- ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সংগৃহীত কয়েকটি পালা ও রূপকথা মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনে সংকলিত হয়।
- "কাজলরেখা" মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
- এদের মধ্যে কাজলরেখা কোনো পালা নয়। এটা পদ্য ও গল্পাকারে বর্ণিত রূপকথা। এর রচয়িতা কে তা জানা যায়নি।

উল্লেখ্যযোগ্য চরিত্র:
- ধনেশ্বর,
- কাজলরেখা,
- রত্নেশ্বর,
- শুকপাখি

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. পানকৌড়ির রক্ত
  2. অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না
  3. ডাহুকী
  4. আগুনের মেয়ে
সঠিক উত্তর:
অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ - অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না।

আল মাহমুদ:

- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. ভারতী
  2. সবুজপত্র
  3. জ্ঞানাঙ্কুর
  4. কল্লোল
সঠিক উত্তর:
সবুজপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজপত্র
ব্যাখ্যা

'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যতম উপন্যাস 'চতুরঙ্গ'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর মধ্যে সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তিতে ফেলেছে চতুরঙ্গ।
- ১৩২১ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন সংখ্যা পর্যন্ত মাসিক 'সবুজপত্রে' এই উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল
- 'সবুজপত্র'র তৎকালীন পাঠকরা ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে আলাদা আলাদা গল্প উপহার পাচ্ছেন।
- বস্তুত পত্রিকায় প্রকাশিত হবার সময় উপন্যাসের অধ্যায়গুলোকে আলাদা আলাদা গল্পের শিরোনাম দিয়ে ছাপা হচ্ছিল।
গল্পগুলোর নাম ছিল যথাক্রমে- জ্যাঠামশায়, শচীশ, দামিনী, শ্রীবিলাস। এই বইখানির নাম একত্রে 'চতুরঙ্গ'। 'জ্যাঠামশায়', 'শচীশ', 'দামিনী' ও 'শ্রীবিলাস' ইহার চারটি অংশ।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- জ্যাঠামশায়,
- শচীশ,
- দামিনী,
- শ্রীবিলাস

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

.
'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করতেন কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. রণেশ দাশগুপ্ত
  4. দীনেশরঞ্জন দাশ
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।  
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
- 'কল্লোল’, ‘কালিকলম', ‘পরিচয়’- এর নাম একসঙ্গে উচ্চারণের দাবি রাখে।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে, 
- 'কবিতা' বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা।
- ‘ক্রান্তি’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন রণেশ দাশগুপ্ত।
- 'কল্লোল' প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।।' - এটি চর্যাপদের কত নং পদ?
  1. ১নং 
  2. ৩৩নং 
  3. ২৪নং 
  4. ২৩নং 
সঠিক উত্তর:
৩৩নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩নং 
ব্যাখ্যা

ঢেণ্ডণপা:
- ঢেণ্ডণপা নবম শতকের কবি ছিলেন।
- তিনি পেশায় তাঁতি ছিলেন।
- চর্যাকার ঢেগুণপা রচিত পদসংখ্যা ১টি (৩৩নং পদ)।
- এই একটি পদে বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।

ঢেণ্ডণপা রচিত পদ:

'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।।' - এটি চর্যাপদের ৩৩নং পদ।
- অর্থাৎ লোক শূন্য স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি। হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রেমিক এসে ভিড় করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
'মোরা সবাই স্বাধীন সবাই রাজা' - প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. দুর্দিনের যাত্রী
  2. যুগবাণী
  3. রাজবন্দীর জবানবন্দী
  4. রুদ্র-মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
দুর্দিনের যাত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্দিনের যাত্রী
ব্যাখ্যা

'দুর্দিনের যাত্রী' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ - দুর্দিনের যাত্রী।
- এই প্রবন্ধে দেশপ্রেমের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ: আমি সৈনিক; মোরা সবাই স্বাধীন সবাই রাজা; স্বাগত; তুবড়ি বাঁশির ডাক।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।
২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- রাজবন্দীর জবানবন্দী,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্র-মঙ্গল,
- অন্যান্য প্রবন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১.
"গাজীবিজয়" - কাব্যটি কোন মধ্যযুগের কবি রচনা করেন?
  1. সৈয়দ হামজা 
  2. ফকির গরীবুল্লাহ
  3. শেখ ফয়জুল্লাহ
  4. সৈয়দ সুলতান 
সঠিক উত্তর:
শেখ ফয়জুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা

শেখ ফয়জুল্লাহ:
- শেখ ফয়জুল্লাহ (১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
- তাঁর জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আছে।
- বিভিন্ন মতে তাঁর জন্মস্থান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বারাসত, দক্ষিণ রাঢ় এবং কুমিল্লার নাম উল্লিখিত হয়েছে।
- তিনি জয়নবের চৌতিশা, সুলতান জমজমা, রাগমালা ও পদাবলী কাব্য রচনা করেন।

শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত কাব্য:
- সত্যপীরবিজয়,
- গোরক্ষবিজয়ও
- গাজীবিজয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
'অ্যা গ্রামার অফ দ্যা বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' - গ্রন্থটি কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. হুগলি
  2. ঢাকা
  3. কলকাতা
  4. লিসবন
সঠিক উত্তর:
হুগলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুগলি
ব্যাখ্যা

'অ্যা গ্রামার অফ দ্যা বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ':
- ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচিত 'অ্যা গ্রামার অফ দ্যা বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি হুগলি থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ।

ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড:
- ১৭৫১ সালের ২৫ মে লন্ডনের এক উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে হ্যালহেডের জন্ম।
- তিনি প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক ছিলেন।
-  তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান রচনার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩.
'নবান্ন' নাটকটি রচনা করেন কে?
  1. বিজন ভট্টাচার্য
  2. নবীনচন্দ্র সেন
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. সরদার জয়েনউদ্‌দীন
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

'নবান্ন' নাটক: 
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন।
- এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক: 
- নবান্ন, 
- জনপদ, 
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি বাঁকুড়া জেলার কোন গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয়?
  1. নানুর
  2. কাঁকিল্যা
  3. চণ্ডীপুর
  4. বীরসিংহ
সঠিক উত্তর:
কাঁকিল্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁকিল্যা
ব্যাখ্যা

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। ভাগবত প্রভৃতি পুরাণের কৃষ্ণলীলা-সম্পর্কিত কাহিনি অনুসরণে, জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যের প্রভাব স্বীকার করে, লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম-সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে কবি বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেন।
- ১৯০৯ সালে (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে পুঁথি আকারে অযত্নে রক্ষিত এ কাব্য আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন অধ্যায়ের সংযোজন ঘটান। বৈষ্ণব মহান্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র-বংশজাত দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের অধিকারে এই গ্রন্থটি রক্ষিত ছিল।
- ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। খণ্ডগুলো হল: জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, কালিয়দমনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহখণ্ড।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৫.
মীর মশাররফ হোসেন 'উদাসীন পথিকের মনের কথা' গ্রন্থে প্রধানত কী তুলে ধরেছেন?
  1. কাল্পনিক যুদ্ধের কাহিনি
  2. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
  3. পারিবারিক ইতিহাস ও সমসাময়িক বাস্তব ঘটনা
  4. গ্রাম্য লোকগাথা
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক ইতিহাস ও সমসাময়িক বাস্তব ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক ইতিহাস ও সমসাময়িক বাস্তব ঘটনা
ব্যাখ্যা

উদাসীন পথিকের মনের কথা:
- 'উদাসীন পথিক' এই ছদ্মনামে মীর মশাররফ হোসেন ব্যক্তিগত জীবনের পটভূমিতে স্বীয় পারিবারিক ইতিহাস ও সমসাময়িক বাস্তব ঘটনার চিত্র তুলে ধরেছেন এ গ্রন্থে।
- "উদাসীন পথিকের মনের কথা” (১৮৯০) কে প্রকৃতপক্ষে উপন্যাস বা আত্মজীবনীমূলক রচনা এর কোনোটাই বলা যায় না।
- বরং বলতে হয়, গ্রন্থটি লেখকের আত্মজীবননির্ভর কতিপয় বাস্তব ও কাল্পনিক ঘটনার মিশেল উপন্যাসসুলভ সাহিত্যিক উপস্থাপনা।
- এতে লেখকের পারিবারিক ইতিবৃত্ত বর্ণনা এবং নিজের মাতা-পিতাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে চিত্রিত হতে দেখা যায়। উদাসীন পথিকের মনের কথায় হিন্দু-মুসলমানের যে মিলন-কামনা আছে, তার গভীর তাৎপর্য স্বীকার করতে হয়।

মীর মশাররফ হোসেন:
- তিনি ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' (১৮৩১) ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'-র (১৮৬৩) মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রত্নবতী,
- বিষাদ-সিন্ধু,
- উদাসীন পথিকের মনের কথা।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
'বিতংস' শব্দের অর্থ কী?
  1. অশ্বারোহী
  2. পশুপাখি ধরার ফাঁদ
  3. সাপের খোলস
  4. ব্যাঙের ডাক
সঠিক উত্তর:
পশুপাখি ধরার ফাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশুপাখি ধরার ফাঁদ
ব্যাখ্যা

• 'বিতংস' শব্দের অর্থ - পশুপাখি ধরার জাল বা ফাঁদ

অন্যদিকে,
'সাদি' শব্দের অর্থ - অশ্বারোহী, গজারোহী,  রথারোহী, আরোহী।
'নির্মোক' শব্দের অর্থ - সাপের খোলস।
'মকমক' শব্দের অর্থ - ব্যাঙের ডাক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৭.
'রদ' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী?
  1. মওকুফ
  2. বিস্তার
  3. বহাল
  4. পরিবর্তিত
সঠিক উত্তর:
বহাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহাল
ব্যাখ্যা

• 'রদ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বহাল

উল্লেখ্য,
'রদ' শব্দের অর্থ - বাতিল, খারিজ, মওকুফ, বর্জিত, পরিবর্তিত
'বলবৎ' শব্দের অর্থ - বহাল; প্রচলিত; কার্যকর।

অন্যদিকে,
সংক্ষেপ - বিস্তার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৮.
'লাফ প্রদান করিল' - এটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. যোগ্যতার অভাব
  2. বাহুল্য দোষ
  3. দুর্বোধ্য
  4. গুরুচণ্ডালী দোষ
সঠিক উত্তর:
গুরুচণ্ডালী দোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুচণ্ডালী দোষ
ব্যাখ্যা

• 'লাফ প্রদান করিল' এটি গুরুচণ্ডালী দোষে অশুদ্ধ
- এর শুদ্ধ রূপ - লম্ফ প্রদান করিল / লাফ দিল।

গুরুচণ্ডালী দোষ:
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় গুরুচণ্ডালী দোষ।
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনও কখনও গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
- বাক্যে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটলে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে।

যেমন:
- গরুর গাড়ি, শবদাহ, মড়াপোড়া প্রভৃতি হলো তৎসম শব্দ। গঠন ও অর্থের দিক থেকে এসব শব্দের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বলা হয় যথাক্রমে গরুর শকট, শবপোড়া, মড়াদাহ; তাহলে দেশীয় শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটে এবং তাতে শব্দ গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি অষ্টম শ্রেণি এবং ভাষা ও শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

১৯.
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. নাতবৌ
  2. কুড়িক
  3. উচ্চারণ
  4. চাট্টি
সঠিক উত্তর:
কুড়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িক
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ নয় - কুড়িক। স্বরসন্ধির উদাহরণ - কুড়ি + এক = কুড়িক।

ব্যঞ্জনসন্ধি:

- স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

যেমন:
- নাতি + বৌ = নাতবৌ,
- উৎ + চারণ = উচ্চারণ,
- চার + টি = চাট্টি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২০.
'Rebate' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. সংস্কার
  2. রেয়াত
  3. অন্তর্ঘাত
  4. প্রাপক
সঠিক উত্তর:
রেয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেয়াত
ব্যাখ্যা

• 'Rebate' এর বাংলা পরিভাষা - ছাড়; রেয়াত;।

অন্যদিকে,
Sacrament -  সংস্কার।
Sabotage - অন্তর্ঘাত।
Recipient - প্রাপক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

২১.
"গ্রাম > গেরাম" - এটি কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অপিনিহিতি
  2. সম্প্রকর্ষ
  3. বিপ্রকর্ষ
  4. আদি স্বরাগম
সঠিক উত্তর:
বিপ্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপ্রকর্ষ
ব্যাখ্যা

বিপ্রকর্ষ, মধ্যস্বরাগম বা স্বরভক্তি:
- মাঝে মাঝে উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি এলে তাকে মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি বলে।

যেমন:
- রত্ন > রতন,
- প্রীতি > পিরীতি,
- গ্রাম > গেরাম,
- শ্লোক > শোলোক,
- কুর্ক > কোরোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।
  2. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের স্বীকার হন। 
  3. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন। 
  4. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন। 
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক শব্দ: দারিদ্র্য, দরিদ্রতা
• সে অনুসারে শুদ্ধ বাক্য - গ) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন। এবং ঘ) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
অপশন - ক: বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।
এই বাক্যে 'বিদ্যান' বানান ভুল।
অশুদ্ধ: বিদ্যান।
শুদ্ধ: বিদ্বান।

অপশন - খ: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের স্বীকার হন।
এই বাক্যে 'স্বীকার' বানান ভুল।
অশুদ্ধ: স্বীকার।
শুদ্ধ: শিকার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
'রাত' শব্দের সমার্থক শব্দ - 
  1. সোম
  2. নিশা
  3. বিধু
  4. নিশাকর
সঠিক উত্তর:
নিশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশা
ব্যাখ্যা

'রাত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রাত্রি, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী।

অন্যদিকে,
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
কর্মধারয় সমাস নয় কোনটি?
  1. কাঁচকলা
  2. মামাবাড়ি
  3. দুঃশাসন
  4. মহাত্মা
সঠিক উত্তর:
মামাবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামাবাড়ি
ব্যাখ্যা

কর্মধারয় সমাস:
- মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা,
- দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন,
- মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা

অন্যদিকে,
- মামার বাড়ি = মামাবাড়ি - তৎপুরুষ সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫.
কোনটি তুর্কি শব্দ?
  1. বাস
  2. মোগল
  3. কাতান
  4. কামরা
সঠিক উত্তর:
মোগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোগল
ব্যাখ্যা

• তুর্কি শব্দ - মোগল
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- মঙ্গোলিয়া থেকে বাবরের নেতৃত্বে ভারতে আগত সাম্রাজ্য স্থাপন-কারী জাতিবিশেষ।
- মঙ্গোলিয়ার অধিবাসী।

অন্যদিকে,
ইংরেজি শব্দ - বাস।
দেশি শব্দ - কাতান।
পর্তুগিজ শব্দ - কামরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

২৬.
'থালা' শব্দের 'থ' এবং 'ল' বর্ণ দুটি কোন ধরনের ব্যঞ্জন?
  1. ওষ্ঠ্য এবং দন্ত্য
  2. দন্ত্য এবং দন্তমূলীয়
  3. মূর্ধন্য এবং দন্তমূলীয়
  4. ওষ্ঠ্য এবং দন্তমূলীয়
সঠিক উত্তর:
দন্ত্য এবং দন্তমূলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দন্ত্য এবং দন্তমূলীয়
ব্যাখ্যা

• 'থালা' শব্দের 'থ' এবং 'ল' বর্ণ দুটি 'দন্ত্য এবং দন্তমূলীয়' ধরনের ব্যঞ্জন।

দন্ত্য ব্যঞ্জন:

- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, , দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র,, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরচিত।
 যেমন: 
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৭.
নিচের কোন শব্দের বানান সঠিক?
  1. প্রতিতি
  2. প্রতীতি
  3. প্রতীতী
  4. প্রতিতী
সঠিক উত্তর:
প্রতীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতীতি
ব্যাখ্যা

• সঠিক বানান - প্রতীতি। 
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- উপলব্ধি; জ্ঞান।
- বিশ্বাস, প্রত্যয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৮.
কোনটি বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়?
  1. ইক
  2. আনা
  3. ইত
সঠিক উত্তর:
আনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনা
ব্যাখ্যা

বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- মুসাফির + খানা  = মুসাফিরখানা;
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় - অণু + ইক = আণবিক, পুষ্প + ইত= পুষ্পিত।
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় - থাল + = থালা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯.
কোনটি সংযোগ ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. ঠনঠন করা
  2. এগিয়ে চলা
  3. সরে দাঁড়ানো
  4. মরে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
ঠনঠন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠনঠন করা
ব্যাখ্যা

সংযোগ ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন:
- গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
যৌগিক ক্রিয়া:
- সমাপিকা ক্রিয়ার সাথে অসমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়।
যেমন:
- মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, বুঝে নেওয়া, সরে দাঁড়ানো
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৩০.
The phrase “36 July” in the line, "36 July shall not fade" is an example of-
  1. Pun
  2. Metaphor
  3. Synecdoche
  4. Simile
সঠিক উত্তর:
Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Metaphor
ব্যাখ্যা

• The phrase “36 July” in the line, "36 July shall not fade" is an example of a metaphor.

- It metaphorically “extends time” to express prolonged resistance.
- অর্থাৎ, “36 July” = আন্দোলন/বিপ্লবের এক ‘অমর দিন’ বা ‘স্মৃতির প্রতীক’ -এটা Literal অর্থ নয়, বরং Symbolic/Metaphorical অর্থ।
- অর্থা, “36 July” কে metaphorically ৫ আগস্ট বুঝাচ্ছে এবং জুলাইয়ের spirit (৩৬ জুলাই ম্লান হবে না) শেষ হবে না বুঝানো হচ্ছে।

- “36 July” এখানে একটি ঐতিহাসিক-রাজনৈতিক ঘটনা, গণজাগরণ, দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি/প্রতিরোধের চেতনাকে বোঝাতে রূপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।

• Metaphor (রূপকালংকার):
- A figure of speech in which a word/phrase is applied to something it is not literally applicable to.
- অভেদ কল্পনার মাধ্যমে বিশেষ ভাব প্রকাশের জন্য যে শব্দ প্রয়াগ করা হয়, তাই হলো Metaphor (রূপক)।

অন্যদিকে,
• Pun:
- A humorous use of a word or phrase that has several meanings or that sounds like another word.
- শব্দ-কৌতুক; একই ধ্বনিবিশিষ্ট কিন্তু বিভিন্নার্থক শব্দ প্রয়োগে সৃষ্ট হাস্যরস।
- যেমন: 

• Synecdoche:
- a word or phrase in which a part of something is used to refer to the whole of it, or the whole of something is used to refer to a part.
- (ব্যাকরণ আলংকারিক অর্থ) বাক্যালংকারবিশেষ, যাতে একটি অংশ সমগ্রকে নির্দেশ করে (যেমন 50 ships অর্থে 50 sails); প্রতিরূপক।
- যেমন:
- "a pair of hands" for "a worker".
- "the law" for "a police officer".

• Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: The tallest building in town is the library — it has thousands of stories!
- A pun on the difference between stories in books and stories (floors) in a building.

৩১.
"It was the best of times, it was the worst of times" is the opening line of the famous novel-
  1. A Tale of Two Cities
  2. Hard Times
  3. Pride and Prejudice
  4. Great Expectations
সঠিক উত্তর:
A Tale of Two Cities
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Tale of Two Cities
ব্যাখ্যা

• "It was the best of times, it was the worst of times" is the opening line of the famous novel 'A Tale of Two Cities'.

• উপন্যাসটি শুরু হয়েছে এই বিখ্যাত লাইনটি দিয়ে-
- "It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair." (First Line)

- উপন্যাসের শেষ লাইন হলো-
- "It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known."

• The Tale of Two Cities:
- উপন্যাসটি লিখেছেন Charles Dickens.
- এটি ১৮৫৯ সালে গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়।
- এখানে Two Cities বলতে কবি London এবং Paris কে বুঝিয়েছেন।
- এই Novel টির কাহিনি London and Paris city-কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- এ উপন্যাসটি French Revolution এর প্রেক্ষাপটে রচিত।

• Main characters:
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Charles Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge, etc.

• Charles Dickens (1812-1870):
- তিনি Victorian period এর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন।
- তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.
- তিনি মূলত তাঁর A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

• ​Notable Works:
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
​- Hard Times,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend, etc.

Source: Britannica.

৩২.
The poem "Thyrsis" was written in whose memory?
  1. Arnold's father
  2. Arthur Hugh Clough
  3. Arthur Henry Hallam
  4. P. B. Shelley
সঠিক উত্তর:
Arthur Hugh Clough
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthur Hugh Clough
ব্যাখ্যা

• The poem "Thyrsis" was written in memory of Arthur Hugh Clough.
- ২৪-স্তবকের এই কবিতাটিতে তার বন্ধু, কবি Arthur Hugh Clough -এর প্রশংসা করা হয়েছে, যিনি ১৮৬১ সালে মারা গিয়েছিলেন।
- Arnold portrays Clough as Thyrsis, a traditional Greek name for a shepherd-poet.

• Thyrsis:
- Matthew Arnold -এর লিখা "Thyrsis" হলো একটি elegy.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে ম্যাকমিলান'স ম্যাগাজিনে।
- এটি Arnold -এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা হিসেবে বিবেচিত।
- কবিতায় Arnold, Clough-কে উপস্থাপন করেছেন “Thyrsis” রূপে—যা প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যে রাখাল-কবির নাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- সমৃদ্ধ pastoral (গ্রামীণ/রাখালজীবনের) চিত্রকল্পের মাধ্যমে আর্নল্ড স্মরণ করেছেন অক্সফোর্ডের সেই প্রাকৃতিক পরিবেশ, যেখানে তারা দুজন ছাত্রজীবনে (১৮৪০-এর দশকে) একসাথে ঘুরে বেড়াতেন। একইসঙ্গে তিনি ফিরে দেখেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে আসার পর তাঁদের তরুণ বয়সের আদর্শগুলোর পরিণতি।

• Matthew Arnold (1822-1888):
- তিনি একজন বিখ্যাত English Victorian poet এবং literary ও social critic.
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি শুরুতে inspector of schools হিসেবে কাজ করেন, পরে তিনি professor of poetry হিসেবে যোগ দান করেন Oxford -এ।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত criticism রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।
- Matthew was the eldest son of the renowned Thomas Arnold.

• Notable Works:
• Famous elegies: 
- Thyrsis,
- Rugby Chapel.

• Famous poems:
- Dover Beach,
- The scholar gypsy (lyric poem),
- Sohrab and Rustom,
- The Forsaken Merman,
- Empedocles on Etna,
- Cromwell.

• Famous books:
- Culture and Anarchy,
- The Study of Poetry,
- Literature and Dogma,
- Essays in Criticism,
- On Translating Homer (lectures),
- On the Study of Celtic Literature (lectures), etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

৩৩.
Alexander Pope's 'An Essay on Man' is a-
  1. drama
  2. short story
  3. poem
  4. treatise
সঠিক উত্তর:
poem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
poem
ব্যাখ্যা

• Alexander Pope's 'An Essay on Man' is a poem.

• An Essay on Man:
- Heroic couplet এবং iambic pentameter এ লেখা এই কবিতাটি ১৭৩৩-৩৪ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল।
-  It was conceived as part of a larger work that Pope never completed.
- কবিতাটি চারটি পত্র বা epistles নিয়ে গঠিত।
- প্রথম পত্রটি মানুষ এবং মহাবিশ্বের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে জরিপ করে, দ্বিতীয়টি একজন ব্যক্তি হিসাবে 'মানুষ'কে নিয়ে আলোচনা করে.
- তৃতীয়টি ব্যক্তি এবং সমাজের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে এবং  চতুর্থটি একজন ব্যক্তির সুখের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
- "An Essay on Man" কবিতাটি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলা বা শ্রেণিবিন্যাস (hierarchy/chain of being) অনুযায়ী বিন্যস্ত অবস্থাকে ব্যাখ্যা করে।
- যুক্তি বা চিন্তাশক্তির মাধ্যমে মানুষকে এই শ্রেণিবিন্যাসে প্রাণী ও উদ্ভিদের উপরে স্থান দেওয়া হয়েছে।
- এটি মূলত Alexander Pope এর Poetic style এ লেখা একটি দার্শনিক প্রবন্ধ।

• Famous quotations from An Essay on Man:
- An honest man's the noblest work of God.
- Hope springs eternal in the human breast.
- Act well your part; there all the honour lies.
- Do good by stealth, and blush to find it fame.

• Alexander Pope (1688-1744):
- He is the most famous poet of the Augustan Age.
- The Augustan Age is also known/called as the Age of the Pope.
- কারণ এই যুগে অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope, যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
- তিনি 'Mock Heroic Poet' হিসাবেও পরিচিত।

• Notable Works:
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- The Rape of the Lock (Famous Mock-Heroic poem),
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- Windsor-Forest,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- The Imitation of Horace,
- Memoirs of Martinus Scriblerus, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৪.
"Thou know’st ’tis common. All that lives must die,
Passing through nature to eternity."
-In which play does the famous line occur?
  1. Hamlet
  2. Othello
  3. Macbeth
  4. Romeo and Juliet
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

• "Thou know’st ’tis common. All that lives must die,
Passing through nature to eternity."
- The famous line occurs in Hamlet.
- নাটকের একেবারে শুরুতেই—Act I, Scene II–তে—এই সংলাপটি আসে।
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি Queen Gertrude এর, যখন তিনি Prince Hamlet–কে তার বাবার মৃত্যু নিয়ে অতিরিক্ত শোক না করতে বোঝাচ্ছেন।

- এই পঙক্তিতে রানী Gertrude প্রিন্স Hamlet–কে বোঝাচ্ছেন যে মৃত্যু জীবনের স্বাভাবিক ও অনিবার্য সত্য। পৃথিবীর সব জীবিত সত্তাকেই একদিন না একদিন প্রকৃতির নিয়ম মেনে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অনন্তের পথে যেতে হয়। তাই বাবার মৃত্যুকে নিয়ে অতিরিক্ত শোক করা স্বাভাবিক হলেও, তা চিরস্থায়ী নয়—জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "Listen to many, speak to a few."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৫.
Which American novelist wrote 'The Sound and the Fury'?
  1. Mark Twain
  2. Ernest Hemingway
  3. William Faulkner
  4. Henry James
সঠিক উত্তর:
William Faulkner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Faulkner
ব্যাখ্যা

• William Faulkner wrote 'The Sound and the Fury'.

• The Sound and the Fury:
- American novelist William Faulkner রচিত novel যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- The Sound and the Fury উপন্যাসটি Compson পরিবার–এর পতন ও ভাঙনকে কেন্দ্র করে রচিত।
- এটি আধুনিক সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ modernist novel, যেখানে সময়, স্মৃতি ও মানসিক জটিলতা খুব গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

• William Faulkner (1897-1962):
- He is an American author.
- তার পুরো নাম William Cuthbert Faulkner.
- তিনি ১৮৯৭ সালে আমেরিকার New Albany, Mississippi তে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৪৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable works (Novels):
- A Fable,
- The Sound and the Fury,
- Absalom, Absalom!
- The Hamlet,
- As I Lay Dying,
- Intruder in the Dust,
- Mosquitoes,
- Soldier’s Pay,
- Light in August,
- The Reivers, etc.

Source: Britannica.

৩৬.
Which one is the shortest part of 'The Waste Land'?
  1. The Fire Sermon
  2. Death by Water 
  3. What the Thunder Said
  4. A Game of Chess
সঠিক উত্তর:
Death by Water 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Death by Water 
ব্যাখ্যা

• 'Death by Water' is the shortest part of 'The Waste Land'.
- T. S. Eliot–এর The Waste Land কবিতাটি মোট ৫টি অংশে বিভক্ত।
- এগুলোর মধ্যে “Death by Water” অংশটি সবচেয়ে ছোট—মাত্র ১০টি লাইনের।
- এই অংশে Phlebas the Phoenician–এর ডুবে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে, যা জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও ধ্বংসের প্রতীক।
 
• The Waste Land:
- It is a long poem by T.S. Eliot. 
- কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩. 
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধুনিক কবি Ezra Pound কে। 
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়। এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। 

• The Five Parts are:
- 'The Burial of the Dead',
- 'A Game of Chess',
- 'The Fire Sermon',
- 'Death by Water' (shortest),
- 'What the Thunder Said'.

• এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি-
- "April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing."

• T. S. Eliot (1888-1965):
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- T.S. Eliot ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান কবি, নাট্যকার, এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর অভিনব রচনা এবং গুরত্বপূর্ণ চিন্তাধারার জন্য পরিচিত।
- Eliot -কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী একজন কবি, যিনি আধুনিক কবিতার ধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

• His famous Poems:
- The Waste Land,
- Ash Wednesday,
- Four Quartets,
- The Sacred Wood (Collection of Essays), etc.

• His famous plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Family Reunion,
- The Elder Statesman, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩৭.
"Areopagitica" is a famous pamphlet written by-
  1. Thomas Carlyle
  2. Jonathan Swift
  3. John Milton
  4. Edmund Burke
সঠিক উত্তর:
John Milton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Milton
ব্যাখ্যা

• "Areopagitica" is a famous pamphlet written by John Milton.

• Areopagitica:
- In full: Areopagitica: A Speech of Mr John Milton for the Liberty of Unlicenc’d Printing, to the Parliament of England.
- Areopagitica হলো একটি বিখ্যাত prose pamphlet (গদ্য পুস্তিকা), যা ১৬৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি printing censorship বা বই প্রকাশের পূর্ব অনুমতির (licensing) বিরুদ্ধে লেখা।
- Milton এতে যুক্তি দেন যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- নামটি এসেছে প্রাচীন গ্রিসের Areopagus সভা থেকে, যেখানে মুক্তভাবে বিচার ও বিতর্ক হতো।

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England, in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Notable works:
- Paradise Lost (Epic),
- Paradise Regained (Epic),
- Of Education (Prose),
- Of Reformation Prose),
- Areopagitica(Prose),
- Lycidas (Elegy),
- L’Allegro (lyric poem),
- On the Morning of Christ’s Nativity (Early poem),
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry),
- On Shakespeare (First published poem),
- Samson Agonistes (poetic drama),
- A Treatise on Christian Doctrine, etc.

Sonnets:
- On His Blindness,
- On the Late Massacre, etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

৩৮.
Among these, which is not a poetic tradition?
  1. The Epic
  2. The Occult
  3. The Comic
  4. The Tragic
সঠিক উত্তর:
The Occult
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Occult
ব্যাখ্যা

→ (37th BCS Preli)
• The Occult is not a poetic tradition.

• The Occult (যা কিছু গুপ্ত বা অতিপ্রাকৃত):
- Occult is related to mysterious or supernatural powers and activities.
- অর্থাৎ, Occult হলো গোপন, রহস্যময় বা সাধারণ জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার বাইরে থাকা বিষয়।
- এটি এমন সব বিশ্বাস, চর্চা বা জ্ঞানকে বোঝায় যেগুলো সাধারণ মানুষের চোখে লুকানো বা অজানা।

- Occult–এর মধ্যে সাধারণত Alchemy (রসায়ন ও জাদুবিদ্যার প্রাচীন রূপ), Astrology (জ্যোতিষশাস্ত্র), Magic ও Sorcery (যাদু ও মন্ত্রবিদ্যা), Spiritualism (আত্মার সঙ্গে যোগাযোগের বিশ্বাস), Palmistry (ভাগ্য গণনা) ইত্যাদি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত।

- সুতরাং, এটি কোনো poetic tradition নয়।

অন্যদিকে,
• The Epic (মহাকাব্য) → একটি poetic tradition; যেমন Iliad, Paradise Lost.

• The Comic (হাস্যোদ্রেককর) → কৌতুক বা হাস্যরসধর্মী সাহিত্য/কবিতার ধারা।

• The Tragic (করুণরসাত্মক) → ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্ত সাহিত্যিক ঐতিহ্য/কবিতাও হতে পারে।

Source: Britannica.

৩৯.
"Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man"
-This line is written by-
  1. Ben Jonson
  2. Alfred Tennyson
  3. Francis Bacon
  4. G. B. Shaw
সঠিক উত্তর:
Francis Bacon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Francis Bacon
ব্যাখ্যা

• "Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man"
- This line is written by Francis Bacon.

- এটি তার essay 'Of Studies' থেকে নেয়া।
- যেখানে তিনি পড়াশোনা, লেখা এবং চিন্তার গভীরতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন।

• Francis Bacon (1561-1626):
- Francis Bacon ছিলেন একজন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক, এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষ ব্যবহারকারী।
- সাহিত্যিকভাবে, তিনি মূলত তার সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর জ্ঞানসমৃদ্ধ প্রবন্ধগুলোর জন্য স্মরণীয়।
- Francis Bacon কে father of English Essay এবং natural philosopher বলা হয়ে থাকে।
- তাঁর লেখা নীতিগর্ভ প্রবন্ধসংকলন Essays (যেমন Of Studies, Of Truth, Of Love, Of Friendship) আজও জনপ্রিয়।

• Notable essays:
- Of Truth,
- Of Love,
- Of Friendship,
- Of Studies,
- Of Marriage and Single Life,
- Of Great Place, etc.

• Famous quotations:
- “It is impossible to love and to be wise.”
- "Silence is the sleep that nourishes wisdom."
- “Reading maketh a full man; conference a ready man, and writing an exact man.”
- "Natural abilities are like natural plants, that need pruning by study."
- “Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.”
- "Men fear Death, as children fear to go in the dark; and as that natural fear in children is increased with tales, so is the other."
- “Wives are young men’s mistresses; companions for middle age, and old men’s nurses.”
- "Wonder is the seed of knowledge."
- "A false friend is more dangerous than an open enemy."
- "Beauty itself is but the sensible image of the Infinite."

Source: Britannica.

৪০.
Of the following, who was not a novelist?
  1. Charles Dickens
  2. W.B. Yeats
  3. James Joyce
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
W.B. Yeats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W.B. Yeats
ব্যাখ্যা

• W.B. Yeats was not a novelist.
- He was an Irish poet, dramatist, and prose writer, one of the greatest English-language poets of the 20th century.

অন্যদিকে,
ক) Charles Dickens
- Charles Dickens ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গ) James Joyce
- Joyce একজন আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
- James Joyce বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত Novelist দের মধ্যে অন্যতম।

ঘ) Jane Austen
- তিনি একজন English novelist.
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

---------
• William Butler Yeats:
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

• His notable poems:
- No Second Troy,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- Sailing to Byzantium,
- The Second Coming,
- Easter 1916,
- September 1913,
- The Stolen Child,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে -
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৪১.
"Barabas" is the protagonist of which of Marlowe's plays?
  1. Doctor Faustus
  2. Dido, Queen of Carthage
  3. The Jew of Malta
  4. Tamburlaine the Great
সঠিক উত্তর:
The Jew of Malta
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Jew of Malta
ব্যাখ্যা

• "Barabas" is the protagonist of Marlowe's play The Jew of Malta.

• The Jew of Malta:
- Christopher Marlowe রচিত tragedy টির পুরো নাম 'The Famous Tragedy of the Rich Jew of Malta'.
- একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy.
- এটি blank verse এ লেখা একটি revenge tragedy.
- এটি প্রায় ১৫৯০ সালের দিকে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• Summary:
- "The Jew of Malta" একটি নাটক যেখানে মূল চরিত্র Barabas নামের একজন ধনাঢ্য ইহুদি ব্যবসায়ী।
- নাটকে ধর্ম, প্রতিশোধ, লোভ, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং নৈতিক বিচ্যুতির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
- Barabas-এর সম্পদ জব্দ করে খ্রিস্টান শাসকরা যখন তাঁকে নিঃস্ব করে দেয়, তখন সে প্রতিশোধের পথে নামে। তার প্রতিশোধ প্রবণতা ধীরে ধীরে আত্মবিনাশের দিকে নিয়ে যায়।
- নাটকে ধর্মীয় ভণ্ডামি, লোভ, এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা তৎকালীন সমাজের জটিলতাকে প্রতিফলিত করে।

• Main characters:
- Barabas (Protagonist),
- Abigail,
- Ithamore,
- Machevill,
- Katherine, etc.

• Christopher Marlowe (1564-1593):
- তিনি একজন Elizabethan poet.
- তিনি একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare -এর আগে তিনিই ছিলেন English drama -এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

• Notable works:
- Doctor Faustus,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta,
- Edward II,
- Dido, Queen of Carthage, etc.

Poem:
- The Passionate Shepherd to His Love,
- Hero and Leander, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৪২.
P.B. Shelley can be categorized mainly as a poet of _____.
  1. Revolution
  2. Love
  3. Beauty
  4. Politics
সঠিক উত্তর:
Revolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Revolution
ব্যাখ্যা

• P.B. Shelley can be categorized mainly as a poet of Revolution.

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Wind/Hope/Regeneration হিসেবেও পরিচিত।

• Notable works (Poems):
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- The Cloud,
- The Revolt of Islam,
- Rosalind and Helen,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

অন্যদিকে,
- Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত John Donne.
- John Keats কে 'Poet of Beauty' বলা হয়।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৪৩.
'Sherlock’ is a famous character introduced by-
  1. R. L. Stevenson
  2. William Shakespeare
  3. Arthur Conan Doyle
  4. Joanne Kathleen Rowling
সঠিক উত্তর:
Arthur Conan Doyle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthur Conan Doyle
ব্যাখ্যা

• 'Sherlock’ is a famous character introduced by Arthur Conan Doyle.

• The Adventures of Sherlock Holmes:
- It is written by Sir Arthur Conan Doyle.
- এটা মূলত একটা fictional detective বা গোয়েন্দা কাহিনী। মোট ১২ টি গল্পের সমষ্টি। পুস্তকাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৯২ তে।
- প্রথম গল্পটির নাম: A Scandal in Bohemia.
- অন্যতম চরিত্র Dr. Watson এর বর্ণনায় সবগুলো কাহিনী এগিয়ে যায়। গোয়েন্দা কাহিনী হলেও এগুলোর মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। জীবনের শেষভাগে তিনি spiritualism এর প্রতি আকৃষ্ট হন।

• Main characters:
- Sherlock Holmes: পেশাদার গোয়েন্দা। বসবাস করেন 221b Baker Street, London এ।
- John H. Watson: তিনি হলেন Sherlock Holmes এর অন্তরঙ্গ বন্ধু এবং রুমমেট। তার বর্ণনায়ই কাহিনী উপস্থাপিত হয়।
- Mycroft Holmes: Sherlock Holmes–এর বড় ভাই।
- Scotland Yard Inspectors: Metropolitan Police (Scotland Yard)–এর সদস্য।

• Sherlock Holmes সিরিজের কয়েকটি জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম:
- The Sign of Four,
- The Valley of Fear,
- The White Company.

• Arthur Conan Doyle (1859-1930):
- Arthur Conan Doyle হলেন Victorian period এর একজন স্কটিশ লেখক।
- যিনি তার সৃষ্ট Detective Sherlock Holmes চরিত্রের জন্য সবচেয়ে পরিচিত।

• Notable Works:
- Round the Red Lamp,
- The Adventures of Sherlock Holmes,
- The Final Problem,
- The Firm of Girdlestone,
- The Great Boer War,
- The Mystery of Cloomber,
- The Stark Munro Letters,
- The Hound of the Baskervilles,
- The White Company.

Source: Britannica.

৪৪.
Which of the following is not a dramatic monologue?
  1. Easter Wings
  2. Andrea del Sarto
  3. Tithonus
  4. The Love Song of J. Alfred Prufrock
সঠিক উত্তর:
Easter Wings
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Easter Wings
ব্যাখ্যা

• Easter Wings is not a dramatic monologue.
- 'Easter Wings' হলো George Herbert–এর লেখা একটি lyric / pattern poem (shape poem).
- এটি কোনো একক বক্তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শ্রোতাকে উদ্দেশ করে বলা নাটকীয় বক্তৃতা নয়, তাই এটি dramatic monologue নয়।

• Easter Wings:
- "Easter Wings" হলো George Herbert–এর লেখা বিখ্যাত religious poem.
- It is a brilliant example of metaphysical poetry.
- কবিতাটির বিষয়বস্তু হলো পাপ, পতন ও পুনরুত্থান।
- খ্রিস্টান বিশ্বাস অনুসারে, যিশুর পুনরুত্থানের মাধ্যমে মানবজাতির মুক্তির আশাবাদ তুলে ধরা হয়েছে।

• George Herbert (1593-1633):
- George Herbert ছিলেন সতেরো শতকের Jacobean Period -এর একজন বিখ্যাত ইংরেজ ধর্মীয় কবি ও ধর্মযাজক, যিনি Metaphysical Poets বা "রহস্যবাদী কবি"-দের মধ্যে অন্যতম।
- Throughout George Herbert's life, he wrote poems, and from his deathbed, he sent a manuscript volume to Ferrar, asking him to decide whether to publish or destroy them.
- তিনি কবি, ধর্মযাজক, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
- জীবনকালে খুব অল্প কবিতা প্রকাশিত হলেও মৃত্যুর পর তাঁর কাব্য জনপ্রিয়তা পায়।

• Notable works:
- The Temple,
- Easter Wings,
- On the Progress of Soul,
- The Country Parson,
- The Collar,
- Affliction, etc.
----------
অন্যদিকে,
- Andrea del Sarto → Robert Browning -এর লেখা dramatic monologue, যেখানে একক বক্তা (Andrea) তার স্ত্রীকে উদ্দেশ করে নিজের জীবন ও শিল্পকর্মের কথা বলে।

- Tithonus → Alfred Tennyson -এর লেখা dramatic monologue, যেখানে Tithonus দেবী Aurora–কে উদ্দেশ করে নিজের দুঃখকথা বলে।

- The Love Song of J. Alfred Prufrock → T. S. Eliot -এর লেখা আধুনিক dramatic monologue, যেখানে Prufrock নিজের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ করে।

• Dramatic Monologue:
- A dramatic monologue is a speech that reveals the character and psychology of a specific persona.
- অর্থাৎ, Dramatic Monologue হলো একটি বিশেষ ধরনের কবিতা বা বক্তৃতা, যেখানে একটি একক চরিত্র একটি নীরব শ্রোতার সামনে তাদের চিন্তা, অনুভূতি বা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। ড্রামাটিক মনোলগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে বক্তা একা তাদের অনুভূতি বা দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করে, যা তাদের চরিত্র বা কোনও নাটকীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে। 

Source: Britannica.

৪৫.
"Cattle" belongs to-
  1. Proper noun
  2. Collective noun
  3. Common noun
  4. Material noun
সঠিক উত্তর:
Collective noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collective noun
ব্যাখ্যা

• "Cattle" belongs to a collective Noun.

• Cattle (noun) [plural]
- English Meaning: a group of animals that includes cows, buffalo, and bison, that are often kept for their milk or meat.
- Bangla Meaning: (plural) গবাদিপশু।

- অর্থাৎ, Cattle দ্বারা 'a group of animals' বুঝানো হয় বিধায় এটি হলো collective Noun.

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।

- কিছু collective noun হচ্ছে - Cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority, etc.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪৬.
The team _______ but for two exceptional saves by their young goalkeeper.
  1. lost
  2. would lose
  3. would have lost
  4. might be lost
সঠিক উত্তর:
would have lost
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would have lost
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The team would have lost but for two exceptional saves by their young goalkeeper.
- Bangla meaning: তাদের তরুণ গোলরক্ষক দুইটি অসাধারণ সেভ না করলে, দলটি হেরে যেত।

• But for:
- But for একটি phrase যার অর্থ- ​'if it were not for' বা ছাড়া/ব্যতীত/নইলে।
- অর্থাৎ, (কোনো কিছু) ছাড়া, নইলে, না+ অসমাপিকা ক্রিয়া অর্থে But for ব্যবহৃত হয়।
- এবং main clause -এ hypothetical past result দেখাতে past tense বসে।
- But for is used to introduce the only factor that causes a particular thing not to happen or not to be completely true.

• But for নিম্নোক্ত গঠন অনুসরণ করে:
- “But for” + [noun phrase] + ext, subject + would/could/might have + verb -এর past participal অথবা would be + ext.

- উল্লিখিত বাক্যে দ্বিতীয় অংশে But for + noun phrase থাকায়, প্রথম অংশের গঠন হবে- subject + would have + verb এর past participle.

- তাই নিয়মানুযায়ী, সঠিক উত্তর হবে- would have lost.

৪৭.
Of the following, which one is feminine?
  1. Dame
  2. Sire
  3. Drone
  4. Widower
সঠিক উত্তর:
Dame
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dame
ব্যাখ্যা

• 'Dame' is the feminine gender.

• Dame (feminine gender)
- English Meaning: An elderly or mature woman; the title given to a woman with the rank of Knight Commander or holder of the Grand Cross in the Orders of Chivalry.
- Bangla Meaning: (প্রাচীন প্রয়োগ) নারী, বিশেষত বিবাহিত নারী; রাষ্ট্রীয় খেতাবের কোনো একটি বর্গে সর্বোচ্চ উপাধিপ্রাপ্ত মহিলা; ঐ উপাধি।

- এর masculine gender হিসেবে সাধারণত Sir ব্যবহৃত হয়।
- পুরুষের উদ্দেশ্যে ইংরেজিতে ব্যবহৃত ভদ্র সম্বোধন রীতি; মহোদয়; জনাব।

অন্যদিকে,
খ) Sire (masculine gender) - কোনো পশুর জনক (সম্রাট)।
- এর feminine হচ্ছে- Dam (পশুদের সম্রাজ্ঞী)।

গ) Drone (masculine gender)- পুরুষ মৌমাছি।
- এর feminine হচ্ছে- Bee -(স্ত্রী মৌমাছি)।

ঘ) Widower (masculine gender) - বিপত্নীক।
- এর feminine হচ্ছে- Widow (বিধবা)।

৪৮.
DELAY : EXPEDITE :: __________ ?
  1. block : obstruct
  2. agitate : stimulate
  3. detain : dispatch
  4. drag : procrastinate
সঠিক উত্তর:
detain : dispatch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
detain : dispatch
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - detain : dispatch.

• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ: 
- Delay: বিলম্ব/দেরি করা; বিলম্ব/দেরি করানো; কালক্ষেপ করা; স্থগিত/মুলতবি করা।
- Expedite: (আনুষ্ঠানিক) অগ্রগতিতে সহায়তা করা; (কার্যাদি) ত্বরান্বিত করা।

• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ: 
- Detain: আটকে/ঠেকিয়ে রাখা; বিলম্ব করানো; নিবারিত/নিরুদ্ধ করা।
- Dispatch: দ্রুত প্রেরণ; কোনো কাজ, খাদ্যগ্রহণ দ্রুত শেষ করা।

• Analogical Relation:
- DELAY : EXPEDITE এর মধ্যে relationship হলো antonymous → expedite means to speed up, while delay means to slow down.
- একইভাবে detain : dispatch এর relationship ও হলো antonymous → detain means to hold back/delay, dispatch means to send off/promptly.

• অন্যান্য অপশন,
ক)
- Block: বাধা বা প্রতিবন্ধক।
- Obstruct: বাধা দেওয়া; পথরোধ করা।

খ)
- Agitate: আলোড়িত/বিক্ষুব্ধ করা; নাড়া দেওয়া।
- Stimulate: উদ্দীপিত করা; জাগিয়ে তোলা; উত্তেজিত করা।

ঘ)
- Drag: যা টেনে বা হিঁচড়ে নেওয়া হয়।
- Procrastinate: কালক্ষেপণ/দীর্ঘসূত্রতা/গড়িমসি করা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৯.
Choose the word that best completes the sentence.
Government has been entrusted ____ elected politicians.
  1. for
  2. to
  3. with
  4. in
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Government has been entrusted to elected politicians.
- Bangla: নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের হাতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে।

• Entrusted with something - কোনো কিছুতে আস্থা স্থাপন করা,
• Entrusted to someone - কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বিশ্বাস করা।
- এখানে politicians যেহেতু person সেহেতু Entrusted to হবে।
--------------
• Entrust somebody to something/entrust sb to do sth/entrust something to someone:
- English Meaning: to give someone a thing or a duty for which they are responsible.
- Bangla Meaning: কারো নিকট দায়িত্ব অর্পণ করা/কিছু করতে দেওয়া; কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বিশ্বাস করা।

- অর্থাৎ, কারো নিকট দায়িত্ব অর্পণ করা অর্থে entrusted to বসে, এখানে সরকার চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের কাছে, তাই 'entrusted to' বসবে।

আবার,
• Be entrusted with sth/entrust sb with sth:
- English Meaning: to give someone a thing or a duty for which they are responsible.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুর দায়িত্ব অর্পণ করা; বিশ্বাস স্থাপন করা।

- Example: Two senior officials have been entrusted with organizing the auction.

- আর কোনো কিছুর দায়িত্ব অর্পণ করা entrust with (দায়িত্বের সাথে) ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Collins Dictionary.

৫০.
All that glitters is not gold.
In this sentence, “that” is a/an-
  1. Indefinite pronoun
  2. Demonstrative pronoun
  3. Relative pronoun
  4. Conjunction
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
ব্যাখ্যা

• All that glitters is not gold.
- In this sentence, “that” is a Relative pronoun.

- প্রদত্ত বাক্যে "That" - relative clause "that glitters" -এর শুরুতে বসে antecedent "all" (meaning “everything that glitters”) এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

• Relative pronoun:
- যে pronoun পূর্বে উল্লিখিত কোন Noun বা Pronoun কে নির্দেশ পূর্বক দুটি বাক্যাংশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে/দুটি বাক্যকে যুক্ত করে তাকে Relative Pronoun বলে।
- A relative pronoun introduces a relative clause that provides more information about a noun or pronoun.
- যেমন: Who, whom, whose, which, what, that, ইত্যাদি হল বহুল ব্যবহৃত Relative Pronoun.

অন্যদিকে,
• Indefinite Pronoun:
- অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তু কে বোঝাতে যে Pronoun ব্যবহৃত হয় সে pronoun কে Indefinite Pronoun বলে।
- Indefinite pronoun এর উদাহরণ হলো: All, one, none, anyone, some, etc.

• Demonstrative Pronoun:
- ব্যক্তি বা বস্তুকে যদি এটি, ওটি, এগুলি, ওগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাহলে এই শব্দগুলোকে বলে demonstrative pronoun.
- যেমন: this, that, these, those.
- যেমন: That is my father.

• Conjunction:
- Conjunction হলো এমন একটি part of speech যা দুই বা ততোধিক words, phrase, clause বা sentence কে যুক্ত করে। 
- noun/adjective এর complement হিসেবে subordinate clause কে যুক্ত করতে That" subordinating conjunction হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: We are certain that this is true.

৫১.
'Man of straw' is a man-
  1. who prefers to do things rather than think 
  2. who has a lot of experience of life
  3. who knows a lot about literature
  4. who has a weak character or lacks integrity
সঠিক উত্তর:
who has a weak character or lacks integrity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
who has a weak character or lacks integrity
ব্যাখ্যা

• 'Man of straw' is a man who has a weak character or lacks integrity.

• Man of straw [noun phrase]
- English Meaning: Someone who has a weak character; a person regarded as having no substance or integrity.
- Bangla Meaning: কাল্পনিক ব্যক্তি; সহজে পরাস্ত করা যায় এমন ব্যক্তি; যাকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিপন্ন করা হয়।

অন্যদিকে,
ক) man/woman of action [idiom]
- English Meaning: someone who prefers to do things rather than think about and discuss them. 
- Bangla Meaning: কর্মঠ লোক।

খ) man/woman of the world [noun phrase]
- English Meaning: someone who has a lot of experience of life and can deal with most situations.
- Bangla Meaning: বিষয়বুদ্ধিসম্পন্ন; সংসারাভিজ্ঞ; পার্থিবস্বার্থ সম্বন্ধে সচেতন।

গ) man of letters [noun phrase]
- English Meaning: a man, usually a writer, who knows a lot about literature.
- Bangla Meaning: বিদ্বান বা পণ্ডিত ব্যক্তি; সাহিত্যিক।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৫২.
On Saturdays, I usually go fishing or ______ something else interesting.
  1. doing
  2. do
  3. shall do
  4. have done
সঠিক উত্তর:
do
উত্তর
সঠিক উত্তর:
do
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: On Saturdays, I usually go fishing or do something else interesting.
- Bangla: শনিবারে, আমি সাধারণত মাছ ধরতে যাই অথবা কৌতূহলোদ্দীপক অন্য কিছু করি।

• Parrallelism -এর নিয়মানুসারে,
- এখানে coordinating conjunction 'or' এর আগে 'go fishing' ব্যবহৃত হয়েছে তাই এর পরেও base form + gerund 'do something' হবে।
- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক verb হবে- do.

• Parallelism:
- Parrallelism হলো যখন কোনো বাক্যে ধারাবাহিক কিছু তথ্য দেওয়া থাকে, তখন প্রত্যেক তথ্য গঠন করার জন্য একই গঠনরূপ ব্যবহার করতে হয়।

• Parrallelism দুই ধরনের হতে পারে:
1. Parallel structure in series: Subject সম্পর্কে কোনো কিছু প্রকাশ করতে হলে noun, adjective, verb, adverb এদের ব্যবহার series আকারে হবে।
- যেমন: He is young, enthusiastic, and talented.

2. Parallel structure by coordinating and correlatives conjunctions: অর্থাৎ, এইসব conjunction গুলোর উভয়পাশে সমজাতীয় parts of speech বসে।
- যেমন: He is famous not only in Bangladesh but also in many other countries.

৫৩.
If a situation is touch-and-go, it is ________.
  1. Decisive
  2. improving
  3. uncertain
  4. Stable
সঠিক উত্তর:
uncertain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
uncertain
ব্যাখ্যা

• If a situation is touch-and-go, it is uncertain.

• Touch and go (adjective)
- English Meaning: unpredictable as to outcome: uncertain; having an uncertain, and possibly bad result.
- Bangla Meaning: ঝুঁকিপূর্ণ; অনিশ্চিত; অতীব সংকটাবস্থা।

• Given Options:
ক) Decisive - নিশ্চায়ক; চূড়ান্ত।

খ) improving - উন্নতিশীল।

গ) uncertain - পরিবর্তনশীল; অস্থির; অনিশ্চিত।

ঘ) Stable - দৃঢ়, সুস্থিত; সহজে পরিবর্তনীয় নয়।

• Ex. Sentences:
- It was touch and go whether we'd succeed.
- She's fine now, but it was touch-and-go for a while.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৪.
Which 'above' is a preposition?
  1. Please write to us at the above address.
  2. Put it on the shelf above.
  3. All the above have passed the exam.
  4. A soldier values honour above life.
সঠিক উত্তর:
A soldier values honour above life.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A soldier values honour above life.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is- ঘ) A soldier values honour above life.
- Here, “above” is a preposition → “above life” shows a relationship (honour is valued more highly than life).
- অর্থাৎ, “above” এখানে 'life' এর পূর্বে বসে, এর চেয়ে বেশি; অধিকতর 'honour' এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

• Above [preposition]
- English Meaning: more than something; greater in number, level or age than somebody/something.
- Bangla Meaning: কোনো জিনিসের থেকে উপরে, বা সংখ্যা, গুণ, দোষ, ওজন, মূল্য ইত্যাদিতে অধিক।

অন্যদিকে,
ক) Please write to us at the above address.
- “above” এখানে noun “address” কে modify করায় adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

খ) Put it on the shelf above.
- “above” এখানে adverb, কারণ noun “shelf” এর অবস্থান বুঝাচ্ছে, অর্থাৎ, “shelf” টি কোথায় রাখবে উপরে।

গ) All the above have passed the exam.
- “above” এখানে noun, কারণ পূর্বে উল্লিখিত “persons" বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- article এর একটিমাত্র শব্দ থাকলে সেটি noun হয়।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

৫৫.
I am writing to thank you for helping us ______ the right hotel for our holiday.
  1. found
  2. find
  3. finding
  4. finds
সঠিক উত্তর:
find
উত্তর
সঠিক উত্তর:
find
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: I am writing to thank you for helping us find the right hotel for our holiday.

• Causative Verb:
- বাক্যের Subject যে Verb গুলোর সাহায্যে নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'Help' -এর ব্যবহার:
- Help এরপরে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form/to+base form বসে।
- তবে সাধারণত base form-ই বেশি ব্যবহার হয়।

• Structure: Subject + help (any tense) + action doer + verb -এর base form/to+base form + ext.

• More examples:
- She helped him choose some new clothes.
- I am trying to help him look for a new bike.

৫৬.
Seeing is believing. Here, ‘believing’ is-
  1. Gerund as a complement of a verb
  2. Participle as an object of a transitive verb
  3. Gerund as an object of the subject
  4. Object of a preposition
সঠিক উত্তর:
Gerund as a complement of a verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund as a complement of a verb
ব্যাখ্যা

• Seeing is believing.
- Here, ‘believing’ is- Gerund as a complement of a verb.

- উল্লিখিত বাক্যে 'believing' - verb (is) এর Object হিসেবে বসে subject complement রূপে কাজ করেছে, তাই এটি Gerund.
- এখানে Linking verb (is) -এর complement হিসেবে Gerund হয়েছে।
- অর্থাৎ,এখানে Seeing -ই হচ্ছে believing (believing renaming the subject "Seeing").
- এটি subject 'Seeing' কে modify করছে না, তাই এটি Participle হবে না।

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing-table.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৫৭.
An intensive search was conducted by the detective to locate those criminals, who ______.
  1. had escaped
  2. have had escaped
  3. are escaping
  4. have been escaping
সঠিক উত্তর:
had escaped
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had escaped
ব্যাখ্যা

→ (20th BCS Preli)
• Complete Sentence: An intensive search was conducted by the detective to locate those criminals who had escaped.

- Bangla: যেসকল ক্রিমিনালরা পালিয়েছিল তাদেরকে চিহ্নিত করতে গোয়েন্দাদের দ্বারা একটি চিরুনি অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।

• ক্রিমিনালদের পালানোর ঘটনাটি বেশি অতীতের এবং চিরুনি অভিযান পরিচালনা ঘটনাটি ক্রিমিনাল পালানোর পরের ঘটনা যা নিকট অতীতের।
- অতীত কালে দুটি কাজ সম্পূর্ণ হলে যে কাজটি আগে হয় সেটির past perfect tense হয় এবং যে কাজটি পরে হয় সেটির past indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ Past Perfect Tense অতীতে সম্পন্ন হওয়া কোনো কাজ বা ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন তা অন্য কোনো ঘটনার পূর্বে ঘটেছিল।

• Past Perfect Tense এর structure: Subject + had + Past Participle (V3) + Extension.

- প্রশ্নে An intensive search was conducted, past indefinite tense এ আছে।
- সুতরাং, অপর tense টি past perfect tense -এ, অর্থাৎ, had escaped হবে।

৫৮.
Which one is a correct sentence?
  1. Do you know where had Jowel gone?
  2. Do you know where has Jowel gone?
  3. Do you know where Jowel has gone?
  4. Do you know where has gone Jowel?
সঠিক উত্তর:
Do you know where Jowel has gone?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Do you know where Jowel has gone?
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: Do you know where Jowel has gone?
- এই প্রশ্নটি Embedded question এর ভিত্তিতে করা হয়েছে।

• Embedded/Indirect question এর নিয়মানুযায়ী:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য (indirect question) সন্নিবেশিত করা হয়।
- অর্থাৎ, wh-word দ্বারা subordinate clause শুরু হয় এবং subordinate clause টি কখনোই Interrogative হয় না, সর্বদাই assertive হয়ে থাকে।

• Structure:
- Main question: "Do you know...?"
- Subordinate clause (Embedded question): "where Jowel has gone".

- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যের প্রথম অংশে প্রশ্ন বোধক বাক্য বসেছে, তাই এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে এবং subordinate clause এ wh word এর পর subject + verb +ext. বসবে।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে- গ) Do you know where Jowel has gone?

অন্যদিকে,
ক) Do you know where had Jowel gone?
- এখানে Inverted word order: "had Jowel" এবং Wrong tense: "had gone" ব্যবহার হয়েছে।

খ) Do you know where has Jowel gone?
- এখানে embedded question এর ব্যবহার না করে, "Where has Jowel gone?" = direct question ব্যবহার করা হয়েছে।

ঘ) Do you know where has gone Jowel?
- এখানে wrong word order এবং Auxiliary এবং subject-এর position ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।

৫৯.
Identify the correct sentence:
  1. Before singing the school song, reciting a poem by the students.
  2. Before singing the school song, a poem was recited.
  3. Before reciting a poem, the school song was sung.
  4. Before singing the school song, the students recited a poem.
সঠিক উত্তর:
Before singing the school song, the students recited a poem.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before singing the school song, the students recited a poem.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: ঘ) Before singing the school song, the students recited a poem.
- প্রশ্নটি dangling modifier -এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

- উল্লিখিত বাক্যের প্রথম অংশে "singing the school song" phrase টি students -কে modify করছে।
- অর্থাৎ, গান গাওয়ার কাজটি করছে 'students', তাই পরবর্তী অংশে subject "students" modifier -এর সাথে correctly match করে।
- অর্থাৎ, Subject কে স্পষ্ট করতে "the students" শুরুতেই বসবে।
- অপশন ঘ) তে modifier -এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে, (subject একই: "students" singing করছে এবং reciting করছে)।

• Dangling modifier:
- যখন কোনো modifier সঠিক subject কে modify না করে অন্য কিছুকে modify করে তখন তাকে dangling/illogical/misplaced modifier বলে।
- প্রশ্নে dangling modifier এর ক্ষেত্রে সাধারণত simple sentence এর দুইটি অংশ থাকে যা কমা (,) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- প্রথম অংশটি gerund/infinitive/participle/adjective phrase/having been +v3/preposition+verb+ing, ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়ে থাকে কিন্তু প্রথম অংশে subject থাকে না।
- প্রথম অংশের এই অনুল্লিখিত subject টিকেই দ্বিতীয় অংশের subject হিসেবে সঠিকভাবে use করতে হবে।

অন্যান্য অপশন:
ক) Before singing the school song, reciting a poem by the students.
- এটি Incomplete sentence - কারণ কোনো main verb নেই, দ্বিতীয় অংশে "Reciting" ও participle, finite verb নেই।

খ) Before singing the school song, a poem was recited.
- এটিতে Dangling modifier রয়েছে, অর্থাৎ, "Before singing" এর subject নেই।
- Main clause-এ subject হিসেবে "a poem" আছে, কিন্তু poem 'singing' করতে পারে না! Students 'singing' করে।
- এখানে modifier "Before singing the school song" টি illogically "poem" কে ভুলভাবে modify করছে।

গ) Before reciting a poem, the school song was sung.
- এখানেও Dangling modifier রয়েছে, অর্থাৎ, "Before reciting" এর subject নেই।
- "Before reciting" এর implied subject হওয়া উচিত main clause-এর subject.
- Main clause-এ subject হিসেবে "the school song" আছে, কিন্তু 'the school song' 'singing' করতে পারে না, কারো দ্বারা singing হয়।

৬০.
মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান কী?
  1. আয়রন ও সিলিকন
  2. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  3. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  4. কার্বন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

- মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান হলো সিলিকন (Si) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al)। এই কারণে এই স্তরকে 'সিয়াল' (Sial) স্তরও বলা হয়। 

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন: 
- সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড, উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতল ও ঘনীভূত হয়। এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলো এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয় আর হালকা উপাদানগুলো ভরের তারতম্য অনুসারে নিচ থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়, পৃথিবীর এই বিভিন্ন স্তরকে মণ্ডল বলে। উপরের স্তরটিকে অশ্মমণ্ডল বলে, অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশ ভূত্বক নামে পরিচিত। 

ভূত্বক (Earth's Crust): 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার। 
- ভূত্বক মহাদেশের 'তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু। 
- সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত। 
- এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান। 
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি। 
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১.
নিচের কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?
  1. প্রজাপতি
  2. মাছ
  3. ব্যাঙ 
  4. মানুষ
সঠিক উত্তর:
প্রজাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাপতি
ব্যাখ্যা

- প্রজাপতি একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী কারণ এর কোনো মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়া নেই। 

প্রাণিজগৎ: 
- এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না। সাধারণত এই কোষগুলোতে প্লাস্টিড থাকে না, তাই খাদ্যের জন্য এরা উদ্ভিদের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। 
উদাহরণ- মাছ, পাখি, গরু, মানুষ ইত্যাদি। 
- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে, তাদেরকে বলা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদির মেরুদণ্ড আছে। 
- এদের মেরুদণ্ড আছে, দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে, পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে, চোখ সরল প্রকৃতির। 
- মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। 
- এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। 

২। অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, তাদেরকে বলা হয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৬২.
তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে কী বোঝায়?
  1. তরল পদার্থের তাপমাত্রার বৃদ্ধি
  2.  তরল পদার্থের দৈর্ঘ্যের বৃদ্ধি
  3. তরল পদার্থের ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি
  4. তরল পদার্থের আয়তনের বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের আয়তনের বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের আয়তনের বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

- তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে বোঝায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে তরল পদার্থের আয়তনের বৃদ্ধি; কারণ উত্তপ্ত করলে তরল পদার্থের অণুগুলো দ্রুত চলে এবং একে অপরের থেকে দূরে সরে গিয়ে বেশি জায়গা দখল করে, ফলে আয়তন বাড়ে। 

তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তরল পদার্থের দৈর্ঘ্য বা ক্ষেত্রফল কিছুই নেই, শুধু তরল পদার্থের আয়তন আছে। 
- তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে তার আয়তন প্রসারণকেই বোঝায়। 
- তরল পদার্থের প্রসারণ মাপার সময় একটু সতর্ক থাকতে হয় কারণ তরল পদার্থকে সব সময়ই কোনো পাত্রে রাখতে হয়। কাজেই প্রসারণ সহগ মাপতে চাইলে যখন তরলটিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে পাত্রটিও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পাত্রটিরও একটি প্রসারণ হয়। কাজেই পাত্রে তরল যে প্রসারণ দেখা যায় সেটা সত্যিকারের প্রসারণ না, সেটা হচ্ছে আপাত প্রসারণ। 
- কাজেই প্রকৃত প্রসারণ বের করতে হলে পাত্রের প্রসারণের ব্যাপারটা সব সময়ই মনে রাখতে হবে। 
- সাধারণত তরলের প্রসারণ কঠিন পদার্থের প্রসারণ থেকে বেশি হয়। যদি তা না হতো তাহলে আপাত প্রসারণটি হয়তো দেখা যেত না, মনে হতো আপাত সংকোচন। 
- তরল পদার্থের প্রসারণের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হচ্ছে থার্মোমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৩.
রঞ্জকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য কোন পদার্থ ব্যবহার করা হয়?
  1. ZnO
  2. TiO2
  3. Al2O3
  4. Fe2O3
সঠিক উত্তর:
TiO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TiO2
ব্যাখ্যা

- টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড (TiO2) তার উজ্জ্বলতা এবং খুব উচ্চ প্রতিসরাঙ্কের কারণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাদা রঞ্জক। এটি কার্যকরভাবে দৃশ্যমান আলোকে বিচ্ছুরিত (scatters) করে, যার ফলে কোনো প্রলেপ বা পণ্যে মিশ্রিত হলে তা অত্যন্ত সাদা, উজ্জ্বল এবং অস্বচ্ছ দেখায়।

রঞ্জক পদার্থ: 
- রঞ্জক পদার্থ বিশেষ এক ধরনের জৈব যৌগ। 
- এদের বৈশিষ্ট্য হলো এরা না পানিতে দ্রবণীয় না তেলে দ্রবণীয়, এই বিশেষ গুণের কারণে রঞ্জকসমূহ ব্যবহার করা হয়। 
- রঞ্জকের আরও একটি বিশেষ গুণ হলো- এরা শরীরের মিউকাস পর্দার উপর কোনো প্রকার বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। 
- বিভিন্ন উপাদানের বর্ণ নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থকে ব্যবহার করা হয়। 
- রঞ্জকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য এর সাথে TiO2 ব্যবহার করা হয়। 
- সাধারণত মাইকা থেকে রঞ্জক তৈরি করা হয় এবং এর উপর TiO2 -এর প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- ইয়োসিন (Eosin) একটি বহুল পরিচিত রঞ্জক পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ কী?
  1. খাদ্য প্রস্তুত করা
  2. খাদ্য সঞ্চয় করা
  3. উদ্ভিদকে রঙিন ও আকর্ষণীয় করা 
  4. ক্লোরোফিল উৎপাদন করা
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদকে রঙিন ও আকর্ষণীয় করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদকে রঙিন ও আকর্ষণীয় করা 
ব্যাখ্যা

- ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ হচ্ছে ফুল, ফল এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশকে ক্লোরোফিল (সবুজ রঙ) ব্যতীত অন্যান্য উজ্জ্বল রঙ (যেমন- হলুদ, কমলা, লাল) প্রদান করা। এই রঙিন বৈশিষ্ট্য প্রাণী ও পোকামাকড়কে আকর্ষণ করে, যা পরাগায়ন এবং বীজের বিস্তারে সহায়তা করে। 

প্লাস্টিড (Plastid): 
- বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল 1866 সালে উদ্ভিদ কোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু প্লাস্টিড আবিষ্কার করেন। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
১। ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast): 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা (grana) অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে (stroma) অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভিতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এই প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে, তাই এদের সবুজ দেখায়। এছাড়া এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

২। ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast): 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল (হলুদ), ক্যারোটিন (কমলা), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল), ফাইকোসায়ানিন (নীল) ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

৩। লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast): 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রুণ, জননকোষ ইত্যাদি) সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৫.
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা সমান হলে কী ঘটে?
  1. ভোল্টেজ দশ গুণ কমে যায়
  2. ভোল্টেজ শূন্যে নেমে যায়
  3. ভোল্টেজ দ্বিগুণ হয়
  4. ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা সমান হলে ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে, কারণ ভোল্টেজ পরিবর্তনের অনুপাত প্যাঁচসংখ্যার অনুপাতের সমান; তাই Np = Ns হলে Vs = Vp হয়, যা একটি আইসোলেশন ট্রান্সফরমার হিসেবে কাজ করে এবং ভোল্টেজ বাড়ায়ও না কমায়ও না। 

ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। আবার, বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬.
প্রাকৃতিক রাবার কোন জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয় নয়?
  1. এসিটোন
  2. পেট্রোল
  3. বেনজিন 
  4. ইথার
সঠিক উত্তর:
এসিটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিটোন
ব্যাখ্যা

- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়। যেমন- এসিটোন (acetone) এবং মিথানলের (methanol) মতো জৈব দ্রাবকে প্রাকৃতিক রাবার অদ্রবণীয়। 

রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার ইরেজার এক ধরনের রাবার। সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন ইত্যাদি রাবারের তৈরি। পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপলও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবক (যেমন- এসিটোন, মিথানল) এগুলোতে অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী। তবে বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ (যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি) এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণ হলো রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৭.
পেপটিক আলসার নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি কোনটি?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. এন্ডোসকপি 
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
ব্যাখ্যা

- পেপটিক আলসার নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো এন্ডোস্কোপি, কারণ এটি সরাসরি খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের ভেতরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে এবং বায়োপসি নিতে সাহায্য করে, যা আলসারের সঠিক কারণ ও ধরন (যেমন H. pylori সংক্রমণ) শনাক্ত করতে সবচেয়ে কার্যকর। যদিও আল্ট্রাসাউন্ড বা এক্স-রে সহায়ক হতে পারে, এন্ডোস্কোপিই "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য" পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। 

গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার: 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন। 
(উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো- 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৮.
বাংলাদেশের ব্যবহৃত সারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন থাকে কোন সারে?
  1. ইউরিয়া
  2. পটাশিয়াম নাইট্রেট 
  3. অ্যামোনিয়াম সালফেট
  4. সোডিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের ব্যবহৃত সারগুলোর মধ্যে ইউরিয়াতে সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন থাকে (প্রায় ৪৬%), যা অন্যান্য বিকল্প অপশনগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। 

ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যেও ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেন জাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে। 
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ প্রধানত নাইট্রোজেন লাভ করে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে। ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়। 

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভেতে ব্যবহার হওয়া রিসিভারের নাম কী?
  1. মাইক্রোফোন
  2. আলট্রাসাউন্ড ট্রান্সডিউসার
  3. জিওফোন 
  4. সিসমিক রিসিভার
সঠিক উত্তর:
জিওফোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিওফোন 
ব্যাখ্যা

- ত্রিমাত্রিক (3D) সিসমিক সার্ভেতে মাটির নিচে প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গ বা কম্পন শনাক্ত করার জন্য প্রধানত জিওফোন (Geophone) ব্যবহার করা হয়। এটি যান্ত্রিক কম্পনকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। 

শব্দের ব্যবহার: 
- শব্দের প্রচলিত ব্যবহারের কথা নিশ্চয়ই কাউকে আলাদা করে বলতে হবে না। 
যেমন- কথা বলা, গান শুনা, হৃৎস্পন্দন শোনা, যন্ত্রপাতির শব্দ শোনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে শব্দের ব্যবহার হয়। শব্দ ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিকভাবে নবজাতককে গর্ভের ভিতর থেকে দেখা সম্ভব; এই প্রক্রিয়াকে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়। 

১। ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভে (3D Seismic Survey): 
- মাটির নিচে গ্যাস বা তেল আছে কি না দেখার জন্য সিসমিক সার্ভে করা হয়। এটি করার জন্য মাটির খানিকটা নিচে ছোট বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, বিস্ফোরণের শব্দ মাটির নিচের বিভিন্ন স্তরে প্রতিফলিত হয়ে উপরে ফিরে আসে। 
- জিওফোন (Geophone) নামে বিশেষ এক ধরনের রিসিভারে সেই প্রতিফলিত তরঙ্গকে ধারণ (Detect) করা হয়। 
- সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে মাটির নিচের নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ছবি বের করে, কোথায় গ্যাস বা কোথায় তেল আছে তা বের করা যায়। শব্দের উৎসটি কোথায় আছে এবং জিওফোনগুলো কোথায় আছে দুটিই জানা থাকার কারণে উৎস থেকে জিওফোনে শব্দ আসতে কতটুকু সময় লেগেছে জানতে পারলেই বিভিন্ন স্তরের দূরত্ব নিখুঁতভাবে বের করা যায়। 

২। আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার: 
- ল্যাবরেটরিতে যখন ছোটখাটো যন্ত্রপাতি নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করতে হয়, তখন আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। এখানে কোনো একটি তরলে ছোটখাটো যন্ত্রপাতি ডুবিয়ে রেখে তার ভেতর আলট্রাসাউন্ড প্রবাহিত করা হয়, এবং তার কম্পনে যন্ত্রপাতির সব ময়লা বের হয়ে আসে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭০.
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে নিচের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ে?
  1. খরা ও তুষারপাত
  2. জলোচ্ছ্বাস
  3. ভূমিকম্প 
  4. আগ্নেয়ুৎপাত
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা

- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে মূলত জলোচ্ছ্বাস-এর মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে প্লাবন, নদীভাঙন এবং লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে এবং শক্তিশালী ঝড়ের প্রভাব বাড়ায়। এটি সরাসরি খরা বা তুষারপাত (যা বিপরীত) এবং ভূমিকম্প বা আগ্নেয়ুৎপাতের (যা ভিন্ন ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া) কারণ নয়, বরং উপকূলীয় দুর্যোগের কারণ। 

সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসল উৎপাদনে প্রভাব: 
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এশিয়ার দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। 
- প্রায়শই বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততা সৃষ্টি হয়। 
- অধিকন্তু ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে বৈচিত্র্য দেখা দিচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে টার্ন ডাউন দ্য হিট: ক্লাইমেট রিজিওনাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কেস ফর রেজিলিয়ান্স শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে উল্লেখ করেছে- প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যায় ডুবে যাবে। 
- তাপমাত্রা আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে বন্যায় প্লাবিত এলাকার পরিমাণ ২৯ শতাংশ বাড়বে। 
- ২০৮০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উপকূলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার বাড়লে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪০ শতাংশ ফসলি জমি হারিয়ে যাবে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
মানুষের পরিপাক নালির গড় দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩–৪ মিটার
  2. ৫–৬ মিটার
  3. ৮–১০ মিটার
  4. ১২–১৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮–১০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮–১০ মিটার
ব্যাখ্যা

- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি দীর্ঘ নালি বিশেষ, এর গড় দৈর্ঘ্য সাধারণত ৮-১০ মিটার হয়ে থাকে। প্রাপ্তবয়স্কদের পরিপাক নালী প্রায় ৩০ ফুট (প্রায় ৯ মিটার) লম্বা হতে পারে। 

পরিপাক নালি: 
- মানবদেহে পরিপাক ও পরিশোষণ পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। 
- পরিপাকতন্ত্র পরিপাক নালি ও পরিপাক গ্রন্থি নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার বিস্তৃত দীর্ঘ নালি বিশেষ যা কোথাও থলির ন্যায় স্ফীত আবার কোথাও কুণ্ডলীকৃত। 
- বিভিন্ন অংশ যেমন- মুখছিদ্র, মুখবিবর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র দ্বারা পরিপাক নালি গঠিত। 

ক্ষুদ্রান্ত: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম। 
- ডিওডেনামে মূলতঃ অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।

বৃহদন্ত্র: 
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা- সিকাম, কোলন ও মলাশয়। 
- সিকাম বৃহদন্ত্রের প্রথম, বড় স্ফীত ও গোলাকার থলের মতো অংশ। সিকাম থেকে একটি ক্ষুদ্র আঙ্গুল ও বন্ধ থলের ন্যায় প্রসারিত অংশকে অ্যাপেনডিক্স বলা হয়। এটি একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ কোনটি?
  1. চন্দ্র
  2.  সূর্য
  3. ফোবস
  4. ডিমোস
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা

- চন্দ্র (বা চাঁদ) হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ, এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে এবং সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 

পৃথিবী (Earth): 
- সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রহ হচ্ছে 'পৃথিবী'। এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যাস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে। 
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ। 

চন্দ্র (Moon): 
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি. মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। 
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়। এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দিয়ে থাকে। 

অন্যদিকে, 
- ডিমোস ও ফোবস মঙ্গল গ্রহের দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৭৩.
সীমার প্রাপ্ত নম্বর রীমার চেয়ে বেশি, কিন্তু মিতার চেয়ে কম। টিপু সবার চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে। প্রাপ্ত নম্বরগুলোকে অধঃক্রম অনুসারে সাজালে তৃতীয় অবস্থানে কে আসবে?
  1. টিপু
  2. রীমা
  3. মিতা
  4. সীমা
সঠিক উত্তর:
সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সীমার প্রাপ্ত নম্বর রীমার চেয়ে বেশি, কিন্তু মিতার চেয়ে কম। টিপু সবার চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে। প্রাপ্ত নম্বরগুলোকে অধঃক্রম অনুসারে সাজালে তৃতীয় অবস্থানে কে আসবে?

সমাধান:
দেওয়া তথ্যমতে,
সীমা > রীমা অর্থাৎ ; সীমার নম্বর রীমার চেয়ে বেশি। 
সীমা < মিতা ; অর্থাৎ, সীমার নম্বর মিতার চেয়ে কম। 
টিপু সবার চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে ; অর্থাৎ, তার মানে সবার উপরে থাকবে টিপু।

এখন এই তথ্যগুলোকে একত্রে সাজালে অধঃক্রম অনুসারে হবে,
টিপু (১ম) > মিতা (২য়) > সীমা (৩য়) > রীমা (৪র্থ)

সুতরাং, প্রাপ্ত নম্বরগুলোকে অধঃক্রম (বড় থেকে ছোট) অনুসারে সাজালে তৃতীয় অবস্থানে থাকবে সীমা

৭৪.
'X' বিন্দু থেকে শুরু করে জয়ন্ত পশ্চিম দিকে 15 মিটার হাঁটেন। তারপর তিনি বামদিকে ঘুরে 20 মিটার হাঁটেন। এরপর তিনি আবার বামদিকে ঘুরে 15 মিটার হাঁটেন। এরপর তিনি ডানদিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটেন। এখন জয়ন্ত 'X' বিন্দু থেকে কত দূরে এবং কোন দিকে অবস্থান করছেন?
  1. 47 মিটার এবং পূর্ব দিকে 
  2. 32 মিটার এবং দক্ষিণ দিকে
  3. 42 মিটার এবং পশ্চিম দিকে 
  4. 27 মিটার এবং উত্তর দিকে 
সঠিক উত্তর:
32 মিটার এবং দক্ষিণ দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32 মিটার এবং দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'X' বিন্দু থেকে শুরু করে জয়ন্ত পশ্চিম দিকে 15 মিটার হাঁটেন। তারপর তিনি বামদিকে ঘুরে 20 মিটার হাঁটেন। এরপর তিনি আবার বামদিকে ঘুরে 15 মিটার হাঁটেন। এরপর তিনি ডানদিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটেন। এখন জয়ন্ত 'X' বিন্দু থেকে কত দূরে এবং কোন দিকে অবস্থান করছেন?

সমাধান: 

∴ দক্ষিণ দিকে মোট দূরত্ব = 20 + 12 = 32 মিটার
 
সুতরাং, জয়ন্ত 'X' বিন্দু থেকে 32 মিটার দূরে এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থান করছেন।

৭৫.
Synonym of 'IRRUPTION'
  1. Hate
  2. Interference
  3. Altercation
  4. Bursting in
সঠিক উত্তর:
Bursting in
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bursting in
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Synonym of 'IRRUPTION'

সমাধান: 
Irruption শব্দের অর্থ হলো হঠাৎ জোর করে ঢুকে পড়া, আকস্মিকভাবে প্রবেশ করা, বা বাধা দিয়ে ভিতরে ঢোকা।
[sudden, forceful entry or bursting in].
 
সঠিক সমার্থক (synonym): Bursting in এটি irruption-এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে।

অন্য অপশনগুলো:
Hate অর্থ ঘৃণা
Interference অর্থ হস্তক্ষেপ বা বাধা দেওয়া (অর্থ কাছাকাছি মনে হলেও irruption-এর মূল অর্থ হলো "ঢুকে পড়া", শুধু বাধা দেওয়া নয়)
Altercation অর্থ তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়া। 

সুতরাং, সঠিক উত্তর Bursting in

৭৬.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 22
  2. 15
  3. 33
  4. 40
সঠিক উত্তর:
33
উত্তর
সঠিক উত্তর:
33
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
এখানে,
প্রত্যেক পরবর্তী সংখ্যা = (আগের সংখ্যা × ক্রমিক সংখ্যা) + ক্রমিক সংখ্যা ; [ঘড়ির কাঁটা বিপরীতে] 

১ম বৃত্তে, 
১ম সংখ্যা = 8
২য় সংখ্যা = 8 × 1 + 1 = 9
৩য় সংখ্যা = 9 × 2 + 2 = 20
৪র্থ সংখ্যা = 20 × 3 + 3 = 63

একইভাবে, 
২য় বৃত্তে, 
১ম সংখ্যা = 3
২য় সংখ্যা = 3 × 1 + 1 = 4
৩য় সংখ্যা = 4 × 2 + 2 = 10
৪র্থ সংখ্যা = 10 × 3 + 3 = 33

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 33 সংখ্যাটি বসবে। 

৭৭.
দেয়ালঘড়িতে রাত 9 : 50  বাজলে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম কোণ কত হবে?
  1. 37.5°
  2. 75°
  3. 25°
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দেয়ালঘড়িতে রাত 9 : 50  বাজলে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম কোণ কত হবে?

সমাধান:
ঘণ্টা ও কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = {(11 × মিনিট) - (60 × ঘণ্টা)}/2
= |(11 × 50) - (60 × 9)|/2
= |(550 - 540)|/2
= |10|/2
= 5°

সুতরাং, রাত 9 : 50 বাজলে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম কোণ হলো 5°। 

৭৮.
দুটি গিয়ার সংযুক্ত আছে। একটির 20টি দাঁত এবং অন্যটির 60টি দাঁত আছে। ছোট গিয়ারটি 180 rpm গতিতে ঘুরছে। তাহলে বড় গিয়ারটি কত rpm-এ ঘুরবে?
  1. 80 rpm
  2. 120 rpm
  3. 60 rpm
  4. 40 rpm
সঠিক উত্তর:
60 rpm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 rpm
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি গিয়ার সংযুক্ত আছে। একটির 20টি দাঁত এবং অন্যটির 60টি দাঁত আছে। ছোট গিয়ারটি 180 rpm গতিতে ঘুরছে। তাহলে বড় গিয়ারটি কত rpm-এ ঘুরবে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ছোট গিয়ার = 20টি দাঁত এবং ঘূর্ণন গতি = 180 rpm
বড় গিয়ার = 60টি দাঁত এবং ঘূর্ণন গতি = ?

আমরা জানি, 
ছোট গিয়ারের rpm × ছোট গিয়ারের দাঁত = বড় গিয়ারের rpm × বড় গিয়ারের দাঁত
⇒ 180 × 20 = বড় গিয়ারের rpm × 60
⇒ 3600 = বড় গিয়ারের rpm × 60
⇒ বড় গিয়ারের rpm = 3600/60 
∴ বড় গিয়ারের rpm = 60


সুতরাং, ছোট গিয়ার 180 rpm-এ ঘুরলে বড় গিয়ার 60 rpm-এ ঘুরবে।

৭৯.
'' শব্দটিকে পানিতে কেমন দেখাবে? 
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: '' শব্দটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?  

    সমাধান: 

    সঠিক উত্তর ক) নং 

    ৮০.
    নিচের কোনটি মানুষের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের একটি উদাহরণ? 
    1. Stereotype
    2. Prototype
    3. Prejudice
    4. Discrimination
    সঠিক উত্তর:
    Prejudice
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Prejudice
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি মানুষের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের একটি উদাহরণ?

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর: গ) Prejudice
    কারণ, এটি মানুষের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব (negative attitude)।
    এর অর্থ হলো কোনো গোষ্ঠী, জাতি, ধর্ম বা ব্যক্তির প্রতি আগে থেকেই তৈরি হওয়া নেতিবাচক বিশ্বাস বা অনুভূতি।
    যেমন: 'এই গোষ্ঠীর লোকেরা সবাই অবিশ্বাস্য/অলস/খারাপ।' কোনো বাস্তব প্রমাণ ছাড়াই এমন ভাবা।

    Stereotype ⇒ এটি একটি সাধারণীকৃত ধারণা, যা ইতিবাচক বা নেতিবাচক উভয়ই হতে পারে।

    Prototype ⇒ মনোবিজ্ঞানে এটি কোনো বিষয়ের 'আদর্শ বা সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ' বোঝায়। এর সাথে নেতিবাচক মনোভাবের কোনো সম্পর্ক নেই।

    Discrimination ⇒ এটি আচরণ বা কাজ, যেখানে কাউকে নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করা হয় (যেমন: চাকরি না দেওয়া, অপমান করা, আলাদা করে রাখা)। এটি মনোভাব নয়, বরং prejudice থেকে উদ্ভূত কাজ।

     

    সুতরাং, মানুষের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব (negative attitude)-এর সবচেয়ে সঠিক উদাহরণ হলো Prejudice।

    ৮১.
    প্রদত্ত চিত্রে মোট কয়টি আয়তক্ষেত্র ও ত্রিভুজ আছে? 
    1. 10টি ও 5টি
    2. 8টি ও 5টি
    3. 9টি ও 4টি
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    9টি ও 4টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    9টি ও 4টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে মোট কয়টি আয়তক্ষেত্র ও ত্রিভুজ আছে? 

    সমাধান: 

    আয়তক্ষেত্র:
    একটি ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 2, 3, 4, 5 = 4টি 
    দুইটি ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 23, 45, 24, 35 = 4টি 
    চারটি ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 2345

    ∴ মোট আয়তক্ষেত্র আছে = 4 + 4 + 1 = 9টি 

    ত্রিভুজ:
    একটি ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে- 1, 6, 7 = 3টি 
    দুইটি ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 67 = 1টি 

    ∴ মোট ত্রিভুজ আছে = 3 + 1 = 4টি 

    সুতরাং, আয়তক্ষেত্র ও ত্রিভুজ আছে 9টি ও 4টি। 

    ৮২.
    কোন বানানটি সঠিক?
    1. ভদ্রতাচিত 
    2. ভদ্রচিত
    3. ভদ্রোচিত
    4. ভদ্রাচিত
    সঠিক উত্তর:
    ভদ্রোচিত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভদ্রোচিত
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন বানানটি সঠিক?

    সমাধান: 
    সঠিক বানান হলো - ভদ্রোচিত


    অন্য অপশনে বানানগুলো ভুল। 

    ৮৩.
    শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
    A1, C4, E9, G16, I25,____
    1. K49
    2. L36
    3. J36
    4. K36
    সঠিক উত্তর:
    K36
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    K36
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
    A1, C4, E9, G16, I25,____.

    সমাধান: 
    বর্ণের ধারা:
    এখানে বর্ণমালা একটি করে বর্ণ বাদ দিয়ে এগোচ্ছে।
    A-এর পর B বাদ দিয়ে C।
    C-এর পর D বাদ দিয়ে E।
    E-এর পর F বাদ দিয়ে G।
    G-এর পর H বাদ দিয়ে I।
    I-এর পর J বাদ দিলে পরবর্তী বর্ণ হবে K।

    সংখ্যার ধারা:
    এখানে সংখ্যাগুলো হলো স্বাভাবিক ক্রমিক সংখ্যার বর্গ। 
    12 = 1, 22 = 4, 32 = 9, 42 = 16, 52 = 25,
    ∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = 62 = 36

    সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তরটি হবে K36। 

    ৮৪.
    একটি নৌকা ঘণ্টায় স্রোতের অনুকূলে ১৩ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ৯ কি.মি. বেগে চললে, স্রোতের বেগ কত?
    1. ২ কি.মি./ঘণ্টা
    2. ৬ কি.মি./ঘণ্টা
    3. ৫ কি.মি./ঘণ্টা
    4. ১১ কি.মি./ঘণ্টা
    সঠিক উত্তর:
    ২ কি.মি./ঘণ্টা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২ কি.মি./ঘণ্টা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি নৌকা ঘণ্টায় স্রোতের অনুকূলে ১৩ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ৯ কি.মি. বেগে চললে, স্রোতের বেগ কত?

    সমাধান:
    ধরি,
    নৌকার বেগ = ক কি.মি./ঘণ্টা
    স্রোতের বেগ = খ কি.মি./ঘণ্টা

    স্রোতের অনুকূলে বেগ = ক + খ = ১৩ কি.মি./ঘণ্টা .........(১)
    স্রোতের প্রতিকূলে বেগ = ক - খ = ৯ কি.মি./ঘণ্টা  ...........(২)

    এখন, (১) + (২) 
    (ক + খ) + (ক - খ) = ১৩ + ৯
    ⇒ ২ক = ২২ 
    ⇒ ক = ২২/২ 
    ∴ ক = ১১

    (১) থেকে পাই,
    ১১ + খ = ১৩
    ⇒ খ = ১৩ - ১১
    ∴ খ = ২

    ∴ স্রোতের বেগ = ২ কি.মি./ঘণ্টা 

    শর্টকাট:
    স্রোতের বেগ = (অনুকূল বেগ - প্রতিকূল বেগ)/২
    = (১৩ - ৯)/২
    = ৪/২
    = ২ কি.মি./ঘণ্টা

    ৮৫.
    বস্তুটিকে টেনে তুলতে রশির মুক্ত প্রান্তে কত ভর প্রয়োগ করতে হবে?
    1. 28 kg
    2. 27.5 kg
    3. 31 kg
    4. 25.5 kg
    সঠিক উত্তর:
    25.5 kg
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    25.5 kg
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বস্তুটিকে টেনে তুলতে রশির মুক্ত প্রান্তে কত ভর প্রয়োগ করতে হবে?


    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    ​বস্তুটির সাথে যুক্ত রশির সংখ্যা = 6 টি 

    ∴ রশির মুক্তপ্রান্তে প্রযুক্ত ভর = বস্তুর ভর/বস্তুর সাথে যুক্ত রশির সংখ্যা 
    ​= 153/6 
    ​= 25.5 kg

    ৮৬.
    প্যাটার্ন সম্পূর্ণ করতে নিচের কোন চিত্রটি প্রয়োজন?
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্যাটার্ন সম্পূর্ণ করতে নিচের কোন চিত্রটি প্রয়োজন?

    সমাধান: 


    সঠিক উত্তর গ) 1 নং

    ৮৭.
    যদি 'STAMP' = 'TVDQU' হয়, তবে 'FLAME' = কী হবে? 
    1. UDQKA
    2. GNDQJ
    3. JDKAL
    4. SRLFE
    সঠিক উত্তর:
    GNDQJ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    GNDQJ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 'STAMP' = 'TVDQU' হয়, তবে 'FLAME' = কী হবে? 

    সমাধান: 

    প্রতিটি বর্ণকে তার শব্দের মধ্যে অবস্থান অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হয়।
    অর্থাৎ, ১ম অক্ষর + ১, ২য় অক্ষর + ২, ৩য় অক্ষর + ৩, ৪র্থ অক্ষর + ৪, ৫ম অক্ষর + ৫।
    এখানে, 
    STAMP,
    S + 1 ⇒ T
    T + 2 ⇒ V
    A + 3 ⇒ D
    M + 4 ⇒ Q
    P + 5 ⇒ U

    একইভাবে, 
    FLAME,
    F + 1 ⇒ G
    L + 2 ⇒ N
    A + 3 ⇒ D
    M + 4 ⇒ Q
    E + 5 ⇒ J

    FLAME = GNDQJ

    ৮৮.
    একটি লাঠি ৪৮ ইঞ্চি লম্বা, এটি দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে যাতে ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৩ হয়। ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত?
    1. ৩২.২৪ সে.মি.
    2. ৩০.৪৮ সে.মি.
    3. ২৮.৭২ সে.মি.
    4. ৩৬.৭৮ সে.মি.
    সঠিক উত্তর:
    ৩০.৪৮ সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩০.৪৮ সে.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি লাঠি ৪৮ ইঞ্চি লম্বা, এটি দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে যাতে ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৩ হয়। ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত?

    সমাধান:
    ধরি,
    ছোট অংশটি = ক ইঞ্চি
    তাহলে, বড় অংশটি = ৩ক ইঞ্চি

    শর্তমতে,
    ক + ৩ক = ৪৮ ইঞ্চি
    ⇒ ৪ক = ৪৮ ইঞ্চি
    ⇒ ক  = ৪৮/৪ ইঞ্চি
    ∴ ক = ১২ ইঞ্চি

    অতএব, ছোট অংশটি ১২ ইঞ্চি লম্বা।

    আমরা জানি,
    ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি.
    ∴ ১২ ইঞ্চি = ১২ × ২.৫৪ = ৩০.৪৮ সে.মি.

    অতএব, ছোট অংশটি ৩০.৪৮ সে.মি. লম্বা।

    ৮৯.
    একটি ট্রাপিজিয়াম আকৃতির লোহার পাতের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫ সে.মি ও ২ সে.মি এবং এদের লম্ব দূরত্ব ২ সে.মি। পাতটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি?  
    1. ৭ বর্গ সে.মি 
    2. ৬ বর্গ সে.মি 
    3. ৫ বর্গ সে.মি 
    4. ৪ বর্গ সে.মি 
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বর্গ সে.মি 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বর্গ সে.মি 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়াম আকৃতির লোহার পাতের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫ সে.মি ও ২ সে.মি এবং এদের লম্ব দূরত্ব ২ সে.মি। পাতটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি? 

    সমাধান: 
    পাতটি ট্রাপিজিয়াম আকৃতির তাই- 
    ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × লম্ব দূরত্ব 
    = ১/২ × (৫ + ২) × ২ 
    = ৭ বর্গ সে.মি.

    ∴ পাতটির ক্ষেত্রফল = ৭ বর্গ সে.মি.।

    ৯০.
    দীপান্বিতার সাতজন বান্ধবী আছে। কত ভাবে সে এক বা একাধিক বান্ধবীকে নিমন্ত্রণ করতে পারবে? 
    1. 127
    2. 128
    3. 64
    4. 65
    সঠিক উত্তর:
    127
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    127
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দীপান্বিতার সাতজন বান্ধবী আছে। কত ভাবে সে এক বা একাধিক বান্ধবীকে নিমন্ত্রণ করতে পারবে?

    সমাধান:
    ধরি,
    দীপান্বিতার ৭ জন বান্ধবী আছে। 
    প্রত্যেক বান্ধবীকে নিমন্ত্রণ করা বা না করা → ২টি বিকল্প।

    সর্বমোট সম্ভাবনা: 27 = 128

    কাউকে না নিমন্ত্রণ করলে → 1 উপায়।

    তাই কমপক্ষে ১ জন নিমন্ত্রণ করার উপায়: 128 - 1 = 127 টি উপায়

    ৯১.
    যদি (p/q)x - 3 = (q/p)x - 5 হয়, তবে x এর মান কত?
    1. - 3
    2. - 4
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি (p/q)x-3 = (q/p)x-5 হয়, তবে x এর মান কত?

    সমাধান :
    (p/q)x-3 = (q/p)x-5
    or, x - 3 = 5 - x
    or, x + x = 3 + 5
    or, 2x = 8
    or, x = 4

    ৯২.
    logx√216 = 3/2 হয়, তবে x3 এর মান কত?
    1. 192
    2. 188
    3. 212
    4. 216
    সঠিক উত্তর:
    216
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    216
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: logx√216 = 3/2 হয়, তবে x3 এর মান কত?

    সমাধান: 
    logx√216 = 3/2
    ⇒ x(3/2) = √216
    ⇒ (x3/2)2 = (√216)2
    ∴ x3 = 216

    ৯৩.
    যদি p - q = 5 হয়, তবে [p3 - q3 - 15pq] - 52 এর মান কত?
    1. 125
    2. 100
    3. 95
    4. 115
    সঠিক উত্তর:
    100
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    100
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি p - q = 5 হয়, তবে [p3 - q3 - 15pq] - 52 এর মান কত?

    সমাধান:
    দেয়া আছে, p - q = 5

    প্রদত্ত রাশি = p3 - q3 - 15pq
    = (p - q)3 + 3pq(p - q) - 15pq
    = 53 + 3pq × 5 - 15pq
    = 125 + 15pq - 15pq
    = 125

    ∴ [p3 - q3 - 15pq] - 52 = 125 - 25 = 100

    ৯৪.
    5x + 9y = 45 রেখাটি অক্ষদ্বয়ের সাথে কত ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট ত্রিভুজ তৈরি করে?
    1. 27.5 বর্গ একক
    2. 32.5 বর্গ একক
    3. 22.5 বর্গ একক
    4. 35.5 বর্গ একক
    সঠিক উত্তর:
    22.5 বর্গ একক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    22.5 বর্গ একক
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 5x + 9y = 45 রেখাটি অক্ষদ্বয়ের সাথে কত ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট ত্রিভুজ তৈরি করে?

    সমাধান:
    এখানে, 
    5x + 9y = 45
    ⇒ (5x/45) + (9y/45) = 1
    ⇒ (x/9) + (y/5) = 1

    ∴ 5x + 9y = 45 রেখাটি অক্ষদ্বয়ের সাথে কত ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট ত্রিভুজ = (1/2) x 9 x 5 = 22.5 বর্গ একক

    ৯৫.
    একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর 15 এবং 12 তম পদ 300 হলে 33 তম পদটি কত? 
    1. 615
    2. 600
    3. 595
    4. 580
    সঠিক উত্তর:
    615
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    615
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর 15 এবং 12 তম পদ 300 হলে 33 তম পদটি কত?

    সমাধান:
    ধরি, ধারাটির প্রথম পদ = a
    সাধারণ অন্তর, d = 15

    আমরা জানি, কোনো সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n - 1)d
    সুতরাং, 12 তম পদ = a + (12 - 1)d
    বা, 300 = a + 11 × 15
    বা, 300 = a + 165
    বা, a = 300 - 165
    ∴ a = 135

    এখন, 33 তম পদ = a + (33 - 1)d
    = 135 + 32 × 15
    = 135 + 480
    = 615

    সুতরাং, ধারাটির 33 তম পদ হলো 615

    ৯৬.
    - 3 < q < 5 হলে, পরমমান চিহ্নের সাহায্যে অসমতাটি প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?
    1. |q - 1| ≤ 8
    2. |q - 1| < 4
    3. |q + 1| > 3
    4. |q - 1| ≥ 2
    সঠিক উত্তর:
    |q - 1| < 4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    |q - 1| < 4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: - 3 < q < 5 হলে, পরমমান চিহ্নের সাহায্যে অসমতাটি প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?

    সমাধান:
    অসমতাটির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার গড় = (- 3 + 5)/2 = 1

    এখন,
    -3 < q < 5
    ⇒ - 3 - 1 < q - 1 < 5 - 1 [উভয়পক্ষ থেকে 1 বিয়োগ করে]
    ⇒ - 4 < q - 1 < 4
    ⇒ |q - 1| < 4

    ∴ পরমমান চিহ্নের সাহায্যে অসমতাটির প্রকাশ: |q - 1| < 4

    ৯৭.
    5, 7, 3, 1 সংখ্যাগুলোর ভেদাংক কোনটি?
    1. 15
    2. √7
    3. 5
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 5, 7, 3, 1 সংখ্যাগুলোর ভেদাংক কোনটি?

    সমাধান:
    এখানে, 
    5, 7, 3, 1 এর গড় = (5 + 7 + 3 + 1)/4 = 4

    ∴ ভেদাংক = [(4 - 5)2 + (4 - 7)2 + (4 - 3)2 + (4 - 1)2]/4
    = 5

    ৯৮.
    35a2 - a - 12 এর একটি উৎপাদক কোনটি?
    1. 3a + 2
    2. 5a + 3
    3. 5a + 4
    4. 7a + 4
    সঠিক উত্তর:
    7a + 4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    7a + 4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 35a2 - a - 12 এর একটি উৎপাদক কোনটি?

    সমাধান:
    35a2 - a - 12 
    = 35a2 - 21a + 20a - 12
    = 7a (5a - 3) + 4 (5a - 3) 
    = (5a - 3)(7a + 4) 

    অর্থাৎ 35a2 - a - 12 রাশিটির দুইটি উৎপাদকের মধ্যে একটি হলো (7a + 4)

    ৯৯.
    2024 সালে একটি স্কুলে মোট 1000 জন শিক্ষার্থী ছিল। 2025 সালে ছেলেদের মধ্যে 5% স্কুল ছেড়ে যায় এবং নতুন করে 15% মেয়ে শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হয়। তবে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। 2024 সালে স্কুলে কতজন মেয়ে শিক্ষার্থী ছিল? 
    1. 170 জন
    2. 190 জন
    3. 230 জন
    4. 250 জন
    সঠিক উত্তর:
    250 জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    250 জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 2024 সালে একটি স্কুলে মোট 1000 জন শিক্ষার্থী ছিল। 2025 সালে ছেলেদের মধ্যে 5% স্কুল ছেড়ে যায় এবং নতুন করে 15% মেয়ে শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হয়। তবে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। 2024 সালে স্কুলে কতজন মেয়ে শিক্ষার্থী ছিল? 

    সমাধান:
    ধরি, 2024 সালে ছাত্রীর সংখ্যা ছিল x 
    এবং ছাত্রের সংখ্যা ছিল (1000 - x)
    প্রশ্ন অনুযায়ী, 2025 সালে ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 15% এবং ছাত্রের সংখ্যা হ্রাস পায় 5%। কিন্তু মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।

    প্রশ্নমতে,
    (x + x এর 15%) + {(1000 - x) - (1000 - x) এর 5%} = 1000
    ⇒ x + (15x/100) + (1000 - x) - {5(1000 - x)/100} = 1000
    ⇒ 15x/100 - 5(1000 - x)/100 = 0
    ⇒ 15x - 5(1000 - x) = 0
    ⇒ 15x - 5000 + 5x = 0
    ⇒ 20x = 5000
    ⇒ x = 5000/20
    ⇒ x = 250

    সুতরাং, 2024 সালে স্কুলে ছাত্রীর সংখ্যা ছিল 250 জন।

    ১০০.
    দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার দশকের অঙ্কের সাথে 3 যোগ করলে এবং এককের অঙ্ক থেকে 2 বিয়োগ করলে প্রাপ্ত সংখ্যাটি মূল সংখ্যার তিনগুণ হয়। সংখ্যাটির দ্বিগুণ কত?
    1. 28
    2. 32
    3. 36
    4. 48
    সঠিক উত্তর:
    28
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    28
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার দশকের অঙ্কের সাথে 3 যোগ করলে এবং এককের অঙ্ক থেকে 2 বিয়োগ করলে প্রাপ্ত সংখ্যাটি মূল সংখ্যার তিনগুণ হয়। সংখ্যাটির দ্বিগুণ কত?

    সমাধান: 
    ধরি, 
    দুই অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যার এককের অঙ্ক = x এবং 
    দুই অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যার দশকের অঙ্ক = y 
    ∴ সংখ্যাটি = x + 10y 
    আবার, 
    নতুন সংখ্যাটির এককের অঙ্ক = x - 2 
    নতুন সংখ্যাটির দশকের অঙ্ক = y + 3
    ∴ নতুন সংখ্যাটি = x - 2 + 10 (y + 3) 
    = x - 2 + 10y + 30
    = x + 10y + 28

    প্রশ্নমতে, 
    3(x + 10y) = x + 10y + 28 
    বা, 3x + 30y = x + 10y + 28
    বা, 3x - x +30y - 10y = 28  
    বা, 2x + 20y = 28
    বা, 2 (x + 10y) = 28
    বা, (x + 10y) = 28/2 
    ∴ (x + 10y) = 14

    ∴ সংখ্যাটি = 14

    ∴ সংখ্যাটির দ্বিগুণ = 14 x 2 = 28

    ১০১.
    S = {1/3 , 1/9, 1/27, 1/81 ............} এর সুপ্রিমাম কত? 
    1. 0
    2. 1/3
    3. 1/81
    4. 1/27
    সঠিক উত্তর:
    1/3
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1/3
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: S = {1/3 , 1/9, 1/27, 1/81 ............} এর সুপ্রিমাম কত? 

    সমাধান:
    দেওয়া সেটটি হলো:

    S = { 1/3, 1/9, 1/27, 1/81, …...... }
    S = {1/3, 1/32, 1/33, 1/34, ...........}

    এই সেটটি একটি হ্রাসমান জ্যামিতিক ধারা, যেখানে প্রতিটি পরবর্তী পদ আগের পদের চেয়ে ছোট।

    সেটটির সবচেয়ে বড় উপাদান হলো 1/3 এবং এটি সেটের মধ্যেই রয়েছে।

    যেহেতু 1/3 সেটটির সর্বনিম্ন উপরের সীমা, তাই সেটটির সুপ্রিমাম হলো 1/3

    সুপ্রিমাম = 1/3

    ১০২.
    একটি গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদটি - 162 এবং পঞ্চম পদটি 3/4 হলে, প্রথম পদটি কত হবে? 
    1. 892
    2. 922
    3. 968
    4. 972
    সঠিক উত্তর:
    972
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    972
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদটি - 162 এবং পঞ্চম পদটি 3/4 হলে, প্রথম পদটি কত হবে? 

    সমাধান:
    আমরা জানি, কোন গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a,
    সাধারণ অনুপাত q হলে n তম পদ = aqn - 1
    সুতরাং,
    দ্বিতীয় পদ = aq2 - 1
    = aq
    = - 162
    ∴ a = - 162/q ........ (1)

    আবার,
    পঞ্চম পদ = aq 5 - 1
    = aq4
    = (- 162/q)q4
    = - 162q3

    প্রশ্নমতে,
    - 162q3 = 3/4
    ⇒ q3 = - 3/648
    ⇒ q3 = - 1/216
    ⇒ q3 = (- 1/6)3
    ∴ q = - 1/6

    সুতরাং, ১ম পদ = - 162/(-1/6)
    = 972

    ১০৩.
    ৫% হার মুনাফায় ৪০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
    1. ৩০.৫০ টাকা
    2. ৩২ টাকা
    3. ৩৫ টাকা
    4. ৩৭.৫০ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৩০.৫০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩০.৫০ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ৫% হার মুনাফায় ৪০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    মূলধন, P = ৪০০০ টাকা
    সময়, n = ৩ বছর
    সুদের হার, r = ৫/১০০ = ১/২০

    আমরা জানি
    সরল মুনাফা, I = Pnr
    = ৪০০০ × ৩ × (১/২০)
    = ৬০০ টাকা

    চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় সবৃদ্ধিমূল, C = P(১ + r)n
    = ৪০০০(১ + ১/২০)
    = ৪০০০ × (২১/২০) × (২১/২০) × (২১/২০)
    = ৪০০০ × (৯,২৬১/৮,০০০)
    = ৪৬৩০.৫০ টাকা

    ∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ৪৬৩০.৫০ - ৪০০০ = ৬৩০.৫০ টাকা।

    সুতরাং চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = (৬৩০.৫০ - ৬০০) = ৩০.৫০ টাকা

    ১০৪.
    কোনো বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের পার্থক্য ৬০ সে.মি. হলে বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
    1. ২০ সে.মি.
    2. ১২ সে.মি.
    3. ১৪ সে.মি.
    4. ১৮ সে.মি.
    সঠিক উত্তর:
    ১৪ সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৪ সে.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোনো বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের পার্থক্য ৬০ সে.মি. হলে বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?

    সমাধান:
    ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
    তাহলে, বৃত্তের ব্যাস = ২r
    এবং বৃত্তের পরিধি = ২πr

    প্রশ্নমতে,
    ২πr - ২r = ৬০
    ⇒ ২r(π - 1) = ৬০
    ⇒ ২r{(২২/৭) - 1} = ৬০
    ⇒ ২r{(২২ - ৭)/৭} = ৬০
    ⇒ ২r(১৫/৭) = ৬০
    ⇒ r = (৬০ × ৭)/(২ × ১৫)
    ⇒ r = ৪২০/৩০
    ∴ r = ১৪ 

    সুতরাং, বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১৪ সে.মি.।

    ১০৫.
    একটি অধিবর্ষে (Leap Year) বছরে 52 রবিবার থাকার সম্ভাবনা কত?
    1. 5/7
    2. 4/7
    3. 3/7
    4. 4/9
    সঠিক উত্তর:
    5/7
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5/7
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি অধিবর্ষে (Leap Year) বছরে 52 রবিবার থাকার সম্ভাবনা কত?

    সমাধান:
    একটি লিপ ইয়ারে 52 টি রবিবার হওয়ার সম্ভাবনা বের করুন।

    একটি লিপ ইয়ারে 52 টি রবিবার বা 53 টি রবিবার থাকতে পারে।

    একটি লিপ ইয়ারে মোট 366 দিন থাকে, যার মধ্যে 52 টি পূর্ণ সপ্তাহ এবং অবশিষ্ট 2 দিন থাকে।

    এখন এই দুইটি দিন হতে পারে:
    (Sat, Sun)
    (Sun, Mon)
    (Mon, Tue)
    (Tue, Wed)
    (Wed, Thu)
    (Thu, Fri)
    (Fri, Sat)

    সুতরাং মোট 7টি সম্ভাব্য কেস রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে (Sat, Sun) এবং (Sun, Mon) দুটি অনুকূল কেস।

    P(53 রবিবার) = 2/7

    এখন,
    P(52 রবিবার) + P(53 রবিবার) = 1
    ∴ P(52 রবিবার) = 1 - P(53 রবিবার) = 1 - 2/7 = 5/7

    সুতরাং 52টি রবিবারের সম্ভাবনা = 5/7

    ১০৬.
    দুইটি রাশির ল.সা.গু. সংখ্যাদ্বয়ের গ.সা.গুর ১২ গুণ। গ.সা.গু. ও ল.সা.গুর সমষ্টি ৮০৬। যদি একটি সংখ্যা ১৮৬ হয় তাহলে অন্য সংখ্যাটি কত?
    1. ২৩২
    2. ২৩৬ 
    3. ২৪২ 
    4. ২৪৮
    সঠিক উত্তর:
    ২৪৮
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৪৮
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুইটি রাশির ল.সাগু. সংখ্যাদ্বয়ের গ.সা.গুর ১২ গুণ। গ.সা.গু. ও ল.সা.গুর সমষ্টি ৮০৬। যদি একটি সংখ্যা ১৮৬ হয় তাহলে অন্য সংখ্যাটি কত?

    সমাধান:
    ধরি,
    গ.সা.গু. = ক
    ∴ ল.সা.গু. = ১২ক

    প্রশ্নমতে,
    ক + ১২ক = ৮০৬
    ⇒ ১৩ক = ৮০৬
    ⇒ ক = ৮০৬/১৩
    ⇒ ক = ৬২ 

    ∴ গ.সা.গু. = ৬২
    এবং ল.সা.গু. = ১২ × ৬২ = ৭৪৪

    এখন,
    ১৮৬ × অপর সংখ্যা = ল.সা.গু. × গ.সা.গু
    ⇒ অপর সংখ্যা = (৬২ × ৭৪৪)/১৮৬
    ⇒ অপর সংখ্যা = ২৪৮

    ১০৭.
    একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 7√2 একক হলে, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত একক?
    1. 18 একক
    2. 16 একক
    3. 28 একক 
    4. 26 একক
    সঠিক উত্তর:
    28 একক 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    28 একক 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 7√2 একক হলে, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত একক?

    সমাধান:
    বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য a একক 
    বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য a√2 একক 
    বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা 4a  একক 

    দেওয়া আছে,
    বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 7√2 একক

    প্রশ্নমতে,
    a√2 = 7√2
    a = 7

    ∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × 7 একক 
    = 28 একক 

    ১০৮.
    নিচের কোনটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য?
    1. অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করে
    2. ডেটা সহজে পরিবর্তন করা যায়
    3. নন-ভোলাটাইল মেমরি
    4. ভোলাটাইল মেমরি
    সঠিক উত্তর:
    নন-ভোলাটাইল মেমরি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নন-ভোলাটাইল মেমরি
    ব্যাখ্যা

    • ROM বা Read-Only Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি মেমরি যা নন-ভোলাটাইল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা হারায় না। এটি মূলত স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM-এ রাখা তথ্য সাধারণত প্রস্তুতকারকের দ্বারা লিখিত হয় এবং ব্যবহারকারী সহজে তা পরিবর্তন করতে পারে না। তাই এটি অস্থায়ী নয় এবং এতে থাকা ডেটা সহজে পরিবর্তনযোগ্য নয়। এটি ভোলাটাইল মেমরির মতো নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে সব তথ্য মুছে যায়। সুতরাং, দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে “নন-ভোলাটাইল মেমরি” ROM-এর বৈশিষ্ট্য।

    ROM:
    - এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
    - এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
    - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
    - তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
    - বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

    RAM:

    - RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
    - মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
    - এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
    - কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
    - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
    - এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

    Cache Memory:
    - কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
    - সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
    - কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
    - Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

    Register:
    - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
    - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
    - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
    - অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

    উৎস:
    ১. ব্রিটানিকা
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৯.
    OMR কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে?
    1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
    2. শব্দ শনাক্তকরণ
    3. রেডিও তরঙ্গ
    4. অপটিক্যাল স্ক্যানিং
    সঠিক উত্তর:
    অপটিক্যাল স্ক্যানিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অপটিক্যাল স্ক্যানিং
    ব্যাখ্যা

    • OMR বা Optical Mark Recognition একটি প্রযুক্তি যা ঘনিষ্ঠ বা চিহ্নিত মার্কগুলি শনাক্ত করতে অপটিক্যাল স্ক্যানিং ব্যবহার করে। পরীক্ষার উত্তরপত্র, ভোটার ব্যালট বা সার্ভে ফর্মে যে স্থানে চিহ্নিত করা হয় তা OMR ডিভাইস বা সফটওয়্যার দ্বারা পড়া হয়। এটি পেপারের উপর থাকা কালো বা গাঢ় চিহ্নগুলিকে আলোর প্রতিফলন বা শোষণের মাধ্যমে শনাক্ত করে, ফলে কোন অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়। OMR প্রযুক্তি কোনো রেডিও তরঙ্গ, শব্দ শনাক্তকরণ বা ইনফ্রারেড সিগন্যালের উপর নির্ভর করে না, বরং এটি প্রদত্ত মার্কের অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপটিক্যাল স্ক্যানিং।
     
    ওএমআর (OMR):
    - অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস।  
    - OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
    - এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
    - বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
    - নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে। 
    - এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে। 
    - মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

    ১১০.
    HTML মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
    1. পাইথন স্ক্রিপ্ট লেখা
    2. ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
    3. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা
    4. ডাটাবেস সংরক্ষণ
    সঠিক উত্তর:
    ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
    ব্যাখ্যা

    • HTML মূলত ওয়েব পেজ তৈরি এবং ডিজাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি “HyperText Markup Language” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ওয়েব পেজে বিভিন্ন উপাদান যেমন শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। HTML একটি মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারকে বলে দেয় কিভাবে কনটেন্ট সাজানো ও প্রদর্শন করতে হবে। এটি নিজে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, তাই এতে লজিক বা স্ক্রিপ্ট লেখা যায় না। HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করা হয়, এবং CSS ও JavaScript এর সঙ্গে মিলিয়ে সুন্দর ও ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। তাই HTML মূলত ওয়েব পেজ ডিজাইন করা কাজে ব্যবহৃত হয়।

    - সঠিক উত্তর: খ) ওয়েব পেজ ডিজাইন করা।

    • HTML:
    - ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো  HyperText Markup Language.
    - HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা। 
    -  টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন। 
    - এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
    - HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
    - HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
    - HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।

    ১১১.
    GPS সিগন্যাল কোন ধরনের তরঙ্গ ব্যবহার করে প্রেরণ করা হয়?
    1. রেডিও তরঙ্গ
    2. আলো তরঙ্গ
    3. ইনফ্রারেড তরঙ্গ
    4. শব্দ তরঙ্গ
    সঠিক উত্তর:
    রেডিও তরঙ্গ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রেডিও তরঙ্গ
    ব্যাখ্যা

    • GPS (Global Positioning System) সিগন্যাল মূলত রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে প্রেরিত হয়। এই সিগন্যাল পৃথিবীর চারপাশে অবস্থান নির্ধারণ করতে সক্ষম স্যাটেলাইট থেকে রিসিভার পর্যন্ত পৌঁছায়। রেডিও তরঙ্গকে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সহজে প্রেরণ করা যায় এবং এটি বড় দূরত্বে প্রায় ক্ষতি ছাড়া পৌঁছাতে সক্ষম। আলোর তরঙ্গ বা ইনফ্রারেড তরঙ্গ প্রধানত দৃষ্টি সরাসরি থাকা অবস্থায় ব্যবহার হয়, এবং শব্দ তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলে গমন করতে প্রয়োজনীয় মাধ্যমের উপর নির্ভর করে। তাই সঠিক ও কার্যকর GPS যোগাযোগের জন্য রেডিও তরঙ্গই সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম। স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত এই সিগন্যাল সময় এবং অবস্থানের তথ্য প্রদান করে, যা রিসিভারকে সঠিক স্থান ও গতিবেগ নির্ধারণে সাহায্য করে।

    - সঠিক উত্তর: ক) রেডিও তরঙ্গ।

    • জিপিএস (Global Positioning System – GPS):
    - জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট-নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।
    - আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির কারণে, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তু ট্র্যাক করা এবং অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
    - জিপিএস নিরন্তর স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
    - বর্তমানে, জিপিএস রিসিভারগুলো উচ্চ নির্ভুলতা (high accuracy) প্রদান করে।
    - গাড়ি, জাহাজ, বিমান, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
    - বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় জিপিএস ভিত্তিক সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া।
    - নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলের যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে পারে।
    - এর ফলে যাত্রীরা স্টেশনে সময়মতো পৌঁছাতে পারে।
    - বাংলাদেশের এই সেবাটি গ্রামীণফোন ও রেলের যৌথ উদ্যোগে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়।

    Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান। 

    ১১২.
    আপনার C ড্রাইভ যদি পূর্ণ থাকে, তাহলে নিম্নলিখিত কোনটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?
    1. মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে
    2. ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি পাবে
    3. প্রিন্টার কাজ করা বন্ধ করবে
    4. আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে চলবে 
    সঠিক উত্তর:
    আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে চলবে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে চলবে 
    ব্যাখ্যা

    • যদি আপনার কম্পিউটারের C ড্রাইভ পূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে যে আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে চলবে। C ড্রাইভ সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামগুলো রাখে। যখন ড্রাইভে পর্যাপ্ত খালি জায়গা থাকে না, তখন সিস্টেমের অস্থায়ী ফাইল (temporary files) সংরক্ষণ করা বা ভিরচুয়াল মেমোরি (virtual memory/page file) ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। এর ফলে প্রোগ্রাম লোড হতে সময় নেবে, ফাইল খোলার সময় বিলম্ব হবে, এবং সামগ্রিকভাবে কম্পিউটারের পারফরম্যান্স ধীর হবে। অন্য অপশন গুলো, যেমন মনিটর বন্ধ হওয়া, ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি বা প্রিন্টার বন্ধ হওয়া, ড্রাইভের স্থান কম হওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
    - তাই C ড্রাইভ পূর্ণ হলে মূল সমস্যা হলো কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া।

    • অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
    - অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি। 
    - সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
    - C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
    - ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
    - একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১১৩.
    নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের ফাংশনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
    1. ডেটা সংরক্ষণ 
    2. নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
    3. লজিক্যাল অপারেশন
    4. গাণিতিক প্রক্রিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সংরক্ষণ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সংরক্ষণ 
    ব্যাখ্যা

    • মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট যা কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে কাজ করে। এটি প্রধানত চারটি ধরনের কাজ সম্পাদন করে: ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, গাণিতিক প্রক্রিয়া এবং লজিক্যাল অপারেশন। মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যে নিজস্ব মেমোরি সংরক্ষণ ক্ষমতা নেই, অর্থাৎ এটি ডেটা বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না; ডেটা সংরক্ষণ সাধারণত RAM বা অন্যান্য মেমোরি ডিভাইসের মাধ্যমে করা হয়। তাই, “ডেটা সংরক্ষণ” মাইক্রোপ্রসেসরের অন্তর্ভুক্ত ফাংশনের মধ্যে পড়ে না। অন্য তিনটি- নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, লজিক্যাল অপারেশন এবং গাণিতিক প্রক্রিয়া- মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কার্যাবলীর অংশ।

    - সঠিক উত্তর: ক) ডেটা সংরক্ষণ।
     
    • মাইক্রোপ্রসেসর:
    - কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
    - যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
    - মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
    - মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
    - মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
    - মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
    - বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
    - বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৪.
    প্রাথমিকভাবে একটি নোমোগ্রাম কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
    1. পরীক্ষামূলক ডেটা রেকর্ড করতে
    2. জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা
    3. রাসায়নিক সূত্র লিখতে
    4. থ্রিডি মডেল তৈরিতে
    সঠিক উত্তর:
    জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা
    ব্যাখ্যা

    • প্রাথমিকভাবে নোমোগ্রাম ব্যবহার করা হয় জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য। এটি একটি ভিজুয়াল টুল যা বিভিন্ন ভেরিয়েবল বা পরিমাপের মধ্যে সম্পর্ককে সরল রেখাচিত্রে দেখায়। নোমোগ্রামের সাহায্যে ব্যবহারকারী অঙ্কের জটিল হিসাব বা সমীকরণ ম্যানুয়ালি সমাধান করার পরিবর্তে সহজে বিভিন্ন মান নির্ণয় করতে পারে। এটি বিশেষভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জনপ্রিয়, যেখানে ত্রুটিমুক্ত দ্রুত হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, পরীক্ষামূলক ডেটা রেকর্ড করা, রাসায়নিক সূত্র লেখা বা থ্রিডি মডেল তৈরির জন্য নয়, বরং এটি গণনাকে সহজ ও দ্রুত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

    - সঠিক উত্তর: খ) জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা।

    ​• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
    - যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
    - তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
    - তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
    - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৫.
    (159.69)16 = (P)
    এখানে, P এর মান কত?
    1. 547.788
    2. 583.934
    3. 563.432
    4. 531.322
    সঠিক উত্তর:
    531.322
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    531.322
    ব্যাখ্যা

    • (159.69)16 = (P)
    এখানে,  P এর মান হচ্ছে: 531.322

    • Hexadecimal থেকে Octal এ রূপান্তর করার জন্য সরাসরি একটি ধাপ রয়েছে না, তাই সাধারণত আমরা প্রথমে Hexadecimal (base-16) সংখ্যাটিকে Binary (base-2) এ রূপান্তর করি। কারণ Hexadecimal এবং Binary এর মধ্যে সম্পর্ক সরাসরি, প্রতিটি Hexadecimal ডিজিটকে ৪টি Binary বিটে প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, Hexadecimal ‘A’ হলো Binary ‘1010’। এরপর এই Binary সংখ্যাটিকে ৩টি বিট করে গ্রুপে ভাগ করা হয়, কারণ Octal (base-8) এ প্রতিটি ডিজিট ৩টি বিট দিয়ে তৈরি হয়। প্রতিটি ৩-বিট গ্রুপকে Octal ডিজিটে রূপান্তর করলে আমরা অবশেষে Hexadecimal সংখ্যাটির সমতুল্য Octal মান পাই। এই পদ্ধতিটি সহজ, দ্রুত এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

    ১১৬.
    কোন DML কমান্ডটি একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
    1. CREATE
    2. SELECT
    3. UPDATE 
    4. DELETE
    সঠিক উত্তর:
    UPDATE 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    UPDATE 
    ব্যাখ্যা

    • DML (Data Manipulation Language) কমান্ডের মধ্যে UPDATE কমান্ডটি ব্যবহার করা হয় একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য। যখন কোনো টেবিলের নির্দিষ্ট রেকর্ডের মান পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের সাহায্য নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো কর্মচারীর বেতন বাড়ানো বা নাম পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পরিবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, CREATE টেবিল তৈরি করার জন্য, SELECT ডেটা পড়ার জন্য এবং DELETE ডেটা মুছার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঠিক DML কমান্ড হলো UPDATE.

    • ডাটাবেজ ভাষা:
    যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

    • প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
    ১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
    ২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

    • ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
    - একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
    - এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
    ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
    - Create statement,
    - Drop statement,
    - Alter statement,
    - Rename statement.

    • ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
    - যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
    ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
    - Insert statement,
    - Delete statement,
    - Update statement.

    উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৭.
    IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে কিভাবে সংক্ষেপে লেখা যায়?
    1. ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
    2. শূন্য হিসেবে রাখা
    3. দুইটি ডট (..) ব্যবহার করে
    4. ড্যাশ (-) ব্যবহার করে
    সঠিক উত্তর:
    ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
    ব্যাখ্যা

    • IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে সংক্ষেপে লেখার জন্য ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করা হয়। এটি ঠিকানার মধ্যে এক বা একাধিক ধারাবাহিক শূন্য ব্লককে প্রতিস্থাপন করে, ফলে ঠিকানাটি ছোট এবং পাঠযোগ্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2001:0db8:0000:0000:0000:ff00:0042:8329 ঠিকানাটি সংক্ষেপে লেখা যায় 2001:db8::ff00:42:8329 হিসেবে। এখানে ধারাবাহিক শূন্য ব্লকগুলো :: দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে একাধিক :: এক ঠিকানায় ব্যবহার করা যায় না, কারণ এটি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নির্ধারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে।

    IP Address: 
    - IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
    - ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
    - তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
    - সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

    আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
    ১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
    ২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

    IPv4: 
    - চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
    - IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
    - ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

    IPv6: 
    - আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
    - এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
    - হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
    - বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

    উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ১১৮.
    কম্পিউটারে সিস্টেম বাসের প্রধান কাজ কী?
    1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
    2. CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
    3. সফটওয়্যার কার্যকর করা এবং নিয়ন্ত্রণ করা
    4. প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা
    সঠিক উত্তর:
    CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
    ব্যাখ্যা

    • কম্পিউটারে সিস্টেম বাস মূলত একটি যোগাযোগের পথ, যা CPU, মেমরি এবং বিভিন্ন I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা, ঠিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুত করে। সিস্টেম বাসের মাধ্যমে CPU মেমরিতে থাকা ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে, এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা স্থানান্তরের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, কিন্তু ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, সফটওয়্যার কার্যকর করা বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা সরাসরি সিস্টেম বাসের কাজ নয়।
    - তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা।

    • সিস্টেম বাস (System Bus):
    - যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
    - সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

    • ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
    - ডেটা বাস (Data Bus),
    - অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
    - কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

    • এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
    - যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
    - এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
     
    • এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
    - আইএসএ বাস (ISA Bus),
    - ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
    - ইউএসবি (USB),
    - ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
    - এজিপি বাস (AGP Bus),
    - লোকাল বাস (Local Bus):

    • লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
    i. ভেসা বাস (VESA Bus),
    ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৯.
    SMTP প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
    1. সার্ভারে মেইল সংরক্ষণ করা
    2. ই-মেইল বার্তাগুলি এনক্রিপ্ট করা
    3. সার্ভার থেকে মেইল গ্রহণ করা
    4. ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
    সঠিক উত্তর:
    ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
    ব্যাখ্যা

    • SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) মূলত ই-মেইল বার্তা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে বা সার্ভার থেকে সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। যখন আপনি একটি ই-মেইল লিখে “Send” বোতাম চাপেন, তখন আপনার মেইল ক্লায়েন্ট SMTP ব্যবহার করে সেই বার্তাটি প্রাপকের সার্ভারে পাঠায়। SMTP ই-মেইল প্রেরণের সময় বার্তার গন্তব্য ঠিক করে এবং সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে, কিন্তু এটি মেইল সংরক্ষণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয় না। এছাড়াও, এটি বার্তা এনক্রিপশন সরাসরি প্রদান করে না; এনক্রিপশন জন্য TLS বা SSL ব্যবহার করা হয়। 
    - উত্তর: তাই SMTP-এর প্রধান কাজ হলো ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো।

    • Simple Mail Transfer Protocol (SMTP):
    - ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
    - প্রোটোকল হলো একটি নিয়মাবলী যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ নিশ্চিত করে, তথ্য কীভাবে সংগঠিত হবে এবং প্রতিটি পক্ষ কীভাবে ডেটা পাঠাবে ও গ্রহণ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

    • ই-মেইল (E-mail):
    - ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
    - এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
    - প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

    • ই-মেইল অ্যাড্রেসের গঠন:
    - একটি ই-মেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে –
      1. প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর পরিচিতি (Username),
      2. শেষ অংশ → ডোমেইন নেম (Domain name),
    - এ দুটি অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়।

     উদাহরণ: habib123@gmail.com
    - habib123 → ব্যবহারকারীর নাম (Username),
    - gmail.com → ডোমেইন নেম। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ১২০.
    ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা কী?
    1. ক্লায়েন্ট থেকে তথ্য চাওয়া
    2. ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা
    3. কেবল ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করা
    4. ক্লায়েন্ট ছাড়া ইন্টারনেটে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা 
    সঠিক উত্তর:
    ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা
    ব্যাখ্যা

    • ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা হলো ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা। সার্ভার একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ক্লায়েন্টদের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন ডাটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস সরবরাহ করে। যখন ক্লায়েন্ট কোনো তথ্য বা পরিষেবা চায়, সার্ভার সেই অনুরোধ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে। এছাড়াও সার্ভার রিসোর্সগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, ব্যাকআপ এবং নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে। এটি ক্লায়েন্টদের মধ্যে সমন্বয় স্থাপন ও নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সার্ভারের মূল কাজ শুধুমাত্র ফায়ারওয়াল বা ইন্টারনেট সংযোগ নয়, বরং ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স ব্যবস্থাপনাই প্রধান কাজ।

    - সঠিক উত্তর: খ) ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা।

    • ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা, সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
    - ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
    - এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
    - এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
    - সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
    - বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
    - অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
    - এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
    - নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

    এছাড়াও,
    - পার্সোনাল কম্পিউটার → পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) সাধারণত একক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি সার্ভার হিসেবে কার্যকরী নয়।
    - সুপার কম্পিউটার → সুপার কম্পিউটার সাধারণত জটিল গণনা, বিজ্ঞান গবেষণা, এবং সিমুলেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি সাধারণ সার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১২১.
    ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য কোন ধরনের সিস্টেম সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?
    1. এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম
    2. যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই
    3. দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
    4. দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
    সঠিক উত্তর:
    দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
    ব্যাখ্যা

    • ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম হলো দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম (ঘ)। কারণ ব্রুট ফোর্স আক্রমণে আক্রমণকারী সম্ভাব্য সব পাসওয়ার্ড একে একে চেষ্টা করে সঠিকটি বের করার চেষ্টা করে। যদি পাসওয়ার্ড ছোট, সহজ বা সাধারণ শব্দভিত্তিক হয়, তাহলে অল্প সময়েই তা ভেঙে ফেলা সম্ভব। বিপরীতে, দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ভাঙতে অনেক বেশি সময় ও রিসোর্স লাগে। এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই, সেখানে ব্রুট ফোর্সের প্রয়োজনই পড়ে না। তাই দুর্বল পাসওয়ার্ডই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

    সাইবার অপরাধ: 
    - যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। 
    - সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়। 
    - সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
    - ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

    - নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
    ১। হ্যাকিং (Hacking): 
    - সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
    - যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
    - কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
    - আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
    - হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
    - হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

    ২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
    - ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
    অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

    ৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
    - ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
    - সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
    - এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে। 
    - নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

    ৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
    -  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
    - DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
    - এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

    ৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
    - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
    - কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
    - সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১২২.
    ’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
    1. অনুচ্ছেদ-১২
    2. অনুচ্ছেদ-১১
    3. অনুচ্ছেদ-৯
    4. অনুচ্ছেদ-১০
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-১১
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-১১
    ব্যাখ্যা

    - অনুচ্ছেদ-১১ :গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
    -  প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে,
    - মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে
    - এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।

    অন্যদিকে,
    - অনুচ্ছেদ-৯। জাতীয়তাবাদ।
    - অনুচ্ছেদ-১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
    - অনুচ্ছেদ-১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
    - অনুচ্ছেদ-১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।

    উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

    ১২৩.
    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মানুষের গড় আয়ু কত বছর? 
    1. ৭৩.৩ বছর
    2. ৭৫.৩ বছর
    3. ৭২.৩ বছর
    4. ৭১.৩ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ৭২.৩ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭২.৩ বছর
    ব্যাখ্যা

    - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৩ বছর।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫
    :
    - বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
    - জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
    - জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
    - গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
    - পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
    - নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।

    এছাড়াও,
    - মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
    - মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
    - মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
    - মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
    - সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
    - দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
    - চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

    উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

    ১২৪.
    বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
    1. শ্রীপুর, গাজীপুর
    2. ফার্মগেইট, ঢাকা
    3. সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
    4. রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
    সঠিক উত্তর:
    সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
    - বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
    - এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
    এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়।

    উৎস: বাংলাদেশ তার্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

    ১২৫.
    ঐতিহাসিক লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
    1. ১৯২০ সালে
    2. ১৯১৯ সালে
    3. ১৯১৬ সালে
    4. ১৯১৭ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯১৬ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯১৬ সালে
    ব্যাখ্যা

    - ঐতিহাসিক লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৬সালে।

    লক্ষ্মৌ চুক্তি: 
    - ভারত উপমহাদেশের সাংবিধানিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
    - হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি রচনা করে এ চুক্তি। 

    • নিম্নে লক্ষ্মৌ চুক্তির গুরুত্ব আলোচনা করা হলো:
    ১. লক্ষ্মৌ চুক্তির স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে হিন্দু মুসলিম রাজনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি রচিত হয়।
    ২. এ চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় কংগ্রেসে মুসলমানদের পৃথক নির্বাচনের দাবি মেনে নেয়।
    ৩. এ চুক্তির ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
    8. এ চুক্তির ফলে ভারতবর্ষে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরদার হয়ে ওঠে।
    ৫. এ চুক্তির ফলে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ সম্মিলিতভাবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে স্বায়ত্বশাসনের দাবি জানায়।
    ৬. মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী বিল পাশ না হওয়ার সম্ভবনা সৃষ্টি হয়।

    উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৬.
    কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
    1. ময়মনসিংহ
    2. দিনাজপুর
    3. রংপুর
    4. ঠাকুরগাঁও
    সঠিক উত্তর:
    ঠাকুরগাঁও
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঠাকুরগাঁও
    ব্যাখ্যা

    কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।

    কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
    • শীর্ষ জেলা:
    - ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
    - গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
    - ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
    - তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
    - চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
    - তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
    - পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
    - আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

    বিভাগ:
    - ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
    - গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
    - ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
    - পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
    - তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।

    উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

    ১২৭.
    ’সাংগ্রাই’ বর্ষবরণ উৎসব পালন করে কোন জনগোষ্ঠী?
    1. রাখাইন
    2. মারমা
    3. ত্রিপুরা
    4. ক+খ
    সঠিক উত্তর:
    ক+খ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক+খ
    ব্যাখ্যা

    - ’সাংগ্রাই’ বর্ষবরণ উৎসব পালন করে মারমা ও রাখাইন জনগোষ্ঠী।

    • রাখাইন জনগোষ্ঠী:
    - রাখাইন  জাতিসত্তার বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।
    - চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।
    - মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নামও সাংগ্রাই।

    অপরদিকে,
    - বৈসুক বা বৈসু হলো ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
    - বিঝু হলো চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
    - বৈসাবি হলো চাকমা (বিঝু), ত্রিপুরা (বৈসুক), মারামা-রাখাইন (সাংগ্রাই), অহমিয়া (বিহু) জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।

    ১২৮.
    সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে? 
    1. ৬০ দিন
    2. ৯০ দিন
    3. ৭৫ দিন
    4. ১২০ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ৯০ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯০ দিন
    ব্যাখ্যা

    - সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ ৯০ দিন হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকার: 
    - কমিশন আইনসভার মেয়াদ শেষ হবার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেয়া পর্যন্ত, একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করছে;
    - এই সরকারের প্রধান 'প্রধান উপদেষ্টা' বলে অভিহিত হবেন।
    - আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে অথবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে,
    - পরবর্তী অন্যূন ১৫ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।
    - প্রধান উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে কার্য পরিচালনা করবেন।
    - অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন হবে,
    - তবে যদি নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হয় তবে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণমাত্র এই সরকারের মেয়াদের অবসান ঘটবে।

    উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

    ১২৯.
    মুক্তিযুদ্ধকালীন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের মিশনের প্রধান ছিলেন কে?
    1. এম আর সিদ্দিকী
    2. বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
    3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
    4. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
    সঠিক উত্তর:
    বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
    ব্যাখ্যা

    মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের মিশন:
    - মুক্তিযুদ্ধকালীন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের মিশন প্রধান ছিলেন বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী।

    -১৯৭১ সালেল ২৭ আগস্ট যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ২৪ পেমব্রিজ গার্ডেনসে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের কূটনীতিক মিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।
    - ভারতের বাইরে এটিই প্রথম বাংলাদেশের কূটনীতিক মিশন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু।

    অন্যদিকে,
    - ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন এম আর সিদ্দিকী।
    - হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী দিল্লীতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এব ডেইলি স্টার বাংলা।

    ১৩০.
    বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
    1. NICAR
    2. NAPE
    3. NAEM
    4. NIPORT 
    সঠিক উত্তর:
    NIPORT 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    NIPORT 
    ব্যাখ্যা

    NIPORT:
    - বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান NIPORT।
    - NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
    - এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
    - সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
    - নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

    অপরদিকে,
    - NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform. এটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
    - NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education. এটি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
    - NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management. এটি জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।

    উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

    ১৩১.
    বাংলাদেশ প্রথম একদিনের ম্যাচ কোন দেশের বিপক্ষে খেলে? 
    1. ভারত
    2. পাকিস্তান
    3. জিম্বাবুয়ে
    4. শ্রীলংকা
    সঠিক উত্তর:
    পাকিস্তান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাকিস্তান
    ব্যাখ্যা

    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
    - বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
    - বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।

    এছাড়াও
    - বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
    - প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
    - ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
    - একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
    - প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিসিবি ওয়েবসাইট।

    ১৩২.
    লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি কত বছরের জন্য সই হয়েছে?
    1. ৩০ বছর
    2. ৩৩ বছর
    3. ৩৬ বছর
    4. ৩১ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ বছর
    ব্যাখ্যা

    - লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি ৩৩ বছরের জন্য সই হয়েছে।

    • লালদিয়ার চুক্তির এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে-
    - মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
    - এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার। শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
    -আট লাখ একক কনটেইনার ওঠানো নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২১ ডলার করে মাশুল পাবে।
    - আর আট লাখের বেশি ৯ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারের জন্য ২৩ ডলার করে পাবে বন্দর। - এই দুটি স্তর ছাড়া আরও একটি স্তর রয়েছে। যেমন ৯ লাখের বেশি কনটেইনার ওঠানো-নামানো হলে বন্দরকে আরেকটি স্তরে মাশুল দেবে এপিএম টার্মিনালস। তবে সেই হার কত, তা প্রকাশ করা হয়নি।
    - সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় একসঙ্গে তিনটি জাহাজ ভেড়ানোর তিন জেটির এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য - কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
    - চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২৫০ কোটি টাকা 'আপফ্রন্ট ফি' (এককালীন ফি) পাবে বন্দর।

    উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। [লিঙ্ক]

    ১৩৩.
    উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
    1. অতি মুদ্রাস্ফীতি
    2. মুদ্রাস্ফীতি
    3. মুদ্রা সংকোচন
    4. বর্নিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    মুদ্রা সংকোচন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুদ্রা সংকোচন
    ব্যাখ্যা

    - উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।

    মুদ্রাস্ফীতি:

    - যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
    - বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
    - এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
    একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
    - উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
    - উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
    - তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
    - মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

    ১৩৪.
    ’মুক্তি ও গণতন্ত্র’ তোরণের স্থপতি কে?
    1. অখিল পাল
    2. রবিউল হুসাইন
    3. শামীম শিকদার
    4. নিতুন কুন্ডু
    সঠিক উত্তর:
    রবিউল হুসাইন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রবিউল হুসাইন
    ব্যাখ্যা

    - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তি ও গণতন্ত্র' তোরণের স্থপতি হলেন প্রখ্যাত স্থপতি, কবি ও লেখক রবিউল হুসাইন।
    - এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থিত একটি সুপরিচিত স্থাপনা,
    - যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেট হিসেবেও পরিচিত।
    - ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখায় ২০১৮ সালে একুশে পদক পান তিনি।

    অন্যদিকে,
    - শামীম শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসিতে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা এর স্থপতি।
    - সার্ক ফোয়ারা, শাবাশ বাংলাদেশ এর স্থপতি নিতুন কুন্ডু।

    •অখিল পাল:
    - মোদের গরব,
    - বিজয়োল্লাস,
    - শ্রেষ্ঠ সন্তান (ভাস্কর্য),
    - স্বাধীনতা চত্বর,

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ডিবিসি নিউজ।

    ১৩৫.
    বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্বপ্রথম কে অবস্থান করেন?
    1. স্পিকার
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. আইনমন্ত্রী
    4. রাষ্ট্রপতি
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা

    - জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী: সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি।
    উল্লেখ্য:
    ১. রাষ্ট্রপতি।
    ২. প্রধানমন্ত্রী।
    ৩. সংসদের স্পিকার।
    ৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
    ৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
    ৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
    ৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
    ৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

    এছাড়াও,
    - ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।
    - বাংলাদেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
    - রাষ্ট্র প্রধান রাষ্ট্রপতি।

    উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

    ১৩৬.
    'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন- 
    1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    2. সৈয়দ আমীর আলী
    3. শেরে বাংলা ফজলুল হক
    4. মাওলানা ভাসানী
    সঠিক উত্তর:
    সৈয়দ আমীর আলী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সৈয়দ আমীর আলী
    ব্যাখ্যা

    - 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ আমীর আলী।

    • সৈয়দ আমীর আলী:
    - সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
    - উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
    - তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন।
    - ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
    - সৈয়দ আমীর আলী ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
    - এটিকে তিনি ভারতের অন্যান্য প্রদেশসমূহের শাখাগুলি অধিভুক্তির পর 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে নতুন নামকরণ করেন।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৭.
    BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
    1. Bangladesh Export Production Zone Administration
    2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
    3. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
    4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
    সঠিক উত্তর:
    Bangladesh Export Processing Zone Authority
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Bangladesh Export Processing Zone Authority
    ব্যাখ্যা

    - BEPZA-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Export Processing Zone Authority.

    বেপজা:
    - BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
    - শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
    - শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
    - এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
    - শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
    - বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
    - ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

    ১৩৮.
    শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে কোন জেলায় অবস্থিত?
    1. মালদহ জেলায়
    2. বর্ধমান জেলায়
    3. রাজশাহী জেলায়
    4. মুর্শিদাবাদ জেলায়
    সঠিক উত্তর:
    মুর্শিদাবাদ জেলায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুর্শিদাবাদ জেলায়
    ব্যাখ্যা

    - শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

    গৌড়:

    - গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়, যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
    - সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
    - এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
    - বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় এর অবস্থান।
    - বাংলায় মুসলিম বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
    - মুসলিম যুগেও এ অঞ্চল গৌড় নামে পরিচিত ছিল।

    উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৯.
    দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কোনটি?
    1. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
    2. বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল
    3. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
    4. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
    সঠিক উত্তর:
    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
    ব্যাখ্যা

    - দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি
    - নিবন্ধন নম্বর: ০০১।
    - নিবন্ধন তারিখ: ২০/১০/২০০৮.
    - প্রতীকের নাম: ছাতা।
    - প্রেসিডেন্ট: ডক্টর অলি আহমদ, বীর বিক্রম।
    - এটি দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

    অপরদিকে,
    - দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫৫টি। (আওয়ামীলিগ ছাড়া)
    - তবে আওয়ামীলের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
    - সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)। [জানয়ারি, ২০২৬]

    উৎস: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

    ১৪০.
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার কত?
    1. ৭ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
    2. ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
    3. ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
    4. ৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
    ব্যাখ্যা

    সংশোধিত বাজেট:
    - সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    -
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
    - সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    - আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হবে।

    জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
    - জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
    - জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
    - বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
    - অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
    - অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
    - সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
    - উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
    - অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
    - মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
    - বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
    - উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
    - অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

    উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

    ১৪১.
    সংবিধানের সপ্তম ভাগের বিষয়বস্তু কী?
    1. নির্বাহী বিভাগ
    2. নির্বাচন
    3. আইনসভা
    4. বিচার বিভাগ
    সঠিক উত্তর:
    নির্বাচন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নির্বাচন
    ব্যাখ্যা

    - সংবিধানের সপ্তম ভাগের বিষয়বস্তু নির্বাচন।

    • বাংলাদেশ সংবিধান:
    - সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:
    - সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
    - সংবিধানের ৭টি তফসিল রয়েছে।
    - সংবিধান ১৭ বার সংশোধনী হয়েছে।
    - সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
    - দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
    - তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
    - চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
    - পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
    - ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
    - সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
    - অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
    - নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
    - দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
    - একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

    উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

    ১৪২.
    ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
    1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    2. জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার
    3. লর্ড ক্লাইভ
    4. স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    ব্যাখ্যা

    - লর্ড মাউন্টব্যাটেন তিনি ভারতের শেষ ভাইসরয়।

    • ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
    - ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
    - শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
    - প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
    -শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
    - ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
    - শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
    - লর্ড লিটন, বাংলার গভর্নর (১৯২২-১৯২৭) এবং স্বল্প সময়ের জন্য ভারতের অস্থায়ী ভাইসরয়।
    - স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ক্রমবিকাশের ক্ষেত্রে লর্ড রিপন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

    এছাড়াও,
    - পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
    - পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

    উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৩.
    ’তারাপুরি’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
    1. মরিচ
    2. বেগুন
    3. তামাক
    4. তরমুজ
    সঠিক উত্তর:
    বেগুন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বেগুন
    ব্যাখ্যা

    - ’তারাপুরি’ বেগুন ফসলের উন্নত জাত।

    • বেগুনের উন্নত জাত:
    -  বারি বেগুন-১(উত্তরা),
    - বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
    - বারি বেগুন-৪(কাজল),
    - বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

    • তামাক:
    - তামাক সুমাত্রা ও ম্যানিলা; -

    • মরিচের জাত:
    - ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
    - ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
    - এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

    • তরমুজ এর জাত:
    - পদ্ম
    - বারি তরমুজ-১
    - বারি তরমুজ-২

    উৎস কৃষি তথ্য সার্ভিস।

    ১৪৪.
    বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন কে?
    1. খাজা নাজিমুদ্দিন
    2. মোঃ নূরুল আমীন
    3. ফিরোজ খান নুন
    4. বর্ণিত কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ফিরোজ খান নুন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফিরোজ খান নুন
    ব্যাখ্যা

    ভাষা আন্দোলন:
    - ভাষা আন্দোলন সময় পূর্ব বাংলার গভর্ণর ছিলেন ফিরোজ খান নুন।
    - ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খাজা নাজিমুদ্দিনের একটি উক্তি থেকে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
    - ২৭ জানুয়ারি নাজিমুদ্দিন ঘোষণা দেন, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু'।
    - পূর্ববাংলা আইন পরিষদের অধিবেশনে ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় ভাষা প্রশ্নে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
    - এই অধিবেশনের সরকারি কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা করা হয়।
    - পরিস্থিতির লক্ষ করে সরকারি দল রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে।
    - কিন্তু এই বিলের ওপর এক সংশোধনী প্রস্তাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য কেন্দ্রের নিকট সুপারিশ করা হয়।
    - এরপর বিধান সভা ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবী করা হয়।
    - কিন্তু গভর্নর ফিরোজ খান নুনের এক ঘোষণায় ২৪ ফেব্রুয়ারি অধিবেশনের অবসান ঘটে।
    - দৈনিক আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন এসব ঘটনার প্রতিবাদে আইনসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
    - অনুরূপভাবে 'নওবেলাল' সম্পাদক মাহমুদ আলী মুসলিম লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
    - আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি ঢাকার ছাত্র-জনতা এসব ঘটনায় অনুপ্রাণিত হয়।

    অন্যদিকে,
    - পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন। তিনি ১৯৪৮ সালে এই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেন।
    - ১৯৫২ সালে নাজিমউদ্দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

    উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৫.
    কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
    1. আর্মেনিয়া
    2. আজারবাইজান
    3. জর্জিয়া
    4. আলজেরিয়া
    সঠিক উত্তর:
    আলজেরিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আলজেরিয়া
    ব্যাখ্যা

    ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত নয় - আলজেরিয়া।

    ককেশাস অঞ্চল:
    - ককেশাস অঞ্চল (Caucasus Region) হলো ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
    - এই অঞ্চল কৃষ্ণ সাগর এবং ক্যাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে অবস্থিত।
    - ককেশাস অঞ্চলে রয়েছে ৪টি দেশ। দেশগুলো: রাশিয়া, জর্জিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া।
    - ককেশাস পর্বতমালা দুটি প্রধান পর্বতশ্রেণী নিয়ে গঠিত: উত্তর দিকে বৃহত্তর ককেশাস এবং দক্ষিণ দিকে ক্ষুদ্র ককেশাস।
    - ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এলব্রুস পর্বত (Mount Elbrus) এখানেই অবস্থিত।

    উৎস: Britannica.

    ১৪৬.
    Commonwealth of Independent States (CIS)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    1. মস্কো, রাশিয়া
    2. মিনস্ক, বেলারুশ
    3. আস্তানা, কাজাখস্তান
    4. বাকু, আজারবাইজান
    সঠিক উত্তর:
    মিনস্ক, বেলারুশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মিনস্ক, বেলারুশ
    ব্যাখ্যা

    Commonwealth of Independent States (CIS):
    - Commonwealth of Independent States (CIS) হলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
    - গঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯১।
    - সদরদপ্তর: মিনস্ক, বেলারুশ।
    - বর্তমানে CIS এর সদস্য দেশ: ১১টি (আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান, মলদোভা, রাশিয়া, তাজিকিস্তান,  তুর্কমেনিস্তান, ইউক্রেন এবং উজবেকিস্তান।
    - এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সহযোগিতা, শান্তি, এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা।

    উল্লেখ্য,
    - ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এর অন্তর্ভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক বজায় রাখতে 'কমনওয়েলথ অফ ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটস' (CIS) গঠিত হয়।
    - রাশিয়া, ইউক্রেন ও বেলারুশ এই জোটের ভিত্তি স্থাপন করে।
    - পরবর্তীতে ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৯১ তারিখে 'আলমা-আতা প্রোটোকল'-এর মাধ্যমে আরও ৮টি রাষ্ট্র এতে যোগ দেয়। 

    উৎস: i) EU ওয়েবসাইট।
    ii) Britannica.
    iii) World Population Review ওয়েবসাইট।

    ১৪৭.
    ভেলভেট ডিভোর্স-এর ফলে কোন দু'টি দেশের জন্ম হয়?
    1. রাশিয়া ও ইউক্রেন
    2. সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
    3. চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
    4. পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি
    সঠিক উত্তর:
    চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
    ব্যাখ্যা

    ভেলভেট ডিভোর্স:
    - ভেলভেট ডিভোর্স-এর ফলে চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়ার জন্ম হয়।

    • 'ভেলভেট ডিভোর্স' বলতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার শান্তিপূর্ণ বিভক্তিকে বোঝায়।
    - ১৯৯২ সালের নভেম্বরে ফেডারেল আইনসভা চেকোস্লোভাকিয়াকে বিভক্ত করার পক্ষে ভোট দেয়।
    - পৃথক সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়। এগুলো হলো: চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া।
    - এটি ইতিহাসে ভেলভেট নামে পরিচিত কারণ বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ রক্তপাতহীন ও শান্তিপূর্ণ ছিল। এখানে কোনো যুদ্ধ বা সহিংসতা হয়নি।

    উল্লেখ্য,
    ভেলভেট বিপ্লব:
    - 'ভেলভেট বিপ্লব' হলো চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত একটি অহিংস ও শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন। 
    - ১৯৮৯ সালের ১৭ নভেম্বর – ২৯ ডিসেম্বর এই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
    - এর মাধ্যমে দেশটিতে ৪১ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটে এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

    উৎস: Britannica.

    ১৪৮.
    কোন ঘটনার মাধ্যমে মলোটভ–রিবেনট্রপ চুক্তি কার্যত বাতিল হয়ে যায়?
    1. অপারেশন বারবারোসা
    2. পার্ল হারবার আক্রমণ
    3. নরম্যান্ডি অভিযান
    4. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
    সঠিক উত্তর:
    অপারেশন বারবারোসা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অপারেশন বারবারোসা
    ব্যাখ্যা

    মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি (১৯৩৯) ছিল নাৎসি জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অ-আক্রমণ চুক্তি। এটি কার্যত বাতিল হয় ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মানির 'অপারেশন বারবারোসা' দ্বারা সোভিয়েত ভূখণ্ড আক্রমণের মাধ্যমে। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল না হলেও এই আক্রমণ এর অস্তিত্ব শেষ করে। 

    'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
    - মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
    - চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।
    - স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
    - স্থান: মস্কো, ক্রেমলিন। 
    - মেয়াদ: ১০ বছর (তবে ১৯৪১ সালেই ভেঙে যায়)। 

    • এই চুক্তিতে দেশ দুটি অঙ্গীকার করে তারা একে অপরকে আক্রমণ করবে না।
    - এই চুক্তির মাধ্যমে পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং রোমানিয়াকে জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের জন্য ভাগ করা হয়েছিল।

    উল্লেখ্য,
    - এই চুক্তির এক সপ্তাহের মধ্যেই ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। 
    - এর কিছুদিন পরে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে সোভিয়েত ইউনিয়নও পূর্ব দিক থেকে পোল্যান্ড আক্রমণ করে।
    - ১৯৩৯–১৯৪০ সালের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাল্টিক রাষ্ট্র (এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া) ও বেসারাবিয়া দখল করে।
    - ২২ জুন, ১৯৪১ তারিখে জার্মানির নাৎসি হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের মাধ্যমে অপারেশন বারবারোসা শুরু করে, ফলে 'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি কার্যত বাতিল হয়ে যায়।

    অন্যদিকে,
    - '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।
    - পার্ল হারবার আক্রমণ ছিল ইতিহাসের একটি অপ্রত্যাশিত সামরিক অভিযান যা জাপান কর্তৃক ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌ-ঘাঁটিতে আক্রমণ পরিচালিত হয়। উল্লেখ্য, মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তির সাথে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
    - নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day) ৬ জুন, ১৯৪৪ সালে শুরু হয়েছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর বা সমুদ্র-বাহিত আক্রমণ ছিল। অপারেশন ওভারলর্ড নামে পরিচিত এই অভিযানের মাধ্যমে মিত্রবাহিনী জার্মান-অধিকৃত ফ্রান্সে অবতরণ করে এবং পশ্চিম ইউরোপে নাৎসি শাসন দূর করতে একটি প্রধান ফ্রন্ট তৈরি করে। এই সফল অভিযানটি ইউরোপে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং জার্মানির পরাজয় ত্বরান্বিত করে। উল্লেখ্য, মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি ততদিনে অনেক আগেই ভেঙে গিয়েছিল।

    উৎস: i) History.com
    ii) Britannica.

    ১৪৯.
    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান অস্থায়ী সদস্য দেশ কোনটি?
    1. আলজেরিয়া 
    2. বাহরাইন
    3. ফ্রান্স
    4. জাপান
    সঠিক উত্তর:
    বাহরাইন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাহরাইন
    ব্যাখ্যা

    ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নতুন ৫টি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: বাহরাইন, কলম্বিয়া, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, লাটভিয়া ও লাইবেরিয়া। তারা ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই পদে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। এছাড়া, ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকা অন্য অস্থায়ী সদস্যরা হলেন ডেনমার্ক, গ্রিস, পাকিস্তান, পানামা ও সোমালিয়া।

    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC):
    - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। 
    - এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।

    • নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা: ১৫টি (৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য)।
    - স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
    - অস্থায়ী ১০টি সদস্য দেশ হলো: ডেনমার্ক (২০২৫-২৬), গ্রিস (২০২৫-২৬), সোমালিয়া (২০২৫-২৬), পাকিস্তান (২০২৫-২৬), পানামা (২০২৫-২৬), বাহরাইন (২০২৬-২৭), কলম্বিয়া (২০২৬-২৭), কঙ্গো (২০২৬-২৭), লাটভিয়া (২০২৬-২৭) ও লাইবেরিয়া (২০২৬-২৭)।

    উল্লেখ্য,
    - নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
    - ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি (৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী)।
    - ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গৃহিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের A/RES/1991(XVIII) রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে ১০টিতে উন্নীত করা হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট।
    - ১৯৬৬ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দাড়ায় ১৫টিতে।

    • কোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ীসহ মোট ৭টি সদস্য থেকে ৯টি সদস্যের বিধান গৃহিত হয়।
    - প্রতিবছর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
    - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য। 

    উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।

    ১৫০.
    বায়ুমান বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান 'আইকিউএয়ার (IQAir)' কোন দেশভিত্তিক প্রতিষ্ঠান?
    1. যুক্তরাজ্য
    2. নেদারল্যান্ডস
    3. সুইডেন
    4. সুইজারল্যান্ড
    সঠিক উত্তর:
    সুইজারল্যান্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুইজারল্যান্ড
    ব্যাখ্যা

    আইকিউএয়ার' (IQAir):
    - বায়ুমান বিশ্লেষণকারী ‘আইকিউএয়ার’ (IQAir) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
    - এটি বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক বায়ু মানের সূচক (AQI) এবং দূষণের তথ্য প্রকাশ করে থাকে।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডে।
    - সদর দপ্তর—স্টেইনাচ, সুইজারল্যান্ড।

    • IQAir পরিবেশগত মনিটরিং, AirVisual নামক একটি রিয়েল-টাইম বায়ু মানের তথ্য প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী হাজারো শহরের বায়ুমানের তথ্য পাওয়া যায়।
    - AirVisual প্ল্যাটফর্মটি বিভিন্ন সেন্সর ও সরকারি মনিটর থেকে ডাটা সংকলন করে এবং জনসাধারণ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য বায়ুমানের মান (AQI, PM2.5) realtime দেখায়।

    উৎস: আইকিউএয়ার' (IQAir) ওয়েবসাইট।

    ১৫১.
    সিন্ধু সভ্যতার প্রথম আবিষ্কৃত স্থান কোনটি? 
    1. মহেঞ্জোদারো
    2. হরপ্পা
    3. লোথাল
    4. কালিবঙ্গন
    সঠিক উত্তর:
    হরপ্পা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হরপ্পা
    ব্যাখ্যা

    সিন্ধু সভ্যতা:
    - সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম নগর সংস্কৃতি। 
    - বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম সভ্যতার মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা একটি। অন্য দুটি হলো মেসোপটেমিয়া এবং মিশরীয়। এর মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা ছিল সবচেয়ে বিস্তৃত।

    - সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
    - সভ্যতাটি প্রথম চিহ্নিত করা হয়েছিল ১৯২১ সালে পাঞ্জাব অঞ্চলের হরপ্পাতে এবং তারপর ১৯২২ সালে মহেঞ্জোদারোতে।
    - ধারণা করা হয় যে, দ্রাবিড় জাতি-এ সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।
    - উভয় স্থানই বর্তমান পাকিস্তানে যথাক্রমে পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত।
    - মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসাবশেষকে ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৮০ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।

    • হরপ্পা নগরীর পরিচয়:
    - হরপ্পা সভ্যতার মানুষেরা প্রথম গ্রামীণ জীবন পরিত্যাগ করে চমৎকার নগর গড়ে তুলেছিল।
    - সিন্ধুর উপনদী রাভীর তীরে গড়ে উঠেছিল হরপ্পা নগরী।
    - নগরের দু'টো প্রধান অংশ ছিল। একটি অংশ সংরক্ষিত এলাকা বা দুর্গ। ধনী ও অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা দুর্গ এলাকায় বসবাস করতো। আর দরিদ্র মানুষদের বাস ছিল শহরের অন্য অংশে।
    - দুর্গের বাইরে গড়ে উঠেছিল প্রকৃত শহর।
    - হরপ্পা নগরের রাস্তাগুলো ছিল সোজা। কোথাও কোন বাঁক ছিল না। রাস্তাগুলো বেশ প্রশস্ত ছিল। প্রধান সড়কের প্রশস্ততা ছিল ৩৫ ফুট। সবচেয়ে কম প্রশস্ত রাস্তাটি ছিল ১০ ফুটের।
    - সড়কের প্রান্তসীমার বাড়ীগুলো বৃত্তাকারে তৈরি করা হতো।
    - নগরবাসীদের পানি সরবরাহের চমৎকার ব্যবস্থা ছিল। পথের ধারে কূপ খনন করা হতো। অনেক বাড়ির উঠোনেও কূপ ছিল। নগর জীবন পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য মাটির নীচে ড্রেন বানানো হতো। পৃথিবীর সকল প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে সিন্ধু সভ্যতার এই ব্যবস্থাই ছিল সবচেয়ে আধুনিক। এছাড়াও বাড়িগুলোতে ছিল স্নানাগার ও ময়লা পানি বের হওয়ার উপযোগী ড্রেন। নগর কর্তৃপক্ষ রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে পথের পাশে ডাষ্টবিন রাখার ব্যবস্থা ছিল। বাইরের শত্রু যাতে আক্রমণ করতে না পারে সেজন্য প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা ছিল। শহরের পশ্চিম প্রান্তে তৈরি করা হয়েছিল সুরক্ষিত দুর্গ।

    উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) Britannica.
    iii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৫২.
    প্রথম 'কিং চার্লস থার্ড হারমনি অ্যাওয়ার্ড' কে পেয়েছিলেন?
    1. ডেভিড বেকহ্যাম
    2. জো বাইডেন
    3. বান কি মুন
    4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
    সঠিক উত্তর:
    বান কি মুন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বান কি মুন
    ব্যাখ্যা

    কিং চার্লস থার্ড হারমনি অ্যাওয়ার্ড:
    - কিং চার্লস থার্ড হারমনি অ্যাওয়ার্ড The King's Foundation (রাজা চার্লসের ফাউন্ডেশন) ২০২৪ সালে চালু করে।
    - ২০২৪ সালে প্রথম কিংস ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত হয় সেন্ট জেমস প্যালেসে।
    - ২০২৪ সালে প্রথম 'কিং চার্লস থার্ড হারমনি অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছিলেন প্রাক্তন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন।

    • ২০২৫ সালে কিংস ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন -
    - ইমার্জিং ট্যালেন্ট: এমিলি হার্স্ট। 
    - ইন্টারন্যাশনাল ইমপ্যাক্ট: আকোজে রেসিডেন্সি। 
    - ইয়াং এন্ট্রেপ্রেনিউর: বার্নাবি হর্ন।
    - টিচিং অ্যাওয়ার্ড: ক্লদিয়া পেনারান্দা ফুয়েন্তেস।
    - ইনোভেশন ইন প্র্যাকটিস: ইয়াসমিন লারি। 
    - অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার: প্যাট্রিক হোল্ডেন। 
    - কমিউনিটি পার্টনারশিপ অফ দ্য ইয়ার: আচিনলেক প্রাইমারি স্কুল।
    - বর্ষসেরা করপোরেট: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান প্যাটাগোনিয়া। 
    - কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    উল্লেখ্য,
    - দ্য কিংস ফাউন্ডেশন (The King's Foundation) একটি দাতব্য সংস্থা।
    - এটি ১৯৯০ সালে তৎকালীন প্রিন্স অফ ওয়েলস, বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - উদ্দেশ্য: ঐতিহ্যবাহী নগর নকশা এবং স্থাপত্যের নীতির মাধ্যমে টেকসই সম্প্রদায় গড়ে তোলা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

    উৎস: The King's Foundation ওয়েবসাইট।

    ১৫৩.
    Kigali Amendment পরিবেশ বিষয়ক কোন চুক্তির অংশ?
    1. প্যারিস চুক্তি
    2. কার্টাগেনা প্রটোকল
    3. মন্ট্রিল প্রটোকল
    4. রামসার কনভেনশন
    সঠিক উত্তর:
    মন্ট্রিল প্রটোকল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মন্ট্রিল প্রটোকল
    ব্যাখ্যা

    Kigali Amendment (কিগালি সংশোধনী):
    - Kigali Amendment পরিবেশ বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকলের অংশ।

    • এটি একটি আন্তর্জাতিক সংশোধনী যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
    - কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬। 
    - কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
    - এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
    - এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।

    উল্লেখ্য,
    - মন্ট্রিল প্রোটোকল হলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
    - মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
    - চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
    - কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।

    উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
    ii) Ozone Secretariat।

    ১৫৪.
    Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) কত সালে কার্যকর হয়?
    1. ১৯৬৩ সালে
    2. ১৯৭০ সালে
    3. ১৯৮২ সালে
    4. ১৯৯৫ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭০ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৭০ সালে
    ব্যাখ্যা

    Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) চুক্তি:
    - Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
    - স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
    - কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
    - স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
    - এর মূল লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ উৎসাহিত করা

    উল্লেখ্য,
    -  ১ জানুয়ারি, ১৯৬৭ সালের আগে যে ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন) পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দেশগুলো এ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করতে সম্মত হয়েছে।
    - কিন্তু NPT-এর ৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

    এছাড়াও,
    - ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং উত্তর কোরিয়া (২০০৩ সালে প্রত্যাহার করে) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

    উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
    ii) UNODA ওয়েবসাইট।

    ১৫৫.
    QUAD নিরাপত্তা সংলাপের সদস্য দেশ কোনটি নয়?
    1. ভারত
    2. জাপান
    3. চীন
    4. অস্ট্রেলিয়া
    সঠিক উত্তর:
    চীন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চীন
    ব্যাখ্যা

    QUAD নিরাপত্তা সংলাপের সদস্য দেশ নয় - চীন।

    কোয়াড:
    - QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
    - 'কোয়াড' (QUAD) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া- এই চার দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা জোট।
    - ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অবাধ ও মুক্ত নৌ চলাচল, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসেবে কাজ করে।
    - QUAD গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।

    ⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য:
    - ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।
    - এছাড়াও, চীনকে প্রতিহত করা এবং এই অঞ্চলে একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
    - মালাবার (Malabar) নৌ মহড়ার মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের মধ্যে সামরিক সক্ষমতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। 

    উল্লেখ্য,
    - ২০২৫ সালে কোয়াডের ৫ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ভারতে।

    উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

    ১৫৬.
    IUCN-এর 'রেড লিস্ট' কীসের জন্য প্রযোজ্য?
    1. বিপন্ন প্রজাতির তালিকা
    2. জলবায়ু ঝুঁকি
    3. সুরক্ষিত এলাকা ও জাতীয় উদ্যান
    4. নাগরিক বাস্তুসংস্থান এবং সুরক্ষিত অঞ্চল
    সঠিক উত্তর:
    বিপন্ন প্রজাতির তালিকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিপন্ন প্রজাতির তালিকা
    ব্যাখ্যা

    IUCN-এর রেড লিস্ট:
    - বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
    - সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
    - IUCN-এর 'রেড লিস্ট' মূলত বিশ্বজুড়ে প্রাণী, উদ্ভিদ, এবং ছত্রাক প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি এবং তাদের সংরক্ষণের অবস্থা মূল্যায়নের জন্য প্রযোজ্য।
    - IUCN-এর Red List of Threatened Species প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
    - এটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থা মূল্যায়ন এবং কোন প্রজাতি বিপন্ন, সংকটাপন্ন বা বিলুপ্তির পথে তা শনাক্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা।

    • IUCN-এর Red List of Threatened Species এ প্রজাতিগুলিকে ৯টি প্রধান ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
    - Extinct (EX): বিলুপ্ত - এই প্রজাতি পৃথিবীতে আর নেই।
    - Extinct in the Wild (EW): বন্যপ্রাণীতে বিলুপ্ত - এই প্রজাতির আর কোনো প্রাকৃতিক বাসস্থান নেই, তবে তারা চিড়িয়াখানায় বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে।
    - Critically Endangered (CR): অত্যন্ত বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব বিপদের সম্মুখীন এবং খুব শীঘ্রই এটি বিলুপ্ত হতে পারে।
    - Endangered (EN): বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন, তবে এখনো বিলুপ্তি থেকে কিছুটা দূরে।
    - Near Threatened (NT): প্রায় বিপন্ন - এই প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন না হলেও ভবিষ্যতে বিপন্ন হতে পারে।
    - Vulnerable (VU): সংবেদনশীল - এই প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়।
    - Least Concern (LC): কম উদ্বেগজনক - এই প্রজাতি বিস্তৃত এবং সংরক্ষণগত ঝুঁকি নেই।
    - Data Deficient (DD): তথ্য অপর্যাপ্ত - এই প্রজাতির জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই যা দ্বারা এর সংরক্ষণ অবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
    - Not Evaluated (NE): মূল্যায়ন হয়নি - এই প্রজাতির এখনও Red List এ মূল্যায়ন করা হয়নি।

    উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

    ১৫৭.
    'Arrow-3' কোন দেশের নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা?
    1. পাকিস্তান
    2. ইসরায়েল
    3. ইরান
    4. তুরস্ক
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    ব্যাখ্যা

    Arrow-3:
    - 'Arrow-3' মূলত ইসরায়েলের নির্মিত একটি অত্যাধুনিক, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
    - অ্যারো-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাত হানার পাল্লা প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
    - এটি ইসরায়েলের বহু-স্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্তর এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে বাধা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
    - ১০০ কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তুকে আটকাতে পারে এ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

    • অ্যারো–৩ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি একটি উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। 
    - অ্যারো–২ ও অ্যারো–৩ উভয় ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিলে গঠিত এই নেটওয়ার্ক শত্রুপক্ষের দীর্ঘ-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বায়ুমণ্ডলের বাইরে থেকেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
    - এর প্রধান নির্মাতা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।
    - ২০২৪ সালের ১৩–১৪ এপ্রিল, ইরান ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় সবগুলোই অ্যারো–৩ সফলভাবে ধ্বংস করে।

    উল্লেখ্য,
    - সম্প্রতি জার্মানি ইসরায়েল নির্মিত অ্যারো–৩ (Arrow 3) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছে।
    - দীর্ঘ পরিসরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় সক্ষম এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবারই প্রথম ইসরায়েলের বাইরে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে। 

    উৎস: DW.

    ১৫৮.
    সম্প্রতি কোন জোটের উদ্যোগে ‘উইল ফর পিস ২০২৬’ শীর্ষক নৌ মহড়া পরিচালিত হয়েছে?
    1. NATO
    2. ASEAN
    3. BRICS Plus
    4. BIMSTEC
    সঠিক উত্তর:
    BRICS Plus
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    BRICS Plus
    ব্যাখ্যা

    উইল ফর পিস ২০২৬ (Will for Peace 2026):
    - সম্প্রতি চীন, রাশিয়া, ইরান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ উদ্যোগে ব্রিকস+ (BRICS+) জোটের অধীনে ‘উইল ফর পিস ২০২৬’ শীর্ষক নৌ মহড়া পরিচালিত হয়েছে।
    - এই মহড়াটি দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমনস টাউনে অনুষ্ঠিত হয়।
    - এখানে নেতৃত্ব দেয় চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাগতিক দেশ হিসেবে কাজ করে।
    - সময়কাল: ৯ - ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬।

    উল্লেখ্য,
    - উদ্দেশ্য: প্রধান সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জলদস্যুতা বিরোধী, উদ্ধার অভিযান এবং যৌথ সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
    - এই মহড়ার মূল প্রতিপাদ্য হলো—‘গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম রক্ষায় যৌথ পদক্ষেপ’।
    - এতে সন্ত্রাসবাদবিরোধী উদ্ধার অভিযান এবং সামুদ্রিক হামলা মোকাবিলার ওপর মহড়া, পাশাপাশি পেশাদার প্রযুক্তিগত বিনিময় এবং জাহাজ পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    উৎস: Reuters.

    ১৫৯.
    পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক সম্মেলন কোনটি?
    1. রিও সম্মেলন
    2. স্টকহোম সম্মেলন
    3. জোহানেসবার্গ সম্মেলন
    4. প্যারিস সম্মেলন
    সঠিক উত্তর:
    স্টকহোম সম্মেলন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্টকহোম সম্মেলন
    ব্যাখ্যা

    প্রথম পরিবেশ সম্মেলন:
    - পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক সম্মেলন হলো জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন যা স্টকহোম সম্মেলন নামেও পরিচিত।
    - জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
    - মূল থিম: Only One Earth (একটিমাত্র পৃথিবী)। 

    উল্লেখ্য,
    - ১৯৬৮ সালের ২০ মে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার। পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালের ৫ থেকে ১৬ জুন জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    - সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়।
    - এই সম্মেলনে পরিবেশ দূষণ, মানব স্বাস্থ্য ও প্রকৃতির মধ্যে সম্পর্ককে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক এজেন্ডায় নিয়ে আসে।
    - এই সম্মেলনে UNEP (United Nations Environment Programme) গঠন।

    • ১৯৭৪ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ জুনকে জাতিসংঘ ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
    - ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

    অন্যদিকে,
    - ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCED) বা আর্থ সামিট (Earth Summit) নামে পরিচিত। এটি বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশগত সম্মেলন, যেখানে ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধিরা টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের বিষয়ে আলোচনা করেন।
    - ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

    ১৬০.
    কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ ধারণাটি প্রবর্তিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
    1. নাগোয়া প্রোটোকল
    2. কিয়োটো প্রোটোকল
    3. মন্ট্রিল প্রোটোকল
    4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
    সঠিক উত্তর:
    কিয়োটো প্রোটোকল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কিয়োটো প্রোটোকল
    ব্যাখ্যা

    কার্বন বাণিজ্য:
    - কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ (Carbon Trading) বা কার্বন ক্রেডিট ধারণাটি মূলত ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।
    - এই চুক্তিতেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের মতো বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
    - পরবর্তী সময়ে প্যারিস চুক্তির আওতাতেও এটি জোরদার করা হয়েছে। 

    - জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
    - গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
    - কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
    - স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।

    - বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
    - কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে। এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

    উল্লেখ্য,
    - ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
    - মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

    উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

    ১৬১.
    Article 50 নিম্নোক্ত কোন সংস্থার সাথে জড়িত?
    1. জাতিসংঘ
    2. ন্যাটো
    3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    4. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
    সঠিক উত্তর:
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    ব্যাখ্যা

    Article 50:
    - Article 50 ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সাথে জড়িত।
    - এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-এর লিসবন চুক্তির একটি ধারা।
    - এটি কোনো EU সদস্য রাষ্ট্রের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রস্থান (withdrawal) প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
    - এই ধারা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট (Brexit) প্রক্রিয়ায় ইইউ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল।

    উল্লেখ্য,
    - ধারা 50(1): কোনো সদস্য রাষ্ট্র নিজস্ব সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসারে EU থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
    - ধারা 50(2): সদস্য রাষ্ট্র European Council-কে লিখিতভাবে অবহিত করলে ২ বছরের মধ্যে আলোচনা শেষ করে প্রস্থান হয় (একমত হলে বাড়ানো যায়)।

    • European Union:
    - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
    - সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
    - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৬টি।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
    - ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

    উৎস: EU ওয়েবসাইট।

    ১৬২.
    সাম্রাজ্যবাদকে ‘পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর’ বলে অভিহিত করেন কে?
    1. ভি আই লেনিন
    2. টমাস হবস
    3. এন্টিনিও গ্রামসি
    4. কার্ল মার্কস 
    সঠিক উত্তর:
    ভি আই লেনিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভি আই লেনিন
    ব্যাখ্যা

    ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন:
    - সাম্রাজ্যবাদকে ‘পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর’ (Imperialism, the Highest Stage of Capitalism) বলে অভিহিত করেন রুশ বিপ্লবী ভ্লাদিমির লেনিন।
    - ১৯১৬ সালে লিখিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে তিনি এটি ব্যাখ্যা করেন।
    - ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির ইলিচ-উলিয়ানোভ লেনিন কর্তৃক পুঁজিবাদের স্বরূপ উন্মোচনকারী একটি বিখ্যাত বই।

    উল্লেখ্য,
    - ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন (১৮৭০-১৯২৪) ছিলেন একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী রুশ বিপ্লবী, রাজনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ।
    - তাঁর জন্ম: ২২ এপ্রিল, ১৮৭০, সিম্বির্স্ক (বর্তমানে উলিয়ানোভস্ক), রাশিয়া।
    - তিনি ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
    - তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    - মার্কসবাদের ওপর ভিত্তি করে তিনি 'লেনিনবাদ' মতবাদ তৈরি করেন, যা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    উৎস: Britannica.

    ১৬৩.
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কত তারিখে 'ভারত-পাকিস্তান-২০২৫' যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল?
    1. ৮ মে, ২০২৫
    2. ১০ মে, ২০২৫
    3. ১১ মে, ২০২৫
    4. ১৭ মে, ২০২৫
    সঠিক উত্তর:
    ১০ মে, ২০২৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০ মে, ২০২৫
    ব্যাখ্যা

    পাকিস্তান- ভারত যুদ্ধ-২০২৫:
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১০ মে, ২০২৫ তারিখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।

    উল্লেখ্য,
    - ২২ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাকিস্তান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
    - এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে, ২০২৫ “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত। ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
    - অপারেশন সিঁদুর-এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

    • ১০ মে, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
    - মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান এএই দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
    - অবশেষে চার দিনের মাথায় ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।
     
    উৎস: i) BBC. 
    ii) The Guardian.

    ১৬৪.
    আরামকো কোন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল কোম্পানি?
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. ভেনিজুয়েলা 
    3. কাতার 
    4. সৌদি আরব
    সঠিক উত্তর:
    সৌদি আরব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সৌদি আরব
    ব্যাখ্যা

    আরামকো:
    - আরামকো সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল কোম্পানি।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৩৩ সালে।

    উল্লেখ্য,
    - এটি সৌদি আরবের ধাহরানে অবস্থিত।
    - এটি বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি।
    - একই সঙ্গে বাজার মূলধনের দিক থেকে এটি বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম কোম্পানি।
    - রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে ১০০টি তেল ও গ্যাসক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করে এই কোম্পানি।
    - আরামকোর তেলের রিজার্ভ ২৭০ বিলিয়ন ব্যারেল।
    - তাদের দৈনিক উৎপাদনসক্ষমতা ১২ দশমিক ৭ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২৭ লাখ ব্যারেল।
    - ২০২৪ সালে কোম্পানিটি ৬০৫ বিলিয়ন বা ৬০ হাজার ৫০০ কোটি ডলার আয় করেছে।
    - এই সময় তারা মুনাফা করেছে ১৬১ বিলিয়ন বা ১৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার।

    উৎস: i) EBSCO ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৬৫.
    IRGC কোন দেশের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী?
    1. তুরস্ক
    2. ইরান 
    3. ইসরায়েল
    4. ফিলিস্তিন
    সঠিক উত্তর:
    ইরান 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইরান 
    ব্যাখ্যা

    The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC):
    - ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী।
    - ইসলামি বিপ্লব এবং শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পতনের পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের ২২ এপ্রিল এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

    • ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    - ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    - IRGC-এর কুদস ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো মিত্রদের সহযোগিতা করে।

    উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
    ii) Britannica.

    ১৬৬.
    'Nature Restoration Regulation' কোন সংস্থা প্রণয়ন করেছে?
    1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    2. আফ্রিকান ইউনিয়ন
    3. আসিয়ান
    4. বিমসটেক
    সঠিক উত্তর:
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    ব্যাখ্যা

    Nature Restoration Regulation:
    - জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

    ⇒ Nature Restoration Regulation এই নিয়মাবলীটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় কমিশনের ২০২২ সালের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) Nature Restoration Law (প্রকৃতি পুনরুদ্ধার আইন) ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট কার্যকর হয়েছে।
    - এই আইনটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 
    - মূল উদ্দেশ্য: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) পুনরুদ্ধার করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা।

    মূল লক্ষ্য:
    - ২০৩০ সালের মধ্যে EU-এর অন্তত ২০% স্থলভাগ ও সমুদ্র এলাকায় প্রকৃতি পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা চালু করা।
    - ২০৫০ সালের মধ্যে সমস্ত অবক্ষয়িত (degraded) ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধার করা।

    • প্রত্যেক EU সদস্য রাষ্ট্রকে National Restoration Plans জমা দিতে হবে সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে।
    - এই আইন কার্বন শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া (বন্যা, খরা) থেকে সুরক্ষা এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে

    উৎস: EU ওয়েবসাইট।

    ১৬৭.
    ২০২৫ সালে APEC-এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
    1. লিমা, পেরু
    2. কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
    3. হ্যানয়, ভিয়েতনাম
    4. গিয়াংজু, দক্ষিণ কোরিয়া
    সঠিক উত্তর:
    গিয়াংজু, দক্ষিণ কোরিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গিয়াংজু, দক্ষিণ কোরিয়া
    ব্যাখ্যা

    APEC-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫:
    - এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (APEC)-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর - ১ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়াংজু (Gyeongju) শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    - এই সম্মেলনে 'একটি টেকসই আগামীকাল গড়ে তোলা' (Building a Sustainable Tomorrow) মূল থিমের অধীনে ২১টি সদস্য অর্থনীতির নেতারা বাণিজ্যিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। 

    উল্লেখ্য,
    - APEC গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
    - সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
    - প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
    - বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।

    এছাড়াও,
    - ২০২৬ সালে APEC-এর শীর্ষ সম্মেলন চীনে অনুষ্ঠিত হবে।

    উৎস: APEC ওয়েবসাইট।

    ১৬৮.
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে?
    1. জে. ডি. ভ্যান্স
    2. মার্কো রুবিও
    3. পিট হিগসিথ
    4. জোহরান মামদানি
    সঠিক উত্তর:
    জে. ডি. ভ্যান্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জে. ডি. ভ্যান্স
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট:
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভ্যান্স ওহাইও থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর (২০২৩-২০২৫) এবং 'হিলবিলি এলিজি' (Hillbilly Elegy) বইয়ের লেখক।

    এছাড়াও,
    - জোহরান মামদানি হলেন নিউ ইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র যিনি ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

    উৎস: i) United States Mission to the United Nations (.gov).
    ii) Britannica.

    ১৬৯.
    নেসেট কোন দেশের আইনসভার নাম?
    1. ইরান
    2. মিশর
    3. সিরিয়া
    4. ইসরায়েল 
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল 
    ব্যাখ্যা

    নেসেট:
    - নেসেট (Knesset) হলো ইসরায়েলের পার্লামেন্ট বা আইনসভার নাম।
    - এটি দেশটির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এবং এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
    - সাধারণত ১২০ জন সদস্য নিয়ে এটি গঠিত হয়।

    অন্যদিকে,
    - মিশরের পার্লামেন্টের নাম হলো "হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস"।
    - সিরিয়ার আইনসভার নাম পিপলস অ্যাসেম্বলি বা মজলিস আল-শা'ব।
    - ইরানের আইনসভার নাম ইসলামী পরামর্শক পরিষদ বা মজলিস-ই শুরা।

    উৎস: Britannica.

    ১৭০.
    ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তর 'শিলামণ্ডল' নামে পরিচিত?
    1. অশ্মমণ্ডল
    2. গুরুমণ্ডল 
    3. কেন্দ্রমণ্ডল
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    অশ্মমণ্ডল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অশ্মমণ্ডল
    ব্যাখ্যা

    • ভূ-অভ্যন্তরের স্তরসমূহ (Layers of Earth's Interior): 
    - বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ভূতত্ত্ববিদগণ ভূ-অভ্যন্তরকে তিনটি প্রধান স্তরে বিভক্ত করেছেন।এ স্তরগুলো হল
    (১) অশ্মমণ্ডল, 
    (২) গুরুমণ্ডল এবং
    (৩) কেন্দ্রমণ্ডল।

    • অশ্মমণ্ডল বা ভূত্বক: 
    - পৃথিবীর ওপরের কঠিন ও পাতলা শিলাস্তরকে অশ্মমণ্ডল বা ভুত্বক বলে।
    - 'অশ্ব' অর্থ শিলা তাই একে 'শিলামণ্ডল'ও বলা হয়।
    - এর গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। 
    - এর গভীরতা ৩ কিলোমিটার (সমুদ্র তলদেশ) হতে ৪০ কিলোমিটার (পর্বতের তলদেশে)।
    - তবে গড় গভীরতা প্রায় ১৭কিলোমিটার। এই স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব ২ থেকে ৩ (অর্থাৎ পানির চেয়ে ২/৩ গুণ ভারি)।
    - এ স্তরটি ওপরে থাকায় অন্যস্তর দুটির তুলনায় এর তাপমাত্রা খুবই কম।
    - তবে অশ্মমণ্ডলের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
    - ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় অশ্মমণ্ডল দুটি স্তরে বিভক্ত।
    - ওপরের হালকা শিলা স্তরটিকে সিয়াল স্তর এবং নিচের ভারি শিলা স্তরটিকে সিমা স্তর বলা হয়।

    তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।

    ১৭১.
    IPCC-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সালে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন কত শতাংশ হ্রাস পাবে?
    1. ১৫%
    2. ২০%
    3. ৩০%
    4. ৪০%
    সঠিক উত্তর:
    ৩০%
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩০%
    ব্যাখ্যা

    • জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি: 
    - জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলোর কারণে ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে ওঠেছে।
     - এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
     - 'Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সালে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে। 
    - ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হবে। সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকবে।
     - 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে। 

    তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী। 

    ১৭২.
    'সোনাদিয়া দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত? 
    1. টেকনাফ
    2. হাতিয়া
    3. মহেশখালী 
    4. কুতুবদিয়া
    সঠিক উত্তর:
    মহেশখালী 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহেশখালী 
    ব্যাখ্যা

    • সোনাদিয়া দ্বীপ:
    - কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
    - আয়তন: প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার
    - মহেশখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে সোনাদিয়ার অবস্থান।
    - সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
    - ভূতত্ত্ববিদ ও ভূগোলবিদদের মতে, বাঁকখালী নদীর স্রোতধারা ও মহেশখালী প্রণালীর সঙ্গে সাগরের ঢেউয়ের সংঘর্ষে এই দুই এলাকার ঠিক মাঝে বালি জমে জমে জন্ম নিয়েছে সোনাদিয়া দ্বীপ।
    - ঘটিভাঙ্গা নামে একটি খাল মহেশখালী দ্বীপের সাথে একসময় সোনাদিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখলেও খালের ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।

    তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার। (Link) 

    ১৭৩.
    বাংলাদেশ কোন ধরনের জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?  
    1. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
    2. উপক্রান্তীয় জলবায়ু
    3. নিরক্ষীয় জলবায়ু
    4. ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
    সঠিক উত্তর:
    ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
    ব্যাখ্যা

    - বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 

    • বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
    - বাংলাদেশের জলবায়ু "ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু" নামে পরিচিত।
    - এটি মূলত কর্কটক্রান্তি রেখা দ্বারা মধ্যভাগে অতিক্রমিত হওয়ার কারণে এবং মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবে গঠিত হয়।
    - ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মৌসুমী স্রোত এদেশের দক্ষিণ-প্রান্তবর্তী বঙ্গোপসাগর দিয়ে অতিক্রম করে এখানে।
    - মৌসুমি বায়ুর কারণে এখানে তিনটি প্রধান ঋতু দেখা যায়: গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শীতকাল।
    - শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল এবং উষ্ণ ও আদ্রগ্রীষ্মকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ঠ্য।
    - বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
    - তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
    - এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
    - জানুয়ারি শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। 

    তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৪.
    বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র (SPARRSO) সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
    1. ১৯৭৮ সালে 
    2. ১৯৭৯ সালে 
    3. ১৯৮০ সালে 
    4. ১৯৮৫ সালে 
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮০ সালে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮০ সালে 
    ব্যাখ্যা

    • SPARRSO:
    - SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization.
    - স্পারসো হলো একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণা এবং বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে জড়িত।
    - এটি পরিবেশগত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় JAXA, NASA এবং ESA-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
    - এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা।
    - অবস্থান: আগারগাঁও, ঢাকা। 
    - এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    - কোম্পানিটি ল্যান্ডস্যাট এবং এনওএ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপ চালায়।
    - বাংলাদেশের স্যটেলাইট চিত্র গুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে। 

    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

    ১৭৫.
    ভূমিকম্পের সূচনাবিন্দুকে কী বলা হয়? 
    1. Epicentre 
    2. Focus 
    3. Fracture 
    4. Fault
    সঠিক উত্তর:
    Focus 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Focus 
    ব্যাখ্যা

    • ভূমিকম্প:
    - ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
    - ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
    - ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
    - ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
    - ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
    - কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।

    উল্লেখ্য, 
    - ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
    - ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে।

    তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

    ১৭৬.
    নিচের কোন জেলায় মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?    
    1. খাগড়াছড়ি
    2. রাঙ্গামাটি
    3. বান্দরবান
    4. কক্সবাজার
    সঠিক উত্তর:
    খাগড়াছড়ি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খাগড়াছড়ি
    ব্যাখ্যা

    - খাগড়াছড়ি জেলার সাথে মিয়ানমারের কোন সীমান্ত নেই। 

    • সীমান্তবর্তী জেলা:

    - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
    - তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
    - রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
    - অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'খাগড়াছড়ি' মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা নয়। 

    ⇒ অন্যদিকে,
    - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
    - উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।

    » বাংলাদেশের: 
    - পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
    - দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
    - পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

    তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি

    ১৭৭.
    ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে কী বলা হয়?   
    1. সুমেরুবৃত্ত
    2. কুমেরুবৃত্ত
    3. মকরক্রান্তি
    4. কর্কটক্রান্তি
    সঠিক উত্তর:
    কুমেরুবৃত্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কুমেরুবৃত্ত
    ব্যাখ্যা

    - কুমেরুবৃত্ত পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি কাল্পনিক অক্ষাংশ রেখা, যা প্রায় ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত। 
    - এটি দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ করে।

    • অক্ষাংশ:

    - ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) বলে।
    - ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn)।
    - ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle) এবং
    - ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle)।
    - বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে।

    তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

    ১৭৮.
    ই-গভর্নেন্সকে 'SMART সরকার ব্যবস্থা' বলে অভিহিত করেন কে?
    1. এ পি জে আব্দুল কালাম
    2. ই. এম. হোয়াইট
    3. চন্দ্রবাবু নাইডু
    4. উইড্রো উইলসন
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রবাবু নাইডু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্রবাবু নাইডু
    ব্যাখ্যা

    ই-গভর্নেন্স:
    - E-Governance-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic governance।
    - ই-গর্ভনেন্স হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
    - ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে। এর ফলে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়। এভাবে মূলত সুশাসনই নিশ্চিত হয়।
    - তবে পুরোপুরি ই-গর্ভনেন্স চালু করার জন্য বিপুল অর্থ, দক্ষ জনশক্তি, সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা অপরিহার্য।
    - দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের লক্ষ্য।

    • লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
    - ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
    - ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
    - ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
    - ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

    উল্লেখ্য,
    - ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু E-Governance কে 'SMART Government' বলে অভিহিত করেছেন।
    - তাঁর মতে “SMART” শব্দটির পূর্ণরূপ হলো- Simple Moral Accountable Responsive Transparent অর্থাৎ যদি কোনো সরকার ব্যবস্থা সহজ সরল (Simple), নৈতিক আদর্শপূর্ণ (Moral), জবাবদিহিমূলক (Accountable), সংবেদনশীল বা দ্রুত সাড়া প্রদানকারী (Responsive) এবং কাজকর্মে স্বচ্ছ হয় তাকেই চন্দ্রবাবু নাইডু 'SMART Governance' বলতে চেয়েছেন।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৭৯.
    'ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহারই হল দুর্নীতি'- কোন সংস্থা নিম্নোক্ত সংজ্ঞা প্রদান করেন?
    1. জাতিসংঘ
    2. বিশ্বব্যাংক
    3. আইএমএফ
    4. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
    সঠিক উত্তর:
    জাতিসংঘ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাতিসংঘ
    ব্যাখ্যা

    দুর্নীতি:
    - দুর্নীতি এক ধরনের সামাজিক ব্যাধি।
    -  সমাজভেদে এবং একই সমাজে যুগভেদে নীতি, আদেশ ও মূল্যবোধের পার্থক্য দেখা দেয়।
    - দুর্নীতি যেহেতু নীতি, আদর্শ ও মূল্যবোধের পরিপন্থীমূলক কাজ, সেহেতু দুর্নীতিমূলক কাজের উদাহরণ দিতে গেলে স্থান-কাল-পাত্র-আদর্শ ইত্যাদি বিবেচনা করতে হয়।

    - দুর্নীতি শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল "Corruption" এই শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "Corruptus" থেকে। এর অর্থ ধ্বংস বা ক্ষতিসাধন।
    - দুর্নীতি সব সময়ই নেতিবাচক শব্দ। আভিধানিক অর্থে দুর্নীতি হল নীতির বিরুদ্ধে আচরণ।
    - সাধারণভাবে দুর্নীতি বলতে আইন ও নীতির বিরুদ্ধ কাজকে বুঝায়।
    - দুর্নীতির সাথে পেশা, ক্ষমতা, সুযোগ-সুবিধা, পদবি, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি বিষয় গভীরভাবে জড়িত।

    উল্লেখ্য,
    - ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল' মনে করে "সমকালীন বিশ্বের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি"। 
    - জাতিসংঘ প্রণীত ম্যানুয়াল অপ অ্যান্টি-করাপশন পলিসিতে বলা হয়েছে যে, ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহারই হল দুর্নীতি।
    - বাংলাদেশের 'দুর্নীতি দমন কমিশন' এর একটি প্রকাশনাতে দুর্নীতি বলতে বোঝান হয়েছে, "ব্যক্তি স্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি।" যেমন- রাষ্ট্রীয় সম্পদের অব্যবহার, সরকারি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে অস্বচ্ছতা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবই দুর্নীতি।
    - এক কথায় স্ব-স্ব অবস্থান ও পেশার মাধ্যমে অবৈধ স্বার্থ উদ্বারের লক্ষ্যে পরিচালিত আচরণই দুর্নীতি।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮০.
    একটি জাতির জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কোনটি?
    1. সামাজিক সম্পদ
    2. রাজনৈতিক সম্পদ
    3. অর্থনৈতিক সম্পদ
    4. জাতীয় সম্পদ
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক সম্পদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক সম্পদ
    ব্যাখ্যা

    একটি জাতির জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রাজনৈতিক সম্পদ।

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব:
    - সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। যে সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারণা যত বেশি উন্নত, সে সমাজ ও রাষ্ট্র তত বেশি উন্নত ও প্রগতিশীল।

    ১. জাতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তি: 
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো একটি জাতির রাজনৈতিক সম্পদ। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর একটি জাতির সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গড়ে ওঠে।

    ২. জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন জাতি কর্মঠ ও পরিশ্রমী হয়। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ জাতি দ্রুত উন্নতি লাভ করে।

    ৩. দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিজের প্রতি, দেশের প্রতি প্রেম-ভালোবাসার সৃষ্টি করে। দেশকে ভালোবাসা ও দেশের মঙ্গলের জন্য কর্তব্য পালন করার তাগিদ সৃষ্টি হয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কারণে।

    ৪. সামাজিক বন্ধন ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করে:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রত্যেকের প্রতি প্রত্যেকের সৌভ্রাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা সৃষ্টি করে। এর ফলে সামাজিক বন্ধন এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হয়।

    ৫. নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে এবং পরিপূর্ণতা প্রদান করে।

    ৬. উদারতা ও সহনশীলতার শিক্ষা দেয়:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ, বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান, নির্বাচনে জয়পরাজয়কে মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি হয়। এর ফলে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।

    ৭. জবাবদিহিতার মানসিকতা ও দায়িত্বশীল আচরণ:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে নাগরিকদের মধ্যে জবাবদিহিমূলক মানসিকতা দায়িত্বশীল আচরণের সৃষ্টি হয়। যারা সরকার পরিচালনা করেন তারা তাদের কাজের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট তথা জনগণের নিকট তাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করেন, আইনসভায় জনপ্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তর দেন বা কৈফিয়ত প্রদান করেন। সরকার এবং বিরোধী দল দায়িত্বশীল আচরণ করে।

    ৮. শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করে:
    - সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ধাপ বা সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ। যে জাতি যত বেশি সুশৃঙ্খল সে জাতি তত বেশি উন্নত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ একটি জাতিকে শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে। এর ফলে রাষ্ট্রের উন্নতি ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়।

    ৯. নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পরিবর্তন:
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নির্বাচনি রায় বা জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা, সরকারকে নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করতে দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সরকার গঠন ও পরিবর্তনে বিশ্বাসী করে তোলে।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৮১.
    নীতিবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের কোন ধরনের আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়?
    1. ঐচ্ছিক আচরণ
    2. অনৈচ্ছিক আচরণ
    3. শারীরবৃত্তীয় আচরণ
    4. প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ
    সঠিক উত্তর:
    ঐচ্ছিক আচরণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঐচ্ছিক আচরণ
    ব্যাখ্যা

    নীতিবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে মূলত মানুষের ঐচ্ছিক, সচেতন এবং উদ্দেশ্যমূলক আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এটি মানুষের এমন আচরণ নিয়ে কাজ করে, যার দায়ভার ব্যক্তি নিজে গ্রহণ করে।

    নীতিবিদ্যা:
    - মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
    - নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
    - নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
    - ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার সাথে অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার ধাপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় প্রভৃতি নীতিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত।

    • নীতিবিদ্যার কাজ নৈতিকতা নিয়ে, আর নৈতিকতা মূলত একটি সামাজিক ব্যাপার। 
    - নৈতিকতা বিষয়ক সামাজিক চিন্তা-চেতনা যেসব অবধারণের মাধ্যমে প্রকাশ পায় তাদেরকে আমরা এককথায় নৈতিক অবধারণ বা নীতিবাক্য বলতে পারি।
    - এই সব নীতি-বাক্যগুলো 'চুরি করা অন্যায়', 'মিথ্যা বলা ভাল নয়' ইত্যাদি আকারে প্রতিনিয়ত আমরা ব্যবহার করি।

    উল্লেখ্য,
    - উইলিয়াম. কে. ফ্রাংকেনার মতে নীতিবিদ্যা হচ্ছে, “নৈতিকতা, নৈতিক সমস্যা এবং নৈতিক অবধারণ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তা”।
    - পি. ডব্লিও. টেইলার নীতিবিদ্যাকে বলেছেন, "নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান।”
    - ডি.ডি. রাফায়েলের মতে, "আদর্শ বা মূল্য সম্পর্কে, যথোচিত-অযথোচিত এবং শুভ-অশুভের ধারণা সম্পর্কে অথবা কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় সে সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান হচ্ছে নীতিদর্শন"।
    - জে.এস. ম্যাকেনজি নীতিবিদ্যাকে এমন একটি বিদ্যা হিসেবে গণ্য করেছেন যা মানুষের আচরণের যথোচিত্য বা ভালত্ব নিয়ে আলোচনা করে। তাঁর ভাষায় “এ হচ্ছে আচরণের সাধারণ মতবাদ এবং মানুষকে তাদের যথোচিত্য ও অ-যথোচিত্য এবং তাদের শুভ বা অশুভের প্রবণতার নিরিখে বিবেচনা করে"।

    উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮২.
    'The Ethics of Ambiguity' বইটির রচয়িতা কে?
    1. সিমোন ডি বোভোয়ার
    2. ইমানুয়েল কান্ট
    3. বাট্রান্ড রাসেল
    4. জন স্টুয়ার্ট মিল
    সঠিক উত্তর:
    সিমোন ডি বোভোয়ার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিমোন ডি বোভোয়ার
    ব্যাখ্যা

    সিমোন ডি বোভোয়ার:
    - 'The Ethics of Ambiguity' (অস্পষ্টতার নীতিশাস্ত্র) বইটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক, নারীবাদী এবং লেখিকা সিমোন দ্য বোভোয়ার।
    - মূল ফরাসি নাম: Pour une morale de l'ambiguïté.
    - প্রকাশকাল: ১৯৫৭ সালে।

    উল্লেখ্য,
    - সিমোন দ্য বোভোয়ার ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক, লেখক, নারীবাদী তাত্ত্বিক এবং বুদ্ধিজীবী।
    - তিনি অস্তিত্ববাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন এবং মানুষের স্বাধীনতা, নৈতিকতা ও অস্তিত্বের দ্ব্যর্থতা নিয়ে কাজ করেছেন।

    উৎস: i) শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) Britannica.

    ১৮৩.
    মানব উন্নয়ন সূচকের (HDI) মৌলিক নির্দেশক নয় কোনটি?
    1. গড় আয়ু
    2. মাথাপিছু জাতীয় আয়
    3. শিক্ষা
    4. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
    সঠিক উত্তর:
    জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
    ব্যাখ্যা

    মানব উন্নয়ন সূচকের (HDI) মৌলিক নির্দেশক নয় - জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার।

    মানব উন্নয়ন সূচকের (HDI):
    - মানব উন্নয়ন সূচকের (Human Development Intex) মূলত তিনটি প্রধান উপাদানের উপর ভিত্তি করে গঠিত। এগুলো হলো:
    • আয়: এটি মাথাপিছু আয় (GNI per capita) এর ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
    • শিক্ষা: মানুষের শিক্ষা গ্রহণের হার, যার মধ্যে গড় বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের বছর এবং শিক্ষার প্রসারের হার অন্তর্ভুক্ত।
    • আয়ু: গড় আয়ু, যা মানুষের স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু পরিস্থিতির ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।

    উল্লেখ্য,
    - কোনো দেশের মানব উন্নয়ন সূচক বা HDI টি যদি ০.৫৫০ এর নিচে হয় সে দেশটিকে অনুন্নত দেশ বলা হয়।
    - কোন দেশে HDI যদি ০.৫৫০ - ০.৭৯৯ হয় সেসব দেশকে উন্নয়নশীল দেশ বলা হয়।
    - যদি ০.৮০ থেকে বেশি হয় সেসব দেশকে আমরা উন্নত দেশ বলি।

    ⇒ ২০২৫ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম।

    উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

    ১৮৪.
    'রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা' হলো জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের -
    1. রূপকল্প
    2. মূল উদ্দেশ্য 
    3. অভিলক্ষ্য
    4. স্লোগান
    সঠিক উত্তর:
    অভিলক্ষ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অভিলক্ষ্য
    ব্যাখ্যা

     জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
    - বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল-এর রূপকল্প: সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা।
    - অভিলক্ষ্য:  রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

    • এটি ২০১২ সালে প্রণীত কৌশলের মূল অভিলক্ষ্য  যা পরবর্তীতে সকল সরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও কর্মপরিকল্পনায় ব্যবহৃত হয়।
    - এই অভিলক্ষ্যের মাধ্যমে দুর্নীতি নিরসন, সততা প্রতিষ্ঠা ও সুশাসন নিশ্চিত করা হয়।

    উল্লেখ্য,
    - শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়। ব্যক্তি-পর্যায়ে এর অর্থ হল কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা। এই দলিলটিতে শুদ্ধাচারের এই অর্থই গ্রহণ করা হয়েছে।
    - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
    - এ কৌশলের মূল লক্ষ্য হল শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
    - এ কৌশলে রাষ্ট্র ও সমাজে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা সরকারের সাংবিধানিক ও আইনগত স্থায়ী দায়িত্ব; সুতরাং সরকারকে অব্যাহতভাবে এই লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে মর্মে উল্লেখ আছে।

    - শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
    ১. নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, ২. জাতীয় সংসদ, ৩. বিচার বিভাগ, ৪. নির্বাচন কমিশন, ৫. অ্যাটর্নি জেনারেল, ৬. সরকারি কর্ম কমিশন, ৭. মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ৮. ন্যায়পাল, ৯. দুর্নীতি দমন কমিশন, ১০. স্থানীয় সরকার।

    - শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
    ১. রাজনৈতিক দল, ২. বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ৩. এনজিও ও সুশীলসমাজ, ৪. পরিবার, ৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৬ গণমাধ্যম।

    উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
    ii) তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

    ১৮৫.
    "Red-tapism" বা লালফিতার দৌরাত্ম্য শব্দটি মূলত কীসের সাথে সম্পর্কিত?
    1. গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
    2. আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতি
    3. রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম
    4. আইন প্রণয়ন
    সঠিক উত্তর:
    আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতি
    ব্যাখ্যা

    লালফিতার দৌরাত্ম্য (Red tapism):
    - "Red-tapism" বা লালফিতার দৌরাত্ম্য শব্দটি মূলত আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।

    • লালফিতার দৌরাত্ম্য বলতে কঠোর নিয়মনীতির মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা বোঝায়।
    - এতে ফাইল বা নথি দীর্ঘসময় বন্দী হয়ে পড়ে।
    - জনগণ স্বাভাবিক সময়ে সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয় এবং কাজের গতিশীলতা কমে যায়।
    - এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়োজনের মুহুর্তেও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। 
    - সুতরাং আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য, আনুষ্ঠানিকতার বাড়াবাড়ি, অহেতুক বিলম্ব- এসব বোঝাতেই মন্দ অর্থেই 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' শব্দটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত।

    উল্লেখ্য,
    - যে কোন সমস্যা বিধি-মোতাবেক সমাধান করতে গিয়ে প্রায়শ সময় নষ্ট হয়ে যায়। যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা পূর্ববর্তী নজিরের উপর বেশি গুরুত্বরোপ করেন। অফিসের দৈনন্দিন কর্ম পরিকল্পনা করেন সনাতন রীতি ও কর্মপদ্ধতির উপর ভিত্তি করে। এর ফলে আমলাতন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ জনগণের সেবা প্রদান ব্যাহত হয়।
    - অতিবেশি নিয়ম কানুনের কারণে জনগণ সরকারি অফিসে এসে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ছোটাছুটিতে বাধ্য হন। আবার আইন কানুনের জটিলতার জন্য আমলারা সময়মত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না।
    - লালফিতার সুযোগে অনেক সময় আমলারা দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠতে পারেন। পদসোপান নীতির কারণেও আমলাতন্ত্রে কাজের বিলম্ব হয়ে থাকে। লালফিতার দৌরাত্ম্যে আমলাতন্ত্র জনবিচ্ছিন্ন ও অপ্রিয় হয়ে ওঠে। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার আমলাতন্ত্রের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হলে, তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়, এমনকি এ কারণে সরকারের পতন পর্যন্ত হতে পারে।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৮৬.
    দুর্বল শাসনব্যবস্থা থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে কোনটি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে?
    1. নৈতিক চরিত্র
    2. আইনের প্রয়োগ
    3. একনায়কতন্ত্র
    4. জবাবদিহিতা
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা
    ব্যাখ্যা

    দুর্বল শাসনব্যবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জবাবদিহিতা (Accountability) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো জবাবদিহিতা যেখানে ক্ষমতাধর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের কাজের জন্য জনগণ তথা আইনের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। 

    জবাবদিহিতা:
    - জবাবদিহিতা হলো সুশাসনের চাবিকাঠি।
    - সুশাসন নিশ্চিতকরণের জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে জবাবদিহিতা।
    - আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা, পেশাগত জবাবদিহিতা, আইনগত জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক জবাবদিহিতা প্রভৃতি সুনিশ্চিত হলে দুর্বল ও ভঙ্গুর শাসন ব্যবস্থার লক্ষণগুলো পর্যায়ক্রমে দূরীভূত হবে।
    - সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
    - আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রের সার্বিক কল্যাণ সাধন সুনিশ্চিত।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৭.
    UN ESCAP-এর মতে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য কী?
    1. ৫টি
    2. ৬টি
    3. ৮টি
    4. ৯টি
    সঠিক উত্তর:
    ৮টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮টি
    ব্যাখ্যা

    UN ESCAP-এর মতে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য:
    - জাতিসংঘের এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (UNESCAP) সুশাসনের ৮টি প্রধান বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছে। এগুলো হলো:
    ১. অংশগ্রহণ (Participation),
    ২. আইনের শাসন (Rule of Law),
    ৩. স্বচ্ছতা (Transparency),
    ৪. দায়িত্বশীলতা/প্রতিক্রিয়াশীলতা (Responsiveness),
    ৫. ঐক্যমত্যের অভিমুখীকরণ (Consensus Oriented),
    ৬. ন্যায়পরায়ণতা ও অন্তর্ভুক্তি (Equity and Inclusiveness),
    ৭. কার্যকর ও দক্ষ (Effectiveness and Efficiency),
    ৮. জবাবদিহিতা (Accountability)।

    উৎস: UN ESCAP ওয়েবসাইট।

    ১৮৮.
    Deontological Ethics-এর মূল কথা কী?
    1. সর্বাধিক সুখই মূল
    2. নৈতিকতা ফলাফলের উপর নির্ভর
    3. সামাজিক সম্মতি
    4. কর্তব্য পালন এবং নৈতিক নিয়ম
    সঠিক উত্তর:
    কর্তব্য পালন এবং নৈতিক নিয়ম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কর্তব্য পালন এবং নৈতিক নিয়ম
    ব্যাখ্যা

    Deontological Ethics (কর্তব্যমুখী নৈতিকতা):
    - Deontological Ethics বা কর্তব্যজ্ঞানীয় নীতিশাস্ত্র হলো এমন একটি আদর্শিক নৈতিক দর্শন, যা কর্মের ফলাফলের পরিবর্তে নৈতিক নিয়ম, কর্তব্য এবং বাধ্যবাধকতার ওপর ভিত্তি করে কোনো কাজের সঠিক বা ভুল নির্ধারণ করে।
    - Deontological ethics (কর্তব্যজ্ঞানীয় নীতিশাস্ত্র) বা কর্তব্য-ভিত্তিক নৈতিকতার মূল কথা হলো—কাজের ফলাফল (consequences) যেমনই হোক না কেন, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম, নীতি বা কর্তব্য মেনে চলাই হলো নৈতিক আচরণ।
    - এটি ফলাফলের পরিবর্তে কাজের অভিপ্রায় এবং 'কর্তব্য' পালনের ওপর জোর দেয়।

    উল্লেখ্য,
    - জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট ডিওন্টোলজিকাল নীতিশাস্ত্র (Deontological Ethics) এবং কর্তব্যমুখী নৈতিকতার প্রবক্তা।
    - ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান দার্শনিক, যিনি নৈতিকতা ও কর্তব্যবাদের উপর গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
    - তাঁর নীতি কর্তব্যবাদ (Deontological Ethics) মূলত নৈতিকতা নির্ধারণ করে কাজের স্বভাব ও কর্তব্যের উপর ভিত্তি করে, ফলাফলের উপর নয়।
    - তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

    উৎস: Britannica.

    ১৮৯.
    প্লেটোর মতে, শাসক ন্যায়বান হলে কোনটি নিস্প্রয়োজন?
    1. আইন
    2. শাসন
    3. দণ্ড
    4. বিচার
    সঠিক উত্তর:
    আইন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইন
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর মতে, শাসক ন্যায়বান হলে আইন নিস্প্রয়োজন।

    প্লেটো:

    - প্লেটো তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ The Republic-এ আদর্শ রাষ্ট্রের ধারণা উপস্থাপন করেছেন।
    - তাঁর মতে, যদি শাসক (দার্শনিক রাজা বা Philosopher-King) সত্যিকারের ন্যায়বান, জ্ঞানী এবং নৈতিকভাবে উন্নত হন তাহলে আইনের কোনো প্রয়োজন পড়ে না কারণ এমন শাসক নিজেই ন্যায়ের প্রতীক এবং স্বাভাবিকভাবে ন্যায়সঙ্গত শাসন করবেন, কোনো বাহ্যিক আইনের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই।

    • প্লেটোর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো: "শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।"

    ⇒ তার লেখা অন্যান্য বইসমূহ:
    - Symposium,
    - Apologia Socrates,
    - Allegory of the Cave,
    - The Laws (348 BCE),
    - Plato: Complete Works ইত্যাদি।

    উল্লেখ্য,
    - প্লেটোর মতে সদগুণ বা মৌলিক সততা হলো চারটি। এগুলো হলো: জ্ঞান, সাহসিকতা, আত্মসংযম ও ন্যায়পরায়ণতা।

    উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
    ii) Britannica.
    iii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৯০.
    সুশাসনে বিকেন্দ্রীকরণের মূল অর্থ কী?
    1. ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা
    2. ক্ষমতা ও দায়িত্ব বন্টন করা
    3. প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধি করা
    4. আমলাতন্ত্র শক্তিশালী করা 
    সঠিক উত্তর:
    ক্ষমতা ও দায়িত্ব বন্টন করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্ষমতা ও দায়িত্ব বন্টন করা
    ব্যাখ্যা

    সুশাসনে বিকেন্দ্রীকরণের মূল অর্থ ক্ষমতা ও দায়িত্ব বন্টন করা।

    বিকেন্দ্রীকরণ:
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিকেন্দ্রীকরণের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
    - বিকেন্দ্রীকরণ হচ্ছে ক্ষমতার বন্টনো বিভক্তিকরণের নীতি। এর অর্থ হলো ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বকে প্রশাসনের উচ্চ স্তর থেকে নিম্ন স্তরে ছড়িয়ে দেয়া।
    - বিকেন্দ্রীকরণের ফলে জনগণের অংশগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি পায়, প্রশাসনের মূল্যবান সময় বেঁচে যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

    উল্লেখ্য,
    - ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমেই সকল বিভাগ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
    - এটি প্রশাসনের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা কমিয়ে দেয় এবং প্রশাসনকে জনগণের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দেয়।
    - তাই একটি রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রতিটি বিভাগে বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।