পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ ভূগোল ও নৈতিকতা (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
• মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• আন্তর্জাতিক তারিখরেখা:
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে স্থির করা হয়।

• নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নদীবিহীন দেশ কোনটি?
  1. বাহরাইন
  2. ইয়েমেন
  3. লিবিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 
==================
এছাড়াও - 
- কুমিল্লা আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভূমিকম্পের কারণ কী?
  1. পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
  2. সমুদ্রের স্রোত
  3. আগ্নেয়গিরির সঞ্চালন
  4. কল-কারখানার বর্জ্য
সঠিক উত্তর:
পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
ব্যাখ্যা
পাত সঞ্চালন:
- সমুদ্রের তলদেশ, মহাদেশ, পর্বত, মালভূমি প্রভৃতির গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য পাত সঞ্চালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সম্পর্কে সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগনার মহাদেশীয় ভূ-ভাগ সঞ্চালন মতবাদ প্রদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে জেভিয়ার লি-পিনচন পাত সঞ্চালন মতবাদ প্রদান করেন।
- মহাদেশ এবং মহাসাগরের তলদেশ বিভিন্ন পাতের সমন্বয়ে তৈরি এবং এইসব পাতসমূহ চলমান। যদিও গতিশীলতার পরিমাণ বছরে মাত্র ১০-২০মি.মি.।

- এই সকল পাতসমূহ পরস্পরের দিকে, বিপরীত দিকে, পার্শ্বীয় দিকে তাদের নিজ নিজ সীমানা, অবস্থান ও সীমানা অনুয়ায়ী সঞ্চালিত হয়। - এই ধরনের সঞ্চালনের ফলেই মহাসাগরের তলদেশে তাদের সীমানা বরাবর ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি করে ভূমিকম্প হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরীণ উত্তাপই হচ্ছে পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষের প্রধান কারণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
.
বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে কত সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে?
  1. ১৯৬৫ সাল
  2. ১৯৬৬ সাল
  3. ১৯৬৭সাল
  4. ১৯৬৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় বনায়ন:
- বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বপ্রথম সফল উপকূলীয় বনায়নকারী দেশ।
- উপকূলীয় জনগণের আরও অধিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে ১৯৬৬ সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে।
- বন বিভাগ কর্তৃক উপকূলীয় বনায়ণের সফলতা প্রত্যক্ষ করে সরকার উপকূলীয় ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার একর (প্রায় ৫ লক্ষ  হেক্টর) এলাকা বনায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এর নিকট হস্তান্তর ও বন আইনের ৪ ধারায় সংরক্ষিত ঘোষণা করেছেন। 

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর।
.
’জাদিপাই ঝর্ণা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. মৌলভীবাজার
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জাদিপাই ঝর্ণা:
- জাদিপাই ঝর্ণাকে বলা হয় ঝর্ণার রানি। বাংলাদেশের আকর্ষণীয় ঝর্ণাগুলোর একটি জাদিপাই ঝর্ণা।
- আকৃতিতে দেশের সবচেয়ে বড় না হলেও গঠন আর অবস্থানের ভিত্তিতে এ ঝর্ণা অনন্য, অপরূপা। উঁচু পাহাড় আর চার দিকে সবুজের সমারোহ। 
- কেওক্রাডং, জংছিয়া ও জাদিপাই তিন পাহাড়ি ঝিরি একসঙ্গে মিলিত হয়ে জাদিপাই ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথর বেয়ে স্বচ্ছ পানির ধারা নিচে নেমে আসে। ঝর্ণাটি পরে মিলিত হয়েছে সাঙ্গু নদীর সঙ্গে।
- জাদিপাই ঝর্ণাটি অবস্থান হচ্ছে - বান্দরবান জেলায়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোনটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বনভূমির বৈশিষ্ট্য?
  1. উষ্ণ তাপমাত্রা
  2. কম বৃষ্টিপ্রবল অঞ্চল
  3. অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল
  4. সমভূমির বনভূমি
সঠিক উত্তর:
অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ অর্থাৎ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় এই ধরনের বনভূমি দেখা যায়।
পাহাড়ের প্রবল বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা গাছের বনভূমি পাওয়া যায়।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, তেলসুর, ময়না, গর্জন, জারুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা -
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
→ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
→ রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে। অর্থ্যাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
→ ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা রাঙামাটি।
→ বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
১০.
কোনটি সবচেয়ে কঠিন খনিজ?
  1. রূপা
  2. হীরা
  3. সোনা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে কঠিন খনিজ - হীরা।

• খনিজ:
- ভূ-পৃষ্ঠ নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, তাকে খনিজ বলে।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে। যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক ।

- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন।
- খনিজ তরল, কঠিন ও বায়বীয় এই তিন ধরনের হয়।
- শিলা ও খনিজের মূল পার্থক্য হচ্ছে খনিজ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানে গঠিত আর বিভিন্ন খনিজের সমন্বয়ে শিলা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মরু এলাকায় কীসের দ্বারা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ক্ষয়ীভবন হয়ে থাকে?
  1. বৃষ্টিপাতের
  2. সূর্যরশ্মি
  3. বায়ুপ্রবাহের
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহের
ব্যাখ্যা
• ক্ষয়ীভবন:
- ভূ-ত্বকের উপরের শিলারাশি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে অবিরত ক্ষয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়জাত পদার্থ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবাহিত ও স্থানান্তরিত হয়। এভাবে প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ভূ-ত্বকের শিলারাশির ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলে।
- সূর্যরশ্মি, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি ক্ষয়ীভবনের প্রাকৃতিক নিয়ামক।

• বায়ুপ্রবাহ:
- মরু এলাকায় বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সর্বাধিক ক্ষয়ীভবন হয়।
- মরুভূমিতে গাছপালা না থাকায় মৃত্তিকা ও শিলারাশির দৃঢ়তা খুবই কম। যার দরুণ ভূ-ত্বকের উপরিভাগ থেকে শিলারাশি ও মৃত্তিকা বায়ুর সাথে অন্যত্র চলে যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. কোস্টারিকা
  4. সুরিনাম
সঠিক উত্তর:
কোস্টারিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোস্টারিকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম।
- আয়তনে এবং জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ।
-----------------
- কোস্টারিকা হচ্ছে উত্তর আমেরিকার দেশ।
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
১৩.
দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত -
  1. পাহাড়পুর
  2. চলনবিল
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. পলল গঠিত সমভূমি
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- ভূ-তাত্তিক সময়পঞ্জি অনুযায়ী আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে এ সোপান অঞ্চল গঠিত হয়েছে বলে ভূ-বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই উচ্চভূমি নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
এ অঞ্চলের আয়তন ১৩,৪২৭ বর্গকিলোমিটার। মাটির রং লাল ও ধূসর।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকাকে আলোচনার সুবিধার্থে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ক) বরেন্দ্রভূমি, খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং গ) লালমাই পাহাড়।

বরেন্দ্রভূমি:
- দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩৬,০০ বর্গমাইল।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। মাটির রং লালচে হলুদ।
- বরেন্দ্রভূমির ছোট বিনুনী আকৃতির নদীগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ব্রাজিল স্রোত প্রবাহিত হয় -
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  3. ঘূর্ণন আকারে 
  4. চক্রাকারে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of the Earth):
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।

- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো- সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপন নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১৬.
কোন শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে?
  1. আগ্নেয়
  2. পাললিক
  3. রূপান্তরিত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক
ব্যাখ্যা
• পাললিক শিলা:
→ পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা  বলে।

• পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
পাললিক শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে।
→  পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়।
→  পাললিক শিলাস্তরে জীবাশ্মের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যে সকল জীব এই শিলাঞ্চলে বাস করে তাদের মৃতদেহ কালক্রমে পলির নিচে চাপা পড়ে। এর ফলে এদের দেহের কঠিন অংশ প্রস্তরীভূত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়।
→ পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়।
→  পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

• জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা:
→ উদ্ভিদ বা প্রাণির দেহাবশেষজাত পলি থেকে এ শিলার উৎপত্তি হয়।
→  চুনাপাথর এ জাতীয় শিলা। জলজ পরিবেশে অতীতে যে গাছ ছিল তা ভূ-প্রাকৃতিক কারণে ভূ-অভ্যন্তরে চাপা পড়ে যায় এবং ওপরের পলির প্রচন্ড চাপে এর পরিবর্তন হয় এবং কালক্রমে কয়লায় পরিণত হয়।
→  বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা এবং গোপালগঞ্জের পিট কয়লা এ জাতীয় শিলার উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. উত্তর মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
‘সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখা‘ নাগরিকের কোন ধরণের কর্তব্য?
  1. নৈতিক
  2. অর্থনৈতিক
  3. রাজনৈতিক
  4. সামাজিক  
সঠিক উত্তর:
সামাজিক  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক  
ব্যাখ্যা
• সামাজিক কর্তব্য (Social Duties):
- মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজেই জন্মগ্রহণ করে, সমাজেই লালিত- পালিত হয় এবং সমাজেই মৃত্যুবরণ করে।
- এজন্যই এরিস্টটল বলেছেন যে, 'মানুষ স্বভাবতই সামাজিক জীব এবং যে সমাজে বাস করে না সে হয় পশু না হয় দেবতা।'
- সমাজ জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য মানুষের তাই কর্তব্যও রয়েছে।

সামাজিক কর্তব্য:
সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখা,
→ সামাজিক প্রতিষ্ঠান গঠন এবং পরিচালনা করা,
→ সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং অংশগ্রহণ করা,
→ সন্তান-সন্ততিকে শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান করে গড়ে তোলা,
→ সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করা ইত্যাদি হলো একজন নাগরিকের সামাজিক দায়িত্ব।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় হচ্ছে -
  1. সন্তানদের শিক্ষাদান
  2. আইন মান্য করা
  3. সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
  4. সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয়:
→ সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ।
→ মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
→ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান।
→ দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা।
→ জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন।
→ দক্ষ ও কার্যকর সরকার।
→ জনসম্মতি।
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
→ স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা।
→ একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২০.
আইনগত কর্তব্য কোনটি?
  1. সন্তান সন্ততিকে শিক্ষা দেয়া
  2. সততার সাথে ভোট প্রদান করা
  3. ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়া
  4. রাষ্ট্রীয় ক্রাণ তহবিলে অর্থ দান
সঠিক উত্তর:
সততার সাথে ভোট প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সততার সাথে ভোট প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• আইনগত কর্তব্য (Legal Duty):
- যে কর্তব্য রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত এবং রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা কার্যকরী করা হয় তাকে আইনগত কর্তব্য বলে।
- আইনগত কর্তব্য রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য এবং নাগরিকের কল্যাণের জন্য অত্যাবশ্যক।

আইনগত কর্তব্য:
→ নিয়মিত কর দেওয়া,
→ রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা,
সততার সাথে ভোট প্রদান করা ইত্যাদি হলো আইনগত কর্তব্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক

২১.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করে -
  1. দায়বদ্ধতা
  2. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  3. ন্যায়পরায়ণতা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
→ সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
→ সুশাসন হল আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে রাষ্ট্রীয় পরিসরে একটি সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করা।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।
→ এটি প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অপরিহার্য। কেননা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পরমত সহিষ্ণুতা, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, দায়বদ্ধতা, ন্যায়পরায়ণতা ও সচেতনতা জাগিয়ে তোলে। এভাবেই সুশাসন প্রতিষ্ঠা পায় ও স্থায়ী হয়। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে যথাসময়ে সাড়াদানে প্রস্তুত থাকাটাই হচ্ছে -
  1. আইনের শাসন
  2. সংবেদনশীলতা
  3. অংশগ্রহণ
  4. স্বচ্ছতা
সঠিক উত্তর:
সংবেদনশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবেদনশীলতা
ব্যাখ্যা
• সংবেদনশীলতা:
→ সংবেদনশীলতা হচ্ছে শাসনযন্ত্রের এমন দক্ষতা, যোগ্যতা ও সামর্থ্য যার মাধ্যমে জনসাধারণের বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য সকল বৈধ প্রয়োজন ও দাবী-দাওয়া যথাসময়ে পূরণ করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ, সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে যথাসময়ে সাড়াদানে প্রস্তুত থাকাটাই সংবেদনশীলতা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোনটি রাজনৈতিক মূ্ল্যবোধ?
  1. দানশীলতা
  2. নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া
  3. দেশপ্রেম
  4. সত্যবাদিতা
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক মূল্যবোধ (Political Values):
- যে চিন্তাভাবনা লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের রাজনৈতিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বলে ৷
রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো:
→ রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
→ রাজনৈতিক সহনশীলতা,
→ রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
→ দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর করা,
→ পরমতসহিষ্ণুতা,
→ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান,
→ সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ,
→ বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান,
→ বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদান না করা,
নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া,
→ আইনসভাকে কার্যকর হতে সাহায্য করা ইত্যাদি হলো রাজনৈতিক মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক। 
২৪.
“প্রত্যেক সরকার ব্যবস্থাই তার অনুরূপ সম্পত্তি ব্যবস্থাকে সংরক্ষণ করে, একটির পরিবর্তন হলে অন্যটিরও পরিবর্তন সাধিত হয়”− উক্তিটি কার?
  1. ল্যান্ডেল মিল
  2. অধ্যাপক ম্যাকাইভার
  3. রিচার্ড ক্রসম্যান
  4. মারটিন মিনোগ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ম্যাকাইভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ম্যাকাইভার
ব্যাখ্যা
সুশাসন সম্পর্কিত সংজ্ঞা ও উক্তি:
→ সুশাসন একটি জাতির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়। উক্তিটি করেন - ল্যান্ডেল মিল।
→ অনিয়ন্ত্রিত আমলাতন্ত্র গণতন্ত্রের জন্য হুমকি স্বরুপ - উক্তিটি করেছেন - রিচার্ড ক্রসম্যান।
→ “প্রত্যেক সরকার ব্যবস্থাই তার অনুরূপ সম্পত্তি ব্যবস্থাকে সংরক্ষণ করে, একটির পরিবর্তন হলে অন্যটিরও পরিবর্তন সাধিত হয়”− উক্তিটি করে - অধ্যাপক ম্যাকাইভার।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথমপত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৫.
সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় -
  1. জাতিসংঘ
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. কমনওয়েলথ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে - Good Governance
- সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় - বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণা দেয় ১৯৮৯ সালে।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।