পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: বাংলা টপিক: সমাস, দ্বিরুক্ত শব্দ, যতিচিহ্ন, শব্দার্থ। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস?
  1. ক) চিকিৎসাশাস্ত্র
  2. খ) কাঁচামিঠা
  3. গ) বকধার্মিক
  4. ঘ) নয়নপদ্ম
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাশাস্ত্র একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। 

- কাঁচামিঠা হচ্ছে সাধারণ কর্মধারয় সমাস। 
-বকধার্মিক হচ্ছে উপমান কর্মধারয় সমাস। 
- নয়নপদ্ম হচ্ছে উপমিত কর্মধারয় সমাস।
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন- সিংহ চিহ্নিত আসন= সিংহাসন। 
 
সূত্র- ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।  
.
প্রত্যুত্তর কোন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস?
  1. ক) সামীপ্য
  2. খ) ক্ষুদ্র অর্থে
  3. গ) প্রতিদ্বন্দ্বী
  4. ঘ) অভাব
ব্যাখ্যা
প্রত্যুত্তর, প্রতিপক্ষ হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস। 

- পূর্বপদ অব্যয়ের সাথে পরপদ বিশেষ্যের যে সমাস হয় , তাকে এই অব্যয়ীভাব সমাস বলে। 
- অব্যয়ের অর্থই প্রধান এবং সমস্তপদটি অব্যয়ের ভাবপ্রাপ্ত হয় , তাই এর নাম অব্যয়ীভাব সমাস। 
- 'অব্যয়ীভাব' অর্থ হচ্ছে অব্যয়ের ভাব বর্তমান।  

সূত্র- ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।  
.
একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে কী বলে?
  1. ক) দ্বিযুক্ত শব্দ
  2. খ) ধ্বন্যাত্মক শব্দ
  3. গ) প্রচলিত শব্দ
  4. ঘ) দ্বিরুক্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। 

- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ পরপর দুইবার বলা। 
- বাংলা ভাষায় দ্বিরুক্ত শব্দের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। 

সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'রাশি রাশি ধান' - কোন ধরণের শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) বাক্যালংকার শব্দ
  2. খ) অবস্থাবাচক শব্দ
  3. গ) ধ্বন্যাত্মক শব্দ
  4. ঘ) দ্বিরুক্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
'রাশি রাশি ধান' হচ্ছে দ্বিরুক্ত শব্দের উদাহরণ। 

- একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। 
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ পরপর দুইবার বলা। 
- বাংলা ভাষায় দ্বিরুক্ত শব্দের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। 

সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। 


.
নিচের কোন দ্বিরুক্ত শব্দটি সামান্য অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ভালো ভালো আম নিয়ে আসো।
  2. খ) ছোট ছোট ডাল কেটে ফেল।
  3. গ) গরম গরম জিলাপি।
  4. ঘ) কালো কালো চেহারা।
ব্যাখ্যা
কালো কালো চেহারা, এই  দ্বিরুক্ত শব্দটি সামান্য অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। 

- ভালো ভালো আম নিয়ে আসো, ছোট ছোট ডাল কেটে ফেল - এই  দ্বিরুক্ত শব্দটি তীব্রতা অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। 
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ পরপর দুইবার বলা। 
- বাংলা ভাষায় দ্বিরুক্ত শব্দের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। 

সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। 

 
.
সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত নিচের কোনটি দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. ক) তালাচাবি
  2. খ) ছোট-বড়
  3. গ) আসা-যাওয়া
  4. ঘ) চালচলন
ব্যাখ্যা
চালচলন শব্দটি সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ। 

- ছোট-বড়, আসা-যাওয়া হচ্ছে বিপরীতার্থক অর্থে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ।
- তালাচাবি  হচ্ছে ভিন্নার্থক শব্দ যোগে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ।
- একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। 
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ পরপর দুইবার বলা। 
- বাংলা ভাষায় দ্বিরুক্ত শব্দের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়। 

সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। 
 
.
'নিষ্ণাত' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) সমস্যা
  2. খ) কুশীলব
  3. গ) বিচক্ষণ
  4. ঘ) নির্গত
ব্যাখ্যা
'নিষ্ণাত' শব্দটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ। 
'নিষ্ণাত' শব্দের অর্থ - কুশল, নিপুণ, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান 
.
নিচের বাক্যটিতে কয়টি বিরাম চিহ্ন বসবে?
গ্রীষ্ম বর্ষা শরৎ হেমন্ত শীত ও বসন্ত বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যে ৬টি বিরাম চিহ্ন বসেছে। 
কমা (,): কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন :গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত - বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।

নিবিড় অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।
সুজন, দেখ তাে কে এসেছে।
কাল তুমি যাকে দেখেছ, তিনি আমার বাবা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “পাপকে ঠেকাবার জন্যে কিছু না করাই তাে পাপ।”

উৎস: নবম - দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ)
.
'গড্ডল' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) গরু
  2. খ) কুমির
  3. গ) ভেড়া
  4. ঘ) পিঙ্গল
ব্যাখ্যা
গড্ডল, গড্ডর (বিশেষ্য):
১. ভেড়া
২. গাড়ল
{গাড়ল > (তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) গড্ডল, গড্ডর (র = ল) (অর্বাচীন সংস্কৃত শব্দ)}

গড্ডলিকা প্রবাহ (বিশেষ্য):
১. ভেড়ার পালের মতো একের অন্যকে অনুসরণ;
২. ভালোমন্দ না বুঝে অন্ধের ন্যায় অনুসরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
১০.
'তাম্বূল' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) পান
  2. খ) ঠোঁট
  3. গ) লাল
  4. ঘ) বচন
ব্যাখ্যা
'তাম্বূল' শব্দের অর্থ = পান 

তাম্বূল (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √তম্‌+ঊল 
অর্থ: পান, নাগলতা, নাগবল্লী, নাগবল্লরী

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১১.
'লেফাফা' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) লাপাত্তা
  2. খ) খাতা
  3. গ) বই
  4. ঘ) মোড়ক
ব্যাখ্যা
'লেফাফা' শব্দের অর্থ: চিঠি প্রভৃতি প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত কাগজের তৈরি মোড়ক, খাম, 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান
১২.
'নীর' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) জল
  2. খ) আবাস
  3. গ) সমুদ্র
  4. ঘ) নিবাস
ব্যাখ্যা
'নীর' শব্দের অর্থ: 
১. পানি, জল 
২. রস 
এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।  

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি
১৩.
'ব্যাকরণ' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) সাধারণ বিশ্লেষণ
  2. খ) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
  3. গ) বিশেষভাবে সংযোজন
  4. ঘ) সাধারণ সংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণ - (বিশেষ্য)
- কোনো ভাষার শব্দ ও পদবিন্যাসের স্বরূপ, কাঠামো, রীতি ও বিশ্লেষণ সম্পর্কিত বিদ্যা বা গ্রন্থ।
- শব্দের ব্যুৎপত্তিবিষয়ক শাস্ত্র।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) বি + আ + √কৃ + অন}
- শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ।


উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
১৪.
বাংলা সাহিত্যে যতিচিহ্নের প্রবর্তক কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) উইলিয়াম কেরী
ব্যাখ্যা
হাজার বছরের ঐতিহ্যে ভরপুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য কিন্তু বাংলা ভাষায় সুষ্ঠভাবে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার শুরু হয়েছে দেড়শ দুইশ বছর আগে।
- মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রথম নৈপুর্ণ দেখান।
- এ কারণেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন।
- যতি চিহ্নের প্রয়ােগ যথাযথ না হলে বাক্য অস্পষ্ট বা দুর্বোধ্য হতে পারে।
- এমনকি কখনাে কখনাে প্রত্যাশিত অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলা ভাষায় প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
• ‘কোলন’ প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
- বাক্যের শেষে বসে ৪টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন।
- এগুলো হলো:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
- এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।