পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি কম্পিউটার অংশ: ১. অপারেটিং সিস্টেমস (Operating Systems); ২. এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer); ৩. কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer); ৪. কম্পিউটারের প্রকারভেদ (Types of Computers); ৫. কম্পিউটার প্রোগ্রাম (Computer Program): ভাইরাস (VIRUS), ফায়ারওয়াল (Firewall) ইত্যাদি; ৬. ডেটাবেইস সিস্টেম (Database System)। --------------- তথ্যপ্রযুক্তি অংশ: ১. নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি Daily-Use Computing Technology): ই-মেইল (E- mail), ফ্যাক্স (Fax) ইত্যাদি; ২. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট (Client-Server Management); ৩. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ (Mobile Features); ৪. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ (Tech-Giants Services & News): গুগল (Google), মাইক্রোসফট (Microsoft), আইবিএম (IBM) ইত্যাদি; ৫. ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing); ৬. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (Social Networking): ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Instagram), ইন্সটাগ্রাম (Twitter) ইত্যাদি;
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
iOS অ্যাপ রিলিজের জন্য কোন সার্ভিস ব্যবহৃত হয়?
  1. App Store
  2. Google Play Store
  3. Apple Store
  4. TestFlight
সঠিক উত্তর:
App Store
উত্তর
সঠিক উত্তর:
App Store
ব্যাখ্যা
iOS অ্যাপ রিলিজের জন্য মূলত App Store ব্যবহৃত হয়। Apple-এর App Store হলো একটি অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম যেখানে ডেভেলপাররা তাদের তৈরি করা অ্যাপ প্রকাশ করেন এবং ব্যবহারকারীরা সেগুলো ডাউনলোড ও ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাপ প্রকাশের জন্য ডেভেলপারকে প্রথমে Apple Developer Program-এ যোগ দিতে হয় এবং প্রয়োজনীয় গাইডলাইন অনুসরণ করতে হয়। এরপর অ্যাপটি Apple-এর রিভিউ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়, যাতে এর নিরাপত্তা, গুণগত মান ও নীতিমালা মেনে চলা নিশ্চিত হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর অ্যাপটি বিশ্বব্যাপী App Store-এ রিলিজ হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো – App Store.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রয়োগ দেখা যায়?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক মূলত LAN (Local Area Network)-এ বেশি ব্যবহৃত হয়। একটি LAN সাধারণত একটি অফিস, স্কুল, বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সীমিত এলাকায় স্থাপিত হয় যেখানে অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সংযুক্ত করা হয়। এখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ফাইল, প্রিন্টার, ডাটাবেস বা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করে এবং অন্যান্য কম্পিউটারগুলো ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রতিষ্ঠানে সার্ভার থেকে কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ বা শেয়ার করে থাকে। LAN ব্যবহারের ফলে ডাটা শেয়ারিং সহজ হয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। তাই LAN-এই ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রধান প্রয়োগ দেখা যায়।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
GSM আর্কিটেকচারের মধ্যে কোন অংশটি মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে স্থির নেটওয়ার্কে কল স্থানান্তর করে?
  1. MSC (Mobile Switching Center)
  2. BTS (Base Transceiver Station)
  3. BSC (Base Station Controller)
  4. HLR (Home Location Register)
সঠিক উত্তর:
MSC (Mobile Switching Center)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MSC (Mobile Switching Center)
ব্যাখ্যা
GSM আর্কিটেকচারে MSC (Mobile Switching Center) হলো সেই মূল অংশ, যা মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে স্থির (PSTN) নেটওয়ার্কে কল স্থানান্তর করে। এটি মূলত একটি সুইচিং সিস্টেম, যা মোবাইল ব্যবহারকারীর কল সেটআপ, রাউটিং, হ্যান্ডওভার এবং ভয়েস/ডেটা সেবার সমন্বয় করে। যখন একজন মোবাইল ব্যবহারকারী স্থির ফোন নম্বরে কল করে, তখন MSC সেই কলটিকে পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্কে (PSTN) পাঠিয়ে দেয়। অন্যদিকে, BTS কেবলমাত্র মোবাইল ডিভাইসের সাথে রেডিও যোগাযোগ করে, BSC সেই BTS-গুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং HLR হলো সাবস্ক্রাইবারের ডাটাবেস। সুতরাং, কল স্থানান্তরের কাজ সরাসরি MSC সম্পাদন করে।

⚪ জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

⚪ জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশী। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়। 

⚪ সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. এটিএম
  2. এসি
  3. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার এমন একটি বিশেষ-purpose কম্পিউটার যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটিএমে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য। এসিতে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যানের গতি ও এনার্জি ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড কম্পিউটার ভিডিও রেকর্ডিং, মোশন ডিটেকশন এবং রিমোট মনিটরিং নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এইভাবে, প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম নির্দিষ্ট কাজ দ্রুত, নির্ভুল এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম। তাই বলা যায়, এগুলো সব ক্ষেত্রেই এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার দেখা যায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলোই।


• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মোবাইল কমিউনিকেশনে EDGE এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Enhanced Data General Equipment
  2. Extended Data General Exchange
  3. Enhanced Digital Global Evolution
  4. Enhanced Data rates for GSM Evolution
সঠিক উত্তর:
Enhanced Data rates for GSM Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Enhanced Data rates for GSM Evolution
ব্যাখ্যা
• মোবাইল কমিউনিকেশনে EDGE এর পূর্ণরূপ হলো “Enhanced Data rates for GSM Evolution”। এটি GSM নেটওয়ার্কের একটি উন্নত প্রযুক্তি, যা সাধারণ GPRS এর তুলনায় দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম। EDGE ব্যবহার করলে মোবাইল ইন্টারনেটে ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো ও ভিডিও স্ট্রিমিং অনেক দ্রুত হয়। এটি মূলত ২.৫জি নেটওয়ার্ককে ৩জি স্তরের ডেটা স্পিডের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। EDGE প্রযুক্তি সেলুলার নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথকে দক্ষভাবে ব্যবহার করে এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য উন্নত ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। তাই মোবাইল কমিউনিকেশনে EDGE গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) Enhanced Data rates for GSM Evolution।


• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন।
- ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA .
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Norton
  2. Informix
  3. AVAST
  4. AVG
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
• চারটি সফটওয়্যার থেকে “Informix” এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Norton, AVAST এবং AVG তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই সফটওয়্যারগুলো রিয়েল-টাইম স্ক্যানিং, স্বয়ংক্রিয় আপডেট এবং ভাইরাস ডিটেকশন সুবিধা প্রদান করে। অপরদিকে, Informix হলো একটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধানের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস স্ক্যান বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই Informix এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
.
কোন সফটওয়্যারটি ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Finder
  2. Safari
  3. Google Chrome
  4. Mozilla Firefox
সঠিক উত্তর:
Finder
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Finder
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য সাধারণত বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয় যাদেরকে ওয়েব ব্রাউজার বলা হয়। এই ব্রাউজারগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ওয়েবসাইট দেখতে, তথ্য খুঁজতে এবং বিভিন্ন অনলাইন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, Safari, Google Chrome, এবং Mozilla Firefox সকলেই জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। তবে Finder একটি ব্রাউজার নয়। এটি মূলত ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল, ফোল্ডার এবং ডকুমেন্ট ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, Finder ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার কাজ করে না, বরং কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমে নেভিগেট করার একটি টুল। তাই, এই চারটির মধ্যে ইন্টারনেট ব্রাউজারের কাজ করে না এমন সফটওয়্যার হল Finder।

• ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো - 
- Google Chrome, 
- Mozilla Firefox, 
- Safari, 
- Opera, 
- Microsoft Edge, 
- Maxthon, 
- Brave, 
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
META-র অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. Messenger
  2. Facebook
  3. Lightshot
  4. Oculus VR
সঠিক উত্তর:
Lightshot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lightshot
ব্যাখ্যা
• META (আগে Facebook Inc.) হলো একটি প্রযুক্তি কোম্পানি যা মূলত সামাজিক যোগাযোগ এবং ভার্চুয়াল বাস্তবতার পণ্য ও সেবার জন্য পরিচিত। এর অন্তর্ভুক্ত প্রধান প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে Facebook, Messenger, এবং Oculus VR অন্যতম। Facebook হলো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে মানুষ ছবি, ভিডিও, স্ট্যাটাস শেয়ার করে যোগাযোগ করে। Messenger হলো Facebook-এর মেসেজিং অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীদের সরাসরি বার্তা পাঠানোর সুবিধা দেয়। Oculus VR হলো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট এবং প্ল্যাটফর্ম, যা META-এর আওতাভুক্ত। অন্যদিকে, Lightshot হলো একটি তৃতীয়-পক্ষের স্ক্রিনশট টুল, যা META-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Lightshot।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: ২ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত)।
প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 

- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফ্যাক্স মেশিনের সাধারণ ব্যবহার কী?
  1. স্ক্যান করা কাগজপত্র দ্রুত পাঠানো
  2. ইমেল পাঠানো
  3. ভিডিও স্ট্রিমিং
  4. ভিডিও কনফারেন্সিং
সঠিক উত্তর:
স্ক্যান করা কাগজপত্র দ্রুত পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্যান করা কাগজপত্র দ্রুত পাঠানো
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স মেশিন সাধারণত কাগজপত্র দ্রুত এবং নিরাপদভাবে অন্যত্র পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অফিসিয়াল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে বহু প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যবহারকারী কাগজের নথি মেশিনে রাখলে ফ্যাক্স মেশিন তা স্ক্যান করে ফোন লাইনের মাধ্যমে প্রাপকের মেশিনে প্রেরণ করে। এতে করে দূরের স্থানে থাকা ব্যক্তি বা অফিস তা তৎক্ষণাত পেতে পারে। ফ্যাক্স মেশিন ইমেল পাঠানো, ভিডিও স্ট্রিমিং বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই এর প্রধান ব্যবহার হল কাগজপত্রকে দ্রুত এবং সরাসরি অন্যত্র পাঠানো। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) স্ক্যান করা কাগজপত্র দ্রুত পাঠানো।

• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং 
তারপর এটি
- অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল, ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত কোন ধরনের OS ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম
  2. ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম
  3. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
  4. মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়। এই ধরনের সিস্টেমে সাধারণত একটি রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) ব্যবহার করা হয়। RTOS এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা, যাতে সিস্টেমের প্রতিক্রিয়া সময় অত্যন্ত দ্রুত হয়। ডেস্কটপ বা ওয়েব সার্ভার OS এই ধরনের সময়-সংবেদনশীল কাজের জন্য উপযুক্ত নয়, কারণ এগুলি সাধারণত মাল্টি-টাস্কিং এবং ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য ডিজাইন করা হয়। এমবেডেড সিস্টেমে RTOS ব্যবহার করলে সেন্সর, মোটর, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের সঙ্গে সঠিক ও দ্রুত সমন্বয় সম্ভব হয়, যা সঠিক ও নির্ভরযোগ্য ফলাফল নিশ্চিত করে। তাই, এমবেডেড সিস্টেমে RTOS সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: গ) রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম।


• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- QNX, 
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 
১১.
ইনস্টাগ্রাম স্টোরি কতক্ষণ পরে মুছে যায়?
  1. ২৪ ঘণ্টা
  2. ১২ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• ইনস্টাগ্রাম স্টোরি হলো একটি ফিচার যা ব্যবহারকারীদের ছবি, ভিডিও বা টেক্সট শেয়ার করতে দেয় যা স্থায়ীভাবে প্রোফাইলে সংরক্ষিত হয় না। সাধারণভাবে, একটি স্টোরি পোস্ট করার পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় ২৪ ঘণ্টা পরে। অর্থাৎ, আপনি যদি কোনো ছবি বা ভিডিও স্টোরি হিসেবে আপলোড করেন, তা আপনার ফলোয়াররা শুধুমাত্র পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেখতে পারবে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করার পর স্টোরিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে যায়, যদিও ব্যবহারকারী চাইলে তা আর্কাইভে সংরক্ষণ করতে পারে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২৪ ঘণ্টা।

• ইনস্টাগ্রাম (Instagram):
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- অ্যালেক্সা র‍্যাঙ্কিং- এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ 'Meta' এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
- Instagram এর বর্তমান CEO অ্যাডাম মোসেরি। [জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত]

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২.
কোন প্রোগ্রামটি প্রধানত ডেটা বিশ্লেষণ, ফর্মুলা এবং চার্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Windows Media Player
  2. Microsoft Paint
  3. Outlook
  4. Microsoft Excel
সঠিক উত্তর:
Microsoft Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Excel
ব্যাখ্যা
• ডেটা বিশ্লেষণ, ফর্মুলা হিসাব এবং চার্ট তৈরির জন্য প্রধানত Microsoft Excel ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম যা সংখ্যাগত তথ্য সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারী এখানে বিভিন্ন ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করে জটিল গণনা সহজভাবে করতে পারে। এছাড়াও, ডেটাকে গ্রাফ, চার্ট বা পিভট টেবিল আকারে উপস্থাপন করা যায়, যা তথ্যের ধারা ও প্রবণতা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসা, শিক্ষা, গবেষণা বা দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশে Excel এর ব্যবহার ব্যাপক, কারণ এটি ডেটা বিশ্লেষণকে সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তোলে। তাই তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য Excel সবচেয়ে জনপ্রিয়।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি। 
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি। 
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি। 

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।

• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো: 
- এমএস অফিস, 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর, 
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল, 
- পেজ মেকার, 
- ফটোশপ, 
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি। 

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।

- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার, 
- ইলেকট্রনিস কমার্স, 
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন কম্পিউটারের মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা সর্বোচ্চ?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার বিভিন্ন ক্ষমতার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সুপার কম্পিউটার হলো সবচেয়ে শক্তিশালী, যা অত্যন্ত উচ্চ মেমোরি এবং প্রসেসিং ক্ষমতা রাখে। এই ধরনের কম্পিউটার জটিল বৈজ্ঞানিক হিসাব, আবহাওয়া পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা ও অণু গবেষণার মতো বড় বড় ডেটা প্রসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার বা ট্যাবলেট কম্পিউটার তুলনামূলকভাবে কম ক্ষমতার হয় এবং সাধারণ অফিস, শিক্ষা বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। তাই মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা সর্বোচ্চ হলো সুপার কম্পিউটার।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোনটি আইসির একটি ধরন?
  1. TTL
  2. CR2032
  3. LED
  4. Resistor
সঠিক উত্তর:
TTL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TTL
ব্যাখ্যা
• আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit) হলো একটি ছোট চিপ যা অনেক ধরনের ইলেকট্রনিক উপাদান যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর একত্রিত করে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন প্লেটে স্থাপন করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল কাজ সম্পাদন করে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে TTL (Transistor-Transistor Logic) হলো আইসির একটি ধরন। TTL আইসি প্রধানত লজিক সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক ফাংশন সম্পাদন করে। অন্যদিকে CR2032 হলো ব্যাটারি, LED হলো আলো উৎপন্ন উপাদান, এবং Resistor হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান। সুতরাং, আইসির ধরন হিসেবে সঠিক উত্তর হলো TTL।

• Integrated Circuit:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। 
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে। 
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। 
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে। 

উৎস: 
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. ব্রিটানিকা।
১৫.
‘Marshmallow’ অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Google
  2. Apple
  3. IBM
  4. BlackBerry
সঠিক উত্তর:
Google
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google
ব্যাখ্যা
• ‘Marshmallow’ হলো Android অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা গুগল (Google) তৈরি করেছে। এটি Android 6.0 নামেও পরিচিত এবং ২০১৫ সালে বাজারে আসে। এই সংস্করণে ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার যেমন পারমিশন ম্যানেজমেন্ট, Google Now on Tap, এবং উন্নত ব্যাটারি লাইফ সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Marshmallow অপারেটিং সিস্টেমটি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের ডিভাইস আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। তাই এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরির জন্য সঠিক উত্তর হলো Google।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ‘Marshmallow' অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে গুগল।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০২১ সালের মে মাসে এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস:
১. গুগলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১৬.
বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটারের নাম কী?
  1. AGC
  2. Intel 4004
  3. IBM System/360
  4. ENIAC
সঠিক উত্তর:
AGC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AGC
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত AGC (Apollo Guidance Computer)। এটি ১৯৬০-এর দশকে নাসার অ্যাপোলো মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়। AGC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মহাকাশযানকে সঠিকভাবে নেভিগেট করা এবং অভিযান পরিচালনা করা। এটি ছোট আকারের এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা একটি কম্পিউটার, যা এম্বেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য বহন করে। অন্যান্য অপশন যেমন Intel 4004, IBM System/360, এবং ENIAC সাধারণ কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষভাবে একটি যন্ত্রে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য AGC-কে প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
অসংগঠিত ডেটা যেমন ডকুমেন্ট, JSON বা ছবি পরিচালনা করার জন্য কোন ধরনের ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে?
  1. Relational database
  2. Hierarchical database
  3. NoSQL database
  4. Network database
সঠিক উত্তর:
NoSQL database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NoSQL database
ব্যাখ্যা

• NoSQL ডাটাবেস এমন ধরনের ডাটাবেস যা অসংগঠিত বা অর্ধ-সংগঠিত ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি রিলেশনাল ডাটাবেসের তুলনায় বেশি নমনীয়, কারণ এতে টেবিল ও সুনির্দিষ্ট স্কিমার প্রয়োজন হয় না। NoSQL ডাটাবেসে ডকুমেন্ট, JSON, XML, ছবি বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া ফাইল সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। এই ধরনের ডাটাবেস বড় পরিমাণ ডেটা, উচ্চ-লেভেলের স্কেলেবিলিটি এবং দ্রুত অনুসন্ধানের সুবিধা প্রদান করে। বিশেষ করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিংয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই অসংগঠিত ডেটার জন্য NoSQL ডাটাবেস সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: গ) NoSQL database.

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data):
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information):
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field):
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row):
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column):
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table):
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model):
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

এছাড়াও,

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত ব্যবহৃত হয়:
  1. শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য
  2. ভিডিও গেম খেলার জন্য
  3. ডকুমেন্ট তৈরি করার জন্য
  4. সঙ্গীত শোনার জন্য
সঠিক উত্তর:
শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুত এবং নির্ভুল পরিমাপের ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের লজিক্যাল ও স্টোরেজ ক্ষমতা একত্রিত করে। সাধারণত হাইব্রিড কম্পিউটার শিল্প, চিকিৎসা, এবং গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে সঠিক এবং দ্রুত পরিমাপের পাশাপাশি জটিল হিসাব করার প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ, হাসপাতালের রোগী মনিটরিং সিস্টেম, শিল্প কারখানায় প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ, বা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. একটি ভাইরাস যা শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারের ক্ষতি করে
  2. একটি ভাইরাস যা আপনার কম্পিউটারকে রক্ষা করে
  3. একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে
  4. একটি ভাইরাস যা চালানোর পর নিজেই মুছে যায়
সঠিক উত্তর:
একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা সরাসরি ক্ষতি করার পরিবর্তে বৈধ সফটওয়্যারের আকারে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এটি ব্যবহারকারীর জ্ঞাত ছাড়া ইনস্টল হয় এবং সাধারণত পেছনের দরজা (backdoor) তৈরি করে, যা হ্যাকারদের কম্পিউটারের তথ্য চুরি, ফাইল মুছে ফেলা বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ করার সুযোগ দেয়। ট্রোজান হর্স সাধারণ ভাইরাসের মতো নিজে নিজে ছড়ায় না; এটি ব্যবহারকারীর ভুলে বা কোনো ভুয়া সফটওয়্যার ডাউনলোডের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি “গোপন হামলা” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি প্রথমে নিরাপদ সফটওয়্যারের আভাস দেয়, কিন্তু একবার চালু হলে কম্পিউটারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

সঠিক উত্তর: গ) একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে থাকে।


• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।

- যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 

- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।