পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
Exam - 22 Topic: Science (Full Syllabus) (বিগত বছরের বিসিএস, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নের টপিকসমূহ)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
What is humidity?
  1. The amount of rainfall in an area
  2. The amount of water vapor in the air
  3. The temperature of the air
  4. The pressure of the atmosphere
সঠিক উত্তর:
The amount of water vapor in the air
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The amount of water vapor in the air
ব্যাখ্যা

• Humidity হলো বাতাসে বিদ্যমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। অর্থাৎ, এটি নির্ধারণ করে কতটা জল বাষ্প আকারে বাতাসে রয়েছে। বাতাসে বেশি জলীয় বাষ্প থাকলে আমরা বলি “high humidity” এবং কম থাকলে “low humidity।” এটি বর্ষা বা বৃষ্টির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ এটি শুধুমাত্র বায়ুর আর্দ্রতার পরিমাপ। তাপমাত্রার সাথে মিলিত হয়ে, উচ্চ আর্দ্রতা মানুষকে আরও গরম বা অস্বস্তিকর অনুভূতি দিতে পারে। সুতরাং, humidity হলো জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং এটি বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ বা বৃষ্টিপাতের পরিমাণের সঙ্গে সরাসরি সমান নয়।

- সঠিক উত্তর: খ) The amount of water vapor in the air.
 
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 

যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

.
A vector with zero magnitude is called:
  1. Null vector
  2. Resultant vector
  3. Negative vector
  4. Unit vector
সঠিক উত্তর:
Null vector
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Null vector
ব্যাখ্যা

• একটি ভেক্টর যা কোনো দিক বা পরিমাণ (magnitude) ধারণ করে না, তাকে Null vector বা শূন্য ভেক্টর বলা হয়। এটি এমন একটি ভেক্টর যার মান শূন্য, অর্থাৎ এর দৈর্ঘ্য শূন্য এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দিক নির্দেশ করে না। অন্যদিকে Resultant vector হলো বিভিন্ন ভেক্টরের যোগফল, Negative vector হলো কোনো ভেক্টরের বিপরীত দিকের ভেক্টর, আর Unit vector হলো এমন একটি ভেক্টর যার magnitude ১। সুতরাং, শূন্য পরিমাণবিশিষ্ট ভেক্টরকে Null vector বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) Null vector.

রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এই জন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

২। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following devices works on Pascal’s law?
  1. Speedometer
  2. Barometer
  3. Thermometer
  4. Hydraulic lift
সঠিক উত্তর:
Hydraulic lift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydraulic lift
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ঘ) Hydraulic lift.

Pascal’s law বলে, একটি সিলিন্ডারে থাকা তরল চাপকে সমস্ত দিকেই সমভাবে সংক্রমণ করে। Hydraulic lift এই নীতির উপর কাজ করে। এতে দুইটি পিস্টন সংযুক্ত থাকে এবং তাদের মধ্যে তরল পূর্ণ থাকে। ছোট পিস্টনে যে চাপ প্রয়োগ করা হয়, তা তরলের মাধ্যমে বড় পিস্টনে সমানভাবে প্রেরণ হয়, ফলে বড় পিস্টন অনেক বেশি শক্তিতে কাজ করতে পারে। এটি ভারী বস্তু যেমন গাড়ি বা যন্ত্রাংশ উঁচুতে তুলতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, speedometer, barometer এবং thermometer সরাসরি Pascal’s law অনুসরণ করে না, কারণ এগুলো চাপের পরিবর্তন মাপলেও লিফটের মতো শক্তি বৃদ্ধি করে না।

 • প্যাসকেলের সূত্র:
- একটা আবদ্ধ পাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থে বাইরে থেকে চাপ দেওয়া হলে সেই চাপ চারদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয়ে পাত্রের সংলগ্ন গায়ে লম্বভাবে কাজ করবে।

- তরলে সৃষ্ট চাপ সবদিকে সমানভাবে বিস্তার লাভ করে।
এই নীতি ব্যবহার করে:
- হাইড্রোলিক প্রেস,
- হাইড্রোলিক ব্রেক,
- লিফট,
- কার জ্যাক,
ইত্যাদিতে কম বল প্রয়োগ করে বড় বল উৎপন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
In quantum electrodynamics (QED), which particle acts as the force carrier?
  1. Z boson
  2. Muon
  3. Photon
  4. Graviton
সঠিক উত্তর:
Photon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Photon
ব্যাখ্যা

• Quantum electrodynamics (QED) হলো পদার্থবিজ্ঞানের সেই শাখা যা বিদ্যুৎ ও চুম্বকীয় শক্তির কণা এবং তাদের পারস্পরিক ক্রিয়াকে কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে বর্ণনা করে। QED তে শক্তি বা বল পরিবাহকের ভূমিকা পালন করে ফোটন (Photon)। ফোটন হল ভরহীন, চার্জবিহীন কণা যা ইলেকট্রন, পজিট্রন বা অন্যান্য চার্জযুক্ত কণার মধ্যে বৈদ্যুতিক ও চুম্বকীয় বলের বিনিময় ঘটায়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইলেকট্রন পরস্পরকে প্রত্যাহার করে যখন তারা ফোটন বিনিময় করে। অন্য বিকল্পগুলো, যেমন Z বোসন, মিউন, বা গ্রাভিটন, QED তে মূল বল পরিবাহক নয়; Z বোসন দুর্বল পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, মিউন হলো একটি ভারী ইলেকট্রন জাতীয় কণা, এবং গ্রাভিটন শুধুমাত্র ত্বরণ বা মহাকর্ষের সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং, QED-তে শক্তি পরিবাহক হলো ফোটন।

- উত্তর: গ) Photon.

মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 

তাড়িতচৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তাড়িতচৌম্বক বল বলে। 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 

এছাড়াও, 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন) এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
If a stone and a feather are dropped from the same height in a vacuum, what happens?
  1. Stone falls faster than feather
  2. Feather falls faster than stone
  3. Both fall at the same rate 
  4. Both float in the air
সঠিক উত্তর:
Both fall at the same rate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both fall at the same rate 
ব্যাখ্যা

• শূন্যচাপযুক্ত (vacuum) পরিবেশে বাতাস বা অন্য কোনো গ্যাস নেই। সাধারণভাবে আমরা জানি, হালকা বস্তুর (যেমন পাতা বা পালক) ওপর বাতাসের ঘর্ষণ বেশি প্রভাব ফেলে, তাই তা ধীরে পড়ে, আর ভারী বস্তু (যেমন পাথর) দ্রুত পড়ে। কিন্তু শূন্যচাপে কোনো ঘর্ষণ নেই। তাই বস্তুগুলোর ওজন বা আকারের পার্থক্য কোনো প্রভাব ফেলে না। নিউটনের ভর এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী, সব বস্তু একই ত্বরণে (acceleration) পড়বে। সুতরাং শূন্যচাপে পাথর এবং পালক একসাথে একই গতি দিয়ে নিচে পড়ে।
- সঠিক উত্তর হলো: গ) Both fall at the same rate.
 
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ: 
- কোন বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষের প্রভাবে মাটিতে পড়ে। 
- বাতাসের বা অন্য কোন বাঁধা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কেবল অভিকর্ষের প্রভাবে পড়ন্ত বস্তুকে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু। 
- ষোড়শ শতাব্দীতে ইটালীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গ্যালেলিও গ্যালিলাই পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন, এই সূত্রগুলোকে পড়ন্ত বস্তুর সূত্র বলা হয়। 
- এই সূত্রগুলো এখন সর্বজন গৃহীত সূত্র। 
- সূত্রগুলো নিম্নরূপ - 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, বস্তু t সময়ে v বেগ প্রাপ্ত হলে, v ∝ t  । 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following elements is commonly used as fuel in nuclear fission reactors?
  1. Uranium-235
  2. Helium-4
  3. Carbon-12
  4. Hydrogen-1
সঠিক উত্তর:
Uranium-235
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uranium-235
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার ফিশন রিয়্যাক্টরে সবচেয়ে সাধারণভাবে যে উপাদানটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় তা হলো Uranium-235 (ইউরেনিয়াম-২৩৫)। ইউরেনিয়াম-২৩৫ একটি ভারী মৌল যা পারমাণবিক বিভাজনযোগ্য। যখন একটি ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াস একটি ধীর নিউট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষ করে, এটি বিভক্ত হয়ে দুইটি ছোট নিউক্লিয়াস এবং কয়েকটি অতিরিক্ত নিউট্রন মুক্ত করে। এই বিভাজন প্রক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা পরে পানি বা অন্য কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে বাষ্পে রূপান্তরিত হয়ে টারবাইন চালায় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। অন্যদিকে Helium-4, Carbon-12, এবং Hydrogen-1 নিউক্লিয়ার ফিশনের জন্য উপযুক্ত নয়, কারণ এদের নিউক্লিয়াস সহজে বিভাজন হয় না। তাই নিউক্লিয়ার শক্তি উৎপাদনে ইউরেনিয়াম-২৩৫কে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
 
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া। 
- নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি পারমাণু ভেঙ্গে একাধিক হালকা ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

.
If a machine does 1492 joules of work in 2 seconds, its power in horsepower is approximately:
  1. 4 hp
  2. 3 hp
  3. 2 hp
  4. 1 hp
সঠিক উত্তর:
1 hp
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 hp
ব্যাখ্যা

• একটি যন্ত্র ২ সেকেন্ডে ১৪৯২ জুল কাজ করছে। পাওয়ার নির্ণয় করতে আমরা সূত্র ব্যবহার করি:
Power (W) = Work (J) / Time (s) = 1492 / 2 = 746 W
এখন, ১ হর্সপাওয়ার ≈ ৭৪৬ ওয়াট। সুতরাং, যন্ত্রের পাওয়ার:
746 W / 746 W/hp ≈ 1 hp
অতএব, যন্ত্রের পাওয়ার প্রায় ১ হর্সপাওয়ার, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 1 hp.

• ক্ষমতা:
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ -করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়।
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = 746 ওয়াট।
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T- 3.

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
For a sound to be perceived as an echo, the time delay between the sound and its reflection should be at least:
  1. 0.05 s
  2. 0.1 s
  3. 0.3 s
  4. 0.5 s
সঠিক উত্তর:
0.1 s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.1 s
ব্যাখ্যা

• একটি শব্দকে ইকো বা প্রতিধ্বনি হিসেবে অনুভব করার জন্য মূল শব্দ এবং তার প্রতিফলনের মধ্যে সময় ব্যবধান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মানুষের কানের মাধ্যাকর্ষণ অনুযায়ী, যদি শব্দ এবং তার প্রতিফলনের মধ্যে সময় ব্যবধান খুব ছোট হয়, তখন আমরা এটি আলাদা শব্দ হিসেবে শোনার পরিবর্তে কেবল শব্দের প্রতিধ্বনি বা দীর্ঘস্থায়ী শব্দ হিসেবে অনুভব করি। সাধারণভাবে, একটি শব্দকে আলাদাভাবে ইকো হিসেবে শনাক্ত করার জন্য প্রায় 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় ব্যবধান প্রয়োজন। অর্থাৎ, শব্দের উৎস থেকে প্রতিফলিত শব্দ আমাদের কানে পৌঁছাতে কমপক্ষে 0.1 সেকেন্ড সময় লাগতে হবে। অতএব, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 0.1 s। এটি বোঝায় যে শব্দ এবং তার প্রতিফলনের মধ্যে যথেষ্ট সময় থাকলে আমরা এটি স্বতন্ত্র ইকো হিসেবে শুনতে পারি।
 
• শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং, প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে।
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- ০°C বা ২৭৩K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি ৩৩২ms-1
- ০°C বা ২৭৩ K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব ০.৩ m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m (০°C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following processes results in an increase of entropy?
  1. Compression of gas
  2. Condensation of steam
  3. Melting of ice
  4. Freezing of water
সঠিক উত্তর:
Melting of ice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Melting of ice
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলির মধ্যে, “Melting of ice” বা বরফ গলানো প্রক্রিয়ায় এন্ট্রপি বৃদ্ধি ঘটে। কারণ এন্ট্রপি হলো অণুসমূহের অগণিত অবস্থার পরিমাপ, যা অগোছালো বা বিশৃঙ্খলতা নির্দেশ করে। বরফের কঠিন অবস্থায় জল অণুগুলি একটি সুসংগঠিত স্থির কাঠামোতে থাকে। যখন বরফ গলে তরল জলে পরিণত হয়, তখন অণুগুলির স্থানান্তর স্বাধীনতা ও অগোছালো গতিশীলতা বেড়ে যায়। অন্যদিকে, গ্যাসের সংকোচন বা বাষ্পের ঘনীভবন এবং জলের জমে যাওয়া প্রক্রিয়ায় অণুগুলি আরও সুশৃঙ্খল অবস্থায় চলে যায়, যা এন্ট্রপি হ্রাস করে। তাই, বরফ গলানো হল সেই প্রক্রিয়া যা এন্ট্রপি বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।
 
 এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি (Entropy) বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সংকুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

১০.
What is the primary physical principle that allows light to travel through an endoscope?
  1. Total internal reflection
  2. Refraction
  3. Polarization
  4. Diffraction
সঠিক উত্তর:
Total internal reflection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Total internal reflection
ব্যাখ্যা

• এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে আলো চলে যাওয়ার প্রধান শারীরিক নীতি হলো Total Internal Reflection বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। এন্ডোস্কোপের মধ্যে অনেক সরু ফাইবার অপটিক বা কাঁচের তন্তু থাকে, যা লাইট গাইড হিসেবে কাজ করে। যখন আলো ফাইবারের কাচের ভিতরের প্রান্তে নির্দিষ্ট কোণ থেকে আঘাত করে, তখন তা পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়ে ফাইবারের মধ্যে চলতে থাকে, বাইরে বের হয় না। এই প্রক্রিয়ায় আলো দীর্ঘ দূরত্ব পর্যন্ত কম ক্ষয়সহ পৌঁছাতে পারে। Refraction, polarization, বা diffraction এই ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে না; বরং পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নিশ্চিত করে এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে সঠিকভাবে ছবি বা আলো পৌঁছানো যায়।

- সঠিক উত্তর: ক) Total internal reflection.

এন্ডোসকপি (Endoscopy):
- মানুষের উপর কোনো অস্ত্রোপাচার না করে তার শরীরের ভেতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখার কাজে এন্ডোস্কপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি।
- এন্ডোসকপি সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয় যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
- এন্ডোসকপির মাধ্যমে চিকিৎসকগন শরীরের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পাকস্থলীতে যে কোনো ধরনের অস্বস্থিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন।
- পেটে ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালী, স্ত্রী প্রজননতন্ত্র প্রভৃতির সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এন্ডোসকপি ব্যবহার নির্ধারণ করেন। এছাড়া পেটের আলসার নির্ণয়ে এন্ডোসকপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্র সাধারণত একটি বাঁকানো টেলিস্কোপ। এই যন্ত্রের দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্যদিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়।
- আলোক তন্ত্রর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহব্বরে প্রবেশ করে।
- এই আলো ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে।
- প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে।
- ফলে চিকিৎসক পরীক্ষণীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে-তা দেখতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
If a transformer has 100 turns on the primary coil and 200 turns on the secondary coil, what type of transformer is it?
  1. Step-down transformer
  2. Step-up transformer
  3. Isolation transformer
  4. Auto-transformer
সঠিক উত্তর:
Step-up transformer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Step-up transformer
ব্যাখ্যা

• একটি ট্রান্সফরমারের কার্যকারিতা মূলত তার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়ের টার্নের অনুপাতে নির্ভর করে। এখানে প্রাইমারি কোলে ১০০ টার্ন এবং সেকেন্ডারি কোলে ২০০ টার্ন আছে। যেহেতু সেকেন্ডারি টার্ন প্রাইমারির চেয়ে বেশি, তাই এটি ভোল্টেজ বাড়ায়। ট্রান্সফরমারে যদি সেকেন্ডারি ভোল্টেজ প্রাইমারি ভোল্টেজের চেয়ে বেশি হয়, তখন তাকে “স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার” বলা হয়। অন্যদিকে, যদি সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কম হয়, সেটি “স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার” এবং শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক বিচ্ছিন্নতা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হলে সেটি “আইসোলেশন ট্রান্সফরমার”। এই উদাহরণে, ভোল্টেজ বৃদ্ধি ঘটছে, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Step-up transformer.

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়।
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। 
- যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
What is the primary function of a circuit breaker?
  1. To store electrical energy
  2. To convert AC to DC
  3. To increase current in a circuit
  4. To prevent overloads and short circuits
সঠিক উত্তর:
To prevent overloads and short circuits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To prevent overloads and short circuits
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) To prevent overloads and short circuits.

একটি সার্কিট ব্রেকারের মূল কাজ হলো বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সুরক্ষা প্রদান করা। এটি অতিরিক্ত বর্তমান বা শর্ট সার্কিটের সময় সার্কিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়, যাতে তার ফলে তার, যন্ত্রপাতি বা মানুষের ক্ষতি না হয়। সার্কিটে কোনো ত্রুটি বা অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হলে ব্রেকার তা শনাক্ত করে এবং তৎক্ষণাৎ সার্কিট বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ ত্রুটি ঠিক হওয়ার পর ব্রেকারকে আবার চালু করা যায়। তাই, সার্কিট ব্রেকারের প্রধান ফাংশন হলো সার্কিটের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা।
 
সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজ: 
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। 
- বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়। 
- হঠাৎ করে মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়। 
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। 
- ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়। 
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
Which particle accelerator was primarily used to detect the Higgs boson?
  1. Large Hadron Collider (LHC)
  2. SLAC Linear Collider
  3. RHIC
  4. Tevatron
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider (LHC)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider (LHC)
ব্যাখ্যা

• হিগস বোসন শনাক্ত করতে প্রধানত Large Hadron Collider (LHC) ব্যবহার করা হয়। LHC হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পার্টিকেল অ্যাকসেলেটর, যা সুইস-ফ্রান্স সীমান্তে অবস্থিত। এটি প্রোটন কণা একে অপরের সঙ্গে আলোকগত গতিতে সংঘর্ষ করায়, যা অত্যন্ত উচ্চ শক্তির অবস্থায় পার্টিকেল উৎপন্ন করে। এই সংঘর্ষ থেকে বিজ্ঞানীরা হিগস বোসনের মতো বিরল কণা পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হন। ২০১২ সালে LHC-এর ATLAS এবং CMS এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে হিগস বোসনের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়, যা স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস ছিল। অন্যান্য অ্যাকসেলেটর যেমন SLAC, RHIC বা Tevatron হিগস বোসনের সরাসরি আবিষ্কারের জন্য পর্যাপ্ত শক্তিশালী ছিল না।
 
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন।
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
If a spaceship moves close to the speed of light, its mass:
  1. Decreases
  2. Increases 
  3. Remains unchanged
  4. Becomes zero
সঠিক উত্তর:
Increases 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Increases 
ব্যাখ্যা

• যদি একটি মহাকাশযান প্রায় আলো গতির কাছাকাছি গতি অর্জন করে, তবে বিশেষ আপেক্ষিকতার সূত্র অনুযায়ী তার দ্রব্যর ভর (mass) বাড়ে। অর্থাৎ, গতি যত বেশি হয়, মহাকাশযানের ভর তত বেশি। এটি কারণ সময় এবং স্থান আপেক্ষিকভাবে পরিবর্তিত হয়, এবং যেহেতু ভর এবং শক্তি সম্পর্কযুক্ত, তাই দ্রুতগতির জন্য ভর বৃদ্ধি পায়। এই ভরবৃদ্ধি গতি আলোর সমান হলে অসীমের দিকে চলে যায়, তাই কোনো বস্তু আলোর গতি অর্জন করতে পারে না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) Increases.
 
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 

যথা -
প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

১৫.
Which of the following elements is a ferromagnetic material?
  1. Silver
  2. Aluminum
  3. Copper
  4. Iron 
সঠিক উত্তর:
Iron 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Iron 
ব্যাখ্যা

• ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ হলো সেই ধরনের পদার্থ যা চুম্বকের প্রভাবে শক্তভাবে চুম্বকীয় হয় এবং চুম্বকের কাছাকাছি গেলে তা চুম্বকের আকর্ষণ অনুভব করে। এর মধ্যে সাধারণত লোহা (Iron), নিকেল (Nickel), এবং কোবাল্ট (Cobalt) এর মতো ধাতু থাকে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে, লোহা (Iron) একমাত্র ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ। অন্যান্য ধাতু যেমন রূপা (Silver), অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum), এবং তামা (Copper) ফেরোম্যাগনেটিক নয়; এগুলো শুধুমাত্র দুর্বলভাবে চুম্বকের প্রভাবে প্রভাবিত হয়, যা প্যারাম্যাগনেটিক বা ডায়াম্যাগনেটিক আচরণ হিসেবে চিহ্নিত। তাই চুম্বকের সাথে শক্তভাবে আকৃষ্ট হওয়া পদার্থ হলো ঘ) লোহা (Iron)।
 
প্যারাচৌম্বকীয় পদার্থ (Paramagnetic elements): 
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, এদেরকে প্যারা চৌম্বক বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি। 
- প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। 
- এসব দ্বিপোল এক একটি স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করে। কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় তাপজনিত কম্পন বেশি হওয়ার ফলে এই দ্বিপোলগুলো এলোমেলোভাবে থাকে। ফলস্বরূপ পদার্থের কোন এক দিকে নীট চুম্বকায়ণ (magnedisation) থাকে না। 
- এ সকল পদার্থকে বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে দ্বিপোলসমূহ ক্ষেত্রের অভিমুখ বরাবর সজ্জিত হওয়ার চেষ্ঠা করে। কিন্তু তাপীয় উত্তেজনা এ সজ্জিতকরণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করে। 
- ফলে কিছু দ্বিপোল সজ্জিত হয় এবং ক্ষেত্রের দিকে কিছু চুম্বকায়ন ঘটায় অর্থাৎ নীট ফল হিসেবে পদার্থটি একটি চৌম্বক মোমেন্ট অর্জণ করে এবং এ চৌম্বক মোমেন্টের অভিমুখ প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে হয়। 

ফেরোচৌম্বকীয় পদার্থ (Ferromagnetism elements): 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয় এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 
- ফেরো চৌম্বক পদার্থের পরমাণু তথা অণুসমূহের প্রত্যেকের নীট চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। কিন্তু দ্বিপোলগুলো স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করে না। 
- এই দ্বিপোলগুলো বিভিন্ন ডোমেইন-এ বিভক্ত থাকে। ফলে, সমষ্টিগতভাবে নীট মোমেন্ট শূন্য হয়। 

ডায়াচৌম্বকীয় পদার্থ (Diamagnetism elements): 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয় এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি। 
- ডায়া চৌম্বক পদার্থের পরমাণুমূহের কোন স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট থাকে না। এসব পরমাণুতে ইলেকট্রনের কক্ষীয় ও স্পিন গতি থেকে চৌম্বক মোমেন্ট উৎপত্তি হয়। 
- একজোড়া ইলেককট্রনের মধ্যে একটির মোমেন্ট অন্যটির সমান ও বিপরীত হলে, এদের নীট মোমেন্ট শূন্য হবে। 
- যেহেতু ডায়াচৌম্বক পদার্থের পরমাণুতে এ রকম বহু সংখ্যক জোড়ার সমাহার সেহেতু পদার্থের পরমাণুতে কোনো দ্বিপোল থাকে না এবং কোন নীট মোমেন্টও থাকে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
Steel is stronger than pure iron mainly because of the addition of:
  1. Carbon
  2. Hydrogen
  3. Helium
  4. Nitrogen
সঠিক উত্তর:
Carbon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon
ব্যাখ্যা

• স্টিল (Steel) মূলত লোহা (Iron) এবং কার্বনের (Carbon) সংমিশ্রণ। স্টিলকে শক্তিশালী করে তোলার প্রধান কারণ হলো কার্বনের উপস্থিতি। লোহা সহজে নমনীয় এবং তুলনামূলকভাবে দুর্বল, কিন্তু কার্বন মিশ্রিত হলে এর ধাতব কাঠামোতে ছোট ছোট বাধা সৃষ্টি হয়, যা পরমাণু গঠনকে শক্তিশালী করে এবং লোহাকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কার্বন স্টিলের কঠোরতা, দৃঢ়তা এবং টেকসই গুণ বৃদ্ধি করে, যা নির্মাণ, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য শিল্পে স্টিলকে প্রয়োজনীয় করে তোলে। অন্য বিকল্প যেমন হাইড্রোজেন, হিলিয়াম বা নাইট্রোজেন স্টিলের শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুতরাং, স্টিলকে লোহার চেয়ে শক্তিশালী করে তুলার মূল উপাদান হলো কার্বন।

- উত্তর: ক) Carbon.
 
সংকর ধাতু: 
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং এক বা একাধিক থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
যেমন- 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। 
যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 
- কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে ৯০%, টিন থাকে ১০%, এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে ৬৫% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে ৩৫%, এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিলে প্রধান ধাতু লোহা থাকে ৯৯% এবং অপ্রধান অধাতু কার্বন থাকে ১%, এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
Which of the following acids is secreted by parietal cells in the stomach lining?
  1. Citric acid
  2. Benzoic acid
  3. Hydrochloric acid
  4. Acetic acid
সঠিক উত্তর:
Hydrochloric acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydrochloric acid
ব্যাখ্যা

• প্যারিয়েটাল সেল হলো পেটের লাইনিংয়ে থাকা বিশেষ ধরনের কোষ, যা হজম প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কোষগুলি প্রধানত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (Hydrochloric acid) উৎপাদন করে, যা খাবারকে ভেঙে দিতে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের উপস্থিতি পেটের পিএইচকে অনেক কমিয়ে আনে, ফলে পেপসিন নামের এঞ্জাইম সক্রিয় হয় এবং প্রোটিন হজম হয়। অন্যান্য বিকল্প যেমন সিট্রিক অ্যাসিড, বেনজোইক অ্যাসিড বা অ্যাসেটিক অ্যাসিড পেটের প্যারিয়েটাল সেল থেকে সেক্রেট হয় না। সুতরাং, প্যারিয়েটাল সেল দ্বারা নিঃসৃত হওয়া অ্যাসিড হলো Hydrochloric acid (গ)।
 
• হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ভূমিকা:
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি শক্তিশালী অ্যাসিড।
- এটি পাকস্থলীর ভেতরে একটি অত্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে (pH 1.5 - 3.5), যা খাবার হজমের জন্য অপরিহার্য।
- এই অম্লীয় পরিবেশের কারণে পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তরিত হয়, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
- এটি খাবারের সাথে আসা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও সহায়তা করে।
- হাইড্রোক্লোরিক এসিডের অম্লীয় পরিবেশ খাবারের জটিল উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলে, যা পরবর্তীতে ক্ষুদ্রান্তে শোষিত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
- নাইট্রিক এসিড ও  সালফিউরিক এসিড: এই দুটি অ্যাসিড অত্যন্ত শক্তিশালী খনিজ অ্যাসিড, যা মানবদেহের পাকস্থলীতে পরিপাকের জন্য উৎপন্ন হয় না।
- ল্যাকটিক এসিড: এটি শরীরের পেশীতে বা দুগ্ধজাত দ্রব্যে তৈরি হয়। এটি পাকস্থলীর পরিপাক রসের প্রধান অ্যাসিড নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
What is the primary component of Compressed Natural Gas (CNG)?
  1. Methane 
  2. Butane
  3. Ethanol
  4. Propane
সঠিক উত্তর:
Methane 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Methane 
ব্যাখ্যা

• Compressed Natural Gas (CNG) প্রধানত একটি গ্যাসীয় জ্বালানি যা পরিবেশ বান্ধব এবং তেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর প্রধান উপাদান হলো Methane (CH4)। Methane হালকা, দাহ্য এবং প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস আকারে পাওয়া যায়, যা অন্যান্য হাইড্রোকার্বনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম দূষণ উৎপন্ন করে। CNG-এর মধ্যে Methane-এর উচ্চ অংশ থাকায় এটি সহজে দহনযোগ্য এবং শক্তিশালী জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। Butane, Ethanol বা Propane-এর তুলনায় Methane বেশি নিরাপদ, কম CO2 নির্গমন করে এবং পরিবহন ও গৃহস্থালিতে ব্যবহারযোগ্য। তাই CNG-এর কার্যকারিতা ও পরিবেশগত সুবিধার মূল ভিত্তি Methane.

- সঠিক উত্তর: ক) Methane.

• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
Hydrogen has three common isotopes. What are they collectively called?
  1. Isoelectronic species
  2. Allotropes
  3. Isobars
  4. Isotopes
সঠিক উত্তর:
Isotopes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Isotopes
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোজেনের তিনটি সাধারণ সমইসোটোপ আছে, যা হলো প্রটিয়াম (1H), ডিউটেরিয়াম (2H বা D), এবং ট্রিটিয়াম (3H বা T)। এই সমস্ত সমইসোটোপের নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন থাকে, তাই এগুলো সব হাইড্রোজেন, কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন: প্রটিয়ামে কোনো নিউট্রন নেই, ডিউটেরিয়ামে একটি নিউট্রন আছে, এবং ট্রিটিয়ামে দুটি নিউট্রন আছে। যেহেতু কোনো উপাদানের সমইসোটোপের প্রোটনের সংখ্যা একই থাকে কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা আলাদা, তাই এদের রসায়নিক বৈশিষ্ট্য প্রায় একই থাকে, তবে ভৌত বৈশিষ্ট্যে যেমন ভর কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। এই হাইড্রোজেনের ভেরিয়েন্টগুলোকে সমইসোটোপ (Isotopes) বলা হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Isotopes.
 
আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।

আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
What does pH measure?
  1. Concentration of hydroxide ions
  2. Concentration of neutrons
  3. Concentration of electrons
  4. Concentration of hydrogen ions
সঠিক উত্তর:
Concentration of hydrogen ions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Concentration of hydrogen ions
ব্যাখ্যা

• pH হলো একটি রাশিমূলক স্কেল যা কোন দ্রাবণের হাইড্রোজেন আয়নের (H+) ঘনত্ব মাপতে ব্যবহৃত হয়। এটি নির্দেশ করে যে দ্রাবণটি অম্লীয়, ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ। pH মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত থাকে। pH মান কম হলে দ্রাবণটি অম্লীয় (অধিক H+ আয়ন থাকে), আর pH মান বেশি হলে তা ক্ষারীয় (অধিক OH- আয়ন থাকে)। উদাহরণস্বরূপ, বিশুদ্ধ জলের pH হলো ৭, যা নিরপেক্ষ। তাই pH আসলে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বকে মাপার একটি সূচক, এবং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Concentration of hydrogen ions.
 
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
What component of a nuclear reactor slows down fast neutrons?
  1. Control rods
  2. Moderator
  3. Fuel rods
  4. Coolant
সঠিক উত্তর:
Moderator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Moderator
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরে ফাস্ট নিউট্রনকে ধীর করার জন্য যে উপাদান ব্যবহৃত হয় তাকে মডারেটর (Moderator) বলা হয়। নিউক্লিয়ার ফিশন ঘটাতে প্রায়শই ধীর বা থার্মাল নিউট্রনের প্রয়োজন হয়, কারণ এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ এবং ফিউশন চেইন রিয়েকশন স্থিতিশীল হয়। ফাস্ট নিউট্রন খুব দ্রুত গতিতে চলে, তাই সেগুলো সরাসরি ফিসন ঘটাতে খুব কার্যকর নয়। মডারেটর নিউট্রনকে ধীরে ধীরে ধাক্কা খাওয়ানোর মাধ্যমে গতি কমায়। সাধারণত হালকা উপাদান যেমন পানি, ভার্জিনিয়ান গ্রাফাইট বা হেভি ওয়াটার মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম নিশ্চিত করে।

- সঠিক উত্তর: খ) Moderator.

• অপশন আলোচনা:
ক) Control rods - ক্যাডমিয়াম বা বোরনের মতো পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- এগুলো অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে পারমাণবিক বিক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।

খ) Moderator - গ্রাফাইট বা ভারী জল দিয়ে তৈরি হয়।
- এগুলো দ্রুত নিউট্রনকে ধীর করে বিভাজন বিক্রিয়াকে কার্যকর করে।

গ) Fuel rods - ইউরেনিয়াম-২৩৫ বা প্লুটোনিয়াম-২৩৯ ধারণ করে।
-  এই রডেই নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ঘটে এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।

ঘ) Coolant - জল, তরল সোডিয়াম বা গ্যাস হতে পারে।
- এটি রিঅ্যাক্টর থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে নিয়ে যায় ও অতিরিক্ত উত্তাপ রোধ করে।
 
• পারমাণবিক চুল্লি: 
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়‍্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।

২২.
Which sulfate salt is one of the components of potash alum?
  1. Potassium sulfate
  2. Copper sulfate
  3. Calcium sulfate
  4. Sodium sulfate
সঠিক উত্তর:
Potassium sulfate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Potassium sulfate
ব্যাখ্যা

• Potash alum হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌগ, যা রাসায়নিকভাবে Potassium aluminum sulfate [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O]  হিসেবে পরিচিত। এটি সাধারণত পানির বিশুদ্ধকরণ, প্রসাধনী, খাদ্য সংরক্ষণ ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। পটাশ অ্যালামের গঠনগত উপাদানগুলির মধ্যে একটি হলো সালফেট আয়ন (SO42⁻)। অপশনগুলোর মধ্যে, পটাশ অ্যালামের অন্যতম সালফেট লবণ হলো Potassium sulfate (K2SO4)। Copper sulfate, Calcium sulfate, বা Sodium sulfate পটাশ অ্যালামের অংশ নয়। সুতরাং, পটাশ অ্যালামের সালফেট উপাদান হিসেবে সঠিক উত্তর হলো ক) Potassium sulfate.

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

- বিভিন্ন কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এটি জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
• কোথাও কেটে গেলে, ছিঁড়ে গেলে সেখানে পানিতে ভিজানো ফিটকিরি ঘষে দেওয়া হয়। 
• ফিটকিরি কঠিন অবস্থায় থাকে বলে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে নিতে হয় অথবা পানিতে দ্রবীভূত করে তা ক্ষতস্থানে লাগানো হয়। 
• খাবার পানি বিশুদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার জন্য এর সাথে পরিমাণমত ফিটকিরি ব্যবহারের ঘণ্টাখানেক আগে দিয়ে রাখা হয়। 
• ফিটকিরি গলে গেলে পানি ছেঁকে নেয়া হয়। 
• অনেকে দাড়ি কাটার পর এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরি ব্যবহার করেন। 
• এটি আফটার সেভ লোশান হিসেবে কাজ করে। 
• ফিটকিরি রক্তক্ষরণও বন্ধ করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
The main raw material in soap reacts with an alkali to form soap. What is this process called?
  1. Neutralization
  2. Oxidation
  3. Fermentation
  4. Saponification
সঠিক উত্তর:
Saponification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Saponification
ব্যাখ্যা

• সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল সাধারণত একটি তেল বা চর্বি। যখন এই তেল বা চর্বি একটি ক্ষার (যেমন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড) এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে, তখন তেল বা চর্বির ট্রাইগ্লিসারাইড অণুগুলি ভাঙে এবং গ্লিসারিন ও সাবান তৈরি হয়। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে স্যাপোনিফিকেশন (Saponification) বলা হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের অ্যালকালি-চর্বি বিক্রিয়া যা সরাসরি তেলের সাথে ক্ষারের মিশ্রণে সাবান উৎপন্ন করে। সুতরাং, সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় মূল কাঁচামাল এবং অ্যালকালি একত্রিত হয়ে নতুন যৌগ- সাবান গঠন করে, যা পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Saponification.

সাবান: 
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
 - কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট ব্যবহার করা হয়। 
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম। 
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি। 
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়। 
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়। 

উৎস: রসায়ন ও বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৪.
Which of the following is the largest exocrine gland in humans?
  1. Pancreas
  2. Liver
  3. Sweat glands
  4. Salivary glands
সঠিক উত্তর:
Liver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Liver
ব্যাখ্যা

• মানুষের শরীরে সবচেয়ে বড় এক্সোক্রাইন (বহিঃক্ষরা) গ্রন্থি হলো লিভার (Liver)। এক্সোক্রাইন গ্রন্থি এমন গ্রন্থি যা রস বা সেক্রেশন বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ নালীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে প্রকাশ করে। লিভার শুধুমাত্র রক্তে পুষ্টি সরবরাহ করে না, বরং এটি পিত্ত (Bile) তৈরি করে যেটি খাদ্য পরিপাকের জন্য আন্ত্রে প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে, প্যানক্রিয়াসও এক্সোক্রাইন কাজ করে কিন্তু লিভারের তুলনায় ছোট। ঘাম ও লালা গ্রন্থিগুলিও এক্সোক্রাইন, কিন্তু এগুলি আকারে অনেক ছোট। তাই আকার, কার্যকারিতা এবং মানবদেহে প্রভাব বিবেচনা করলে লিভার সবচেয়ে বড় এক্সোক্রাইন গ্রন্থি।

- সঠিক উত্তর: খ) Liver.
 
যকৃত: 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। 
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ। 
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে। 
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে। 
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
What is dialysis primarily used for in the human body?
  1. Removing wastes from blood
  2. Carrying oxygen
  3. Producing hormones
  4. Digesting food
সঠিক উত্তর:
Removing wastes from blood
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Removing wastes from blood
ব্যাখ্যা

• ডায়ালিসিস মূলত রক্ত থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণের জন্য ব্যবহার করা হয়। যখন কিডনি যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না, তখন শরীরের ভেতরে বিষাক্ত পদার্থ যেমন ইউরিয়া এবং ক্রিয়েটিনিন জমা হতে পারে, যা স্বাভাবিকভাবে কিডনি দ্বারা বের হয়। এই অবস্থায় ডায়ালিসিস একটি কৃত্রিম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্ত পরিষ্কার করে, অতিরিক্ত জল ও লবণ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং শরীরের তরল ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি কেবল বর্জ্য অপসারণের কাজ করে; অক্সিজেন পরিবহন, হরমোন উৎপাদন বা খাবার হজমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই ডায়ালিসিসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রক্ত থেকে বর্জ্য দূর করা।

- সঠিক উত্তর: ক) Removing wastes from blood.

• বৃক্ক: 
- মানবদেহের উদরগহ্বরের পেছনের অংশে, মেরুদণ্ডের দুদিকে বক্ষপিঞ্জরের নিচে পিঠ-সংলগ্ন অবস্থায় দুটি বৃক্ক অবস্থান করে।
- প্রতিটি বৃক্ক দেখতে শিমবীজের মতো এবং এর রং লালচে হয়।
- বৃক্কের বাইরের পার্শ্ব উত্তল এবং ভিতরের পার্শ্ব অবতল হয়। অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাস বা হাইলাম বলে। হাইলামের ভিতর থেকে ইউরেটার এবং রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনি বৃক্কে প্রবেশ করে। দুটি বৃক্ক থেকে দুটি ইউরেটার বের হয়ে মূত্রাশয়ে প্রবেশ করে। ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশকে রেনাল পেলভিস বলে।
- বৃক্ক সম্পূর্ণরূপে এক ধরনের তনুময় আবরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে, একে রেনাল ক্যাপসুল বলে।
- ক্যাপসুল-সংলগ্ন অংশকে কর্টেক্স এবং ভেতরের অংশকে মেডুলা বলে। উভয় অঞ্চলই যোজক কলা এবং রক্তবাহী নালি দিয়ে গঠিত। - মেডুলায় সাধারণত ৮-১২ টি রেনাল পিরামিড থাকে। এদের অগ্রভাগকে রেনাল প্যাপিলা বলে। এসব প্যাপিলা সরাসরি পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।
- প্রতিটি বৃক্কে বিশেষ এক ধরনের নালিকা থাকে, যাকে ইউরিনিফেরাস নালিকা বলে। প্রতিটি ইউরিনিফেরাস নালিকা নেফ্রন এবং সংগ্রাহক বা সংগ্রাহী নালিকা (Collecting tubule)-এই দু'টি প্রধান অংশে বিভক্ত। নেফ্রন মূত্র তৈরি করে আর সংগ্রাহী নালিকা রেনাল পেলভিসে মূত্র বহন করে।
- বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একক হলো নেফ্রন। প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ নেফ্রন থাকে।

• বৃক্ক বিকল:
- নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিতে পাথর ইত্যাদি কারণে কিডনি ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যায়। আকস্মিক কিডনি অকেজো বা বিকল হওয়ার কারণগুলো হলো কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি।
- কিডনি বিকল হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যাবে। রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পাবে। তখন রক্তের বর্জ্য দ্রব্যাদি অপসারণের জন্য নির্দিষ্ট সময় পর পর রোগীকে ডায়ালাইসিস করা হয়।

• ডায়ালাইসিস:
- বৃক্ক সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস।
- সাধারণত 'ডায়ালাইসিস মেশিনের' সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়। এ মেশিনের ডায়ালাইসিস টিউবটির এক প্রান্ত রোগীর হাতের কব্জির ধমনির সাথে এবং অন্য প্রান্ত ঐ হাতের কব্জির শিরার সাথে সংযোজন করা হয়। ধমনি থেকে রক্ত ডায়ালাইসিস টিউবের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়। এর প্রাচীর আংশিক বৈষম্যভেদ্য হওয়ায় ইউরিয়া, ইউরিক এসিড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে। পরিশোধিত রক্ত রোগীর দেহের শিরার মধ্য দিয়ে দেহের ভেতর পুনরায় প্রবেশ করে।
- ডায়ালাইসিস টিউবটি এমন একটি তরলের মধ্যে ডুবানো থাকে, যার গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এভাবে ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহায্যে নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ (ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ) বাইরে নিষ্কাশিত হয়। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।

• প্রতিস্থাপন:
- যখন কোনো ব্যক্তির কিডনি বিকল বা অকেজো হয়ে পড়ে তখন কোনো সুস্থ ব্যক্তির কিডনি তার দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। এই প্রক্রিয়াকে কিডনি সংযোজন বলে। 
- কিডনি সংযোজন দুভাবে করা যায়: কোনো নিকট আত্মীয়ের কিডনি অথবা কোনো মৃত ব্যক্তির কিডনি রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

২৬.
Humans normally have how many chromosomes in each somatic cell?
  1. 44
  2. 22
  3. 46
  4. 23
সঠিক উত্তর:
46
উত্তর
সঠিক উত্তর:
46
ব্যাখ্যা

• মানুষের প্রতিটি সোমাটিক কোষে সাধারণত ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে, যা ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম নিয়ে গঠিত। এই ক্রোমোসোমগুলোর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোসোম, যা শরীরের সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে, এবং ১ জোড়া হলো লিঙ্গ ক্রোমোসোম, যা ব্যক্তির লিঙ্গ নির্ধারণ করে। পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ ক্রোমোসোমগুলো X এবং Y, আর মহিলাদের ক্ষেত্রে দুটি X ক্রোমোসোম থাকে। এই সংখ্যা প্রতিটি সোমাটিক কোষে একই থাকে এবং মানুষের জিনেটিক স্থায়িত্ব ও পরিচয় নিশ্চিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) 46.
 
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Waldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া বা ২ টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
Which blood group can donate blood to any other blood group?
  1. A
  2. B
  3. AB
  4. O
সঠিক উত্তর:
O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O
ব্যাখ্যা

• রক্তদানে, বিভিন্ন রক্তের গ্রুপের মধ্যে সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ “O” রক্তধারীদের জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কারণ তাদের রক্তে A বা B অ্যান্টিজেন থাকে না, তাই তাদের রক্ত যেকোনো গ্রুপের মানুষের শরীরে দেওয়া যায়। অন্যদিকে, A, B, বা AB গ্রুপের রক্ত সব ধরনের শরীরে উপযুক্ত নয়, কারণ তাদের রক্তে বিশেষ অ্যান্টিজেন থাকে যা গ্রহণকারীর শরীর প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তাই, O গ্রুপের রক্তকে “Universal Donor” বা সর্বজনীন রক্তদাতা বলা হয়। জরুরি অবস্থায় এবং রক্ত অভাবে, O গ্রুপের রক্ত প্রায় সব রোগীর জন্য নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যায়।

- উত্তর: ঘ) O.

রক্তের গ্রুপ: 
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে। 
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়। 
যেমন- 
• গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। 
• গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে। 

• O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)। 
• AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮.
A person suffering from night blindness may have a deficiency in:
  1. Vitamin B6
  2. Vitamin E
  3. Vitamin B12
  4. Vitamin A
সঠিক উত্তর:
Vitamin A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin A
ব্যাখ্যা

• Night blindness বা রাতের অন্ধত্ব মূলত চোখের রেটিনায় আলো স্বীকার করার ক্ষমতার সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত Vitamin A এর ঘাটতির কারণে হয়। ভিটামিন এ রেটিনাল উৎপাদনে সাহায্য করে, যা রড সেলগুলির জন্য অত্যাবশ্যক। রড সেল চোখকে কম আলোতে দেখার ক্ষমতা দেয়। ভিটামিন B6, B12 বা E-এর ঘাটতি সাধারণত রাতের দেখার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না, যদিও তারা অন্যান্য শারীরিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, রাতের অন্ধত্বে ভিটামিন A-এর ঘাটতি সবচেয়ে প্রচলিত এবং নির্ধারক কারণ। ভিটামিন A সমৃদ্ধ খাবার যেমন গাজর, কুমড়ো, পালং শাক, ডিম ও দুধ এই সমস্যার প্রতিরোধে সহায়ক।

- উত্তর: ঘ) Vitamin A.

রাতকানা (Night Blindness) রোগ: 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia) নামক রোগ অর্থাৎ এই রোগের সর্বনিম্ন মাত্রা রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাব পূরণ না হলে রোগটির মাত্রা ও তীব্রতা বাড়তে থাকে। জেরোফথ্যালমিয়ার সাত থেকে আটটি মাত্রা রয়েছে, যার সর্বনিম্ন মাত্রা হচ্ছে রাতকানা। 
- সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। 
- এতে চোখের সংবেদী 'রড' কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, স্বল্প আলোতে ভালো দেখতে পায় না, চোখে সবকিছু ঝাপসা দেখা যায়। রোগটা বেড়ে গেলে কর্নিয়া ঘোলাটে হয়ে যায়। 
- রাতকানা দশা থেকে শুরু করে চতুর্থ বা পঞ্চম মাত্রার জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ'-সহ কিছু ওষুধ প্রয়োগে ভালো হয়, কিন্তু রোগ চূড়ান্ত মাত্রায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছে গেলে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার ছাড়া আর তেমন কিছু করার থাকে না। 
- এই রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন: মাছের যকৃতের তেল, কলিজা, সবুজ শাকসবজি, রঙিন ফল (পাকা আম, কলা ইত্যাদি) ও সবজি (মিষ্টি কুমড়া, গাজর ইত্যাদি) এবং মলা-ঢেলা মাছ খাওয়া উচিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯.
Transpiration primarily helps in:
  1. Gas exchange only
  2. Water absorption and cooling of plant
  3. Seed dispersal
  4. Food production
সঠিক উত্তর:
Water absorption and cooling of plant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Water absorption and cooling of plant
ব্যাখ্যা

• Transpiration (প্রস্বেদন) হলো উদ্ভিদের পাতা এবং অন্যান্য অংশ থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে বায়ুমণ্ডলে নির্গমন হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি শুধু পানি অপসারণ নয়, বরং উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করে। মূলত, এটি মাটির থেকে জল এবং খনিজ লবণ শিকড়ের মাধ্যমে শোষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, পানি বাষ্পীভবনের কারণে পাতার পৃষ্ঠে তাপমাত্রা কমে, ফলে উদ্ভিদ শীতল থাকে। অর্থাৎ, Transpiration উদ্ভিদকে পানি শোষণ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অন্য কোনো কাজ যেমন বীজ বিস্তার বা খাদ্য উৎপাদনে এর সরাসরি ভূমিকা নেই। তাই Transpiration প্রধানত “Water absorption and cooling of plant” এ সহায়ক।

• প্রস্বেদন:
- যে শারীরতাত্ত্বিক (physiological) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।

• বায়ুমণ্ডলে উন্মুক্ত উদ্ভিদের যে কোনো অংশে প্রস্বেদন সংঘটিত হয়।
- পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ।
- গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। এটি উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। 

• প্রস্বেদন হওয়ার স্থানের উপর ভিত্তি করে প্রস্বেদন ৩ প্রকার।
যথা:
→ পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় স্টোমাটা বা পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ৯৫-৯৮ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

→ ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় পত্রত্বকের কিউটিকলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ২-৫ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

→ লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় কাণ্ডের লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে।
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা প্রায় ১ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৩০.
What is Rhizobium?
  1. A nitrogen-fixing bacterium
  2. A photosynthetic algae
  3. A parasitic protozoan
  4. A type of fungus
সঠিক উত্তর:
A nitrogen-fixing bacterium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A nitrogen-fixing bacterium
ব্যাখ্যা

• Rhizobium হলো একটি নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া যা মূলত মাটির মধ্যে পাওয়া যায় এবং Leguminous উদ্ভিদের মূলগহ্বরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি উদ্ভিদের মূলের nodules এ বাস করে এবং বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনকে এমন একটি আকারে রূপান্তর করে যা উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন বলা হয়, যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। Rhizobium উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সহায়ক সম্পর্ক তৈরি করে, যেখানে উদ্ভিদ ব্যাকটেরিয়াকে খাদ্য সরবরাহ করে এবং ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন দেয়। তাই এটি কৃষি ও মাটির উর্বরতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: ক) A nitrogen-fixing bacterium.
 
রাইজোবিয়াম: 
- রাইজোবিয়াম এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 
- এই ব্যাকটেরিয়া শিম ও ডাল জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে বায়ু থেকে নাইট্রোজেন গ্রহন করে শিকড়ে গুটি তৈরি করে। 
- এ ব্যাকটেরিয়া বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করে নিজের প্রয়োজন মিটায় এবং উদ্ভিদে সরবরাহ করে। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদ যেমন- মুগ, মসুর, ছোলা, মটর, সয়াবিন, চিনাবাদাম, ধইঞ্চা ইত্যাদি ফসলে ব্যাকটেরিয়া সার ব্যবহার করে উত্তম ফসল পাওয়া যায়। 
- নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী রাইজেবিয়াম অণুজীব সার ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।