পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬২
সিলেবাস
Exam - 40 Full Model Test-7 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৬২ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ খরচ কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. বিশ হাজার টাকা
  2. ত্রিশ হাজার টাকা
  3. পঞ্চাশ হাজার টাকা
  4. এক লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫A ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XV এর Rule-1 অনুযায়ী, আদালত যদি দেখে যে পক্ষগুলির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, তাহলে তিনি কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. পক্ষগুলিকে শাস্তি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫ বিধি-১ অনুযায়ী যদি প্রথম শুনানিতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে কোনো আইনগত বা তথ্যগত বিরোধ নেই, তাহলে আদালত দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রায় ঘোষণা করতে পারে। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিচার প্রক্রিয়ার সময় নষ্ট রোধ করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিবাদীদের পৃথক দাবি
  2. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি ১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক—
১. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই, ব্যয় ব্যতীত,
২. বিবাদীগণ পৃথকভাবে দাবি করছেন, এবং
৩. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল অগ্রাহ্য করে, তবে তাকে কী করতে হবে?
  1. দলিলটি ফেরত দিতে হবে
  2. দলিলটি ধ্বংস করতে হবে
  3. অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
  4. দলিল গ্রহণের জন্য পক্ষগণের অনুমতি নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে সে দলিল অগ্রাহ্য করতে পারে; তবে এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ডপূর্বক উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংশোধিত Order-V, Rule-9 অনুযায়ী, এখন কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে?
  1. Voice Calls
  2. Short Message Service
  3. Instant Messaging Services
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো। 
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ কত দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে?
  1. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারে। এর ফলে তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান হয় এবং মামলা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।

- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।
প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুসারে মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত কখন রায় ঘোষণা করবে?
  1. শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
  2. শুনানির পরপরই বা ১৪ দিনের মধ্যে
  3. শুনানির পরপরই বা ২১ দিনের মধ্যে
  4. শুনানির পরপরই বা ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুযায়ী, আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা ৭ দিনের মধ্যে পক্ষ অথবা তাদের উকিলদের যথাযথ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১- মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-20 Rule-1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির _____ এর মাঝে রিসিভারের দায়িত্ব (Duties of Receiver) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
  1. আদেশ-৪০, বিধি-২
  2. আদেশ-৪০, বিধি-৩
  3. আদেশ-৩২, বিধি-৭
  4. আদেশ-২৬, বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-৩ এ রিসিভারের দায়িত্বসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এতে বলা হয়েছে যে, রিসিভারকে সম্পত্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালত নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে, আদালতের নির্ধারিত সময় ও ফরম্যাটে হিসাব দাখিল করতে হবে, আদালতের নির্দেশমতো অর্থ পরিশোধ করতে হবে এবং ইচ্ছাকৃত ত্রুটি বা গুরুতর অবহেলার কারণে সম্পত্তির যেকোনো ক্ষতির জন্য দায়ী হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-৩. রিসিভারের দায়িত্ব:
নিয়োগকৃত প্রতিটি রিসিভারকে—
(ক) সম্পত্তি বাবদ যা কিছু গ্রহণ করবে তার যথাযথ হিসাব প্রদানের জন্য আদালত যেরূপ নিরাপত্তা (যদি প্রয়োজন হয়) নির্ধারণ করে তা প্রদান করতে হবে;
(খ) আদালত যে সময় ও ফরম্যাট নির্ধারণ করবে সেই অনুযায়ী হিসাব দাখিল করতে হবে;
(গ) আদালত যে পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে বলবে তা প্রদান করতে হবে; এবং
(ঘ) তার ইচ্ছাকৃত ত্রুটি বা গুরুতর অবহেলার কারণে সম্পত্তির যেকোনো ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order XL, Rule-3. Duties of Receiver:
Every receiver so appointed shall—
(a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
(b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
(c) pay the amount due from him as the Court directs; and
(d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
  3. নেক্সট ফ্রেন্ডকে অধিক ক্ষমতা দেওয়া
  4. নাবালকের বিরুদ্ধে মামলা করা সহজ করা
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ৩২, বিধি ৭ অনুযায়ী, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের স্পষ্ট ও লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো চুক্তি বা আপসে যেতে পারবেন না। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো নাবালক নিজে সম্পূর্ণ বুদ্ধিমান ও প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় সে তার স্বার্থ বুঝে নিজের পক্ষে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাই, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারীর আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও অনুমতি নিশ্চিত করা, যেন নাবালকের স্বার্থে অনাকাঙ্ক্ষিত বা ক্ষতিকর চুক্তি বা আপস না হয়।
- এর মাধ্যমে নাবালকের সম্পত্তি বা অধিকার রক্ষা পায় এবং তাকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া হয়।
সুতরাং, আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর মূল লক্ষ্য হল নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।
২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.
2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-26, Rule-17(1) অনুসারে কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের জন্য কোন বিষয়গুলো প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ এবং দলিল উপস্থাপন
  2. সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ
  3. কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ, দলিল উপস্থাপন, সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান এবং সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে এবং কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দি প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গণ্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুঁজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসংগত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-26, Rule-17. Attendance and Examination of Witnesses before Commissioner:
(1) The provisions of this Code relating to the summoning, attendance and examination of witnesses, and to the remuneration of, and penalties to be imposed upon, witnesses, shall apply to persons required to give evidence or to produce documents under this order whether the commission in execution of which they are so required has been issued by a Court situate within or by a Court situate beyond the limits of Bangladesh, and for the purposes of this rule the commissioner shall be deemed to be a Civil Court.
(2) A Commissioner may apply to any Court (not being the High Court Division) within the local limits of whose jurisdiction a witness resides for the issue of any process which he may find it necessary to issue to or against such witness, and such Court may, in its discretion, issue such process as it considers reasonable and proper.
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদনের জন্য কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার খারিজ আদেশ দ্রুত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করা যায়। এই আবেদন করতে হলে বাদীকে আদালতে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
এই খরচের বিধান থাকার উদ্দেশ্য হলো আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত আবেদনের সংখ্যা সীমিত রাখা। এছাড়া, এতে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায় এবং সময়ের অপচয় রোধ হয়।
অর্থাৎ, ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করেই সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করা সম্ভব।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule.-9A. Directly setting aside dismissal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the dismissal without requiring the plaintiff to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding one thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the dismissal under rule 8 shall not be set aside under this rule, unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the order of dismissal is made to the Court within thirty days of the date on which the order of dismissal is made:
Provided further that no dismissal shall be set aside more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside ex parte dismissal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the plaintiff upon the defendant who appeared in the suit.
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ তে কতটি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩০টি
  2. ২৫টি
  3. ২০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ হলো সেই বিধান যা আদালতের সেই সব আদেশের তালিকা দেয় যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যেতে পারে। এই আদেশগুলোকে সাধারণত “Appealable Orders” বলা হয়।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫টি ধরনের আপীলযোগ্য আদেশের উল্লেখ রয়েছে। 
এছাড়া, ধারা ১০৪ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এ একটি সামগ্রিক বিধান, যা বলে যে, এমন আদেশ যেগুলো মামলার বড় অংশ নিষ্পত্তি করে কিন্তু চূড়ান্ত রায় নয়, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। এর ফলে বিচারিক ক্ষেত্রে পক্ষগুলি দ্রুত ও সুবিচার পেতে পারেন, কারণ যেসব আদেশ মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রভাব ফেলে সেগুলোর বিরুদ্ধে আপীল করার সুযোগ থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩: আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
অন্যদিকে, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী কোন উপায়ে প্রতিকার প্রদান করা হয় না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
  3. সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে
  4. পক্ষসমূহের অধিকার ঘোষণা করার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫ ধারায় প্রতিকার প্রদানের ৫টি উপায় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মূলত দেওয়ানি স্বত্ব/দাবি রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মধ্যে সাজা দেওয়া অন্তর্ভুক্ত নয়। "মানহানি মামলায় সাজা" ফৌজদারি (criminal) আইনের বিষয়, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাধীন নয়।
অন্য অপশনগুলো যেমন: রিসিভার নিয়োগ, সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া, অধিকার ঘোষণা — সবই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন বৈধ প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা অনুসারে ট্রেডমার্ককে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. চুক্তি
  2. সেবা
  3. সম্পত্তি
  4. অধিকার
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে "এই ধারার উদ্দেশ্যে ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।"
অর্থাৎ, ট্রেডমার্ককে একটি আইনি সম্পত্তি (legal property) হিসেবে বিবেচনা করে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ক অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার জন্য চুক্তিটি কীভাবে হতে হবে?
  1. চুক্তিটি রেজিস্ট্রিকৃত
  2. লিখিত ও পক্ষগণ কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  3. লিখিত ও পক্ষগণের প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ক অনুযায়ী, লিজ চুক্তিটি অবশ্যই লিখিতভাবে হতে হবে এবং তা পক্ষগণ বা তাদের পক্ষে প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হলেও, চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত না হলেও, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে এটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
অতএব, "লিখিত ও স্বাক্ষরিত" হওয়া বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন নয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) 'খ' অথবা 'গ'।


⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) এর বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ অনুসারে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করানোর ক্ষমতা রাখে, তাহলে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ, আদালত পক্ষকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭, ধারা-২৩ অনুসারে, কে সাধারণত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে?
  1. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষ
  3. শুধুমাত্র চুক্তির প্রাথমিক পক্ষ
  4. শুধুমাত্র আদালতনির্ধারিত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, সাধারণভাবে চুক্তির যেকোনো পক্ষ (any party thereto) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারে।
- এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে প্রতিনিধিও চাইতে পারে, তবে মৌলিকভাবে যেকোনো পক্ষেরই এই অধিকার রয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ অনুযায়ী পুলিশ কতটি ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪(১) অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই মোট ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে:
৯টি ক্ষেত্র যেখানে পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে:
১) যদি কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable Offence) করে বা তাতে জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ থাকে।
২) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট আইনসংগত কারণ ছাড়া ঘরভাঙার সরঞ্জাম (Implement of House Breaking) পাওয়া যায়।
৩) যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার "Proclaimed Offender" হিসাবে ঘোষণা করে।
৪) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (Stolen Property) পাওয়া যায় বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে যুক্তিযুক্ত সন্দেহ হয়।
৫) যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনসংগত হেফাজত (Lawful Custody) থেকে পলায়ন করে বা পলায়নের চেষ্টা করে।
৬) যদি কোনো ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়নকারী (Deserter) হয়।
৭) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে এমন কোনো কাজ করে যা বাংলাদেশে অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে এবং যার জন্য তাকে বন্দি বা গ্রেফতার করা যেতে পারে।
৮) যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি (Released Convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারার অধীনে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯) যদি কোনো পুলিশ অফিসার অন্য কোনো পুলিশ অফিসারের অনুরোধে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে, তবে শর্ত থাকে যে অনুরোধে গ্রেফতারযোগ্য অপরাধের উল্লেখ থাকতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking;
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ;
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে, মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি রিপোর্ট দাখিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এ মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট যেভাবে ইনকোয়ারি করবেন তার ক্ষমতা এবং কার্যপ্রণালী বর্ণিত আছে, তবে সেখানে রিপোর্ট দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা কোন বিষয়ে বিশেষ বিধান প্রদান করে?
  1. হত্যার অপরাধ
  2. চুরির অপরাধ
  3. জালিয়াতির অপরাধ
  4. স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর সঙ্গে সংঘটিত যৌন সম্পর্ক সংক্রান্ত ধর্ষণের অভিযোগে বিশেষ বিধান প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী, সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট এ ধরনের অভিযোগ আমলে নিতে পারেন না এবং কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-ই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 561. Special provisions with respect to offence of rape by a husband:
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall– 
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or 
(b) send the man for trial for the offence. 
(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summary) খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪১৯ ধারা
  2. ৪২০ ধারা
  3. ৪২১ ধারা
  4. ৪২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তবে সে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summarily) খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯ এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে খারিজ করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আসামির গ্রেফতার
  2. জামিনদারের নিয়োগ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. মামলার বিচার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জামিনদারের অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদারের অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি জামিন বাতিল করে নিজেকে জামিনদার হিসেবে অব্যাহতি পেতে চান, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট তখন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে হাজির করতে বলেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। যদি আসামি নতুন জামিনদার দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কোথায় প্রেরণ করবে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. পুলিশ সুপারের কাছে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ সুপারের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগর হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য ক্ষেত্রে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে। তবে পুলিশ সুপারের কাছে এই নকল প্রেরণের বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে?
  1. ধারা ১৭৩(২খ)
  2. ধারা ১৭৩(৩ক)
  3. ধারা ১৭৩(৩খ)
  4. ধারা ১৭৩(১খ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৩(৩খ) অনুযায়ী, পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট (চার্জ শীট) দাখিল করার পরও অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) চালিয়ে গেলে যদি নতুন মৌখিক বা দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে পুলিশ সম্পূরক চার্জ শীট (Supplementary Charge Sheet) ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দাখিল করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।
-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতের চার্জ গঠনের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২৬৫ক ধারায়
  2. ২৬৫ঘ ধারায়
  3. ২৬৫ছ ধারায়
  4. ২৬৫চ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ তে দায়রা আদালতের চার্জ গঠনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যদি বিচার শুরুর আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য পর্যাপ্ত সন্দেহের ভিত্তি আছে, তাহলে সে লিখিত চার্জ গঠন করবে এবং তা অভিযুক্তকে পড়ে শোনানো ও ব্যাখ্যা করার পরে তার জবাব গ্রহণ করবে—সে দোষ স্বীকার করে কিনা বা বিচার চায় কিনা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ২৬৫ঘ: চার্জ গঠন করা:
(১) যদি উক্ত পর্যালোচনা এবং শুনানির পর আদালত এই মতামত ব্যক্ত করে যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করার যথেষ্ট কারণ আছে, তবে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত চার্জ গঠন করবে।
(২) যখন আদালত উপধারা (১) অনুযায়ী একটি চার্জ গঠন করে, তখন ওই চার্জটি অভিযুক্তকে পড়া এবং ব্যাখ্যা করা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে অভিযুক্ত অপরাধে দোষী কিনা, অথবা সে বিচার প্রার্থনা করে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

২৬.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ করবে। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান, স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান সম্পর্কেও এখানে নির্দেশনা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ এবং কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে;
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে;
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে;
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-
- দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় বিচার হলেও তা বাতিল না হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫২১
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ ফৌজদারি কার্যবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান যা বলে,  কোন তদন্ত, বিচার বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে, তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
২৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপর কারো ক্ষতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ক্ষতি ঘটানোর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যদি কাজটি সদাশয়ভাবে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়াই করা হয়, তবে তা অপরাধ নয়?
  1. ধারা-৭৯
  2. ধারা-৮০
  3. ধারা-৮১
  4. ধারা-৮২
সঠিক উত্তর:
ধারা-৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৮১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৮১ বলছে: যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধ বা রোধ করার উদ্দেশ্যে, সদাশয়ভাবে (good faith) ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়াই, এমন কোনো কাজ করে যার ফলে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে—তাহলেও সেটি অপরাধ হবে না, যদি ওই ক্ষতি প্রতিরোধ জরুরি ও তাৎক্ষণিক ছিল বলে প্রমাণিত হয়।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৮১: ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও অপর ক্ষতি প্রতিরোধে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত কাজ করলে তা অপরাধ নয়:
যদি কোনো কাজ এমন জেনে-বুঝেই করা হয় যে, তাতে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও সেই কাজটি কারো প্রতি ক্ষতি সাধনের অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত এবং সদাশয়ভাবে (good faith) করা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রতি অন্য একটি ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহারের উদ্দেশ্যে, তাহলে তা মাত্ৰ এই কারণে অপরাধ বলে গণ্য হবে না যে, সেটি ক্ষতির সম্ভাবনা রাখে।ঃ

ব্যাখ্যা: এই ধরনের ক্ষেত্রে, যেই ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহার করা হচ্ছিল, সেটি কতটা প্রকৃত ও তাৎক্ষণিক ছিল, এবং সেই কারণে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কাজটি করা যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ছিল কি না, তা বাস্তব প্রশ্ন (question of fact) হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 81: Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৩০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪
  2. ধারা-১০৭
  3. ধারা-১০৮
  4. ধারা-১২০
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০৭-এ "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) এর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কেউ অপরাধে প্ররোচনা দেয় যদি সে প্ররোচিত করে (Instigates), বা ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে, এবং তাতে কোনো বেআইনি কাজ সংঘটিত হয়, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (intentionally aids), কোনো কাজ করে বা বেআইনি অব্যাহতি দিয়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৩১.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুসারে, কোন কাজ অপরাধ নয় যদি তা করা হয়—
  1. পুলিশের নির্দেশে
  2. আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া
  3. ব্যক্তিগত শত্রুতার ভিত্তিতে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুযায়ী, কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না যদি তা আদালতের রায় বা আদেশ অনুসারে করা হয়, এবং আদেশটি বলবৎ থাকাকালীন সময়ে করা হয়, এমনকি আদালতের সেই আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার না থাকলেও, যদি কাজটি করা ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে (Good Faith) মনে করে যে আদালতের এখতিয়ার আছে।

⇒দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান- আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:
কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

⇒The Penal Code, 1860 Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
৩২.
‘ক’ একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। কারাগারে অবস্থানকালে সে এক নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে এবং গুরুতরভাবে আহত করে। এই পরিস্থিতিতে ‘ক’-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৪ক ধারা
  3. ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ বিশেষভাবে এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
• পরিস্থিতি বিশ্লেষণ:
→ 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি (Life Convict)
→ সে নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে (with intent to murder) আক্রমণ করেছে
→ এতে নিরাপত্তারক্ষী গুরুতরভাবে আহত হয়েছে (hurt is caused)

• ধারা ৩০৭-এর বিধান:
→ সাধারণ ক্ষেত্রে খুনের উদ্যোগ: সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা (প্রথম অংশ)
→ যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্যোগ ও আঘাত সৃষ্টি: মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান (দ্বিতীয় অংশ)

→ অর্থাৎ যেহেতু ঘটনায় একজন যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও আঘাতের ঘটনা রয়েছে, সেহেতু ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ প্রযোজ্য হবে যা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
→ Attempts by life-convicts:- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৩৩.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধর্ষণ
  2. ব্যভিচার
  3. নারী পাচার
  4. যৌন হয়রানি
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৪৯৭ ধারা "ব্যভিচার" (Adultery) সংক্রান্ত। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো পুরুষ অপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে,
→ তার স্বামীর সম্মতি বা সমর্থন ছাড়া যৌন সঙ্গম করে
→ এবং তা ধর্ষণের পর্যায়ে না পড়ে,
→ তবে এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি:৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- মেয়েটিকে (স্ত্রীকে) এই অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত করা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
- অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।
-------------
⇒The Penal Code, 1860, Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৩৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুসারে 'অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা' বলতে কী বোঝায়?
  1. সাধারণ মিথ্যা বলা
  2. অন্যের স্বাক্ষর জাল করা
  3. নিজের আসল পরিচয় গোপন করা
  4. অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুযায়ী, অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা মানে হলো—কোন ব্যক্তি নিজের আসল পরিচয় গোপন করে অন্য কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে বা অন্য কাউকে অন্য কারো পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা। এতে যে ব্যক্তি যার রূপ ধারণ করা হয়েছে, সে প্রকৃত ব্যক্তি হোক বা কাল্পনিক, তার সঙ্গে অপরাধটি সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, অন্য কারো নাম বা পরিচয়ে ভুয়া কথা বলার মাধ্যমে কারো বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণা করা এই ধারার আওতাভুক্ত।
এজন্য সাধারণ মিথ্যা বলা, নিজের পরিচয় গোপন করা বা স্বাক্ষর জাল করা আলাদা অপরাধ হলেও, ধারা ৪১৬ শুধু অন্য কারো রূপ ধারণ করে প্রতারণার জন্য প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation. -The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৩৫.
মারামারির জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. ১৬২ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা মারামারির (Affray) সংজ্ঞা দেয়, অর্থাৎ কখন মারামারি সংঘটিত হয়। এবং দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা মারামারির জন্য শাস্তির বিধান নির্ধারণ করে।
তাই মারামারির জন্য শাস্তি প্রদান করা হয় ধারা ১৬০ অনুযায়ী।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:

Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৩৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে 'চোরাই সম্পত্তি' বলতে কী বোঝায়?
  1. চুরির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  2. জোরপূর্বক আদায় মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. দস্যুতার মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে, নিম্নলিখিত উপায়ে প্রাপ্ত যেকোনো সম্পত্তিকে 'চোরাই সম্পত্তি' বলা হয়:
- চুরির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৭৮)।
- জোরপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৮৩)।
- দস্যুতার (Robbery) মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৯০)।
- অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি (Criminal Misappropriation)।
- বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি। 

→ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে, যে সম্পত্তি চুরি, জোরপূর্বক আদায়, বা দস্যুতার মাধ্যমে হস্তান্তরিত বা প্রাপ্ত হয়েছে, তা 'চোরাই সম্পত্তি' হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই উপরের সবগুলোই চোরাই সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৩৭.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. চুরি বা চোরাই মাল
  3. ক্ষতি বা অনিষ্ট
  4. শারীরিক আঘাত
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪২৫ ধারা "Mischief" বা "ক্ষতি বা অনিষ্ট" সংক্রান্ত। এটি এমন একটি অপরাধ যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে-বুঝে জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ধ্বংস করে বা পরিবর্তন ঘটায়, যার ফলে সম্পত্তির মূল্য, উপযোগিতা বা অবস্থা নষ্ট হয় বা হ্রাস পায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
- Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৩৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৬১
  2. ধারা-৩৫১
  3. ধারা-৩৫০
  4. ধারা-৩৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৫১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫১-এ আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি নেয়, যার ফলে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি ভয় পায় যে তাকে অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
৩৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ প্রযোজ্য হবে না?
  1. ৫ দিন ধরে আটক রাখা
  2. ১০ দিন ধরে আটক রাখা
  3. ১৫ দিন ধরে আটক রাখা
  4. ২০ দিন ধরে আটক রাখা
সঠিক উত্তর:
৫ দিন ধরে আটক রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ দিন ধরে আটক রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে দশ (১০) দিন বা তার বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে আটক রাখা হলে এই ধারা প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, ১০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে অবরোধ (অবৈধ আটক) করলে শাস্তি হবে।
তাই, ৫ দিন ধরে আটক রাখা হলে ধারা ৩৪৪ প্রযোজ্য হবে না, কারণ এটি ১০ দিনের কম সময়ের জন্য অবরোধ। ৫ দিনের জন্য ধরা (অবৈধ আটক) হলে ধারা ৩৪৩ বা ৩৪২ অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে, কিন্তু ৩৪৪ ধারা প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ ৫ দিন ধরে আটক রাখা: এটি ধারা ৩৪২ (সাধারণ অবৈধ অবরোধ) বা ধারা ৩৪৩ (৩ দিন বা তার বেশি) এর আওতায় পড়বে, ৩৪৪-এর নয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 344: Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৪০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২ কোন ধরনের মামলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. জমিজমা সংক্রান্ত মামলা
  3. তালাক সংক্রান্ত মামলা
  4. ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২ বলছে, যেসব দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেখানে যে কোনো তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হবে।
এটি শুধুমাত্র দেওয়ানি (civil) ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৪১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট কোন ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ধারা ১২৬
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ১৩২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধারার কোন কিছুই অ্যাডভোকেটকে ধারা ১২৬ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য প্রদান থেকে অব্যাহতি দেবে না। ধারা ১২৬-এ ক্লায়েন্ট ও অ্যাডভোকেটের মধ্যে গোপনীয় যোগাযোগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যাডভোকেটকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।

ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation:– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৪২.
'ক' পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় এমন তথ্য দেয় যার ভিত্তিতে চোরাই মাল উদ্ধার হয়। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী এই অংশ প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৭ অনুযায়ী, "পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে যদি এমন কিছু উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত, তবে সেই অংশ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।"
অর্থাৎ, আসামি 'ক' যদি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় এমন কোনো তথ্য দেয় যার ভিত্তিতে চোরাই মাল উদ্ধার হয় — তবে সেই তথ্য (বা তার প্রাসঙ্গিক অংশ) ধারা ২৭-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক ও প্রমাণযোগ্য বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৪৩.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে ধারা ৭৪-এর অধীনে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. সরকারের আদেশ
  3. বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হয় সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের কার্যাবলি বা রেকর্ড, সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলি, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কর্মকর্তাদের রেকর্ড, সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড।
- অন্যদিকে, বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র হলো দুই ব্যক্তির মধ্যে স্বেচ্ছায় সম্পাদিত একটি ব্যক্তিগত দলিল, এবং তা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না থাকলে এটি সরকারি দলিল নয়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৪৪.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর গঠন কয়টি ভাগ, অধ্যায় এবং ধারা নিয়ে গঠিত?
  1. ৩টি ভাগ, ১০টি অধ্যায়, ১৫০টি ধারা
  2. ৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
  3. ২টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৫টি ধারা
  4. ৪টি ভাগ, ১২টি অধ্যায়, ১৭০টি ধারা
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) গঠিত হয়েছে—
- ৩টি ভাগ (Parts)
- ১১টি অধ্যায় (Chapters)
- ১৬৭টি ধারা (Sections)
এই আইনটি একটি পদ্ধতিগত আইন এবং এটি ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের পূর্ব ইতিহাস ও গঠন:
১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ কোনো সাক্ষ্য আইন ছিল না।
১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামার একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন, তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়।
উৎপত্তি: Latin শব্দ Evidere বা Evidence থেকে এসেছে।
মূল উদ্দেশ্য: সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিষয় প্রমাণ করা।
আইনের ধরন: এটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)।
আইন প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
প্রণেতা: স্যার জেমস স্টিফেন (Fitz-James Stephen), যাকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
সংগঠন: ৩টি ভাগ (Part), ১১টি অধ্যায় (Chapter), ১৬৭টি ধারা (Section) আছে।
৪৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামতের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫ক
  2. ধারা ৬৫ক
  3. ধারা ৪৭ক
  4. ধারা ৬৫খ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক (Section 47A) অনুযায়ী, যখন আদালতের কারো ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন প্রয়োজন হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সাইবার প্রমাণ সংশ্লিষ্ট মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৪৬.
বোবা সাক্ষীর ইশারা বা লিখিত ভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্য কী ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. দলিলগত সাক্ষ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য
  4. শারীরিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম (বোবা), তিনি ইশারা বা লিখনের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন। তবে তা অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে করতে হবে।
- এইভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে আইন অনুযায়ী "মৌখিক সাক্ষ্য" (Oral Evidence) হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও তা মুখে বলা নয়।
- উদ্দেশ্য হলো বক্তব্যটি প্রত্যক্ষভাবে আদালতের সামনে উপস্থাপন করা, যা মৌখিক সাক্ষ্যের প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৪৭.
সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রমাণ
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতা
  4. প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২ অনুযায়ী, যে দলিল আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয়, সেটি যদি প্রত্যয়িতও হয়, তাহলে সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যয়িত দলিল।
অর্থাৎ, আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক নয় এমন দলিলের ক্ষেত্রে, প্রত্যয়নের অস্তিত্ব বা সাক্ষী উপস্থিতি ছাড়াও তা প্রমাণযোগ্য।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 72. Proof of document not required by law to be attested:
An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
---------- 
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ:
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
৪৮.
"জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা" সম্পর্কে মৃত ব্যক্তির মতামত কোন উপধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৩) ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৭) ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(৪) ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, জনসাধারণের অধিকার, প্রথা, বা সাধারণ স্বার্থসম্পন্ন বিষয়ে মৃত বা অনুপস্থিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হয়।
- এই ধারা জনসাধারণের অধিকারের বিষয়ে দেওয়া মতামতকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
- When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question.
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
- or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
- or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.
- or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

- or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.
- or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.
- or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).
- or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.

৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন কাকে বলা হয়?
  1. যে প্রশ্নে আদালতের নির্দেশনা থাকে
  2. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী উত্তরের ইঙ্গিত দেয়
  3. যে প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানতে চাওয়া হয়
  4. যে প্রশ্নে উত্তরদাতার মতামত জানতে চাওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী উত্তরের ইঙ্গিত দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী উত্তরের ইঙ্গিত দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী নিজেই উত্তর কী হবে তা ইঙ্গিতে প্রকাশ করেন, তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন হল এমন একটি প্রশ্ন যা উত্তরদাতার উত্তরকে প্রভাবিত করে এবং প্রশ্নকারী নিজের প্রত্যাশিত উত্তর ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন। এটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১-এ সংজ্ঞায়িত।
- তাই সঠিক উত্তর: খ) যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী উত্তরের ইঙ্গিত দেয়।

উদাহরণ:
প্রশ্ন: “তুমি কি দেখেছিলে যে সে ছুরি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল?”
→ এই প্রশ্নে প্রশ্নকারী প্রত্যাশিত উত্তর “হ্যাঁ”– তা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872-Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court.
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.
৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ২২ক
  2. ধারা ৪৫ক
  3. ধারা ৪৭ক
  4. ধারা ৭৩ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) ২০২২ সালের সংশোধনী দ্বারা যুক্ত হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তবে যদি প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।
- অর্থাৎ, ডিজিটাল প্রমাণ যতক্ষণ না সন্দেহজনক হয়, ততক্ষণ তা নিয়ে মৌখিক বক্তব্য আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
---------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 section: 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৫১.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা
  4. পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী যে কোনো পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রি, যা আইন অনুযায়ী একটি নতুন মামলা বা বিচার আরম্ভে বাধা সৃষ্টি করে, তা আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
 অর্থাৎ, এই ধারা মূলত দ্বিতীয়বার একই বিষয় নিয়ে মামলা বা বিচার শুরুর প্রশ্নে প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে (যাকে Res Judicata ধারণার সাথে যুক্ত করা যায়)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 40. Previous judgments relevant to bar a second suit or trial:
The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৫২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, আসামীর বিরুদ্ধে কে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষী
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত (competent) ব্যক্তি এবং তার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতেও সাজা দেওয়া বেআইনী হবে না।
অর্থাৎ, যদি সে নিজেও অপরাধে জড়িত থাকে, তবুও সে অন্য আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

⇒সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভুলভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কী করা যাবে না?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সাক্ষীকে জেরা করা যাবে না
  3. আদালতের আদেশ খারিজ করা যাবে না
  4. পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৭ বলছে যদি আদালত ভুলভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে, তবুও যদি মামলায় এমন যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যার ভিত্তিতে রায় দেওয়া সম্ভব, তাহলে শুধু এই কারণে পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে:
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৫৪.
তামাদি আইনের ১৪ ধারার অধীনে সময় বাদ দেওয়ার জন্য কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. মামলা ফৌজদারি হতে হবে
  2. বাদী অবশ্যই আপিল করতে হবে
  3. বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
  4. মামলা অবশ্যই সরকারী সংস্থার বিরুদ্ধে হতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য হল যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ যত্ন (due diligence) এবং সৎ বিশ্বাসে (good faith) একটি দেওয়ানি মামলা বা দরখাস্ত এমন কোনো আদালতে দায়ের করেন যেটি এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে সেই মামলার বিচার করতে অক্ষম, তবে উক্ত মামলায় যে সময় ব্যয় হয়, তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

এখানে "সৎ বিশ্বাসে" দায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- কারণ যদি বাদী জানার পরও ভুল আদালতে মামলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করেন, তাহলে সেটা “সৎ বিশ্বাসে” ধরা হবে না।
- সৎ বিশ্বাসের মানে হলো যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে, ভুল না করে, বিশ্বাসযোগ্য ও ন্যায্য উদ্দেশ্যে মামলা করা।

⇒ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা-১: যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।
ব্যাখ্যা-২: এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।
ব্যাখ্যা-৩: এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 14. Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
Explanation I: - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted. 
Explanation II: - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.  
Explanation III: - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৫৫.
অ্যাডভোকেট কর্তৃক মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুযায়ী, যদি কোন অ্যাডভোকেট তার মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায় করতে চায়, এবং সেই খরচ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা প্রকাশ্যে নির্ধারিত না থাকে, তবে এমন মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
→ এই ৩ বছরের গণনা শুরু হয়:
- সংশ্লিষ্ট মামলা বা কাজ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে, অথবা
- যদি অ্যাডভোকেট যথাযথভাবে সেই মামলা বা কাজ পরিত্যাগ করে, তাহলে কাজ পরিত্যাগের তারিখ থেকে।
→ অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটের খরচ আদায়ের দাবি দাখিল করার জন্য ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে, না হলে তামাদি হয়ে যাবে।
৫৬.
তামাদি আইনের ১২ ধারার কোন উপধারায় রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের সময় বাদ দেওয়ার বিধান উল্লিখিত হয়েছে?
  1. উপধারা (১)
  2. উপধারা (২)
  3. উপধারা (৩)
  4. উপধারা (৪)
সঠিক উত্তর:
উপধারা (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপধারা (৪)
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১২(৪) এ বলা হয়েছে যে, যেসব আবেদন বা দরখাস্ত পুরস্কার (award) বাতিল করার জন্য দাখিল করা হয়, সেক্ষেত্রে পুরস্কারের কপি পাওয়ার জন্য যে সময় লাগে, তা তামাদি গণনার সময় থেকে বাদ দিতে হবে। এখানে ‘রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্ত’ এর ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। তাই এই বিধান ধারা ১২ এর উপধারা (৪) তে রয়েছে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৫৭.
তামাদি আইনের ২৩ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা দায়েরের সময়সীমা
  2. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
  3. রায় পুনরীক্ষণের সময়সীমা
  4. ডিক্রীর নকল সংগ্রহের সময়
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারা বলে, অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদি শুরু হয়। অর্থাৎ, চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় যতক্ষণ চলবে, ততক্ষণ মামলা করার সময়ও বাড়তে থাকবে। এটা যাতে কেউ দীর্ঘ সময়ের অন্যায়ের জন্য মামলা করতে না পারে বলে নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
- যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৫৮.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কবে মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে হবে?
  1. নির্বাচনের ৩ মাস পর
  2. মেয়াদ শুরুর ৭ দিনের মধ্যে
  3. মেয়াদ শুরুর ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
৫৯.
একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি সম্পর্কে কী ধরনের আচরণ করবেন?
  1. সম্পত্তিতে আগ্রহ দেখাবেন
  2. সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করবেন
  3. সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
  4. সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেবেন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির প্রতি আসক্ত হবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে বিধি-১ এ বলা হয়েছে, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলার সঙ্গে জড়িত কোনো সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত বা আগ্রহী হতে পারেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
৬০.
বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কীভাবে?
  1. নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. পদাধিকার বলে
  3. নিয়োগের মাধ্যমে
  4. সরকারি নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
পদাধিকার বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদাধিকার বলে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি ৪৯ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সচিব পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনালের জারিকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ তিনি জারি করবেন ও বিধিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৪৯: ট্রাইব্যুনালের সচিব- বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন।
- বিধি-৪৯: পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules,1972: Rule-49: "The Secretary of the Bar Council shall be ex-officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by the Tribunal and for compliance with the rules in this Chapter."
৬১.
বিচারপতির সঙ্গে বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর পক্ষে কেমন আচরণ?
  1. স্বাভাবিক
  2. অনৈতিক
  3. প্রয়োজনীয়
  4. আইনসম্মত
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায় অনুযায়ী, বিচারপতির সঙ্গে গোপনে বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা করা একটি অনুচিত ও অনৈতিক আচরণ, যা ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার ক্ষতি করতে পারে, তাই আইনজীবীকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকতে হয়।
- পেশাগত আচরণবিধি (Canons of Professional Conduct and Etiquette): অধ্যায়-৩ (আদালতের প্রতি কর্তব্য), বিধি ৪ অনুযায়ী: আদালতের প্রতি আইনজীবীর কর্তব্য হলো সর্বদা সম্মান বজায় রাখা এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে বিচারকের সঙ্গে গোপন আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা। এই ধরনের গোপন আলোচনা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন করে এবং আইনজীবীর পেশাগত নীতিমালা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়। তাই বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর জন্য অনৈতিক আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
- বিচারাধীন মামলা নিয়ে বিচারপতির সাথে গোপন আলোচনা অনৈতিক, পেশাবিরোধী ও আইনত নিষিদ্ধ। আইনজীবীকে অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নীতিতে আদালতের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে।
৬২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩১ অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন অ্যাডভোকেট কী করতে পারেন?
  1. তার প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারেন
  2. তার লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন
  3. তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
  4. তার প্র্যাকটিস স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর-৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস (চর্চা) সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারেন।
- এটি কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।
- এটি কেবল বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী একটি সাময়িক বিরতি।
- প্র্যাকটিস স্থগিত করা মানে হচ্ছে—তিনি কিছু সময়ের জন্য মামলা পরিচালনা করবেন না বা আদালতে হাজির হবেন না।
- এই ধারা অ্যাডভোকেটদের স্বেচ্ছায় কিছু সময়ের জন্য পেশাগত দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেয়, যেমন: ব্যক্তিগত, স্বাস্থ্যগত বা পেশাগত কারণে।
----------- 
→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order), Article-31:
- An advocate may suspend his practice in such manner as may be prescribed.