দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩খ তে শিক্ষার্থী সম্পর্কিত কোন ধরনের কাজকে শাস্তিযোগ্য বলে গণ্য করা হয়েছে?
ক
পড়াশোনা থেকে বিরত রাখা
খ
সামাজিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে বাধ্য করা
গ
ধর্মীয় কার্যকলাপে অংশগ্রহণে বাধ্য করা
ঘ
রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৩খ: শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা: যে কেউ, কথা দিয়ে, তা লিখিত বা মৌখিক হোক, বা চিহ্ন দিয়ে, দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে, বা অন্য কোনোভাবে, কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের কোনো শ্রেণি, বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত বা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগ্রহী কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমন কোনো রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে প্ররোচিত করে বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করে যা জনশৃঙ্খলা ব্যাহত বা ধ্বংস করে, বা করতে পারে, সে ক্ষেত্রে তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
২.
'চ'- কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। এক্ষেত্রে 'ক' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পাবে?
ক
মৃত্যুদণ্ড
খ
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গ
৭ বছর কারাদণ্ড
ঘ
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা: কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ- মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
Section 195- Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment: Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.
Illustration- A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
৩.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারায় মুদ্রা জালকরণ অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কোন ধরনের শাস্তি নির্ধারিত?
ক
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
খ
শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
গ
শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ঘ
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা- মুদ্রা জাল করণ: কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
Section 231- Counterfeiting coin: Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
৪.
জসিম একটি কল্পিত নাম ব্যবহার করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন। তার শাস্তি হতে পারে:
ক
শুধু জরিমানা
খ
সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল
গ
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
ঘ
কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারা- নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান: কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারা- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের সাজা: কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 171D- Personation at elections: Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.
Section 171F- Punishment for undue influence or personation at an election: Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৫.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ জানার পরও তাতে যোগদান করলে কতদিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
ক
৬ মাস পর্যন্ত
খ
১ বছর পর্যন্ত
গ
২ বছর পর্যন্ত
ঘ
৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনী সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া: কোন বেআইনী সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse: Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেয়, তাহলে স্বামী বা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন বিধান প্রযোজ্য হবে?
ক
মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য হবে
খ
অর্থদণ্ড প্রযোজ্য হবে
গ
সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য হবে
ঘ
কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা- অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৭.
একজন ব্যবসায়ী প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজনের যন্ত্র ব্যবহার করে অতিরিক্ত পরিমাণে পণ্য বিক্রি করছে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
ক
ধারা ২৫৪
খ
ধারা ২৬৪
গ
ধারা ২৭৪
ঘ
ধারা ২৮৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা: কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing: Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৮.
একজন ব্যক্তি কোন পরিস্থিতিতে মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য অপরাধী হবে না?
ক
সত্য না জানলে
খ
যা জানে না, তা জানার দাবি করলে
গ
যা বিশ্বাস করে না, তা বিশ্বাস করার দাবি করলে
ঘ
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্যদান: কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১: কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২: সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্তর্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা জানে না, তা জানার দাবি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
Section 191- Giving false evidence: Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.
Explanation 1.- A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise.
Explanation 2.- A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.
৯.
সাকিব ও রাসেল একটি বাজারের মধ্যে প্রকাশ্যে ঝগড়ায় লিপ্ত হয় এবং মারামারি শুরু করে। সাকিব ও রাসেল এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধিতে সর্বোচ্চ কোন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে?
ক
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
খ
৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
গ
৪ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
ঘ
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা- মারামারি: যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section-159: Affray: When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
Section-160: Punishment for committing affray: Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১০.
'ম' এক দৈনিক বহুল প্রচারিত পত্রিকায় একটি কলাম লেখেন, যা সরকারের প্রতি ঘৃণা উসকে দেয়। তার কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে?
ক
১২১ ধারায়
খ
১২১(ক) ধারায়
গ
১২৪ ধারায়
ঘ
১২৪(ক) ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে,
‘যদি কোন ব্যক্তি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, কিংবা চিহ্নাদি দ্বারা, কিংবা দৃশ্যমান প্রতীকের সাহায্যে কিংবা অন্য কোনভাবে বাংলাদেশ বা আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে কিংবা বৈরিতা উদ্রেগ করে বা করার চেষ্টা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কিংবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সঙ্গে জরিমানা যুক্ত করা যাবে, কিংবা ৩ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তৎসহ তাকে জরিমানায়ও দণ্ডিত করা যাবে।’
প্রশ্নে উল্লিখিত ব্যক্তির কাজটি ১২৪ক ধারা অনুসারে 'রাষ্ট্রদ্রোহ' অপরাধের অধীনে পড়বে এবং শাস্তিযোগ্য হবে।
১১.
The Penal Code, 1860 এর ১৭৭ ধারা অনুযায়ী, কাদের কাছে মিথ্যা তথ্য দেওয়া অপরাধ?
ক
সাধারণ নাগরিক
খ
সরকারি কর্মচারী
গ
বিদেশি নাগরিক
ঘ
উল্লিখিত সকলের কাছে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন: কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 177- Furnishing false information: Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২.
'ক' একজন বিক্রেতা। এক প্রকার পানীয় স্বাস্থ্যহানিকর জানার পরেও, বিক্রয়ের জন্য 'ক' তার দোকানে উক্ত পানীয় প্রদর্শন করে। এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
ক
শুধুমাত্র জরিমানা
খ
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
গ
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১,০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
ঘ
২ বছরের কারাদণ্ড বা ২,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়: কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 273- Sale of noxious food or drink: Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১৩.
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করার জন্য কোন উপায়গুলো ব্যবহার করা হয়?
ক
মৌখিক বা লিখিত কথা
খ
সংকেতের মাধ্যমে
গ
দৃশ্যমান উপস্থাপনা
ঘ
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা: যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
Section 153A- Promoting enmity between classes: Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
১৪.
To be held liable under Section 209, what must the individual intend when making the false claim?
ক
To get fame and recognition
খ
To escape punishment
গ
To delay court proceedings
ঘ
To injure or annoy any person
ব্যাখ্যা
Section 209- Dishonestly making false claim in Court: Whoever fraudulently or dishonestly, or with intent to injure or annoy any person, makes in a Court of Justice any claim which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, and shall also be liable to fine.
দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা: আদালতে অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা দাবি করা: যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা অসৎ উদ্দেশ্যে, অথবা কারো ক্ষতি করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, আদালতে এমন কোনো দাবি করে যা সে মিথ্যা বলে জানে, তাহলে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সেই সাথে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১৫.
কোন কাজটি ধারা ১৮৯-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
ক
সরকারী কর্মচারীর ব্যক্তিগত কাজে ক্ষতি করলে
খ
সরকারী কর্মচারীকে তার ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করতে হুমকি দিলে
গ
সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আঘাত প্রদান করলে
ঘ
সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বিরত রাখার জন্য হুমকি দিলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি: কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 189- Threat of injury to public servant: Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৬.
A common nuisance is not excused on the ground that it causes some _____________.
ক
advantage
খ
convenience
গ
disadvantage
ঘ
convenience or advantage
ব্যাখ্যা
Section 268: Public nuisance: A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right. A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারা- জনসাধারণের উপদ্রব: যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
⇒ ধারা ২৬৮ বলা হয়েছে যে, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে বা কোনো কাজ করতে বাধা দেয়, যার কারণে জনসাধারণ বা কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের ক্ষতি, বিপদ বা বিরক্তি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাস্তার মধ্যে অযথা জটলা সৃষ্টি করে, অথবা উচ্চ শব্দের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের বিরক্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে পারে। যদি কেউ তার কাজের জন্য কিছু সুবিধা বা সুবিধাজনক কারণে বিরক্তি সৃষ্টি করে, তাও তাকে ক্ষমা করবে না। অর্থাৎ, যে কাজই করা হোক না কেন, যদি তা জনসাধারণের জন্য বিরক্তিকর হয়, তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৭.
সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বেআইনী সমাবেশে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে-
ক
কেবল অপরাধ সংঘটনকারীদের দণ্ডিত করা হবে
খ
সমাবেশের নেতাদের দণ্ডিত করা হবে
গ
সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
ঘ
কেবল অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে: যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object: If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
১৮.
ভূমির মালিকের স্বার্থে উক্ত ভূমি নিয়ে দাঙ্গা হলে এবং ভূমির মালিক যদি তা রোধ করার চেষ্টা না করে, তাহলে তার শাস্তি কী হবে?
ক
কারাদণ্ড
খ
অর্থদণ্ড
গ
সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
ঘ
কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব: যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনী সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed: Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
১৯.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে, সরকারী স্ট্যাম্প জাল করার অপরাধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
ক
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
খ
৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
গ
৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ঘ
১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা: সরকারী স্ট্যাম্প জালকরণ: কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
Section 255- Counterfeiting Government stamp: Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation: A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২০.
কোনো ব্যক্তি তার দখলাধীন প্রাণীর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে এবং তা যদি কোনো মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
ক
৩ মাসের কারাদণ্ড
খ
৬ মাসের কারাদণ্ড
গ
১ বছরের কারাদণ্ড
ঘ
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা: কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section-289. Negligent conduct with respect to animal: Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২১.
'আপ্যায়ন' (Treating) এর মাধ্যমে ঘুষের ক্ষেত্রে কী শাস্তি হয়?
ক
শুধু কারাদণ্ড
খ
শুধু অর্থদণ্ড
গ
কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড যেকোন একটি
ঘ
কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি: যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে: তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।
Section 171E- Punishment of bribery: Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both: Provided that bribery by treating shall be punished with fine only.
Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.
২২.
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারীকে আইনসম্মতভাবে সহায়তা না দেয়, তাকে সর্বোচ্চ _____ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
ক
২০০
খ
৩০০
গ
১০০০
ঘ
২০০০
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 187- Omission to assist public servant when bound by law to give assistance: Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both; and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
২৩.
এক সরকারি কর্মচারী দ্বারা শাহিনকে গণ উৎপাত বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে, শাহিন পরবর্তীতে আবারও গণ উৎপাত শুরু করে। শাহিনের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
ক
ধারা ২৮৯
খ
ধারা ২৯১
গ
ধারা ২৯৫
ঘ
ধারা ২৯৮
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯১: নিষেধাজ্ঞার পরও গণ উৎপাত অব্যাহত রাখা: যে ব্যক্তি কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা আইনীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের পরেও গণ উৎপাত পুনরায় চালিয়ে যায় বা অব্যাহত রাখে, তাকে ছয় মাস পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Section 291- Continuance of nuisance after injunction to discontinue: Whoever repeats or continues a public nuisance, having been enjoined by any public servant who has lawful authority to issue such injunction not to repeat or continue such nuisance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
২৪.
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্রের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
ক
মৃত্যুদণ্ড
খ
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গ
৭ বছরের কারাদণ্ড
ঘ
১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh: Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
সেই সাথে, ১২১(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ১২১ ধারায় দণ্ডিত অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্র করলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
Section 121A- Conspiracy to commit offences punishable by section 121: Whoever within or without Bangladesh conspires to commit any of the offences punishable by section 121, or to deprive Bangladesh of the sovereignty of her territories or of any part thereof, or conspires to overawe, by means of criminal force or the show of criminal force, the Government, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২৫.
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করে, তবে তাকে _____ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
ক
১
খ
২
গ
৩
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা- বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি: কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding: Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২৬.
দণ্ডবিধির ১৮০ ধারার অধীনে, কে বিবৃতি স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারে?
ক
যেকোনো নাগরিক
খ
কোন আইনজীবী
গ
শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
ঘ
আইনানুগভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারী কর্মচারী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮০ ধারা: বিবৃতি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি: যদি কোন ব্যক্তি কোনও সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে স্বাক্ষর করার জন্য বলা হয় এবং সে ব্যক্তি সেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তাকে তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সরল কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।
২৭.
অভি নিজের সাথে ধারালো অস্ত্র বহন করে একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে। দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, অভির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রযোজ্য?
ক
৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
খ
২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
গ
২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ঘ
২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করা: কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon: Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৮.
সুমন একটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে এমন একটি বিবৃতি দিয়েছেন যা তিনি জানেন মিথ্যা এবং এতে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে। সুমনের শাস্তি কী হতে পারে?
ক
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
খ
৩ মাসের কারাদণ্ড
গ
২ বছর কারাদণ্ড
ঘ
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১ছ: নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত মিথ্যা বিবৃতি:
যে কেউ, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে, কোনো বিবৃতি যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় এবং যা সে জানে বা বিশ্বাস করে যে মিথ্যা, অথবা যা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, এমন কোনো বিবৃতি প্রকাশ করে বা প্রকাশের উদ্যোগ নেয় যা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণের সাথে সম্পর্কিত, তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Section 171G- False statement in connection with an election: Whoever with intent to affect the result of an election makes or publishes any statement purporting to be a statement of fact which is false and which he either knows or believes to be or does not believe to be true, in relation to the personal character or conduct of any candidate shall be punished with fine.
২৯.
যদি একজন ব্যক্তি ক্ষতি করবার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে, তবে তার শাস্তি কি হতে পারে?
ক
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
খ
সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড
গ
সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
ঘ
সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা: ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে, অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে- (i) ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজাদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড (ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যদণ্ড বা যাবজ্জীবন করাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদুর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যাক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণের শাস্তির বিধান রয়েছে?
ক
১৬৯ ধারা
খ
১৭০ ধারা
গ
১৭১ ধারা
ঘ
১৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ: কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
Section 170- Personating a public servant: Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩১.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারামতে, কোন ব্যক্তি ___________ অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
ক
দাঙ্গার
খ
মারামারির
গ
সাধারন আঘাতের
ঘ
বেআইনি সমাবেশের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার- দাঙ্গা করার সাজা: কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
Section 147: Punishment for rioting: Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩২.
কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা জানার পরও কোনো ঘোষণাকে সত্য হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি হবে:
ক
জরিমানা
খ
সতর্কীকরণ
গ
কোনো শাস্তি নেই
ঘ
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ২০০- মিথ্যা জানার পরও ঘোষণাকে সত্য হিসেবে ব্যবহার: যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ঘোষণা বা বিবৃতিকে মিথ্যা জানার পরও সত্য হিসেবে ব্যবহার করে বা তা সত্য হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের সমতুল্য শাস্তি দেওয়া হবে। ব্যাখ্যা: শুধুমাত্র কোনো আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে যদি কোনো ঘোষণা অগ্রহণযোগ্য হয়, তবুও তা ধারা ১৯৯ ও ২০০ এর অর্থের মধ্যে একটি ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হবে।
৩৩.
রাকিব একটি সরকারি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করা এক সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজে বাধা দেয়। রাকিবের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে?
ক
ধারা ১৮৬
খ
ধারা ১৮৭
গ
ধারা ১৮৮
ঘ
ধারা ১৮৯
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৬- জনসাধারণের কার্য সম্পাদনে সরকারি কর্মচারীকে বাধা প্রদান: যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি কার্য সম্পাদনে বাধা প্রদান করে, তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Section 186- Obstructing public servant in discharge of public functions: Whoever voluntarily obstructs any public servant in the discharge of his public functions, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৩৪.
সেলিনা বিদেশ থেকে জেনেশুনে বাংলাদেশের জাল মুদ্রা দেশে নিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে সেলিনাকে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি দেয়া যেতে পারে?
ক
১ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
খ
২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
গ
৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ঘ
১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা- জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা: কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
Section 238- Import or export of counterfeits of Bangladesh coin: Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩৫.
'A' makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. 'A' has-
ক
committed no offence
খ
fabricated false evidence
গ
committed forgery
ঘ
made genuine evidence
ব্যাখ্যা
Section 192. Fabricating false evidence: Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before a public servant as such, or before an arbitrator, and that such circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.”
Illustrations: (a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. (b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence.
দণ্ডবিধির ১৯২ ধারা: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা: কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
৩৬.
নিম্নলিখিত কোনটি ১৭৪ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
ক
সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত না হওয়া
খ
অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে না পারা
গ
সরকারি কর্মচারীর আদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা
ঘ
সরকারি কর্মচারীর আদেশে যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে সময়ের আগে চলে যাওয়া
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা- সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-
কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ: (ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant: Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬ মাস পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
খ
১ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
গ
২ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ঘ
৩ বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অসদুদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দ্বারা কিংবা দৃশ্যমান অঙ্গভঙ্গি দ্বারা সংশ্লিষ্ট ধর্মটিকে বা কারো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৮৬০ সালের মূল আইনে এ ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়। এই ধারার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে: ক. অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু বলেছিলেন বা কোনো শব্দ লিখেছিলেন বা কোন ভাবভঙ্গি করেছিলেন। খ. অভিযুক্ত ব্যক্তি ওইরকম কাজ করে কোনো ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছিলেন। গ. অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায়ে ইচ্ছাকৃত এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে করেছিলেন।