পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। ৪/৫ নাম্বারের জন্য বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না] সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) ইস্টার দ্বীপ
  2. খ) রানিমেড
  3. গ) লুসানে
  4. ঘ) গ্যালাপাগোস দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে ‘রানিমেড’ নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
(সূত্র: www.magnacarta800th.com)
.
কোনটিকে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) মদিনা সনদ
  3. গ) চার্টার অ্যাক্ট
  4. ঘ) মার্কিন সংবিধান
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ।
- মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন।
- এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
.
কাকে ‘ইতিহাসের জনক’ বলা হয়?
  1. ক) হিপোক্রিটাস
  2. খ) সফোক্লিস
  3. গ) হেরোডোটাস
  4. ঘ) টলেমি
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন গ্রিসের ঐতিহাসিক হেরোডোটাসকে ‘ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন। তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- খুকুভাইডিসকে ‘বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।
- জার্মান ঐতিহাসিক লিওপোল্ড ফন র‌্যাংককে ‘আধুনিক ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোন দূর্গ আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়?
  1. ক) বুরবো প্যালেস
  2. খ) ভার্সাই দূর্গ
  3. গ) বাস্তিল দূর্গ
  4. ঘ) ফোর্ট লুইস
ব্যাখ্যা
- ১৭৮৯ সালে পৃথিবী বিখ্যাত ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে। বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার।
- ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই এর পতন ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
.
গ্রিকদের প্রধান দেবতার নাম কী ছিলো?
  1. ক) জিউস
  2. খ) আমন রে
  3. গ) অ্যাপোলো
  4. ঘ) পোসিডন
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন গ্রিসের অধিবাসীরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করতো। তাদের দেবদেবীর সংখ্যা ছিল বারোজন।
- প্রধান দেবতা : জিউস
- সূর্য দেবতা : অ্যাপোলো
- সাগরের দেবতা : পোসিডন
- জ্ঞানের দেবী : এথেনা
- আমন রে : প্রাচীন মিশরীয় দেবতা।(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটি ইউরোপীয় রেনেসাঁসের ফলাফল?
  1. ক) সমাজতন্ত্রের উদ্ভব
  2. খ) জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব
  3. গ) পোপের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা লাভ
  4. ঘ) ধর্মতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রসার
ব্যাখ্যা
- রেনেসাঁস মানে হলো নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞান কে জানার গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টিই ‘রেনেসাঁস’ নামে পরিচিত।
- পঞ্চদশ শতকে ১৪৫৩ সালে তুর্কিদের হাতে বাইজান্টিয়াম সাম্রাজ্যের পতন রেনেসাঁসকে তরান্বিত করে।
- রেনেসাঁসের ফলে মধ্যযুগের ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে এবং জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব ঘটে। মানবতাবাদ, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ প্রভৃতি গুরুত্ব লাভ করে।
- রেনেসাঁসকে ইউরোপের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)