পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব (ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) ২. শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।) পার্ট – ২: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: কম্পিউটার: ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
নিয়ম অনুসারে সন্ধি হয়নি নিচের কোন শব্দে?
  1. গায়ক
  2. কুলটা
  3. পশ্বধম
  4. নদ্যম্বু
সঠিক উত্তর:
কুলটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুলটা
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
- কতগুলো সন্ধি এই নিয়মের অনুসরণ করে হয় না। সেগুলোকে নিপাতনেসিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে।
যেমন:
- কুল + অটা = কুলটা
- গাে + অক্ষ = গবাক্ষ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
স্বরসন্ধির নিয়ম:
• নিয়ম: এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।
যেমন- গৈ + অক = গায়ক

• উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার ও ঊ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়।
যেমন- পশু + অধম = পশ্বধম

• ই/ঈ + অন্যস্বর = য-ফলা, এই নিয়মে গঠিত সন্ধি - নদী + অম্বু = নদ্যম্বু

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. আটই
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
• অঙ্কবাচক সংখ্যা - পাঁচ

অন্যদিকে,
- তারিখ পূরণবাচক - আটই (৮ই)।
- সাধারণ পূরণবাচক - সপ্তম এবং ষষ্ঠ।

------------------------
যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বুঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
সংখ্যাশব্দ দুই রকমের। যথা:
১. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ, ও
২. পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ।

১. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে। যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট) ইত্যাদি।

২. পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ দিয়ে কোন সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। যেমন- ‘এক’ সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম’, ‘প্রথমা’, ‘পহেলা’ ইত্যাদি। পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক

• সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই)।
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
- যেমন - আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১সংস্করণ)।
.
'শুক' শব্দটির বিপরীত লিঙ্গ কোনটি?
  1. সাড়ি
  2. সাড়ী
  3. শাড়ী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'শুক' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - শারি

• অনেক সময় আলাদা আলাদা শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক বোঝায়,
যেমন,
শুক - শারি, বাবা- মা, সাহেব- বিবি, বাদশা- মেয়ে, ইত্যাদি।

• কতগুলো শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক। এগুলোর পুরুষ বাচক শব্দ নেই।
যেমন:
- সতীন
- সৎমা
- এয়ো
- দাই এবং
- সধবা।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘দুই লাইনের কাব্য’ - এখানে 'দুই' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
  2. ক্রমবাচক শব্দ
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  4. তারিখ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা
• 'দুই' শব্দটি ক্রমবাচক শব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি ব্যবহৃত হয়?
  1. টুকু
  2. টা
  3. গুলো
  4. এক
সঠিক উত্তর:
টুকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুকু
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক - টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
- বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি।
উদাহরণ: আমগুলি, ফলগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি।

পদার্শিত নির্দেশকের বচনভেদে প্রয়োগ:
• একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
উদাহরণ: কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

• বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি।
উদাহরণ: আমগুলি, ফলগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'সে বাড়ি বাড়ি থেকে চাঁদা তুলছে।' - বাক্যে দ্বিরুক্ত শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. আগ্রহ বােঝাতে
  2. অনুরূপ বােঝাতে
  3. ক্রিয়া বিশেষণ বােঝাতে
  4. ধারাবাহিকতা বােঝাতে
সঠিক উত্তর:
ধারাবাহিকতা বােঝাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারাবাহিকতা বােঝাতে
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তির কিছু ব্যবহার:
ক) আধিক্য বােঝাতে : রাশি রাশি ধান, থােকা থােকা জাম।
খ) সামান্য বােঝাতে: আমি আজ জ্বর জ্বর অনুভব করছি।
গ) পরম্পরতা বা ধারাবাহিকতা বােঝাতে: তুমি দিন দিন রােগা হয়ে যাচ্ছ। সে বাড়ি বাড়ি থেকে চাঁদা তুলছে।
ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ বােঝাতে: ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে তাকায়।
ঙ) অনুরূপ বােঝাতে : তার সঙ্গী-সাথী কেউ নেই।
চ) আগ্রহ বােঝাতে : সে মা মা বলে কাঁদছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'চৌদ্দ' - এর পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. চৌদ্দ
  2. ১৪
  3. চতুর্দশ
  4. চৌদ্দই
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ
ব্যাখ্যা
• 'চৌদ্দ' - ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ হচ্ছে - চতুর্দশ। 

অন্যদিকে,
• তারিখ পূরণবাচক - চৌদ্দই।

সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
তৎসম শব্দের বানানে 'ণ' এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই-
  1. ষত্ব-বিধান
  2. উপসর্গ
  3. ণত্ব-বিধান
  4. প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
ণত্ব-বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ণত্ব-বিধান
ব্যাখ্যা
ণত্ব বিধান:
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য- ন-এর ব্যবহার আছে।
- তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ' - এখানে ‘কলকলিয়ে' দ্বিরুক্ত শব্দটি কোন পদ?
  1. ক্রিয়া বিশেষণ
  2. ক্রিয়া
  3. বিশেষণ
  4. বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
- এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়।

বিভিন্ন পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার:
- বিশেষ্য: বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে।
- বিশেষণ: 'নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।'
- ক্রিয়া: কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ।
- ক্রিয়া বিশেষণ: 'চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা।'

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
'ঋ', 'র', 'ষ' এর পরে কী হয়?
  1. ষ্য
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ঋ, র, ষ - এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।
যেমন:
- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ, ব্যাকরণ ইত্যাদি।

- ঋ, র, ষ - এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ,ং এবং ক - বর্গীয় ও প - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন:
- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্‌, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ণ,) এরূপ- রুক্সিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

ণত্ব বিধান:
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য- ন-এর ব্যবহার আছে।
- তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
'লোকটা হাড়ে হাড়ে শয়তান' - বাক্যে ‘হাড়ে হাড়ে’ দ্বিরুক্ত শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ভাবের প্রগাঢ়তা
  2. কালের বিস্তার
  3. সর্তকতা
  4. আধিক্য
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
ব্যাখ্যা
বিশিষ্টার্থক বাগধারায় দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগ:
- ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো। (সতর্কতা),
- ফুলগুলো তুই আনরে বাছা বাছা। (ভাবের প্রগাঢ়তা),
- থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে। (কালের বিস্তার),
- লোকটা হাড়ে হাড়ে শয়তান। (আধিক্য)

দ্বিরুক্ত শব্দ:
- একই ধরণের শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ পরপর দুইবার বলা।
- বাংলা ভাষায় দ্বিরুক্ত শব্দের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়। -
- বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
কেবল কোন কোন পদের বচনভেদ হয়?
  1. বিশেষ্য ও বিশেষণ
  2. বিশেষ্য ও সর্বনাম
  3. সর্বনাম ও অব্যয়
  4. বিশেষণ ও সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য ও সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা
বচন:
- 'বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারনা।
- ব্যাকরনের বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারনা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।
- কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।

বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার : একবচন ও বহুবচন ।
• একবচন :
যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
যেমন – সে এলো। মেয়েটি স্কুলে যায়নি।

• বহুবচন :
যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহু বচন বলে।
যেমন : তারা গেল। মেয়েরা এখনও আসেনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
'মুখচ্ছবি' কোন নিয়মে ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
  2. ব্যঞ্জন + স্বর
  3. স্বর + স্বর
  4. স্বর + ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
স্বর + ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি:
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
- এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি,
২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি,
৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি।

• স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি:
স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়।
যথা-
অ + ছ = চ্ছ; মুখ + ছবি = মুখচ্ছবি।
আ + ছ = চ্ছ; কথা + ছলে = কথাচ্ছলে।
ই + ছ = চ্ছ; পরি + ছদ = পরিচ্ছদ।
এরূপ - একচ্ছত্র, বিচ্ছেদ, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলোকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, স্বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
'আ' প্রত্যয়ান্ত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. বিবাহিতা
  2. অধ্যাপিকা
  3. সাধিকা
  4. গায়িকা
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
ব্যাখ্যা
সাধারণ অর্থে 'আ' প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ:
- প্রথম- প্রথমা;
- বিবাহিত- বিবাহিতা;
- মাননীয়- মাননীয়া ইত্যাদি।

এখানে,
- ইকা-প্রত্যয় যোগে শব্দ - অধ্যাপক-অধ্যাপিকা; গায়ক - গায়িকা।
- পুরুষবাচক শব্দের শেষে ‘ক্’ বা ‘অক’ থাকলে তা ‘ইকা’ যোগ করে স্ত্রীবাচক হয় - সাধক-সাধিকা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
কোনটি অব্যয়ের দ্বিরুক্তি?
  1. ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।
  2. ঝির ঝির করে বাতাস বইছে।
  3. তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
  4. গরম গরম জিলাপি খেতে মজা।
সঠিক উত্তর:
ঝির ঝির করে বাতাস বইছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝির ঝির করে বাতাস বইছে।
ব্যাখ্যা
অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি:
- ভাবের গভীরতা বোঝাতে: হায় হায় করে লাভ কী?
- অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে।
- ধ্বনি ব্যঞ্জনা বোঝাতে: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে।
- বিশেষণ বোঝাতে: বাতি জ্বলে মিটির মিটির।

অন্যদিকে,
• ক্রিয়াবাচক পদের দ্বিরুক্তি: পৌণপুনিকতা বোঝাতে- ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।
• বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি: পরম্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে- তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
• বিশেষণ পদের দ্বিরুক্তি: তীব্রতা বা সঠিকতা বোঝাতে- গরম গরম জিলাপি খেতে মজা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) ও  মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
ণ-ত্ব বিধানের নিয়মের বাইরে 'ণ' এর ব্যবহার হয়েছে কোন শব্দগুলোতে?
  1. ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড
  2. কৃপণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ
  3. তৃণ, বর্ণ, মরণ
  4. বেণু, অণু, কল্যাণ
সঠিক উত্তর:
বেণু, অণু, কল্যাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেণু, অণু, কল্যাণ
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধানের নিয়মের বাইরে 'ণ' এর ব্যবহার হয়েছে বেণু, অণু, কল্যাণ শব্দগুলোতে।

স্বভাবতই 'ণ' হয় এমন আরো কিছু শব্দ:

- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, কফণি, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, শোণিত, মণি, স্থাণু ,গুণ, পুণ্য, বেণী, ফণী, অণু , বিপণি, গণিকা, আপণ, কণিকা, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তূণ, কল্যাণ, গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ।

অন্যদিকে
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।
- ট বর্গের পূর্বে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ড ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প + অ+ণ্‌), লক্ষণ (ক্+ ষ্‌ + অ + ণ্‌)।
এরূপ - রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক কোনটি?
  1. টো
  2. টুক
  3. টে
  4. খানি
সঠিক উত্তর:
খানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খানি
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়।
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়।

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- কোনো সংখ্যা বা পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক:
- টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
'ইনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. কাঙালিনি
  2. বুদ্ধিমতী
  3. জেলেনি
  4. বিজয়িনী
সঠিক উত্তর:
বিজয়িনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়িনী
ব্যাখ্যা
• 'ইনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ - বিজয়িনী

• নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তিত করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়।
যেমন-
- আ প্রত্যয়: বৃদ্ধ - বৃদ্ধা, প্রিয় - প্রিয়া।
- ই প্রত্যয়: দাদা - দাদি, জেঠা - জেঠি।
- ইনি প্রত্যয়: কাঙাল - কাঙালিনি, বাঘ - বাঘিনি।
- ইনী প্রত্যয়: বিজয় - বিজয়িনী, তেজস্বী - তেজস্বিনী।
- ঈ প্রত্যয়: নার - নারী, কিশোর - কিশোরী।
- নি প্রত্যয়: জেলে - জেলেনি, বেদে - বেদেনি।
- বতী প্রত্যয়: গুণবান - গুণবতী, পূণ্যবান - পূণ্যবতী।
- মতী প্রত্যয়: বুদ্ধিমান - বুদ্ধিমতী, শ্রীমান - শ্রীমতী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৯.
'অহর্নিশ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অহ + নিশ
  2. অহ + নিশা
  3. অহঃ + নিশা
  4. অহঃ + নিশ
সঠিক উত্তর:
অহঃ + নিশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহঃ + নিশা
ব্যাখ্যা
• 'অহর্নিশ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ 'অহর্নিশ = অহঃ + নিশা'।

বিসর্গ সন্ধি:

- সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত র্‌ ও স্‌ অনেক ক্ষেত্রে অঘোষ উষ্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ (ঃ) রূপে লেখা হয়।
- র্‌ ও স্‌ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জনসন্ধির অন্তর্গত।
- বস্তুত বিসর্গ র্‌ এবং স্‌ এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
১. র্‌ - জাত বিসর্গ ও
২. স্‌ - জাত বিসর্গ।
বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র্‌ ও স্‌ - এর সাথে স্বরধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।

কয়েকটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধি:
- বাচস্পতি = বাচঃ + পতি,
- ভাস্কর = ভাঃ + কর,
- অহর্নিশ = অহঃ + নিশা,
- অহরহ= অহঃ+অহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
কোনটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ?
  1. পরস্পর
  2. উত্থান
  3. তস্কর
  4. গোষ্পদ
সঠিক উত্তর:
উত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্থান
ব্যাখ্যা
বিশেষ নিয়মে সাধিত কতগুলো ব্যঞ্জনসন্ধি:
- উৎ + স্থান = উত্থান,
- সম্‌ + কার = সংস্কার,
- উৎ + স্থাপন = উত্থাপন,
- সম্‌ + কৃত = সংস্কৃত,
- পরি + কার = পরিষ্কার।

অন্যদিকে,
- পর্‌ + পর= পরস্পর; গোষ্পদ = গো + পদ এবং তদ্ + কর = তস্কর নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে কোন কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন?
  1. EDSAC
  2. ENIAC
  3. ABC
  4. UNIVAC
সঠিক উত্তর:
ENIAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ENIAC
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ Electronic Numerical Integrator And Calculator.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কম্পিউটারের সিস্টেম এবং এর তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে কোনটি?
  1. সিপিইউ
  2. মাদারবোর্ড
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. হার্ডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের সিস্টেম এবং এর তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এই সফটওয়‍্যারটি এমন একটি প্রোগ্রামিং পরিবেশ সরবরাহ করে যেখানে প্রোগ্রামাররা তাদের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারটি কম্পিউটার এবং সফটওয়‍্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসাবে কাজ করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারকে কার্যক্ষম করে তোলে।
- এছাড়া ফাইল পরিচালনা, আউটপুট প্রদর্শন এবং কীবোর্ড ইনপুট নেবার মতো প্রাথমিক কার্যকারিতা সম্পাদন করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সুষ্ঠু পরিচালনায় সহায়তা করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারের কয়েকটি উদাহরণ হল অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর এবং সিস্টেম ইউটিলিটি।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ নয়?
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. পাওয়ার বাস
  4. ডেটা বাস
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার বাস
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস এবং
৩. কন্ট্রোল বাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. মার্ক-১
  2. পিডিপি - ১
  3. আইবিএম - ১৬২০
  4. এডভাক
সঠিক উত্তর:
মার্ক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্ক-১
ব্যাখ্যা
• ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
• মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র। 
• কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
• কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। 
• এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
• এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। 
•  মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
সর্বপ্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইন্টেল
  3. এপসন
  4. ইয়াহু
সঠিক উত্তর:
এপসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপসন
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Live MCQ লেকচার শীট।
২৬.
প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে কয়টি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে তিনটি প্রধান বিভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
১. কম্পাইলার:
- যে প্রোগ্রামগুলি কোনো হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা হয় তাদের একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
- সিস্টেম প্রোগ্রাম হিসাবে, কম্পাইলার সোর্স কোর্ডে (ব্যবহারকারী-লিখিত প্রোগ্রাম) লেখা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট কোডে (বাইনারি ফর্ম) অনুবাদ করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত না করে সোর্স কোর্ডটির একটি করে লাইন বিশ্লেষণ করে এবং কার্যকর করে।
- ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে পারে।
- কম্পাইলার কোনো প্রোগ্রামকে সম্পাদন করার আগে পুরো সোর্স কোডটিকে পড়ে নেয় ফলে ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে এর সময় বেশি লাগে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- সমস্ত ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের তুলনায় অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ অনেকটাই মেশিন কোডের নিকটবর্তী।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামটি মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য একটি পৃথক প্রোগ্রাম আবশ্যক যাকে অ্যাসেম্বলার বলে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোন কাজে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. বৈজ্ঞানিক গবেষণা
  2. রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়
  3. পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার,
২. ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Oracle
  2. Informix
  3. Powerpoint
  4. Ruby
সঠিক উত্তর:
Ruby
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ruby
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন‍্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- উদাহারণ: Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop, Powerpoint ইত্যাদি।

• Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
চার্লস ব্যাবেজ নিচের কোন যন্ত্রটি তৈরি করেন?
  1. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  2. এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ডিফারেন্স ইঞ্জিন নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
৩০.
একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটারকে অনুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
  1. রাউটার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ফার্মওয়্যার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল একটি সংস্থার নেটওয়ার্কের ভিতরে এবং বাইরে থাকা কম্পিউটারের মধ্যে সুরক্ষার দেওয়াল তৈরি করে।
- এটি সাধারণত কোনও সংস্থার মধ্যে ইমেল এবং ডেটা ফাইলের মতো তথ্য সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মূলত, একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটারকে অনুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য ফায়ারওয়াল ডিজাইন করা হয়েছে।

- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরণের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- রাউটার হলো একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. আইসি এর ব্যবহার
  2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
  3. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগতো।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কম্পিউটারের জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. এভিজি
  2. এভিরা
  3. এজাক্স
  4. নরটন
সঠিক উত্তর:
এজাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাক্স
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৩.
তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে কী বলে?
  1. আইসি
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ট্রান্সফর্মার
  4. সিপিইউ
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
অ্যাপলের 'নিউটন' নিচের কোনটির প্রাথমিক ভার্সন ছিল?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
পামটপ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা যায় কোনটিকে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে তিনটি প্রধান বিভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
১. কম্পাইলার:
- যে প্রোগ্রামগুলি কোনো হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা হয় তাদের একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
- সিস্টেম প্রোগ্রাম হিসাবে, কম্পাইলার সোর্স কোর্ডে (ব্যবহারকারী-লিখিত প্রোগ্রাম) লেখা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট কোডে (বাইনারি ফর্ম) অনুবাদ করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত না করে সোর্স কোর্ডটির একটি করে লাইন বিশ্লেষণ করে এবং কার্যকর করে।
- ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে পারে।
- কম্পাইলার কোনো প্রোগ্রামকে সম্পাদন করার আগে পুরো সোর্স কোডটিকে পড়ে নেয় ফলে ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে এর সময় বেশি লাগে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- সমস্ত ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের তুলনায় অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ অনেকটাই মেশিন কোডের নিকটবর্তী।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামটি মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য একটি পৃথক প্রোগ্রাম আবশ্যক যাকে অ্যাসেম্বলার বলে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র অ্যাবাকাসকে সুয়ানপান বলা হয় কোন দেশে?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
  3. মেমোরি সংরক্ষণ করা
  4. কেবলমাত্র ডিসপ্লেতে আউটপুট প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।