পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও জোট [EU, Commonwealth, NAM, OIC, African Union, APEC, Arab League, ASEAN, BENELUX, BIMSTEC, BRICS, CIRDAP, G-7, D-8, G-20, G-77, GCC, OPEC, SAARC, ECO, OECD, ADB, AIIB, NDB, IDB, RCEP, WEF, ICC, AFTA, EFTA, NAFTA, APTA, COMESA, MERCOSUR] ii) আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা [Red Cross, Rotary International, অক্সফাম, Amnesty Int., অরবিস, TI, হিম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ, Boy Scouts, CARE, স্মাইল ট্রেন, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, Lions Club - সহ বিখ্যাত এন.জি.ও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়। ------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. বার্লিন
  3. ব্রাসেলস
  4. আমস্টারডাম
ব্যাখ্যা

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে মাস্ট্রিচ চুক্তি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।  
- বর্তমানে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৭টি।[মার্চ - ২০২৫]   

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো হলো:
- অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

সূত্র: EU ওয়েবসাইট। 

.
Commonwealth এর প্রথম নারী মহাসচিব কে?
  1. কমলা পারসাদ
  2. প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড
  3. মার্গারেট থ্যাচার
  4. স্যান্ড্রা ম্যাসন
ব্যাখ্যা

- কমনওয়েলথের প্রথম নারী মহাসচিব হলেন প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড। তিনি ২০১৫ সালে মাল্টায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের সভায় (CHOGM) নির্বাচিত হন। ডোমিনিকায় জন্মগ্রহণকারী স্কটল্যান্ড ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে এই পদে নির্বাচিত দ্বিতীয় ব্যক্তি।

কমনওয়েলথ: 
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট, এটা পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিন্ন স্বার্থে কাজ করে।
- কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ সংস্থার সকল সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্যদেশের সংখ্যা ৫৬টি। [মার্চ - ২০২৫]   
- এর প্রধান কার্যালয় মার্লবোরো হাউস, লন্ডন-এ অবস্থিত।
- কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান হলেন রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বাংলাদেশ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে যোগ দেয়।

সূত্র: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট। 

.
নিচের কোনটির সাথে 'পঞ্চশীলা" নীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে?
  1. CIRDAP
  2. NAM
  3. Arab League
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা
- NAM এর সাথে 'পঞ্চশীলা" নীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে। 

• NAM:
- ১৯৫৫ সালে বান্দুং (ইন্দোনেশিয়া) সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার নক্রমা।
- ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ন্যামের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২১ [মার্চ - ২০২৫]  
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল।
- এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত।
- 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
→ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
→ ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা;
→ অনাগ্রাসন;
→ অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
→ সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীল নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও NAM ওয়েবসাইট।
.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. নাইরোবি
  2. কায়রো
  3. আদ্দিস আবাবা
  4. কাম্পালা
ব্যাখ্যা
African Union:
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন,
- এটা মহাদেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
- সংস্থাটির পূর্ববর্তী নাম ছিল Organization of African Unity (OAU),
- এটা ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত এই নামে পরিচিত ছিল।
- পরবর্তীতে, ৯ জুলাই, ২০০২ সালে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় African Union।
- বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ৫৫টি। 
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া-তে অবস্থিত।

সূত্র: আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।
.
আরব লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কয়টি ছিলো?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা

আরব লীগ: 
- আরব লীগ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংগঠন,
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- এটি ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ২২ মার্চ, ১৯৪৫ সালে গঠিত হয়।
- আরব লীগের ভিত্তি ছিল আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল।
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় কায়রো, মিশর-এ অবস্থিত এবং এর অফিসিয়াল ভাষা আরবি।

উল্লেখ্য, 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিল ৭টি,
- এগুলো হলো মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন।
- বর্তমানে, আরব লীগের সদস্য সংখ্যা ২২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস ও সোমালিয়া।

সূত্র: আরব লীগ ওয়েবসাইট। 

.
BENELUX এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. বেলজিয়াম
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. লুক্সেমবুর্গ
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
BENELUX:
- BENELUX হল পশ্চিম ইউরোপের তিনটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক সংগঠন।
- এর পূর্ণনাম ‘Benelux Economic Union’। ১৯৪৪ সালে এটি একটি কাস্টমস ইউনিয়ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- BENELUX গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বেলজিয়ামের সাবেক শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনায়ক Paul-Henri Spaak.
- এর সদরদপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম-এ অবস্থিত।
- বর্তমানে, BENELUX-এর সদস্য দেশগুলো হলো বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, এবং লুক্সেমবুর্গ।
- নিউজিল্যান্ড এই জোটের সদস্য নয়।

সূত্র: BENELUX ওয়েবসাইট।
.
BRICS এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের প্রধান অফিস কোথায় অবস্থিত?
  1. মস্কো, রাশিয়া
  2. সাংহাই, চীন
  3. নয়াদিল্লি, ভারত
  4. কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
- BRICS এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হলো NDB (New Development Bank)। ব্যাংকটির সদরদপ্তর অবস্থিত চীনের সাংহাই শহরে।

New Development Bank:
- BRICS এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হলো New Development Bank (NDB)।
- পূর্বে এটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- এই ব্যাংকটি BRICS দেশসমূহের অর্থনৈতিক এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- NDB-এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।  

উৎস: ব্রিকসের ওয়েবসাইট।
.
G-7 এর এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

Group of 7 (G-7)
- G-7 হলো বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের সরকার প্রধানদের একটি জোট,
- এটা ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৬টি, 
- পরে কানাডা যোগ দেওয়ায় সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৭টি হয়।
- বর্তমানে G-7-এর সদস্য দেশগুলো হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ হলো জাপান।

উৎস: G-7 এর ওয়েবসাইট। 

.
D-8 এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. তুরস্ক
  2. ভারত
  3. মিশর
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

Developing Eight (D-8): 
- D-8 হলো মুসলিম বিশ্বের উন্নয়নশীল আটটি দেশের অর্থনৈতিক জোট,
- এটি ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- D-8-এর সদর দপ্তর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত।
- বর্তমানে D-8-এর সদস্য দেশ ৮টি, এগুলো হলো তুরস্ক, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ইরান।  

সূত্র: D-8 ওয়েবসাইট। 

১০.
World Economic Forum (WEF)-এর বার্ষিক অধিবেশন সাধারণত কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. দাভোস, সুইজারল্যান্ড
  4. বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

- World Economic Forum (WEF)-এর বার্ষিক অধিবেশন সাধারণত সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়। 

World Economic Forum (WEF): 
- World Economic Forum বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, এটি বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, ব্যবসা ও রাজনৈতিক নেতাদের একত্রিত করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে কাজ করে।
- এর পূর্ণরূপ World Economic Forum (WEF)।
- সংস্থাটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব।
- ফোরামের সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- শুরুতে এই সংস্থার নাম ছিল European Management Forum, তবে ১৯৮৭ সালে এটি World Economic Forum নামধারণ করে।
- প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সূত্র: WEF ওয়েবসাইট। 

১১.
MERCOSUR কোন মহাদেশের বাণিজ্য জোট?
  1. উত্তর আমেরিকা মহাদেশের
  2. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের
  3. ইউরোপ মহাদেশের
  4. আফ্রিকা মহাদেশের
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- MERCOSUR (Mercado Comun Del Sur) বা The Southern Common Market হলো দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- এটি ১৯৯১ সালে আসুনসিয়ন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হলেও ১৯৯৪ সালে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এই জোটের ৫টি সদস্যদেশ রয়েছে, যা হলো ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা।
- ২০০৬ সালে ভেনেজুয়েলা MERCOSUR-এ যোগ দেয়, তবে বর্তমানে এর সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
- এই সংস্থার সদরদপ্তর উরুগুয়ের মন্টিভিডিও শহরে অবস্থিত।

উৎস: MERCOSUR ওয়েবসাইট।

১২.
Red Cross এর প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. পল অ্যালেন
  2. হেনরি ডুনান্ট
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. অ্যান্টন ড্রেক্সলার
ব্যাখ্যা

Red Cross:
 - The International Red Cross and Red Crescent Movement (ICRM) সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- সংস্থাটি ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হেনরি ডুনান্ট।
- বর্তমানে রেডক্রসের সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

সূত্র: Red Cross ওয়েবসাইট।

১৩.
Amnesty International কী নিয়ে কাজ করে?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ
  2. মানবাধিকার রক্ষা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. বৈশ্বিক বাণিজ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
Amnesty International:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা: ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসেন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৬১ সালে।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

সূত্র: Amnesty International ওয়েবসাইট।
১৪.
অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস কত সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৮৬৩ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯১৪ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা

Rotary International: 
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল একটি সেবামূলক সংগঠন,
- এটা ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত।
- এটি ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস।
- সংস্থাটির নীতিবাক্য হলো "নিজের উপরে সেবা"।
- বর্তমানে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সদরদপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইভানস্টন, ইলিনয় শহরে অবস্থিত।

সূত্র: Rotary International ওয়েবসাইট। 

১৫.
নিচের কোন সংস্থার সদস্য হওয়া ব্যতীত IDB এর সদস্যপদ লাভ করা যায়না?
  1. জাতিসংঘ
  2. ওআইসি
  3. আরব লীগ
  4. ওপেক
ব্যাখ্যা

ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক: 
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমানে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। 
- এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। 
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক সদস্য দেশগুলোর উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ঋণ প্রদান করে, যা বিনা সুদে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) এর সদস্য হওয়া। বাংলাদেশের এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।

সূত্র: ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

১৬.
কোন দেশের নেতৃত্বে AIIB বা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

Asian Infrastructure Investment Bank: 
- AIIB বা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক চীনের নেতৃত্বে গঠিত একটি ব্যাংক।
- ব্যাংকটি ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদরদপ্তর চীনের বেইজিং শহরে অবস্থিত।
- AIIB এর বর্তমান সদস্য ১১০টি দেশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। 

সূত্র: AIIB ওয়েবসাইট। 

১৭.
SAARC এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
  1. আফগানিস্তান
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

SAARC: 
- এর পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation.
- SAARC প্রতিষ্ঠা লাভ করে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- এর সচিবালয় স্থাপিত হয় ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।  

SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র - গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত। 
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র - ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র - কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র - কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র - ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

সূত্র: SAARC ওয়েবসাইট। 

১৮.
Gulf Cooperation Council এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. মিশর
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা

GCC: 
- GCC এর পূর্ণরূপ Gulf Cooperation Council.
- এটি পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- GCC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালের ২৫ মে মাসে।
- এটির সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত।

GCC এর সদস্য ৬টি দেশ:
সৌদি আরব
সংযুক্ত আরব আমিরাত
→ কাতার, 
→ কুয়েত, 
বাহরাইন
→ ওমান। 

সূত্র: GCC ওয়েবসাইট।

১৯.
কোন দুটি সংস্থা G-20 এর সদস্য?
  1. UN ও NATO
  2. EU ও AU
  3. WB ও IMF
  4. SAARC ও ASEAN
ব্যাখ্যা

G-20:
- G-20 হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম,
- এটা বিশ্বের ১৯টি দেশ ও ২টি সংস্থার অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
- এই জোটটি বৈশ্বিক অর্থনীতি, বাণিজ্য ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- G-20-এর সদস্য দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)।
- ২০২৩ সালে সর্বশেষ আফ্রিকান ইউনিয়ন G-20-এর সদস্য হয়।  
 
 সূত্র: G-20 ওয়েবসাইট ও  Britannica.

২০.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুযায়ী কোনটি ধ্রুব রাশি নয়?
  1. ভর
  2. স্থান
  3. সময়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়।
- এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়।
- কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
- আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
ফোটন কণা সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. নিশ্চল ভর শূন্য।
  2. কণা ও তরঙ্গ দ্বৈত রূপ আছে।
  3. ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট।
  4. উপরের সবকটি সত্য
ব্যাখ্যা
 • ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।

• ফোটন:

- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রূপ আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
'ব্লাক হোল' বা কৃষ্ণবিবর সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আবিষ্কারক জন হুইলার
  2. ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি।
  3. মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র অনেক শক্তিশালী
  4. ভর প্রায় শূন্য।
ব্যাখ্যা
• 'ব্লাক হোল' বা কৃষ্ণবিবর:
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না।
- তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole) I
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবারপূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সৌর বছর
  2. গ্যালাক্টিক ইয়ার
  3. আলোক বর্ষ
  4. অ্যাস্ট্রোনমিক সাইকেল
ব্যাখ্যা
• গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year):
- একটি ছায়াপথ (যেমন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি) তার কেন্দ্রকে ঘিরে একবার পূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় নেয়, তাকে গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বলা হয়।
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ঘূর্ণন করছে।
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন বছর (২২.৫ থেকে ২৫ কোটি বছর) লাগে!

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪.
কোন কণাটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার সময় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয় এবং চেইন রিয়‍্যাকশন সৃষ্টি করে?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. ইলেকট্রন
  4. ফোটন
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission):
-  নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission) প্রক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ বা প্লুটোনিয়াম-২৩৯) নিউট্রনের আঘাতে বিভক্ত হয়।
-  বিভাজনের ফলে নতুন নিউট্রন নির্গত হয়, যা অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষ করে আরও নিউক্লিয়ার ফিশন ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে এবং একে বলে চেইন রিয়্যাকশন (Chain Reaction)।
- নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক বোমা এই চেইন রিয়্যাকশনের উপর নির্ভর করে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৫.
পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain) হয় কোন অঞ্চলে?
  1. আর্কটিক অঞ্চল
  2. নাতিশীতষ্ণ অঞ্চল
  3. মেরিটাইম অঞ্চল
  4. ট্রপিকাল অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain) হয় ট্রপিকাল বা নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

• পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):

- পরিচলন বৃষ্টি তখন ঘটে যখন পৃথিবীর একটি অঞ্চলে তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে এবং মাটি গরম হয়ে ওঠে।
- এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে বাতাসের মধ্যে তাপ স্থানান্তর ঘটায়, যা বাতাসকে উপরে উঠতে বাধ্য করে।
- উপরের দিকে উঠতে গিয়ে এই গরম বাতাসে জলীয় বাষ্প কনডেন্স (ঘনীকৃত) হয়ে বৃষ্টি সৃষ্টি করে।
- সাধারণত ট্রপিকাল(নিরক্ষীয়) অঞ্চলে (বিশেষত ইকুয়েটর অঞ্চল) এই ধরনের বৃষ্টি বেশি ঘটে, কারণ এখানে সূর্যের তাপ সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং দিনের বেলা তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে।
- এই ধরনের বৃষ্টির জন্য অপেক্ষাকৃত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বাতাসের ওঠানামার প্রয়োজন, যা ট্রপিকাল অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
২৬.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট কোনটি?
  1. ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. উত্তর আমেরিকান প্লেট
  3. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
  4. আফ্রিকান প্লেট
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate):
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট।

- এর আয়তন প্রায় 40,000,000  বর্গকিলোমিটার যা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের চেয়েও বড়।
- এটি প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean) এর নিচে অবস্থিত এবং বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির জন্য পরিচিত।

• টেকটোনিক প্লেট:

- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
-  ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate).

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭.
"প্রাকৃতিক নির্বাচন" (Natural Selection) তত্ত্বটি কে প্রস্তাব করেন?
  1. গ্রেগর মেন্ডেল
  2. চার্লস ডারউইন
  3. আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস
  4. জে ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) তত্ত্ব:
- প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) ধারণাটি ১৮৫৯ সালে চার্লস ডারউইন তার বিখ্যাত বই "On the Origin of Species"-এ ব্যাখ্যা করেন।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে পরিবেশের সাথে সবচেয়ে বেশি অভিযোজিত (adapted) প্রাণীগুলো বেঁচে থাকে এবং প্রজনন করে, আর দুর্বল বা কম অভিযোজিত প্রাণীগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

উদাহরণ:
- জিরাফের দীর্ঘ গলা:
- ডারউইনের মতে, প্রাচীন জিরাফদের মধ্যে কিছুদের গলা লম্বা ছিল, আর কিছুদের গলা ছোট ছিল।
- লম্বা গলার জিরাফেরা সহজেই উঁচু গাছের পাতা খেতে পারত, ফলে তারা বেশি বেঁচে থাকত ও বেশি প্রজনন করত।
- প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লম্বা গলার বৈশিষ্ট্যটি প্রাধান্য পেয়ে আজকের জিরাফ সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও Natural History Museum.com.
২৮.
'সুনামী' কী কারণে হয়?
  1. সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্পন
  2. চাঁদের মহাকর্ষীয় টান
  3. ঝড় ও বৃষ্টি
  4. উচ্চ বাতাসের চাপ
ব্যাখ্যা
• সুনামি (Tsunami):
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- তবে, ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়।
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেয়ু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
পৃথিবী তাপমাত্রা বৃদ্ধির কোন গ্যাস সবচেয়ে বেশি দায়ী?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. কার্বন মনো অক্সাইড
  4. ওজোন
ব্যাখ্যা
• পৃথিবী তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) গ্যাস সবচেয়ে বেশি দায়ী।
- এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে কাজ করে, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধারণ করে।

• কার্বন ডাইঅক্সাইড পৃথিবী তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে কার্যকর কারণ এটি:
- দীর্ঘস্থায়ী: CO₂ বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘ সময় ধরে থেকে যায়, প্রায় ১০০ বছর বা তার বেশি।
- প্রধান উষ্ণায়নকারী গ্যাস: অন্যান্য গ্রীনহাউস গ্যাস যেমন মিথেন (CH₄) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O) এর তুলনায় CO₂ বেশি পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে থাকে এবং এটি উষ্ণায়নে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে।
- নির্গমন বৃদ্ধি: শিল্পায়ন, যানবাহন, এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে CO₂ নির্গমন বৃদ্ধি পায়, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও U.S. Environmental Protection Agency।
৩০.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত একটি জীবন্ত জীবাশ্ম হলো-
  1. কিং ক্র্যাব
  2. পিঁপড়া
  3. পেঁচা
  4. কিং ফিশ
ব্যাখ্যা
• King Crab বা রাজ কাঁকড়া:
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাঁকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হওয়ায় অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ছাড়াই এরা পৃথিবীতে টিকে আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩১.
নাইট ভিশন ক্যামেরায় রাতে অন্ধকারে দেখার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
ব্যাখ্যা
• নাইট ভিশন ক্যামেরা:
- নাইট ভিশন ক্যামেরাগুলি প্রধানত অবলোহিত রশ্মি (Infrared Radiation) ব্যবহার করে অল্প আলো বা সম্পূর্ণ অন্ধকারের মধ্যে ছবি ধারণ করতে পারে।
- এই ক্যামেরাগুলি বিভিন্ন বস্তুর দ্বারা নির্গত তাপ (Heat) সনাক্ত করে এবং সেটিকে দৃশ্যমান চিত্রে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো সাধারণত সামরিক, নিরাপত্তা (Security), এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ (Wildlife Observation) কাজে ব্যবহৃত হয়।
নাইট ভিশন প্রযুক্তি মূলত দুটি উপায়ে কাজ করে—
- আলো বৃদ্ধি (Image Intensification): বিদ্যমান আলো (যেমন চাঁদের আলো বা তারার আলো) বাড়িয়ে একটি পরিষ্কার চিত্র তৈরি করে।
- তাপীয় ইমেজিং (Thermal Imaging): বস্তুগুলোর দ্বারা নির্গত অবলোহিত রশ্মি শনাক্ত করে এবং সম্পূর্ণ অন্ধকারেও দৃশ্যমান ছবি তৈরি করে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ অন্ধকারেও বস্তু বা প্রাণীকে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
-  এছাড়াও টিভি রিমোটে অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: NASA - Infrared Light & Its Uses.লিংক
৩২.
কোন বিজ্ঞানী 'মহাকর্ষ বলের সূত্র' আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. স্যার আইজ্যাক নিউটন
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. নিকোলাস কপারনিকাস
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ:
- ১৭৬৪ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন। এর নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল।
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল। অর্থাৎ যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত।
সূত্রটি হলো:
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে।
- এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত কম?
  1. ১/৪
  2. ১/৬
  3. ১/৮
  4. ১/১২
ব্যাখ্যা
• বস্তুর ওজন:
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ১২০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ২০ নিউটন হবে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩৪.
সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ কোনটি?
  1. মার্কারি
  2. ভেনাস
  3. স্যাটার্ন
  4. নেপচুন
ব্যাখ্যা
• সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ (Mercury)।
- এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ।
- বুধের কোন উপগ্রহ নেই।
- সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি।

• গ্রহগুলো  হলো:
- বুধ (Mercury)
- শুক্র (Venus)
- পৃথিবী (Earth)
- মঙ্গল (Mars)
- বৃহস্পতি (Jupiter)
- শনি (Saturn)
- ইউরেনাস (Uranus)
- নেপচুন (Neptune) I

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়: নবম-দশম শ্রেণি।