পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ টপিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সোশাল নেটওয়ার্কিং ও তথ্য প্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা [ক্লাস ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
Zigbee কোন ধরনের নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MAN
  2. LAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• Zigbee মূলত PAN (Personal Area Network) স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PAN। Zigbee একটি স্বল্প শক্তি খরচকারী, কম ডেটা রেটের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা স্বল্প দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি সাধারণত স্মার্ট হোম, সেন্সর নেটওয়ার্ক, শিল্প নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং IoT ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। Zigbee নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকে এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারে। MAN, LAN বা WAN-এর মতো বড় পরিসরের নেটওয়ার্ক স্থাপনে Zigbee উপযোগী নয়, কারণ এর কভারেজ সীমিত এবং এটি ব্যক্তিগত বা ক্ষুদ্র পরিসরের যোগাযোগের জন্য নকশা করা হয়েছে।

• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
মডেমের কোন কম্পোনেন্ট অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করে?
  1. গেটওয়ে
  2. মডুলেটর
  3. ডি-মডুলেটর
  4. এনকোডার
ব্যাখ্যা

• মডেমের যে কম্পোনেন্টটি অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করে তা হলো ডি-মডুলেটর (গ)। মডেম মূলত দুটি কাজ করে-ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করা এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটালে ফিরিয়ে আনা। প্রেরণের সময় কম্পিউটার থেকে আসা ডিজিটাল ডেটাকে টেলিফোন লাইনে পাঠানোর উপযোগী অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে মডুলেটর। আর গ্রহণের সময় টেলিফোন লাইন দিয়ে আসা অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ডি-মডুলেটর। তাই সঠিক উত্তর হলো ডি-মডুলেটর।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।

• মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

• মডুলেটর:
- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।

• ডি-মডুলেটর:
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান চালু করেছিল?
  1. Amazon
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম চালু করেছিল Amazon, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Amazon। ২০০৬ সালে Amazon তাদের বিদ্যমান অবকাঠামোকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য Amazon Web Services (AWS) চালু করে। AWS-এর মাধ্যমে অনলাইন স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস ও কম্পিউটিং ক্ষমতা ভাড়াভিত্তিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সার্ভার কিনে ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কাজ করতে হতো, যা ব্যয়বহুল ছিল। Amazon এই ধারণাকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্কেলযোগ্য করে তোলে, ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং দ্রুত জনপ্রিয় হয় এবং পরবর্তীতে Google, Microsoft ও IBM এই খাতে প্রবেশ করে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের মূল সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. San Francisco, California
  2. Menlo Park, California
  3. Mountain View, California
  4. Cupertino, California
ব্যাখ্যা

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের মূল সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের Cupertino শহরে অবস্থিত, যা সঠিক উত্তর ঘ) Cupertino, California। এই শহরেই অ্যাপলের বিখ্যাত প্রধান কার্যালয় “Apple Park” অবস্থিত, যা একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এবং এখানে অ্যাপলের শীর্ষ নির্বাহীসহ হাজার হাজার কর্মী কাজ করেন। যদিও ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য শহর যেমন San Francisco, Menlo Park ও Mountain View প্রযুক্তি শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ, তবে অ্যাপলের কেন্দ্রীয় পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল কেন্দ্র Cupertino-তেই অবস্থিত।

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- এর স্লোগান Think Different.
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড সদর দপ্তর কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা

.
Wi-Fi-এর পুরো রূপ কী?
  1. Wide Facility
  2. Wireless Facility
  3. Wireless Fidelity
  4. Wide Fidelity
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi-এর পুরো রূপ হিসেবে সাধারণভাবে Wireless Fidelity-কেই গ্রহণ করা হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Wireless Fidelity। Wi-Fi এমন একটি প্রযুক্তি যা তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। এর মাধ্যমে রাউটার ও বিভিন্ন ডিভাইস যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়। যদিও প্রযুক্তিগতভাবে Wi-Fi কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এটি একটি ব্র্যান্ড নাম, তবুও শিক্ষা ও সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে Wireless Fidelity নামটিই প্রচলিত ও স্বীকৃত। এই প্রযুক্তি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করেছে।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Peer to Peer Network
  4. Client-Server Network
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলতে Client-Server Network–কে বোঝায়। এই নেটওয়ার্কে একটি শক্তিশালী কম্পিউটারকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা পুরো নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। সার্ভার ব্যবহারকারীদের (ক্লায়েন্ট) তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ, ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্টার ব্যবহারের অনুমতি এবং বিভিন্ন সেবা প্রদান করে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলো সরাসরি একে অপরের উপর নির্ভর না করে সার্ভারের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করে। ফলে তথ্যের নিরাপত্তা বেশি থাকে, ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং বড় প্রতিষ্ঠানে এই নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) Client-Server Network.

 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের নাম কী?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে MAN (Metropolitan Area Network) বলা হয়। MAN সাধারণত একটি শহর বা কাছাকাছি অবস্থিত একাধিক শহর জুড়ে ডাটা যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি LAN-এর চেয়ে বড় পরিসরের এবং WAN-এর তুলনায় ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সিটি কর্পোরেশন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান MAN ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে।
- অন্যদিকে LAN ছোট এলাকার জন্য, PAN ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য এবং WAN দেশ বা মহাদেশজুড়ে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) MAN.

 
মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কমিউনিকেশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় কোন পদ্ধতিতে তথ্য চুরি করা হয়?
  1. স্নিফিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফার্মিং
ব্যাখ্যা

• কমিউনিকেশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্য চুরির একটি সাধারণ পদ্ধতি হলো স্নিফিং। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকার বা অবৈধ ব্যক্তি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত বার্তা চুরি করে। স্নিফার সফটওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের প্যাকেট ধরা হয় এবং এতে থাকা তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সাধারণত এটি অবৈধ এবং ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত করা হয়। স্নিফিং থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এনক্রিপশন, ভিপিএন এবং সিকিউর প্রটোকল ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা অপরিহার্য।

- উত্তর: ক) স্নিফিং।
 
• স্নিফিং:
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফ্টওয়‍্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে। 
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নেটওয়ার্কের লিঙ্কগুলোর ভৌগোলিক কাঠামো কী নামে পরিচিত?
  1. সুইচ
  2. টপোলজি
  3. রাউটার
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

- নেটওয়ার্কের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামোকে টপোলজি বলা হয়।
নেটওয়ার্কের লিঙ্কগুলোর ভৌগোলিক কাঠামোকে টপোলজি (Topology) বলা হয়। এটি নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইস এবং লিঙ্কগুলোর সম্পর্ক ও বিন্যাস কিভাবে হয়েছে তা চিত্রায়িত করে। টপোলজি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত: ফিজিক্যাল টপোলজি এবং লজিক্যাল টপোলজি। ফিজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডিভাইসগুলো বাস্তবে কিভাবে সংযুক্ত, আর লজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডেটা কিভাবে নেটওয়ার্কে প্রবাহিত হয়। সাধারণ টপোলজির ধরনগুলো হলো: বাস টপোলজি, স্টার টপোলজি, রিং টপোলজি, মেশ টপোলজি ইত্যাদি। সঠিক টপোলজি নির্বাচন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা, স্থায়িত্ব এবং ব্যয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: খ) টপোলজি।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

উৎস:  এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে কী বলা হয়?
  1. ফার্মিং
  2. ফিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে ফিশিং (Phishing) বলা হয়। ফিশিং হল একটি সাইবার অপরাধের ধরন, যেখানে অপরাধীরা ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নকল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে। তারা প্রায়শই বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তির ছদ্মবেশ গ্রহণ করে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে তথ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করে। এটি একটি নকল বার্তা বা লিঙ্কের মাধ্যমে ঘটে, যা ব্যবহারকারীকে ঠিকঠাক যাচাই না করে ক্লিক করার সময় তাদের তথ্য ফাঁস করে দেয়। তাই নিরাপত্তার জন্য কখনো অচেনা লিঙ্ক বা অননুমোদিত বার্তা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

- সঠিক উত্তর: খ) ফিশিং। 

• ফিশিং:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে।
- এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।
- এ পদ্ধতিটা কিছুটা টোপ দিয়ে মাছ ধরার মত।

- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
IaaS-এর মধ্যে ‘I’ কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Infrastructure
  2. Integrated
  3. Interface
  4. Internet
ব্যাখ্যা

IaaS-এ ‘I’ হলো Infrastructure এর সংক্ষিপ্ত রূপ। IaaS বা Infrastructure as a Service হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল, যেখানে ব্যবহারকারীরা ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার কেনার পরিবর্তে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহারকারীদের নিজের ডেটা সেন্টার পরিচালনার ঝামেলা ছাড়াই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রদান করে। IaaS-এ মূলত Infrastructure হলো ভিত্তি, যা ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস চালানোর জন্য ব্যবহার করে। ফলে, ‘I’ বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে Infrastructure, যা সঠিক উত্তর।

- সঠিক উত্তর: ক) Infrastructure.

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কোনটি বাহ্যিক আক্রমণ প্রতিহত করে?
  1. ম্যালওয়ার
  2. রাউটার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. এক্সেস পয়েন্ট
ব্যাখ্যা

• প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য ফায়ারওয়াল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফায়ারওয়াল হলো একটি সিকিউরিটি সিস্টেম যা নেটওয়ার্কের ভিতরের এবং বাহ্যিক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং চেষ্টা, ম্যালওয়ার বা অন্যান্য ক্ষতিকর আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম। ফায়ারওয়াল ব্যবহারকারীর নেটওয়ার্কে কোন ডেটা প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে কিনা তা নির্ধারণ করে, এবং নিয়মিত নিরাপত্তা নীতি প্রয়োগ করে। ফলে এটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাহ্যিক হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখে। অন্যদিকে, রাউটার, এক্সেস পয়েন্ট বা ম্যালওয়ার সরাসরি আক্রমণ প্রতিহত করে না; রাউটার ও এক্সেস পয়েন্ট শুধু নেটওয়ার্ক সংযোগ সরবরাহ করে, আর ম্যালওয়ার হলো হুমকির উৎস। সুতরাং বাহ্যিক আক্রমণ প্রতিহত করতে সঠিক উত্তর হলো ফায়ারওয়াল।
 
• ফায়ারওয়াল:
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।

১৩.
গেটওয়ের কাজের মুখ্য উদ্দেশ্য কী?
  1. ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  2. অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট
  3. ডেটা সংরক্ষণ
  4. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• গেটওয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা। নেটওয়ার্কে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়, যেমন TCP/IP, IPX/SPX বা অন্য কোনো প্রটোকল। যদি দুটি নেটওয়ার্ক ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করে, তবে সরাসরি তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধান করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সময় প্রটোকল রূপান্তর (protocol conversion) করে। ফলে ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কগুলোকে কার্যকরভাবে সংযুক্ত করা সম্ভব হয় এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN, WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• গেটওয়ের সুবিধা:
- রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
- অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
- কনফিগারেশন করা তুলনামূলক জটিল।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
অন্যের রচনা নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. ফিশিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্ফুফিং
ব্যাখ্যা

• অন্যের রচনা বা লেখা নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করা হলো প্লেজিয়ারিজম। এটি একটি অসৎ কাজ, যেখানে কেউ অন্যের মেধা বা শ্রমের ফল নিজের হিসেবে দাবি করে। লেখক বা স্রষ্টার অনুমতি না নিয়ে তাদের লেখা ব্যবহার করা আইনগত ও নৈতিকভাবে ভুল। প্লেজিয়ারিজম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচলিত হলেও, এটি গবেষণা ও পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি কেবল লেখার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, গান, ছবি, কোড বা যেকোনো সৃজনশীল কাজকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সতর্কতা অবলম্বন করে নিজের কাজ তৈরি করা এবং অন্যের কাজ ব্যবহার করলে যথাযথ ক্রেডিট দেওয়া উচিত।

- সঠিক উত্তর: গ) প্লেজিয়ারিজম। 
 
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১৫.
গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর পুরাতন নাম কী ছিল?
  1. গুগলপ্লেক্স
  2. ব্যাকরাব
  3. ডুডল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর পুরাতন নাম ছিল “ব্যাকরাব”। ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন, যারা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন, ১৯৯৬ সালে একটি প্রজেক্ট হিসেবে একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেন। তখন এটি “ব্যাকরাব” নামে পরিচিত ছিল। নামটি এসেছে “ব্যাকরাবিং” থেকে, যা মূলত ওয়েব পেজের লিঙ্ক বিশ্লেষণ করার একটি পদ্ধতি নির্দেশ করে। পরে ১৯৯৮ সালে এই প্রজেক্টটি অফিসিয়ালি প্রতিষ্ঠিত হলে নাম পরিবর্তন করে “গুগল” রাখা হয়, যা গণনার জন্য ১-এর পরে ১০০ শূন্যের পরিমাণ বোঝায়। তাই গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর নাম ছিল ব্যাকরাব, যা কোম্পানির উদ্ভাবনী যাত্রার প্রারম্ভ নির্দেশ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) ব্যাকরাব।
 
গুগল (Google): 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬.
Twitter-এর মালিকানাধারী কোম্পানির নাম কী?
  1. SpaceX
  2. Google
  3. Amazon
  4. X Holdings Corp.
ব্যাখ্যা

• Twitter-এর মালিকানাধারী কোম্পানির নাম হলো X Holdings Corp.। এটি ইলন মাস্কের মালিকানাধীন একটি কোম্পানি, যিনি প্রযুক্তি ও ব্যবসায় নানা খাতে বেশ পরিচিত। ২০২২ সালে ইলন মাস্ক Twitter কিনে এই প্ল্যাটফর্মটির মালিকানা গ্রহণ করেন। Twitter মূলত একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ২৮০ অক্ষরের টুইট পোস্ট করতে পারে, খবর শেয়ার করতে পারে এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রকাশ করতে পারে। X Holdings Corp. মূলত Twitter-এর কর্পোরেট স্ট্রাকচার ও পরিচালনা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে। অন্য বিকল্পগুলো যেমন SpaceX, Google বা Amazon এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মালিক নয়; এরা সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে কার্যক্রম চালায়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) X Holdings Corp.

Twitter:
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মে ২৮০ অক্ষরের বেশি নয় — এমন ছোট বার্তা বা টুইট পাঠানো হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭.
বাস টপোলজিতে কোনটি সাধারণত ব্যবহার করা হয় না?
  1. ব্যাকবোন
  2. টারমিনেটর
  3. মূল ক্যাবল
  4. কেন্দ্রীয় কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• বাস টপোলজিতে সাধারণত “কেন্দ্রীয় কম্পিউটার” ব্যবহার করা হয় না। বাস টপোলজি হলো একটি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার যেখানে সমস্ত ডিভাইস একটি একক কমিউনিকেশন লাইন বা মূল ক্যাবলের সাথে সংযুক্ত থাকে। এখানে ডেটা একের পর এক সব ডিভাইসের মধ্যে প্রেরিত হয় এবং প্রয়োজনীয় গন্তব্যে পৌঁছায়। বাস টপোলজিতে ব্যাকবোন বা মূল ক্যাবল অপরিহার্য, কারণ এটি ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত রাখে। এছাড়া, টারমিনেটর ব্যবহার করা হয় সংকেত প্রতিফলন রোধ করতে। কিন্তু কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না, কারণ এটি স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য, যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার বা হাবের মাধ্যমে সব ডিভাইসের যোগাযোগ হয়। তাই এই টপোলজিতে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার প্রয়োজন হয় না।
 
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 

 বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।