উত্তর
ব্যাখ্যা
কয়েকটি দেশি শব্দ হচ্ছে: চুলা, কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
চাকর, চাকু, তোপ তুর্কি ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন
শান্ত - অশান্ত;
শিষ্ট - অশিষ্ট;
সরস - নীরস;
যশ - অপযশ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ঘাত - প্রতিঘাত;
আবার, অপঘাত শব্দটি ঘাত শব্দের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ।
উত্থান - পতন৷
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
আকাশ - ব্যোম, গগন, নভোমন্ডল, দ্যুলোক, অন্তরিক্ষ/অন্তরীক্ষ।
পদ্ম - অরবিন্দ, কমল, পঙ্কজ, উৎপল, শতদল, রাজীব, পুণ্ডরীক৷
ঢেউ - ঊর্মি, বীচি, তরঙ্গ, কল্লোল, হিল্লোল, মহোর্মি, মহাতরঙ্গ, জোয়ার।
সিংহ - পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, হরি।উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
ফরাসি - কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ৷
ফারসি - চশমা, তোশক, দফতর, দোকান, দৌলত, বান্দা, নালিশ, বেগম, ফেরেশতা, বেহেশত৷
'তারিখ' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
অন্ধকার - আধাঁর, তিমির, তমঃ।
চাঁদ - চন্দ্র, সুধাকর, সোম, বিধু।
পাখি - পক্ষী, বিহগ, পতগ, বিহঙ্গ, খগ, দ্বিজ, খেচর, পক্ষধর, চিড়িয়া, পাখপাখালি।
রাত্রি - নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ক্ষণদা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য: যে বাক্যের মধ্যে একটি প্রধান বাক্য থাকে এবং একাধিক বাক্যকে প্রধান বাক্যের ওপর নির্ভরশীল দেখা যায়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে৷
যেমন-
যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে৷
যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি সুখী হন।
উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷
অগ্নি - বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, আগুন, বায়ুসখা, সর্বভুক।
বৃক্ষ - দ্রুম, বিটপী, তরু, মহীরুহ, গাছপালা।
অশ্ব - তুরগ, তুরঙ্গম, ঘোটকী।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
কর্ম ও ভাববাচ্যের ধাতুর পর তব্য ও অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়।
যেমন -√কৃ + তব্য = কর্তব্য; √দা + তব্য = দাতব্য; √পঠ্ + তব্য = পঠিতব্য৷ √কৃ + অনীয় = করণীয়, √রক্ষ্ + অনীয় = রক্ষণীয়৷
এরূপ- দর্শনীয়, পানীয়, শ্রবণীয়, পালনীয় ইত্যাদি৷
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনে রক্ষণীয় - শব্দটির প্রকৃতি প্রত্যয়ে 'হসন্ত' ব্যবহার হয় নি। তাই এটি সঠিক নয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
ফারসি শব্দের উদাহরণ হলোঃ
খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, কারখানা, চশমা, তোশক, দফতর, দোকান, দৌলত, বান্দা, নালিশ, বেগম, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা, আদমি, আমদানি, রফতানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
'তারিখ' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ও বাংলা একাডেমী অভিধান।
তৃচ্-প্রত্যয় : প্রথমা একবচনে 'তৃ' স্থলে 'তা' হয়৷
যেমন-
√দা + তৃচ্ / তৃ/ তা = দাতা,
√মা + তৃচ্ = মাতা,
√ক্রী + তৃচ্ = ক্রেতা৷
বিশেষ নিয়মে: √যুধ্ + তৃচ/তা = যোদ্ধা৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
হস্তী- হাতি, গজ, নাগ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, বারণ, দন্তী, দ্বিপ, দ্বিরদ।
রাজা - শাসক, নৃপতি, নরপতি, নৃপ, ভূপাল, মহীপতি, সম্রাট, বাদশাহ।
কোকিল - পিক, পরভৃত, কোয়েল, কাকপুষ্ট, বসন্তী, বসন্তদূত।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
সরল - বক্র
হলন্ত/হসন্ত - অকারান্ত
হর্ষ - বিষাদ
সূক্ষ্ম - স্থুল
উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷
অগ্র - পশ্চাৎ
অনুরক্ত - বিরক্ত
অধমর্ণ - উত্তমর্ণ
অনুরাগ - বিরাগ
উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷