পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বেগম রোকেয়া, মানোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, মামুনুর রশিদ, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। [প্রধান সাহিত্যিকগণের তথ্যগুলো ভালভাবে পড়বেন। আর বাকীদের ব্যাসিক তথ্যগুলো পড়বেন।] সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
‘যুগলাঙ্গুরীয়’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

- ‘যুগলাঙ্গুরীয়’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস।
- ‘যুগলাঙ্গুরীয়’ ১৮৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ছোট আখ্যান।
- এটি প্রাচীন পটভূমিকায় একটি প্রেম কাহিনী।
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুন্ডলা’ উপন্যাসের চরিত্র কোনটি ?
  1. ক) কাপালিক
  2. খ) গোবিন্দলাল
  3. গ) নিখিলেশ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) কাপালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাপালিক
ব্যাখ্যা

কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে
- ১৮৭৩ সালে গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন।
-  এই উপন্যাসের চরিত্র - কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক ইত্যাদি

- গোবিন্দলাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের চরিত্র।
- নিখিলেশ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ;ঘরে-বাইরে’ উপন্যাসের চরিত্র।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

.
নওয়াব ফয়জন্নেসা রচিত গ্রন্থ কোনটি ?
  1. ক) চাষাভূষার কাব্য
  2. খ) রূপজালাল
  3. গ) আমাদের শিক্ষা
  4. ঘ) আঁখিজল
সঠিক উত্তর:
খ) রূপজালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রূপজালাল
ব্যাখ্যা

নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন নারীশিক্ষার পথিকৃৎ।
- মহারানী ভিক্টোরিয়া ১৮৮৯ সালে তাঁকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তিনিই বাংলার প্রথম মহিলা যিনি এই উপাধি লাভ করেন।
- রূপজালাল তাঁর একমাত্র সাহিত্য কর্ম।
অন্যদিকে,
- ‘চাষাভূষার’ কাব্য নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি গ্রন্থ।
- ‘আমাদের শিক্ষা’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- ‘আঁখিজল’ কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি কাব্য।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

.
নীলিমা ইব্রাহিম কত সালে বেগম রোকেয়া পদক লাভ করেন ?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

নীলিমা ইব্রাহিম একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।
নীলিমা ইব্রাহিম সমাজকর্ম ও সাহিত্যে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বহু পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছেন।
সেগুলি হলো:
- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৯),
- জয়বাংলা পুরস্কার (১৯৭৩),
- মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার (১৯৮৭),
- লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৮৯),
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী স্মৃতিপদক (১৯৯০),
- অনন্য সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৬),
- বেগম রোকেয়া পদক (১৯৯৬),
- বঙ্গবন্ধু পুরস্কার (১৯৯৭),
- শেরে-বাংলা পুরস্কার (১৯৯৭),
- থিয়েটার সম্মাননা পদক (১৯৯৮) ও
- একুশে পদক (২০০০)।
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

.
নিচের কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ?
  1. ক) প্রবন্ধ সংগ্রহ
  2. খ) মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য
  3. গ) তেল নুন লাকড়ি
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

- মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য - অধ্যাপক আনিসুজ্জামান রচিত একটি গবেষণাধর্মী বই।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বদরুদ্দীন উমর কোন সাময়িকী সম্পাদন করেন ?
  1. ক) সংস্কৃতি
  2. খ) সবুজপত্র
  3. গ) নিরুক্ত
  4. ঘ) নারীশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা

বদরুদ্দীন উমর একজন বাংলাদেশি মার্কসবাদী–লেনিনবাদী তাত্ত্বিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (উমর)-এর নেতা।
- তিনি সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ছিলেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটের।
- তিনি 'সংস্কৃতি' নামে একটি রাজনৈতিক সাময়িকী সম্পাদনা করেছেন।
উল্লেখযোগ্য রচনা:
- সাম্প্রদায়িকতা (১৯৬৬)
- সংস্কৃতির সংকট (১৯৬৭)
- সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা (১৯৬৮)
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ (১৯৭৪)
- যুদ্ধ পূর্ব বাঙলাদেশ (১৯৭৬) ইত্যাদি
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

.
ফররুখ আহমেদ রচিত ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৪ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমেদ রচিত ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়
এই বইয়ের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- পাঞ্জেরী,
- সিন্দবাদ,
- আকাশ-নাবিক,
- ডাহুক,
- এই সব রাত্রি
- লাশ
- আউলাদ
- দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও সাত সাগরের মাঝি]

.
‘ময়নামতির চর‘ কি ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) নাটক
  2. খ) কাব্য
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) গল্প
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্য
ব্যাখ্যা

বন্দে আলী মিয়া একজন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর।
তার সাহিত্যকর্ম-
- ময়নামতীর চর (১৯৩০),
- অনুরাগ (১৯৩২),
- পদ্মানদীর চর (১৯৫৩),
- মধুমতীর চর (১৯৫৩),
- ধরিত্রী (১৯৭৫)
- ময়নামতীর চর তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠকাব্য।

তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য গুলো হলো:
- চোর জামাই (১৯২৭),
- মেঘকুমারী (১৯৩২),
- বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা (১৯৩২),
- সোনার হরিণ (১৯৩৯),
- শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা (১৯৫৬),
- কুঁচবরণ কন্যা (১৯৬১),
- সাত রাজ্যের গল্প (১৯৭৭

- শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৬২ সালে লাভ করেন।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

.
‘তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ’ কাব্যগ্রন্থ কে রচনা করেন ?
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু
  2. খ) অমিয় চক্রবর্তী
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) বিষ্ণু দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা

বিষ্ণু দে, একজন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
বিষ্ণু দে রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস (১৯৩৩),
- চোরাবালি (১৯৩৭),
- সাত ভাই চম্পা (১৯৪৪),
- রুচি ও প্রগতি (১৯৪৬),
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ (১৯৫২),
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার (১৯৫৩),
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ (১৯৫৮),
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত (১৯৬৩),
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা (১৯৬৬),
- মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য জিজ্ঞাসা (১৯৬৭)
- In the Sun and the Rain (১৯৭২),
- উত্তরে থাকো মৌন (১৯৭৭),
- সেকাল থেকে একাল (১৯৮০),
- আমার হূদয়ে বাঁচো (১৯৮১) ইত্যাদি।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১০.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
  1. ক) পূরবী
  2. খ) কল্পনা
  3. গ) চৈতালি
  4. ঘ) ললিতা তথা মানস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ললিতা তথা মানস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ললিতা তথা মানস
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- মানসী
- সোনারতরী
- চিত্রা
- কল্পনা
- বলাকা
- পুনশ্চ
- সেঁজুতি
- শেষলেখা
- পূরবী
- চৈতালি

- ‘ললিতা তথা মানস’ বঙ্কিমচন্দ্র রচিত কাব্যগ্রন্থ।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১১.
মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যর উৎস কি ?
  1. ক) মহাভারত
  2. খ) রামায়ণ
  3. গ) ভগবৎ
  4. ঘ) ওডিসি
সঠিক উত্তর:
খ) রামায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রামায়ণ
ব্যাখ্যা

মেঘনাদবধ কাব্য কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য
- এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়।
- মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো :
- তিলোত্তমা সম্ভব
- ব্রজাঙ্গনা
- বীরাঙ্গনা
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১২.
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচিয়তা কে ?
  1. ক) নাথিলিয়েন ব্রাশি হ্যালহেড
  2. খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. ঘ) মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ
ব্যাখ্যা

মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ একজন পর্তুগিজ। মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ এর আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেনি।
১৭৪৩ সালে মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন।
গ্রন্থ দুটি হলো :
- কৃপা শাস্ত্রের অর্থভেদ
- ভোকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ
এর মধ্যে ভোকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ গ্রন্থে একটি অধ্যায়ে মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ সংযোজন করেন। তাই তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচিয়তা।
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১৩.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্যের নাম কী?
  1. ক) তিলোত্তমা সম্ভব
  2. খ) বীরাঙ্গনা
  3. গ) ব্রজাঙ্গনা
  4. ঘ) মেঘনাদবধ কাব্য
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রজাঙ্গনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রজাঙ্গনা
ব্যাখ্যা

ব্রজাঙ্গনা রাধা কৃষ্ণের প্রেম বিষয়ক গীতিকাব্য

- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বীরাঙ্গনা বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য
- তিলোত্তমা সম্ভব অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্য গ্রন্থ।
- মেঘনাদবধ কাব্য কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য।
- বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক,অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলে মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

১৪.
‘কুমুদ’, ‘মতি’ চরিত্রগুলো কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
  1. ক) পদ্মানদীর মাঝি
  2. খ) পুতুলনাচের ইতিকথা
  3. গ) অহিংসা
  4. ঘ) জননী
সঠিক উত্তর:
খ) পুতুলনাচের ইতিকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুতুলনাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
পুতুলনাচের ইতিকথা বাঙালি সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাসের চরিত্র গুলো হলো :
- শশী,
- কুসুম,
- কুমুদ,
- মতি
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

১৫.
‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি কে লিখেছেন?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) সেলিম আল দীন
  3. গ) মামুনুর রশীদ
  4. ঘ) নুরুল মোমেন
সঠিক উত্তর:
গ) মামুনুর রশীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা

মামুনুর রশীদ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক।
তিনি টিভির জন্যেও অসংখ্য নাটক লিখেছেন এবং অভিনয় করেছেন।
'ওরা কদম আলী’ নাটকটি ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
গরিব ও মেহনতি মানুষের ব্যাক্তিক প্রতিবাদ সামষ্টিক রূপ কিভাবে পরিগ্রহ করে কদম আলী নামের একটি বোবা চরিত্রের মধ্যে দিয়ে এ নাটকে তা দেখানো হয়েছে।
মামুনুর রশীদ প্রকাশিত নাটকের নাম হলো :
- ওরা কদম আলী
- ওরা আছে বলেই
- মে দিবস পাথর
- সমতট
- লেবেদেফ
- এখানে নোঙ্গর
মামুনুর রশীদ ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করে।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১৬.
বঙ্কিমচন্দ্রচট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায় ?
  1. ক) চবিবশ পরগনায়
  2. খ) কলকাতায়
  3. গ) বর্ধমান
  4. ঘ) চুরুলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) চবিবশ পরগনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চবিবশ পরগনায়
ব্যাখ্যা

বঙ্কিমচন্দ্রচট্টোপাধ্যায় ছিলেন ঔপন্যাসিক,বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- বঙ্কিমচন্দ্রচট্টোপাধ্যায় চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮৯১ সালে ‘রায়বাহাদুর’ এবং ১৮৯৪ সালে ‘Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire’ (CMEOIE) উপাধি লাভ করেন ।
[উৎস : বাংলাপিডিয়া]

১৭.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “সেঁজুতি” কাব্যগ্রন্থে কতটি কবিতা রয়েছে?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ২২ টি
  3. গ) ২১ টি
  4. ঘ) ২৩ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ টি
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যের অধিকাংশ কবিতাই কবির মৃত্যু সম্পর্কে ভাবনা এবং পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা রয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থে ২২টি কবিতা রয়েছে।
এই কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- জন্মদিন
- পত্রোত্তর
- যাবার মুখে
- অমর্ত
- পলায়নী
- স্মরণ
- সন্ধ্যা
- ভাগীরথী ইত্যাদি

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থ]

১৮.
ফররুখ আহমেদ কোন পত্রিকা সম্পাদনার কাজ করেন?
  1. ক) মোহাম্মদী
  2. খ) হাফেজ
  3. গ) শিখা
  4. ঘ) কল্লোল
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদী
ব্যাখ্যা

- ফররুখ আহমেদ মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকা সম্পাদনা করেন
এছাড়া
- হাফেজ পত্রিকার সম্পাদক শেখ আব্দুর রহিম।
- শিখা পত্রিকার সম্পাদক আবুল হোসেন।
- কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক দীনেশচন্দ্র দাস।
[উৎস : বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা]

১৯.
বার্ট্রান্ড রাসেলের ‘Conquest of Happiness’ গ্রন্থের ভাবানুবাদ করেন কে?
  1. ক) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  3. গ) মুনীর চৌধুরী
  4. ঘ) মীর মোশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা

মোতাহের হোসেন চৌধুরী(১৯০৩-১৯৫৬) ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, লেখক। নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
তিনি তাঁর রচনায় সংস্কৃতি, ধর্ম, মানবতাবোধ ও মানুষের জীবনাচরণের মৌলিক বিষয়গুলি সংজ্ঞায়িত ও উন্মোচিত করতে চেয়েছেন এবং বিচিত্র ও সুন্দরভাবে বাঁচার মধ্যে মহত্তম জীবনের সন্ধান করেছেন।

- তাঁর প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ - সংস্কৃতি কথা (১৯৫৮)।
- দ্বিতীয় গ্রন্থ সুখ (১৯৬৫) বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের এবং তৃতীয় গ্রন্থ সভ্যতা (১৯৬৫) ক্লাইভ বেল-এর Civilization গ্রন্থের ভাবানুবাদ।

১৯৫৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২০.
মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের পটভূমি কি?
  1. ক) পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  2. খ) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  3. গ) পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরী একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলায়।

- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা তাঁর মৌলিক নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২)-এর (১৯৫৯) মূল চেতনায় আছে যুদ্ধবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে নরনারীর প্রেম।
- নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২১.
কার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলন থেকে ১৯২৬ সালে ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. খ) আবুল হুসেন
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) কাজী আবদুল ওদুদ
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়
- সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। এরাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য।
- নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২.
মুনীর চোধুরী রচিত ‘দন্ডকারণ্য’ গ্রন্থে কয়টি নাটক রয়েছে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৩
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান,
- চিঠি (১৯৬৬),
- কবর (রচনাকাল ১৯৫৩, প্রকাশকাল ১৯৬৬) পূর্ববাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক, নাটকটির পটভূমি হলো ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন.
- দণ্ডকারণ্য (১৯৬৬): রূপকাশ্রয়ী নাটক।
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য (১৯৬৯)।
- মানুষ(১৯৪৭): ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কাহিনী এর মূল উপজীব্য।
- নষ্ট ছেলে(১৯৫০): রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ নাটক।

দণ্ডকারণ্য(১৯৬৬): তিনটি নাটকের সমন্বয়।
যথা:
- দণ্ড
- দণ্ডধর
- দন্ডকারণ্য

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

২৩.
‘রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম’ অনুবাদ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  3. গ) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. ঘ) মীর মশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
ক) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯):
তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ।
১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প (১৯২২),
- ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১),
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ (১৯৩৬),
- দীওয়ান-ই-হাফিজ (১৯৩৮),
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ (১৯৪২),
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম (১৯৪২), [অনুবাদ গ্রন্থ]
- Essays on Islam (১৯৪৫),
- আমাদের সমস্যা (১৯৪৯),
- পদ্মাবতী (১৯৫০),
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খন্ড ১৯৫৩, ১৯৬৫),
- বিদ্যাপতি শতক (১৯৫৪),
- বাংলা আদব কী তারিখ (১৯৫৭),
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (১৯৫৭),
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত (১৯৫৯),
- কুরআন শরীফ (১৯৬৩),
- অমরকাব্য (১৯৬৩),
- সেকালের রূপকথা (১৯৬৫) ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
ড. শহীদুল্লাহ ছাড়াও বাংলা ভাষায় কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬), কান্তি ঘোষ, নরেন দেব (১৮৮৮-১৯৭১), সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৪-১৯৭৪), সিকান্দার আবু জাফর (১৯১৯-১৯৭৫), শক্তি চট্টোপাধ্যায়সহ (১৯৩৪-১৯৯৫) অনেকে রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম অনুবাদ করেছেন।
তবে কাজী নজরুল ইসলাম ফারসি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে এক অপূর্ব ও অসাধারণ অবদান।


উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিবেদন।

২৪.
‘বসন্তকুমারী’ নাটকটি প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৭৩
  2. খ) ১৮৬১
  3. গ) ১৮৬০
  4. ঘ) ১৮৫৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৭৩
ব্যাখ্যা

মুসলিম প্রথম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, পাঠ্যপুস্তক ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো:
- গোরাই-ব্রিজ অথবা গৌরী-সেতু (১৮৭৩),
- বসন্তকুমারী নাটক (১৮৭৩),
- জমিদার দর্পণ (১৮৭৩),
- এর উপায় কি (১৮৭৫),
- বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১),
- সঙ্গীত লহরী (১৮৮৭),
- গো-জীবন (১৮৮৯),
- বেহুলা গীতাভিনয় (১৮৯৮),
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০),
- তহমিনা (১৮৯৭),
- টালা অভিনয় (১৮৯৭),
- নিয়তি কি অবনতি (১৮৮৯),
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী (১৮৯৯),
- মৌলুদ শরীফ (১৯০৩),
- মুসলমানদের বাঙ্গালা শিক্ষা (দুই ভাগ ১৯০৩, ১৯০৮),
- বিবি খোদেজার বিবাহ (১৯০৫),
- হযরত ওমরের ধর্মজীবন লাভ (১৯০৫),
- মদিনার গৌরব (১৯০৬),
- বাজীমাৎ (১৯০৮),
- আমার জীবনী (১৯০৮-১৯১০),
- আমার জীবনীর জীবনী বিবি কুলসুম (১৯১০) ইত্যাদি।

- তাঁর অমর কীর্তি বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনী বিবৃত হয়েছে। তবে অনেক ঘটনা ও চরিত্র সৃষ্টিতে উপন্যাসসুলভ কল্পনার আশ্রয়ও নেওয়া হয়েছে।
- তাঁর জমিদার দর্পণ নাটকটি ১৮৭২-৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সংঘটিত কৃষক-বিদ্রোহের পটভূমিকায় রচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৫.
‘হিতোপদেশ’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
  1. ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) উইলিয়াম কেরী
  4. ঘ) প্যারীচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (আনু. ১৭৬২-১৮১৯): তিনি ছিলেন একজন সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। নাটোর-রাজের দরবারে লেখাপড়া শিখে তিনি সংস্কৃত পন্ডিতে পরিণত হন।
- তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলো হচ্ছে:
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২),
- হিতোপদেশ (১৮০৮),
- রাজাবলী (১৮০৮) এবং
- প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত)।
- এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা। এসব গদ্য প্রায় সবই অনুবাদমূলক; তা সত্ত্বেও তাঁর রচনা-রীতির কারণে অনেকটা মৌলিক রূপ লাভ করেছে।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং আনন্দবাজার পত্রিকা আর্কাইভ।

২৬.
‘কাব্য কুসুমাঞ্জলি’ কার রচনা?
  1. ক) মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. খ) বিষ্ণু দে
  3. গ) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন কবি, সাংবাদিক।
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন মূলত কবি, তবে তাঁর গদ্যরচনাও আছে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি:
- কাব্য কুসুমাঞ্জলি (১৮৮১),
- অপূর্বদর্শন (১৮৮৫),
- প্রেমহার (১৮৯৮),
- হজরত মহাম্মদ (১৯০৩),
- জাতীয় ফোয়ারা (১৯১২),
- ইসলাম সঙ্গীত (১৯২৩);
- গদ্য রচনা মহর্ষি-মনসুর (১৮৯৬),
- ফেরদৌসী-চরিত (১৮৯৮),
- শাহনামা (১৯০৯),
- তাপসকাহিনী (১৯১৪, ২য় সং),
- খাজা ময়ীনউদ্দীন চিশতী (১৯১৮),
- হাতেমতাই (১৯১৯),
- টিপু সুলতান (১৯৩১);

উপন্যাস -
- জোহরা (১৯১৭),
- দরাফ খান গাজী (১৯১৯) ইত্যাদি।

- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৭.
রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্পধর্মী উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) নষ্টনীড়
  2. খ) চতুরঙ্গ
  3. গ) দেনা পাওনা
  4. ঘ) রবিবার
সঠিক উত্তর:
খ) চতুরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চতুরঙ্গ হলো ছোট গল্পধর্মী উপন্যাস
- অন্যদিকে তার রচিত নষ্টনীড় হলো উপন্যাসধর্মী ছোট গল্প

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৮.
‘কাঙাল হরিনাথ’ কোন সাহিত্যক্যের সাহিত্যগুরু ছিলেন?
  1. ক) মীর মশাররফ হোসেন
  2. খ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  3. গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ক) মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা

মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১) ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র (১৮৬৩) মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকার সম্পাদক ‘কাঙাল হরিনাথ’ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার (১৮৭৪) ও হিতকরী (১৮৯০) নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৯.
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) গোরা
  2. খ) চোখের বালি
  3. গ) ঘরে বাইরে
  4. ঘ) যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
খ) চোখের বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চোখের বালি
ব্যাখ্যা

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চোখের বালি হলো বাংলা সাহিত্যে প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো - মহেন্দ্র, আশা, বিহারী, বিনোদিনী প্রমুখ।
উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩০.
‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।’ - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে উক্তিটি কে করছেন?
  1. ক) বশির
  2. খ) জরিনা বেগম
  3. গ) নবাব সুজাউদ্দৌলা
  4. ঘ) নজীবদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব সুজাউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব সুজাউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরী একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা তাঁর মৌলিক নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর-এর (১৯৫৯) মূল চেতনায় আছে যুদ্ধবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে নরনারীর প্রেম।
- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।’ - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে উক্তিটি করছেন - নবাব সুজাউদ্দৌলা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

৩১.
মনিপুর রাজকন্যা ও অর্জুনের পৌরাণিক প্রণয় কাহিনী অবলম্বনে রচিত নাটক কোনটি?
  1. ক) বিসর্জন
  2. খ) চিত্রাঙ্গদা
  3. গ) ডাকঘর
  4. ঘ) অচলায়তন
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রাঙ্গদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রাঙ্গদা
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিত্রাঙ্গদা নাটকটি রচনা করেন।
- এই নাটকে মনিপুর রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদা ও অর্জুনের পৌরাণিক প্রণয় কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
- এই নাটকটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।