পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বাংলাবিদ ব্যাকরণ: পরীক্ষা – ১৯ টপিক: যতিচিহ্ন, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়া ভাব ছন্দ ও অলংকার [লাইভ ক্লাস – ৩৭, ৩৮ ও ৩৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
যতিচিহ্নের প্রচলন:
- বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তাকে বাংলা গদ্যের জনক ও বলা হয়।
- বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থেই তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য বা কবিতা কোথাও যতিচিহ্ন ব্যবহার হতো না।
- শুধু পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িজ্ঞাপক চিহ্নটি ছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে থামার পরিমাণ -
  1. এক সেকেন্ড থামতে হয়
  2. 'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
  3. 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে
  4. থামার প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর:
'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা
সেমিকোলন (;):
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
- কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।

সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে থামার পরিমাণ:
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ?
  1. ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  2. আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
  3. দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
  4. এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
সঠিক উত্তর:
দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
ব্যাখ্যা
সাধারণ ভবিষ্যৎ:
- ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।

যেমন-
- আমরা রংপুরে যাব।
- দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে

অন্যদিকে,
ঘটমান ভবিষ্যৎ - আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব। এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ - ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
'কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুন্যবান।' - এটি কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত
  2. নিত্যবৃত্ত
  3. ঘটমান
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়; সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়।
কাব্যের ভনিতায়: কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুন্যবান।
অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
কোনটি সাধারণ অতীত কাল?
  1. আমি খেলা দেখে এলাম।
  2. সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।
  3. আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
  4. আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
সঠিক উত্তর:
আমি খেলা দেখে এলাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি খেলা দেখে এলাম।
ব্যাখ্যা
সাধারণ অতীত কাল:
- বর্তমান কালের পূর্বে যে ক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, তার সংঘটন সাধারণ অতীত কাল।

যেমন:
- শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
- আমি খেলা দেখে এলাম।

অন্যদিকে,
নিত্যবৃত্ত অতীত - আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
ঘটমান অতীত কাল - আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
পুরাঘটিত অতীত কাল - সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন চিহ্নকে পূর্ণচ্ছেদ বলা হয়?
  1. কোলন
  2. কমা
  3. দাঁড়ি
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
- বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি।
- বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়।
- দাঁড়ি কে আবার পূর্ণচ্ছেদ বলা হয়।
- অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে ।
- যথাযথ অনুসন্ধানের পর বলা যাবে কী ঘটেছিল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
'আপনারা আসবেন' - বাক্যটিতে ক্রিয়ার কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
  1. নির্দেশক ভাব
  2. অনুজ্ঞা ভাব
  3. সাপেক্ষ ভাব
  4. আকাঙক্ষা ভাব
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞা ভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞা ভাব
ব্যাখ্যা
অনুজ্ঞা ভাব:
- আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়া পদের অনুজ্ঞা ভাব হয়।

যথা:
- চুপ করো।
- ছাতাটা দিন তো ভাই।
- আপনারা আসবেন
- মন দিয়ে পড়।
- অন্যায় কাজ করো না।
- মিথ্যা বলবে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা নয়?
  1. চেষ্টা করো, সবই বুঝতে পারবে।
  2. কাল একবার এসো
  3. অঙ্কটা বুঝিয়ে দেবেন?
  4. রোগ হলে ওষুধ খাবে।
সঠিক উত্তর:
অঙ্কটা বুঝিয়ে দেবেন?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঙ্কটা বুঝিয়ে দেবেন?
ব্যাখ্যা
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা:
- ভবিষ্যতে কোনো কাজ করার জন্য আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝালে ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা হয়।

যেমন:
- আদেশ: সদা সত্য বলবে।
- সম্ভাবনায়: চেষ্টা করো, সবই বুঝতে পারবে।
- বিধান অর্থে: রোগ হলে ওষুধ খাবে।
- অনুরোধে: কাল একবার এসো

অন্যদিকে,
বর্তমান কালের অনুজ্ঞা - অঙ্কটা বুঝিয়ে দেবেন?

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি আকাঙক্ষা প্রকাশক ভাব?
  1. বৃষ্টি আসে আসুক।
  2. আমরা বই পড়ি।
  3. ছাতাটা দিন তো ভাই।
  4. অন্যায় কাজ করো না।
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি আসে আসুক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি আসে আসুক।
ব্যাখ্যা
আকাঙক্ষা প্রকাশক ভাব:
- আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব যে ক্রিয়াপদে বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়।

যেমন:
- সে একটু হাসুক।
- বৃষ্টি আসে আসুক।
- তার মঙ্গল হোক।

অন্যদিকে,
অনুজ্ঞা ভাব - অন্যায় কাজ করো না। ছাতাটা দিন তো ভাই।
নির্দেশক ভাব - আমরা বই পড়ি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
কোনটি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন নয়?
  1. দাঁড়ি
  2. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  3. বিস্ময়বোধক
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
যতিচিহ্ন:
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে নিয়মিত বর্ণের পাশাপাশি সাংকেতিক চিহ্নকে যতিচিহ্ন বোঝায়। যতিচিহ্ন ছেদ বা বিরাম চিহ্ন নামেও পরিচিত।

বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরাম চিহ্ন ২ প্রকার:
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
দাঁড়ি,
প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
বিস্ময়বোধক প্রভৃতি।

বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
কমা,
সেমিকোলন,
ড্যাস,
হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।