পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes২৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
৪৬তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: ভূগোল ও নৈতিকতা সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব কোনটি?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি
  3. মেরু অঞ্চলের বরফ গলন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
জলবায়ু পরিবর্তন।
→ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি।
→ মেরু অঞ্চলের বরফ গলন।
→ সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন।
→ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস।
→ রোগব্যাধি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন দেশে স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই?
  1. লিবিয়া
  2. মোনাকো
  3. নাউরু
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
.
রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা কোনটি?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. নাটোর
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
→ চট্টগ্রাম বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- চট্ট্রগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
→ খুলনা বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া।
→ রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট।
→ রংপুর বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম।
→ ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
→ সিলেট বিভাগের সবগুলো জেলাই সীমান্ত সংলগ্ন। জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোনটি সবচেয়ে কঠিন খনিজ?
  1. রূপা
  2. হীরা
  3. সোনা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে কঠিন খনিজ - হীরা।

• খনিজ:
- ভূ-পৃষ্ঠ নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, তাকে খনিজ বলে।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে। যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক ।

- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন।
- খনিজ তরল, কঠিন ও বায়বীয় এই তিন ধরনের হয়।
- শিলা ও খনিজের মূল পার্থক্য হচ্ছে খনিজ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানে গঠিত আর বিভিন্ন খনিজের সমন্বয়ে শিলা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
’টাঙ্গুয়ার হাওর’ কখন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২১ মে, ১৯৯২ সালে
  2. ১০ জুলাই, ২০০০ সালে
  3. ২১ জুলাই, ২০০০ সালে
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
.
অতিরিক্ত লবণাক্ততার ফলাফল কোনটি?
  1. শহরে অভিগমন
  2. মাছ চাষ বৃদ্ধি
  3. শহরে বনাঞ্চল বৃদ্ধি
  4. কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত লবণাক্ততার ফলাফল হচ্ছে - কৃষি জমি নষ্ট হওয়া।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব:

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
- নিম্নে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।
→ উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
→ অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
→ দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
→ ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
→ আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
→ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
→ যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
→ এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
→ বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস?
  1. নিয়ন
  2. মিথেন
  3. হিলিয়াম
  4. সবগুলো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) নিয়ন  ও গ) হিলিয়াম। 
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------------------------------------- 

• বায়ুমন্ডল:
→ পৃথিবীর চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
→ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর সাথে লেগে থাকে।
→ বায়ুমন্ডল বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এসব উপাদানকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ক. গ্যাসীয়, খ. জলীয়বাষ্প এবং গ. ধূলিকণা।
→ বায়ুমন্ডলের উপাদানগুলোর পরিমাণগত পার্থক্যের উপর পৃথিবীর তাপমাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
 → বায়ুমন্ডল অদৃশ্য হলেও প্রাণির অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
→ গ্যাসের মধ্যে আর্গন, নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, রেডন, হলো নিষ্ক্রিয়।
এসব গ্যাস কোনো রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
বাংলাদেশে বছরের কোন সময়ে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়? 
  1. মার্চ-এপ্রিল
  2. এপ্রিল-মে
  3. মে-জুন
  4. অক্টোবর-নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
ব্যাখ্যা
• কালবৈশাখী ঝড়:
- কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের অতিপরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে (বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ) মাসে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়। তবে বৈশাখ মাসেই কালবৈশাখীর প্রকোপ বেশি থাকে।

- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
.
টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য -
  1. টর্নেডোর চোঙ মাটি স্পর্শ করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়
  2. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডো প্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  3. টর্নেডো গমনপথ অর্ধবৃত্তাকার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো:
→ টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
→ এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে। এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। তবে চোঙ ভূমি স্পর্শ না করলে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় না।
→ টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়।
→  টর্নেডোর ভিতরে ও বাইরের বায়ুচাপের গড় পার্থক্য প্রায় ২ ইঞ্চি। তবে কখনো কখনো তা ৫ ইঞ্চি হয়ে যায়।
→ টর্নেডোর চোঙ মাটি স্পর্শ করলে ব্যাপক শব্দে সবকিছু ধূলিসাৎ হয়ে যায় এবং কালো মেঘে ছেঁয়ে যায়।
→ টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
→ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডো প্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১০.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. বগুড়া
  2. মৌলভীবাজার
  3. সুনামগঞ্জ
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

এছাড়াও - 
- কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোন দেশটি মিলেনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ফিজি
  2. নাউরু
  3. সামোয়া
  4. লাওস
সঠিক উত্তর:
ফিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিজি
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
• অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া - ১.অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড - ১.নিউজিল্যান্ড।

• মাইক্রোনেশিয়া - ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।

• মিলেনেশিয়া
- "মেলানেশিয়া" শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "কালো দ্বীপ"।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল যা প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
৩. ভানুয়াতু এবং
৪. ফিজি।

•পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১২.
২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (COP-28) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মিশর
  2. সংযুক্ত আবর আমিরাত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইন্দোনশিয়া
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আবর আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আবর আমিরাত
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮: 
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে।
- স্থান- আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্বশেষ সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর। 
- প্রথম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির বার্লিনে ১৯৯৫ সালে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
১৩.
‘Comparative Politics and Government’ নামক গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ম্যাকাইভার
  2. অ্যালান বল
  3. আর্নেস্ট বার্কার
  4. হ্যারল্ড লাসওয়েল
সঠিক উত্তর:
অ্যালান বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালান বল
ব্যাখ্যা
• অ্যালান বল:
→ রাজনৈতিক পদ্ধতির ঐক্যবদ্ধকরণ ও সংরক্ষণ রাজনৈতিক দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
→ অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball) তাঁর Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilising the political process” 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে -
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
• মৌলিক অধিকার রক্ষা:
→ মৌলিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
→ কোন ব্যক্তির যদি মৌলিক অধিকার খর্ব হয় এবং তিনি যদি আইনের আশ্রয় নেন তাহলে বিচার বিভাগ তাঁর মৌলিক অধিকার রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।
→ এভাবে বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
সার্বজনীন মানবাধিকার গৃহীত হয় কবে?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  2. ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  3. ১৪ মে, ১৯৪৮
  4. ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
• মানবাধিকারের ধারণা:
- অধিকারবোধ থেকে মানবাধিকারের উৎপত্তি হয়েছে।
- মানবাধিকার বলতে সেসব আইনগত ও নৈতিক অধিকারকে বোঝায়, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সমগ্র বিশ্বের মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ মানবাধিকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার। প্রতিটি মানুষ এ অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।

- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
- জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ঘোষণাপত্রে মানবাধিকার সংক্রান্ত কতগুলো সাধারণ নীতি রয়েছে। যেমন:
১. সকল মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
২. সকল মানুষ যেকোন প্রকার পার্থক্য, যথা: জাতি, গোত্র, বর্ণ, লিঙ্গ, ভাষা, ধর্ম, মতাদর্শ, জাতীয় ও সামাজিক পরিচিতি, সম্পত্তি, জন্ম বা অন্য কোন মর্যাদা নির্বিশেষে ঘোষণায় উল্লেখিত সকল অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের অধিকারী।
৩. মানবাধিকার সমগ্র বিশ্বের সর্বস্থানে সর্বকালের সকল মানুষের প্রাপ্য।
৪. বিশ্বের যেকোন রাষ্ট্রের নাগরিককে তাঁর দেশের বা আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোন পার্থক্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রবক্তা কে?
  1. জ্যাঁ বডিন
  2. জন লক
  3. চালর্স মন্টেস্কু
  4. টমাস হবস
সঠিক উত্তর:
চালর্স মন্টেস্কু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালর্স মন্টেস্কু
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির ধারণা:
→ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল অর্থ সরকারের সমগ্র কাজকে তিন ভাগে বিভক্ত করা এবং তিনটি স্বতন্ত্র বিভাগের সহায়তায় তা পরিচালনা করা।
→ বিভাগগুলো হচ্ছে আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
→ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল কথা হচ্ছে সরকারের এ তিনটি বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি হবে আলাদা ও স্বতন্ত্র।
→ ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী চার্লস মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত "The Spirit of Laws" গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা করেন।
মন্টেস্কু ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা।
→ তিনি বলেন, “যখন একই ব্যক্তি বা একই শাসক বর্গের হাতে আইন রচনা এবং শাসন করার ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয় তখন জনগনের স্বাধীনতা থাকতে পারে না, অথবা আইন ও শাসন ক্ষমতা যদি বিচার বিভাগ থেকে স্বতন্ত্র না হয় তাহলেও স্বাধীনতা থাকতে পারে না।”

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
‘সরকারের উৎকর্ষতা পরিমাপের জন্য বিচার ব্যবস্থার দক্ষতার চেয়ে উৎকৃষ্টতর কোন মাপকাঠি নেই।”- কার উক্তি?
  1. সিজউইক
  2. আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন
  3. জেমস কেন্ট
  4. লর্ড ব্রাইস 
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস 
ব্যাখ্যা
• বিচার বিভাগের স্বাধীনতা:
→ নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা ছাড়া গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অসম্ভব।
→ আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশত হিসেবে বিচার ব্যবস্থা ও বিচারপতিদের নির্ভীকতা ও নিরপেক্ষতার কথা বলা হয়।
→ নিরপেক্ষ ও নির্ভীক বিচার ব্যবস্থা, নাগরিক স্বাধীনতা, আইনের শাসন তথা গণতন্ত্রের স্বার্থে অপরিহার্য বিবেচিত হয়।
→ এ প্রসঙ্গে লর্ড ব্রাইস বলেন, “সরকারের উৎকর্ষতা পরিমাপের জন্য বিচার ব্যবস্থার দক্ষতার চেয়ে উৎকৃষ্টতর কোন মাপকাঠি নেই।”

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
'Human Society in Ethics and Politics' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ম্যাকিয়াভেলি
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. টমাস হবস
  4. জ্যাক রুঁশো
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
• বার্ট্রান্ড রাসেল:
- নোবেল পুরস্কার পায় - ১৯৫০ সালে।
▪ 'Human Society in Ethics and Politics' গ্রন্থটির রচয়িতা ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল।
=============================
তার অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- Power: A New Social Analysis
- The Problem of Philosophy
- Religion and Science
- The Analysis of Mind
- Marriage and Morals
- Political Ideals
- Logic and knowledge.

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৯.
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি কোনটি?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা
  3. মৌলিক অধিকার রক্ষা
  4. ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা:
→ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি হল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
→ বিচার বিভাগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারিক কার্য সম্পাদন সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
→ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা তথা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকাই প্রধান।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
'ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ' কোন ধরনের সাম্য?
  1. সামাজিক
  2. রাজনৈতিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. আইনগত
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সাম্য (Economic Equality):
- অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া নয়।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সকল মানুষ যখন কাজ করার, ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ করে, তখন তাকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা হচ্ছে, যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন।
=======================
- লাস্কির মতে, “ধন বৈষম্যের সাথে অর্থনৈতিক সাম্য অসঙ্গতিপূর্ণ হবে না, যদি এই বৈষম্য দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
- অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত সামাজিক বা রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন।"

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
"Modern Democracies" নামক গ্রন্থের লেখক কে?
  1. কে সি হোয়ার
  2. লর্ড ব্রাইস
  3. হ্যারল্ড লাসওয়েল
  4. অ্যালান বল
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক কে সি হোয়ার এর মতে “দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সকল ক্ষেত্রেই আইনসভার ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে”।
- লর্ড ব্রাইস তাঁর ''Modern Democracies'' শীর্ষক গ্রন্থে বিভিন্ন দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পর্যালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনসভার ক্ষমতা হ্রাসের কারণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
‘শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন না হয় তাহলে আইন অকার্যকর’-এটি কে বলেছেন?
  1. সক্রেটিস  
  2. প্লেটো
  3. এরিস্টটল    
  4. বেনথাম
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
ব্যাখ্যা
 প্লেটো :
- শাসক যদি মহৎ গুণ সম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন।
- প্রজ্ঞা ও মুক্তিই হবে তাদের মূল চালিকাশক্তি।
- এমতাবস্থায় দার্শনিক রাজারা অবিবেচনায় শাসন কার্য পরিচালনা করবেন।
- তাদের পেছনে কোন প্রকার আইনের বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
- কারণ প্লেটো মনে করতেন 'শাসক যদি মহৎ গুণ সম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি মহৎ গুণ সম্পন্ন না হয় তাহলে আইন অকার্যকর।'

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-২: রাষ্ট্রচিন্তা, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোন বছর ইউএনডিপি (UNDP) সুশাসনের সংজ্ঞা প্রবর্তন করে?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• UNDP:
- UNDP এর মতে” একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলী পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন”।
- ১৯৯৭ সালে ইউএনডিপি সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেন।
- ইউএনডিপি সুশাসন নিশ্চিত করতে ৯টি উপাদান উল্লেখ করেছে।
- এগুলো হলো- সমতা ও ন্যায্যতা, সমঅংশীদারিত্ব, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সংবেদনশীলতা, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রাধান্য, কার্যকারিতা ও দক্ষতা এবং কৌশলগত লক্ষ।

উৎস: ইউএনডিপির ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৪.
রাষ্ট্রের আইন কর্তৃক স্বীকৃত অধিকার কোনটি?
  1. শিক্ষার অধিকার
  2. ভোটদানের অধিকার
  3. জীবন ধারণের অধিকার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• আইনগত অধিকার:
→ যেসব অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত, সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে।
যেমন:
জীবন ধারণের অধিকার,
→ ভোটদানের অধিকার,
→ শিক্ষার অধিকার।
→ এসব অধিকার ভঙ্গ করলে বা হরণ করলে রাষ্ট্র শাস্তি প্রদান করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কোনটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে?
  1. সহমর্মিতা
  2. মানবিকতা
  3. শ্রমের মর্যাদা
  4. শৃঙ্খলা
সঠিক উত্তর:
শ্রমের মর্যাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রমের মর্যাদা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।

• শ্রমের মর্যাদা:
→ শ্রমের মর্যাদা দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য।
→ এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে।
→ এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখে।  

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয় কোনটিকে?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• গণতন্ত্রে আইনসভার ভূমিকা:
→ আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
→ বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
→ জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
→ গণতন্ত্রের সাফল্য এবং বিকাশে আইনসভার ভূমিকা অসামান্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।