পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৪: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
মাঠ প্রশাসনের ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের কোন পদের সমমান?
  1. সিনিয়র সহকারি সচিব
  2. উপ-সচিব
  3. যুগ্মসচিব
  4. অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।
- একজন ডেপুটি কমিশনার এই প্রশাসন এককের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। তাকে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার ব্যবস্থা ছিল -
  1. একনায়কতন্ত্র
  2. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  3. সংসদীয়
  4. রাষ্ট্রপতি শাসিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?
  1. রাষ্ট্র
  2. নাগরিক
  3. জাতি
  4. নগর
ব্যাখ্যা
- পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ প্রদান করে কোনটি?
  1. টি.আর
  2. ভিজিএফ
  3. পিডিবিএফ
  4. এসএফডিএফ
ব্যাখ্যা
টি.আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে
২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  3. আকরাম খান কমিশন
  4. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
⇒ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
.
'কাবিখা' কী?
  1. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
  2. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  3. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  4. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

⇒ কাবিখা কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
• প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ /পুননির্মাণ,
• স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন,
• গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
• গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি,
• দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
• দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্ট।

তথ্যসূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতিশাসিত
  2. এককেন্দ্রিক
  3. রাজতন্ত্র
  4. যুক্তরাষ্ট্রীয়
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ - সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সরকার
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি
  4. সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
⇒ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয় কোনটি?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. জাতীয় পার্টি
  3. ওয়ার্কার্স পার্টি
  4. জাসদ
ব্যাখ্যা
⇒ জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয়।

সমাজতান্ত্রিক দল:

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ):
- ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে পৃথক হয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর যাত্রা শুরু হয়।
- দলটির লক্ষ্য হল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র এবং কৃষক-শ্রমিকদের নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত করার মাধ্যমে একটি শোষণমুক্ত শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি:
- এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল। বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা।
- একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি:
- সমাজতন্ত্রের প্রবর্তক কার্ল মার্কস এর অনুসারী একটি দল।
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নিখিল ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকারী সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট ইউনিট গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দলটি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

জাতীয় পার্টি:
- তৎকালীন সেনাশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মূলত সামরিক ক্ষমতার বেসামরিকীকরণের অংশ হিসেবে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি দুই বার (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।