পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ টপিক: ১. নাটক: (ক) অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌ - নাট্যকার পরিচিতি, নাটকের উৎস, নামকরণ, বিষয়বস্তু, চরিত্রসমূহ: গুরুত্বপূর্ দৃশ্য ও উক্তিসমূহ। উৎস: ৬ষ্ঠ ক্লাস ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যবই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের নাট্যকার কে?
  1. ভবভূতি
  2. কালিদাস
  3. ভাস
  4. মাঘ
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
ব্যাখ্যা

‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ হল সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। এর রচয়িতা মহান সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার কালিদাস। তিনি গুপ্তযুগের স্বর্ণযুগে সাহিত্যকে শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিলেন। নাটকের কাব্যরস, নান্দনিকতা ও চরিত্রচিত্রণে তাঁর অতুলনীয় প্রতিভা প্রতিফলিত হয়েছে।

.
কালিদাসকে কোন নামে অভিহিত করা হয়?
  1. মহাকবি
  2. কবিকুলগুরু
  3. মহর্ষি
  4. নাট্যাচার্য
সঠিক উত্তর:
মহাকবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকবি
ব্যাখ্যা

কালিদাসকে “মহাকবি” বলা হয় কারণ তাঁর রচনা সাহিত্যের সকল শাখাতেই অসাধারণ। বিশেষ করে কাব্য ও নাটক উভয় ক্ষেত্রেই তিনি সমান দক্ষ। তাঁর কাব্যে প্রকৃতি, প্রেম, মানবতা ও ঐশ্বরিকতা একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।

.
কালিদাস কোন যুগের কবি?
  1. মৌর্য যুগ
  2. গুপ্ত যুগ
  3. কুষাণ যুগ
  4. পাল যুগ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
ব্যাখ্যা

কালিদাস ছিলেন গুপ্তযুগের কবি। এ যুগকে বলা হয় ভারতের স্বর্ণযুগ। এই সময়ে সাহিত্য, শিল্পকলা ও বিজ্ঞানের চূড়ান্ত বিকাশ ঘটেছিল। কালিদাস তাঁর রচনায় যুগের নান্দনিকতা ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি ফুটিয়ে তুলেছেন।

.
কালিদাস কত প্রকার সাহিত্য রচনা করেছিলেন?
  1. শুধু নাটক
  2. শুধু মহাকাব্য
  3. নাটক, মহাকাব্য ও খণ্ডকাব্য
  4. শুধু গীতিকাব্য
সঠিক উত্তর:
নাটক, মহাকাব্য ও খণ্ডকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক, মহাকাব্য ও খণ্ডকাব্য
ব্যাখ্যা

কালিদাস ছিলেন বহুমুখী প্রতিভাধর। তিনি তিন প্রকার সাহিত্য রচনা করেছেন— মহাকাব্য (রঘুবংশ, কুমারসম্ভব), খণ্ডকাব্য (মেঘদূত, ঋতুসংহার) ও নাটক (অভিজ্ঞান শকুন্তলম, বিক্রমোর্বশীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম)। তাঁর কাব্যকুশলতা সর্বত্র সমান উজ্জ্বল।

.
কালিদাসের নাটক কতটি?
  1. দুইটি
  2. পাঁচটি
  3. চারটি
  4. তিনটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

কালিদাস রচিত নাটক তিনটি—
১. অভিজ্ঞান শকুন্তলম
২. বিক্রমোর্বশীয়ম
৩. মালবিকাগ্নিমিত্রম
এর মধ্যে অভিজ্ঞান শকুন্তলম তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক, যা বিশ্বসাহিত্যে আজও অমর।

.
কালিদাসের মহাকাব্যের সংখ্যা কতটি?
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা

কালিদাসের দুটি মহাকাব্য হল—
১. রঘুবংশ
২. কুমারসম্ভব
এই মহাকাব্যে বর্ণিত হয়েছে পৌরাণিক কাহিনি, রাজবংশের মহিমা, প্রেম ও ঐশ্বরিক শক্তির প্রকাশ।

.
কালিদাসকে ভারতীয় সাহিত্যের কিসের প্রতিভূ বলা হয়?
  1. রোমান্টিসিজম
  2. রিয়ালিজম
  3. ন্যাচারালিজম
  4. স্যাটায়ার
সঠিক উত্তর:
রোমান্টিসিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান্টিসিজম
ব্যাখ্যা

কালিদাসকে ভারতীয় সাহিত্যের রোমান্টিক কবি বলা হয়। তাঁর কাব্যে প্রেম, প্রকৃতি, সৌন্দর্য ও মানবিক আবেগ অনন্যভাবে মিশে আছে। ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ এ প্রেম ও প্রকৃতির সংমিশ্রণই এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর বিশেষত্ব কী?
  1. কেবল পৌরাণিক কাহিনি
  2. প্রেমকাহিনি ও প্রকৃতিচিত্র
  3. যুদ্ধ ও রাজনীতি
  4. ব্যঙ্গাত্মক রচনা
সঠিক উত্তর:
প্রেমকাহিনি ও প্রকৃতিচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেমকাহিনি ও প্রকৃতিচিত্র
ব্যাখ্যা

অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এ দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার প্রেমকাহিনি অত্যন্ত কাব্যিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। প্রকৃতির চিত্রাঙ্কন ও মানব-মনস্তত্ত্বের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে নাটকটি বিশ্বসাহিত্যে কালজয়ী মর্যাদা পেয়েছে।

.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ কোন ভাষায় রচিত?
  1. পালি
  2. সংস্কৃত
  3. প্রাকৃত
  4. অর্ধমাগধী
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

 ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ রচিত হয়েছে সংস্কৃত ভাষায়। তবে নাটকের কিছু অংশে প্রাকৃত ভাষাও ব্যবহৃত হয়েছে। এর উচ্চাঙ্গ কাব্যময় সংস্কৃত নাট্যভাষা আজও বিশ্বসাহিত্যে অতুলনীয় বলে স্বীকৃত।

১০.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের নামের ‘অভিজ্ঞান’ শব্দের অর্থ কী?
  1. বিস্মরণ
  2. প্রেম
  3. বিদায়
  4. পরিচয় বা স্মারক
সঠিক উত্তর:
পরিচয় বা স্মারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয় বা স্মারক
ব্যাখ্যা

‘অভিজ্ঞান’ শব্দের অর্থ হলো পরিচয়চিহ্ন বা স্মারক। নাটকে রাজা দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে একটি অঙ্গুরীয় (আংটি) দেন, যা তাদের প্রেম ও সম্পর্কের স্মারক। পরবর্তীতে সেই আংটিই তাদের পুনর্মিলনের প্রধান পরিচয়চিহ্ন হয়। তাই নাটকের নামকরণে ‘অভিজ্ঞান’ শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

১১.
নাটকের কাহিনিতে কোন বস্তু ‘অভিজ্ঞান’ বা স্মারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নেকলেস
  2. ফুলমালা
  3. আংটি
  4. পায়ের নূপুর
সঠিক উত্তর:
আংটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি
ব্যাখ্যা

রাজা দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে যে আংটি উপহার দেন, সেটিই তাদের প্রেমের প্রতীক এবং ‘অভিজ্ঞান’। আংটিটি হারিয়ে যাওয়ার ফলে শকুন্তলাকে রাজা চিনতে পারেন না। আবার আংটি ফিরে পাওয়ার মধ্য দিয়েই সত্য প্রকাশ পায় এবং দুজনের পুনর্মিলন ঘটে।

১২.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নামকরণে প্রধান ভূমিকা কোন ঘটনার?
  1. দুষ্যন্তের শিকারযাত্রা
  2. দুষ্যন্ত-শকুন্তলার প্রেম
  3. আংটি হারানো ও পুনর্মিলন
  4. কণ্বঋষির আশ্রম
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানো ও পুনর্মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানো ও পুনর্মিলন
ব্যাখ্যা

নাটকের কাহিনির মূল নাটকীয়তা গড়ে উঠেছে আংটি হারানো এবং পরে পুনরুদ্ধারের ঘটনার ওপর। আংটির মাধ্যমেই দুষ্যন্ত আবার শকুন্তলাকে চিনতে সক্ষম হন। তাই নামকরণে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘অভিজ্ঞান’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।

১৩.
‘শকুন্তলম’ শব্দটি কী নির্দেশ করে?
  1. আশ্রম
  2. শকুন্তলা চরিত্রকে
  3. দুষ্যন্তের প্রেমকে
  4. অঙ্গুরীয়কে
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা চরিত্রকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা চরিত্রকে
ব্যাখ্যা

নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো শকুন্তলা। তাঁর জীবন, প্রেম, দুঃখ ও পুনর্মিলনই নাটকের মূল কাহিনি। তাই নাটকের নামকরণে তাঁর নাম যুক্ত হয়েছে। ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ মানে দাঁড়ায় “শকুন্তলার স্মারক বা পরিচয়”।

১৪.
নাটকের নাম ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ এর যৌক্তিকতা কী?
  1. প্রেমকাহিনি বলে
  2. দুষ্যন্তের রাজ্যশক্তি বোঝাতে
  3. প্রকৃতিচিত্রণের জন্য
  4. স্মারক আংটির ঘটনা কেন্দ্র করে
সঠিক উত্তর:
স্মারক আংটির ঘটনা কেন্দ্র করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মারক আংটির ঘটনা কেন্দ্র করে
ব্যাখ্যা

নাটকের মূল সূত্রধর হলো আংটি—যা হারিয়ে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করে এবং পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে মিলনের পরিণতি আনে। তাই এই আংটি তথা ‘অভিজ্ঞান’-কেই নামকরণের ভিত্তি করা হয়েছে। ফলে নামটি কাহিনির সঙ্গে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ ও যথার্থ।

১৫.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের মূল উৎস কোথায় পাওয়া যায়?
  1. মহাভারত
  2. রামায়ণ
  3. পুরাণ
  4. ঋগ্বেদ
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
ব্যাখ্যা

‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর কাহিনির মূল উৎস মহাভারত। মহাভারতের আদি পর্বে দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার কাহিনি উল্লেখ আছে। কালিদাস সেই কাহিনিকে অবলম্বন করে কাব্যিক রূপ ও নাট্যরস দিয়ে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন।

১৬.
মহাভারতের কোন পর্বে দুষ্যন্ত-শকুন্তলার কাহিনি আছে?
  1. বনপর্ব
  2. আদি পর্ব
  3. শান্তিপর্ব
  4. সভাপর্ব
সঠিক উত্তর:
আদি পর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদি পর্ব
ব্যাখ্যা

মহাভারতের আদি পর্বে দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার কাহিনি পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে, শকুন্তলা ছিলেন বিশ্বামিত্র ও মেনকার কন্যা। কণ্ব ঋষির আশ্রমে বড় হয়ে তাঁর সঙ্গে দুষ্যন্তের প্রেম হয় এবং তাদের পুত্র হয় ভরতের জন্ম, যাঁর নামে ভারতবর্ষের নামকরণ।

১৭.
কালিদাস ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ রচনায় মহাভারতের কাহিনিকে কীভাবে ব্যবহার করেছেন?
  1. হুবহু অনুলিপি করেছেন
  2. সংক্ষিপ্ত করেছেন
  3. কাব্যরস যোগ করে রূপান্তর করেছেন
  4. সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছেন
সঠিক উত্তর:
কাব্যরস যোগ করে রূপান্তর করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যরস যোগ করে রূপান্তর করেছেন
ব্যাখ্যা

মহাভারতের শকুন্তলা কাহিনি তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ও সরল। কালিদাস তা থেকে নাটকের উপযোগী কাহিনি রচনা করেছেন। তিনি কাহিনিকে সমৃদ্ধ করেছেন কাব্যরস, প্রকৃতিচিত্র, নাটকীয়তা ও মানবিক আবেগ যোগ করে।

১৮.
শকুন্তলার পুত্র ভরত কী জন্য বিখ্যাত?
  1. একজন ঋষি ছিলেন
  2. তাঁর নামে ভারতবর্ষের নামকরণ
  3. কণ্ব ঋষির শিষ্য ছিলেন
  4. যুদ্ধে পরাজিত হন
সঠিক উত্তর:
তাঁর নামে ভারতবর্ষের নামকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাঁর নামে ভারতবর্ষের নামকরণ
ব্যাখ্যা

দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার পুত্র ভরত ছিলেন এক মহাপরাক্রান্ত রাজা। তাঁর নামে ভারতবর্ষের নামকরণ হয়েছিল। মহাভারত ও কালিদাস উভয় কাহিনিতেই ভরতের গুরুত্ব রয়েছে। ফলে শকুন্তলার কাহিনি জাতীয় ঐতিহাসিক গুরুত্বও বহন করে।

১৯.
মহাভারতের শকুন্তলা কাহিনি ও কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. চরিত্র সংখ্যা
  2. স্থান বর্ণনা
  3. ভাষার রূপ
  4. কাহিনির রোমান্টিক ও কাব্যিক বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
কাহিনির রোমান্টিক ও কাব্যিক বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাহিনির রোমান্টিক ও কাব্যিক বর্ণনা
ব্যাখ্যা

মহাভারতের কাহিনি সরল ও সংক্ষিপ্ত, যেখানে শকুন্তলার দুঃখ-কষ্ট বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু কালিদাস নাটকে কাহিনিকে রোমান্টিক ও কাব্যিক রূপ দিয়েছেন। প্রকৃতি, প্রেম, মানবিক আবেগ ও কল্পনার সংমিশ্রণে নাটকটি হয়ে উঠেছে সাহিত্যকীর্তি।

২০.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর কাহিনির কেন্দ্রীয় সূত্রধর কী?
  1. রাজসভার রাজনীতি
  2. আংটি (অঙ্গুরীয়)
  3. যুদ্ধ ও জয়
  4. কণ্ব ঋষির আশ্রম
সঠিক উত্তর:
আংটি (অঙ্গুরীয়)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি (অঙ্গুরীয়)
ব্যাখ্যা

নাটকের কাহিনি আংটির ঘটনা ঘিরেই আবর্তিত। দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে আংটি দেন, যা পরবর্তীতে হারিয়ে যাওয়ায় ভুল বোঝাবুঝি হয়। আংটি ফেরত আসার মাধ্যমেই সত্য প্রকাশ ও পুনর্মিলন ঘটে। তাই নামকরণের মূল সূত্রধর আংটিই।

২১.
‘অভিজ্ঞান’ শব্দটি নাটকের নামকরণে কী বোঝায়?
  1. বিস্মরণ
  2. পুনর্জন্ম
  3. অভিশাপ
  4. পরিচয় বা স্মারক
সঠিক উত্তর:
পরিচয় বা স্মারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয় বা স্মারক
ব্যাখ্যা

সংস্কৃতে ‘অভিজ্ঞান’ মানে পরিচয়চিহ্ন বা স্মারক। দুষ্যন্ত প্রদত্ত আংটি নাটকে সেই পরিচয়চিহ্ন হিসেবে কাজ করে। আংটিই দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার সম্পর্কের প্রমাণ এবং পুনর্মিলনের চাবিকাঠি।

২২.
‘শকুন্তলম’ অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. প্রেমকাহিনি
  2. প্রকৃতিচিত্র
  3. শকুন্তলা চরিত্রকে
  4. শকুন্তলার আশ্রম
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা চরিত্রকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা চরিত্রকে
ব্যাখ্যা

নাটকের প্রধান চরিত্র শকুন্তলা। তাঁর প্রেম, দুঃখ, বেদনা ও পুনর্মিলনই কাহিনির মূল। তাই নাটকের নামের সাথে তাঁর নাম যুক্ত হয়েছে— ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ মানে দাঁড়ায় “শকুন্তলার স্মারক বা পরিচয়”।

২৩.
নাটকের নামকরণের প্রধান যুক্তি কী?
  1. আংটি হারানো ও পুনরুদ্ধার
  2. দুষ্যন্তের রাজনীতি
  3. শকুন্তলার জন্মকাহিনি
  4. কণ্ব ঋষির তপস্যা
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানো ও পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানো ও পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা

নাটকের মূল নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে আংটি হারানো এবং পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে। আংটির মাধ্যমেই দুষ্যন্ত আবার শকুন্তলাকে চিনতে পারেন। তাই নাটকের নামকরণে এই ঘটনাকে কেন্দ্রবিন্দু করা হয়েছে।

২৪.
আংটির ঘটনাই কেন নাটকের নামকরণের ভিত্তি হয়েছে?
  1. এটি নাটকের একমাত্র অলঙ্কার
  2. এটি শকুন্তলার দুঃখের প্রতীক
  3. এটি অভিশাপ দূর করেছে
  4. এটি প্রেমের স্মারক ও পুনর্মিলনের কারণ
সঠিক উত্তর:
এটি প্রেমের স্মারক ও পুনর্মিলনের কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রেমের স্মারক ও পুনর্মিলনের কারণ
ব্যাখ্যা

দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে আংটি দেন তাদের প্রেমের স্মারক হিসেবে। আংটি হারানোর ফলে শকুন্তলা অবহেলিত হন। আবার আংটি ফেরত আসায় সত্য প্রকাশ পায় এবং পুনর্মিলন ঘটে। তাই আংটিই নামকরণের যৌক্তিক ভিত্তি।

২৫.
নাটকের নামের মধ্যে কোন দ্বৈত দিক ফুটে উঠেছে?
  1. স্মৃতি ও বিস্মৃতি
  2. প্রকৃতি ও রাজসভা
  3. অভিশাপ ও মুক্তি
  4. প্রেম ও দুঃখ
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি ও বিস্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি ও বিস্মৃতি
ব্যাখ্যা

আংটি থাকা মানেই স্মৃতি, আর হারিয়ে যাওয়াই বিস্মৃতি। দুষ্যন্ত আংটি হারানোর পর শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি। আবার আংটি ফেরত আসার পর স্মৃতি ফিরে আসে। তাই নামের মধ্যে এই দ্বৈত রূপ প্রতিফলিত।

২৬.
নাটকের নাম ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এ প্রধান জোর কিসের ওপর?
  1. কণ্ব ঋষির আশ্রম
  2. দুষ্যন্তের রাজ্যশক্তি
  3. শকুন্তলার চরিত্র
  4. আংটির পরিচয়
সঠিক উত্তর:
আংটির পরিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটির পরিচয়
ব্যাখ্যা

যদিও শকুন্তলা কেন্দ্রীয় চরিত্র, নাটকের নামের মূল জোর পড়েছে আংটির ওপর, কারণ এটি কাহিনির সবচেয়ে নাটকীয় উপাদান। এটির মাধ্যমেই ভুল বোঝাবুঝি ও পুনর্মিলন ঘটে।

২৭.
আংটি হারানোর ফলে কাহিনিতে কী ঘটে?
  1. শকুন্তলার মৃত্যু
  2. দুষ্যন্তের রাজ্যহানি
  3. দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে অস্বীকার করেন
  4. আশ্রম ধ্বংস হয়
সঠিক উত্তর:
দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে অস্বীকার করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে অস্বীকার করেন
ব্যাখ্যা

আংটি হারিয়ে যাওয়ার কারণে দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি। ফলে তিনি রাজসভায় শকুন্তলাকে প্রত্যাখ্যান করেন। এই ভুল বোঝাবুঝিই কাহিনির নাটকীয় সংকট তৈরি করে।

২৮.
আংটি ফেরত আসার ঘটনা কী নির্দেশ করে?
  1. অভিশাপ মুক্তি
  2. সত্যের প্রকাশ
  3. রাজশক্তির বিজয়
  4. প্রকৃতির দান
সঠিক উত্তর:
সত্যের প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যের প্রকাশ
ব্যাখ্যা

মৎস্যের পেট থেকে আংটি পাওয়া যায়। এটি ফেরত আসার পর দুষ্যন্তের স্মৃতি ফিরে আসে এবং তিনি শকুন্তলাকে চিনতে পারেন। তাই আংটি ফেরত আসা মানেই সত্য প্রকাশ ও কাহিনির সমাধান।

২৯.
নাটকের নামের মধ্যে কোন চরিত্রের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. দুষ্যন্ত
  2. ভরত
  3. শকুন্তলা
  4. কণ্ব ঋষি
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা
ব্যাখ্যা

নামেই বোঝা যায়, নাটকের কেন্দ্রবিন্দু শকুন্তলা। তাঁর জীবনকাহিনি, দুঃখ, প্রেম, বেদনা এবং মিলনই নাটকের মূল চালিকা শক্তি। তাই নামকরণে তাঁর নাম যুক্ত হওয়াই স্বাভাবিক।

৩০.
নাটকের নামের মধ্যে কাহিনির কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?
  1. রোমান্টিক বৈশিষ্ট্য
  2. রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য
  3. দার্শনিক বৈশিষ্ট্য
  4. পৌরাণিক বৈশিষ্ট্য
সঠিক উত্তর:
রোমান্টিক বৈশিষ্ট্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান্টিক বৈশিষ্ট্য
ব্যাখ্যা

নামের মধ্যেই প্রেমের স্মারক ও পুনর্মিলনের ইঙ্গিত আছে। আংটির কারণে ভুল বোঝাবুঝি হলেও শেষ পর্যন্ত প্রেমের জয় ঘটে। এই দিক থেকেই নাটকটি রোমান্টিক বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল।

৩১.
শকুন্তলা নাটকে আংটি ছাড়া নামকরণ সম্ভব কি?
  1. আংশিকভাবে সম্ভব
  2. নাটক নির্ভর করে না
  3. সম্ভব
  4. সম্ভব নয়
সঠিক উত্তর:
সম্ভব নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা

আংটির ঘটনাই কাহিনির কেন্দ্রীয় নাটকীয়তা সৃষ্টি করে। এটি ছাড়া গল্পে না থাকত ভুল বোঝাবুঝি, না থাকত পুনর্মিলনের অবলম্বন। তাই নামকরণে আংটির ভূমিকা অপরিহার্য।

৩২.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর নামকে কী ধরনের নাম বলা যায়?
  1. চরিত্রকেন্দ্রিক ও ঘটনা-কেন্দ্রিক নাম
  2. প্রকৃতি-কেন্দ্রিক নাম
  3. কেবল ঘটনাকেন্দ্রিক নাম
  4. কেবল চরিত্রকেন্দ্রিক নাম
সঠিক উত্তর:
চরিত্রকেন্দ্রিক ও ঘটনা-কেন্দ্রিক নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরিত্রকেন্দ্রিক ও ঘটনা-কেন্দ্রিক নাম
ব্যাখ্যা

নামের মধ্যে শকুন্তলার নাম আছে (চরিত্রকেন্দ্রিক) এবং অভিজ্ঞান বা আংটির ঘটনাও আছে (ঘটনাকেন্দ্রিক)। তাই এটি দ্বিমুখী দিককে একত্র করেছে।

৩৩.
নাটকের নামকরণের মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
  1. শকুন্তলার বংশপরিচয়
  2. আংটির গুরুত্ব
  3. কণ্ব ঋষির সাধনা
  4. রাজসভা
সঠিক উত্তর:
আংটির গুরুত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটির গুরুত্ব
ব্যাখ্যা

- আংটিই নাটকের প্রধান প্রতীক, যা প্রেমের স্মারক এবং পুনর্মিলনের সূত্র। নামকরণের মধ্যে তার গুরুত্বই প্রতিফলিত হয়েছে।

৩৪.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নামটি কেন চিরকালীন তাৎপর্যপূর্ণ?
  1. কারণ এতে শুধু প্রেম আছে
  2. কারণ এতে জাতীয় ইতিহাস আছে
  3. কারণ এতে প্রেম, দুঃখ ও পুনর্মিলনের কাহিনি ধরা পড়েছে
  4. কারণ এতে ভরতের জন্ম আছে
সঠিক উত্তর:
কারণ এতে প্রেম, দুঃখ ও পুনর্মিলনের কাহিনি ধরা পড়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ এতে প্রেম, দুঃখ ও পুনর্মিলনের কাহিনি ধরা পড়েছে
ব্যাখ্যা

নাটকের নামের মধ্যে যেমন প্রেমের স্মারক (আংটি), তেমনি ভুল বোঝাবুঝি ও পুনর্মিলনের ঘটনাও প্রকাশিত। তাই নামটি কাহিনির অন্তর্নিহিত সৌন্দর্য ও সারবস্তু ধারণ করে এবং সর্বকালে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে আছে।

৩৫.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর মূল বিষয়বস্তু কী?
  1. যুদ্ধ ও রাজনীতি
  2. প্রেম ও বিরহ
  3. রাজ্য বিস্তার
  4. আশ্রম জীবন
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও বিরহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও বিরহ
ব্যাখ্যা

নাটকের মূল বিষয়বস্তু দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার প্রেম, বিচ্ছেদ ও পুনর্মিলন। তাদের প্রেম প্রথমে আশ্রমে জন্ম নেয়, পরে আংটি হারানোর কারণে বিচ্ছেদ ঘটে এবং শেষে পুনর্মিলনে পরিণতি পায়।

৩৬.
শকুন্তলার চরিত্র নাটকে কীভাবে ফুটে উঠেছে?
  1. রাজকন্যা হিসেবে
  2. পরিশুদ্ধ প্রেমিকা হিসেবে
  3. বীরাঙ্গনা হিসেবে
  4. বিদূষী হিসেবে
সঠিক উত্তর:
পরিশুদ্ধ প্রেমিকা হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশুদ্ধ প্রেমিকা হিসেবে
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা একজন পবিত্র, নিষ্কলুষ ও প্রেমময়ী নারী। তিনি দুষ্যন্তকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসেন এবং তাঁর জন্য বিরহ সহ্য করেন। তাঁর চরিত্র নাটকের আবেগঘন দিককে শক্তিশালী করেছে।

৩৭.
দুষ্যন্তের চরিত্রে কোন বৈশিষ্ট্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
  1. বীরত্ব
  2. রাজশক্তি
  3. প্রেম ও অনুতাপ
  4. অভিশাপ
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও অনুতাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও অনুতাপ
ব্যাখ্যা

দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে ভালোবাসলেও আংটি হারানোর কারণে তাঁকে চিনতে পারেননি। পরে সত্য উদ্ঘাটিত হলে তিনি গভীর অনুতাপ অনুভব করেন। তাঁর প্রেম ও অনুতাপই নাটকের আবেগময়তা বাড়িয়ে দিয়েছে।

৩৮.
নাটকে প্রধান সংকট কোথায় তৈরি হয়?
  1. আশ্রমে
  2. আংটি হারানোর ঘটনায়
  3. যুদ্ধক্ষেত্রে
  4. রাজসভায় রাজনীতি
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানোর ঘটনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি হারানোর ঘটনায়
ব্যাখ্যা

আংটি হারানোই নাটকের মূল সংকট। আংটি ছাড়া দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি, ফলে তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘটনাই নাটকের নাটকীয়তা ও আবেগকে গভীর করেছে।

৩৯.
নাটকের বিষয়বস্তুতে কোনটি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে?
  1. প্রকৃতি ও প্রেম
  2. যুদ্ধ ও কূটনীতি
  3. রাজ্য বিস্তার
  4. অভিশাপ
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি ও প্রেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি ও প্রেম
ব্যাখ্যা

নাটকে প্রেমের পাশাপাশি প্রকৃতিচিত্রণের অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। আশ্রমের পরিবেশ, বনভূমি, ঋতুর পরিবর্তন ও প্রকৃতির সৌন্দর্য নাটকের আবহকে রোমান্টিক করেছে।

৪০.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের নায়ক কে?
  1. কণ্ব ঋষি
  2. বিশ্বামিত্র
  3. রাজা দুষ্যন্ত
  4. ভরত
সঠিক উত্তর:
রাজা দুষ্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা দুষ্যন্ত
ব্যাখ্যা

নাটকের নায়ক হলেন হস্তিনাপুরের রাজা দুষ্যন্ত। তিনি আশ্রমে গিয়ে শকুন্তলার প্রেমে পড়েন। আংটি হারানোর কারণে তিনি শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি, তবে শেষে অনুতাপ নিয়ে পুনর্মিলিত হন। তাঁর চরিত্রে প্রেম, অনুতাপ ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।

৪১.
নাটকের নায়িকা কে?
  1. মেনকা
  2. বিদূষক
  3. প্রিয়ংবদা
  4. শকুন্তলা
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা
ব্যাখ্যা

নাটকের নায়িকা শকুন্তলা। তিনি ছিলেন ঋষি কণ্বের পালিতা কন্যা ও বিশ্বামিত্র-মেনকার সন্তান। তাঁর প্রেম, নিষ্কলুষতা ও দুঃখই নাটকের আবেগময় অংশ। শেষে তিনি দুষ্যন্তের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন।

৪২.
শকুন্তলার পিতা কে ছিলেন?
  1. কণ্ব ঋষি
  2. বিশ্বামিত্র
  3. অগস্ত্য
  4. দুর্বাসা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বামিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বামিত্র
ব্যাখ্যা

শকুন্তলার জন্ম হয়েছিল ঋষি বিশ্বামিত্র ও অপ্সরা মেনকার মিলনে। তবে জন্মের পর তাঁকে কণ্ব ঋষি আশ্রমে লালন-পালন করেন। তাই কণ্ব ঋষিই তাঁর পালকপিতা।

৪৩.
বিদূষক চরিত্রের ভূমিকা কী?
  1. কৌতুক সৃষ্টি করা
  2. অভিশাপ ভাঙা
  3. যুদ্ধ করা
  4. শকুন্তলাকে রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
কৌতুক সৃষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌতুক সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত নাটকে বিদূষক চরিত্র সর্বদা রাজাকে সঙ্গ দেয় এবং হাস্যরস যোগ করে। দুষ্যন্তের সঙ্গী বিদূষক নাটকের কাহিনিকে হালকা ও মজাদার করে তোলে।

৪৪.
অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের খলচরিত্র কে?
  1. দুষ্যন্ত
  2. দুর্বাসা ঋষি
  3. বিদূষক
  4. ভরত
সঠিক উত্তর:
দুর্বাসা ঋষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বাসা ঋষি
ব্যাখ্যা

নাটকে সরাসরি খলচরিত্র না থাকলেও দুর্বাসা ঋষির অভিশাপ কাহিনির প্রধান বিপত্তি সৃষ্টি করে। তাঁর ক্রোধশীল স্বভাবই দুষ্যন্ত-শকুন্তলার প্রেমে বাধা আনে।

৪৫.
দুর্বাসা ঋষির অভিশাপের ফলে নাটকে কী সংকট তৈরি হয়েছিল?
  1. শকুন্তলা আশ্রম ছেড়ে চলে যান
  2. ভরতের জন্ম হয় না
  3. আংটি হারিয়ে যায়
  4. দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে ভুলে যান
সঠিক উত্তর:
দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে ভুলে যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে ভুলে যান
ব্যাখ্যা

দুর্বাসা ঋষি রুষ্ট হয়ে শকুন্তলাকে অভিশাপ দেন যে তিনি যাঁকে মনে করছেন, সেই রাজা তাঁকে ভুলে যাবেন। এই ঘটনাই নাটকের মূল সংকট তৈরি করে। দুষ্যন্ত আংটি পাওয়া পর্যন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি। তাই এই অভিশাপ পুরো নাটকের আবেগ, নাটকীয়তা ও কাহিনির মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

৪৬.
শকুন্তলার স্বামীর পরিচয়ের প্রমাণ কী ছিল?
  1. একটি মালা
  2. একটি চিঠি
  3. একটি আংটি
  4. একটি দণ্ড
সঠিক উত্তর:
একটি আংটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি আংটি
ব্যাখ্যা

দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে একটি আংটি দিয়ে গিয়েছিলেন। সেটিই ছিল তাঁদের বিবাহের সাক্ষ্য। দুর্ভাগ্যবশত আংটিটি নদীতে পড়ে যায়। পরে একজন জেলে মাছের পেট থেকে আংটি পেয়ে রাজসভায় নিয়ে এলে দুষ্যন্তের স্মৃতি ফিরে আসে। ফলে আংটিই নাটকের গুরুত্বপূর্ণ ‘অভিজ্ঞান’ (চিহ্ন/প্রমাণ)।

৪৭.
কোন দৃশ্যটিকে ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’-এর সবচেয়ে বেদনাদায়ক দৃশ্য বলা হয়?
  1. আশ্রমে দুষ্যন্ত-শকুন্তলার প্রথম দেখা
  2. দুর্বাসার অভিশাপ দেওয়া
  3. রাজসভায় দুষ্যন্তের শকুন্তলাকে অস্বীকার করা
  4. ভরতের জন্ম
সঠিক উত্তর:
রাজসভায় দুষ্যন্তের শকুন্তলাকে অস্বীকার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজসভায় দুষ্যন্তের শকুন্তলাকে অস্বীকার করা
ব্যাখ্যা

নাটকের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ও বেদনাদায়ক দৃশ্য হলো যখন দুষ্যন্ত রাজসভায় শকুন্তলাকে চিনতে অস্বীকার করেন। দুর্বাসার অভিশাপের কারণে তিনি স্মৃতি হারান, অথচ শকুন্তলা গর্ভবতী অবস্থায় অপমানিত হন। এই দৃশ্য মানবিক বেদনা ও নাট্যরসের এক অনন্য উদাহরণ।

৪৮.
আংটি ফিরে পাওয়ার পর দুষ্যন্তের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?
  1. তিনি ক্রুদ্ধ হন
  2. তিনি শকুন্তলাকে দোষারোপ করেন
  3. তিনি ভরতকে আশ্রমে পাঠান
  4. তিনি আনন্দে ভরে ওঠেন ও অনুতপ্ত হন
সঠিক উত্তর:
তিনি আনন্দে ভরে ওঠেন ও অনুতপ্ত হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি আনন্দে ভরে ওঠেন ও অনুতপ্ত হন
ব্যাখ্যা

আংটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুষ্যন্তের স্মৃতি ফিরে আসে। তিনি তীব্র অনুতাপে ভরে ওঠেন এবং শকুন্তলাকে চিনে তাঁকে খুঁজতে থাকেন। এই প্রতিক্রিয়া দুষ্যন্তের মানবিক দিক ও সত্যিকারের প্রেমকে প্রকাশ করে।

৪৯.
নাটকের শেষে দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার পুনর্মিলন কোথায় ঘটে?
  1. হস্তিনাপুর রাজসভায়
  2. কণ্ব ঋষির আশ্রমে
  3. মারীচ ঋষির আশ্রমে
  4. ইন্দ্রের সভায়
সঠিক উত্তর:
মারীচ ঋষির আশ্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারীচ ঋষির আশ্রমে
ব্যাখ্যা

নাটকের শেষে দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার পুনর্মিলন ঘটে মারীচ ঋষির আশ্রমে। সেখানে তাঁরা ভরতকে দেখতে পান এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের মাধ্যমে নাটকের সুখসমাপ্তি হয়। এই দৃশ্য ভারতীয় সংস্কৃতির ‘সতীর পুনর্মিলন’ ও ‘পারিবারিক আদর্শ’-এর প্রতীক।