পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি টপিকসমূহ: i) আন্তর্জাতিক সাম্প্রতিক বিষয়াবলি
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কার্বন ট্রেড-এর ধারণা দেয় কোন প্রটোকল?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. নাগোয়া প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৯ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত COP - এর ১৫তম সম্মেলনে (COP-15) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড তৈরীর অঙ্গীকার করে UNFCCC স্বাক্ষর করা ১৯৭টি পক্ষ। 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠিত হয় - COP-16 সম্মেলনে। 

⇒ বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- কার্বন ট্রেড-এর ধারণা দেয় কিয়োটো প্রটোকল।
- বায়ুবায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড কম নিঃসরণের জন্য জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি ক্রেডিট বিনিময়ের নাম কার্বন বাণিজ্য।
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয় এবং ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি প্রথম কার্যকর হয়।

উৎস: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট।
.
২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোকে কী পরিমাণ আর্থিক সহায়তা দিতে সম্মত হয়?
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০০ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উল্লেখ্য,
- দর কষাকষি শেষে উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিবেশ দূষণকারী বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।
- আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ। 
- জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে।
- বর্তমানে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।

এছাড়াও,
- দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য তহবিলকে তিনগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য উপলব্ধ তহবিলের মাত্র ৪০ শতাংশ এ ধরনের প্রস্তুতির দিকে গেছে। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের (২৩৮ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সফলভাবে ঝুলন্ত অবতরণ হওয়া রকেট কোনটি?
  1. ব্লু বার্ড
  2. স্টারশিপ
  3. লিয়াওনিং
  4. ব্লু শার্ক
ব্যাখ্যা
স্পেসএক্স স্টারশিপ:
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপ।
- ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।
- প্রথমবারের মতো উৎক্ষেপণ প্যাডে অবতরণ করেছে স্টারশিপ রকেটের সুপার হেভি বুস্টার।

উল্লেখ্য,
- ১৩ অক্টোবর, ২০২৪ সফলভাবে উৎক্ষেপণ প্যাডে নিরাপদে অবতরণ করে স্টারশিপ রকেটের সুপার হেভি বুস্টার।
- সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে টেক্সাসের বোকাচিকা মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পঞ্চমবারের মতো রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
- একপর্যায়ে এর দ্বিতীয় ধাপের মহাকাশযানটি আলাদা হয়ে ভারত মহাসাগরে পড়ে।
- আর সুপার হেভি বুস্টার ফিরে আসে স্পেসএক্সের সে টাওয়ারে।
- বুস্টারটি সঠিকভাবে অবতরণ করাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক।

⇒ স্পেসএক্সের এ রকেটটি লম্বায় প্রায় ৪০০ ফুট।
- বিশ্বে তৈরি হওয়া এ যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপের দুটি অংশ।
- একটি সুপার হেভি বুস্টার।
- এতে ৩৩টি ইঞ্জিন আছে, যা মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্টিমেস রকেটের চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী।
- অন্যটি স্টারশিপ মহাকাশযান, যা এ সুপার হেভি বুস্টারের ওপর বসানো থাকে।
- এ রকেটটি ১০০ টনের বেশি যন্ত্রপাতি বহন করতে পারে।

⇒ এর আগে স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষা হয়েছিল চারবার।
- ইলন মাস্কের মতে, অন্যগ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন করতে যাওয়ার উপযোগী করে এ রকেটটি তৈরি করা হয়েছে।
- এটি বার বার ব্যবহার করা যাবে এবং মানুষকে মঙ্গলগ্রহ ও চাঁদে নিয়ে যাওয়া যাবে।

উৎস: i) SpaceX ওয়েবসাইট।
ii) BBC. 
.
UNCBD-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
UNCBD:
- UNCBD-এর পূর্ণরূপ: United Nation Convention on Biological Diversity.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত 'আর্থ সামিট' বা ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৪ সালে কপ-১ নামে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক প্রথম সম্মেলন বাহামাসের রাজধানী নাসাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সদরদপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
.
২০২৪ সালে কতজন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ২ জন
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের নারী নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৪ সালে নোবেল বিজয়ী একমাত্র নারী হান কাং। তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালে মোট নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১১ জন ও একটি সংস্থা।
- সংস্থাটি হলো জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও যা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও। 
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
.
রামসার কনভেনশন নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলাভূমির সুরক্ষা
  2. বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা
  3. পরিবেশ সুরক্ষা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।

⇒ ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
.
'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড' নীতিগতভাবে অনুমোদন পায় কততম জলবায়ু সম্মেলনে?
  1. কপ-২১
  2. কপ-২৫
  3. কপ-২৭
  4. কপ-২৮
ব্যাখ্যা
লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড:
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়ে আসছে।
- উন্নত দেশগুলো এতদিন ধরে এ বিষয়ে টালবাহানা করলেও ক্ষতি মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার জন্য শেষ পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- তবে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করে আসছে ধনী দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তারা ব্যর্থ হয়।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- এটিই হচ্ছে লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল।
- চুক্তি অনুযায়ী, ধনী দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
কোন জলবায়ু সম্মেলনে 'কিয়োটো প্রটোকল' সংশোধিত হয়?
  1. কপ - ১২
  2. কপ - ১৩
  3. কপ - ১৬
  4. কপ - ১৮
ব্যাখ্যা
দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে অনুষ্ঠিত হয় কপ - ১৮ সম্মেলন।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর বর্তমান প্রধান কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
  2. মুসা আবু মারজুক
  3. ইসমাইল হানিয়া
  4. কেউই নয়
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।

⇒ হামাস পরপর দ্রুত দুই নেতার মৃত্যুতে, ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হত্যাকাণ্ডের প্রভাব কমানোর জন্য হামাস একটি অস্থায়ী সম্মিলিত নেতৃত্ব মডেল গ্রহণ করেছে। এটি ৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত, যাদের মধ্যে রয়েছেন: শূরা কাউন্সিলের প্রধান মুহাম্মদ দারউইশ; তিনটি আঞ্চলিক পলিটব্যুরোর নেতা—বাহ্যিক বিভাগের খালেদ মাশাল, গাজার খলিল আল-হাইয়া, এবং পশ্চিম তীরের জাহের জাবারিন; এবং পঞ্চম একজন অজ্ঞাত সদস্য।
- তাই বর্তমানে রাজনৈতিক ব্যুরোর সরাসরি কোন প্রধান নেই।

উল্লেখ্য,
- ইসমাইল হানিয়া ছিলেন হামাসের আরেক প্রধান। সংগঠনের সব শাখার শীর্ষ নেতা ছিলেন তিনি। ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে ইরানের রাজধানী তেহরানে গুপ্ত হামলায় তিনি নিহত হন। 
- হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া গুপ্তহত্যার শিকার হওয়ার পর ইয়াহিয়া সিনওয়ার হামাসের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন। অক্টোবর, ২০২৪ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন।

উৎস: i) European Council on Foreign Relations (ECFR). [link]
ii) Britannica. 
১০.
কোন চুক্তির মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রেখে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া জোরদার করা?
  1. কিয়োটো প্রোটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম অর্থাৎ ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। 
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১১.
৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ৪৭তম
  2. ৪৯তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬০তম
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:
- ৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন রিপাবলিকানপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থাৎ ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমালা হ্যারিস।
- প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০শে জানুয়ারি একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
- এছাড়াও, ২০১৭ সালের ২০শে জানুয়ারি তিনি দেশটির ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যে বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়, সেই বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়।
- দেশটিতে প্রধানত দুইটি দলই বেশি ভোট পেয়ে থাকে: ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। এছাড়াও রয়েছে লিবার্টারিয়ান, গ্রীন, ইন্ডিপেনডেন্ট পার্টি।
- ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮।মাইন ও নেব্রাসকা বাদে বাকি সব রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০ বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। আর সেই প্রার্থীর রানিং মেট হয়ে যাবেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট।

উৎস: i) USA.gov
ii) BBC.
১২.
১৯৯৫ সালের পূর্বে UNFCCC-এর সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদরদপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৩.
২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন -
  1. সামান্থা হার্ভে
  2. হান কাং
  3. পল লিঞ্চ
  4. জেনি এরপেনবেক
ব্যাখ্যা
বুকার পুরস্কার:
- বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন জার্মান লেখিকা জেনি এরপেনবেক।
- তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উপন্যাস কায়রোসের (Kairos) জন্য এ পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
- প্রসঙ্গত, জেনি এরপেনবেক জার্মানদের মধ্যে প্রথমবারের মতো বুকার পুরস্কার পেয়েছেন।

অন্যদিকে,
- ‘অরবিটাল’ উপন্যাসের জন্য যুক্তরাজ্যের লেখক সামান্থা হার্ভে ২০২৪ সালের বুকার পুরস্কার জিতেছেন।
- উপন্যাস ‘প্রফেট সং’ এর জন্য ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন আয়ারল্যান্ডের লেখক পল লিঞ্চ।
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।
১৪.
কোন গোষ্ঠীর নেতৃত্বে সম্প্রতি সিরিয়ান সরকারের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. টিএনএলএ
  2. উলফা
  3. এইচটিএস
  4. হুতি
ব্যাখ্যা
এইচটিএস:
- এইচটিএস-এর পূর্ণরূপ: হায়াত তাহরির আল-শাম।
- হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) একটি ইসলামিক সশস্ত্র গোষ্ঠী।
- তুরস্কের মদতপুষ্ট এই সংগঠনই সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
- তাদের বিদ্রোহে ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

⇒ ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এ গোষ্ঠীটির নাম ছিলো জাবাত আল নুসরা, যা ছিলো সরাসরি আল-কায়েদা জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে সংযুক্ত।
- এর গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কথিত আইএস গ্রুপের নেতা আবু বকর আল বাগদাদী।
- ফ্রি সিরিয়া নামে বিদ্রোহীদের যে জোট হয়েছিলো সেখানে তাদের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছিলো।
- ২০১৬ সালে এই গোষ্ঠীর নেতা আবু মোহাম্মেদ আল জাওলানি প্রকাশ্যেই আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক ছেদ করেন এবং জাবাত আল নুসরাকে বিলুপ্ত করে নতুন সংগঠন তৈরি করেন। এর নামই রাখা হয় হায়াত তাহরির আল -শাম এবং পরে এর সাথে আরও কিছু ছোট গোষ্ঠী যোগ হয়।
- জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং তুরস্কসহ অনেক দেশে এইচটিএস সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে সিরিয়াস গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- এইচটিএস গোষ্ঠীটিই প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ও প্রাণঘাতী ছিলো।
- কয়েক বছর ধরে ইদলিব ছিলো যুদ্ধক্ষেত্র, কারণ সরকারি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছিলো।
- ২০২০ সালে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। আর তুরস্ক বিদ্রোহীদের সমর্থন যুগিয়েছে।

উৎস: BBC.
১৫.
কোন পরিবেশকর্মী আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের বিরোধিতা করেন?
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. অ্যান্তোনিও কস্তা
  3. লেনি ক্রাউট
  4. গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
গ্রেটা থুনবার্গ:
- ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামের ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী Fridays for future আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

- সুইডেনের স্টকহোমে বড় হওয়া গ্রেটা থুনবার্গ।
- তার বাবা স্ভান্তে থুনবার্গ একজন অভিনেতা এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানী স্ভান্তে আরহেনিয়াসের উত্তরসূরি।
- ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেটার বয়স যখন ১৫, সেসময় গ্রেটা স্থানীয় এক পত্রিকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে এক রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পান।
- অগাস্ট, ২০১৮-এ সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করা শুরু করেন তিনি।
- সুইডেন সরকার যেন ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায় ঠিক হওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, সেলক্ষ্যে বিক্ষোভ করে গ্রেটা।
- 'স্কুল স্ট্রাইক ফর ক্লাইমেট' লেখা একটি লেখা সম্বলিত ব্যানার নিয়ে তিনি পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়ান।
- ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের ২০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী গ্রেটার প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিজ নিজ দেশে বিক্ষোভ প্রকাশ করেন।
- ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ট্রেনে ভ্রমণ করে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৯)।
- আজারবাইজানে জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ।
- এ জন্য জর্জিয়ার রাজধানী তিবি‌লিসিতে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তিনি।
- থুনবার্গের অভিযোগ, বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশ আজারবাইজান একটি নিপীড়ক ও দখলদার রাষ্ট্র।
- দেশটি জাতিগত নির্মূল অভিযান চালিয়েছে।
- থুনবার্গের মতে, জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের মধ্য দিয়ে কাম্পিয়ান সাগর তীরের এই দেশটি নিজেদের অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে

উৎস: Fridays For Future ওয়েবসাইট।