পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান [পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, প্লান্ট ডাইভারসিটি, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
Xerophytes বলা হয় কোন উদ্ভিদকে?
  1. জলজ উদ্ভিদকে
  2. মরুজ উদ্ভিদকে
  3. উভচর উদ্ভিদকে
  4. মিষ্টি পানির উদ্ভিদকে
ব্যাখ্যা
• Xerophytes শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "xero" (শুষ্ক) এবং "phyte" (উদ্ভিদ) থেকে, যার অর্থ শুষ্ক পরিবেশে বেড়ে ওঠা উদ্ভিদ।অর্থাৎ মরুজ উদ্ভিদ।
এই উদ্ভিদগুলো শুষ্ক আবহাওয়ায় টিকে থাকার জন্য বিভিন্ন অভিযোজন গড়ে তোলে।

অন্যদিকে,
ক) জলজ উদ্ভিদ: যে উদ্ভিদ পানিতে বা জলীয় পরিবেশে জন্মায়, যেমন শাপলা, পদ্ম।

গ) উভচর উদ্ভিদ: যে উদ্ভিদ জল ও স্থল উভয় পরিবেশে বাঁচতে পারে, যেমন হাইড্রিলা, এলোডিয়া।

ঘ) মিষ্টি পানির উদ্ভিদ: যে উদ্ভিদ শুধু স্বাদুপানির জলাশয়ে জন্মায়, যেমন শালুক, কলমি লতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
গাছের পাতা বেগুনি হয় কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে? 
  1. লৌহের অভাবে
  2. ফসফরাসের অভাবে 
  3. নাইট্রজের অভাবে
  4. ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে 
ব্যাখ্যা
• ফসফরাস (P):
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।

• নাইট্রোজেন (N):
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। তার কারণ ক্লোরোফিল ছাড়া অন্যান্য বর্ণকণা বা-পিগমেন্ট মিলিতভাবে হলুদ দেখায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (chlorosis) বলে।

• ম্যাগনেসিয়াম:
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।

• লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়।
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি কোনটি?
  1. চড়ুই
  2. বাবুই
  3. হাউক
  4. হার্মিং বার্ড
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি হলো হামিংবার্ড (Bee Hummingbird) I
• বৈজ্ঞানিক নাম: Mellisuga helenae
• আকার: মাত্র ৫-৬ সেমি (প্রায় একটি মৌমাছির সমান)
• ওজন: প্রায় ১.৬ গ্রাম
• বসবাস: কিউবা এবং পাশের কিছু দ্বীপে পাওয়া যায়
• বিশেষত্ব: এটি এত ছোট যে অনেক সময় মৌমাছির সঙ্গে ভুল হয়, এবং এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৮০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে!
* তাই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট পাখি হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ,
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাখি হলো দক্ষিণ আফ্রিকান উটপাখি (Common Ostrich)।
- বিশ্বের দ্রুততম পাখি হলো পেরেগ্রিন ফ্যালকন (Peregrine Falcon)।

উৎস: Guinness World Records ওয়েবসাইট।
.
পাটের সোনালী আঁশ পাওয়া যায়-
  1. জাইলেম প্যারেনকাইমা থেকে
  2. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থেকে
  3. ফ্লোয়েম ফাইবার থেকে
  4. জাইলেম ফাইবার থেকে
ব্যাখ্যা
• ফ্লোয়েম তন্ত্র/ফাইবার:
- ফ্লোয়েমে অবস্থিত ক্লেরেনকাইমা কোষগুলোই হলো ফ্লোয়েম তন্তু। এদের বাস্ট ফাইবারও বলে।
- পাটের আঁশ বাস্ট ফাইবার।
- সেকেন্ডারি বৃদ্ধির সময় এ ফাইবার তৈরি হয়।
- সকল উদ্ভিদে ফ্লোয়েম তন্তু নেই।
- পাট, শন, তিসি প্রভৃতি উদ্ভিদের ফ্লোয়েম তন্তুগুলো অত্যন্ত লম্বাটে।

• ফ্লোয়েমের কাজ:
• পরিবহন: ফ্লোয়েম পাতায় তৈরি খাদ্য উদ্ভিদের সঞ্চয়ী ও বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে পরিবহন করে।
• খাদ্য সঞ্চয়: ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা প্রয়োজনে খাদ্য সঞ্চয় করে।
• দৃঢ়তা প্রদান: ফ্লোয়েম ফাইবার ফ্লোয়েম টিস্যুকে তথা উদ্ভিদ অঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদান করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
সালোসংশ্লেষণে উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়- 
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. গ্লুকোজ 
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস:
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- এ প্রক্রিয়াটি সজীব উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল সূর্যের আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এই রাসায়নিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড বিজারণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে ও উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বহুপ্রতিসম ফুল কোনটি?
  1. জবা
  2. মটর
  3. কলাবতী
  4. শিম
ব্যাখ্যা
• বহুপ্রতিসম (Actinomorphic) ফুল:
- বহুপ্রতিসম (Actinomorphic) ফুল হলো এমন ফুল, যা একাধিক সমতলে কাটা হলে সমানভাবে বিভক্ত হয় এবং প্রতিটি অংশ অভিন্ন থাকে।
- জবা (Hibiscus) ফুল বহুপ্রতিসম, কারণ এটি বিভিন্ন দিক থেকে কাটা হলেও প্রতিসম থাকে।
উদাহরণ: সরিষা, শাপলা, সূর্যমুখী ইত্যাদি

অন্যদিকে,
- মটর (Pisum sativum) ও শিম (Lablab purpureus) একপ্রতিসম (Zygomorphic), কারণ এগুলো একটি নির্দিষ্ট সমতলে কাটা হলে দুই সমান অংশে বিভক্ত হয়।
- কলাবতী (Canna indica) ফুলও একপ্রতিসম, কারণ এর গঠন অসমান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
উদ্ভিদের মাইক্রো পুষ্টি উপাদানের সংখ্যা কত?
  1. ৬টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা
• অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।
- এই ৬০টি উপাদানের মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়,
- এর মধ্যে ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (Essential elements) বলা হয়।

• উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ:
অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

• ম্যাক্রো উপাদান:
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি।
যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H),
অক্সিজেন (০), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।

• মাইক্রো উপাদান:
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৬টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (CI)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সালোক সংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো-
  1. ১০-১৫%
  2. ১-২ %
  3. ৭০-৮০%
  4. ২০- ৩০%
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ:
যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে- (১) আলো, (২) ক্লোরোফিল, (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই-অক্সাইড।
- সূর্য হতে যে আলো পৃথিবীতে আসে তার যে অংশ উদ্ভিদের পাতায় পতিত হয় সে অংশের শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, বাকী ৯৮ থেকে ৯৯ ভাগ সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে বিভিন্ন দিকে ছরিয়ে পড়ে।
- তবে কিছু কিছু উদ্ভিদ যেমন আখের ক্ষেত্রে সালোক সংশ্লেষণের কর্মদক্ষতা ৩.৫% ও হয়ে থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী-
  1. বিলিরুবিন
  2. জারক রস
  3. ভিটামিন
  4. পিত্তরস
ব্যাখ্যা
• বিলিরুবিন (Bilirubin):
- বিলিরুবিন (Bilirubin) হলো একটি পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ, যা লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভাঙনের ফলে উৎপন্ন হয়।
- এটি প্রধানত যকৃত (লিভার) দ্বারা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে পিত্তরসে (Bile) প্রবেশ করে এবং অন্ত্রে নিঃসৃত হয়।
- বিলিরুবিনের উপস্থিতির কারণেই পিত্তরস হলুদ-সবুজ বর্ণ ধারণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী?
  1. কুমির
  2. টিকটিকি
  3. কচ্ছপ
  4. নীল তিমি
ব্যাখ্যা
• Chordata পর্বের Mammalia শ্রেণির স্তন্যপায়ী প্রাণী:
- নীল তিমি,
- বাদুড়,
- ডলফিন,
- মানুষ,
- বানর

• Chordata পর্বের Reptalia শ্রেণির সরীসৃপ প্রাণী:
- ঘড়িয়াল,
- কুমির,
- কচ্ছপ,
- সাপ,
- টিকটিকি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
উদ্ভিদের পাতা হলদে হয় কিসের অভাবে?
  1. পটাশিয়াম
  2. বোরন
  3. নাইট্রোজেন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণ:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

অন্যদিকে,
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
সবাত শ্বসনে এক অনু গ্লুকোজ থেকে কত অনু  ATP পাওয়া যায়?
  1. ১২ অনু
  2. ২৪ অনু
  3. ৩৬ অনু
  4. ৩৮ অনু
ব্যাখ্যা
• সবাত শ্বসন:
- যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসনিক বস্তু সম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে CO₂, H₂O এবং জৈবনিক শক্তি ও তাপশক্তি উৎপন্ন করে তাকে সবাত শ্বসন বলে।
যদি গ্লুকোজ শ্বসনিক বস্তু হয় তাহলে সবাত শ্বসনের রাসায়নিক সংকেত নিম্নরুপ-
C6H12O6+6O2+6H₂O → 6CO₂+12H2O+38ATP+তাপ শক্তি

(C6H12O6+6O2+6H2O+38ADP+38iP → 6CO2+12H2O+38ATP+ তাপশক্তি)

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
করোটিতে মোট কতটি অস্থি থাকে?
  1. ২৯
  2. ৩১
  3. ৩২
  4. ৩৩
ব্যাখ্যা
• অক্ষীয় কঙ্কাল:
- কঙ্কালতন্ত্রের যে অস্থিগুলো দেহের অক্ষ রেখা বরাবর অবস্থান করে কোমল, নমনীয় অঙ্গগুলোকে ধারণ করে ও রক্ষা করে এবং দেহ কাণ্ডের গঠনগুলো সংযুক্ত করে অবলম্বন দান করে তাদের একত্রে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে।
- অক্ষীয় কঙ্কাল প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা -
(ক) করোটি,
(খ) মেরুদণ্ড ও
(গ) বক্ষপিঞ্জর।

• করোটি:
- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঙ্কালিক গঠনকে করোটি বলে।
- করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে।

• মেরুদণ্ড:
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দণ্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়া বলে।

• বক্ষপিঞ্জর:
বক্ষদেশীয় ১২টি কশেরুকার সঙ্গে ১২ জোড়া পশুকা যুক্ত হয়ে যে খাঁচার মত আকৃতি গঠন করে তাকে বক্ষপিঞ্জর বলে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
শাপলা ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. Mangifera indica
  2. Nymphaea nouchali
  3. Copsychus saularis
  4. Artocarpus heterophyllus
ব্যাখ্যা
• শাপলা ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম  Nymphaea nouchali।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম -
- Oryza sativa - ধান;
- Mangifera indica - আম;
- Artocarpus heterophyllus - কাঁঠাল;
- Apis indica - মৌমাছি;
- Allium cepa - পেঁয়াজ;
- Copsychus saularis - দোয়েল;
- Periplaneta americana আরশোলা;
- Panthera tigris - রয়েল বেঙ্গল টাইগার;
- Hilsa ilisha - ইলিশ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়-
  1.  মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
  2. পাতায়
  3. মূলের অগ্রভাগে
  4. কাণ্ডের অগ্রভাগে
ব্যাখ্যা
• ভাজক টিস্যু:
- বিভাজনে সক্ষম কোষ দ্বারা গঠিত টিস্যুকে ভাজক টিস্যু বলা হয়।
- ভাজক টিস্যুর কোষগুলোকে ভাজক কোষ বলা হয়।
- ভাজক কোষের বিভাজনের মাধ্যমেই উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং ভাজক টিস্যু থেকেই অন্যান্য স্থায়ী টিস্যুর উৎপত্তি হয়।
- সাধারণত উদ্ভিদ দেহের মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থাকে বৃদ্ধি পায়।

গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে স্থায়ী টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। সরল টিস্যু,
২। জটিল টিস্যু এবং
৩। ক্ষরণকারী টিস্যু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
সালোক সংশ্লেষণ সংগঠিত হয় যেখানে- 
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া আছে
  2. নিউক্লিয়াস আছে
  3. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. ক্লোরোফিল আছে
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ:
- শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে:
(১) আলো (২) ক্লোরোফিল (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই-অক্সাইড।

- সালোক সংশ্লেষণ সাধারণত উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গে যেখানে ক্লোরোফিল আছে সেখানে ঘটে।
- যেমন: পাতা, সবুজকাণ্ড, শাখাপ্রশাখা প্রভৃতি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।