পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৭
সিলেবাস
Exam - 33 Final Model Test-7 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৭ প্রশ্ন

.
What is the meaning of the word 'Plethora'?
  1. Excess
  2. Dearth
  3. Profound
  4. Conceal
সঠিক উত্তর:
Excess
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excess
ব্যাখ্যা
• Plethora (noun)

English Meaning: A very large amount of something, especially a larger amount than you need, want, or can deal with.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) (১) অতিপ্রাচুর্য; আতিশয্য। (২) (চিকিৎসাশাস্ত্র) রক্তে লালকণিকার আধিক্যজনিত রোগ; রক্তসিক্ত।

Synonyms: Excess (অতিরিক্ত), Surfeit (অতিরিক্ত পরিমাণে কিছু), Overabundance (অতিপ্রাচুর্য), Profusion (প্রাচুর্য), Richness (সমৃদ্ধি)। 
Antonyms: Dearth (অভাব, অনটন,  আকাল), Lack (অভাব ঘটা), Deficiency (ঘাটতি), Paucity (অনটন), Shortage (স্বল্পতা)। 

Other Forms:
- Plethoric (adjective).

 Example Sentence: 
1. The plethora of regulations is both contradictory and confusing.
2. The Plethora of details about anything does not bring any good. 

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
- Profound (গভীর)।
- Conceal (গোপন করা), 

Source: Live MCQ Lecture.
.
We each have distinct goals and aspirations for the future. Here 'each' is used as -
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Determiner
  4. Adjective
সঠিক উত্তর:
Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronoun
ব্যাখ্যা
• We each have distinct goals and aspirations for the future. Here 'each' is used as - Pronoun.

• Each Noun এবং pronoun উভয়কেই modify করে।
- দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা জিনিসের প্রত্যেকটি, আলাদাভাবে বিবেচিত এবং চিহ্নিত করতে বা পূর্ববর্তী কোনো pronoun এর উপর জোর প্রদানের জন্য ব্যবহৃত যদি বাক্যে pronoun এরপর each বসে তবে তা emphasizing pronoun হবে।
- এখানে, each - emphasizing pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা তার আগের pronoun এর উপর জোর প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- We each - আমরা প্রত্যেকেই বোঝাচ্ছে এবং এর পর plural verb বসেছে।
- Each সরাসরি কোন noun কে modify করছে না, তাই এখানে determiner হবে না।
Examples:
- They each have their own personality.
- They each have their own email address.
.
I remember my friends surprising me on my birthday last year. (Passive)
  1. I remember being surprised by my friends on my birthday last year.
  2. I remember I was being surprised by my friends on my birthday last year.
  3. I remember I was surprised by my friends on my birthday last year.
  4. I remember I have been surprised by my friends on my birthday last year.
সঠিক উত্তর:
I remember being surprised by my friends on my birthday last year.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I remember being surprised by my friends on my birthday last year.
ব্যাখ্যা
• Voice change এর নিয়মানুযায়ী, 
-  Active Structure: Subject + like/remember/hate/mind + প্রথম object + (verb + ing) + দ্বিতীয় object + extension.
- এই গঠন যুক্ত বাক্যকে  passive এর পরিবর্তন করার নিয়ম -
- Passive Structure: Subject + like/remember/hate/mind + being + (verb + ing) এর past participle + extension + by + obj1.

• সুতরাং, নিয়মানুসারে -
Active: I remember my friends surprising me on my birthday last year. 
Passive: I remember being surprised by my friends on my birthday last year.
.
Which of the following is synonymous with the word 'Aggregate'?
  1. Individual
  2. Particular
  3. Accumulation
  4. Net
সঠিক উত্তর:
Accumulation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Accumulation
ব্যাখ্যা
• Aggregate (noun) / (Adjective) (Verb)

English Meaning: Something formed by adding together several amounts or things; total.
Bangla Meaning: 
(১) সমষ্টি; সমাহার; সমূহ; যোগফল।
in the aggregate সব মিলিয়ে; সমষ্টিগতভাবে; সামগ্রিকভাবে।
(২) কংক্রিট তৈরি করার জন্য সিমেন্টের সঙ্গে মিশ্রিত উপাদানসমূহ (বালি, নুড়ি ইত্যাদি)।

Synonyms: Total (সর্বমোট সম্পূর্ণ), Accumulation (সঞ্চয়ন; পুঞ্জীভবন), Sum (যোগফল; সমষ্টি), Mass (জনসাধারণ, জনগণ), Combine (সংযুক্ত করা বা মিলিত হওয়া)।
Antonyms: Net (অবশিষ্ট), Uncombined (সংযুক্ত নয় এমন), Individual (ব্যক্তি), Part (অংশ), Particular (নির্দিষ্ট)। 

Other Forms: 
- Aggregate [অ্যাগ্রিগেইট্‌] (verb transitive, verb intransitive) (১) সমষ্টীভূত/সমগ্রীভূত হওয়া বা করা। (২) (নির্দিষ্ট সাকল্যের) মোট পরিমাণ হওয়া।
- Aggregation [আগ্রিগেইশ্‌ন্‌] [Uncountable noun] সমষ্টি; সংগ্রহ; সমাহার; সমষ্টিকরণ।

Example Sentence
1. The council was an aggregate of three regional assemblies.2. Raspberries are aggregate fruits.

Source: Live MCQ Lecture.
.
What is the antonym of the word 'Adulterate'?
  1. Renewal
  2.  Suspended
  3. Refine
  4. Taint
সঠিক উত্তর:
Refine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Refine
ব্যাখ্যা
• Adulterate (verb-transitive)
English Meaning: To make something weaker or of worse quality by adding something else to it.
Bangla Meaning: ভেজাল দেওয়া/মেশানো; দূষিত/অপকৃষ্ট/হীনমূল্য করা।

Synonyms: Taint (দূষিত করা বা হওয়া), Pollute (দূষিত/নোংরা করা), Corrupt (বিকৃত করা বা হওয়া), Spoil (নষ্ট করা), Infect (দূষিত করা, সংক্রমণ করা)।
Antonyms: Refine (শোধন/বিশুদ্ধ করা), Rectify (সংশোধন করা), Polish (উজ্জল করা), Correct (সঠিক করা), Amend (সংশোধন করা)। 

Other Forms: 
- Adulterant [আডাল্‌টারান্‌ট্] (noun) ভেজাল, খাদ।
- Adulteration [আডাল্‌টারেইশ্‌ন্‌] (noun) ভেজাল, অপমিশ্রণ, মিশাল।

Example Sentence: 
1. Saffron is very expensive and is often adulterated with other plants.
2. When you cook with rotten vegetables, it will adulterate other items as well.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
- Renewal (পুন:চালু, নবায়ন)। 
- Suspended (স্থগিত)।

Source: Live MCQ Lecture.
.
The Minister may have exceeded the powers conferred _________ him by Parliament.
  1. of
  2. on
  3. by
  4. at
সঠিক উত্তর:
on
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on
ব্যাখ্যা
• Confer (on/upon somebody)
English meaning: confer something (on/upon somebody) to give someone an award, a degree, or a particular honor or right.
Bangla meaning: প্রদান করা। 
- Confer এর পর 'on' preposition টি appropriately বসে।
- Complete sentence: The Minister may have exceeded the powers conferred on him by Parliament.

এছাড়াও, 
• Confer with, about (পরামর্শ করা)।
- I conferred with my friends about baking cakes. 

Source: Oxford Learner's Dictionary.
.
Who is the author of 'Das Capital'?
  1. Edmund Burke
  2. Bertrand Russell
  3. Karl Marx
  4. Jean-Paul Sartre
সঠিক উত্তর:
Karl Marx
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karl Marx
ব্যাখ্যা
• 'Das Capital' is written by Karl Marx.
- তিনি ১৮৬৭ সালে "Das Capital" প্রথম খণ্ড প্রকাশ করেন।
- এটি রাজনৈতিক অর্থনীতির একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ।
- Das Kapital is essentially a description of how the capitalist system works and how, Marx claims, it will destroy itself.

• Karl Marx: 
- তিনি একাধারে একজন German philosopher, revolutionary, sociologist, historian এবং economist.
- Victorian Period এর অন্যতম এই লেখকের পুরো নাম Karl Heinrich Marx.
- Karl Marx কে “ Socialism and modern scientific communism” বলা হয়।
- He published The Communist Manifesto, the most celebrated pamphlet in the history of the socialist movement.
- Marx’s early writings are dominated by an understanding of alienation, a distinct type of social illness whose diagnosis looks to rest on a controversial account of human nature and its flourishing. 

• His famous books:
- Das Capital,
- Communist Manifesto,
- Holy Family,
- The Eighteenth Brumaire of Louis Bonaparte
- The Poverty of Philosophy.

• Famous quotes:
• Men make their own history.
• Religion is opium to the people.
• History repeats itself, first as a tragedy, second as a farce.

Source: Live MCQ Lecture, Bbc.com and Britannica.
.
Every _______ has the right to profess, practise or propagate any religion.
  1. person
  2. citizen
  3. people
  4. community
সঠিক উত্তর:
citizen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizen
ব্যাখ্যা
Article 41: Freedom of religion:

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা:

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে -
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
.
"Complete Justice" বিষয়টি কোন কর্তৃপক্ষের সাথে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১০৪: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।

Article 104: Issue and execution of processes of Appellate Division-
The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
১১.
"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন- এই সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  4. The Civil Courts Act, 1887
সঠিক উত্তর:
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন;
১২.
সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
১৩.
সংসদে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পদ্ধতি কী?
  1. ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  2. উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  3. মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
  4. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

Article 75- Rules of procedure, quorum, etc-:

(1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;

(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
১৪.
'সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৬ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
 আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।

Article 111- Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.
১৫.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(29)
  2. Section 3(39)
  3. Section 3(41)
  4. Section 3(19)
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
১৬.
'Decisions Sub Silentio' বলতে বোঝায়-
  1. আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
  2. বিচারিক আদালতের রায়ে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত ছিল
  3. আইনের বিধান সম্পর্কে অজ্ঞতাহেতু কোনো ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত
  4. আইনের কোনো শব্দ বা বাক্যের অর্থ বুঝাতে না পারা
সঠিক উত্তর:
আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
ব্যাখ্যা
• The concept of Sub silentio is a legal term that simply refers to a situation in which a court makes a ruling or applies a principle without taking into account the applicable law or any argument. The precedents that pass sub silentio are of "little or no authority,"

Its literal meaning is "in silence," and it's used to describe something which is not explicitly stated.

অর্থাৎ- নীরব থাকা এবং সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এমন কিছুকে বোঝানো হয়। কোন যুক্তিতর্ক বা প্রয়োগযোগ্য আইন বিবেচনা না করে, যে অবস্থায় আদালত কর্তৃক কোন আদেশ (রুলিং) দেওয়া হয় তাকে বুঝায়।
১৭.
"Culpae Poena Par Esto" দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
১৮.
একদিন সকালে 'ক' তার ভাই 'খ' এর ঘরে প্রবেশ করে দেখে 'গ' এর মৃতদেহ পড়ে আছে, পাশে 'খ' রক্তমাখা ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। অতঃপর 'ক', 'খ' থেকে জানতে পারে, 'গ' তার পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য বলায় 'খ' তাকে খুন করে। তা শুনে 'ক' ছুরিটা নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

যেহেতু 'খ' খুনের অপরাধ করেছে এবং তা ৩০২ ধারার অধীন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয়, সেহেতু 'ক' সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১৯.
কোন ব্যক্তি যদি ________ কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ________ কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে গেলে, তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
  1. ১০ বছর, ১২ বছর
  2. ১৫ বছর, ১৬ বছর
  3. ১৪ বছর, ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর, ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর, ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর, ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
২০.
'অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।'- দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে উক্ত বিধান সাদৃশ্যপূর্ণ?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রয় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
২১.
The Evidence Act,1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নের কোন দলিলটি Private Document?
  1. কমনওয়েলথ সচিবালয়ের দাপ্তরিক পত্র
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা
  3. সার্টিফাইড কপি অব রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব এটর্নি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।

অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

অপশনে উল্লিখিত লিখিত বিবরণ ও নথিপত্র সমূহ ৭৪ ধারার সংজ্ঞার অধীনে পড়ে, তাই সবগুলোই সরকারী দলিল বা Public Document।
২২.
আইনে যদি কোন দলিল প্রত্যয়ন (Attested) করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ৬৭ ধারা
  2. ৬৮ ধারা
  3. ৬৯ ধারা
  4. ৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:

যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
২৩.
Inquisitorial system এ বিচারক কোন ধরনের ভূমিকা পালন করেন?
  1. সাক্ষীর
  2. আইনজীবীর
  3. অভিযোগকারির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
২৪.
কোন ফৌজদারী আদালত কোন ব্যক্তিকে তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে বললে সে যদি তা উপযুক্ত কারণ ছাড়া হাজির করতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কী দণ্ড দিতে পারে?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. শুধু অর্থদণ্ড
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮৫- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ

কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
২৫.
যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, নালিশকৃত অপরাধ কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন
  2. অনুসন্ধান করতে পারবেন
  3. তদন্ত করতে পারবেন
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর, তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না। আরও শর্ত এই যে- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
২৬.
সরকার কর্তৃক অশ্লীল বই বাজেয়াপ্ত হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট বাজেয়াপ্ত ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৯৯ক ধারায় সরকারকে কতিপয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সংবাদপত্র বা পুস্তক বা দলিলসমূহে নিম্নোক্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান থাকলে তা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে:
১) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর;
২) মারাত্মক শিষ্টাচারহীন বা গালিগালাজপূর্ণ বা অশ্লীল;
৩) আমলযোগ্য অপরাধ করতে উত্তেজিত করে এমন শব্দ বা তিরস্কার;
৪) যা প্রকাশ করা পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ধারা ১২৩৩, ১২৪এ, ১৫৩৩, ১৯২,২৯৫এ, ৫০৫, ৫০৫এ অনুযায়ী দণ্ডণীয়।

৯৯খ ধারা অনুযায়ী-
উপরিউক্ত উপাদানযুক্ত সংবাদপত্র, পুস্তক, দলিল বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই মাসের মধ্যে HCD এর নিকট ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে।

৯৯গ ধারা অনুযায়ী-
৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত HCD এর স্পেশাল বেঞ্চ আবেদন শ্রবণ করে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
২৭.
সামি ও রাইতুলের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ এবং ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত ৮ : ৩ হলে, সামি ও রাইতুলের বর্তমান বয়সের পার্থক্য কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সামি ও রাইতুলের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ এবং ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত ৮ : ৩ হলে, সামি ও রাইতুলের বর্তমান বয়সের পার্থক্য কত?

সমাধান:
ধরি,
সামির বর্তমান বয়স = ৭ক
রাইতুলের বর্তমান বয়স = ২ক

৫ বছর পর সামির বয়স = ৭ক + ৫
৫ বছর পর রাইতুলের বয়স = ২ক + ৫

প্রশ্নমতে,
(৭ক + ৫) : (২ক + ৫) = ৮ : ৩
⇒ (৭ক + ৫)/(২ক + ৫) = ৮/৩
⇒ ২১ক + ১৫ = ১৬ক + ৪০
⇒ ৫ক = ২৫
∴ ক = ৫

সামির বর্তমান বয়স = ৭ × ৫ = ৩৫ বছর 
রাইতুলের বর্তমান বয়স = ২ × ৫ = ১০ বছর
∴ তাদের বর্তমান বয়সের পার্থক্য = ৩৫ - ১০ = ২৫ বছর
২৮.
9a2 - 9a - 4 এর উৎপাদকে বিশ্লেষিত রূপ কোনটি?
  1. (2a + 3)(2a - 1)
  2. (3a - 4)(3a + 1)
  3. (2a + 1)(2a - 3)
  4. (4a - 1)(4a + 2)
সঠিক উত্তর:
(3a - 4)(3a + 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3a - 4)(3a + 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9a2 - 9a - 4 এর উৎপাদকে বিশ্লেষিত রূপ কোনটি?

সমাধান:
9a2 - 9a - 4
= 9a2 - 12a + 3a - 4
= 3a(3a - 4) + 1(3a - 4)
= (3a - 4)(3a + 1)
২৯.
একটি সাইকেলের চাকা প্রতি মিনিটে ৪০ বার ঘুরে এবং প্রতি ঘূর্ণনে ৫০ সে.মি. চলে। আধা ঘণ্টায় চাকাটি কত মিটার অতিক্রম করবে?
  1. ৩০০ মিটার
  2. ৬০০ মিটার
  3. ২০০ মিটার
  4. ২০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সাইকেলের চাকা প্রতি মিনিটে ৪০ বার ঘুরে এবং প্রতি ঘূর্ণনে ৫০ সে.মি. চলে। আধা ঘণ্টায় চাকাটি কত মিটার অতিক্রম করবে?

সমাধান:
চাকাটি ১ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = ৫০ সে.মি.
∴ চাকাটি ৪০ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = (৫০ × ৪০) সে.মি.
= ২০০০ সে.মি.

এখন,
চাকাটি ১ মিনিটে অতিক্রম করে = ২০০০ সে.মি.
∴ চাকাটি ৩০ মিনিটে অতিক্রম করে = ২০০০ × ৩০ সে.মি.
= ৬০০০০ সে.মি.
= ৬০০০০/১০০ মিটার 
= ৬০০ মিটার
৩০.
৫ টাকায় ৮টি আমলকি ক্রয় করে ৫ টাকায় ৬টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ২৩.৬৭%
  2. ২৭.৬৬%
  3. ৩৩.৩৩%
  4. ৩৬.৫০%
সঠিক উত্তর:
৩৩.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩.৩৩%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ টাকায় ৮টি আমলকি ক্রয় করে ৫ টাকায় ৬টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?

সমাধান:
১টি আমলকির ক্রয়মূল্য = ৫/৮ টাকা
১টি আমলকির বিক্রয়মূল্য = ৫/৬ টাকা
∴ লাভ = ৫/৬ - ৫/৮
= (২০ - ১৫)/২৪
= ৫/২৪ টাকা

∴ লাভের হার = (৫/২৪ × ১০০)/(৫/৮)
= (৫ × ১০০ × ৮)/(৫ × ২৪)
= ৪০০০/১২০
= ৩৩.৩৩%
৩১.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য 12 মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 18√3 বর্গ মিটার
  2. 24√3 বর্গ মিটার
  3. 36√3 বর্গ মিটার
  4. 48√3 বর্গ মিটার
সঠিক উত্তর:
36√3 বর্গ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36√3 বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য 12 মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × বাহু2
= (√3/4) × 12 × 12
= 36√3 বর্গ মিটার
৩২.
ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়-
  1. ইউরেনিয়াম আইসোটোপ
  2. আয়োডিন আইসোটোপ
  3. টেকনিশিয়াম আইসোটোপ
  4. ইরিডিয়াম আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্নি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৩৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.- Nothing herein contained shall be deemed to affect- 

(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 

(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 

(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 

(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
৩৪.
'Doctrine of Election' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. উভয় হস্তান্তর একই দলিলে হবে
  2. ইকুইটি নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত
  3. হস্তান্তরকারী অবশ্যই নিজের সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন
  4. নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু হলে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারী অবশ্যই নিজের সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারী অবশ্যই নিজের সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন
ব্যাখ্যা
Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
২টি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

Doctrine of Election এর ব্যতিক্রম:
⇒ একই লেনদেনে প্রদত্ত অন্য কোন সুবিধা সম্পত্তির বিনিময় নয় তা পরিত্যাগ করতে সম্পত্তির মালিক বাধ্য নয়।
⇒ অসম্মতি জ্ঞাপন না করে মালিক ২ বছর ধরে তাকে প্রদত্ত সুবিধা ভোগ করলে, সে সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিল এবং তদন্তের অধিকার বর্জন করেছিল মর্মে ধরে নিতে হবে।
⇒ হস্তান্তরিত সম্পত্তির মালিক যদি এমন কোন কাজ করে যার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণকে ঐ কাজ করার পূর্বে যে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত ছিল সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
⇒ হস্তান্তরগ্রহীতা নির্বাচন করার ব্যপারে অক্ষম হলে যতদিন উক্ত অক্ষমতার অবসান না ঘটে বা কোন যোগ্যতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ নির্বাচন না করেন, ততদিন নির্বাচন স্থগিত থাকবে।
৩৫.
সিকস্তির কারণে অবলুপ্ত জমি ৩০ বছরের মধ্যে জেগে উঠলে, উক্ত জমিতে কে তাৎক্ষণিক দখলাধিকার প্রয়োগ করবেন?
  1. উক্ত জমির প্রজা
  2. প্রজার উত্তরাধিকারী
  3. কালেক্টর
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারার বিধান সিকস্তির কারণে খাজনা হ্রাস এবং পয়োস্তির কারণে জাগিয়া উঠা জমিতে অধিকার নির্ধারণ:

১) যদি কোনো জোতের অন্তর্ভুক্ত জমি বা জমির অংশ-বিশেষ সিকস্তি হইয়া যায়, তাহা হইলে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট প্রজা কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করা হইলে বা তাহাকে অবহিত করা হইলে রাজস্ব কর্মকর্তা এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী যতটুকু যথাযথ ও ন্যায়সংগত বলিয়া বিবেচনা করিবেন, উক্ত জোতের খাজনা বা উন্নয়ন কর ততটুকু মওকুফ করা হইবে এবং সিকস্তির কারণে যে ক্ষতি হইবে উহা এই বিধি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হইবে যাহা পরবর্তীতে উক্ত ভূমি যথাস্থানে জাগিয়া উঠিলে উক্ত ভূমিতে স্বত্বের প্রমাণ হিসাবে গণ্য হইবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সিকস্তির কারণে অবলুপ্ত জমি যদি ত্রিশ বৎসরের মধ্যে জাগিয়া উঠে, তাহা হইলে জোতের জমি বা জমির অংশে মূল প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারীর অধিকার, মালিকানা ও স্বার্থ বহাল থাকিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এ অধিকার, মালিকানা ও স্বার্থ থাকা সত্ত্বেও, জাগিয়া উঠা ভূমিতে প্রথমেই কালেক্টর স্ব উদ্যোগে বা যাহার জমি উক্তরূপভাবে অবলুপ্ত হইয়া গিয়াছিল, সেই প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারী বা অন্য কাহারও মাধ্যমে লিখিতভাবে অবহিত হইবার পর তাৎক্ষণিক দখলাধিকার প্রয়োগ করিবেন।

(৪) এই আইনের অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন,কালেক্টর অথবা রাজস্ব কর্মকর্তা এইরূপ জমিতে দখল গ্রহণের পর এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী দখল গ্রহণ সম্পর্কে জনগণকে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অবহিত করিবেন এবং জাগিয়া উঠা ভূমির বিষয়ে জরিপ করিবেন এবং ইহার মানচিত্র প্রস্তুত করিবেন।

(৫) কালেক্টর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী জরিপ এবং মানচিত্র প্রস্তুত করিবার পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সিকস্তির কারণে যাহার জমি অবলুপ্ত হইয়া হইয়াছিল তাহাকে অথবা, ক্ষেত্রমত, তাহার উত্তরাধিকারীকে, সেই পরিমাণ জমি বন্দোবস্ত দিবেন যাহাতে ইতঃপূর্বে উক্ত ব্যক্তির বা তাহার উত্তরাধিকারী কর্তৃক অধিকৃত জমির সহিত সংযুক্ত হইয়া ষাট বিঘার অতিরিক্ত না হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের পর উক্ত প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারীর কোনো অতিরিক্ত ভূমি, যদি থাকে, উহা সরকারের উপর ন্যস্ত ও কর্তৃত্বাধীনে থাকিবে।

(৬) উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী বন্দোবস্তকৃত জমি সালামি মুক্ত হইবে, তবে প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক যথাযথ ও ন্যায়সংগতভাবে ধার্যকৃত খাজনা এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন।

(৭) সরকার বা কোনো আইনে উন্নয়নমূলক কাজ করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত উন্নয়নমূলক কাজের ফলশ্রুতিতে কৃত্রিম বা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরায় জাগিয়া উঠা ভূমির ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
৩৬.
কত সালে সি. এস খতিয়ান তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৩০ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
• মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে। যথা-
১. সি. এস খতিয়ান;
২. এস. এ খতিয়ান;
৩. আর. এস খতিয়ান;
৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ।

সি. এস খতিয়ান: 
১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত।

এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquisition) খতিয়ান বলে।

আর. এস খতিয়ান:
বাংলাদেশ সরকার পূর্বের তৈরিকৃত খতিয়ানের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার জন্য নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা আর. এস (Revisional Survey) খতিয়ান নামে পরিচিত।

বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ:
১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান জরিপকে বি. এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। এই খতিয়ান প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনো চলছে।
৩৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট কত দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান- আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে, তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
----
Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৩৮.
The Transfer of Property Act, 1882 এর _______ ধারার অধীনে দখলে থাকলে এবং সকল শর্ত পূরণ করা হলে, একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত পূর্বের অনিবন্ধিত দলিল পরবর্তী নিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
  1. ৪১ ধারার
  2. ৫২ক ধারার
  3. ৪৩ ধারার
  4. ৫৩ক ধারার
সঠিক উত্তর:
৫৩ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ক ধারার
ব্যাখ্যা

• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে, নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক, আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে, তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে, তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।

৩৯.
ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে, উক্ত চুক্তি __________।
  1. Void contract
  2. Voidable Contract
  3. Contingent contract
  4. Contract in guarantee
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি:

কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ: 'ক'-এর বাড়ি পুড়ে গেলে 'খ', 'ক'-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

Section 31 of The Contract Act, 1872: Contingent Contact

A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. 

Illustration: A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.
৪০.
কী কারণে চুক্তি বাতিল হতে পারে?
  1. Coercion
  2. Misrepresentation
  3. Fraud
  4. উপরের যে কোনো একটি কারণে
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনো একটি কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনো একটি কারণে
ব্যাখ্যা
• Section 19: The Contract Act, 1872-

Voidable Contract:
Free Consent (ধারা ১৪) ছাড়া কোন চুক্তি করা হলে, যে পক্ষের সম্মতি আদায় করা হয়েছিল তার ইচ্ছানুযায়ী চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) হবে।

এককথায় বলতে গেলে- 'Agreement without free consent- Voidable'.

Free Consent'র সংজ্ঞা:
ধারা ১৪ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ৫টি উপাদানের একটি চুক্তিতে উপস্থিত/বিদ্যমান থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) নয় বলে গণ্য হবে। উপস্থিত/বিদ্যমান না থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) বলে গণ্য হবে।

উপাদানগুলো হলো:
০১. Coercion বা বলপ্রয়োগ: [ধারা ১৫];
০২. Undue Influence বা অযাচিত/অনুচিত প্রভাব: [ধারা ১৬];
০৩. Fraud বা প্রতারণা: [ধারা ১৭];
0৪. Misrepresentation বা মিথ্যা বর্ণনা: [ধারা ১৮];
০৫. Mistake বা ভুল: [ধারা (২০-২৩)]।
 
অর্থাৎ উপরের কোনো একটি উপাদানের উপস্থিতিতে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
৪১.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
• ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯- অপরাধের বিচার:

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধানসমূহের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
  2. অতিরিক্ত সময়সহ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে
  3. সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
  4. সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation),
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
৪৩.
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের মেয়াদ তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৪৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা-

যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।
৪৪.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩১ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩২ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়। 

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৪৫.
'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত এক দেওয়ানী মোকদ্দমায় আদালত 'ক' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ক' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন 'ক' এর বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. ১ বছরের কারাবাস
  3. ৬ মাসের কারাবাস
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে। ৬ মাসের অধিক কারাবাস দেয়ার এখতিয়ার বিধিতে উল্লেখ নেই।
৪৬.
Which authority has the power to fix the local limits of jurisdiction of the civil courts mentioned in the Civil Courts Act, 1887?
  1. The Government
  2. The High Court Division
  3. The Appellate Division
  4. The High Court Division with consultation of Government
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 Section 13: Power to fix local limits of jurisdiction of Courts-

(1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the local limits of the jurisdiction of any Civil Court under this Act. 
 
(2) If the same local jurisdiction is assigned to two or more Joint District Judges or to two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, the District Judge may assign to each of them such civil business cognizable by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, as, subject to any general or special orders of the High Court Division, he thinks fit. 
 
(3) When civil business arising in any local area is assigned by the District Judge under sub-section (2) to one of two or more Joint District Judges or to one of two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, a decree or order passed by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge shall not be invalid by reason only of the case in which it was made having arisen wholly or in part in a place beyond the local area if that place is within the local limits fixed by the Government under sub-section (I). 
 
(4) A Judge of a Court of Small Causes appointed to be also a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge is a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, within the meaning of this section. 
 
(5) The present local limits of the jurisdiction of every Civil Court under this Act shall be deemed to have been fixed under this section.
৪৭.
'ক' এর ২ শতক জমি মাগুরায় ও ১ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৩ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোর সহকারি জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, 'খ' উক্ত মোকদ্দমা মাগুরা সহকারি জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মাগুরা জেলা জজ আদালতে
  3. যশোর জেলা জজ আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.

প্রশ্নে উল্লিখিত যশোর সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হবে যশোর জেলা জজ আদালত এবং মাগুরা সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হচ্ছে মাগুরা জেলা জজ আদালত। আদালতসমূহ ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন বিধায় হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থানান্তরের আবেদন পেশ করতে হবে।
৪৮.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫০ হাজার
  2. ২৫ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৪০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• স্বল্প মূল্যমানের বিরোধ সমূহের জন্য The Small Cause Courts Act, 1887 অনুসারে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত স্থাপন করা হয়েছে। ত্বরিত বিচার ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার হবে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় নির্ধারণ, সাক্ষ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া বিচারকদের অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই।

The Small Cause Courts Act, 1887 এর ১৫ ধারায় বলা হয়েছে-
২৫ হাজার টাকার অধিক নয় এমন যেকোনো মূল্যমানের মামলার বিচার করবে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত সমূহ। তবে সরকার চাইলে লিখিত আদেশ দ্বারা পরিমাণ ৩০,০০০ টাকা করতে পারে। Small Cause Courts কর্তৃক বিচার্য মামলা অন্য কোন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বিচার করতে পারবে না। ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন এবং হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে থাকবে। নিষেধাজ্ঞা, স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ, ডিক্রি সম্পাদন সহ নানা ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালতের কোন এখতিয়ার থাকবে না।

Section 15- Cognizance of suits by Courts of Small Causes:
(1) A Court of Small Causes shall not take cognizance of the suits specified in the second schedule as suits excepted from the cognizance of a Court of Small Causes. 
 
(2) Subject to the exceptions specified in that schedule and to the provisions of any enactment for the time being in force, all suits of a civil nature of which the value does not exceed twenty five thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes. 
 
(3) Subject as aforesaid, the Government may, by order in writing, direct that all suits of a civil nature of which the value does not exceed thirty thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes mentioned in the order.
৪৯.
'ক' প্রতি বাক্স নীল ১,০০০ টাকা দরে ৪০ বাক্স নীল বিক্রয় করতে এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত চুক্তির প্রতিকার কী?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. আংশিকভাবে কার্যকর করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. ঘোষণামূলক প্রতিকার দেয়া যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-

চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

প্রশ্নে উল্লেখিত চুক্তির ক্ষেত্রে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৫০.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না: 
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৫১.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কত ধারায় 'Temporary release' এর বিধান রয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৩ ধারায়
  4. ১১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 14: Temporary release of persons detained-

(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release. 

(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction. 

(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be. 

(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 

(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.

• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫২.
দুর্নীতি দমন কমিশন এর ক্ষেত্রে কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা
  2. এটি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান
  3. সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
  4. এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি অর্জনের অধিকার নেই
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্প ত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৫৩.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণের সাথে বৈধ উপকরণ পাওয়া গেলে, তা-
  1. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে না
  3. প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হবে
  4. দখলদারের জিম্মায় দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি:

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
৫৪.
মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অপরাধ বিচারকালে মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করে মূল মামলার বিচার-
  1. চলমান রাখতে পারে
  2. স্থগিত করতে পারে
  3. বাতিল করতে পারে
  4. খারিজ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ ধারা ১৫- মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
৫৫.
চেক ডিজঅনার মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Prima facie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি উক্ত আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
৫৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং তার জন্য স্বতন্ত্র কোনো দণ্ড না থাকলে, লঙ্ঘনকারী কোন দণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. কারাদণ্ডে
  2. অর্থ দণ্ডে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫৭.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৫৮.
'চ', তার প্রতিবেশি 'ছ' এর ৮ বছরের বাচ্চাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখে। পরবর্তীতে 'ছ' এর কাছে পরিচয় গোপন করে ফোনে 'চ' ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। এক্ষেত্রে 'চ' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৮: মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি-

যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫৯.
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'- কোথায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১ক, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  2. বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
  3. বিধি ১০, আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫
  4. ধারা ১৭, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
ব্যাখ্যা
• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে-
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।
৬০.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়ম অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান এবং একাধিক ভাই/বোন না থাকলে, মাতা সম্পত্তির ___________ পাবে।
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার। মৃত ব্যক্তির মাতা ৩ (তিন) ভাবে সম্পদ পাবেন, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, থাকলে অথবা যদি পূর্ণ, বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে তবে মাতা ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে এবং যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) মাতা পাবেন।
৬১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীন পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বিষয় কোনটি?
  1. দেনমোহর
  2. ভরণপোষণ
  3. বিবাহ নিবন্ধন
  4. শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব
সঠিক উত্তর:
বিবাহ নিবন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ নিবন্ধন
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড।
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য।
৬২.
কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে, তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ______
  1. ইসতিসলাহ
  2. ইজতিহাদ
  3. ইসতিদলাল
  4. ইসতিহসান
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

⇒ অন্যান্য উৎসগুলো হলো-
ক. ইসতিহসান;
খ. ইসতিসলাহ;
গ. ইসতিদলাল;
ঘ. ইজতিহাদ;
ঙ. তকলিদ।

ইসতিহসান:
ইসতিহসান অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে, তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।
৬৩.
কুরআনে নির্ধারিত দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ কত?
  1. ১০ দিরহাম
  2. ৩ দিরহাম
  3. ৮ দিরহাম
  4. নির্ধারণ করা হয়নি
সঠিক উত্তর:
নির্ধারণ করা হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারণ করা হয়নি
ব্যাখ্যা
• বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

⇒ দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা- নির্ধারিত দেনমোহর এবং যথার্থ দেনমোহর।
⇒  Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে। অন্য দিকে proper dower বা যথার্থ দেনমোহরের ক্ষেত্রে দেনমোহর নির্ধারিত থাকে না।
কুরআনে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। দেনমোহরের পরিমাণ কত হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মাযহাবে মতানৈক্য রয়েছে।
⇒ হানাফি আইন অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ১০ দিরহাম বা সাত মিসকাল পরিমাণ রৌপ্য।
⇒ মালিকি মতবাদ অনুসারে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৩ দিরহাম।
⇒ শাফেয়ি এবং শিয়া আইনে দেনমোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণের উল্লেখ নেই। তবে কোনো মাযহাবে। দেনমোহরের সর্বোচ্চ পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা নেই।
৬৪.
মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে-
  1. তালাক অকার্যকর হবে
  2. স্বামী শাস্তি পাবে
  3. তালাক বাতিল হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
স্বামী শাস্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী শাস্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ (১) ধারায় বলা হয়ে, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে, তিনি যে কোন পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথাশীঘ্র সম্ভব চেয়ারম্যানকে (স্থানীয় ইউনিয়ন/পৌর চেয়ারম্যান/প্রশাসক) লিখিতভাবে নোটিশ দিবেন এবং স্ত্রীকে উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি (নকল) প্রদান করবেন।
একই আইনের ৭ (২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি নোটিশ প্রদানের এই বিধান লংঘন করেন তবে তিনি এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় প্রকারে দণ্ডনীয় হবেন।

৭ (৪) ধারা অনুযায়ী, নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানোর উদ্দেশ্যে একটি সালিশী পরিষদ গঠন করবেন এবং উক্ত সালিসী পরিষদ এই জাতীয় পুনর্মিলনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৭ (৩) ধারা অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে নব্বই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকরী হবে না। কিন্তু, তালাক ঘোষণার সময় স্ত্রী যদি গর্ভবতী থাকে, তাহলে ৭(৫) ধারা অনুযায়ী গর্ভাবস্থা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক বলবত হবে না।

উল্লেখ্য যে, মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ -এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে ৭ (২) ধারা অনুযায়ী স্বামী শাস্তি পাবে ঠিকই, কিন্তু তালাক বাতিল হবে না। উক্ত তালাক কার্যকর হবে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে অধ্যাদেশের কোথাও নোটিশ প্রধান না করলে তালাক হবে না এই বিধান উল্লেখ নাই। এই বিষয়ে উচ্চ আদালতের একটি সীদ্ধান্ত রয়েছে। সিভিল রিভিশন নং ৬৯৮, ১৯৯২, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বনাম মোছা:হেলেনা বেগম ও অন্যান্য।
৬৫.
নিম্নোক্ত কোন আইনে স্ত্রীর ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধের প্রতিকার দেয়া হয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  2. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  3. The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939
  4. উল্লিখিত সকল আইনে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
ব্যাখ্যা
ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধের প্রতিকার:

⇒ স্বামী তার স্ত্রীকে যথাােপযুক্ত কারণ ছাড়া ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করলে স্ত্রী তার ভরণপোষণ উদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতসমূহকে ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলার বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৯ ধারা অনুসারে একজন স্ত্রী তার ভরণপোষণের যথার্থ পরিমাণ নির্ধারণের জন্য চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে পারে।

⇒ The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২ ধারায় বলা হয়েছে- কোনো স্বামী ২ বছর যাবৎ স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবে।
৬৬.
দেবোত্তর সম্পত্তি যে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাহাতো
  2. সেবায়েত
  3. দেব রক্ষক
  4. সেবক
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
ব্যাখ্যা
• মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
৬৭.
দায়ভাগ মতবাদ নিম্নলিখিত কোন এলাকার ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. বাংলাদেশ
  3. পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।

বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা-
১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং
২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।

দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।
৬৮.
কোনো হিন্দু ব্যক্তির ৩ জন স্ত্রী এবং দুই পুত্র থাকলে, উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর স্ত্রীদের মধ্যে সম্পত্তির বণ্টন কীভাবে হবে?
  1. সকলে একত্রে সম্পত্তির অর্ধেক পাবে
  2. প্রত্যেকে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  3. সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  4. পুত্র থাকায় স্ত্রীগণ বঞ্চিত হবে
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে, কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
৬৯.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে কে?
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  3. আওয়ামী লীগ
  4. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭০.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ইস্কান্দার মির্জা
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. গোলাম মোহাম্মদ
  4. খাজা নাজিমউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দিন
ব্যাখ্যা
 ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
-  ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মুহাম্মদ।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর: ফিরোজ খান নুন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: নুরুল আমিন।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: খাজা নাজিমউদ্দিন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭১.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের ‘High Seas Treaty’ তে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ৫ মার্চ, ২০২৩
  2. ২০ মার্চ, ২০২৪
  3. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ২০ অক্টোবর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
High Seas Treaty:
- High Seas Treaty বা UN Treaty on the High Seas হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পৃথিবীর সমুদ্রের ৬০% অংশকে সুরক্ষা দেয় এবং সেখানে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য নতুন নীতি ও কৌশল প্রবর্তন করে।
- ‘High Seas Treaty’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২০ জুন, ২০২৩, জাতিসংঘের সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
- চুক্তিটির লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী "হাই সিজ" (High Seas) বা আন্তর্জাতিক জলসীমায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সেখানে মানুষের কার্যক্রমের প্রভাব কমানো।

⇒ ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রেজোলিউশন ৭২/২৪৯ গৃহীত হয়, যা একটি সম্মেলন আহ্বান করে সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে (High Seas) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি (ILBI) তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে। এই চুক্তি সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে পরিবেশগত প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। রেজোলিউশনটি ১৪১টি দেশ সমর্থন করে, যা পৃথিবীর সমুদ্রের এই অবহেলিত অর্ধেকের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।


উল্লেখ্য,
- ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘High Seas Treaty’তে স্বাক্ষর করেছে।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন’ (বিবিএনজে) শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে সই করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- স্বাক্ষরকারী ৬০টি দেশ অনুমোদন করলে ১২০ দিন পর চুক্তিটি কার্যকর হবে। 
- চুক্তিতে অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: i) High Seas Alliance.
         ii) ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৭২.
'হাইফা' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ইরান
  2. লেবানন
  3. ইসরাইল
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
ব্যাখ্যা
- হাইফা : ইসরাইলের প্রধান সমুদ্রবন্দর

অন্যদিকে-
- বৈরুত : লেবাননের সমুদ্রবন্দর
- ডানজিগ : পোল্যান্ডের সমুদ্রবন্দর
- বন্দর আব্বাস ও চাবাহার : ইরানের সমুদ্রবন্দর।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৭৩.
কোন প্রণালী দ্বারা ইস্তানবুল শহর ইউরোপ ও এশিয়ায় বিভক্ত হয়েছে?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাবেল মান্দেব প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী: আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
৭৪.
কোন প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে আরবলীগ গঠিত হয়?
  1. জেদ্দা প্রটোকল
  2. বাসেল প্রটোকল
  3. ত্রিপোলি প্রটোকল
  4. আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- মহাসচিব: আহমদ আবুল গাইত।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র (কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্দান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া)।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

উল্লেখ্য,
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।

উৎস: আরব লীগ ওয়েবসাইট। 
৭৫.
'শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।' - বাক্যে 'দিলেন' কোন ক্রিয়া?
  1. প্রযোজক ক্রিয়া
  2. অকর্মক ক্রিয়া
  3. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিকর্মক ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
- বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন। এই বাক্যে ‘দিলেন’ একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া।
- 'কী দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (‘বই’), আর 'কাকে দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (‘ছাত্রকে’)।

অন্যদিকে:
অকর্মক ক্রিয়া:
- বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে ঘুমায়।
- এই বাক্যে কোনো কৰ্ম নেই ৷

প্রযোজক ক্রিয়া:

- কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
- রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়।
- এখানে 'করাচ্ছেন' ও 'খাওয়ায়' প্রযোজক ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭৬.
নিচের কোনটি জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. পদুমাবৎ
  2. চন্দ্রাবতী
  3. মনসামঙ্গল কাব্য
  4. লাইলি মজনু
সঠিক উত্তর:
পদুমাবৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদুমাবৎ
ব্যাখ্যা
• হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন:
- তিনি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে ১৮৫১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত প্রাচ্যতত্ত্ববিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক।
- ভারতীয় ভাষা শিক্ষা ও অনুশীলনে বিশেষভাবে উৎসাহী ছিলেন।

কাশ্মিরি ভাষা সম্পর্কে তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- Essays on Kashmiri Grammar.
- A Manual of the Kashmiri Language.
- A Dictionary of the Kashmiri Language.

তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- The Kashmiri Ramayana.

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৭.
নিচের কোনটি 'সমর' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. রাত
  2. রাজ্ঞী
  3. যুদ্ধ
  4. নৃপ
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
'যুদ্ধ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- লড়াই, সংঘর্ষ, সংগ্রাম, সমর, যুদ্ধবিগ্রহ, রণ, সংঘাত।

অন্যদিকে:
'রাজা' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নৃপতি, নৃপ, সম্রাট, বাদশাহ্, নৃপেন্দ্র, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল।

'রানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- মহিষী, সম্রাজ্ঞী, বেগম, রাজ্ঞী, রাজপত্নী।

'রাত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রাত্রি, রজনী, নিশি, নিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ ও ২০২১ সংস্করণ)।