পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার] (যারা প্যাকেজ নিয়েছেন তাদের জন্য সকল পরীক্ষা ফ্রি)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
‘চাবাগান’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) তৎপুরুষ
  2. খ) দ্বিগু
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: চায়ের বাগান= চাবাগান, রাজার পুত্র= রাজপুত্র।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
‘চিকুর’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) কুন্তল
  2. খ) বিদ্যুৎ
  3. গ) কবরী
  4. ঘ) অলিক
ব্যাখ্যা
‘চিকুর’ শব্দের সমার্থক শব্দ- কেশ, কুন্তল, অলক, কবরী, চুল, কেশপাশ, কেশদাম, বিজলি, বিদ্যুৎ, তড়িৎ।
‘কপাল’ এর সমার্থক শব্দ- অলিক, ভাল, ভাগ্য, ললাট, নিয়তি, অদৃষ্ট, দৈব।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং অভিগম্য অভিধান]
.
‘অম্বর’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়-
  1. ক) ব্যোম
  2. খ) গগন
  3. গ) ভূধর
  4. ঘ) আকাশ
ব্যাখ্যা
‘অম্বর’ শব্দের সমার্থক শব্দ- গগন, ব্যোম, নভঃ, আকাশ।
‘ভূধর’ শব্দের সমার্থক শব্দ- অচল, অদ্রি, গিরি, পাহাড়, ভূধর, শৈল।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
.
‘ম’ বর্ণ বা ধ্বনির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ওষ্ঠ্য বর্ণ
  2. খ) উষ্মধ্বনি
  3. গ) প- বর্গীয় ধ্বনি
  4. ঘ) আনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ
ব্যাখ্যা
ঙ ঞ ণ ন ম- এই পাঁচটি বর্ণ এবং ং, ঃ, ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয়; অর্থাৎ এগুলোর উচ্চারণে নাসিকার সাহায্য প্রয়োজন হয়। তাই এগুলোকে বলে আনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি, আর এগুলোর বর্ণকে বলা হয় আনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ।
প- বর্গীয় ধ্বনিঃ প, ফ, ব, ভ, ম এই পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে। তাই এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি এবং প্রতীকগুলোকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।
শ, ষ, স, হ - এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এগুলোকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি। বর্ণগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
.
‘পরিচ্ছদ’ শব্দটিতে কোন ধরনের সন্ধির প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) স্বরধ্বনি + স্বরধ্বনি
  2. খ) স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি
  3. গ) ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি
  4. ঘ) ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি
ব্যাখ্যা
‘পরিচ্ছদ’ = পরি + ছদ। শব্দটি স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি যোগে গঠিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. ক) থ
  2. খ) ভ
  3. গ) শ
  4. ঘ) ন
ব্যাখ্যা
‘ভ’ ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাদের ঘোষ ধ্বনি এবং যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে।
অন্যদিকে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাদের মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে না, তাদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে।
শ, ষ, স- এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অঘোষ অল্পপ্রাণ, ‘হ’ ঘোষ মহাপ্রাণ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
.
আঃ, উঃ, ওঃ, বাঃ ইত্যাদি বিস্ময়াদি প্রকাশক অব্যয়ে বিসর্গ(ঃ) হল-
  1. ক) অন্তঃস্থ ধ্বনি
  2. খ) উষ্ম ঘোষধ্বনি
  3. গ) ঘোষ ‘হ’- এর উচ্চারণে প্রাপ্ত ধ্বনি
  4. ঘ) অঘোষ ‘হ’- এর উচ্চারণে প্রাপ্ত ধ্বনি
ব্যাখ্যা
আঃ, উঃ, ওঃ, বাঃ ইত্যাদি বিস্ময়াদি প্রকাশক অব্যয়ে বিসর্গ(ঃ) হল অঘোষ ‘হ’- এর উচ্চারণে প্রাপ্ত ধ্বনি। হ- এর উচ্চারণ ঘোষ, কিন্তু ঃ এর উচ্চারণ অঘোষ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
.
‘ল’-বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনিকে বলা হয়-
  1. ক) তাড়নজাত ধ্বনি
  2. খ) নাসিক্য ধ্বনি
  3. গ) কম্পনজাত ধ্বনি
  4. ঘ) পার্শ্বিক ধ্বনি
ব্যাখ্যা
‘ল’-বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বার অগ্রভাগকে মুখের মাঝামাঝি দন্তমূলে ঠেকিয়ে রেখে জিহ্বার এক বা দু পাশ দিয়ে মুখবিবর থেকে বায়ু বের করে দেওয়া হয়। দু পাশ দিয়ে বায়ু নিঃসৃত হয় বলে একে পার্শ্বিক ধ্বনি বলা হয়।
যেমন- লাল, লতা, কলরব, ফল, ফসল।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা নং ২৩]
.
‘অপরাহ্ণ’ শব্দে যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ-
  1. ক) হ্ + ন
  2. খ) হ্ + ণ
  3. গ) হ্ + ম
  4. ঘ) ন্ + ণ
ব্যাখ্যা
‘অপরাহ্ণ’ শব্দে যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ হল হ্ + ণ = হ্ণ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
১০.
গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট শব্দ নিচের কোনটি?
  1. ক) গরুর গাড়ি
  2. খ) শবপোড়া
  3. গ) অশ্বশকট
  4. ঘ) ঘোড়াগাড়ি
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনও কখনও গুরুচন্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন- গরুর গাড়ি, ঘোড়াগাড়ি বা অশ্বশকট, শবদাহ, মড়াপোড়া প্রভৃতি স্থলে যদি বলা হয় যথাক্রমে গরুর শকট, ঘোড়াশকট, শবপোড়া, মড়াদাহ; তাহলে দেশীয় শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটে এবং তাতে শব্দ গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট হয়।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
১১.
‘গ্রাহী’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কি হবে?
  1. ক) √গ্রহ + ণিন
  2. খ) √গ্রা + হী
  3. গ) √গ্রাহ + ইন
  4. ঘ) √গ্রা + ণিন
ব্যাখ্যা
‘গ্রাহী’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় √গ্রহ + ণিন।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
১২.
অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) অব্যয়ীভাব
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি: দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণী]
১৩.
কোনটি বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. ক) হাট-বাজার
  2. খ) মা-বাপ
  3. গ) ছেলে-বুড়ো
  4. ঘ) বুক-পিঠ
ব্যাখ্যা
বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস হলো ছেলে-বুড়ো।
এছাড়া,
হাট-বাজার - সমার্থক শব্দযোগে গঠিত,
মা-বাপ - মিলনার্থক শব্দযোগে গঠিত,
বুক-পিঠ - অঙ্গবাচক শব্দযোগে গঠিত,
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণী]
১৪.
‘শান্তশিষ্ট’ শব্দটির ব্যাসবাক্য কি হবে?
  1. ক) শান্ত এবং শিষ্ট
  2. খ) শান্ত অথচ শিষ্ট
  3. গ) যে শান্ত সেই শিষ্ট
  4. ঘ) শান্ত ও শিষ্ট
ব্যাখ্যা
‘শান্তশিষ্ট’ শব্দটির ব্যাসবাক্য- শান্ত অথচ শিষ্ট। এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণী]
১৫.
‘উপকূল’ শব্দে ‘উপ’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সদৃশ
  2. খ) সামীপ্য
  3. গ) ছোট
  4. ঘ) পশ্চাৎ
ব্যাখ্যা
উপকূল = কূলের সমীপে, অর্থাৎ, সামীপ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৬.
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ হয় না তাকে বলে -
  1. ক) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  2. খ) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) নঞ্ তৎপুরুষ সমাস
  4. ঘ) অলুক তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমনঃ গায়ে পড়া = গায়েপড়া
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৭.
বিসর্গ সন্ধি কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) কোন প্রকারভেদ নেই
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত র্‌ ও স্‌ অনেক ক্ষেত্রে অঘোষ উষ্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ (ঃ) রূপে লেখা হয়। বস্তুত বিসর্গ র্‌ ও স্‌ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে :
১। র্‌-জাত বিসর্গ
২। স্‌-জাত বিসর্গ
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
শব্দের সঙ্গে যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বলা হয় -
  1. ক) সমাস
  2. খ) সন্ধি
  3. গ) কৃৎ প্রত্যয়
  4. ঘ) তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
শব্দের সঙ্গে যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।
যেমন- লাজ + উক = লাজুক, বড় + আই = বড়াই ইত্যাদি।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
১৯.
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) দ্বীপ
  2. খ) চতুরঙ্গ
  3. গ) নরপশু
  4. ঘ) জীবন্মৃত
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ কথাটির অর্থ কোন নিয়মের অধীনে নয়। যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বুঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে, যে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের কিছু উদাহরণঃ দু দিকে অপ যার = দ্বীপ,
অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ,
নরাকারে পশু যে = নরপশু,
জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত,
পণ্ডিত হওয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিত্মূর্খ ইত্যাদি।
অন্যদিকে, চতুরঙ্গ দ্বিগু সমাসের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২০.
কোনটি পূরণবাচক শব্দ?
  1. ক) এক
  2. খ) একক
  3. গ) প্রথম
  4. ঘ) পহেলা
ব্যাখ্যা
একই সারি, দল বা শ্রেণীতে অবস্থিত কোন ব্যক্তি বা বস্তুত সংখ্যার ক্রম বা প্ররযায় বোঝাতে ক্রম বা পূরণবাচক সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
ক্রম বা পূরণ বাচক শব্দগুলো হলো - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়… ইত্যাদি।
[সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণী]
২১.
নিচের কোনটি সঠিক নয় কোনটি?
  1. ক) নৈ + অক = নায়ক
  2. খ) পো + অন = পবন
  3. গ) শে + অন = শয়ন
  4. ঘ) পা + অক = পাবক
ব্যাখ্যা
পাবক এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে পৌ + অক।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
‘পুনরায়’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে?
  1. ক) পুন + রায়
  2. খ) পুন + আয়
  3. গ) পুনঃ + রায়
  4. ঘ) পুনঃ + আয়
ব্যাখ্যা
অ-কারের পরস্থিত র-জাত বিসর্গের পর উপর্যুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়।
যেমনঃ পুনঃ + আয় = পুনরায় ; পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
বর্ধমান শব্দের প্রকৃতি এ প্রত্যয় কি?
  1. ক) √বৃধ + শানচ
  2. খ) √বর্ধম + অন
  3. গ) √বর্ধ + মান
  4. ঘ) √বর্ধ + ঘঞ্‌
ব্যাখ্যা
বর্ধমান শব্দের প্রকৃতি এ প্রত্যয় √বৃধ + শানচ।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
২৪.
কোন সর্বনাম পদটি সামীপ্যবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ঐ
  2. খ) তাবৎ
  3. গ) ইনি
  4. ঘ) স্বয়ং
ব্যাখ্যা
সামীপ্যবাচক অর্থে ব্যবহৃত সর্বনাম পদঃ এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২৫.
কোনটি বাংলা অব্যয় শব্দ?
  1. ক) মাইরি
  2. খ) আবার
  3. গ) আপাতত
  4. ঘ) খুব
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় (উত্স অনুযায়ী) তিন প্রকার অব্যয় শব্দ রয়েছে।
বাংলা অব্যয় শব্দঃ আর, আবার, ও, হাঁ, না ইত্যাদি।
তৎসম অব্যয় শব্দঃ যদি, যথা, সদা, সহসা, হঠাৎ, অর্থাৎ, দৈবাৎ, বরং, পুনশ্চ, আপাতত, বস্তুত ইত্যাদি।
বিদেশী অব্যয় শব্দঃ আলবত, বহুত, খুব, শাবাশ, খাসা, মাইরি, মারহাবা ইত্যাদি।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
২৬.
কোন বাক্যে সমধাতুজ কর্ম রয়েছে?
  1. ক) আর মায়াকান্না কেঁদো না
  2. খ) আমি চোখে দেখি না
  3. গ) মা শিশুকে চাঁদ দেখায়
  4. ঘ) তিনি বলতে লাগলেন
ব্যাখ্যা
বাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বলে।
যেমন- আর কত খেলা খেলবে, বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি, আর মায়াকান্না কেঁদো না, ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণী।
২৭.
কোন বাক্যে সাপেক্ষ ভাব বিদ্যমান?
  1. ক) ভাল করে পড়লে সফল হবে
  2. খ) ছাতাটা দিন তো ভাই
  3. গ) যা হয় হোক
  4. ঘ) বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি
ব্যাখ্যা
সাপেক্ষ ভাবঃ একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলে।
‘ভাল করে পড়লে সফল হবে’ বাক্যটিতে সফল হওয়া পড়ার উপর নির্ভর করছে। সুতরাং বাক্যটিতে সাপেক্ষ ভাব বিদ্যমান।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণী।
২৮.
একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে কি বলে?
  1. ক) দ্বিকর্মক ক্রিয়া
  2. খ) যৌগিক ক্রিয়া
  3. গ) মিশ্র ক্রিয়া
  4. ঘ) প্রযোজক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন-
তাগিত দেওয়া অর্থে : ঘটনাটা শুনে রাখ।
নিরন্তরতা অর্থে : তিনি বলতে লাগলেন।
কার্যসমাপ্তি অর্থে : ছেলে মেয়েরা শুয়ে পড়ল।
আকস্মিকতা অর্থে : সাইরেন বেজে উঠল।
অভ্যস্ততা অর্থে : শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
অনুমোদন অর্থে : এখন যেতে পার।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
২৯.
‘পৃথিবী’ শব্দের বিশেষণ রূপ কি?
  1. ক) পৃথ্বী
  2. খ) পার্থিব
  3. গ) পৃথিবীয়
  4. ঘ) পৃথিবীক
ব্যাখ্যা
‘পৃথিবী’ বিশেষ্য পদ, এর বিশেষণ রূপ হচ্ছে ‘পার্থিব’।
সূত্রঃ বাংলা একাডেমী ডিকশনারি
৩০.
জ্ঞাত শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় কি?
  1. √জ্ঞাত্‌ +অ
  2. √জ্ঞা + ত
  3. √জ্ঞা + ক্ত
  4. √জ্ঞান + ত
ব্যাখ্যা
জ্ঞাত শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় = √জ্ঞা + ত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
কোন শব্দে বৃহদার্থে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) কেষ্টা
  2. খ) ডিঙা
  3. গ) বাঘা
  4. ঘ) জটা
ব্যাখ্যা
ডিঙি + আ = ডিঙা শব্দে ‘আ’ প্রত্যয়টি বৃহদার্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
৩২.
‘পরপোকার মানুষের মহৎ গুণের বহিপ্রকাশ’ - বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. ক) বানানজনিত
  2. খ) গঠনজনিত
  3. গ) বাহুল্য
  4. ঘ) ভাষারীতিতে
ব্যাখ্যা
বাক্যটিতে ‘পরপোকার’ বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হলো পরোপকার। সুতরাং, বাক্যটি বানানজনিত কারণে ভুল।
[সূত্রঃ বাংলা একাডেমী অভিধান]
৩৩.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ক) ইহার আবশ্যক নাই।
  2. খ) সূর্য উদিত হয়েছে।
  3. গ) সে মনঃকষ্টে গ্রাম ছাড়িল।
  4. ঘ) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্যটি হলো - ‘ইহার আবশ্যক নাই।’ এর শুধ রূপ : ‘ইহার আবশ্যকতা নাই’।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৩৪.
“তপবনে যেতে কেনা চায়?” বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. ক) সন্ধিজনিত
  2. খ) বাচ্যজনিত
  3. গ) বিভক্তিজনিত
  4. ঘ) প্রত্যয়জনিত
ব্যাখ্যা
বাক্যটি সন্ধিজনিত কারণে অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ : তপোবনে যেতে কে-না চায়?
৩৫.
শিরঃ + ছেদ = ?
  1. ক) শিরচ্ছেদ
  2. খ) শিরোশ্ছেদ
  3. গ) শিরশ্ছেদ
  4. ঘ) শিরোচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।
বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়। অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে শিশ ধ্বনি হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬.
‘আদালত’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) ফার্সি
  2. খ) আরবি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) গুজরাটি
ব্যাখ্যা
আরবি শব্দ : বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলােকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়
(১) ধর্মসংক্রান্ত শব্দ : আল্লাহ্, ইসলাম, ঈমান, ওজু, কোরবানি, কুরআন, কিয়ামত, গােসল, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, জাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
(২) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ :আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম,কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সফ, মােক্তার, রায় ইত্যাদি।
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)
৩৭.
কোনটি মিশ্র শব্দ?
  1. ক) খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) অম্লজান
  3. গ) হরতাল
  4. ঘ) স্নাতকোত্তর
ব্যাখ্যা
খ্রিষ্টাব্দ শব্দটি ইংরেজি + তৎসম ভাষা থেকে আগত শব্দের মিশ্রণে সৃষ্ট বাংলা শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
৩৮.
বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) নীলবসনা
  2. খ) মাছিমারা
  3. গ) পঞ্চভূত
  4. ঘ) প্রতিকূল
ব্যাখ্যা
যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বুঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ নীল বসন যার = নীলবসনা,
আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা,
চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী