পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১ ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক: সম্পূর্ণ সিলেবাস উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলে?
  1. ধূমকেতু
  2. ব্ল্যাক হোল
  3. আকাশ গঙ্গা
  4. মহাকাশযান
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ (Milky Way):
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে।
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়।
- একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি।
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ।
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মন্ডল বলে অনুমান করেন। সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
'ডলোরাইট' কোন ধরনের শিলা?  
  1. অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
  2. বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

১. আগ্নেয় শিলা:
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়।
- এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
- উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।
- এর দানাগুলো স্থূল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

২. পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে। উদাহরণ: চুনাপাথর, বেলেপাথর, কয়লা, শেল, কাদাপাথর ইত্যাদি।

৩. রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
এশিয়ার হিমালয় কোন ধরনের পর্বত?
  1. আগ্নেয় পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. ভঙ্গিল পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত: 
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সর্বশেষ কত সালে হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবী থেকে দেখা গেছে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
বিশ্বব্যাংক ২০০৯ সালে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।
- অতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণে বিশ্ব উষ্ণতা বাড়ছে, এর প্রভাব বাংলাদেশে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমি প্লাবনে দেখা যাচ্ছে।
- জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৫০ বছরের মধ্যে দেশের ১৭% ভূমি পানিতে ডুবে যাবে এবং প্রায় ৩ কোটি মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হবে। নদীর প্রবাহ কমে গিয়ে পানি সংকট দেখা দেবে।
- শস্য উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষ খাদ্য ও পানির ঝুঁকিতে পড়বে। বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী-দরিদ্র দেশের বৈষম্যও বাড়িয়ে দেবে।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো-মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।  

.
নিম্নলিখিত কোন তারিখে কর্কটসংক্রান্তি হয়?
  1. ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. ২১ জুন
  3. ২১ মার্চ
  4. ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবী আপন মেরুরেখায় কক্ষপথের সঙ্গে ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে।
- পৃথিবী ৬৬.৫° কোণ করে চলার কারণে ২১ মার্চ সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- এরপর ধীরে ধীরে সূর্যের কিরণ উত্তর গোলার্ধের দিকে যেতে থাকে।
- সূর্যকে পরিক্রমণ করতে করতে ২১ জুন পৃথিবী এমন এক জায়গায় আসে যে তখন সূর্যের রশ্মি ভূপৃষ্ঠের ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অর্থাৎ কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পড়ে।
- এ সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে থাকে।
- সে কারণে এই সময় উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য ও তাপমাত্রাও বেশি হয়ে থাকে।
- উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়। ২১ জুন সূর্য উত্তরায়ণের শেষ সীমায় পৌঁছায়, একে কর্কটসংক্রান্তি বলে। 

এছাড়াও, 
- ২৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় ২১ মার্চের মতো সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেদিন সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে আবার সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে কিরণ বেশি দিতে থাকে। ২২ ডিসেম্বর এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত অ্যাঞ্জেল ফলস কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাজিল
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. ইকুয়েডর
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

উচ্চতম জলপ্রপাত: 
- বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত হলো অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত।
- এটির উচ্চতা ৯৭৯ মিটার।
- এটি ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত।

এছাড়াও, 
গুয়ারিয়া জলপ্রপাত: 
- পানি পতনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে সীমান্তে অবস্থিত।

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: 
- বিশ্বের সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত।
- এটি জাম্বিয়ায় অবস্থিত কিন্তু জিম্বাবুয়ের ভিক্টোরিয়া সিটি প্রান্ত থেকে সবচেয়ে ভালো ভাবে দেখা যায়।

নায়াগ্রা জলপ্রপাত: 
- আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রত্রিকা রিপোর্ট। 

.
নিচের কোনটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্তিত?
  1. বারমুডা
  2. সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
  3. মালাগাছি
  4. দিয়াগো গার্সিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্তিত।

এছাড়াও, 
ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সিসিলি, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি ভারত মহাসাগরে অবস্তিত।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্তিত।

সূত্র: Britannica.
.
নিম্নলিখিত কোনটি বলকান অঞ্চলের একটি দেশ?
  1. সুইডেন
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- ক্রোয়েশিয়া,
- কসোভো,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- রােমানিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- স্লোভেনিয়া,
- আলবেনিয়া।

উল্লেখ্য,
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশও বলকান অঞ্চলে অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা
১০.
কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. রাসায়নিক দূষণ
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ,
- মরুকরণ,
- অগ্নিকাণ্ড,
- যুদ্ধ,
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ,
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,
- বন উজারকরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প,
- অগ্ন্যুৎপাত,
- খরা,
- জলোচ্ছ্বাস,
- নদীভাঙন,
- তুষারপাত,
- ঘূর্ণিঝড়,
- বন্যা ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: অষ্টম শ্রেণি।
১১.
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে মোট কতটি লক্ষ্য (Target) নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে মোট ৭টি লক্ষ্য (Target) নির্ধারিত হয়েছে।

• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয়।
১২.
বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. আর্গন
  3. নাইট্রোজেন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%)  
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
১. নাইট্রোজেন (N2) - ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন (O2) - ২০.৭১%, 
৩. আর্গন (Ar) - o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) - ০.০৩%, 
৫. ওজোন (O3) - ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস - ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প - ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা - ০.০১%। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩.
কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলে?
  1. এপিসেন্টার
  2. ফোকাস
  3. ফ্রাকচার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।

ভূমিকম্প:
- ভূমিকম্প হলো ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের ফলে ভূ-পৃষ্ঠে অনুভূত একটি প্রাকৃতিক কম্পন।
- যখন ভূ-ভাগের অভ্যন্তরে ভৌগোলিক চাপের ফলে শিলাস্তর ভেঙে যায় বা স্থানচ্যুত হয়, তখন কম্পন সৃষ্টি হয়, এটি ভূ-পৃষ্ঠেও অনুভূত হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- এই কেন্দ্রবিন্দু থেকে ঠিক সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি পড়ে, তাকে বলা হয় উপকেন্দ্র (Epicentre)।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু সাধারণত ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬ থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত থাকে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তি বিন্দু থেকে দূরত্ব যত বাড়ে, ততই কম্পনের তীব্রতা বা শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের মাত্রা ও শক্তি নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ (Seismograph) বলা হয়।  

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ভূত্বকের গঠনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা উপাদান কোনটি?
  1. পটাসিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. সিলিকন
  4. হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূত্বকের উপাদান:
- অক্সিজেনের পরিমাণ – ৪৬.১%
- সিলিকনের পরিমাণ – ২৮.২%
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ – ৮.২%
- লোহার (আয়রন) পরিমাণ – ৫.৬%
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ – ৪.১%
- সোডিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- পটাসিয়ামের পরিমাণ – ২.০%
- টাইটানিয়ামের পরিমাণ – ০.৫%
- হাইড্রোজেনের পরিমাণ – ০.১%
- অন্যান্য উপাদান – ০.৫%

সূত্র: World Economic Forum ওয়েবসাইট।
১৫.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. তেল
  2. গ্যাস
  3. সমুদ্রের ঢেউ
  4. ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
অনবায়নযােগ্য সম্পদ:
- অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম

নবায়নযােগ্য সম্পদ:

- যে জ্বালানি পুনঃপুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, নদীর বহমান পানি, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

সূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।