১.
অধীন খণ্ডবাক্য কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
অধীন খণ্ডবাক্য তিন রকমের:
বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের যেকোনো পদের অধীন থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে। যেমন: আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।
বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (অধীন খণ্ডবাক্যটি 'সে-ই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)
ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
যে অধীন খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।'
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের যেকোনো পদের অধীন থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে। যেমন: আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।
বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (অধীন খণ্ডবাক্যটি 'সে-ই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)
ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
যে অধীন খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।'
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।