পরীক্ষা আর্কাইভ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাএনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩ বিষয়: বাংলা - ৪ টপিক: পদ প্রকরণ, বাক্য প্রকরণ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, কারক ও বিভক্তি; সন্ধি, উপসর্গ; সমাস।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
অধীন খণ্ডবাক্য কত প্রকার?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা
অধীন খণ্ডবাক্য তিন রকমের:

বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের যেকোনো পদের অধীন থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে। যেমন: আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।

বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (অধীন খণ্ডবাক্যটি 'সে-ই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)

ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
যে অধীন খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।'

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি ‘উৎপন্ন’ অর্থে ব্যবহৃত অপাদান কারকের উদাহরণ?
  1. মেঘে বৃষ্টি হয়।
  2. ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে।
  3. জমি থেকে ফসল পাই।
  4. তিলে তৈল হয়।
ব্যাখ্যা
অপাদান কারক:
- যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, পতিত, গৃহীত, জাত, রক্ষিত, বিরত, দূরীভূত ও উৎপন্ন এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।

যেমন:
বিচ্যুত: বৃক্ষ থেকে পাতা ঝরে।
পতিত: মেঘে বৃষ্টি হয়।
গৃহীত: ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে।
জাত: জমি থেকে ফসল পাই।
রক্ষিত: বিপদে মোরে রক্ষা কর।
বিরত: পাপে বিরত হও।
দূরীভূত: দেশ থেকে বিপদ চলে গেছে।
উৎপন্ন: তিলে তৈল হয়।
ভীত: সুন্দরবনে বাঘের ভয় আছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
কোনটি কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
  2. তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
  3. তিনি বেড়াতে যাননি
  4. যথাসময়ে সে হাজির হয়।
ব্যাখ্যা
কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
- এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।

যেমন
- আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।
- যথাসময়ে সে হাজির হয়।

অন্যদিকে,
নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - তিনি বেড়াতে যাননি
স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।, মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
যে শব্দাংশ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত না হয়ে অন্য শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অব্যয়
  2. উপসর্গ
  3. অনুসর্গ
  4. যোজক
ব্যাখ্যা
উপসর্গ:
- কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে যারা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, বরং অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করতে পারে তাদের উপসর্গ বলা হয়।
- উপসর্গের নিজের অর্থ নেই, কিন্তু নতুন নতুন শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বলা হয়- উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে।

বাংলা ভাষায় উপসর্গকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন:
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ।
৩. বিদেশি উপসর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'খুকুর নাচন দেখে যা।' - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন পদ?
  1. বিশেষণ
  2. অব্যয়
  3. বিশেষ্য
  4. ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
ভাববাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্যপদ দ্বারা ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে।

যেমন:
- ভোজন, শয়ন, দর্শন, গমন, শ্রবণ, করা, দেখা, শোনা ইত্যাদি।

ভাববাচক বিশেষ্য:
১. কোটবাড়ি দর্শন করে এলাম।
২. মহারাজের ভোজন-পর্ব শেষ হয়েছে।
৩. বাবার শয়ন এখনো সম্পন্ন হয় নি।
৪. খুকুর নাচন দেখে যা

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।' - বাক্যে কোন ধরনের অধীন খণ্ডবাক্য ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিশেষ্যস্থানীয়
  2. ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয়
  3. উপসর্গগত
  4. বিশেষণস্থানীয়
ব্যাখ্যা
বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের যেকোনো পদের অধীন থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।

যেমন:
আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
"সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।" — বাক্যটিতে 'সূর্যোদয়ে' কোন অধিকরণ কারকের উদাহরণ?
  1. স্থানাধিকরণ
  2. বিষয়াধিকরণ
  3. কালাধিকরণ
  4. ভাবাধিকরণ
ব্যাখ্যা
ভাবাধিকরণ:
- যদি একটি ক্রিয়া অন্য ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে, এবং নির্ভরশীল ক্রিয়াপদটি ভাববাচকে পরিণত হয়ে অধিকরণ হয়, তবে তাকে ভাবাধিকরণ কারক বলে।

যেমন: 
- সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
→ এখানে 'অন্ধকার দূরীভূত হওয়া' ‘সূর্যোদয়ের’ ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
'সে পাস করে গেল।' - এই বাক্যে কোন ধরনের ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. মিশ্র
  2. যৌগিক
  3. প্রযোজক
  4. দ্বিকর্মক
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
- একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।

যেমন:
সে পাস করে গেল।
সাইরেন বেজে উঠল।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'হাসিমুখ' শব্দটি কোন সমাস?
  1. অব্যয়ীভাব
  2. কর্মধারয়
  3. বহুব্রীহি
  4. তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যথা:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- চালে আশ্রিত কুমড়া = চালকুমড়া,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১০.
'জগতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।' - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. খণ্ড
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি কর্তা বা উদ্দেশ্য ও একটিই সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।

যেমন:
খোকন বই পড়ছে।
আমি বহু কষ্টে সাঁতার শিখেছি।
জগতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১১.
'আমার ভাত খাওয়া হলো না।' - বাক্যে 'ভাত' কোন কারক?
  1. করণ
  2. অপাদান
  3. কর্ম
  4. অধিকরণ
ব্যাখ্যা
কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

যেমন:
কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ
প্রথমা বিভক্তি: পুলিশ ডাক। আমার ভাত খাওয়া হলো না।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: আমি তাকে চিনি।
ষষ্ঠী বিভক্তি: ছেলেটি বলের সঙ্গে যুদ্ধ করে।
সপ্তমী বিভক্তি: জিজ্ঞাসিব জনে জনে

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১২.
কোনটি বিশেষণ পদ?
  1. দীর্ঘতা
  2. দীর্ঘ
  3. দীর্ঘক্ষণ
  4. দীর্ঘকাল
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ - শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- অধিক,
- লম্বা।

অন্যদিকে,
- দীর্ঘকাল, দীর্ঘক্ষণ, দীর্ঘতা - বিশেষ্য পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়?
  1. দ্বীপ + আয়ন = দ্বৈপায়ন
  2. ঘর + আমি = ঘরামি
  3. বাঘ + আ = বাঘা
  4. ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- যে তদ্ধিত প্রত্যয় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন:
মনু + ষ্ণ = মানব;
লোক + ষ্ণিক = লৌকিক,
দ্বীপ + আয়ন = দ্বৈপায়ন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় - বাঘ + আ = বাঘা; ঘর + আমি = ঘরামি।
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় - ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৪.
'বাগীশ' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বাক্ + ইশ
  2. বাক্ + ঈশ
  3. বাঘ্‌ + ঈশ
  4. বাগ্‌ + ঈশ
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম: 
- বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনের (ক/ছ/ট্/ত্/প) পরে স্বরধনি থাকলে বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনস্থলে তৃতীয় ব্যঞ্জন (গ/জ্/ড্/দ্/ব) হয়।

যেমন:
দিক্ + অন্ত = দিগন্ত, 
বাক্ + অর্থ = বাগর্থ, 
প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত, 
বাক্ + ঈশ = বাগীশ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৫.
কোনটি বিদেশি উপসর্গের উদাহরণ নয়?
  1. উপ
  2. ফুল
  3. হাফ
  4. সাব
ব্যাখ্যা
বিদেশি উপসর্গ:
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।

যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ

অন্যদিকে,
সংস্কৃত বাংলা উপসর্গ - উপ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
'বেঙাচি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. বেঙ্‌ + বতুপ
  2. বেঙ্‌ + আচি
  3. বেঙ্‌ + ষ্ণিক
  4. বেঙা + চি
ব্যাখ্যা
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

যেমন:
বেঙ্‌ + আচি = বেঙাচি,
শীত + অল = শীতল,
ঘাম + আচি = ঘামাচি,
তল + আনি = তলানি,
নাক + আনি = নাকানি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৭.
'বৃক্ষচ্ছায়া' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বৃক্ষ + ছায়া
  2. বৃক্ষ + ছয়া
  3. বৃৎ + ছায়া
  4. বৃক্ষ + চ্ছায়া
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- স্বরধ্বনির পরে ছ্‌ থাকলে ছ্‌ স্থানে চ্ছ হয়।

যেমন:
স্ব + ছন্দ = স্বচ্ছন্দ,
প্র + ছদ = প্রচ্ছদ, 
বৃক্ষ + ছায়া = বৃক্ষচ্ছায়া
কথা + ছলে = কথাচ্ছলে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৮.
কোনটি নির্দেশক সর্বনামের উদাহরণ?
  1. একজন
  2. কেউ
  3. স্বয়ং
ব্যাখ্যা
নির্দেশক সর্বনাম:
- যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে।

যেমন:
- নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি; দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।

অন্যদিকে,
আত্মবাচক সর্বনাম - স্বয়ং।
অনির্দিষ্ট সর্বনাম - একজন, কেউ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৯.
'গজনীরাজ' শব্দটি কোন তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বিতীয়া
  2. তৃতীয়া
  3. ষষ্ঠী
  4. পঞ্চমী
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।

যথা:
- চায়ের বাগান = চাবাগান,
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
- খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট, 
- গজনীর রাজা = গজনীরাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
২০.
'লেখক' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √লিখ্ + য়ক
  2. √লৈখ + ণক
  3. √লৈখ + অক
  4. √লিখ্ + ণক
ব্যাখ্যা
'ণক'-প্রত্যয় ('ণ' ইৎ 'অক' থাকে) :
- পঠ্‌ + ণক =√পঠ + অক = পাঠক। মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়ে 'অ' স্থানে 'আ' হয়েছে।

যেমন: 
- √গৈ +ণক = গায়ক,
- √লিখ্ + ণক  = লেখক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।