পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ বাংলাদেশের সরকার জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিনাস ও সংস্কার এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি প্রাচীনকাল হতে সমসাময়িক কালের ইতিহাস - ১ [Live Class – 9 & 10]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনকে ঢাকা সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৭
  2. ১৯৮৭
  3. ১৯৯০
  4. ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
- ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
-  প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
- নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
- এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
কবে বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দেয়?
  1. ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ:  
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ছিলো যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ।
- ব্রিজ কালভার্ট সব যুদ্ধের সময় বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে শত্রু বাহিনী।
- যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। প্রায় সবারই হাতে অস্ত্র।
- এই সুযোগে রাজাকার, আল-বদর আর চোর-ডাকাতরা গুপ্ত হত্যা ও ডাকাতি শুরু করে।
- আর বদনাম রটাতে লাগলো মুক্তিযোদ্ধাদের নামে।
- এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র জমা দেয়ার আহ্বান জানালেন।
- বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বান মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া পড়ল।
- নির্দেশ মোতাবেক দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের পর থেকেই অস্ত্র জমা দেওয়া  শুরু হয়।
- সেই ধারাবাহিকতায় ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ গেরিলা বাহিনীর অস্ত্র জমা দেওয়ার দিন নির্ধারণ করা হয়।
- আর মুজিব বাহিনীর অস্ত্র জমা দেওয়ার দিন ছিল ৩১ জানুয়ারি।
- উভয় অনুষ্ঠানেই বঙ্গবন্ধু উপস্থিত থেকে অস্ত্র জমা নেন।

উৎস: দৈনিক ভোরের কাগজ ও বাংলা ট্রিবিউন। [লিঙ্ক], [লিঙ্ক]
.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয় কবে?
  1. ২০০৭ সালের ১ জুন
  2. ২০০৭ সালের ১ আগস্ট
  3. ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর
  4. ২০০৭ সালের ১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালের ১ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালের ১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের স্বতন্ত্রীকরণ: 
- প্রাচীনকালে রাজা বা রাজকর্মচারীরাই আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচারকার্য সম্পাদন করতেন।
- আগে শাসনকার্য ও বিচারকার্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হত না। এ ব্যবস্থা স্বৈরাচারের সুযোগ করে দেয়।
- হ্যারল্ড লাস্কির মতানুসারে শাসকের হাতে বিচারের ভার ন্যস্ত থাকলে ন্যায়বিচার পাওয়া যায় না।
- এ রকম ক্ষেত্রে শাসন বিভাগ সহজেই স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে।
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগ ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর শাসন বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন শতাব্দীতে গুপ্ত সম্রাজ্যের পতন ঘটে?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য ।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো ।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর ।
- ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই বিভিন্ন যোদ্ধা জাতির সঙ্গে সংঘাত ও সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে গুপ্ত শাসনের অবসান ঘটে।
- সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের পর সারা উত্তর ভারত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
.
কত সালে মহাস্থানগড়কে সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
সঠিক উত্তর:
২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়কে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেয়া হয় ২০১৬ সালে।
- ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থান গড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হয়।
- এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে ২০১৫ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]