পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ১ টপিক: বাংলাদেশের সংবিধান সংবিধানের প্রস্তাবনা, বৈশিষ্ট্য, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, সংবিধান সংশো‌ধনী [Live Class - 1 & 2] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতির বিধান আছে?
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এখানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এগুলো হচ্ছে-১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা, ২. সমবায় মালিকানা এবং ৩. ব্যক্তিগত মালিকানা।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

এছাড়া, 
১০ নং অনুচ্ছেদে সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি,
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা, এবং
১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. জয়নাল আবেদিন
  4. আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
হস্তলিখিত সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে
  2. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে
  3. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি:
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদের বিধান মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো 'আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে' কথাটি সঠিক নয়।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে তা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে;
ক. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে;
খ. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে;
গ. সংবিধান ও অন্যান্য আইনের ক্ষেত্রে এই নীতিগুলো দিশারী, নির্দেশক তথা মানদন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে; এবং
ঘ. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে সব নীতি।

তথ্যসূত্র -i) বাংলাদেশের সংবিধান।
              ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution] এর বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৭খ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের প্রাধান্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

-সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
- যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-৪ক এর বিধান→ জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
অনুচ্ছেদ-৭ক এর বিধান → সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
অনুচ্ছেদ-৭খ এর বিধান → সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী গৃহিত হয় কবে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

-সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

-সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

-সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা' নাগরিকের কর্তব্য নয়। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষা করা ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা
পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
-বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদের বিধান: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।\

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন নিয়ে যে বিধান রয়েছে, তা আসলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ নাগরিকদের স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে।
- মূল উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা, যাতে তারা সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বাস করতে পারে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-১৬ এর বিধান → গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
অনুচ্ছেদ-১৮ এর বিধান → জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 
অনুচ্ছেদ-১৯ এর বিধান→ সুযোগের সমতা।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৪৪(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫(১)
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
-সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদের বিধান:মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, 
- যখন কোন ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, বা লঙ্ঘিত হওয়ার হুমকি থাকে, সে তার উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা দায়ের করতে পারে।
- উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, আদেশ বা রিট জারি করার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ-কে ১০২ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে।
- সুতরাং ৪৪ অনুচ্ছেদ মূলত একটি তত্ত্বগত বিধান যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
- অন্যদিকে, ১০২ অনুচ্ছেদ মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়, যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণে হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন নির্দেশনা, রিট বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া কত পৃষ্ঠা?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ইতিহাস:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিলো - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে ______ এবং নাগরিকগণ ______ হিসেবে পরিচিত হবেন।
  1. বাংলাদেশি, বাঙালি
  2. বাঙালি, বাংলাভাষী
  3. বাঙালি, বাংলাদেশি
  4. বাংলাভাষী, বাংলাদেশি
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।'
-বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।