পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
Exam - 4 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-4 Topic ➝ Section 491-565, Schedule 2-5 • Directions of the nature of a habeas corpus • The public prosecutor • Bail • Commissions for the examination of witnesses • Special rules of evidence • Provisions as to bonds • The disposal of property • The transfer of criminal cases • Irregular proceedings • Miscellaneous • Schedule
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে মামলার কোনো পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না?
  1. যদি সে জামিনে থাকে
  2. যদি সে কারাগারে থাকে
  3. যদি সে হেফাজতে না থাকে
  4. যদি সে এডভোকেট নিয়োগ করে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগতভাবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) সাক্ষীকে জেরা, পুনঃজেরা বা জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ, যদি কোনো পক্ষ কারাগারে বা হেফাজতে থাকে, তবে তারা ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষীকে জেরা করতে পারবে না। তবে, তারা এডভোকেটের মাধ্যমে এই কাজ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন, যদি সম্পত্তির মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন, সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উপযোগী হয়, অথবা সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.

.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. মামলা প্রত্যাহার
  4. দণ্ডাদেশ স্থগিত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা এক বা একাধিক অপরাধের জন্য প্রত্যাহার করতে পারেন। প্রত্যাহারের ফলে অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে অব্যাহতি এবং পরে খালাস দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী কোন ধারা অধীনে কমিশন ইস্যু হলে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যাবে?
  1. ৫০২ ও ৫০৪ ধারা
  2. ৫০৪ ও ৫০৫ ধারা
  3. ৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
  4. ৫০৭ ও ৫০৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬-এর অধীন কমিশন জারি করা হলে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যেতে পারে। এই মুলতবি রাখার সময়কাল কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান কোন ধারায়?
  1. ৪৯৯(২)
  2. ৫০০(১)
  3. ৫০১(১)
  4. ৫০২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুসারে, ধারা ৫০০(১)-এ বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে: "যত তাড়াতাড়ি বন্ড সম্পাদিত হবে, যার উপস্থিতির জন্য বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে সেই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হবে; এবং, যদি তিনি জেলে থাকেন, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার জন্য আদালত জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মুক্তির আদেশ জারি করবে, এবং এই আদেশ প্রাপ্তির পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দেবেন।"
এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির প্রক্রিয়া বর্ণনা করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে কে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১২(২) অনুসারে, যদি এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, যা মৃত্যুদণ্ড বা পরিবহন দণ্ডে (transportation) দণ্ডনীয় এবং অপরাধী অজ্ঞাত থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত পরিচালনা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের এই ক্ষমতা রয়েছে।
- অতএব, ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ কীভাবে দেওয়া যায়?
  1. শপথপত্রের মাধ্যমে
  2. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  3. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  4. কোনো প্রমাণ দেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, যখন কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের সময় কোনো আদালতে কোনো আবেদন করা হয় এবং তাতে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তখন আবেদনকারী সেই অভিযোগের তথ্যগুলো শপথপত্রের (affidavit) মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, তবে এই তথ্যগুলো শপথপত্রের মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।

- এছাড়াও, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শপথপত্রে যে তথ্য দেওয়া হবে তা দুই ধরনের হতে পারে: (১) আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞানের ভিত্তিতে প্রমাণিত তথ্য, এবং (২) যে তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গত কারণে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, এবং এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসের ভিত্তি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া অন্য আদালতে শপথপত্র ধারা ৫৩৯-এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে বা কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গ্রহণ করা যায়।
- ধারা ৫৩৯ক(২) অনুসারে, আদালত শপথপত্রে থাকা কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা কলঙ্কজনক বিষয় মুছে ফেলতে বা সংশোধন করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।
- অতএব, ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ শপথপত্রের মাধ্যমে দেওয়া যায়।

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ অনুসারে, কোন ধরনের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  2. হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  3. কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের রিপোর্ট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ অনুসারে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট, যদি তা যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয় এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়, তবে সেই রিপোর্টগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

- ধারা ৫১০-এর বিধান অনুযায়ী, এই রিপোর্টগুলোর গ্রহণযোগ্যতার জন্য শর্ত হলো যে, রিপোর্টটি অবশ্যই সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এই ধরনের রিপোর্টগুলোর সুবিধা হলো এটি আদালতের সময় এবং খরচ বাঁচায়, কারণ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকার প্রয়োজন হয় না।
- অতএব, ধারা ৫১০ অনুসারে, উপরের সব ধরনের রিপোর্ট (আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞ, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, এবং কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের) সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc.
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে মামলা স্থানান্তরের আবেদন ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক, তবে কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আরোপ করতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে মামলা স্থানান্তরের জন্য করা আবেদন ভিত্তিহীন (frivolous) বা হয়রানিমূলক (vexatious), তবে আদালত আবেদনকারীকে আবেদনের বিরোধিতাকারী ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে। এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আদালত পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করে।
- ধারা ৫২৬(৬ক) এর উদ্দেশ্য হলো আদালতের সময় অপচয় রোধ করা এবং ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক আবেদন দায়েরের বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয় বিরোধিতাকারী পক্ষের ক্ষতি পূরণের জন্য, যিনি অযৌক্তিক আবেদনের কারণে সময় এবং সম্পদের ক্ষতি সহ্য করেছেন।
- ধারা ৫২৬ এর অন্যান্য উপ-ধারা, যেমন ৫২৬(৪) এবং ৫২৬(৬), মামলা স্থানান্তরের আবেদনের প্রক্রিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ প্রদানের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক।
- অতএব, ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক মামলা স্থানান্তরের আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আরোপ করতে পারে।

১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালত জামিন দেওয়ার সময় কী করতে পারে?
  1. আসামিকে জরিমানা আরোপ করতে পারে
  2. তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারে
  3. যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, কোনো আদালত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময় যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে যাতে আসামির পলায়ন রোধ করা যায় বা তার সৎ আচরণ নিশ্চিত করা যায়। এই শর্তগুলো মামলার পরিস্থিতি এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আরোপ করা হয়, যেমন নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়া, নির্দিষ্ট এলাকা ত্যাগ না করা ইত্যাদি।

- অর্থাৎ ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা স্পষ্টভাবে জামিনের শর্ত আরোপের ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে, যা ন্যায়বিচার এবং আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 498. Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

১১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা কোন তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্ধারিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুসারে কোন আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫০৩ অনুসারে, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন জারির ক্ষমতা নিম্নলিখিত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- দায়রা আদালত (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ
এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপরোক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটরা যদি মনে করেন যে সাক্ষীর পরীক্ষা ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন এবং সাক্ষীর উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব, খরচ বা অসুবিধার কারণ হবে, তবে তারা সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারি করতে পারেন।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (Second Class Magistrate) এর নাম এই ধারায় কমিশন জারির ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উল্লেখ নেই। তবে, ধারা ৫০৬ অনুসারে, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা (যারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ) কমিশন জারির জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে আবেদন করতে পারেন, কিন্তু তারা নিজে সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
অতএব, ধারা ৫০৩ অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
------- 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালতের ক্ষমতা কী?
  1. জবানবন্দি বাতিল করা
  2. সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
  3. বিচারে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা
  4. সাক্ষীকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, আদালত যদি সঠিক মনে করে, তবে চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরীক্ষা করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে আদালত বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৬
  2. ধারা ৫১৬ক 
  3. ধারা ৫১৭
  4. ধারা ৫১৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৬ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সম্পত্তি, যার সাথে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে হয় বা যা কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়, তদন্ত বা বিচার চলাকালীন কোনো ফৌজদারি আদালতে উপস্থাপিত হয়, তবে আদালত সেই সম্পত্তির যথাযথ হেফাজতের জন্য আদেশ দিতে পারে। এছাড়াও, যদি সম্পত্তিটি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে পচনশীল হয়, তবে আদালত প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করার পর সেই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ৫১৬ক এর উদ্দেশ্য হলো তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যদি সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে (যেমন, খাদ্যদ্রব্য বা অন্যান্য পচনশীল জিনিস)।
আদালত এই ধরনের সম্পত্তির নিষ্পত্তির আগে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করে, যাতে পরবর্তীতে বিচারে কোনো সমস্যা না হয়।
এই ধারা সম্পত্তির মূল্য বা অবস্থা রক্ষার জন্য ব্যবহারিক সমাধান প্রদান করে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬ক এ বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হলে বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া যায়।

১৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  3. আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রি
  4. জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫২৩ ধারা জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাই মালের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করলে তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এই সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ফরমের বিবরণ
  2. জামিনযোগ্য অপরাধ 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্দেশ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে।
যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
--------------
ফৌজদারি কার্যবিধির পাঁচটি তফসিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গঠিত। প্রতিটি তফসিল আলাদা আলাদা দিক নির্দেশ করে, যা নীচে ব্যাখ্যা করা হলো:
1. ১ম তফসিল (First Schedule): এই তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে, অর্থাৎ বর্তমানে এর কোনো কার্যকারিতা নেই।
2. ২য় তফসিল (Second Schedule): এই তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং ফৌজদারি দন্ডবিধির অধীন অপরাধগুলো কোন আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলটি অপরাধ শ্রেণিবিন্যাস এবং বিচারিক ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
3. ৩য় তফসিল (Third Schedule): এখানে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ রয়েছে। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা এই তফসিলে নির্ধারিত।
4. ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule): এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে বা কিছু নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।
5. ৫ম তফসিল (Fifth Schedule): এখানে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যে সকল ফরম ব্যবহৃত হয়, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি, সেগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত।

এগুলো ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো ও ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী একজন জামিনদার তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ৫০২
  2. ধারা ৫০১
  3. ধারা ৫০০
  4. ধারা ৪৯৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুসারে, ধারা ৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of Sureties) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারায় জামিনদার (Surety) তাদের জামিননামা (Bail Bond) থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে। ধারা ৫০২-এর বিস্তারিত বিধান নিম্নরূপ:
ধারা ৫০২(১): জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।
ধারা ৫০২(২): আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনে মুক্ত আসামীকে আদালতে হাজির করার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবেন।
ধারা ৫০২(৩): আসামী আদালতে হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে জামিননামা থেকে অব্যাহতি দেবেন এবং আসামীকে নতুন পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেবেন। যদি আসামী নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ই জামিনদারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য প্রযোজ্য ধারা, কারণ এটি সরাসরি জামিনদারের অব্যাহতির প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী বর্ণনা করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও যদি কিছু কাজ "সৎ বিশ্বাসে" করেন, তবে শুধু ক্ষমতা না থাকার কারণে তা বাতিল হবে না?
  1. ধারা ৫২৯
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৯ এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আইন দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও নির্দিষ্ট কিছু কাজ সৎ বিশ্বাসে (erroneously in good faith) করে, তবে শুধুমাত্র ক্ষমতার অভাবের কারণে তার কার্যক্রম বাতিল করা হবে না। এই ধারায় নির্দিষ্ট কাজগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেমন:
ধারা ৯৮ এর অধীনে সার্চ-ওয়ারেন্ট জারি করা
ধারা ১৫৫ এর অধীনে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া
ধারা ১৭৬ এর অধীনে ময়নাতদন্ত করা
ধারা ১৮৬ এর অধীনে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রক্রিয়া জারি করা
ধারা ১৯০(১)(ক) বা (খ) এর অধীনে অপরাধের বিষয়ে স্বতঃপ্রবৃত্ত হওয়া
ধারা ১৯২ এর অধীনে মামলা হস্তান্তর করা
ধারা ৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীনে ক্ষমা প্রদান করা
ধারা ৫২৪ বা ৫২৫ এর অধীনে সম্পত্তি বিক্রয় করা
ধারা ৫২৮ এর অধীনে মামলা প্রত্যাহার করে নিজে বিচার করা
- যদি ম্যাজিস্ট্রেট সৎ বিশ্বাসে এই কাজগুলো করেন, তবে তিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলেও কার্যক্রম বৈধ বলে গণ্য হবে।

- ধারা ৫২৯ এর উদ্দেশ্য হলো সৎ বিশ্বাসে করা কাজগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া, যাতে কারিগরি ত্রুটির কারণে ন্যায়বিচার ব্যাহত না হয়।
- এই ধারা নিশ্চিত করে যে, ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার অভাব থাকলেও, যদি কাজটি সৎ বিশ্বাসে এবং ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে করা হয়, তবে তা বৈধ থাকবে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৯ এ বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও সৎ বিশ্বাসে কিছু কাজ করলে শুধু ক্ষমতার অভাবের কারণে তা বাতিল হবে না।

১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য এফিডেভিট আকারে দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১০ক
  4. ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির (formal character) হয়, তবে তা শপথপত্র (Affidavit) আকারে দেওয়া যেতে পারে। এই শপথপত্রটি, সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে, কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে পড়া যায়। এছাড়াও, ধারা ৫১০ক(২) অনুসারে, আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে বা প্রসিকিউশন বা অভিযুক্তের আবেদনের ভিত্তিতে, শপথপত্রে উল্লিখিত তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ক এ বলা হয়েছে যে আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য শপথপত্র আকারে দেওয়া যেতে পারে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 510A. Evidence of formal character on Affidavit:
(1) The evidence of any person whose evidence is of a formal character may be given by affidavit and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.
(2) The Court may, if it thinks fit, and shall, on the application of the prosecution or the accused, summon and examine any such person as to the facts contained in his affidavit.

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে, ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা (wrong place of trial) শুধুমাত্র সেই কারণে বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫৩১
  3. ধারা ৫৩৩
  4. ধারা ৫৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুসারে, কোনো ফৌজদারি আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

২১.
“কোন অপরাধে প্রথমে সমন ইস্যু হবে নাকি ওয়ারেন্ট”—এ তথ্য দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে থাকে?
  1. ২য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৬ষ্ঠ কলাম
  4. ৭ম কলাম
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৪র্থ কলাম-এ উল্লেখ আছে, কোন অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথমে সমন (Summons) ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট (Warrant) ইস্যু করা হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে 'যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য' তা উল্লেখ আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
-যা নিম্নরূপ-
 -দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ। 
২য় কলাম- অপরাধ। 
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ। 
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা। 
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য। 
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা। 
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৪(৪) অনুসারে, যদি বন্ডের জরিমানা পরিশোধ না করা হয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের মাধ্যমে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতের নির্দেশে সিভিল কারাগারে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।
ধারা ৫১৪-এর অধীনে বন্ড ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে জরিমানা আদায়ের জন্য ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে (ধারা ৫১৪(২))।
যদি এই পদ্ধতিতেও জরিমানা আদায় না হয়, তবে ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী সিভিল কারাগারে কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ধারা ৫১৪(৫) অনুসারে, আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে জরিমানার কিছু অংশ মওকুফ করতে পারে এবং আংশিক পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা
  2. তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা
  3. মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  4. আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের ধারা-৪৯৪-এ উল্লিখিত মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে কী তথ্য থাকে?
  1. অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  2. অপরাধটি জামিনযোগ্য কিনা
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লেখ করা হয় যে কোন অপরাধের বিচার কোন আদালত করবে। এই কলামটি নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষ বা আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সেশন আদালত, বা অন্য কোনো আদালত) তথ্য প্রদান করে। এটি ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।