ব্যাখ্যা
প্রশ্ন দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭০ ও অন্তর ১০ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
সমাধান
ধরি,
দুইটি সংখ্যা হলো ক ও খ, যেখানে ক > খ
দেওয়া আছে,
ক + খ = ৭০.........(১)
ক - খ = ১০..........(২)
দুটি সমীকরণ যোগ করলে,
২ক = ৮০
⇒ ক = ৮০/২
ক = ৪০
∴ বড় সংখ্যাটি ৪০
জব সল্যুশন [১৪তম - ২০তম গ্রেড] · ১ নভেম্বর, ২০২৫ · ৮০ প্রশ্ন
প্রশ্ন দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭০ ও অন্তর ১০ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
সমাধান
ধরি,
দুইটি সংখ্যা হলো ক ও খ, যেখানে ক > খ
দেওয়া আছে,
ক + খ = ৭০.........(১)
ক - খ = ১০..........(২)
দুটি সমীকরণ যোগ করলে,
২ক = ৮০
⇒ ক = ৮০/২
ক = ৪০
∴ বড় সংখ্যাটি ৪০
প্রশ্ন: ১২ এর কত শতাংশ ১৮ হবে?
সমাধান:
প্রশ্ন অনুযায়ী,
১২ এর ক% = ১৮
⇒ (ক/১০০) × ১২ = ১৮
⇒ ক = (১০০ × ১৮) / ১২
ক = ১৫০%
∴ ১২ এর ১৫০% হলো ১৮
প্রশ্ন: ৭২ সংখ্যাটির মোট কতটি ভাজক আছে?
সমাধান:
প্রথমে ৭২ এর মৌলিক গুণনীয়ক রূপ,
৭২ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩
৭২ = ২৩ × ৩২
এখানে ২ এর সূচক ৩ ও ৩ এর সূচক ২।
ভাজকের সংখ্যা বের করার সূত্র:
প্রত্যেক সূচকের মানের সাথে ১ যোগ করে গুণ করলে যে গুণফল পাওয়া যাবে সেটিই ভাজক সংখ্যা।
ভাজক সংখ্যা:
(৩ + ১)(২ + ১) = ৪ × ৩ = ১২
∴ ৭২ এর মোট ১২টি ভাজক আছে।
প্রশ্ন:
সমাধান:
= (৫২ + ৩)/৪
= ৫৫/৪
তাহলে,
(৫৫/৪)%
= (৫৫/৪) × (১/১০০)
= ৫৫/৪০০
= ১১/৮০
∴ এর সমান ১১/৮০
প্রশ্ন: একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি-
সমাধান:
ধরি,
বাহু = ক = ৫
বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি
= (ক - ২) × ১৮০°(ক - ২)
এখানে,
(৫ - ২) × ১৮০°
= ৩ × ১৮০°
= ৫৪০°
১ সমকোণ = ৯০°
অতএব,
৫৪০°/ ৯০° = ৬ সমকোণ
∴ একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি ৬ সমকোণ।
প্রশ্ন: ৬% হারে নয় মাসে ১,০০০ টাকার উপর সুদ কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = ১০০০,
R = ৬%,
T = ৯ মাস = ৯/১২ বছর = ০.৭৫
সরল সুদ সূত্র:
SI = (P × R × T)/১০০
= (১০০০ × ৬ × ০.৭৫)/১০০
= ৪৫০০/১০০
= ৪৫
∴ ৬% হারে নয় মাসে ১,০০০ টাকার উপর সুদ ৪৫ টাকা।
প্রশ্ন: ১১ এর ৩ শতাংশ কত?
সমাধান:
১১ এর ৩% = (৩/১০০) × ১১ = ০.০৩ × ১১ = ০.৩৩
∴১১ এর ৩ শতাংশ কত ০.৩৩
প্রশ্ন: x + 1/x = √6 হলে x3 + 1/x3 এর মান কত?
সমাধান:
x +1/x = √6
তাহলে,
(x +1/x)3 = x3 + 1/x3 + 3(x + 1/x)
⇒ x3 + 1/x3 = (x +1/x)3 - 3(x + 1/x)
মান বসিয়ে পাই:
x3 + 1/x3 = (√6)3 - 3(√6) = 6√6 - 3√6 = 3√6
∴ x3 + 1/x3 এর মান 3√6
প্রশ্ন: ২০ জন শ্রমিক একটি পুকুর ৩০ দিনে খনন করতে পারে। কতজন শ্রমিক ২০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে?
সমাধান:
ধরি,
মূল কাজ:
২০ জন × ৩০ দিন = ৬০০ শ্রমিক-দিন
এখন ২০ দিনে কাজ শেষ করতে হলে
প্রয়োজন শ্রমিক সংখ্যা ক:
ক × ২০ = ৬০০
⇒ ক = ৬০০/২০ = ৩০
∴ ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে।
প্রশ্ন: x = 7 এবং y = 6 হলে 16x² - 40xy + 25y² এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x = 7 এবং y = 6
প্রদত্ত রাশি: 16x2 - 40xy + 25y2
= (4x)2 - 2 × 4x × 5y + (5y)2
= (4x - 5y)2
= (4 × 7 - 5 × 6)2
= (28 - 30)2
= (-2)2
= 4
∴ 16x² - 40xy + 25y² এর মান 4
প্রশ্ন: কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ থেকে বড়?
সমাধান:
২/৩ = ০.৬৬৬৬…
প্রতিটি ভগ্নাংশ দশমিক আকারে রূপান্তর:
৩৩/৫৫ = ০.৬ <০.৬৬৬৬
৩/৫ = ০.৬ <০.৬৬৬৬
৮/১১ ≈ ০.৭২৭২৭২ >০.৬৬৬৬
১৩/২৭ ≈ ০.৪৮১৫ <০.৬৬৬৬
∴ ৮/১১ ভগ্নংশটি ২/৩ থেকে।
প্রশ্ন: প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল ৩৫ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল ৬৩। দ্বিতীয় সংখ্যাটি কত??
সমাধান:
ধরি তিনটি সংখ্যা ক, খ, গ
দেওয়া আছে:
ক × খ = ৩৫ , খ × গ = ৬৩
৩৫ এবং ৬৩ এর সাধারণ গুণক হলো ৭।
তাই খ = ৭
∴ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য a একক হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
সমাধান:
ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √3/4a2 বর্গ একক
∴ ক্ষেত্রফল = √3/4a2 বর্গ একক।
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৩০১ থেকে যত বড় ৩৮১ থেকে তত ছোট, সংখ্যাটি কত?
সমাধান:
৩০১ থেকে বড় এবং ৩৮১ থেকে ছোট সংখ্যা
= (৩০১ + ৩৮১)/ ২
= ৬৮২/২
= ৩৪১
∴ সংখ্যাটি = ৩৪১
প্রশ্ন: কোনটি সবচেয়ে ছোট?
সমাধান:
ভগ্নাংশগুলো দশমিক আকারে রূপান্তর:
২/১২ = ০.১৬৬৭
৩/১১ ≈ ০.২৭২৭
৪/১৫ ≈ ০.২৬৬৭
২/১৩ ≈ ০.১৫৩৮
∴ সবচেয়ে ছোট ভগ্নাংশ হলো ২/১৩
প্রশ্ন: a + b = 8 এবং ab = 15 হলে, a² +b² এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = 8
ab = 15
সূত্র অনুযায়ী,
(a + b)2 = a2 + b2 + 2ab
⇒ a2 + b2 = (a + b)2 - 2ab
⇒ a2 + b2 = 82 - 2(15)
⇒ a2 + b2 = 64 - 30
⇒ a2 + b2 = 34
∴ a² +b² এর মান = 34
প্রশ্ন: একটি খুঁটির অর্ধাংশ মাটির নীচে, এক তৃতীয়াংশ পানি মধ্যে এবং ১২ ফুট পানির উপরে আছে, খুঁটির দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান:
ধরি,
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ক ফুট।
প্রশ্ন অনুযায়ী,
মাটির নিচে = ১/২ ক
পানির মধ্যে = ১/৩ ক
পানির উপরে = ১২ ফুট
সব অংশ যোগ করলে মোট দৈর্ঘ্য হবে,
ক = ১/২ক + ১/৩ক + ১২
⇒ ক - ৫/৬ক = ১২
⇒ ১/৬ক = ১২
⇒ ক = ১২ × ৬
ক = ৭২
∴ খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৭২ ফুট।
প্রশ্ন: ১ ডজন ডিমের দাম ৫৪ টাকা হলে ৪৫ টাকায় কয়টি ডিম পাওয়া যায়?
সমাধান:
১ ডজন = ১২টি ডিম।
১২টি ডিমের দাম = ৫৪ টাকা
১টি ডিমের দাম = ৫৪/১২ টাকা = ৪.৫ টাকা
৪৫ টাকায় ডিমের সংখ্যা = ৪৫/৪.৫ = ১০ টি
∴ ৪৫ টাকায় পাওয়া যাবে ১০ টি ডিম।
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা ৪০ মিটার। এর প্রস্থ ৫ মিটার হলে, দৈর্ঘ্য কত মিটার?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
পরিসীমা = ৪০
প্রস্থ = ৫
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা সূত্র:
পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৪০ = ২(দৈর্ঘ্য + ৫)
৪০ = ২দৈর্ঘ্য + ১০
৩০ = ২দৈর্ঘ্য
দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার
∴ দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার
প্রশ্ন: তিন অংকের ক্ষদ্রতম সংখ্যা কত?
সমাধান:
তিন অংকের সংখ্যা মানে এমন সংখ্যা যার তিনটি অঙ্ক আছে এবং প্রথম অঙ্ক শূন্য নয়।
সর্বনিম্ন এমন সংখ্যা হবে:
১০০
কারণ,
০০১ একটি এক অংকের সংখ্যা (১), তিন অংকের নয়।
১০০ এর কম হলে সংখ্যাটি দুই অংকের হয়ে যায়।
∴ তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১০০।
ফ্রান্স:
- রাজধানী: প্যারিস।
- সরকার ব্যবস্থা: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
- ইউরোপের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি দেশ।
- বিখ্যাত স্থাপনা: আইফেল টাওয়ার।
- মুদ্রা: ইউরো (€)।
- ভাষা: ফরাসি (French)।
- সংবিধান গ্রহণ: ১৯৫৮ সালে।
- বিখ্যাত বিপ্লব: ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব।
- জোট সদস্যপদ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), ন্যাটো, G7, G20, UN,.
উৎস: ব্রিটানিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যপদ।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (নভেম্বর ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (আগস্ট, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।
- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
প্রাচীন শহর 'পেনিকো':
- পেরুতে ৩ হাজার ৫০০ বছরের বেশি আগে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা নামের একটি প্রাচীন শহরের খোঁজ পাওয়া গেছে।
- এর নাম 'পেনিকো'।
- পেনিকো নগরটি পেরুর রাজধানী লিমার উত্তরে হুয়াওরা প্রদেশে অবস্থিত।
- বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৮০০ সালে পেনিকো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল একটি কৌশলগত নগরকেন্দ্র, যা সুপে উপত্যকার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে আন্দিজ পর্বতমালা ও অ্যামাজনের ভেতরের বসতির সঙ্গে যুক্ত করেছিল।
- পেনিকোতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮টি কাঠামো চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ভবন ও আবাসিক ভবন আছে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি স্থাপনা হলো বি১-বিত নামের একটি বিশাল সরকারি ভবন।
- এই ভবন থেকে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা কাদামাটির ভাস্কর্য, আচার-অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত যন্ত্র এবং 'পুতুতুস' নামে শাঁখের তৈরি বাদ্যযন্ত্র আবিষ্কার করেছেন।
উৎস: বিবিসি নিউজ।[লিঙ্ক]
ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।
• স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।
শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা
'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
অপরদিকে,
- বৈসাবি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি প্রধান আদিবাসী সম্প্রদায়ের - ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমাদের - নববর্ষের উৎসবের একটি সম্মিলিত নাম।
- রথযাত্রা বা রথদ্বিতীয়া একটি আষাঢ় মাসে আয়োজিত অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব।
- সাংগ্রাই বাংলাদেশী মারমা এবং রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের নাম।
উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।
তুর্কিয়ে (Türkiye):
- তুর্কিয়ে ভূতাত্ত্বিকভাবে দেশটির কিছু অংশ এশিয়া এবং কিছু অংশ।
- ইউরোপে হওয়ায় এটিকে 'ইউরেশিয়া' দেশ নামে অভিহিত করা হয়।
- ইউরোপের বলকান ও ককেশাস অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলের দেশ সমূহের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট (Crossroads) হিসাবে প্রাচীনকাল থেকেই তুরস্কের গুরুত্ব অপরিসীম।
- তুর্কিয়ের 'ইস্তাম্বুল' শহরটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশে অবস্থিত।
উল্লেখ্য
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক।
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সময়ে তিনি তুরস্ককে একটি আধুনিক মনস্ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- এর অংশ হিসেবে ধর্ম পালনের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।
উৎস: ব্রিটানিকা।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- জেড ফোর্স: মেজর জিয়াউর রহমানের নামের প্রথম অক্ষর 'জেড' থেকে এই নামকরণ হয়।
- কে ফোর্স: মেজর খালেদ মোশাররফের নামের প্রথম অক্ষর 'কে' থেকে এই নামকরণ হয়।
- এস ফোর্স: মেজর কে এম শফিউল্লাহর নামের প্রথম অক্ষর 'এস' থেকে এই নামকরণ হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হয়।
- স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে।
- ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মঙ্গোলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু রয়েছে।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (১০ মার্চ, ২০২৫)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন:
- ১৯৮৯ সন পর্যন্ত নারকটিকস এন্ড লিকার পরিদপ্তরের মূল লক্ষ্য ছিল দেশে উৎপাদিত মাদকদ্রব্য থেকে রাজস্ব আদায় করা।
- আশির দশকে সারা বিশ্বে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- বাংলাদেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ১৯৮৯ সনের শেষের দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮৯ জারী করা হয়। - ২ জানুয়ারী, ১৯৯০ তারিখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,১৯৯০ প্রণয়ন করা হয়G
- এরপর ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ তারিখ এ অধিদপ্তরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদার হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রেিতরাধ এবং মাদকাসক্তদের চিকৎসা ও পুনর্বাসনকেল্প বিধান প্রণয়েনর জন্য প্রণীত আইন করা হয়।
উৎস: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন।লিঙ্ক]
• বৃহত্তম নদী বলতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ওয়েবসাইটে কিছু নেই। প্রচলিত উত্তর হিসেবে মেঘনা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী এবং জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ওয়েবসাইট অনুযায়ী বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
মেঘনা নদী:
- মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী।
- মেঘনার উৎপত্তি: আসামের লুসাই পাহাড় হতে বরাক নদী নামে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ: সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলা দিয়ে।
- সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জে এবং নামধারণ করেছে কালনী।
- কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতের নাম: মেঘনা (ভৈরববাজার)।
- শাখানদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম পদ্মা।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর দৈর্ঘ্য ৩৪১ কি.মি.
- নদীটি রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগ দিয়ে প্রবাহিত।
- নদীটির উৎসমুখ: ভারত (শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ)।
- নদীটির পতনমুখ: মেঘনা (ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর)।
- বাংলাদেশের ২য় দীর্ঘতম নদীর নাম ইছামতি (৩৩৪ কি.মি.)।
- বাংলাদেশের ২য় দীর্ঘতম নদীর নাম সাঙ্গু/শঙ্খ (২৯৪ কি.মি.)।
উৎস: বাংলাদেশের নদ-নদী সংজ্ঞা ও সংখ্যা, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
মালদ্বীপ:
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
অন্যদিকে,
- ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো।
- যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড।
- যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার।
- জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন।
- উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ।
- ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।
উৎস: Britannica.com.
- ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের (জুলাই বিপ্লব) প্রেক্ষাপট ছিল সরকারি চাকরিতে ৩০% কোটা (মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য) পুনর্বহালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার প্রতিবাদ।
- এটি জুন মাসে শুরু হয়ে জুলাইতে সহিংসতায় পরিণত হয়, যা পরে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটায়।
- অন্যান্য বিকল্পগুলো (বৈষম্য নিরসন, ভিন্নমত দমন, নিরাপদ সড়ক) এর সাথে সরাসরি যুক্ত নয়,
- যদিও আন্দোলনের পরে বৈষম্যের বিষয় উঠে আসে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- ০১ জুলাই ২০২৪: কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সুরাহার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'র পক্ষ থেকে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তথ্যানুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিক্ষোভ-সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ৪০০ জনে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর। (১২,৩৭,৩২০ বেল)।
- দ্বিতীয় – রাজবাড়ী জেলা (৬,২১,৮৯৯ বেল)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন ঢাকা বিভাগ (৩৫,৭৮,৩৪২ বেল)।
- দ্বিতীয় – খুলনা বিভাগ (২৬,২৮,৩৪৮ বেল)।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং গ্রাম।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায়, বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি ৪টি ইউনিয়ন মিলে গঠিত হয়েছে বানিয়াচং গ্রাম। গ্রামটিতে ১২৭টি পাড়া বা মহল্লা রয়েছে।
- বানিয়াচং উপজেলার সরকারি তথ্য বাতায়নে বলা হয়েছে, এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং।
- বিশ্বভ্রমণ শেষে ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাস তাঁর গ্রন্থে বানিয়াচং গ্রামকে পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য,
- ত্রিশের দশকে লাউড় রাজ্যের রাজধানীও এখানে ছিল।
- রাজধানীর দালানের ধ্বংসাবশেষ এখনো রয়েছে। কারও মতে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে বানিয়াচং প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
প্রধান বিচারপতি:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। [নভেম্বর, ২০২৫]
- তিনি দেশের ২৫ তম বিচারপতি।
- সংবিধানের ৯৫(১) অনচ্ছেদ, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন।
- এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- বিচারপতি রিফাত ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতের একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- ১৯৮৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০২ সালে আপীল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- তিনি ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এবং ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
অন্যদিকে,
- ওবায়দুল হাসান শাহীন বাংলাদেশের ২৪ তম প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
- সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বাংলাদেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
- হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বাংলাদেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
উৎস: আইন ও বিচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।
• রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র,
২. সৌদি আরব,
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. মালয়েশিয়া।
উল্লেখ্য,
• যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রবাসী আয় প্রেরণে কর বাণিজ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের ওপর ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন।
- ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে হাউস বাজেট কমিটিতে অনুমোদিত আইনের আওতায় এই কর আরোপ করা হবে।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
হিউয়েন সাং:
- হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে। [Wisdom Library]
- হিউয়েন সাং সাত শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি দেখেছেন, সমতটের ত্রিশটি বিহারে দু- হাজার শ্রমণের বাস।
- কনৌজে সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য গ্রহণের পর তিনি মগধের নালন্দা মহাবিহারে পড়াশোনা করেন।
- বাংলার কর্ণসুবর্ণ, পুন্ড্রনগর, সমতট এবং তাম্রলিপ্তি ভ্রমণ করেন।
- তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করেন, যা সাত শতকের বাংলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাঁর রচনা জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ প্রদান করে।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলেও, ভ্রমণকালীন বিভিন্ন অঞ্চলের বর্ণনায় তিনি বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখেন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বইয়ে দেওয়া আছে, হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে।
উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
¡¡) Wisdom Library. [লিঙ্ক]
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান এর নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন শুরু হয়।
আলীগড় আন্দোলন:
- ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সৈয়দ আহমদ খানের জন্ম হয়।
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের সিপাহী বিপ্লবের ব্যর্থতা ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে নিরুৎসাহ ও হতাশার সৃষ্টি করে।
- তখন পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি অনীহার কারণে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়ে এবং দুঃখ দুর্দশার আবর্তে নিপতিত হয়।
- উত্তর ভারতে স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য তিনি উত্তর ভারতে আলীগড় কেন্দ্রিক যে আন্দোলন সৃষ্টি করেন, ইতিহাসে তা 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বৃটিশ সরকার ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করেন।
অন্যদিকে,
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- নওয়াব আবদুল লতিফ ১৮৬৭ সালে ‘মিস মেরি কার্পেন্টার সমিতি’ এবং আলীপুরে ‘রিফরমেটরি ফর জুভেলিন অফেন্ডারস’ প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী আধুনিক শিক্ষা ও সত্যিকার ইসলামী শিক্ষার পক্ষে বক্তব্য রেখেছিলেন।
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী সিরাজগঞ্জে কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
উৎস: ¡) ইতিহাস ২য় পত্র ,এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
¡¡) বাংলাপিডিয়া।
- মুক্তিযুদ্ধে "ক্র্যাক প্লাটুন” ঢাকা শহরে সক্রিয় ছিলো।
• 'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।
• Correct answer: Gulliver's Travels is a famous book.
• বইয়ের নাম, দেশের নাম দেখতে plural হলেও মূলত singular noun.
- singular noun এর পরে verb singular হবে।
- তাই এখানে "is" ব্যবহার হবে।
• Example sentence:
- The Lord of the Rings is a popular fantasy series.
- The United States is a federal republic.
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
• River is a common noun.
• Common Noun:
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things/A noun that names a general class of persons, places or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: 'River' দ্বারা নদী সমূহের সাধারণ নামকে নির্দেশ করে।
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• Proper Noun:
- Proper Noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান প্রভৃতির নাম বুঝায়।
- যেমন: Titanic, Dhaka, Moon ইত্যাদি।
• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.
• Common Noun:
- যে Noun কোন এ শ্রেণীর ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে Common Noun বলে।
- Example: Boy, City, etc.
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
• Correct answer: Early rising is beneficial to health.
• "beneficial" শব্দের সাথে সাধারণত to ব্যবহার করা হয়, যা নির্দেশ করে যে কিছু বা কেউ কাউকে বা কিছুকে উপকার করে।
- তাই, “Early rising is beneficial to health.” হলো সঠিক।
• তাছাড়াও কিছু কিছু Adjective ও Participle এরপরে Preposition "to" বসে।
- Abhorrent, accessible, adjacent, akin, alien, alive, beneficial, comparable, congenial, detrimental, due, devoted, equal, essential, faithful, fatal, hostile, inimical, inured, favourable, fatal, obliged, offensive, opposite, partial, pertinent, prior, prone, sacred, suitable, tantamount, etc.
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
• Correct answer: দুইটি।
• একটি Sentence সাধারণত দুইটি অংশে বিভক্ত হয়। যথা:
Subject ( উদ্দেশ্য ) : কোন ব্যক্তি বা বস্তুুকে উদ্দেশ্য করে যখন কোন কিছু বলা হয় তখন তাকে Subject বলে ।
Predicate ( বিধেয় ) : Subject সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তাকে Predicate বলে ।
• Example:
যেমন : Subject + Predicate
I eat rice. [ I + eat rice ]
She goes to school. [She + goes to school ]
• Correct sentence: I only want a little sugar in my tea, please.
- Bangla meaning: আমি শুধু আমার চায়ের মধ্যে একটু চিনি চাই।
• প্রদত্ত sentence টিতে sugar হলো uncountable noun.
- আর uncountable noun এর পূর্বে সবসময় little ব্যবহার হয়।
- অল্প কিছু অর্থে a little ব্যবহার করা হয়।
- তাই, এখানে little এর পূর্বে a ব্যবহার করতে হবে।
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) some:
- সাধারণভাবে affirmative বাক্যে countable ও uncountable noun দুটির সাথেই ব্যবহার হয়।
- এখানে বক্তা "অল্প পরিমাণে" বোঝাচ্ছেন, "কিছু পরিমাণে" নয়।
- তাই, এখানে some ব্যবহার হবে না।
খ) much:
- সাধারণত negative ও question বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
গ) few:
- শুধুমাত্র countable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়।
Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
• All at once
- English Meaning: Suddenly and unexpectedly.
- Bangla Meaning: অপ্রত্যাশিতভাবে এবং হঠাৎ করে।
• Example Sentence: All at once a tiger came out of the forest.
- Bangla Meaning: জঙ্গল থেকে হুট করে একটি বাঘ বেরিয়ে আসলো।
• উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Slowly -ধীরে ধীরে; ধীরে; আস্তে আস্তে।
- Gradually - ক্রমে; ক্রমান্বয়ে।
- Quickly - তাড়াতাড়ি, অবিলম্বে।
- Suddenly - হঠাৎ, অকস্মাৎ ইত্যাদি।
• সুতরাং, The phrase 'All at once' means - Suddenly.
Source: Live MCQ Lecture and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
• Entrust: to give someone a thing or duty for which they are responsible.
• Entrust Subject with Something: (Task)
- Many people had entrusted the company with money they intended to use in retirement.
- Be entrusted with something/somebody: I was entrusted with the task of looking after the money.
• Entrust Something to Subject: (Person)
- He entrusted the arrangement of a mortgage to a local firm of financial advisers.
- The government has been entrusted with elected politicians.
• Entrust Subject to do Something: (Person)
- We entrust a board of Edinburgh's leading businessmen to run the affairs of the organization.
• উপরের উদাহরণগুলো বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়,
- somebody এর ক্ষেত্রে entrusted to হয় এবং something এর ক্ষেত্রে entrusted with হয়।
- এখানে বাক্যটি Passive voice এ রয়েছে। তাই He was entrusted to হবে।
• Complete Sentence: The children were entrusted to the care of their uncle.
Source: Cambridge Dictionary
• "Cut and dry" means - Fixed.
• Cut and dry:
- English Meaning: (of a situation) completely settled/ decided.
- Bangla Meaning: পূর্বেই প্রস্তুতি সম্পন্ন/ পূর্ব নির্ধারিত।
• উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Humorous - রসাত্মক;
- Brief - সংক্ষিপ্ত; ক্ষণিক;
- Fixed - অটল; স্থির; অনড়;
- Secret - গোপন।
• Example Sentence: The championship is not as cut and dried as everyone thinks.
- Bangla Meaning: সবাই যেভাবে ভাবছে এই চ্যাম্পিয়ানশিপ পূর্বনির্ধারিত, বিষয়টা আসলে তেমন নয়।
Source: Live MCQ Lecture.
• The correct spelling is 'Missile' (Noun & Adjective).
• Missile:
- English meaning: A weapon that is sent through the air and that explodes when it hits the thing that it is aimed at.
- Bangla meaning: নিক্ষিপ্ত বা অভিক্ষিপ্ত বস্তু বা অস্ত্র; ক্ষেপণীয়; ক্ষেপণাস্ত্র।
• Example sentence:
- The enemy fired several missiles during the attack.
- The army tested a new missile capable of reaching 500 kilometers.
Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.
• Complete Sentence: I smell something burning.
• এখানে, 'burn' এর present participle 'burning'.
- 'burning'- present participle টি সাধারণত কোনো কিছু উত্তপ্ত হওয়ার কারণে গন্ধ নির্গত হচ্ছে এমন চলমান প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে, "ongoing action" কে বোঝানো হয়েছে।
• "is burning" ও grammatically correct তবে বাক্যের context অনুযায়ী 'burning' most appropriate.
• "I smell something is burning."
- It implies that there is something currently in the process of burning.
• "I smell something burning."
- It conveys the same meaning but is a more concise way to express it.
• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটি অনেকটা "The girl entered the room dancing." এর মত বুঝিয়েছে।
- নাচতে নাচতে, হাসতে হাসতে, কাঁদতে কাঁদতে, ইত্যাদি প্রকাশ করা অর্থে present participle বসে।
- অর্থাৎ, কাঁদতে কাঁদতে, হাসতে হাসতে, নাচতে নাচতে ইত্যাদি চলমান প্রকাশ করা অর্থে সব সময় present participle (verb + ing) হয়।
- কারণ বাক্যটিতে নাচতে নাচতে দ্বারা একটি চলমান কাজ বোঝানো হয়েছে, তাই Verb = dance এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
- ঠিক একই কারণে প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে শূন্যস্থানে 'burning' বসবে।
• Poor এর noun form হিসেবে Poorness ও Poverty দুটিই সঠিক।
- Double answer থাকায় উত্তর বাতিল করা হয়েছে।
• Poor (adjective)
- দরিদ্র; গরিব; নির্ধন; বিত্তহীন; নিঃস্ব; দুর্গত।
• Poverty (noun) [Uncountable noun]
- দারিদ্র্য; দরিদ্রতা; দীনতা; দৈন্য; দরিদ্রদশা
•Poorness (noun) [Uncountable noun]
- কোনো কাঙ্ক্ষিত গুণ বা উপাদানের অভাব (লক্ষণীয় যে 'poverty' সাধারণত ‘দারিদ্র্য’ বোঝায়); দীনতা; দৈন্য; হীনতা; অপকৃষ্টতা।
----------------------
• Poorly (predicatively adjective) (কথ্য) অসুস্থ: I am rather poorly this evening.
• Poorly (adverb) দীনহীনভাবে; অপ্রতুলভাবে; অসফলভাবে; পারিপাট্যহীনভাবে:
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
• Correct sentence: I have no pen to write with.
• কোন উপকরণ/ যন্ত্র দ্বারা কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে with ব্যবহৃত হয়৷
- Example sentence:
-They opened the package with a knife.
- I have no pen to write with.
• The required answer is - Baby.
• Common Gender:
- যে Noun পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝায় তাকে Common Gender বলা হয়।
- Example: Parent, Child, Baby, Teacher, Student, Monarch, Neighbor, etc.
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Boy (বালক) masculine gender.
- Girl (বালিকা) Feminine gender.
- Man ( পুরুষমানুষ) masculine gender.
Source: Applied English Grammar & Composition by P.C. Das.
• The required answer is - বহন।
• Borne (Adjective & Verb):
- English meaning: Transported or transmitted by - used in combination.
- Bangla meaning: বহন করা।
- Borne এটি "bear" verb এর past participle.
• Example sentence:
- The bridge has borne the weight of heavy trucks for decades.
- She has borne all the hardships patiently.
Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
• Correct answer: The train is running at sixty miles.
• "at" ব্যবহার করা হয় গতি বা মাত্রা নির্দেশ করতে।
- বাক্যটি অর্থাৎ: The train is running at sixty miles.
- ট্রেনটি ৬০ মাইল গতিতে চলছে।
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- "for" - সাধারণত সময় বা দূরত্বের জন্য ব্যবহার হয়, উদাহরণ: He ran for two hours.
- "to" - গন্তব্যের জন্য ব্যবহৃত হয়, উদাহরণ: I am going to London.
- "by" - কিছু ক্রিয়ার মাধ্যমে বা পাশ দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
• Correct answer: I never saw him.
• "আমি একে কখনো দেখিনি" - past tense এর কথা বলা হচ্ছে, কারণ ইতিমধ্যেই কোনো সময়ে দেখা হয়নি।
- আর আমরা "never" ব্যবহার করে কখনো না দেখার অর্থ প্রকাশ করি।
- তাই, এখানে I never saw him. sentence টি সঠিক।
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) I do not see him
- Present tense; অর্থ হলো "আমি এখন তাকে দেখি না" – ভুল।
গ) I never see him
- Present tense habitual sense; অর্থ হলো "আমি তাকে কখনো দেখি না" – ভুল।
ঘ) I do not saw him
- Tense ভুল; "do not" + past tense "saw" ব্যবহার করা যায় না।
• By and large (Phrase):
- English Meaning: on the whole/everything considered.
- Bangla Meaning: মোটকথা; সামগ্রিকভাবে/ মূলত।
• Example Sentence:
- Mammals have, by and large, bigger brains than reptiles
• SYNONYMS:
- On the whole, generally, altogether, taking everything into consideration, overall, usually, normally, ordinarily, almost always, customarily, habitually, typically, mainly, mostly (প্রধানত), basically, chiefly, predominantly, principally, substantially
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Everywhere = সর্বত্র
- Very large = অনেক বড়
- Far away = অনেক দূরে
Source: Oxford and Bangla Academy (E2B) Dictionary.
• The required answer is - Quickly.
• Quickly (Adverb)
- English meaning: Fast, soon; after a short time.
- Bangla meaning: তাড়াতাড়ি, অবিলম্বে।
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Quicker (Quick এর Comparative form) - দ্রুততর;
- Sly (Adjective) - প্রতারণাপূর্ণ; গোপন রাখে বা গোপনে করে এমন,
- Quickest (Quick এর Superlative form) - দ্রুত; ত্বরিত।
Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
• The correct spelling is 'Committee' (Noun).
• Committee:
- English meaning: A group of people who are chosen, usually by a larger group, to make decisions or to deal with a particular subject.
- Bangla meaning: বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; কমিটি; সমিতি। ।
• Example sentence:
- A special committee has been formed to organize the festival.
- The school committee will meet tomorrow to discuss the new rules.
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Darhea - ভুল; সঠিক শব্দ: Diarrhea.
- Exagarate - ভুল; সঠিক শব্দ: Exaggerate.
- Litareture - ভুল; সঠিক শব্দ: Literature.
Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.
• Atmosphere (Noun):
- English meaning: The mixture of gases that surrounds the earth.
- Bangla meaning: বায়ুমণ্ডল; আবহমণ্ডল।
• Synonym: Environment, Surroundings, Environs, Climate.
• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Tonic - শক্তিদায়ক বলবর্ধক ওষুধ; টনিক;
- Conducive - সহায়ক;
- Humid - আর্দ্র; স্যাঁতসেঁতে; জলো;
- Climate - জলবায়ু।
• Example sentence:
- Scientists study the Earth's atmosphere to understand climate change.
- The atmosphere of the city was lively and cheerful.
Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
• বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০ টি।
- স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- পঞ্চাশটি বর্ণে পূর্ণমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা- বত্রিশ।
- পঞ্চাশটি বর্ণে অর্ধমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা- আট।
- পঞ্চাশটি বর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা- দশ।
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা ছাব্বিশটি। যথা- ক ঘ চ ছ জ ঝ ট ঠ ড ঢ ত দ ন ফ ব ভ ম য র ল ষ স হ ড় ঢ় য়।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা সাতটি। যথা- খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি। যথা- ঙ ঞ ৎ ং ঃ ঁ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
ধাতু ৩ প্রকার। যথা:
১. মৌলিক ধাতু
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
• মৌলিক ধাতু:
- যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু।
- এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্, পড়্, কর্ ইত্যাদি।
• মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।
• সাধিত ধাতু:
- মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়।
- আবার যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায় তাকেও সাধিত ধাতু বলা হয়।
যেমন:
- দেখ্ + আ= দেখা।
- পড়+আ= পড়া।
- বল+আ=বলা।
• সাধিত ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
১. নাম ধাতু,
২. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতুি ও
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।
• সংযোগমূলক ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যেমন: যোগ (বিশেষ্য) + কর্ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
• নাসিক্য ধ্বনি - ম।
• নাসিক্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে।
- মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।
অন্যদিকে,
• ল - পার্শ্বিক ব্যঞ্জন।
• জ - তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি।
• প - ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
• এ ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে নিজস্ব বিবেচনায় উত্তর করবেন।
- জব সল্যুশনের প্রশ্ন বিধায় আমরা অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তরটি গ্রহণ করেছি।
- যেহেতু ইমন্ প্রত্যয় হসযুক্ত তাই ঘ নং উত্তর অধিক গ্রহণযোগ্য।
'নীলিমা' শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় = নীল + ইমন্।
• তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য , - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণিক, ইত, ইমন, ইল, তর, তা, ত্ব, বতুপ প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিতপ্রত্যয়যুগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য
• ইমন্-প্রত্যয়:
- নীল + ইমন্ = নীলিমা।
- মহৎ + ইমন্ = মহিমা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ - বিধু।
• ‘চাঁদ’ এর সমার্থক শব্দ হলো:
• চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক ।
অন্যদিকে,
- নিধি অর্থ: ১) গচ্ছিত ধন; ধনরত্ব। ২) কুবেরের ধন। ৩) আশ্রয়; আধার (গুণনিধি)। ৪) সমুদ্র (বিদ্যানিধি)। ৫) বিশেষ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত তহবিল বা ধন (স্মৃতিনিধি)।
- সবিতা অর্থ: সূর্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কারবর্ণ:
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলে।
- স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাের নাম কারবর্ণ।
- এগুলো হলো: [ া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ে-া, ৈ-া ]
- কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসৃচিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি অ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
- 'অ' স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
- তাই 'অ' একটি নিলীন বর্ণ।
অন্যদিকে
• অনুবর্ণ:
- ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ। অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।
• ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ অন্য ব্যঞ্জনের নিচে অথবা ডান পাশে ঝুলে থাকে, সেগুলােকে ফলা বলে।
যেমন – ন-ফলা (,), ব-ফলা (), ম-ফলা (J), য-ফলা (), র ফলা (এ), ল-ফলা )।
• রেফ: র-এর একটি অনুবর্ণ রেফ (‘)।
• বর্ণসংক্ষেপ: যুক্তবর্ণ লিখতে অনেক সময়ে বর্ণকে সংক্ষেপ করার প্রয়ােজন হয়। এগুলাে বর্ণসংক্ষেপ।
যেমন – ও, দ, ন, ম স স। ত্যাদি। এছাড়া ও বর্ণটি ত-এর একটি বর্ণসংক্ষেপ, যা বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'গরীয়ান' এর স্ত্রীবাচক শব্দ 'গরীয়সী'।
• গরীয়ান অর্থ:
১) মর্যাদা পূর্ণ, মহান। ২) গুরুতর; বৃহত্তর। ৩) মহার্ঘ। ৪) বিত্তশালী।
• পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'অত', 'বান', 'মান', 'ঈয়ান' থাকলে 'অতী', 'বতী', 'মতী', 'ঈয়সী' হয়:
যেমন:
- সৎ-সতী,
- গুণবান-গুণবতী,
- শ্রীমান-শ্রীমতী,
- গরীয়ান-গরীয়সী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।
• তুমি যদি যেতে ভালো হতো। - বাক্যটিতে 'যেতে' নিত্যবৃত্ত অতীত কাল নির্দেশ করে।
• নিত্যবৃত্ত অতীত :
- অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
যেমন-
- আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
• নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার:
- কামনা প্রকাশে: আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হতো।
- অসম্ভব কল্পনায়: 'সাতাশ হতো যদি একশ সাতাশ'।
- সম্ভাবনা প্রকাশে: তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
• সৌম্য এর বিপরীত শব্দ - উগ্র।
- সৌম্য অর্থ: ১) প্রশান্ত, ধীর, স্থির। ২) মনোরম, মনোহর (সৌম্য দর্শন)। ৩) প্রসন্ন (সৌম্য মূর্তি)।
- উগ্র অর্থ: ১) অসহিষ্ণু। ২) তীব্র, উৎকট (উগ্র গন্ধ)। ৩) প্রখর, প্রচণ্ড (উগ্র তাপ)। ৪) রূঢ়, কর্কশ; তীক্ষ্ণ (উগ্র কণ্ঠ)। ৫) ক্রুর; নিষ্ঠুর (উগ্র স্বভাব)।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'গ্রহণ' শব্দের বিপরীত শব্দ - বর্জন।
- 'গ্রাহ্য' শব্দের বিপরীত শব্দ - অগ্রাহ্য।
- 'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত
- 'অনুমেয়' এর বিপরীত শব্দ - অননুমেয়
- 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত
- 'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত
- 'দরদি' এর বিপরীত শব্দ - নির্দয়
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ - বিনীত
- 'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ - মৃদু / সৌম্য
- 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ - বিনয়
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'ভিটা' শব্দটি সংস্কৃত ভিত্তি শব্দ থেকে এসেছে।
তদ্ভব শব্দ:
• তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এই ‘তদ্ভব’ পরিভাষার ‘তৎ' = তার, এবং ভাব (‘ভব') = উৎপন্ন অর্থ বুঝায়। এখানেও ‘তার’ বলতে ‘সংস্কৃত’কে নির্দেশ করছে।
- অর্থাৎ যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তনের ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে,
তাদেরকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। -
উদাহরণ:
• তৎসম > প্রাকৃত > তদ্ভব
• চন্দ্ৰ > চান্দ > চাঁদ;
• হস্ত > হখ > হাত;
• অদ্য > অজ্জ > আজ;
• বৎস > বচ্ছ > বাছা ইত্যাদি।
এই তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলে।
অন্যদিকে,
- অলাবু, নদী, ফল সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৯সংস্করণ)।
• ধাতু ও ক্রিয়া বিভক্তি:
- বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে।
- সেসব ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
- অন্যকথায় ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওযা যায়:
(১) ধাতু বা ক্রিয়ামূল
(২) ক্রিয়া বিভক্তি।
- ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু।
- যেমন 'করে' একটি ক্রিয়াপদ।
- এতে দুটো অংশ রয়েছে: কর্ + এ; এখানে 'কর্' ধাতু এবং 'এ' বিভক্তি।
- সুতরাং 'করে' ক্রিয়ার মূল বা ধাতু হলো 'কর্' আর ক্রিয়া বিভক্তি হলো 'এ'।
- অন্যকথায় 'কর্' ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'করে' ক্রিয়াপদটি গঠিত হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৮সংস্করণ)।
• গোলাপ সাধিত শব্দ নয়।
• গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ।
• শব্দের গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ:
• মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, তিন।
• সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
উদাহরণ: চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ), নীলাকাশ (নীল যে আকাশ), ডুবুরি (ডুব্+উরি), চলন্ত (চল্ + অন্ত), প্রশাসন (প্র+শাসন), গরমিল (গর+মিল) ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- ‘হাত’ + ‘ল’ (প্রত্যয়)।
- ‘ফুল’ + ‘এল’ (প্রত্যয়)।
- ‘পানি’ + ‘সা’ (প্রত্যয়)।
- শব্দগুলো সাধিত শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৮সংস্করণ) ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় - চার্লস উইলকিন্স।
• চার্লস উইলকিন্স (১৭৪৯-১৮৩৬):
- তিনি ছিলেন প্রাচ্য ভাষাবিদ, কলকাতাস্থ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য এবং বাংলা ও ফারসি মুদ্রাক্ষরের আধুনিক আকৃতির উদ্ভাবক।
- তিনি ছিলেন বাংলা ও ফারসি ভাষায় মুদ্রণের জন্য ছাপাখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে পথিকৃৎ।
- এর ফলে মুদ্রণ ও পুস্তক প্রকাশের ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সাধিত হয়।
- বাংলা বর্ণমালার মুদ্রাক্ষর দ্বারা মুদ্রিত প্রথম বই হলো এন.বি. হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengali Language' (১৭৭৮)।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• 'তস্কর' এর সঠিক বিপরীত শব্দ হবে- সাধু।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'তস্কর' শব্দের অর্থ:
• অপহরণ-কারী, অপহারক। চোর।
• 'সাধু' অর্থ:
১. ধার্মিক, ধর্মপরায়ণ।
২. শিষ্ট, মার্জিত (সাধু বাক্য)।
৩. উত্তম।
৪. যথাযথ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• বরফ:
- উৎস: ফারসি।
- অর্থ:
১) ঠান্ডায় জমে যাওয়া জল।
২) তুষার।
কিছু ফারসি শব্দ:
সেতার, গুনাহ, পরহেজগার, দরগা, চশমা, খানা, জায়নামাজ, নামায ,রোজা, আইন, সালিশ, নালিশ, বাদশাহ, সুপারিশ, সর্দি, শিরোনাম, হাঙ্গামা, ফরমান, ফরিয়াদ , বান্দা , শাদি, আমদানি ,সবজি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।
• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উক্তি:
- ‘ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়'
- 'যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়'।
- "ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে কালি পড়ে।"
- 'বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয় না।'
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী, গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর ছদ্মনাম বীরবল।
- তিনি সবুজপত্র (১৯১৪) ও বিশ্বভারতী, রূপ ও রীতি এবং অলকা পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারি কথা।
- আহুতি।
- নীললোহিত ও
- গল্প সংগ্রহ।
• তাঁর রচিত প্ৰবন্ধগ্রন্থ:
- তেল- নুন -লাকড়ী।
- বীর বলের হালখাতা (চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা)।
- নানাকথা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যথা:
পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই), এগারোই (১১ই), বারোই (১২ই), তেরোই (১৩ই), চোদ্দই (১৪ই), পনেরোই (১৫ই), ষোলোই (১৬ই), সতেরোই (১৭ই), আঠারোই (১৮ই), উনিশে (১৯শে), বিশে (২০শে), একুশে (২১শে), বাইশে (২২শে), তেইশে (২৩শে), চব্বিশে (২৪শে), পঁচিশে (২৫শে), ছাব্বিশে (২৬শে), সাতাশে (২৭শে), আটাশে (২৮শে), উনত্রিশে (২৯শে), ত্রিশে (৩০শে), একত্রিশে (৩১শে)।
অন্যদিকে,
- প্রথম ও ৭ম সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।
- চার ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি, (২০২৫ সংস্করণ)
অর্থের দিকে থেকে পুরুষবাচক ও নারীবাচক শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
অর্থের দিক থেকে বাংলা পুরুষবাচক ও নারীবাচক শব্দ দু-ভাগে বিভক্ত:
১.পতি ও পত্নীবাচক:
কাকা-কাকি, চাচা- চাচি, ভাই-ভাবি, মামা-মামি, জেল-জেলেনি, দেওর-জা , খালা - খালু ইত্যাদি।
২. সাধারণভাবে পুরুষ ও নারী অর্থে :
- পাগল-পাগলি, বালক-বালিকা, ভাই-বোন, দেওর- ননদ, শিষ্য-শিষ্যা, গায়ক-গায়িকা ইত্যাদি।
- এ দুটি দিক থেকে কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে নারীবাচক শব্দ পাওয়া যায়।
যেমন:
- দাদা-দিদি (বড়ো বোনা, বউদি (দাদার স্ত্রী)।
- দেবর-ননদ (দেবরের বোন), জা (দেবরের স্ত্রী)।
- ভাই-বোন, ভাবি, ভাইবট (ভাইয়ের স্ত্রী।
- বন্ধু-বান্ধবী (মেয়ে বন্ধু), বন্ধুপত্নী (বন্ধুর স্ত্রী)।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ণত্ব বিধান অনুসারে,
• ঋ, র, ষ - এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।
যেমন:
- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ, ব্যাকরণ ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ,ং এবং ক - বর্গীয় ও প - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন:
- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ণ,) এরূপ- রুক্সিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
• ণত্ব বিধান:
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য- ন-এর ব্যবহার আছে।
- তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'মনীষা' শব্দের অর্থ নয় 'অলস'।
• মনীষা [ মনস্ + ঈষা]
অর্থ:
- প্রজ্ঞা;
- প্রতিভা;
- বুদ্ধি;
- মনন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।