পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ৩ নভেম্বর, ২০২৩সময়50 minutes৯৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা-২০১৭
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ৩ নভেম্বর, ২০২৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
বিচার চলাকালীন সময় আসামি হাজতে থাকলে এবং বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তার উক্ত হাজতবাসের মেয়াদ বাদ দেওয়া হবে না যদি সে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  3. ১২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
.
বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামির-
  1. অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামিকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে।
.
প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলে সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্তে অগ্রসরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।
প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি যদি প্রয়োজনীয় হয় অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।
♦আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন, কিন্তু আমল-অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারে না।
.
মাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহন করলে অভিযোগকারী নারাজি পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনও প্রত্যাখ্যান করলে সেই ক্ষেত্রে প্রতিকার কি ?
  1. হাইকোর্টে আপিল
  2. দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
  3. দায়রা কোর্ট মামলার নথি তলব করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেটর নিকট রিভিউ আবেদন করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
ব্যাখ্যা
♦ নারাজি পিটিশন (Naraji Petition)- নারাজি অর্থ আমি মানি না। তদন্ত করার পর তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করলে অভিযোগকারী বা ফরিয়াদী পক্ষ নারাজি পিটিশন দায়ের করতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গ্রহণ করে ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।
♦ নারাজি পিটিশন পাওয়ার পরে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী বা অভিযোগকারীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মোতাবেক পরীক্ষা করে সরাসরি ১৯০(১) ধারা মোতাবেক অভিযোগটি আমলে নিতে পারেন অথবা তিনি অধিকতর তদন্তের জন্য নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করতে পারেন অথবা বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ এক্ষেত্রে বাদী বা অভিযোগকারী একাধিকবার নারাজি পিটিশন দাখিল করতে পারেন।
♦ ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন প্রত্যাখান বা নামঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন বা নতুন অভিযোগ (Fresh complaint) দায়ের করতে পারে।
♦ অন্যদিকে ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭০ ধারা
  2. ১৭২ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭৬(২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারায় কবর থেকে লাশ তোলার বিধান রয়েছে। কবর থেকে লাশ তোলার এবং তা পরীক্ষা করার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারামতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য মৃতদেহ কবর থেকে তুলতে পারেন।

♦ ধারা-১৭৬(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতাঃ যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতোপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
.
ক ঢাকাতে আহত হয় এবং উক্ত আঘাতের কারণে চট্টগ্রামে মারা যায়। ক-এর মৃত্যুর অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে-
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রামে
  3. উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
  4. উভয় স্থানে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুই স্থানের যে কোন এক স্থানের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারা অনুযায়ী যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ারের ভিতর অপরাধের ফলাফল দেখা দিয়েছে এর যে কোন একটি আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে ।

যেমন- রফিক ঢাকায় আহত হল এবং এর ফলে কুমিল্লায় মারা গেল। রফিকের হত্যার অনুসন্ধান বা বিচার ঢাকা বা কুমিল্লার যে কোন একটি আদালতে হতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার বিধান যে জেলায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যেখানে উহার পরিণাম ঘটেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার সেখানে হবেঃ যে কার্য সংঘটিত করা হয়েছে ও উহার যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে উহার প্রেক্ষিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করার দায়ে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের তদন্ত বা বিচার যে আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কার্য করা হয়েছে সেই আদালতের ক্ষেত্রাধিকারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, সেই আদালতে হতে পারে।
যে কাজ করা হয়েছে বা উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে সেই আদালতে হতে পারবে।
উদাহরণঃ
ক) ক নামক এক ব্যক্তি ভ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারমধ্যে মৃত্যু মুখে পতিত হলো। ক-এর প্রাণ নাশ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ঘ আদালতে হতে পারবে।
.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ১৬0
  2. ধারা ১৭৭
  3. ধারা ১৮১
  4. ধারা ১৮২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে ১৭৭ ধারার বিধান মোতাবেক সাধারণত অপরাধ সংঘটন যে স্থানে হবে সেই স্থানের আদালতেই তার অনুসন্ধান ও বিচার হবে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার  বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন একস্থানে এবং অপরাধের পরিণাম অন্যস্থানে হয় তাইলে ২ স্থানের যেকোন একটিতে বিচার করা যাবে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়,অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে,অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।
.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদন্ড বহাল রাখতে পারেন, বাতিল করতে পারেন, অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন বা খালাস দিতে পারেন। আসামী আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারানুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ গর্ভবর্তী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিত বা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণের বিধান আছে?
  1. ৩৮২ ধারা
  2. ৩৯৫ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৪০৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় গর্ভবর্তী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিতকরণের বিধান রয়েছে। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী থাকলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে মৃত্যুদন্ড হ্রাস করে গর্ভবতী মহিলাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিতে পারবেন।
১০.
নাবালক অপরাধীদের সংশোধনাগারে রাখার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৩৮৯ ধারা
  2. ৩৯৫ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৪০৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারামতে ১৫ বছরের কম বয়সী কোন অপরাধী অর্থাৎ কিশোর অপরাধীকে কারাদন্ড দিলে তাকে সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারাটি ১৫ বৎসরের কম বয়স্ক কোন তরুণ বা নাবালক অপরাধীর জন্য প্রযোজ্য । তবে বর্তমানে শিশু আইন ২০১৩ বিদ্যমান থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারাটি অচল হয়ে পড়েছে।
১১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সরকার বিশেষ কোন দিবসে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় দণ্ড মওকুফ করতে পারেন?
  1. ৪০১ ও ৪০২ ধারায়
  2. ২০৩ ও ২০৪ ধারায়
  3. ৩০৪ ও ৩০৫ ধারায়
  4. ৩২৬ ও ৩২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১ অনুযায়ী সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড স্থগিত [Suspend] বা মণ্ডকৃষ্ণ  করতে পারে এবং ৪০২ ধারায় দত্ত পরিবর্তন বা রদবদল [ Commutation] করতে পারে। বিশেষ কোন দিবস বলতে ২৬ই মার্চ ইত্যাদি দিনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় সরকার দত্ত মওকুফ করতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতাঃ (১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দত্ত প্রাপ্ত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড কিংবা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করবার জন্য সরকার বরাবর আবেদন করা হয়, সেক্ষেত্রে যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত অথবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত কিনা সে সম্পর্কে তাঁর মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং উক্ত বিবৃতির সহিত বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(৩) যেরূপ শর্তে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি মর্মে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করবেন এবং অতঃপর যে যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছিল সে মুক্ত থাকলে যেকোন পুলিশ অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন এবং তার দণ্ডের অনতিবাহিত অংশ ভোগ করার জন্য তাকে কারাগারে প্রেরণ করা যাবে।
(৪) যে শর্তে এই ধারার অধীন দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় যা, যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় সেই ব্যক্তি পূরণ করবে অথবা শর্ত এমন হবে যা পূরণে সে স্বাধীন থাকবে।
(৪ক) এই বিধি বা অন্য কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোন ফৌজদারী আদালত কোন আদেশ দান করলে তা যদি কোন ব্যক্তির স্বাধীনতা খর্ব করলে বা তার বা তার সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করলে,উপরে বর্ণিত উপ-ধারা সমূহের বিধান এই আদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে ।
(৫) প্রেসিডেন্টের অনুকম্পা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরীকরণের বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকারে এই ধারার কোন কিছু হস্তক্ষেপ করবে মর্মে মনে করা যাবে না ।
(৫ক) প্রেসিডেন্ট কোন শর্ত সাপেক্ষে ক্ষমা মঞ্জুর করলে উক্ত শর্ত যে প্রকৃতিরই হোক না কেন তা এই আইন অনুসারে কোন উপযুক্ত আদালতের দণ্ড কর্তৃক আরোপিত শর্ত মর্মে আখ্যায়িত হবে এবং সেই অনুসারে বলবৎ যোগ্য হবে।
(৬) সরকার সাধারণ বিধিমালা বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক দণ্ড স্থগিত রাখা এবং আবেদন পেশ ও বিবেচনার শর্তাবলী সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন ।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০২ ধারার বিধান সাজা রদ বদলের ক্ষমতাঃ (১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেনঃ
মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এরর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।
১২.
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. আপিল করা যাবে
  3. রিবিউ করা যাবে
  4. দণ্ড মওকুফের আবেদন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের  বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
১৩.
আপিল আদালত সরাসরি আপিল খারিজ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪১৭ ধারায়
  2. ৪২০ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২১ধারার বিধান আপীল খারিজের সারবস্তুঃ (১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপীল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপীল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপীল খারিজ করা যাবে না ।
(২) এই ধারার আওতায় আপীল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal) - ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
১৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় আপিল abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২ ধারায়
  2. ৩৪২ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ আপিলকারীর মৃত্যু হলে আপিলের পরিণতি সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে।
i) আপিলকারীর মৃত্যু হলে (জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল ব্যতীত) আপিলটি অ্যাবেট বা বাতিল হয়ে যাবে। তবে জরিমানা বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আপিলকারীর মৃত্যু হলেও আপিলটি অ্যাবেট হবে না।
ii) মৃত্যুদন্ড বা কারাদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী মারা গেলে সাধারণত আপিলটি বাতিল হবে। কিন্তু জরিমানা ও অর্থদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী ও আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবেনা।
iii) অপর্যাপ্ত কারাদন্ড ও খালাসের আপিলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবে না, কিন্তু আসামি মারা গেলে আপিলটি বাতিল হবে।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল অ্যাবেট বা পন্ড হওয়ার বিধান রয়েছে।
১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার কোন আসামিকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ২৩৬ ধারা
  2. ২৪৪ ধারা
  3. ২৬০গ ধারা
  4. ৩৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারামতে ফৌজদারি মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে ও সাক্ষী হতে পারবে। অর্থাৎ আসামী তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং একই মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য সকল আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার ক্ষমতাবলে কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি উকিলের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (to be defended by an advocate or pleader)।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হবার যোগ্যতাঃ
(১) ফৌজদারী আদালতে কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই কার্যবিধি অনুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেরূপ কোন ব্যক্তির অধিকার বলে এ্যাডভোকেট কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবে।
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ধারা-১০৭ ধারা বা অধ্যায়-১০, অধ্যায়-১১, অধ্যায়-১২, অধ্যায়-২৬ অথবা ধারা-৫৫২ অনুসারে কার্যধারা আরম্ভ করা হয়েছে, সে ব্যক্তি স্বয়ং উক্ত কার্যধারায় সাক্ষী রূপে উপস্থিত হতে পারবে।
(৩) কোন অপরাধ এর দায়ে ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামী পক্ষে সাক্ষী হবার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী রূপে আনা যাবে না; অথবা
(খ) সে সাক্ষ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন প্রকান মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সঙ্গে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না ।
১৬.
ফৌজদারি মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীন মামলার যে কোন পক্ষ সময়ের প্রার্থনা করে মামলার কার্যক্রম মূলতবী রাখার আবেদন করতে পারে। আদালত সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে (reasonable grounds) ফৌজদারি মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারে।

♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম মুলতবি বা স্থগিত করতে পারে। এটা করা হয় সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে কিংবা অন্যকোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ স্থগিত রাখা বা মূলতবী রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে তাহলে আদালত উপযুক্ত মনে করলে কারণ উল্লেখ পূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে উপযুক্ত মনে করেন সেই শর্তে, যে সময়ের জন্য উপযুক্ত মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে উহা স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে আটক রাখতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, এই ধারা অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে পনের দিনের অধিক মেয়াদের জন্য হাজতে পাঠাতে পারবেন না 
(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও প্রিজাইডং জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
১৭.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তি সঙ্গত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়-
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারামতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৩৩৯ ধারা মতে
  2. ৩৭০ ধারা মতে
  3. ৪৪২ ধারা মতে
  4. ৫১৭ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হয়, তখন যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারার বিধান (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোন ভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।
(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং
(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।
১৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
২০.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) আছে কত ধারায়?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৬১এ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণঃ এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

♦CrPC section 561A. Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'জজ' এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান বিচারক/জজ: বিচারক শব্দের অর্থ শুধুমাত্র  সরকারীভাবে বিচারক /জজ বলে আখ্যায়িত বা নিযুক্ত  ব্যাক্তিদেরকে বুঝায় না, বরং নিম্নোক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেও বুঝায়-
যিনি কোন দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনগত কার্যক্রমে আইনত চূড়ান্ত রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা যদি আপিল না হয় তার রায় চূড়ান্ত হবে এমন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা তার রায় অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বহাল হলে চূড়ান্ত হবে এমন কোন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; বা যিনি এমন কোন ব্যক্তিসমষ্টির অন্যতম, যে ব্যক্তিসমষ্টি  অনুরূপ কোন রায় প্রদান করার জন্য আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
২২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে Joint Liability (যৌথ দায়) হবে?
  1. সাধারণ অভিপ্রায় থাকলে
  2. অপরাধমূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে
  3. কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা করলে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা-৩৪ থেকে ৩৮: যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দন্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
♦যে ক্ষেত্রে অপরাধীকে যৌথভাবে দায়ী করা যায়ঃ
১) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা মতে অভিন্ন বা সাধারণ অভিপ্রায় পূরণকল্পে অপরাধমূলক কার্য।
২)দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা মতে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধমূলক কার্য।
৩)দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা মতে যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা ।
৪) দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে দোষী।
২৩.
দণ্ডবিধিতে কত ধরণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
২৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. নির্জন কারাবাস
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
 
♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম।
     
♦ব্যাখ্যাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
২৫.
সরকার মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
২৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।

♦ সরকার দন্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে  ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।

♦ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রপতি কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
২৭.
যে অপরাধের একমাত্র শান্তি জরিমানা, সেক্ষেত্রে জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হবে-
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. নির্জন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান কেবল অর্থদন্ডে দন্ডাই অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ডঃ অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
২৮.
দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৭০ ধারামতে সাধারনত অর্থদন্ড প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে অর্থদন্ড আদায় করতে হবে, কিন্তু যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দন্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে। অপরাধীর মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদন্ড আদায় করা যাবে।

♦ কারাদন্ডের আদেশ হওয়ার ৬ বছরের মধ্যে জরিমানার টাকা আদায় করা না হলে, উক্ত টাকা আর কখনও আদায় করা যাবে না। উহা তামাদি দোষে বারিত হবে।
২৯.
দণ্ডবিধির কত নং অধ্যায়ে সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহের বিষয় উল্লেখিত আছে?
  1. ১ম অধ্যায়
  2. ২য় অধ্যায়
  3. ৪র্থ অধ্যায়
  4. ৫ম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১ টি। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায় শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায় সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়ী অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম (ক) অধ্যায়ে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়ের রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম (ক) অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ১৬ তম অধ্যায়ে মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, ১৭ তম অধ্যায়ে সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, ২০ তম অধ্যায়ে বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, ২১তম অধ্যায়ে মানহানি, ২২তম অধ্যায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, অপমান ও বিরক্তিকরণ, ২৩ তম অধ্যায় অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
♦  দণ্ডবিধির ৪র্থ অধ্যায়ে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু কার্য এবং কার্যবিরতিকে [Acts and omission] ফৌজদারী দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ সকল কার্য বা কার্যবিরতি গুলোকে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রম [General Exceptions) বলে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৩০.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শান্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ২১১ ধারা
  3. ৩০৫ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৩১.
কোন অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনার জন্য কোন শাস্তির উল্লেখ না থাকলে, অপরাধমূলক কাজে সহায়তাকারীর শান্তি দিবে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী ভিন্ন কোন শাস্তির বিধান উল্লেখ না থাকলে প্ররোচনাকারী এবং অপরাধকারী সমান শাস্তি পাবে।
♦দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহায়তার ফলে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদিত হইবার ক্ষেত্রে এবং উহার শাস্তি বিধানার্থে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকিবার ক্ষেত্রে দুষ্কর্মে সহায়তার শাস্তিঃ
♦যে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা হয়েছে। সহায়তার দরুণ যদি সে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় এবং এই আইনে অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য যদি কোন স্পষ্ট বিধান না করা হয়ে থাকে, তবে অনুরূপ সহায়তাকারী যে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করেছে সে অপরাধের জন্য যে দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, অপরাধটি সংঘটনে সহায়তার জন্য তাকেও সে দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
♦ব্যাখ্যা (Explanation):-
কোন কাজ বা অপরাধ সহায়তার ফলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তখনই বলা হয় যখন কাজটি বা অপরাধটি যে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা সাহায্য কর্তৃক সহায়তা করা হয়েছে সে প্ররোচনার ফলে বা সে ষড়যন্ত্র অনুযায়ী বা সে সহায়তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়।
৩২.
দণ্ডবিধিতে কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম পরিস্থিতি।
♦দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -
১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
২. অপরাধী সরলমনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়।
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে।
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে।
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।
♦অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৩৩.
ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। খ এই কথা না জেনে 'ক' কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'ক' মারা যায়।
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম অংশের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, যদি অপরাধী জানে যে, সে যে ধরনের দৈহিক জখম করছে তা যে ব্যক্তিকে জখম করা হচ্ছে তার মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সে যদি এটা জেনে জখম, করে মৃত্যু ঘটায় তাহলে সেটা খুন হবে। আর যদি না জেনে জখম করে হত্যা করে, তাহলেও সেটা ৩০০ ধারার ৩য় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খুন বলে গণ্য হতে পারে যদি জখমের প্রকৃতি এমন হয় যে, উক্ত জখম একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট। এই ক্ষেত্রে জখমের অভিপ্রায় ছিল কিনা এবং জখম করার অভিপ্রায় নিয়ে এমন আঘাত করেছে কিনা যা একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট কিনা তা বিবেচ্য বিষয় যদি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয় তাহলে সেটা খুন হবে। প্রশ্নে যদিও বা জানতো না যে, ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু খ, ক-কে এমন আঘাত করে হত্যা করেছে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই 'খ' খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুনঃ
খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে যে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
৩৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে না?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
♦ কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ।
 ♦ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
৩৫.
ক একজন সাক্ষী হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেট খ এর সামনে উপস্থিত হয়। খ বলেন যে, তিনি ক এর সাক্ষ্যের এক শব্দও বিশ্বাস করেন না এবং ক মিথ্যা শপথ করেছে। এসব কথায় ক আকস্মিক ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে খ কে হত্যা করে। ক এর অপরাধ-
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী আকস্মিক উত্তেজনায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেটা নিন্দনীয় নরহত্যা না হয়ে খুন হবে যদি উক্ত উত্তেজনার দ্বারা যে হত্যাটি করা হয়েছে তা আইনানুগ সরকারি কর্মচারীর আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। যেহেতু এখানে খ (ম্যাজিস্ট্রেট) কে হত্যা করা হয়েছে , তাই এটা খুন বলে গণ্য হবে।
৩৬.
দণ্ডবিধির নিচের কোন ধারার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তিঃকোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
♦ দন্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
৩৭.
বাংলাদেশী নাগরিক ”ক” যুক্তরাজ্যে একটি খুন করে। ”ক” এর বিচার এবং শাস্তি-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যবে না
  2. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
  3. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ”ক” এর ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য নয়
  4. বিদেশে অপরাধ করায় ”ক” বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৩৮.
আইনানুগ অভিভাবকের নিকট থেকে কত বছরের নাবালক বা নাবালিকার অপহরণ করলে আইনানুগ অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্য হরণ হবে?
  1. ১৪ ও ১৮ বছর
  2. ১৪ ও ১৬ বছর
  3. ১২ ও ১৬ বছর
  4. ১৬ ও ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ও ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্যহরণঃ
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
এই ধারায় আইনসম্মত অভিভাবক বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম (Exception):-
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৩৯.
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার মামলার আসামী দাবি করে যে, আসামীর কাজ সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে। উক্ত দাবি প্রমাণের দায়িত্ব আসামীর সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১০২ ধারার
  2. ৯৬ ধারার
  3. ১০৩ ধারার
  4. ১০৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না। 
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ মতে- কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে মামলাটি যাতে দন্ডবিধিতে বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে পড়তে পারে, অথবা দন্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা উহার অপর কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে বা উক্ত অপরাধ সম্পর্কিত অপর কোন আইনে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এইরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে অবশ্যই ধরে নিবেন।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারামতে দন্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ সহ যে কোন ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব আসামীর।
৪০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় খুনসহ ডাকাতির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৯০ ধরায়
  2. ৩৯২ ধারা
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. ৩৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতিঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৪১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১১
  3. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাৰ্যঃ দুই বা ততোধিক ব্যাক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করিবার ষড়যন্ত্র করিয়াছে, এইরুপ বিশ্বাস করিবার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাহাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করিবার পর তাহাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাহাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলিয়া মনে করা হইতেছে, এইরুপপ্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করিবার জন্য উহা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যাক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তাহা প্রমাণ করিবার জন্য উহাও প্রাসঙ্গিক।
৪২.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় কোন বিষয় বর্ণিত আছে?
  1. অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতা
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয়
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর
  4. মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করণ
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য যতটা প্রমাণ করা যাইতে পারেঃ  কোন বিষয় সম্পর্ক যদি এইরুপ সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, অপরাধে অভিযুক্ত ব্যাক্তি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে ছিল এবং তাহার নিকট হইতে প্রাপ্ত খবরের ফলে একটা বিষয় উদঘাটিত হইয়াছে, তাহা হইলে খবরের যে অংশ উদঘাটিত বিষয়ের সহিত স্পষ্টরুপে সংশ্লিষ্ট, তাহা স্বীকারোক্তী হউক বা না হ উক, প্রমাণ করা যাইতে পারে।
৪৩.
প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
  1. সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য
  2. সরকারী কর্মচারী
  3. মৃত ব্যক্তি
  4. জীবিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান কখন পূর্ববর্তী সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তীতে মামলা প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারেঃ- কোন মামলার সাক্ষী মামলার কোন পর্যায়ে সাক্ষ্য দেয়ার পর যদি মারা যায়, নিখোঁজ হয়, সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়, প্রতিপক্ষ দ্বারা আটক হয় অথবা উক্ত সাক্ষীর হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে; এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী কোন মামলায় বা ঐ একই মামলার পরবর্তী পর্যায়ে কোন ঘটনার সত্যতা প্রমানের জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে । শর্তগুলো হল- ১. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলা একই বিচার্য বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের বা প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে; এবং ২. পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্যে জেরার (cross-examination) সুযোগ বিদ্যমান ছিল।
৪৪.
স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই এ বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
৪৫.
মৌখিক সাক্ষ্য সরাসরি হবে এই বিধান আইনের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৪ ধারা
  3. ৫১ ধারা
  4. ৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬০ অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ Oral evidence must, in all cases whatever, be direct.
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
৪৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রমাণের দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯৩
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ১০১
সঠিক উত্তর:
১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০১ অনুযায়ী- যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করে এর উপর নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করবেন।
♦প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) - দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৪৭.
প্রাথমিক সাক্ষের বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে।
৪৮.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি
  2. স্বকার্যজনিত বাঁধা
  3. দাবী
  4. মৌনসম্মতি
সঠিক উত্তর:
স্বকার্যজনিত বাঁধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বকার্যজনিত বাঁধা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
৪৯.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্রমটি হল জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি।
৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে মামলার কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১৩৫
  3. ধারা ১৩৭
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।
♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারামতে মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে।
৫১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক কোন সাক্ষীকে কোন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ধারা ১৫৩
  2. ধারা ১৫৫
  3. ধারা ১৬৫
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদ্ঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

♦ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
৫২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানি আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. দলিল সংশোধনের
  4. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অর্থ হলো যে ক্ষমতার প্রয়োগ আদালতের সমষ্টি উপর নির্ভর করে। অগ্রক্রয় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার না কারন এটা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না বরং মুসলিম আইন এবং রাষ্ট্রীয় প্রজাসত্ত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৬ ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (৪২ ধারা), স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫২) এবং দলিল সংশোধন (৩১ ধারা) মামলার ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। কিন্তু অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানি আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। 
৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কয়টি নিষেধাত্মক সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করার কথা বলা হয়েছে ?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫ ধারায় গ মতে ১টি নিরোধমূলক বা নিষেধাত্মক সুনির্দিষ্ট প্রতিকার। যেমন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের কথা বলা হয়েছে।
৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মোকদ্দমার ডিক্রি কিংবা আদেশের বিরুদ্ধে কি করতে হয়?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রীট
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
♦যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চুক্তি প্রবলের কথা বলা আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ৩২
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
♦ চুক্তিতে শর্তসমূহ যেভাবে উল্লেখ আছে বা চুক্তির শর্তসমূহ যেভাবে কার্যকর করার বিধান চুক্তিতে উল্লেখ আছে যদি চুক্তির শর্তসমূহ সেইভাবে কার্যকর করা হয়, তাহলে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর বা বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আদেশ দিতে পারে।
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য চুক্তি সম্পর্কে বলা আছে ১২ ধারায় এবং যে সব চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয় সে সম্পর্কে বলা আছে ২১ ধারায়।
৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় অবলবৎযোগ্য চুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ২১
  2. ৩০
  3. ২৫
  4. ৪০
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
♦ যে সব চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয় সে সম্পর্কে বলা আছে ২১ ধারায়।
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৫৭.
১ জুলাই, ২০০৪ তারিখে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তির অনুকূলে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল?
  1. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ২৫%
  2. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ৫০%
  3. অবশিষ্ট চুক্তি মূল্য
  4. কোন চুক্তি দাখিল অপ্রয়োজনীয়
সঠিক উত্তর:
কোন চুক্তি দাখিল অপ্রয়োজনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন চুক্তি দাখিল অপ্রয়োজনীয়
ব্যাখ্যা
০১.০৭.২০০৫ তারিখ বা এর পর সম্পাদিত কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের বায়না চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবত্ত্বরণের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য (যদি থাকে) আরজির সাথে দাখিল করতে হবে। কিন্তু বায়না চুক্তিটি যদি ০১.০৭.২০০৫ এর পূর্বে সম্পাদিত হয়, সেই ক্ষেত্রে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আরজির সাথে দাখিল করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু ০১.০৭.২০০৪ তারিখে চুক্তিটি রেজিস্ট্রী করা হয়েছে, সেহেতু অবশিষ্ট চুক্তিমূল্য আরজির সাথে দাখিল করার প্রয়োজন নেই।


__________________________________________________________________________________________

♦The Specific Relief (Amendment)Act, 2004 ধারা 21A(c) অনুযায়ী ২০০৫ সালের ১লা জুলাই থেকে একটি রেজিষ্ট্রিকৃত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে অবশিষ্ট চুক্তি মূল্য জমা দিতে হবে।
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃএই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধানমতে দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. ১৩ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
♦  দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
♦  চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
♦  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)
৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নীতিগত ভাবে বা নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা [ Injunction to perform negative agreement ] মঞ্জুর করতে পারে।

♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ কার্যকর হয় কত সাল হতে?
  1. ১৯০৮ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
  2. ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
  3. ১৮৯৮ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
  4. ১৮৫৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে। দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন। দেওয়ানী কার্যবিধি প্রণয়ন করা হয় ১৯০৮ সালে; কিন্তু এটি কার্যকর করা হয় ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
৬১.
স্থাবর সম্পত্তি কোন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত উক্ত বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে মামলা দায়ের সম্পর্কে বিধান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪২
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।

♦ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
৬২.
কখন ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়?
  1. আদালত মনে করলে
  2. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  3. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  4. আদালত ডিক্রি জারি করতে ক্ষমতা প্রাপ্ত না হলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কোন বিষয় বলা আছে?
  1. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. মৃত্যুদন্ড হ্রাস করণ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
৬৪.
দেওয়ানি আপীলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ৮৩ ধারায়
  4. ৮৯গ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
৬৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ১০০ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৪ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
♦ কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মতে আপিল আদালত পুনর্বিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ১০৭
  2. ১২০
  3. ১৩০
  4. ১৪০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ভুল ছিল।
৬৭.
কম মূল্যমানের স্ট্যাম্পে আরজি লেখার কারণে আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান বা খারিজ করে দেয়। বাদীপক্ষ আরজি খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেনি। এ ক্ষেত্রে বাদীপক্ষ অন্য কি প্রতিকার পেতে পারে?
  1. রিভিউ দায়ের করতে পারে
  2. রিভিশন দায়ের করতে পারে
  3. আপিল দায়ের করতে পারে
  4. রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
রিভিউ দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।
৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. ১২০
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৪
সঠিক উত্তর:
১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত নং আদেশে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ২ এর ৫ বিধিতে
  2. আদেশ ২ এর ৬ বিধিতে
  3. আদেশ ২ এর ৭ বিধিতে
  4. আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।
♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৮ বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ একই রকমের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সবার পক্ষে মোকদ্দমা দাখিল করলে বা জবাব প্রদান করলে, উক্ত মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলে।
৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
  4. আদেশ ৮ এর ১৩ বিধিমতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
৭১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী ?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. ধারা ৪৪
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।
♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৭ বিধি ১ (৭) অনুযায়ী মুলতুবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ উপ-বিধির অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে, আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে।
৭২.
ডিক্রি জারি মূল্যে কোন সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦আদেশ  ২১ বিধি ৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
৭৩.
Local Investigation (সরেজমিনে তদন্ত) এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় আছে?
  1. ১৭ আদেশের ৩ নিয়মে
  2. ১৮ আদেশের ৫ নিয়মে
  3. ১৯ আদেশের ১ নিয়মে
  4. ২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য । আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ২১ আদেশ মতে
  2. ২৫ আদেশ মতে
  3. ৩৩ আদেশ মতে
  4. ৩৪ আদেশ মতে
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ আদেশের বিধান মতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মামলা দায়ের (Suit by Paupers] করতে পারে। যে ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না, সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে।
৭৫.
যেখানে মামলার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মামলা রুজু করতে হবে উক্ত বিধান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৭
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।
৭৬.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
৭৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ৬ মাসের জেল
  2. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানি জেল
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে আদালত ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে।
৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত পুনঃবিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
  2. ৪১ আদেশের ২০ নিয়ম মতে
  3. ৪১ আদেশর ৩১ নিয়ম মতে
  4. ৪১ আদেশের ১২ নিয়ম মতে
সঠিক উত্তর:
৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
ব্যাখ্যা
♦ ১০৭ ধারায় আপীল আদালতকে কোন মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোন কোন প্রেক্ষাপটে আপীল আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে তা আদেশ ৪১ এর ২৩ এবং ২০ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা বিচারের সময়ে নিম্ন আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করে থাকলে তা বিবেচনা করার জন্য বা প্রাথমিক প্রশ্নে (Preliminary points) মামলা নিষ্পত্তি ক থাকলে, আপীলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে, আপীল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ৪১ আদেশের ২০ বিধির অধীন নিম্ন আদালতে পুনঃপ্রেরণ করতে পারবে।
৭৯.
কোন ক্ষেত্রে তামাদির বিধান প্রযোজ্য নয়-
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. যেকোনো ফৌজদারি মামলায়
  3. ফৌজদারি মূল মামলায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মূল মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মূল মামলায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী মূল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য না কিন্তু কিছু বিশেষ ফৌজদারী কার্যক্রম যেমন ফৌজদারী আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ মূল ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট সময় নেই।
৮০.
'ক' দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬ মাস। 'ক' ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে। বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদীর আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
৮১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আইনগত অপারগতার বিধানসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ৬, ৭ ধারায়
  2. ৬,৭,৮, ৯ ধারায়
  3. ৭,৮, এবং ৯ ধারা
  4. ৬, এবং ৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬,৭,৮, ৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,৭,৮, ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦কোন গুলো আইনগত অপারগতা তা ৬ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, যেক্ষেত্রে একাধিক বাণী বা আবেদনকারী আইনগত অক্ষম থাকে সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা ৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং ধারায় ৬ ও ৭ ধারার ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং ৮ ধারায় উল্লেখিত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬৭ ধারা ব্যাখ্যা করতে হবে। ৯ ধারায় বলা হয়েছে, একবার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা তা বন্ধ করতে পারবেনা। অর্থাৎ ৬ ধারা প্রযোজ্য করতে হলে দেখাতে হবে যে, মামলা দায়েরের অধিকার যখন সৃষ্টি হয়েছিল তখন বাদী আইনগত অক্ষম ছিল। সুতরাং ৯ ধারা অনুযায়ী মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হওয়ার পর কোন বাদী আইনগত অক্ষম হলে সেই ক্ষেত্রে ৬ ধারা প্রযোজ্য হবেনা এবং তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবেনা।
৮২.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউ-এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎউদ্দেশ্যে কার্যধারায় যেই সময় গণনাহইতে বাদ দিতে হইবেঃ
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেইক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেইক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারা মোকদ্দমার (Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বা যেকোন আবেদনের (Any: application) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কিন্তু আপীল, রিভিশন, বা রিভিউ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়ের করলে এবং উক্ত এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে ১৪ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না। এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়েরের কারণে ব্যয়িত সময় মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা যেতে পারে।
৮৩.
মোকদ্দমা দায়েরের পর আরজি ফেরত দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মোকদ্দমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তখন আপনি কি করবেন?
  1. আরজির সাথে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  2. আরজির সাথে ৯ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  3. আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজির সাথে ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করবেন
ব্যাখ্যা
♦আমাদি আইনের ১৪ ধারা মোকদ্দমার | Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মোকদ্দমা দায়েরের পর আরজি ফেনাত দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মোকদ্দমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পূর্ববর্তী আদালতে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনার জন্য ১৪ ধারায় আবেদন করতে হবে।
৮৪.
তামাদি আইনের কোন ধারায় তঞ্চকতা বা প্রতারণার কথা বলা আছে?
  1. ১৬ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ২০ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফলঃ যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হয়, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাহাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য যেই দলিল প্রয়োজনীয়, তাহা প্রতারণা করিয়া তাহার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছে, সেই সকল ক্ষেত্রে-

(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তাহার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যেই ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্য প্রকারে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্বদাবি করে, তাহার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন প্রতারণার কথা জানিতে পারে, সেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন দলিলটি উপস্থাপন করিতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য বাধ্য করিতে পারে, সেইদিন হইতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
৮৫.
অবিরাম চুক্তির ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
 ♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
৮৬.
সরকারি কোনো সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি একনাগাড়ে কত বছর ধরে ভোগ করতে হবে?
  1. ৬০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
♦ Easement Right মানে হল সুখাধিকার। সুখাধিকার বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য ব্যক্তি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
♦ তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

♦ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

♦ সুখাধিকারের ক্ষেত্রে ২০ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছরকে বুঝায় । তবে সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। ২৬ ধারায় সুখাধিকার বলতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরণের সুখাধিকারকে বোঝায়।

♦ ২৬ ধারা অনুযায়ী সুখাধিকার আলো, বায়ু প্রবেশ ও ব্যবহার, স্থল ও জল পথের ব্যবহার এবং পানির ব্যবহারকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦ সুখাধিকার বা ব্যবহার স্বত্ব (ইজমেন্ট রাইট)- ১৮৮২ সালের ইজমেন্ট রাইট অ্যাক্ট এর ৪ ধারায় সুখাধিকারের (ইজমেন্ট রাইট) সংজ্ঞা রয়েছে। সুখাধিকার বলতে এমন এক সুবিধাভোগী স্বত্বের অধিকারকে বুঝায় যা দ্বারা কোনো জমির মালিক বা দখলকার তার জমির সুবিধাজনক ভোগের জন্য অপর কোনো ব্যক্তির জমির উপর দিয়ে কিছু করতে বা করা অব্যাহত রাখতে, কোনো কিছু নিবৃত্ত করতে বা নিবৃত্ত অব্যাহত রাখতে পারে।
৮৭.
তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান না থাকলে তখন মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৮৮.
অভিরাম চুক্তিভঙ্গের ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তীত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
৮৯.
নিম্ন বর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বন্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরূদ্ধার
সঠিক উত্তর:
বন্টন মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্টন মামলা
ব্যাখ্যা
♦বন্টন মামলা  মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না।
৯০.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের মেয়াদ উল্লেখিত আছে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১১৪ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৫ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৪২ নং অনুচ্ছেদমতে, বেদখল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের করতে হবে।
৯১.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ৪৬ নং আদেশ
  2. ৩৬ নং আদেশ
  3. ৫৬ নং আদেশ
  4. ২৬ নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রপতির ৪৬ নম্বর আদেশ, Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 দ্বারা বার কাউন্সিল গঠিত হয়। এই কাউন্সিল আইনজীবীদের পেশার সনদপ্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে, সকল আইনজীবীর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনা করে ইত্যাদি।
৯২.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কোন ধরনের সংস্থা-
  1. বেসরকারী সংস্থা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা
  3. সাংবিধানিক সংস্থা
  4. স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩ : বিবিসি অর্ডারঃ ৩(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, The Bar Council shall be a Body Corporate অর্থাৎ বার কাউন্সিল হবে আইনসৃষ্ট সংস্থা। আবার, বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বলা আছে- The Bangladesh Bar Council is a Statutory Autonomus Body [সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা] of the Government.' বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ আছে যে- Bangladesh Bar council is a licensing and Regulatory Body [নিয়ন্ত্রক সংস্থা] constituted under the Bangladesh Legal Practianers and Bar Council Order, 1972. এছাড়া আমরা জানি যে, আইনসভা তথা সংসদ কর্তৃক আইন সৃষ্ট/ প্রণীত হয়, এরূপ প্রণীত আইনকে সংবিধিবদ্ধ আইন বা বিধিবদ্ধ আইন বলা হয়। বার কাউন্সিল যেহেতু বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত, সেহেতু এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা; যা স্বাধীন।
৯৩.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সেক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
৯৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কতজন সদস্য নির্বাচিত হয়-
  1. ১৪ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা
♦Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মোট ১৫ জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল গঠিত হবে। এর মধ্যে ১ জন হবে পদাধিকারবলে অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৪ জন হবে নির্বাচিত সদস্য।
৯৫.
সাধারণভাবে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের-
  1. মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  2. মে মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
  3. মার্চ মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  4. মার্চ মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে বছর বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়, সেই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে ।
৯৬.
বার কাউন্সিলে কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি এর পরিমাণ হবে-
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦বার কাউন্সিলে কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে-
i) আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ।
ii) অভিযোগপত্রের সাথে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
iii) অ্যাফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার অফিসিয়াল দায়িত্বের বিরুদ্ধে হলে অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হবে না।
৯৭.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইন শিক্ষা কমিটিতে সর্বনিম্ন কত জন বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য থাকবে?
  1. ৫ জন
  2. ৪ জন
  3. ২ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
♦ আইন শিক্ষা কমিটির মোট সদস্য ৯ জন। ৫ জন বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে হতে । বাকি ৪ জন যার মধ্যে অবশ্যই সর্বনিম্ন ২ জন কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে।
৯৮.
অ্যাডভোকেট হওয়ার সব যোগ্যতা থাকার পরও একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হতে পারবে না, যদি সে-
  1. সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হতে
  2. নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে কোন অপরাধে দন্ডিত হলে
  3. বাইরের দেশ থেকে আইনে ডিক্রি থাকলে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে এবং নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
৯৯.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট কি পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপিল করতে পারে
  2. রিভিউ করতে পারে
  3. আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
  4. প্রথমে আপিল এবং পরে রিভিউ করতে পাওে
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদের অধীন বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যেতে পারে বা ৩৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারে।
১০০.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  3. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. সরকারের আবেদনে
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।