পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়42 minutes৪২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ পার্ট – ১: বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২. অন্যান্য লেখকগণ: অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আনিসুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মুতী, আব্দুল হাই, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, এস ওয়াজেদ আলি, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। পার্ট – ২: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। পার্ট-৩: গাণিতিক যুক্তি টপিকসমূহ: বীজগণিত: [i) সূচক ও লগারিদম; ii) সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা।] সোর্স: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত গণিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়] এবং যেকোনো ভালো একটি গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
'অসমাপিকা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. এস ওয়াজেদ আলী
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. আনোয়ার পাশা
  4. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
ব্যাখ্যা
অন্নদাশঙ্কর রায়:
- তিনি ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশের ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ। 
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখার নাম 'তিনটি প্রশ্ন' (প্রবাসী', ১৯২০)।
- তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম 'অসমাপিকা' (১৯৩০)।
- তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থের নাম 'রাখী' (১৯৩২)।
- তিনি ২৮ শে অক্টোবর, ২০০২ সালে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- যার যথা দেশ,
- অজ্ঞাতবাস,
- কঙ্কাবতী,
- দুঃখমোচন,
- মর্তের স্বর্গ,
- অপসরণ। 

তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তারুণ্য,
- ইশারা,
- জীবনশিল্পী,
- বিনুর বই,
- আধুনিকতা,
- জীয়ন কাটি,
- প্রত্যয় ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান কবিতা:
- রাখী,
- কালের শাসন,
- কামনা পঞ্চবিংশতি,
- নূতনা রাধা,
- লিপি,
- জার্নাল,
- ক্রীডো ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান ছোটগল্প:
- প্রকৃতির পরিহাস,
- মন পবন,
- যৌবন জ্বালা,
- কামিনী কাঞ্চন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমনকাহিনি:
- পথে প্রবাসে,
- ইউরোপের চিঠি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'মোদের গরব, মোদের আশা,
আ-মরি বাংলা ভাষা!'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. অতুলপ্রসাদ সেন
  2. রামপ্রসাদ সেন
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. লালন শাহ
ব্যাখ্যা
- 'মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!'- গানটির রচয়িতা - 'অতুলপ্রসাদ সেন'।  
- গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- এ গান বাংলাদেশের  ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে। 

অতুলপ্রসাদ সেন: 

- তিনি মূলত কবি, গীতিকার, গায়ক ছিলেন।
- তিনি ১৮৭১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন। 
- তিনি সুরকার ও গীতিকার হিসাবে সঙ্গীত ভুবনে অনন্য স্থান দখল করে আছেন।
- তাঁর ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’ গান ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীদের মনে উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিল।
- তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ২০০টি।

• তাঁর গানের সংকলন:
- কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'আঠারো শতকের বাংলা চিঠি' - গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল ফজল
  2. আনোয়ার পাশা
  3. আনিসুজ্জামান
  4. আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• 'আঠারো শতকের বাংলা চিঠি' গ্রন্থটির রচয়িতা - আনিসুজ্জামান

আনিসুজ্জামান:

- লেখক আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পান।
- এছাড়াও ২০১৪ সালে ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে, 
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে, 
- কাল নিরবধি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'সুবচন নির্বাসনে' আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত -
  1. নাটক
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধ
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• 'সুবচন নির্বাসনে' আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত - নাটক

আবদুল্লাহ আল মামুন:
- তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ জুলাই জামালপুর জেলা সদরের আমলা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত নাট্যরচয়িতা এবং নাট্যাভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক 'শপথ' (১৯৬৪)।
- তাঁর এক চরিত্রনির্ভর নাটক 'কোকিলারা' (১৯৯০)।
- তিনি ২১ আগস্ট, ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ,
- এখনও ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘মুকুল’ নামে ছোটদের জন্য প্রকাশিত ম্যাগাজিনের সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. আবদুল্লাহ আল-মুতী
  3. লুৎফর রহমান
  4. গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা
আবদুল্লাহ আল-মুতী:
- তিনি ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক।
- তিনি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত 'বিজ্ঞান বিশ্বকোষ' এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন।
- ‘মুকুল' নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ।
- তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম বইয়ের নাম 'এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে' (১৯৫৫)।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

তার রচিত গ্রন্থ:
- আবিষ্কারের নেশায়,
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- এ যুগের বিজ্ঞান,
- বিপন্ন পরিবেশ,
- বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- মেঘ বৃষ্টি রোদ,
- পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে,
- তারার দেশের হাতছানি,
- বিজ্ঞানের বিস্ময়,
- শিক্ষা ও বিজ্ঞান,
- নতুন দিগন্ত,
- মহাকাশে কী ঘটছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বিলেতে সাড়ে সাত'শ দিন' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. এস ওয়াজেদ আলী
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. মুহম্মদ আবদুল হাই
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ভ্রমণকাহিনি - বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

মুহম্মদ আবদুল হাই:
- তিনি ২৬ নভেম্বর ১৯১৯ সালে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৯৫৬ 'সাহিত্য পত্রিকার'র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' (১৯৬৪) রচনার জন্য স্মরণীয়।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ৩রা জুন মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ: 
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি, 
- তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা, 
- ভাষা ও সাহিত্য,
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত প্রভৃতি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'খোয়াবনামা’ উপন্যাসের বিষয়বস্তু কী?
  1. ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
খোয়াবনামা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস খোয়াবনামা (১৯৯৬)।
- উপন্যাসটির বিষয়বস্তুতে বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবানালেখ্যসহ
- ফকির-সন্যাসী বিদ্রোহ,
- আসামের ভূমিকম্প,
- তেভাগা আন্দোলন,
- ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর,
- পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এই উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:

- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
- বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ (১৯৮২), 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৫) ও কলকাতার ‘আনন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৬) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই, 
- খােয়াবনামা

তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর, 
- খোঁয়ারি, 
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি আবুল কালাম শামসুদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকা?
  1. সমকাল
  2. দৈনিক আজাদ
  3. নয়া সড়ক
  4. দৈনিক নবযুগ
ব্যাখ্যা
আবুল কালাম শামসুদ্দীন:
- ১৮৯৭ সালের ৩ নভেম্বর  ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।
- তিনি ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন।
- ১৯২৩ সালে দৈনিক 'মোহাম্মদী' পত্রিকায় সহযোগী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগে (১৯২৬) কর্মরত ছিলেন।
- তিনি দৈনিক 'আজাদ' পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগে ১৯৩৬ সালে যোগ দেন এবং দীর্ঘ বাইশ বছর সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৯৭৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- কচি পাতা (শিশু সাহিত্য)
- ত্রিস্রোতা (তুর্গেনিঙের তিনটি গল্পের অনুবাদ),
- দৃষ্টিকোণ (প্রবন্ধ সংকলন),
- ইলিয়ড (বঙ্গানুবাদ),
- পলাশী থেকে পাকিস্তান (ইতিহাস),
- অতীত দিনের স্মৃতি (আত্মজীবনী ও স্মৃতিচারণ) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
আবুল ফজল রচিত 'রেখাচিত্র' গ্রন্থটি কোন জাতীয় রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. ভ্রমণকাহিনী
  3. দিনিলিপি
  4. রম্যরচনা
ব্যাখ্যা
• ‘রেখাচিত্র’ আবুল ফজল রচিত একটি  - দিনলিপি। 

আবুল ফজল:

- তিনি ১লা জুলাই, ১৯০৩ সালে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত সাহিত্যিক।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কর্ণধার হিসেবে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- এ আন্দোলনের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকা।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার ৫ম সংখ্যা সম্পাদনা করেন।
- তিনি মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী নামে আখ্যায়িত হন।
- তিনি 'রেখাচিত্র' গ্রন্থের জন্য আদমজি পুরস্কার (১৯৬৬) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৮৩ সালের ৪ঠা মে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- রাঙ্গা প্রভাত।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী,
- মৃতের আত্মহত্যা।

• তাঁর রচিত আত্মকাহিনি ও দিনলিপি:
- রেখাচিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
'কৃষ্ণপক্ষ' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. এস ওয়াজেদ আলি
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
- তিনি ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালের উলানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'ডানপিটে শওকত' (১৯৫৩)। এটি একটি শিশুতোষ গ্রন্থ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম 'কৃষ্ণপক্ষ' (১৯৫৯)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম 'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান' (১৯৬০)।
- তিনি ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো / একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি।' গানটি রচনা করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক 'পলাশী থেকে ধানমন্ডি' চলচ্চিত্রের কাহিনি রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- সম্রাটের ছবি,
- সুন্দর হে সুন্দর।

তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
বুদ্ধদেব বসু রচিত ‘কঙ্কাবতী’ কাব্যগ্রন্থের প্রধান বিষয় কী?
  1. নারী জাগরণ
  2. যুদ্ধ ও কলহ
  3. বিরহ
  4. সামাজিক কুসংস্কার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[লাইভ পরীক্ষার অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

- ‘কঙ্কাবতী’ বুদ্ধদেব বসুর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের কবিতাগুলির রচনাকাল ১৯২৯-৩৪ এবং প্রধান বিষয় প্রেম।
- সংগীতময় ভাষা এবং উচ্চারণের সংক্ষেপের জন্য কাব্যগ্রন্থটি সমকালে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। 

বুদ্ধদেব বসু:

- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত নাটক:
- মায়ামালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'ভ্রমণকারী বন্ধু' কার ছদ্মনাম?
  1. আবুল ফজল
  2. আবু ইসহাক
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- তিনি ১৮১২ সালে শিয়ালডাঙ্গা, কাঁচড়াপাড়া, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, সাংবাদিক।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- তিনি প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- তিনি 'সংবাদ প্রভাকর' ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ:
- রামপ্রসাদ সেন কৃত কালীকীর্তন,
- কবিবর ভারতচন্দ্র রায় ও তাঁর জীবনবৃত্তান্ত,
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত কাব্যসংগ্রহ,
- কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত সংগ্রহ,
- মণিকৃষ্ণ গুপ্ত সম্পাদিত সংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৩.
‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র -
  1. গণেশ
  2. কুবের
  3. কপিলা
  4. শশী
ব্যাখ্যা
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি' ১৯৩৪ সাল থেকে ‘পূর্বাশা’ পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ ১৯৩৬ সালে।
- কুবের ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।  
উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 
 - কপিলা
- মালা,
- হোসেন মিয়া,
- ধনঞ্জয়,
- শীতলবাবু।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৯০৮ সালে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'অতসী মামী', 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
-  ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- মিহি ও মোটা কাহিনী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- জননী,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- চিহ্ন,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মা নদীর মাঝি,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- চতুষ্কোণ,
- সার্বজনীন,
- সোনার চেয়ে দামী,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- অমৃতস্য পুত্রা,
- আরোগ্য ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
কোনটি আবু জাফর শামসুদ্দীন রচিত প্রথম উপন্যাস?
  1. আমি অনাহারী
  2. নিজ বাসভূমে
  3. রৌদ্র করোটিতে
  4. পরিত্যক্ত স্বামী
ব্যাখ্যা
আবু জাফর শামসুদ্দীন:
- তিনি ১৯১১ সালের ১২ মার্চ পূর্বতন ঢাকা জেলা, বর্তমান গাজীপুর জেলার দক্ষিণবাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
- তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাসের নাম 'পরিত্যক্ত স্বামী' (১৯৪৭)। এটি তাঁর প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থও।
- তাঁর রচিত ত্রয়ী উপন্যাস - ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ২৪শে আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, 
- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
- সংকর সংকীর্তন,
- দেয়াল।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- জীবন,
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা,
- ল্যাংড়ী
- নির্বাচিত গল্প।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য,
- সোচ্চার উচ্চারণ,
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
বাংলাদেশের কোথায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় দেখা যায়?
  1. কুমিল্লা
  2. গাজীপুর
  3. রাঙামাটি
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

অন্যদিকে -
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
বাংলাদেশের কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদী?
  1. রায়মঙ্গল
  2. ঘোড়ামারা
  3. সোনাই
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers):
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে। 
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে। 
- নদী গুলো হল: রায়মঙ্গল, ইছামতী-কালিন্দী, বেতনা-কোদালিয়া, ভৈরব-কপোতাক্ষ, মাথাভাঙ্গা, গঙ্গা, পাগলা, আত্রাই, পুনর্ভবা, তেতুলিয়া, টাংগন, কুলিক বা কোকিল, নাগর, মহানন্দা, ডাহুক, করতোয়া, তালমা, ঘোড়ামারা, দিওনাই-যমুনেশ্বরী, বুড়িতিস্তা, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম, চিল্লাখালি, ভোগাই, সোমেশ্বরী, দামালিয়া/যালুখালী, নয়াগাঙ, উমিয়াম, যাদুকাটা, ধলা, পিয়াইন, শারি-গোয়াইন, সুরমা, কুশিয়ারা, সোনাই-বারদল, জুরি, মনু, ধলাই, লংলা, খোয়াই, সুতাং, সোনাই, হাওড়া, বিজনী, সালদা, গোমতী, কাকরাই-ডাকাতিয়া, সিলোনিয়া, মুহুরী, ফেনী, কর্ণফুলি, নিতাই, সাংগু, মাতামুহুরী, এবং নাফ।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্ত:সীমান্ত নদী হল ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্ত:সীমান্ত নদী হল ৩টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮.
গ্রিনিচ মানমন্দিরের উপর দিয়ে কোন রেখা অতিক্রম করেছে?
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
  3. শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
 গ্রিনিচ মান:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
এশিয়ার কোন অঞ্চলে সারাবছর পরিচলন বৃষ্টি হয়?
  1. মালয়েশিয়া
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূল ও আমাজান নদীর অববাহিকা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার দক্ষিনাংশ, পেরুর উত্তর পশ্চিমাঞ্চল; মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের আয়ন বায়ু পুষ্ট পানামার নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও কোষ্টারিকা; আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনির উপকূলীয় অঞ্চল ক্যামেরুন, গ্যাবন, লাইবেরিয়া, আইভরিকোষ্ট, টাঙ্গানিকা, কেনিয়া; দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই এবং ফিলিপাইনের দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে এ জলবায়ু দেখা যায়।
- এশিয়ার সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় অঞ্চলে।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন -
  1. প্রায় ৫৭১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৫৮৩৮ বর্গ কিলোমিটার
  3. প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. প্রায় ৬৪৩৯ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
কোন দেশ দুটি মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মিশর
  2. সিরিয়া
  3. তুরস্ক
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এটি দুইটি মহাদেশে অবস্থিত।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উৎস: Britannica.
২২.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কী?
  1. নিউমুর দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত  গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তকারী সীমারেখা কী নামে পরিচিত?
  1. ২৭° মধ্যরেখা
  2. ২৭° অক্ষরেখা
  3. ৩৮° মধ্যরেখা
  4. ৩৮° অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে। 
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: Britannica.
২৪.
মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ড সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস)দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
২৫.
কোনটি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. রোমানিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
• উত্তর কোরিয়া।
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

অন্যদিকে -
- রোমানিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উৎস: Worldatlas.
২৬.
১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ...... ধারাটির ১১ তম পদটি কত?
  1. ৩৪
  2. ৫৫
  3. ৮৯
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ...... ধারাটির ১১ তম পদটি কত?

সমাধান:
এখানে,
২ = ১ + ১ 
৩ = ২ + ১
৫ = ৩ + ২
৮ = ৫ + ৩
ধারাটির প্রতিটি পদ তার পূর্বের দুটি পদের সমষ্টির সমান। অর্থাৎ, ধারাটি একটি ফিবোনাক্কি ধারা,
১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯
∴ ধারাটির ১১ তম পদ ৮৯
২৭.
  1. 2
  2. x + y
  3. 0
  4. 1 + y
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
২৮.
1 + 1/2 + 1/4 + 1/8 + ......... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?
  1. 3
  2. 2
  3. 7
  4. অসীমতক সমষ্টি নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 1/2 + 1/4 + 1/8 + ......... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?

সমাধান:
মনে করি,
১ম পদ, a = 1

সাধারণ অনুপাত, r = (1/2) ÷ 1
= 1/2 < 1

ধারাটির অসীমতক সমষ্টি
= a/(1 - r)
= 1 ÷ (1 - 1/2)
= 1 ÷ (1/2)
= 1 × 2
= 2
২৯.
  1. 1
  2. 2
  3. 5
  4. - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৩০.
৫ + ৯ + ১৩ + ১৭+ .............. ধারাটিতে কততম পদ ১৬৫?
  1. ৩৩
  2. ৩৭
  3. ৮০
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ + ৯ + ১৩ + ১৭+ .............. ধারাটিতে  কততম পদ ১৬৫?

সমাধান:
এখানে,
ধারাটির প্রথম পদ a = ৫,
সাধারণ অন্তর d = ৯ - ৫ = ৪
ধরি,
n তম পদ = ১৬৫
আমরা জানি, n তম পদ = a + (n - 1) d
বা, ৫ + (n - ১) ৪ = ১৬৫
বা, ৪n - ৪ = ১৬০
বা, ৪n = ১৬৪
∴ n = ৪১

∴ ধারাটির ৪১ তম পদ ১৬৫ হবে।
৩১.
  1. p + 1
  2. 1 - p
  3. 1/(1 + p)
  4. p - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৩২.
2, 6, 18, 54 প্রগতিটির কতগুলি পদের সমষ্টি 728?
  1. 4
  2. 5
  3. 6
  4. 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2, 6, 18, 54 প্রগতিটির কতগুলি পদের সমষ্টি 728?

সমাধান:
প্রগতিটির প্রথম পদ = 2,
সাধারণ অনুপাত = 3,
ধরা যাক, n সংখ্যক পদের সমষ্টি = 728
∴ {2(3n - 1)}/(3 - 1) = 728
⇒ 3n - 1 = 728
⇒ 3n = 729
⇒ 3n = 36
∴ n = 6

∴ প্রগতিটির 6টি পদের সমষ্টি 728
৩৩.
log45 × log56 × log67 × log78 × log89 =?
  1. 1
  2. log23
  3. log32
  4. 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log45 × log56 × log67 × log78 × log89 =?

সমাধান:
log45 × log56 × log67 × log78 × log89
= log46 × log67 × log78 × log89 [আমরা জানি, logaM = logab × logbM]
= log47 × log78 × log8
= log48 × log89
= log49
= log29 × log42
= log232 × log441/2
= 2 × (1/2) log23
= log23
৩৪.
১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩, ৯৯, ...... পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ১২৫
  2. ১২১
  3. ১২৯
  4. ১৩১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩, ৯৯, ...... পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১ম পদ = ১৯
২য় পদ = ১৯ + ১৪ = ৩৩
৩য়পদ = ৩৩ + ১৮ = ৫১
৪র্থ পদ = ৫১ + ২২ = ৭৩
৫ম পদ = ৭৩ + ২৬ = ৯৯
৬ষ্ঠ পদ = ৯৯ + ৩০ = ১২৯

∴ সিরিজের পরবর্তী সংখ্যা = ১২৯
৩৫.
x + z = 2y, b2 = ac হলে ay - z. bz - x.cx - y =?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + z = 2y, b2 = ac হলে ay - z. bz - x.cx - y =?

সমাধান:
x + z = 2y
⇒ x + z = y + y
∴ x - y = y - z

এখন,
ay - z. bz - x.cx - y
= ax - y × bz - x × cx - y [y - z = x - y]
= (ac)x - y × bz - x
= (b2)x - y × bz - x
= b2x - 2y + z - x 
= bx + z - 2y
= b2y - 2y
= b0
= 1
৩৬.
+ ২ + ৩ + ......... + ২০ = কত?
  1. ৩৫৭২
  2. ২৮৭০
  3. ৫৫০০
  4. ৭২২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ + ২ + ৩ + ......... + ২০ = কত?

সমাধান:
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = {n(n + 1)(2n + 1)}/6
∴ প্রথম ২০টি স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = {২০(২০ + ১)(২ × ২০ + ১)}/৬
= (২০ × ২১ × ৪১)/৬
= ২৮৭০
৩৭.
2r, 4 + 2r, 10 + 3r গুণোত্তর প্রগতিতে থাকলে r =?
  1. 1
  2. - 1
  3. 2
  4. - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2r, 4 + 2r, 10 + 3r গুণোত্তর প্রগতিতে থাকলে r =?

সমাধান:
2r, 4 + 2r, 10 + 3r গুণোত্তর প্রগতি।

∴ (4 + 2r)/(2r) = (10 + 3r)/(4 + 2r)
⇒ (4 + 2r)2 = (10 + 3r)2r
⇒ 16 + 16r + 4r2 = 20r + 6r2
⇒ 2r2 + 4r - 16 = 0
⇒ r2 + 2r - 8 = 0
⇒ r2 + 4r - 2r - 8 = 0
⇒ (r + 4)(r - 2) = 0
হয়,
r + 4 = 0
∴ r = - 4

অথবা,
r - 2 =0
∴ r = 2
৩৮.
1 + 5 + 9 + 13 + ...... ধারাটির n তম পদ কত?
  1. 4n + 1
  2. 4n - 1
  3. 3n - 3
  4. 4n - 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 5 + 9 + 13 + ...... ধারাটির n তম পদ কত?

সমাধান: 
২য় পদ - ১ম পদ = 5 - 1 = 4
৩য় পদ - ১ম পদ = 9 - 5 = 4
∴ ইহা একটি সমান্তর ধারা।
এখানে,
প্রথম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = 4

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ = a + (n - 1)d
= 1 + (n - 1)× 4
= 1 + 4n - 4
= 4n - 3
৩৯.
যদি (125)2x + 3 = 53x + 6 হয়, তবে x = কত?
  1. 3
  2. 1
  3. - 1
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (125)2x + 3 = 53x + 6 হয়, তবে x = কত?

সমাধান:
(125)2x + 3 = 53x + 6
বা, (53)(2x + 3) = 5(3x + 6)
বা, 56x + 9 = 5(3x + 6)
বা, 6x + 9 = 3x + 6
বা, 6x - 3x = 6 - 9
বা, 3x = - 3
∴ x = - 1
৪০.
একটি গুণোত্তর অনুক্রমে তৃতীয় পদটি 20 এবং ষষ্ঠ পদটি 160 হলে প্রথম পদটি কত?
  1. 5
  2. 10
  3. 12
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর অনুক্রমে তৃতীয় পদটি 20 এবং ষষ্ঠ পদটি 160 হলে প্রথম পদটি কত?

সমাধান: 
গুণোত্তর অনুক্রমে ১ম পদ a এবং সাধারণ অনুপাত r 
তৃতীয় পদ = 20
ar2 = 20 ............ (1)
ষষ্ঠ পদ = 160
ar5 = 160 ............ (2)

(2) ÷ (1) ⇒
ar5/ar2 = 160/20
⇒ r3 = 8
⇒ r = 2

(1) হতে পাই ⇒
a(2)2 = 20
⇒ 4a = 20
∴ a = 5
৪১.
কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ ৩ এবং দ্বিতীয় পদ ৫ হলে ধারাটির প্রথম ১৬ টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ২৫০
  2. ২৮৮
  3. ৩১২
  4. ৩৩৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ ৩ এবং দ্বিতীয় পদ ৫ হলে ধারাটির প্রথম ১৬ টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান: 
এখানে
ধারাটির প্রথম পদ a = 3
সাধারণ অন্তর d = 5 - 3 = 2
এবং পদসংখ্য n = 16

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার ১৬তম পদের সমষ্টি
= (16/2){2. a + (16 - 1)d}
= 8{2 × 3 + 15 × 2}
= 8(6 + 30)
= 8 × 36
= 288
৪২.
4x + 41 - x = 4 হলে, x = কত?
  1. 1/2
  2. 1/3
  3. 1/4
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x + 41 - x = 4 হলে, x = কত?

সমাধান:
4x + 41 - x = 4
⇒ a + 4/a = 4 [ধরি, 4x = a]
⇒ a2 + 4 = 4a
⇒ a2- 4a + 4 = 0
⇒ (a - 2)2 = 0
⇒ a - 2 = 0
⇒ a = 2
⇒ 4x = 41/2
∴ x = 1/2
৪৩.
5 + x + y + 135  গুণোত্তর ধারাভুক্ত হলে y এর মান কত?
  1. 25
  2. 49
  3. 35
  4. 45
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + x + y + 135  গুণোত্তর ধারাভুক্ত হলে y এর মান কত?

সমাধান: 
এখানে,
প্রথম পদ, a = 5 
ধরি, সাধারণ অনুপাত, r 
চতুর্থ পদ = 135
ar4 - 1 = 135
⇒ r3 = 135/5 = 27
∴ r = 3

এখানে, y হলো তৃতীয় পদ 
∴ y = ar3 -1
= 5 × 33 - 1
= 5 × 9
= 45