১.
হুমায়ুন আজাদের কোন গ্রন্থটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত নয়?
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আজাদের অলৌকিক ইস্টিমার গ্রন্থটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত নয়।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার.
- তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটিকে সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।
হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৯৮৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি হুমায়ুন কবির নাম পরিবর্তর করে বর্তমান হুমায়ুন আজাদ নাম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন।
- ১৯৭৮ সালের ১ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
তাঁর রচিত গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ:
- যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল
- আমি বেঁচেছিলাম অন্যদের সময়ে
- কাব্যসংগ্রহ
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমান/নিঃসঙ্গ শেরপা
- বিমানবিকীকরণ ও অন্যান্য প্রবন্ধ
- ভাষা-আন্দোলন : সাহিত্যিক পটভূমি
- নারী
- নরকে অনন্ত ঋতু
- প্রবচনগুচ্ছ
- সীমাবদ্ধতার সূত্র
- আধার ও আধেয়
- আমার অবিশ্বাস
- নির্বাচিত প্রবন্ধ
- আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম প্রভৃতি।
উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
- সব কিছু ভেঙে পড়ে
- মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ
- যাদুকরের মৃত্যু
- শুভব্রত,তার সম্পর্কিত সুসমাচার
- রাজনীতিবিদগণ
- কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ
- নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু
- ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ
- শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা ইত্যাদি।
ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক:
- লাল নীল দীপাবলি
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না
- কতো নদী সরোবর
- আববুকে মনে পড়ে
- বুকপকেটে জোনাকিপোকা
- আমাদের শহরে একদল দেবদূত
- অন্ধকারে গন্ধরাজ ইত্যাদি।
- তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটি বিতর্কের ঝড় তোলে এবং এরই এক পর্যায়ে সরকার বই তিনটিকে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার.
- তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটিকে সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।
হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৯৮৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি হুমায়ুন কবির নাম পরিবর্তর করে বর্তমান হুমায়ুন আজাদ নাম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন।
- ১৯৭৮ সালের ১ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
তাঁর রচিত গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ:
- যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল
- আমি বেঁচেছিলাম অন্যদের সময়ে
- কাব্যসংগ্রহ
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমান/নিঃসঙ্গ শেরপা
- বিমানবিকীকরণ ও অন্যান্য প্রবন্ধ
- ভাষা-আন্দোলন : সাহিত্যিক পটভূমি
- নারী
- নরকে অনন্ত ঋতু
- প্রবচনগুচ্ছ
- সীমাবদ্ধতার সূত্র
- আধার ও আধেয়
- আমার অবিশ্বাস
- নির্বাচিত প্রবন্ধ
- আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম প্রভৃতি।
উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
- সব কিছু ভেঙে পড়ে
- মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ
- যাদুকরের মৃত্যু
- শুভব্রত,তার সম্পর্কিত সুসমাচার
- রাজনীতিবিদগণ
- কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ
- নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু
- ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ
- শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা ইত্যাদি।
ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক:
- লাল নীল দীপাবলি
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না
- কতো নদী সরোবর
- আববুকে মনে পড়ে
- বুকপকেটে জোনাকিপোকা
- আমাদের শহরে একদল দেবদূত
- অন্ধকারে গন্ধরাজ ইত্যাদি।
- তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটি বিতর্কের ঝড় তোলে এবং এরই এক পর্যায়ে সরকার বই তিনটিকে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।