পরীক্ষা আর্কাইভ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাIBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৪ বিষয়: বাংলা - ৪ টপিক: উপসর্গ; শব্দ প্রকরণ; বাগ্‌ধারা; সমাস; দ্বিরুক্ত শব্দ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'উকিল' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ফারসি
  2. আরবি
  3. তৎসম
  4. উর্দু
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
• উকিল (বিশেষ্য):
- আরবি শব্দ ভাষা থেকে আগত শব্দ।

অর্থ:
- আইন ব্যবসায়ী,
- ব্যবহারজীবী,
- প্রতিনিধি
- মুসলমান সমাজের বিবাহের অনুষ্ঠানে যে ব্যাক্তি কনের আনুষ্ঠানিক সম্মতি নিয়ে বিজ্ঞাপিত করে।

• আরো কিছু আরবি শব্দ:
- আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ঈদ, উকিল, কলম, নগদ, বাকি, আদালত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'ঢক্কা নিনাদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. শ্রমকাতুরে
  2. অকর্মণ্য
  3. গোপনে কাজ করা
  4. উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা
ব্যাখ্যা
• 'ঢক্কা-নিনাদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা।
বাক্য গঠন: কাজটা করতে পারবে কি না আরেকবার ভাবো, তারপর ঢক্কা নিনাদ করো।

অন্যদিকে,
• 'ঠুঁটো জগন্নাথ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অকর্মণ্য।
• 'ডুবে ডুবে জল খাওয়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - গোপনে কাজ করা।
• 'চিনির পুতুল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - শ্রমকাতুরে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি তৎসম উপসর্গ সাধিত শব্দ?
  1. ইতিহাস
  2. অনুবাদ
  3. গরমিল
  4. পাতিলেবু
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুবাদ
ব্যাখ্যা
• 'অনুবাদ' শব্দটি সংস্কৃত উপসর্গ 'অনু' দিয়ে গঠিত।

অন্যদিকে,
• 'ইতিহাস' শব্দের 'ইতি' হলো - খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘পাতি’ যোগে গঠিত শব্দ - পাতিলেবু।
-'গরমিল' শব্দে ব্যবহৃত 'গর্‌' - বিদেশি উপসর্গ। এটি আরবি উপসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'গোলাপি' কোন ধরনের শব্দ?
  1. মৌলিক
  2. যৌগিক
  3. রূঢ় বা রূঢ়ি
  4. যোগরূঢ়
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
ব্যাখ্যা
• যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে।

অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- গোলাপি = গোলাপ + ই - অর্থ: গোলাপের মতো রং।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা - অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

এখানে,
- গোলাপি = গোলাপ + ই - অর্থ: গোলাপের মতো রং। (ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই দেখাচ্ছে)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. মনমাঝি
  2. হাতেখড়ি
  3. অনুক্ষণ
  4. ক্ষুৎপিপাসা
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষুৎপিপাসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুৎপিপাসা
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা'; দ্বন্দ্ব সমাস।

অন্যদিকে,
• মন রূপ মাঝি = মনমাঝি - হলো রূপক কর্মধারয় সমাস।
• হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি - হলো মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস।
• 'ক্ষণ ক্ষণ' = অনুক্ষণ; অব্যয়ীভাব সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন ধরনের দ্বিত্ব শব্দে বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায়?
  1. অনুকার দ্বিত্বে
  2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে
  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
  4. শব্দের দ্বিত্বে
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
ব্যাখ্যা
• 'পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে' - বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায়।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমন – জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত:
ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
"গোবর গণেশ" বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. পদ্মফুল
  2. অপদার্থ
  3. উঁচু নিচুর সহাবস্থান
  4. কপট স্বজন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপদার্থ
ব্যাখ্যা
• 'গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অকর্মণ্য/অপদার্থ।
বাক্য গঠন: তোমার মতো গোবর গণেশ দিয়ে কোনো কাজ হবে না।
---------------
অন্য অপশনে,
• 'গুরুচণ্ডালী' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - উঁচু নিচুর সহাবস্থান।
• 'ঘরভেদী বিভীষণ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কপট স্বজন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. বিফল
  2. দুর্নাম
  3. নিরেট
  4. ভাবুক
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাবুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবুক
ব্যাখ্যা
'ভাবুক' উপসর্গসাধিত শব্দ নয়। এখানে কোনো ধরনের উপসর্গ নেই।
- 'ভাব + উক' - 'উক' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ।

অন্যদিকে,
- বিফল - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'বি' রয়েছে।
- 'দুর্নাম' শব্দটি তৎসম উপসর্গ ‘দুর’ যোগে গঠিত।
- 'নিরেট' শব্দে - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. চিকামারা
  2. দৌহিত্র
  3. অতিথি
  4. মহাযাত্রা
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অতিথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিথি
ব্যাখ্যা
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: 
যে সব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। 
যেমন:
- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি- প্রত্যয় (সম্‌+দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি।
আবার,
যেমন- গবেষণা (গো+ এষণা)  অর্থ- গরু খোজা; গভীরতম অর্থ- ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
'অতিথি' - অত্‌ + ইতি (ব্যুৎপত্তিগত অর্থ - যার তিথি নেই) কিন্তু ব্যবহারগত অর্থ- মেহমান।

এরূপ- বাঁশি, তৈল, প্রবীণ ইত্যাদি৷

অন্য অপশনে,
চিকামারা = চিকা + মারা - যৌগিক শব্দ।
• দৌহিত্র = দুহিতা+ ষ্ণ - যৌগিক শব্দ।
• মহাযাত্রা - - মহাযাত্রা ( মহাসমারোহে যাত্রা); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ- 'মৃত্যু' - যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
বাগ্‌ধারাটির অর্থ নির্ণয় করুন: 'ধরাকে সরা জ্ঞান'
  1. ভান করা
  2. প্রচণ্ড উত্তেজনা
  3. অহংকার করা
  4. দীর্ঘসূত্রিতা
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অহংকার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহংকার করা
ব্যাখ্যা
• 'ধরাকে সরা জ্ঞান' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অহংকার করা।
বাক্য গঠন: তুমি ধরাকে সরা জ্ঞান করে সাধারণ মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করছো।

অন্যদিকে,
• 'সপ্তমে চড়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - 'প্রচণ্ড উত্তেজনা'।
• ‘ভেক ধরা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভান করা।
• 'আঠারো মাসে বছর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।
১১.
ধারাবাহিকতা’ বোঝাতে কোন দ্বিরুক্ত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
  2. আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
  3. ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে চায়।
  4. তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন অর্থে বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি শব্দ:
১. আধিক্য বোঝাতে : রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান।
২. সামান্য বোঝাতে : আমার জ্বর জ্বর লাগছে। কবি কবি ভাব।
৩. পরস্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে : তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।
৪. ক্রিয়া বিশেষণ : ধীরে ধীরে যায়, ফিরে ফিরে চায়।
৫. অনুরূপ কিছু বোঝাতে : তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
৬. আগ্রহ বোঝাতে : ও দাদা দাদা বলে ডাকছে, শিশুটি মা মা বলে কাঁদছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'ভবনদী' কোন সমাস?
  1. কর্মধারয় সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• 'ভব রূপ নদী = ভবনদী' হলো রূপক কর্মধারয় সমাস।

• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- উপমেয় ও উপমান অভেদ কল্পনা করে যে সমাস তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
 যেমন: 
- জ্ঞানরূপ আলোক = জ্ঞানালোক,
- বিষাদরূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু।

এইরূপ,
শোকসাগর, ভবনদী, শোকানল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, জ্যোতিভূষণ চাকী।
১৩.
নিচের কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব শব্দ?
  1. মোটাসোটা
  2. এলোমেলো
  3. খুটুর খুটুর
  4. ঘুম ঘুম
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খুটুর খুটুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুটুর খুটুর
ব্যাখ্যা
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
- আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত বলে।
- যেমন- ঝমঝম, কুটুস- কুটুস, কুট কুট, জ্বলজ্বল, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস।   

অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। 
যেমন: গুটিশুটি, ঝিকিমিকি, মোটাসোটা, আম টাম, এলোমেলো ইত্যাদি।  

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
যেমন: গরম গরম, জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায়, ঘুম ঘুম ইত্যাদি।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।