পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি প্রকরণ) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
মানুষ মনের ভাব আদান-প্রদান করে কী দিয়ে?
  1. ক) ধ্বনি
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বাক্য
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্য
ব্যাখ্যা
বাক্য দিয়ে মানুষ মনের ভাব আদান-প্রদান করে।

• গলনালি, মুখবিবর, কণ্ঠ, জিভ, তালু, দাঁত, নাক প্রভৃতি প্রত্যঙ্গ দিয়ে মানুষ নানা রকম ধ্বনি তৈরি করে।
- এক বা একাধিক ধ্বনি দিয়ে তৈরি হয় শব্দ। শব্দের গুচ্ছ দিয়ে বাক্য গঠিত হয়।
- বাক্য দিয়ে মানুষ মনের ভাব আদান-প্রদান করে।
- মনের ভাব প্রকাশক এসব বাক্যের সমষ্টিকে বলে ভাষা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'বন্য' শব্দটির চলিত রূপ -
  1. ক) বুনো
  2. খ) বন্য
  3. গ) বোনো
  4. ঘ) বনো
সঠিক উত্তর:
ক) বুনো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুনো
ব্যাখ্যা
• বন্য (বিশেষণ) এর চলিত রূপ - বুনো।

• এরূপ আরো কয়েকটি:
- মস্তক (বিশেষ্য) এর চলিত রূপ - মাথা।
- জুতা (বিশেষ্য) এর চলিত রূপ - জুতো।
- তুলা (বিশেষ্য) এর চলিত রূপ - তুলো।
- শুষ্ক/শুকনা (বিশেষণ) এর চলিত রূপ - শুকনো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি হয় -
  1. ক) চলতিরীতিতে
  2. খ) সাধু-রীতিতে
  3. গ) আঞ্চলিক রীতিতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সাধু-রীতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাধু-রীতিতে
ব্যাখ্যা
• সাধু-রীতি: যে ভাষারীতিতে তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি এবং ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়, তাকে সাধুরীতি বলে; যেমন- করিয়াছি, তাহারা ইত্যাদি।

• চলতিরীতি: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে চলতিরীতি বলে; যেমন- করেছি, তারা ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বর্ণমালা' ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. ক) রূপত্বত্ত
  2. খ) বাক্যত্বত্ত
  3. গ) ধ্বনিত্বত্ত
  4. ঘ) অর্থত্বত্ত
সঠিক উত্তর:
গ) ধ্বনিত্বত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধ্বনিত্বত্ত
ব্যাখ্যা
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি উপভাষা নয়?
  1. ক) কামরূপি
  2. খ) সাধু
  3. গ) বরেন্দ্রি
  4. ঘ) বাঙ্গালি
সঠিক উত্তর:
খ) সাধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাধু
ব্যাখ্যা
• কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়।
- এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায় ৷
- যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা।
- ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে।

• বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল),
- পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল),
- বরেন্দ্র (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল),
- কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল),
- রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ),
- ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল) প্রভৃতি কয়েকটি উপভাষার নাম।

সাধু রীতি দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টির নাম কী?
  1. ক) বর্ণমালা
  2. খ) বর্ণ
  3. গ) ধ্বনি
  4. ঘ) ধ্বনিসমষ্টি
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ণমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ণমালা
ব্যাখ্যা
• ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টির নাম বর্ণমালা

• বর্ণ: ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ (Letter)।

• স্বরবর্ণ: স্বরধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ।
- যেমন: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ : ইত্যাদি ।

• ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ।
যেমন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ ইত্যাদি।

• বর্ণমালা: যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সেই ভাষার বর্ণমালা (Alphabet) বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
 
.
ধ্বনির বিভাজন অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালাকে ভাগ করা হয় কয় ভাগে?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ।
- এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে।
- ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

• ধ্বনির বিভাজন অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- স্বরধ্বনির প্রতীক স্বরবর্ণ।
- ব্যঞ্জনধ্বনির প্রতীক ব্যঞ্জনবর্ণ।

• বাংলা বর্ণমালায় মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি।
• তবে মূল বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণমালায় রয়েছে নানা ধরনের কারবর্ণ, অনুবর্ণ, যুক্তবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'বাঙ্গালি' উপভাষা কোন অঞ্চলের?
  1. ক) বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের
  2. খ) বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চলের
  3. গ) বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের
  4. ঘ) বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি উপভাষার নাম: 
- বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল),
- পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল),
- বরেন্দ্রি (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল),
- কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল),
- রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ),
- ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল) প্রভৃতি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. ক) খ, ঘ, চ, জ
  2. খ) খ, ঘ, ছ, ঝ
  3. গ) ক, গ, ছ, ঝ
  4. ঘ) ক, গ, চ, জ
সঠিক উত্তর:
খ) খ, ঘ, ছ, ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খ, ঘ, ছ, ঝ
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের সময় বাতাসের প্রবাহ অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
ক. অল্পপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- ক, গ, চ, জ ইত্যাদি ।
খ. মহাপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামে পরিচিত -
  1. ক) ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. খ) দন্ত্য ব্যঞ্জন
  3. গ) মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  4. ঘ) তালব্য ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
ক) ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সাধু-রীতিতে
  2. খ) চলতিরীতিতে
  3. গ) আঞ্চলিকরীতিতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) চলতিরীতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চলতিরীতিতে
ব্যাখ্যা
• সাধু-রীতি: যে ভাষারীতিতে তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি এবং ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়, তাকে সাধুরীতি বলে; যেমন- করিয়াছি, তাহারা ইত্যাদি।

• চলতিরীতি: যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে চলতিরীতি বলে; যেমন- করেছি, তারা ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ঘোষ ধ্বনির বৈশিষ্ট্য -
  1. ক) স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়
  2. খ) স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না
  3. গ) বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে
  4. ঘ) বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে
সঠিক উত্তর:
ক) স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে প্রথমত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
১. অঘোষ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।
যেমন- ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি ।
২. ঘোষ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে বলে ঘোষ ধ্বনি। যেমন—গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি ।

• উচ্চারণের সময় বাতাসের প্রবাহ অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
ক. অল্পপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন-ক, গ, চ, জ ইত্যাদি ।
খ. মহাপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন-খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোনগুলো অঘোষ ধ্বনি?
  1. ক) ক, খ, চ, ছ
  2. খ) ক, খ, জ, ঝ
  3. গ) গ, ঘ, জ, ঝ
  4. ঘ) ক, খ, জ, ঝ
সঠিক উত্তর:
ক) ক, খ, চ, ছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক, খ, চ, ছ
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে প্রথমত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
১. অঘোষ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।
যেমন- ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি ।
২. ঘোষ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে বলে ঘোষ ধ্বনি। যেমন—গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি ।

• উচ্চারণের সময় বাতাসের প্রবাহ অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
ক. অল্পপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন-ক, গ, চ, জ ইত্যাদি ।
খ. মহাপ্রাণ: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন-খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের উপভাষা কোনটি?
  1. ক) বরেন্দ্রি
  2. খ) রাঢ়ি
  3. গ) পূর্বি
  4. ঘ) কামরূপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) কামরূপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কামরূপি
ব্যাখ্যা
• বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের উপভাষা নাম কামরূপি
• কয়েকটি উপভাষার নাম: 
- বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল),
- পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল),
- বরেন্দ্রি (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল),
- কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল),
- রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ),
- ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল) প্রভৃতি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
বাংলা বর্ণমালায় কোন মৌলিক ধ্বনির কোনো বর্ণ নেই?
  1. ক) [আ]
  2. খ) [অ]
  3. গ) [অ্যা]
  4. ঘ) [এ]
সঠিক উত্তর:
গ) [অ্যা]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) [অ্যা]
ব্যাখ্যা
• বাংলা বর্ণমালায় 'অ্যা' ধ্বনিজ্ঞাপক কোনো বর্ণ নেই ।

• মৌলিকতা অনুযায়ী, স্বরধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা—

• মৌলিক স্বরধ্বনি: যে স্বরধ্বনিকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বর বলে।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। যেমন- ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।
- বাংলা বর্ণমালায় 'অ্যা' ধ্বনিজ্ঞাপক কোনো বর্ণ নেই ।

• দ্বিস্বরধ্বনি: পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চরণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয় যা দ্বিস্বর নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়।
- দ্বিস্বরে দুটি স্বর থাকে একটি পূর্ণ, আর একটি অপূর্ণ।
- বাংলায় পরের স্বরটিই সাধারণত অর্ধ হয়।
- বাংলা ভাষায় ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি রয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে : ঐ এবং ঔ। উদাহরণ : কৈ, বৌ।
- অন্য যৌগিক স্বরের চিহ্ন স্বরূপ কোনো বর্ণ নেই।

সূত্র: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।