উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
- ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১২ সালে।
⇒ Section-11-[(2A) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Chief Judicial Magistrate, Additional Chief Judicial Magistrate and other Judicial Magistrates shall hold its sitting.]
- Sub-section (2A) was inserted after the sub-section (2) by section 2 of the Code of Criminal Procedure, (Amendment) Act, 2012 (Act No. XXXVII of 2012).
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) সেকশন ১১ এর একটি সংশোধনী। এখানে একটি নতুন উপ-ধারা (২ক) যোগ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর মূল বক্তব্য হলো:
- সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবে যে:
প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অতিরিক্ত প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত কোন স্থান বা স্থানসমূহে তাদের বসার আয়োজন করবে।
অর্থাৎ এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলো কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।