পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক [মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোন পটাশ এলাম নামে পরিচিত?
  1. কস্টিক সোডা
  2. ফিটকিরি
  3. সেভিং সোপ
  4. ডিটারজেন্ট
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা
• অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা ফিটকিরি।
- রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] (পটাশিয়াম সালফেট এলুমিনিয়াম সালফেট, ২৪ অণু পানি);
•একে পটাশ এলামও বলা হয়ে থাকে।

• ফিটকিরি:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ।
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
-অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- পটাস অ্যালামে 24 অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ; রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ধাতুর Ductility সর্বোচ্চ?
  1. কাচা লোহা
  2. তামা
  3. জিঙ্ক
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
• Ductility বা নমনীয়তা:
- Ductility বা নমনীয়তা (নমনশীলতা) হলো একটি পদার্থের সেই বৈশিষ্ট্য, যার মাধ্যমে সেটিকে সহজেই তার (wire) আকারে টানা যায়, ভেঙে না গিয়ে।
- সোনার (Gold - Au) Ductility সর্বোচ্চ।

• কারণ:
- এটি অত্যন্ত নমনীয় এবং প্রসারণযোগ্য ধাতু।
- মাত্র ১ গ্রাম সোনা দিয়ে প্রায় ২ কিলোমিটার (২০০০ মিটার) লম্বা তার তৈরি করা যায়!
- সোনা সহজে না ভাঙে, না ফাটে, বরং খুব পাতলা ও লম্বা আকৃতিতে টানা যায়।
- এটি অন্যান্য ধাতুর তুলনায় বেশি নমনীয়, তাই গয়না, বৈদ্যুতিক তার ও ন্যানো টেকনোলজিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় কোন রাসায়নিক উপাদান থাকে?
  1. শ্বেত ফসফরাস
  2. লোহিত ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• লোহিত ফসফরাস:
- দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় লোহিত ফসফরাস ব্যবহৃত হয়।
- লোহিত ফসফরাস একটু উষ্ণ অবস্থায় বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে।
- তাই লোহিত ফসফরাস ব্যবহার করে তৈরি করা হয় ম্যাচের কাঠি।
- ম্যাচের কাঠি বারুদে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ তৈরি হয়, তাতে লোহিত ফসফরাস অক্সিজেনর সঙ্গে বিক্রিয়া করে জ্বলে ওঠে।

• ফসফরাস: রূপভেদ ২ টি।
• শ্বেত ফসফরাস ও
• লোহিত ফসফরাস।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই ও ব্রিটানিকা।
.
ক্যাথোডকে কী বলে?
  1. ধনাত্মক তড়িৎদ্বার
  2. ঋনাত্মক তড়িৎদ্বার
  3. নিরপেক্ষ তড়িৎদ্বার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঋনাত্মক তড়িৎদ্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋনাত্মক তড়িৎদ্বার
ব্যাখ্যা
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন।
যথা-
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং
২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার।
• অ্যানোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বলে।
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়।

• ক্যাথোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বলে।
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি অধাতু?
  1. ডায়মন্ড
  2. কপার
  3. সিলভার
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা
• অধাতু:
- যেসব মৌলিক পদার্থ সাধারণত নরম, অ-চকচকে, স্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর হয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে।
- কার্বন, সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।
- ডায়মন্ড হচ্ছে কার্বনের একটি রূপভেদ তাই ডায়মন্ড অধাতু।

অন্যদিকে,
• ধাতু:
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
-ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
যে কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে কী বলে?
  1. তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ
  2. গ্যালভানিক কোষ
  3. ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষ
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানিক কোষ:
- যে কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে গ্যালভানিক কোষ বলে।

অন্যদিকে,
- যে কোষে তড়িৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বা ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষ  বলে।



উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোলেস্টেরল মূলত এক ধরনের-
  1. অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
  2. সম্পৃক্ত অ্যালকোহল
  3. জৈব এসিড
  4. এমিনো এসিড
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
• কোলেস্টেরল:
- কোলেস্টরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়।
- কোলেস্টেরলকে কঠিন বা অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল বলা হয়।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক ইত্যাদি রোগের আশংকা বেড়ে যায়।
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে।
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম-
- উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein - HDL)। 
- নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein - LDL)। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
থার্মোসেটিং প্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সবসময় ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়
  2. তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়।
  3. শক্ত ও কম নমনীয় হয়
  4. বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায় থার্মোপ্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য।

• গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১। থার্মোপ্লাস্টিক ও
২। থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক।

• থার্মোসেটিং প্লাস্টিক:
- এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়।
- তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়।
- এ জাতীয় পলিমার অণুতে পরমাণুগুলোর শিকলের মধ্যে সমযোজী এবং পার্শ্ববর্তী শিকলের গঠনের সাথে দৃঢ়ভাবে হাইড্রোজেন বন্ধন বর্তমান থাকে।
- যেমন- ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
টমেটোতে প্রধানত কোন এসিড পাওয়া যায়?
  1. টারটারিক এসিড
  2. অ্যাসিটিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. স্যালিসাইক্লিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা
• টমেটোতে থাকে ম্যালিক এসিড।

• বিভিন্ন জৈব এসিড:
- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড।
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১০.
নিচের কোন পদার্থের ব্যাপনহার সর্বোচ্চ?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. অক্সিজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. নাইটোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেনের(H2) ব্যাপনহার সর্বোচ্চ।

• ব্যাপন:

- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
- কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম।
- H2. He, N2, O2 এবং CO₂ গ্যাসগুলোর আণবিক ভর যথাক্রমে 2, 4, 28, 32 এবং 44।
- এই গ্যাসগুলোর মধ্যে H₂ এর আণবিক ভর কম, তাই H₂ এর ব্যাপন হার বেশি হবে।
এবং CO₂ এর আণবিক ভর বেশি, কাজেই CO₂ এর ব্যাপন হার কম হবে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
ফল পাকানোর জন্য দায়ী-
  1. ইথিলিন
  2. মিথিলিন
  3. এস্টার
  4. জিবেরেলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা
• ইথিলিন (C₂H₄):
- ইথিলিন (C₂H₄) একটি উদ্ভিদের হরমোন, যা ফল পাকানোর জন্য প্রধানত দায়ী।
- এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন, যা স্বাভাবিকভাবে ফল, ফুল ও অন্যান্য উদ্ভিদকোষ উৎপন্ন করে।
- ইথিলিন ফলের কোষে কিছু এনজাইম সক্রিয় করে ফক পাকতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে,
- মিথিলিন (Methyline) – এটি একটি রাসায়নিক যৌগ, যা ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- এস্টার (Ester) – এটি মূলত সুগন্ধি যৌগ, যা ফলের সুগন্ধ বাড়ায়, তবে পাকানোর কাজে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।
- জিবেরেলিন (Gibberellin) – এটি গাছের বৃদ্ধি ও অঙ্কুরোদগমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২.
স্টেইনলেস স্টিলে ব্যবহৃত হয়-
  1. লোহা + নিকেল + ক্রোমিয়াম
  2. লোহা + দস্তা + ক্রোমিয়াম
  3. লোহা + সিসা +অ্যালুমিনায়াম
  4. লোহা + সিসা + ক্রোমিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা + নিকেল + ক্রোমিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা + নিকেল + ক্রোমিয়াম
ব্যাখ্যা
• স্টেইনলেস স্টিলে ব্যবহৃত হয় লোহা(৭৪%) + নিকেল(৮%) + ক্রোমিয়াম(১৮%)

• সংকর ধাতু:

- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না।
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্রধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
মৃৎক্ষার ধাতুর প্রমাণ জারণ সংখ্যা-
  1. +১
  2. +২
  3. -১
  4. -২
সঠিক উত্তর:
+২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+২
ব্যাখ্যা
• জারণ সংখ্যা নির্ণয়:
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল।
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

• বিভিন্ন মৌলের প্রমাণ জারণ মান:
- ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +1.
- মৃৎক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +2.
- ধাতব হাইড্রাইড ব্যতিত অন্যসব মৌলের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা +1.
- ধাতব হাইড্রাইডের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা -1.
- অক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -2.
- পারঅক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -1.
- ধাতব হ্যালাইডে হ্যালোজেনের জারণ সংখ্যা -1.

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
সবচেয়ে হালকা ধাতু কোনটি?
  1. লিথিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. পারদ
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
ব্যাখ্যা
• লিথিয়াম (Li):
- লিথিয়াম (Li) হলো বিশ্বের সবচেয়ে হালকা ধাতু।
- এটি পারমাণবিক সংখ্যা ৩ এবং ঘনত্ব পানির ঘনত্ব এর চেয়েও কম।
- ফলে লিথিয়াম পানিতে ভাসতে পারে।

• লিথিয়ামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- এটি পর্যায় সারণির ক্ষারীয় ধাতু (Alkali Metal) গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত।
- এটি খুবই হালকা এবং নরম, ছুরি দিয়ে কাটা যায়।
- এটি খুব বেশি বিক্রিয়াশীল (reactive), বিশেষ করে পানির সাথে তীব্র বিক্রিয়া করে।
- লিথিয়াম ব্যাটারি, ওষুধ (বাইপোলার ডিসঅর্ডার), মহাকাশ প্রযুক্তি, এবং হালকা সংকর ধাতু (alloy) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• কয়েকটি ধাতু সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ তথ্য:

- পারদ একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে, এটি তাপ কুপরিবাহী, ধাতুর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
- সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু- পটাসিয়াম (K)।
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু- লোহা।
- উড়োজাহাজ তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
- লিথিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাসিয়াম ধাতু পানি আপেক্ষা হালকা।
- লোহা বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা (Fe2O3.nH2O) গঠন করে।
- সোডিয়াম ধাতুকে কেরোসিনের নিচে রাখা হয়।
- সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, রসায়ন এবং ব্রিটানিকা।